Tuesday, 31 May 2016

রোজার ২০টি টিপস দেকে নিন

রোজার ২০টি টিপস দেকে নিন

পবিত্ররমজান মাস আসলে ছোট বড় নারী পুরুষভেদে প্রায় সকল মুমিন মুসলমান রোজা রাখেন।

এক্ষেত্রে দীর্ঘ ১১ মাসের স্বাভাবিক আহার,নিদ্রা, নিয়ম-নীতির কিছুটা ব্যত্যায় ঘটে। এরপরও
একজন রোজাদার কিছু পরামর্শ অনুসরণ করলে থাকতে পারেন সুস্থ, সবল এবং রাখতে পারেন
সৃষ্টিকর্তার বড় নিয়ামত রোজা।
কিভাবে রোজা রেখে সারাটি মাস সুস্থ থাকবেন এই নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সূত্রের আলোকে রোজাদারদের প্রতি আমাদের পরামর্শ।
১. রমজানে যাদের চিকিত্সা নিতে হয় তারা এবং যারা সুস্থ থেকে রোজা পালন করতে চান
তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে চিকিত্সার পরামর্শ নেয়া উচিত।
২. রোজায় পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান গ্রহণ, পানি শূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত পানি পান এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার।
৩. সেহেরীর সময় অতিরিক্ত আহার করবেন না।
খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত আশ জাতীয় শর্করা খাবার রাখুন। বেশী আমিষ খান এবং খাদ্য
তালিকায় রাখতে হবে সবজি-ফল।
৪. দিনের গরমের সময় ঠান্ডা যায়গায় বিশ্রাম নিন। সম্ভব হলে শারীরিক পরিশ্রম কমিয়ে দিন।
৫. ইফতারির সময় খেজুর, প্রচুর শরবত, দুধ, ফলের রস বেশী না খেয়ে মাগরিব এর পর হালকা খাবার যেমন স্যুপ ও অন্যান্য হালকা খাবার খেতে হবে। রক্তে চিনির মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে খাদ্য তালিকায় কিছুটা মিষ্টি জাতীয় খাদ্য রাখুন।
৬. রাতের খাবারের ক্ষেত্রে সুষম খাদ্য তালিকা অনুসরণ করুন। অতিরিক্ত খাবার বর্জন করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৭. চা, কফি, সোডা পান থেকে বিরত থাকুন।
৮. মৌসুমী ফল দিয়ে তৈরী ডেজার্ট খেতে পারেন।
৯. ইফতারির পর থেকে ঘুমাতে যাবার আগ পর্যন্ত অন্তত: ৮ গ্লাস পানি পান করুন।
১০. সন্ধ্যায় হালকা ব্যায়াম যেমন: ১৫-২০ মিনিট হাটার অভ্যাস করুন।
১১. তেলে ভাজা খাবার ও অধিক মসলাযুক্ত ঝাল
খাবার পরিহার করুন। এসব খাবারে বুক জ্বালাপোড়া ও হজমে সমস্যা হয়।
১২. প্রতিদিন অন্তত: ১টা মাল্টিভিটামিন সেবনের চেষ্টা করুন।
১৩. কয়েক বার দাঁত পরিষ্কার ও ফ্লসিং করুন। (রোজাদারগণ এটা করে থাকেন)
১৪. দিনে কয়েকবার হাত মুখ ওয়াশ করুন। (রোজাদারগণ এটা করে থাকেন)
১৫. ধূমপান ত্যাগ করুন।
১৬. পর্যাপ্ত ঘুমানোর জন্য আপনার ঘুমের একটা নির্দিষ্ট
সময় নির্ধারণ করুন।
১৭. রোজা রেখে অধিক ও অপ্রয়োজনীয় আলাপ আলোচনা থেকে বিরত থাকুন।
১৮. রোজায় যাদের অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার ও উচ্চ রক্তচাপ থাকে তারা চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন বিধি পুন: নির্ধারন
করুন।
১৯. রোজা রেখে আকষ্মিক
কোন অসুস্থতা যেমন; অতিমাত্রায় দুর্বলতা, অসস্থি থাকলে সম্ভব হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন অথবা ব্লাড প্রেসার পরীক্ষা করুন।
২০. গুরুতর অসুস্থতায় রোজা ভঙ্গের প্রয়োজন হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন অথবা শরীয়তের
বিধান অনুসরণ করুন।
সোর্সঃ দৈনিক ইত্তেফাক ।
ক্যাটেগরি: ধর্ম

posted from Bloggeroid

ইসলামিক টিপস

ইসলামিক টিপস

সব শিয়ালই মুরগির স্বাধীনতা চায়, যেন অবাধে তারা মুরগি খেতে পারে ---! তেমনি সকল খারাপ লোকেরাই রাস্তায় নারীর স্বাধীনতা চায়, যেন অবাধে তারা খারাপীর মাএা বাড়িয়ে দিতে পারে। """ পর্দাই মেয়েদের আসল নিরাপদ থাকার স্থান """ ঝিনুকের ভিতরে মুক্তা যেমন নিরাপদ থাকে, তেমনি নারীরা পর্দায় নিরাপদ থাকে।

posted from Bloggeroid

মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দামই বেশি ভালো ছেলেদের নয় কেন জেনে নিন

মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দামই বেশি ভালো ছেলেদের নয় কেন জেনে নিন

কলেজের সবচেয়ে বখাটে ছেলেটিও
এই পর্যন্ত তিন তিনটা প্রেম করে
ফেললো। আর আমি এতো ভালো ছাত্র
হয়েও একটি প্রেমও হলো না এখন পর্যন্ত
– হয়তো এমন কথাটি আপনার মনে
ঘুরপাক খাচ্ছে। তাহলে কি মেয়েদের
কাছে খারাপ ছেলেদের দাম বেশি?
ভালো ছেলেদের কি কোন দামই
নেই? এই প্রশ্নগুলো কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছেলেদের
মনেই ঘুরে। খারাপ ছেলেদের প্রতি
মেয়েদের এতো আকর্ষন কেন?
স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নটা মনে
জাগতে পারে যখন কেউ দেখা যায়
যে খারাপ ছেলেরা খুব সহজেই
মেয়েদের পটিয়ে ফেলছে। আর
মেয়েরাও খারাপ ছেলেদের প্রতি
তীব্র আকর্ষণ বোধ করছে। কিন্তু এর
কারণ কি? ভালো ছেলেদের বদলে
খারাপ ছেলেদের প্রতি এমন আকর্ষণ
কি অস্বাভাবিক নয়? জেনে নিন
কারনগুলো ।
* চ্যালেঞ্জ নেয়া : মেয়েরা
চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। আর একটা
খারাপ ছেলের সাথে সম্পর্ক করাকে
তাঁরা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে
নেয়। চ্যালেঞ্জটা হলো একটা খারাপ
ছেলেকে ধীরে ধীরে ভালো করে
তোলা। কিন্তু এই কঠিন চ্যালেঞ্জে
বেশিরভাগ মেয়েকেই হেরে যেতে
হয়। কারণ খুব কম ক্ষেত্রেই একটা খারাপ
ছেলে ভালো পথে ফিরে আসতে
পারে। সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো
একটা ছেলেকে খারাপ পথ থেকে
ভালো পথে ফিরিয়ে আনার পর সেই
মেয়েটিই ঐ ছেলের প্রতি আগ্রহ
হারিয়ে ফেলে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে
ফেলে। কারণ যেসব স্বভাবের কারণে
মেয়েটির কাছে ঐ ছেলেটিকে
ভালো লেগেছিলো, সেই
স্বভাবগুলো আর ছেলেটির মধ্যে খুঁজে
পায় না। ফলে ছেলেটির প্রতি
মেয়েটির আগ্রহ কমে যায়।
* আত্মবিশ্বাস : মেয়েরা
আত্মবিশ্বাসী ছেলেদেরকে পছন্দ
করে। আর খারাপ ছেলেদের মধ্যে
আত্মবিশ্বাসের কোনো কমতি থাকে
না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা
অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয় অথবা
আত্মবিশ্বাসী না হলেও অভিনয় করে।
তাই স্বাভাবিক ভাবেই মেয়েরাই
এধরণের ছেলেদের প্রতি বেশি
আকর্ষণবোধ করে এবং এই আকর্ষণের
কারণে মেয়েরা একটা ভুল সম্পর্কের
দিকে এগিয়ে যায়।
* পৌরুষ : খারাপ ছেলে বললে আপনার
চোখে সবার প্রথমে কি ভেসে উঠে?
কালো সানগ্লাস, মোটর সাইকেল,
মুখে সিগারেট আর ট্যাটু? এই
বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্যই বেশিরভাগ
নারীর কাছেই খারাপ ছেলেদেরকে
বেশি পুরুষত্বের অধিকারী মনে হয়।
ফলে এ ধরণের ছেলেদেরকে তাঁরা
সাহসী ভাবে এবং তাদের সংস্পর্শে
মেয়েরা নিজেদেরকে বেশি
নিরাপদ মনে করে। যদিও প্রকৃতপক্ষে
খারাপ ছেলেদের সংস্পর্শ কখনোই
নিরাপদ হতে পারে না।
* রহস্য : মেয়েদের কাছে খারাপ
ছেলেদেরকে রহস্যময় লাগে। একটা
খারাপ ছেলে কি করছে, তার
জীবনযাত্রা কেমন, কোথায় যাচ্ছে
এসব নিয়ে বেশিরভাগ মেয়েই বেশ
উৎসাহী থাকে। আর এই রহস্য উৎঘাটনের
নেশার বশেই ভুল পথে পা বাড়ায়
মেয়েরা।
* সম্পর্কে আধিপত্য : যে সব মেয়েরা
পুরুষের উপর বেশি নির্ভরশীল থাকতে
পছন্দ করে তাঁরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে
সঙ্গীর আধিপত্যও পছন্দ করে। একটু
বখাটে ধরণের বদমেজাজি ছেলেরা
সঙ্গীর উপর জোর করে আধিপত্য দেখায়।
তারা চায় তার স্ত্রী কিংবা
বান্ধবী সব কিছু তার কথা মতই করুক এবং
তার অনুমতি নিয়ে চলুক।
* কথাবার্তা : বেশিরভাগ খারাপ
ছেলেরাই মেয়েদের পটিয়ে অভ্যস্ত।
কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা
বলতে এগিয়ে যেতে হবে, কিভাবে
প্রেমের প্রস্তাব দিতে হবে কিংবা
প্রশংসা করতে হবে এগুলো তাঁরা বেশ
ভালো করেই জানে। এসব ক্ষেত্রে
তাদের কোনো জড়তা কাজ করে না।
ফলে তাঁরা সহজেই মেয়েদেরকে
পটিয়ে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করে।
ভালো ছেলেরা একটু লাজুক প্রকৃতির
হয়। ফলে একটা মেয়ের সাথে নিজে
থেকে এগিয়ে গিয়ে পরিচিত হতে
কিংবা সখ্যতা গড়ে তুলতে বেশ সময়
লেগে যায় তাদের। আর এই সুযোগের
ব্যবহার করে খারাপ ছেলেরা। ফলে
তাঁরা বেশ সহজেই মেয়ে পটিয়ে
ফেলতে পারে।

posted from Bloggeroid

আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেকে হাড়ল স্বামী।

আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেকে হাড়ল স্বামী।

ভারতে ! মহাভারতের যুধিষ্ঠিরের ‘যোগ্য
উত্তরসূরী’ হিসেবে দেশটির কানপুরের এক
স্বামী আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেখে
হারলেন।

এনডিটিভি খবর অনুযায়ী, ভারতের কানপুরের
গোবিন্দ নগরের বাসিন্দা গুনধর স্বামী জাসমিত
নান্দা পেশায় শেয়ার ট্রেডার। তাঁর স্ত্রীর
অভিযোগ বিয়ের পরের দিনই স্বামী তাঁর সব
গয়না চেয়ে নেন। আজ আর তাঁর একটাও
অবশিষ্ট নেই। তাও জুয়ার নেশা শেষ হয়নি।
আইপিএল শুরু হওয়া থেকেই একের পর এক বাজি
রেখে সব খুইয়ে বসেছেন। শেষে
নিজের বউকেও বাজি ধরে বসেন।
স্বামীর এই কীর্তির কথা স্ত্রী জানতে
পারেন যখন স্বামীর জুয়ার সঙ্গীরা তাঁর সঙ্গে
অশালীন আচরণ করতে শুরু করেন। তাঁকে
অশ্রাব্য কথা বলতে শুরু করেন। লাঞ্ছনা, নিগ্রহ
কিছুই বাদ যায়নি। শেষপর্যন্ত এক ব্যক্তির সহায়তায়
কোনোক্রমে পুলিশে খবর দেন ওই
নারী।
পরে পুলিশ এসে গ্রেপ্তার করে তাঁর
স্বামীকে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।
ওই নারীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে
পারে, শেয়ার মার্কেটে টাকা খাটিয়ে সর্বস্বান্ত
হয়েছেন ওই ব্যক্তি। ভেবেছিলেন
আইপিএলে দাঁও মারবেন। কিন্তু, সেখানেও
স্ত্রীকে বাজি ধরে হেরে যান..
নারীর জবানবন্দি অনুযায়ী,তাঁর স্বামী যখন
তখন তাঁকে মারধর করেন। বাপেরবাড়ি থেকে
টাকা আনার জন্যও চাপ দেন। কিছুদিন আগেই
তাঁকে সাত
লাখ টাকা জোগাড় করে আনতে বলেন
স্বামী।

posted from Bloggeroid