Wednesday, 8 June 2016

দাম্পত্যে সুখি হতে একজন আদর্শ স্ত্রী

দাম্পত্যে সুখি হতে একজন আদর্শ স্ত্রী

টাকা-পয়সা, সৌন্দর্য বিবাহিত জীবনকে সুখী করতে পারে না। অন্তত একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। তাঁর মতে, একটি ভালোবাসাময় সুখী বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য সবার মধ্যে যে গুণটি থাকা প্রয়োজন, তা হলো—আন্তরিকতা। আন্তরিক বলতে তিনি এমন কাউকে বুঝিয়েছেন, যিনি হবেন বিনীত, নমনীয়, বিশ্বাসযোগ্য, ভালো স্বভাব, সহযোগী মনোভাবাপন্ন, ক্ষমাশীল, উদার ও ধৈর্যশীল।

বিবাহিত জীবন অনেক ধরনেরই সমস্যা হয়ে থাকে যা আমরা অনেকেই জানি। আর সমস্যা হতেই পারে কারণ সবার দাম্পত্য এক রকম নয়। এক একটি মানুষের বিবাহিত জীবন থাকে একেক রকমের। আর কখনোই দু’প্রান্তের দুটি মানুষ একই রকম হয়না। তাদের পছন্দ-অপছন্দ, চাল-চলন, মতের মিল, সব কিছুই থাকে ভিন্ন ভিন্ন। আবার অনেকের কাকতালীয় ভাবে মনমানসিকতার মিল থাকে খুব অসাধারণ, যাদের আমরা বলে থাকি ‘পারফেক্ট কাপল’। কিন্তু সমস্যাটা হয় সেখানেই যখন বিবাহিত জীবনে দুটি মানুষের মতের অমিল হতে থাকে।

তখনই দেখা দেয় সম্পর্কে মহামারী সমস্যা। কিন্তু সব সমস্যাতেই শুধু একজনের দোষ থাকেনা। দোষ থাকে উভয়েরই। কিন্তু নিজের দোষটা অনেকেই মেনে নিতে পারেন না। আর পারেন না বলেই সমস্যা আরও বেশি খারাপ রূপ ধারণ করে। কিন্তু এমন কিছু বিষয় থাকে যা কখনোই বিবাহিত জীবনে বলা বা করা ঠিক না। বিশেষ করে নারীদের মনমানসিকতা পুরুষদের তুলনায় খুব নরম হয়ে থাকে ও নারীরা একটু বেশি স্বপ্ন বিলাসী হয়ে থাকেন। তাই তারা অনেক কিছুই মনে করেন ও বলে থাকেন যা আসলে ভুল। জেনে রাখুন তাহলে ১০ বিষয় যা কোন স্ত্রীর করা উচিত না।

১। আমি যেমন আছি তেমনি থাকবো, আমি যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে চলবো, আমার স্বাধীনতায় কোন বাঁধা দেয়া যাবে নাঃ

এই ধরনের কাজ করা ও এইভাবে চিন্তা করা মোটেও কোন ভালো কাজ নয়। আপনাকে অবশ্যই নিজেকে নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আপনি যদি এমনটা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার বিবাহিত জীবনে সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই নিজেকে জটিলতা থেকে দূরে রাখুন, ভালো চিন্তা করুন।

২। স্বামীর আগে অন্যদের প্রাধান্য দেয়াঃ

অনেক স্ত্রীই আছেন স্বামীর আগে অন্যদের বিশেষ করে নিজের বন্ধুদের প্রাধান্য বেশি দিয়ে থাকেন। যেমন ছুটির দিনে আপনার স্বামীকে বাড়িতে রেখে আপনি চলে গেলেন বন্ধুদের সাথে বাইরে শপিং করতে। কিন্তু যেহেতু ছুটির দিন আপনার স্বামী আপনাকে একান্তে পাশে চাইতেই পারেন।

৩। আপনার স্বামী আপনার বান্ধবী হবেন এমন আশা করবেন নাঃ

বান্ধবী তো বান্ধবী আর স্বামী তো স্বামীই। আপনি যদি মনে করে থাকেন আপনার স্বামীর সাথে আপনি আপনার প্রিয় বান্ধবীর মতো আচরণ করবেন, সব কথা তাঁকে বলবেন তাহলে তো সমস্যা হবেই। নিজের জীবনে সবার স্থান আলাদা ভাবে রাখুন, কিন্তু সবাইকে সমান ভাবে ভালোবাসুন।

৪। আপনার স্বামীকে অসম্মান করবেন নাঃ

বিবাহিত জীবনে আপনার স্বামীর কোন একটি কাজ আপনার অপছন্দ হতেই পারে তাই বলে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা, অন্য মানুষের সামনে যা-তা বলা থেকে বিরত থাকুন।

৫। কখনোই আপনার স্বামীকে নিজের বাবার মতো মনে করবেন নাঃ

সব পুরুষই যে এক রকম হয় তা ভাবাটা ভুল হবে। বাবা আর স্বামী কখনোই একরকম হয়না। তাই দুটি মানুষকে একসাথে মেলাবেন না ও আপনার স্বামীর সাথে আপনার বাবার তুলনা করবেন না।

৬। শারীরিক মিলন নিয়ে তুলকালাম করবেন নাঃ

অনেক স্ত্রীই আছেন যারা স্বামীর সাথে সহবাস করে মানসিক তৃপ্তি পান না। তা নিয়ে মহা কান্ডকারখানা ঘটিয়ে ফেলেন, স্বামীকে নিয়ে উপহাস করেন। কিন্তু এই ধরনের কাজ আপনার বিবাহিত জীবনের সমাপ্তি খুব সহজেই ডেকে আনতে পারে। স্বামীর কোন সমস্যা থাকলে তাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করুন। তাকে সাহস দিন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৭। যেকোন জিনিস তাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়া থেকে বিরত থাকুনঃ

স্বাভাবিক ভাবেই আপনাকে কেউ যদি বার বার একটি ব্যাপার নিয়ে কথা বলেন কিংবা কোন একটি কাজের কথা বার বার মনে করিয়ে দেন, আপনি অবশ্যই বিরক্ত হবেন। ঠিক সেভাবেই আপনার স্বামীও আপনার এমন ধরনের কাজে বিরক্ত হতেই পারে।

৮। গৃহকর্ম করার জন্য স্বামীকে বাধ্য করবেন নাঃ

কাজে সাহায্য করা, নিজের কাজ নিজে করা এক জিনিস এবং স্বামীকে গৃহকর্ম করতে বাধ্য করা আলাদা জিনিস। আপনার স্বামীকে বলুন আপনার সাথে কাজে সাহায্য করতে। কিন্তু তাকে সব গৃহকর্ম করতে বলতে পারেন না আপনি।

৯। স্বামীকে কখনো প্রিন্স চার্মিং মনে করবেন নাঃ

প্রথমেই বলা হয়েছে যে, অনেক নারীরাই সপ্নবিলাসী হয়ে থাকেন। তারা মনে করেন তাদের স্বামী হবে রূপকথার সেই ঘোড়ায় চরে আসা রাজপুত্র, যে তার সব কথা শুনবে আর সব অসম্ভবকে সম্ভব করে দেবে। এমনটা না ভাবাই ভালো। বাস্তবতাকে সহজে মেনে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

১০। কথায় কথায় মিথ্যা বলবেন নাঃ

মিথ্যা আমরা কমবেশি সবাই বলে থাকি। পুরুষরাও যে মিথ্যা বলে না তার স্ত্রীর সাথে, এই ধারণা না করাই ভালো। কিন্তু এমন অনেক নারীই আছেন যারা কথায় কথায় বার বার মিথ্যা বলেন, অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে দেন। এইসব করলে আপনি খুব দ্রুত আপনার প্রতি স্বামীর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন।

একজন সুন্দর মনের ও সুন্দর গুণের স্ত্রী সংসারকে তাঁর নিজের আলোয় আলোকিত করে তুলতে পারেন। সাজিয়ে তুলতে পারেন সংসার জীবনকে সুখের স্বর্গীয় বাগানের মতো করে। তবে এই কাজের জন্য দরকার প্রেমিক স্বামীর স্ত্রীর প্রতি ঐকান্তিক মায়া-মমতা ও সুগভীর ভালোবাসা। এই ভালোবাসা থাকলে দেখবেন, বিবাহিত জীবনে সুখ কাকে বলে!

posted from Bloggeroid

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমান বাইবেলে দেখে নিন

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমান বাইবেলে দেখে নিন

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমাণ বাইবেলে!


খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য এই খবর একটি অভিঘাত হিসাবে আসতে পারে। তুরস্কর আঙ্কারার এথনগ্রাফি জাদুঘরে একটি ১৫০০ থেকে ২০০০ বছর আগের বাইবেল পাওয়া যায়। এমনকি আরও জঘন্য সত্য যে এই বাইবেল আরও অনেক আগে আবিষ্কৃত হলেও ২০০০ সাল পর্যন্ত এটি গোপন রাখা হয়েছিল।

এই বাইবেলটি বার্নাবাসের গসপেলের নিকট ছিল, যিনি খ্রীষ্টের শিষ্য ছিলেন। সবচেয়ে অত্যাশ্চর্য জিনিস যে, এই বইতে বলা হয়েছে, যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়নি কিংবা তিনি ঈশ্বরের পুত্র নয়, তিনি একজন নবী ছিলেন।

এই বই অনুসারে, দূত পল একজন ‘প্রতারক’ ছিলেন। উপরন্তু, এই গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, যীশু জীবিত অবস্থায় স্বর্গারোহণ করেছেন এবং তার স্থানে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন জুদাস ইস্কারিওট।

তবে তুর্কি দাবি করেছে যে, এই বাইবেল ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় অভিযানে চোরাকারবারীদের একটি গ্যাং থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই গ্যাং পাচার পুরাকীর্তি ও অবৈধ খনন কাজ করছিল এবং তারা বিভিন্ন বিস্ফোরকও তৈরি করছিলেন। এই বই তুর্কি লিরাস মুদ্রায় ৪০ মিলিয়ন লিরায় বিক্রয় করতে যাচ্ছিলেন তারা। যা প্রায় ২৮ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার মূল্যের সমান।–সূত্র: টপ হেলদি লাইফ।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (সুনামগঞ্জ)

ইতিহাস (সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জ
‘সুনামদি’ নামক জনৈক মোগল সিপাহীর নামানুসারে সুনামগঞ্জের নামকরণ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ‘সুনামদি’ (সুনাম উদ্দিনের আঞ্চলিক রূপ) নামক উক্ত মোগল সৈন্যের কোন এক যুদ্ধে বীরোচিত কৃতিত্বের জন্য সম্রাট কর্তৃক সুনামদিকে এখানে কিছু ভূমি পুরস্কার হিসাবে দান করা হয়। তাঁর দানস্বরূপ প্রাপ্ত ভূমিতে তাঁরই নামে সুনামগঞ্জ বাজারটি স্থাপিত হয়েছিল। এভাবে সুনামগঞ্জ নামের ও স্থানের উৎপত্তি হয়েছিল বলে মনে করা হয়ে থাকে।

বিখ্যাত খাবার: দেশবন্ধুর মিষ্টি

বিখ্যাত স্থান: টাঙ্গুয়ার হাওর।
হাছন রাজার বাড়ি।
সৈয়দপুর গ্রাম।
নারায়ণতলা মিশন।
পনাতীর্থ ধাম।
লাউড়েরগর।
ডলুরা স্মৃতি সৌধ।
টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (হবিগঞ্জ) জেনে নিন

ইতিহাস (হবিগঞ্জ) জেনে নিন

হবিগঞ্জ
সুফি-সাধক হযরত শাহজালাল (রঃ) এর অনুসারী হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দীন (রঃ) এর পূর্ণস্মৃতি বিজড়ি খোয়াই, কারাঙ্গী, বিজনা, রত্না প্রভৃতি নদী বিধৌত হবিগঞ্জ একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন জনপদ। ঐতিহাসিক সুলতানসী হাবেলীর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সুলতানের অধঃস্তন পুরুষ সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হাবীব উল্লাহ খোয়াই নদীর তীরে একটি গঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নামানুসরে হবিগঞ্জ নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১ মার্চ হবিগঞ্জ জেলায় উন্নীত হয়।

বিখ্যাত খাবার: চা

বিখ্যাত স্থান:
- বিতঙ্গল আখড়া
- বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান;
- দ্বীল্লির আখড়া
- বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান;
- শ্রীবাড়ি চা বাগান;
- রেমাকালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারন্য - চুনারুঘাট;
- তেলিয়াপারা চা বাগান - মাধবপুর;
- বিবিয়ানা গ্যাস - নবীগঞ্জ।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (মৌলভীবাজার)

ইতিহাস (মৌলভীবাজার)

মৌলভীবাজার
হয়রত শাহ মোস্তফা (র:) এর বংশধর মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি মনু নদীর উত্তর তীরে কয়েকটি দোকানঘর স্থাপন করে ভোজ্যসামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেন। মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ প্রতিষ্ঠিত এ বাজারে নৌ ও স্থলপথে প্রতিদিন লোকসমাগম বৃদ্ধি পেতে থাকে। ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমের মাধ্যমে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে মৌলভীবাজারের খ্যাতি। মৌলভী সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ এই অঞ্চলের নাম হয় মৌলভীবাজার। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ২২শে ফেব্রুয়ারী মৌলভীবাজার মহকুমাটি জেলায় উন্নীত হয়।

বিখ্যাত খাবার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা
খাসিয়া পান

বিখ্যাত স্থান:
- শাহ মোস্তফা-এর মাজার (মৌলভীবাজার শহরের কেন্দ্রস্থলের বেড়ীরপাড়ের দক্ষিণ তীর);
- খাজা ওসমান (সপ্তদশ শতকের বাংলার শেষ পাঠান বীর);
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান-এর কবর (কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম আমবাসা);
- চা বাগানসমূহ;
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত (বড়লেখা);
- হাকালুকি হাওড়;
- খোজার মসজিদ;
- গাছপীর আব্রু মিয়ার মাজার (সিরাজনগর);
- ইউনুছ পাগলার মাজার (সাতগাও);
- হাইল হাওর (শ্রীমঙ্গল);
- তমাল তলা (সাতগাও রুস্তুমপুর)।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (সিলেট)

ইতিহাস (সিলেট)

সিলেট বিভাগ
সিলেট
প্রাচীন গ্রন্থাদিতে এ অঞ্চলকে বিভিন্ন নামের উল্লেখ্য আছে। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে শিবের স্ত্রী সতি দেবীর কাটা হস্ত (হাত) এই অঞ্চলে পড়েছিল, যার ফলে 'শ্রী হস্ত' হতে শ্রীহট্ট নামের উৎপত্তি বলে হিন্দু সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের ঐতিহাসিক এরিয়ান লিখিত বিবরণীতে এই অঞ্চলের নাম "সিরিওট" বলে উল্লেখ আছে। এছাড়া, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে এলিয়েনের (Ailien) বিবরণে "সিরটে", এবং পেরিপ্লাস অব দ্যা এরিথ্রিয়ান সী নামক গ্রন্থে এ অঞ্চলের নাম "সিরটে" এবং "সিসটে" এই দুইভাবে লিখিত হয়েছে। অতঃপর ৬৪০ খ্রিস্টাব্দে যখন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে এ অঞ্চলের নাম "শিলিচতল" উল্লেখ করেছেন তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী দ্বারা বঙ্গবিজয়ের মধ্য দিয়ে এদেশে মুসলিম সমাজব্যবস্থার সূত্রপাত ঘটলে মুসলিম শাসকগণ তাঁদের দলিলপত্রে "শ্রীহট্ট" নামের পরিবর্তে "সিলাহেট", "সিলহেট" ইত্যাদি নাম লিখেছেন বলে ইতিহাসে প্রমাণ মিলে। আর এভাবেই শ্রীহট্ট থেকে রূপান্তর হতে হতে একসময় সিলেট নামটি প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে ঐতিহাসিকরা ধারণা করেন।

এছাড়াও বলা হয়, এক সময় সিলেট জেলায় এক ধনী ব্যক্তির একটি কন্যা ছিল। তার নাম ছিল শিলা। ব্যক্তিটি তার কন্যার স্মৃতি রক্ষার্থে একটি হাট নির্মাণ করেন এবং এর নামকরণ করেন শিলার হাট। এই শিলার হাট নামটি নানাভাবে বিকৃত হয়ে সিলেট নামের উৎপত্তি হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগষ্ট সিলেট দেশের ষষ্ঠ বিভাগ হিসাবে মর্যাদা পায়।

বিখ্যাত খাবার: কমলালেবু
সাতকড়ার চা
আচার

বিখ্যাত স্থান:
- জাফলং
- ভোলাগঞ্জ
- লালাখাল
- তামাবিল
- হাকালুকি হাওড়
- ক্বীন ব্রীজ
- হযরত শাহজালাল(রাঃ) ও হযরত শাহ পরাণ(রাঃ) এর মাজার শরীফ
- মহাপ্রভু শ্রী চৈত্যনো দেবের বাড়ী
- হাছন রাজার মিউজিয়াম
- মালনী ছড়া চা বাগান
- ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
- পর্যটন মোটেল
- জাকারিয়া সিটি
- ড্রিমল্যান্ড পার্ক
- আলী আমজাদের ঘড়ি
- জিতু মিয়ার বাড়ী
- মনিপুরী রাজবাড়ি।
- মনিপুরী মিউজিয়াম
- শাহী ঈদগাহ
- ওসমানী শিশু পার্ক
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
- সৈয়দপুর গ্রাম
- সিলেটী নাগরী লিপি
- পাংতুমাই
- রাতারগুল
- টাংগুয়ার হাওর
- লোভাছড়া
- হাম হাম জলপ্রপাত
- পরীকুন্ড ঝর্ণা
- সাতছড়ি উদ্যান
- হারং হুরং
- বরাক নদীর তিন মোহনা

posted from Bloggeroid

হাঁটতে পারলেই দেশের হয়ে খেলবেন রদ্রিগেস

হাঁটতে পারলেই দেশের হয়ে খেলবেন রদ্রিগেস

ব্যথার সঙ্গে লড়াই করে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামেন হামেস রদ্রিগেস। জয়সূচক গোল করে দলকে সবার আগে কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠানোর পর কলম্বিয়ার এই মিডফিল্ডার জানালেন, যতই ব্যথা থাকুক, হাটতে পারলেই দেশের জন্য খেলবেন তিনি।

প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে গোল করা রদ্রিগেস কাঁধের চোটে মাঠ ছেড়েছিলেন। বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে হওয়া প্যারাগুয়ে-কলম্বিয়া ম্যাচে রদ্রিগেসের খেলা নিয়েই অনিশ্চয়তা ছিল।

কিন্তু সব শঙ্কা দূরে ঠেলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে শুরু থেকেই মাঠে নামেন রদ্রিগেস। দ্বাদশ মিনিটে কার্লোস বাক্কার করা প্রথম গোলে অবদান রাখার পর ম্যাচের আধ ঘণ্টার মাথায় নিজেই গোল করেন রদ্রিগেস। ৭০তম মিনিটে প্যারাগুয়ে ব্যবধান কমালেও কলম্বিয়ার জয়ের পথে বাধা হতে পারেনি।

কাঁধের ব্যথার সঙ্গে যুদ্ধ করে মাঠে নেমে এবং দলের জয়ে অবদান রাখতে পারায় রদ্রিগেসের আনন্দ ও আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে।

“খোঁড়া না হওয়া পর্যন্ত কলম্বিয়ার হয়ে খেলে যাব আমি। দেশের হয়ে আমি সব সময় খেলতে চাই। আমি খুশি কারণ আমি সব সময় সাহায্য করতে চাই, আজ আমি তা করতে পেরেছি।”

“কলম্বিয়ার খেলায় মান ছিল এবং আমি মনে করি, আমরা সবাই চমৎকার একটি ম্যাচ খেলেছি”, যোগ করেন ২৪ বছর বয়সী এই তারকা।

দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্টে কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করা কলম্বিয়া গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ সময় আগামী রোববার সকালে খেলবে কোস্টা রিকার বিপক্ষে।

posted from Bloggeroid