Friday, 10 June 2016

যে তেল ব্যবহার করলে টাক মাতায় চুল গজাবেই দেখে নিন

যে তেল ব্যবহার করলে টাক মাতায় চুল গজাবেই দেখে নিন

যে তেল মাথায় দিলে টাকে চুল জন্মাবেই





প্রথমেই বলে নেওয়া কোনও কোম্পানি বা প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন নয়। বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই এই প্রতিবেদন। চুল নেই অথবা চুল পড়ে যাচ্ছে যাদের তাঁদের জন্য একমাত্র সমাধান। যা নিয়মিত ব্যবহারে অনুর্বর টাকে ’ফসল হয়’, চুল জন্মায়।

রেড়ির তেল ব্যবহার করলে টাকে চুল হয়। তবে আছে নির্দিষ্ট পদ্ধতি। ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ বেড়ির তেলে রয়েছে এমন ভেষজ কিছু উপাদান যা টাকে চুল গজাতে সাহায্য করে। প্রোটিন, মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিড, ওমেগা ফ্যাটি ইত্যাদি সমস্ত বিষয় রয়েছে রেড়ীর তেলে। এই সমস্ত উপাদানই চুল পড়া বন্ধ করে ও চুল গজিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

কীভাবে ব্যবহার করা উচিত?
অবশ্যই, নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়েই এই তেল ব্যবহার করা উচিত। দুটোর পরিমাণ সমান হলেই ভালো। এরপর ওই মিশ্রণ ব্রাশ অথবা হাত দিয়ে স্কাল্পে মালিশ করে নিন। খেয়াল রাখতে হবে চুলের গোড়া পর্যন্ত যেন তৈল মিশ্রণ পৌঁছে যায়। এরপর একটু উষ্ণ তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। ওই অবস্থায় থাকুন অন্তত ৮ ঘণ্টা। এরপর শ্যাম্পু করে নিন।

কী কী উপকার পাওয়া যায়?
এক। চুল পড়া বন্ধ করে।
দ্বিতীয়। চুলের গোড়াকে মজবুত করে।
তৃতীয়। চুলকে ঘন করে।
চতুর্থ। মাথায় খুসকি হওয়া থেকে স্কাল্পকে রক্ষা করে।
পঞ্চম। চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়।
Share
0

posted from Bloggeroid

ইয়ার ফোন কিশোর তরুনদের যে বিপদ ডেকে আনছে দেখে নিন

ইয়ার ফোন কিশোর তরুনদের যে বিপদ ডেকে আনছে দেখে নিন

ইয়ার ফোন কিশোর-তরুনদের যে বিপদ ডেকে আনছে





হাতে স্মার্টফোন, কানে ইয়ারফোন। সঙ্গে ইন্টারনেট। বাইরের পৃথিবী বন্দি একটি ‘টাচে’। অনবরত কানে বাজছে নানা ধরনের সুর।
সুরের এই পৃথিবীতে ডুবে থাকার নেশার আড়ালে কিন্তু লুকিয়ে রয়েছে বিপদ। শরীর ও মনের ছন্দ বেসুরো হয়ে যাওয়ার ভয়। হু-র (ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন) সমীক্ষা বলছে, গোটা বিশ্বের প্রায় ১১০ কোটি টিন এজার ও যুবক-যুবতী শ্রবণক্ষমতা হারানোর দোরগোড়ায়। সৌজন্যে, ব্যক্তিগত অডিও গ্যাজেটের লাগাম ছাড়া ব্যবহার।



মাঝারি ও বেশি আয়ের দেশগুলি থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে হু-এর আশঙ্কা, ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ৫০ শতাংশ বিপদজনক শব্দসীমার মধ্যে আছে। ‘‘দীর্ঘ সময় ধরে ইয়ারফোন লাগিয়ে রাখার জন্যই বাংলাদেশের বিশেষ করে শহর এলাকার ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সিদের কানের সমস্যা বাড়ছে। আর তা থেকে অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও,। অ্যাকস্টিক নিউরোমা বা কানে টিউমারের সংখ্যা বাড়ছে কলকাতায়। অন্যান্য কারণের সঙ্গে ইয়ারফোন বা হেডফোনে খুব জোরে গান শোনা এর জন্য দায়ী বলে মনে করছেন চিকিত্সকেরা।


কিন্তু আজকের প্রজন্মের মধ্যে শব্দের জগতে ডুবের থাকার এত প্রবণতা কেন? ‘‘ভাল লাগা থেকে শুরু হলেও গান শোনার অভ্যাসটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে নেশায়, মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন আমরা পাবলিক স্পেসেও নিজের জন্য একটা কমফর্ট জোন খুঁজে নিতে চেষ্টা করি। চারপাশের মানুষজনের প্রতি যে উদাসীনতা এখন দেখা যায়, ইয়ারফোনে মগ্ন থাকা কিছুটা সেই প্রবণতারই লক্ষণ।’’ ট্রেনে-বাসে বই বা ম্যাগাজিন পড়ার মধ্যে মন ও মস্তিষ্কের যে সক্রিয় অংশগ্রহণ আছে, ইয়ারফোনে গান শোনার মধ্যে তা নেই। এক অদ্ভুত উদাসীনতা ভুলিয়ে দিচ্ছে মানুষের সঙ্গে কথোপকথনের স্বাভাবিক অভ্যাস।


মার্কিন বিজ্ঞানী কার্ল ফ্রিসটার্প গবেষণায় দেখাচ্ছেন, এই প্রজন্মের ‘ইয়ারফোন অবসেশন’ থেকে দুটি সমস্যার জন্ম হতে পারে। ‘লার্নেড ডেফনেস’ বা অভ্যাসগত বধিরতা আর ‘জেনারেশনাল অ্যামনেশিয়া’ বা প্রজন্মগত স্মৃতিভ্রংশতা। কান কেবল এক ধরনের শব্দ শুনতে শুনতে হারিয়ে ফেলতে পারে তার সহজাত ক্ষমতা। এমনিতেই এই প্রজন্মের প্রকৃতির সঙ্গে দূরত্ব খুব বেশি। তাই নির্জন স্থানে গিয়েও পাখির ডাক, ঝর্নার শব্দ কানে হয়তো পৌঁছবে না। ইয়ারফোন সব সময় লাগিয়ে রাখার ফলে কান পেতে শব্দ শোনার ক্ষমতা হয়তো হারিয়ে ফেলবে তারা।

posted from Bloggeroid

জেনে নিন আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায়

জেনে নিন আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায়

জেনে নিন আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় ।
ইসলাম



সুফিদের মতে, মানব জীবনে প্রকৃত কল্যাণ লাভ করাই কোরবতে ইলাহী বা খোদার নৈকট্য। এই কল্যাণ কোথায় লাভ করা যায়? আল্লাহ বলেন, ‘ক্বাদ আফলাহাল মু’মিনুনাল্লাজিনা হুম ফী সালাতিহিম খাশেউন’। যারা খুশুখুজু বা তাকওয়াসহ নামাজে রত থাকে তারাই প্রকৃত কল্যাণ লাভ করেছে। কোরবতে ইলাহীর অধিকারী কারা? ‘আসসাবেকুনাস সাবেকুন উলায়িকাল মুকাররাবুন’। আল্লাহ বলেন, অগ্রগামীদের মধ্য যারা অগ্রগামী তারাই মোকাররাব বা নৈকট্যপ্রাপ্ত। নবী (স.)-এর নবুয়তী ডাকে সাড়া দিয়ে যারা ঈমান হাসিল করেছে তারা সবাই অগ্রগামী মানব সম্প্রদায়। তাদের মধ্যে যারা তাকওয়া বা পরহেজগারী অবলম্বন করেছে তারাই অগ্রগামীদের মধ্যে অগ্রগামী। আল-কোরানের ভাষায় ‘আসসাবেকুন’। তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতপ্রাপ্ত জান্নাত। আল্লাহর পরিচয় ও মারেফত হাসিল করার কারণে তাদের হৃদয়ে ‘কোরবতে ইলাহীর’ আকাক্সক্ষা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসে।
কিসের ভিত্তিতে আল্লাহর মারেফত বা প্রকৃত পরিচয় লাভ হয়? মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের মারেফত বা পরিচয় মানব জীবনে তিন প্রকার ইয়াকীন বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে হাসিল হয়।

১. ইলমুল ইয়াকীন বা জ্ঞানগত বিশ্বাস অর্থাৎ জ্ঞান বা জানা-শোনার ভিত্তিতে আল্লাহর পরিচয় লাভ। এর প্রভাব ‘কীল ও কাল’ বা ‘বলা-কওয়ার’ মধ্যে সীমিত। অনেক সময় এখানে ভুল বা ফিতনার অনুপ্রবেশ ঘটা স্বাভাবিক যখন বক্তা বা জ্ঞানের উৎস এবং জানাশোনার বিষয় নানা দোষে দুষ্ট থাকে।

২. আঈনুল ইয়াকীন বা চাক্ষুষ বিশ্বাস অর্থাৎ আল্লাহর কুদরতি সৌন্দর্যের প্রকাশ দেখে তার মারেফত বা পরিচয় উপলব্ধি করা। মানুষের জন্য এই প্রকার বিশ্বাসও দোদুল্যমান অবস্থায় থাকে, কেননা এখানেও ইবলিস ও জিন্নাত শয়তানের ধোঁকা আর জাদুকরদের জাদুর প্রভাব থাকতে পারে। যার কথা সুরা নাসে ‘আল্লাজি ইউওয়াসবিসু ফী সুদুরিন্নাস’ বলে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। অর্থাৎ শয়তানের ওয়াসওয়াসা মানুষের অন্তরেও বাসা বাঁধে। তাই অন্তর আত্মাকে কোনো ইনসানে কামেলের বিশুদ্ধ আত্মার সংস্পর্শে রাখতে হবে যাতে তা বিশুদ্ধ হয়ে যায়। যেমন- ধোঁকাবাজরা সাধারণ মানুষকে খাঁটি সোনার বদলে নকল সোনা গছিয়ে দেয়, কিন্তু যারা বুদ্ধিমান অভিজ্ঞ লোকদের সঙ্গে থেকে ধোঁকাবাজদের ফেরেব থেকে বেঁচে থাকে এবং এক সময় সে তার স্পর্শে থেকে নিজেও অভিজ্ঞ হয়ে যায়। এই অন্তর বিশুদ্ধ করার ঘোষণা কালামে পাকে এভাবে এসেছে ‘ক্বাদ আফলাহা মান তাযাক্কাহ’ আল্লাহ বলেন, ‘সেই কল্যাণ লাভ করেছে যে তার অন্তর পরিশুদ্ধ করতে পেরেছে’।

৩. হাক্কুল ইয়াকীন বা প্রকৃত বিশ্বাস অর্থাৎ পরিশুদ্ধ অন্তরের আলোর দৃষ্টিতে আল্লাহর মারেফত ও পরিচয় উপলব্ধি করে বিবেকের বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে আল্লাহর কুদরত ও সৃষ্টির প্রকৃত রহস্যের পরিচয় লাভ করা, যাতে অন্তরাত্মা প্রশান্তি লাভ করে। কোরআনের ভাষায় যাকে ‘ক্বালবে সালিম’ বলে। আল্লাহ বলেন, ‘লা ইয়ানফাউ মালুও ওয়ালা বানুন ইল্লা মা আতা আল্লাহু বি ক্বাল্বিন সালিম’। প্রশান্ত চিত্ত ছাড়া আল্লাহর অনুগ্রহের মধ্যে ধন-সম্পদ, সন্তানাদির মাঝে কোনো উপকার নেই। এই তিনটি বিশ্বাসের প্রকৃষ্ট উদাহরণ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইব্রাহিম (আ.)-এর কোরআনি সংলাপটি এখানে প্রণিধানযোগ্য। ওয়া ইজ ক্বালা ইব্রাহিমু রাব্বি আরিনি কাইফা তুহয়িল মাওতা-ক্বালা আওয়া লাম তু’মিন–ক্বালা বালা ওয়া লাকিন তাতমাইন্না ক্বালবি। নবী (সা.)-কে স্মরণ করিয়ে আল্লাহ বলেন, যখন ইব্রাহিম (আ.) বললেন, প্রভু হে কি করে আপনি মৃতকে জীবিত করেন? আল্লাহ বলেন, তুমি কি তা বিশ্বাস কর না? এর উত্তরে ইব্রাহিম বললেন, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু এর প্রক্রিয়াটি বাস্তবে দেখলে হৃদয় প্রশান্ত হতো। সুফিদের কাছে এর নামই হাক্কুল ইয়াকীন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে দ্বীনের সহিহ বুঝদান করুন। আমীন

posted from Bloggeroid

১০টি কাজের বিষেয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি হুজুর পাক (সাঃ)

১০টি কাজের বিষেয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি হুজুর পাক (সাঃ)

মহানবী (সা.) যে ১০টি কাজের বিষয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন



কিয়ামত পর্যন্ত তার উম্মতরা যাতে ন্যায়ের পথে থেকে চলতে পারে সেজন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। এ সম্পর্কিত একটি হাদিস এখানে উল্লেখ করা হলো। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ- রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যখন আমার উম্মত ১০টা কাজ করবে, তখন তাদের উপর বিপদ নেমে আসবে। রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলোঃ হে রাসূল, কি সেই দশটি কাজ? যা করলে বিপদ হবে?

তিনি বললেনঃ





১। যখন রাস্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করা হবে।
২। যখন আমানত হিসেবে রক্ষিত সম্পদকে লুটের মাল হিসাবে গ্রহণ করা হবে (অর্থাৎ আত্মসাৎ করা হবে)।
৩। যাকাতকে জরিমানার মত মনে করা হবে।

৪। স্বামী যখন স্ত্রীর আনুগত্য করবে এবং মায়ের অবাধ্য হবে।
৫। বন্ধুর প্রতি সদাচারী ও পিতার সাথে দুর্ব্যবহারকারী হবে।

৬। মসজিদে হৈ চৈ হবে।
৭। জনগণের নেতা হবে সেই ব্যক্তি যে তাদের মধ্যেকার সবচেয়ে নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী।
৮। মানুষকে তার ক্ষতির আশংকায় সম্মান করা হবে।
৯। গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের হিড়িক পড়ে যাবে।
১০। উম্মতের পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদেরকে অভিশাপ দেবে। তখন আগুনের বাতাস আসবে, মাটির ধস ও দেহের বিকৃতি ঘটবে।” সহীহ তিরমিযী; আততারগীব ওয়াত তারহীবঃ ৩য় খন্ডঃ ১৫৪১।

posted from Bloggeroid

তারাবি নামাজের নিয়ত ও দোয়া

তারাবি নামাজের নিয়ত ও দোয়া

তারাবি নামাজের নিয়ত ও দোয়া




মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হওয়ায় সোমবার রাতেই এশার নামাজের পর তারাবির নামাজ শুরু হবে। যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হবে মাহে রমজান। এশার নামাজের চার রাকাত ফরজ ও দুই রাকাত সুন্নতের পর এবং বিতর নামাজের আগে দুই রাকাত করে ১০ সালামে ২০ রাকাত তারাবি নামাজ আদায় করা হয়।
আরবি ‘তারাবিহ’ শব্দটির মূল ধাতু ‘রাহাতুন’ অর্থ আরাম বা বিশ্রাম করা। রমজান মাসের জন্য নির্দিষ্ট তারাবি নামাজ জামাতে পড়া ও সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ একবার খতম করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে তারাবি নামাজ পড়েছেন এবং সাহাবায়ে কিরামকে পড়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন।
তারাবি নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ও কোরআন শরিফ খতম করা অধিক সওয়াবের কাজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) তারাবি নামাজের জন্য রাতের কোনো বিশেষ সময়কে নির্দিষ্ট করে দেননি। তবে তারাবি নামাজ অবশ্যই এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে আদায় করতে হবে।
তারাবি নামাজের নিয়ত- نويت ان اصلى لله تعالى ركعتى صلوة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر. (নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা, রকাআতাই সালাতিত তারাবিহ সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তা’আলা, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার।) অর্থ: আমি ক্বিবলামুখি হয়ে দু’রাকাআত তারাবিহ সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ নামাজের নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।
তারাবি নামাজের চার রাকাত পরপর দোয়া- سبحان ذى الملك والملكوت سبحان ذى العزة والعظمة والهيبة والقدرة والكبرياء والجبروت . سبحان الملك الحى الذى لاينام ولا يموت ابدا ابدا سبوح قدوس ربنا ورب الملئكة والروح. উচ্চারণ: সুব্হানাযিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি সুবহানাযিল ইযযাতি ওয়াল আযমাতি ওয়াল হাইবাতি ওয়াল কুদরাতি ওয়াল কিবরিয়ায়ি ওয়াল জাবারুত। সুব্হানাল মালিকিল হায়্যিল্লাযি লা-ইয়ানামু ওয়ালা ইয়ামুতু আবাদান আবাদা। সুব্বুহুন কুদ্দুছুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।

posted from Bloggeroid

জেনে নিন রোজা ভাঙ্গার কারন

জেনে নিন রোজা ভাঙ্গার কারন

জেনে নিন, কোন কোন কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়
ইসলাম
পবিত্র রমজান মাসের আমরা সঠিকভাবে সবগুলো রোজাই পালন করতে চাই। কিন্তু আমরা অনেকে জানি না রোজা পালনের সঠিক নিয়ম বা কি কি কারণে রোজা ভেঙে যায়। আসুন আমরা জেনে নেই কি করলে বা কোন কোন কাজে রোজা ভেঙে যায়।

১. রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় কোন কিছু খাওয়া বা পান করা অথবা সহবাস করা। এতে কাযা ও কাফফারা (একাধারে দুই মাস রোজা রাখা ওয়াজিব)

২. নাকে বা কানে তেল বা ঔষধ ইত্যাদি প্রবেশ করানো।

৩.নস্যি গ্রহণ করা।

৪. ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা।

৫. বমি আসার পর তা গিলে ফেলা।

৬. কুলি করার সময় বা যেকানোভাবে পানি গলার ভিতরে ঢুকে পড়া।

৭. দাঁতে আটকে থাকা ছোলা তার চেয়ে বড় ধরণের খাদ্যকণা গিলে ফেলা।

৮. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়া অবস্থায় সুবহে সাদেকের পর জাগ্রত হওয়া।

৯. ধুমপান করা। ইচ্ছাকৃতভাবে আগরবাতি কিংবা অন্য কোন সুগন্ধি দ্রব্যের ধোঁয়া গলধ:করণ করা বা নাকের মধ্যে টেনে নেয়া।

১০. রাত মনে করে সুবহে সাদেকের পর সাহরী খাওয়া।

১১. সূর্যান্তের পূর্বে সূর্য অস্তমিত হয়েছে ভেবে ইফতার করা।

এগুলোতে শুধু কাযা ওয়াজিব হয়, কাফফারা ওয়াজিব হয় না। কিন্তু রোজা ভেঙে যাওয়া পর দিনের অবশিষ্ট সময় রোয়াদারের ন্যায় পানাহার ইত্যাদি থেকে বিরত থাকা ওয়াজিব

posted from Bloggeroid