Tuesday, 21 June 2016

প্রিয়জনদের সঙ্গে কিভাবে ভুল বুঝাবুঝি হয় জেনে নিন

প্রিয়জনদের সঙ্গে কিভাবে ভুল বুঝাবুঝি হয় জেনে নিন

সম্পর্ক থাকে যেখানে, সেখানে হয় মান অভিমান। আর তখন ছোট-খাটো কারণে কথা কাটাকাটি হতেই পারে। এই ভুল বুঝার বিষয়টি আমাদের জানা থাকা দরকার।



যতো কথা কাটাকাটি হোক না কেনো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আবার তা মিটেও যায়। তবে প্রতিটা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি জিনিস খুব বেশি দেখা যায়। আর তা হলো ভুল বোঝাবুঝি। আমরা কখনও কখনও বুঝে বা না বুঝে কাছের মানুষটিকে ভুল বিচার করে ফেলি।

অনেক সময় দেখা যায়, হয়তো সে একরকম বোঝাতে চাইছে, অথচ আমরা সেটা না বুঝে তাকে ভুল বুঝে বসি। এই ভুল বোঝাবুঝি হতেই সম্পর্কে তৈরি হয় জটিলতা, তা এক সময় দূরত্ব এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

আমরা যখন কোনও সম্পর্কে থাকি, তখন মনে করি আমাদের সঙ্গীরাও আমাদের মতোই ভাববে। তবে আমাদের প্রত্যেকের পৃথক পৃথক চিন্তা শক্তি রয়েছে। আমরা সবাই পৃথক পৃথকভাবে ভাবি। প্রতিটি বিষয়ের বিশ্লেষণ সবার কাছে পৃথক হয়।

দেখা যায়, অনেক সময় আমাদের খুব কাছের কারও সঙ্গে কোনও একটি বিষয় নিয়ে মতের মিল হলো না। তখনই তার প্রতি আমাদের চিন্তাধারা পাল্টে যেতে থাকে। একবার যদি কারও সঙ্গে মতের অমিল হওয়া শুরু হয়ে যায়, তখন সেই ব্যক্তির কোনও কিছুই আমাদের আর পছন্দ হয় না। মনে মনে তার প্রতি একটা বাজে ধারণা তৈরি হতে থাকে। কাওকে ভুল বিচার করার সূত্রপাত মূলত এখান থেকেই শুরু হয়।

এমন পরিস্থিতিতে আমাদের একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, আমরা সবাই পৃথক পৃথকভাবে ভাবি। তাই সব বিষয় যে মতের মিল হবেই অনেক ক্ষেত্রেই এমনটি নাও হতে পারে। তাই এর ওপর ভিত্তি করে বিচার করা উচিৎ নয়।

সম্পর্কের জটিলতা কাটাতে তাই প্রত্যেক ব্যক্তিকে চিন্তাধারা তার মতো করে মেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তা নাহলে অকারণেই মানসিক চাপ বাড়বে, সমস্যার কোনো সমাধান হবে না। বিষয়গুলো বিচার-বুদ্ধি দিয়ে বিশ্লেষণ করা সকলের জন্যই মঙ্গলজনক হবে

posted from Bloggeroid

সুস্বাস্ব্যের জন্য ১৫টি টিপস জেনে নিন

সুস্বাস্ব্যের জন্য ১৫টি টিপস জেনে নিন

১.সকাল বেলার নাস্তা করতে কখনওই ভুল করবেন না। সারাদিন কর্মক্ষম থাকার শক্তি অর্জনের জন্য সকালের নাস্তার বিকল্প নেই। নাস্তা হিসাবে টোস্ট, ফলমূল, শাকসবজি, পনির কিংবা দুধ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করতে পারেন।

২.প্রতিবেলার খাবারে ভাত – তরকারীর উপর ঝাঁপিয়ে না পড়ে সবজি এবং ফলমূল খেতে অভ্যাস করুন। এইসব খাবার প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল এবং শ্বাসতন্ত্রু দ্বারা পরিপূর্ণ থাকে। প্রতিদিন দুই কাপ ফল এবং আড়াই কাপ শাকসবজি খাওয়া উচিত।

৩.সুস্বাস্থ্যের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিমাণ প্রোটিন গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং চাহিদা মোতাবকে প্রোটিন গ্রহণের প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহন করুন যেমনঃ মাংস, ফ্যাটবিহীন দুধ, ফলমূল ইত্যাদি।

৪.শারিরীক পরিশ্রম করলে শরীরের ওজন ঠিক থাকে, উচ্চ রক্তচাপ কমে যায়। শিশু এবং কিশোর বয়সীদের দিনে এক ঘন্টা এবং বয়স্ক লোকদের আড়াই ঘন্টা দিনে ব্যায়াম কিংবা অন্য শারিরীক কাজ করা উচিত।

৫.প্রতিবেলা খাবারের বাইরে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা দরকার। আপেল, বাদাম, মাখন জাতীয় খাবার যেসব প্রোটিন, কার্বহাইড্রেট বেশি পরিমাণ থাকে সেসব খাবার গ্রহণ করুন।

৬.খাদ্যের গুণাগুণ সম্পর্কে সচেতন থাকুন। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার বর্জন করে কম চর্বি যুক্ত খাবার গ্রহণ করুন। বেশি ক্যালরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করুন।

৭.ওজন কমাতে কিংবা শারিরীক সুস্থতার জন্য অন্য কোন তথ্য জানার ইচ্ছে হলে বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করুন।

৮.খাদ্য গ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন করুন। সঠিকভাবে খাবার রান্না, হাত পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন থাকুন। ফুড পয়সনিং থেকে রক্ষা পেতে এইসব বিষয়ে সচেতন থাকার খুব দরকারী বিষয়।

৯.বাসার বাইরে ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার গ্রহণ করার চেয়ে বাসায় রান্না করা খাবার গ্রহণে আগ্রহী হোন।

১০.রেস্টুরেন্টে খাবার গ্রহণের সময় পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দিন। শাকসবজি, মুরগীর মাংস, মাছ, ফলমূল অর্ডার দিন।

১১.সন্তানদের স্কুলের টিফিন হিসাবে অবশ্যই পুষ্টিকর খাবার দিন। শিশুদের বেড়ে উঠা, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার জন্য পুষ্টিকর এবং পরিষ্কার খাদ্য গ্রহণের বিকল্প নেই।

১২.পরিবারের সকল সদস্য একসাথে খেতে বসুন। গবেষণায় দেখা গেছে পরিবারের সদস্যরা এক সাথে খেলে খাদ্যের পুষ্টিমান নিশ্চিত হওয়ার সাথে মন মানসিকতাও ভালো থাকে। খাবার গ্রহণের সময় অবশ্যই টিভি বন্ধ রাখুন, টেলিফোন বন্ধ রাখুন।

১৩.শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, পেশীতে অক্সিজেন প্রবাহের জন্য পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতিদিন পুরুষদের ১৩ কাপ এবং নারীদের ৯ কাপ পানি খাওয়া উচিত।

১8.সারা দিনে কয়েক কাপ দুধ ছাড়া চা পান করুন। চা শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জোগান দেবে। শরীর থাকবে তরতাজা এবং ক্লান্তিমুক্ত।

১৫.কর্মস্থলে, স্কুলে, কলেজে বসার সময় বসুন সোজা হয়ে। তা না হলে কোমরে, পিঠে বা ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। একটানা বসে না থেকে মাঝেমধ্যে আশপাশে কিছুক্ষণ পায়চারি করুন।

সুন্দর স্বাস্থ্য সবার প্রিয়। সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য উপরোক্ত হেলথ টিপস মেনে চলুন এবং সারাদিন কার্যক্ষম থাকুন।

posted from Bloggeroid

৫ ধরনের বন্ধুর কাছ থেকে দূরে তাকুন

৫ ধরনের বন্ধুর কাছ থেকে দূরে তাকুন

যে ৫ ধরনের বন্ধুর থেকে অবশ্যই দূরত্ব রক্ষা করে চলবেন
বন্ধুরা অবশ্যই আপনজন হিসেবেই গণ্য।
কিন্তু আমরা যাঁদের বন্ধু বলে মনে করি তাঁদের সকলের সান্নিধ্য আমাদের পক্ষে মঙ্গলজনক না-ও হতে পারে।
আমাদের বন্ধুদের মধ্যেই এমন কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের এড়িয়ে চলাই ভাল।
কোন ধরনের বন্ধু তাঁরা? আসুন, জেনে নিই—
১. যাঁরা কথায় কথায় আপনার সমালোচনা করেন: বন্ধুদের মধ্যে কিছু মানুষ থাকেন দেখবেন, যাঁরা আপনার সমস্ত কাজেরই সমালোচনা করেন। সমালোচনা মানে কোনও গঠনমূলক সমালোচনা নয়, বরং সোজাসাপ্টা আপনার নিন্দে করা, আপনার হীনতা প্রমাণ করা। এই ধরনের সমালোচনা আপনার মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস দু’টোই ভেঙে দিতে পারে। কাজেই এই ধরনের বন্ধুকে এড়িয়ে চলুন।
২. যাঁরা কথায় কথায় আপনার প্রশংসা করেন: প্রথম ধরনের বন্ধুদের বিপরীত রকমের ক্ষতি করেন এই সব বন্ধুরা। প্রকৃত বন্ধু তিনিই, যিনি আপনার ভাল কাজটির প্রশংসা করবেন, আর আপনার খারাপ কাজটির ক্ষেত্রে আপনার ভুল ধরিয়ে দেবেন। কিন্তু ভাল-মন্দ নির্বিশেষে আপনার সমস্ত কাজের প্রশংসা করেন যিনি করেন, তিনি আপনার খুব উপকারী বন্ধু হতে পারেন না। তাঁর থেকে একটু দূরেই থাকুন।
৩. যাঁরা স্বার্থপর: স্বার্থপর মানুষজন সবসময়েই পরিত্যাজ্য।
আপনার বিপদে-আপদে এঁদের কখনও পাশে পাবেন না। অথচ আপনার কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার সময় এঁরা বিন্দুমাত্র দ্বিধা বোধ করবেন না।
কাজেই এরকম মানুষকে বন্ধু মনে করে খুব কাছে টেনে নেবেন না।
৪. যাঁরা অত্যধিক ব্যস্ততার ভান করেন: বন্ধুদের মধ্যে কিছু মানুষ থাকেন যাঁরা সর্বদাই ব্যস্ত। কীসের যে ব্যস্ততা এঁদের, তা অবশ্য আপনি বুঝতে পারবেন না।
কিন্তু এঁদের এই রহস্যময় ব্যস্ততার ফলে এঁরাই আপনাকে এড়িয়ে চলা শুরু করবেন।
কাজের সময়ে এঁদের পাশে পাবেন না, বন্ধুরা একসঙ্গে কোনও প্ল্যান করলে এঁদের এই ব্যস্ততার কারণেই সেই প্ল্যান বাতিল করতে হবে। কাজেই এঁদের থেকেও নিরাপদ দূরত্ব রক্ষা করে চলুন।
৫. যাঁরা নিজেদের সমালোচনা শুনতে প্রস্তুত নন: এই ধরনের বন্ধুদের নিয়ে আর এক বিপদ।
বন্ধুদের কোনও কাজ আপনার ভাল না লাগতেই পারে। সেই কাজের প্রতিবাদ বা সমালোচনা করার অধিকারও বন্ধু হিসেবে আপনার অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু সেই সমালোচনা শুনেই আপনার বন্ধু যদি ক্ষেপে ব্যোম হন, ঝগড়াঝাঁটি শুরু করেন, তা হলে কিন্তু বিপদ। এই ধরনের বন্ধুদেরও তাই একটু দূরেই রাখুন।

posted from Bloggeroid