Thursday, 2 June 2016

মাতৃত্বের বন্ধন

মাতৃত্বের বন্ধন





মাতৃত্বের বন্ধনলিখেছেনঃ Abdullah Al Masum | বিভাগঃ মায়ের গল্প | তারিখঃ ৩০ জুন ২০১৫


তুই এটা কি করলি আসিফ? তুই এতটা নিষ্ঠুর হতে পারলি? মায়ের ভালবাসার প্রতিদান এভাবে দিলি? আজ আসিফের নিজের বুকের ভিতরের আত্নাটা শত ক্রোধ আর ধিক্কার দিয়ে প্রতিনিয়ত আর্তনাদ করে উঠছে।নিজের প্রতি ঘৃণা আর অনুশোচনা নিয়ে চিৎকার করে উঠে আসিফ —
না, না, আমি করতে চাই নাই ।সব নিলয়ার ইচ্ছায় হয়েছে। আমি করতে চাই নাই,মা গো —–। কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে আসিফ।
আজ আসিফ একা, সত্যি একা। বেশ কয়েক দিন ধরে ভীষণ জ্বর আর চিকেন ফক্সের অসহ্য যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে। যার কারনে সহকর্মীদের ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে ছোট্ট একটা হোটেল কক্ষে।প্রবাসের একাকীত্ব ঘ্রাস করে নিতে চাইছে সকল শক্তি।
—মা—-ও মা —–মা গো
— এখন মাকে ডেকে কি হবে? মায়ের কাছে তো তোর প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে।তুই বড় হয়ে গেছস। অনেক বড়।বিদেশে থাকছ।লাখ টাকা বেতন। বৃদ্ধা, অকর্মণ্য, অপদার্থ মাকে দিয়ে আর কি হবে? আসিফের আত্না আসিফকে ধিক্কার দেয়।
— ওই, আমার মা সম্পর্কে একটাও বাজে কথা বলবি না।
— কেনো? এগুলো কি তুই বলস নাই?
— না, আমি বলি নাই।( চিৎকার করে কেঁদে উঠে আসিফ)
—এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলি? মাত্র এক বছর আগের কথা। ঠিক এমন সময়েই তো।ও, মনে পড়ছে।ওই গুলো নিলয়া বলেছিল, সেই সাথে সুর মিলিয়ে তুই বলেছিলি অপয়া,কুৎনী ————
— আমি বলতে চাইনি।শুধু নিলয়া কে খুশি করার জন্য এগুলো বলেছি।
— নিলয়াকে খুশি করার জন্য আর কি কি করছস? মনে পড়ে কি সেগুলো?
— আমি সব কিছু এনে নিলয়ার হাতে দিতাম।মাকে সে ভাল কিছু খেতে দিত না।
— তোর একবারও মনে হত না? সেই দিন গুলোর কথা। যখন অন্যের বাড়িতে সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে সন্ধ্যায় তোর জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসত।তোকে বুকে জড়িয়ে সুখের পৃথিবীটা খোজার চেষ্টা করত। মাছের কাঁটা গলায় আটকাবে এই ভয়ে কত ধৈর্য নিয়ে তোকে নিজ হাতে খাইয়ে দিত।কখনো চিন্তা করেছিস, মাছ তো এক টুকরা ভেজে ছিল,তাহলে মা ভাত খেয়েছেন কী দিয়ে? সেদিন তো মা অন্যের উপর নির্ভর করে নাই, তুই কেনো নিলয়ার উপর নির্ভর করতি?
জ্বরে মাথা প্রচন্ড রকম গরম হয়ে গেছে।খুব অস্থির লাগছে।আস্তে আস্তে বাথরুমে গেল মাথায় পানি দিতে।পানি চালু করে টেপের নিচে মাথা দিয়ে বসল আসিফ।মনের অজান্তেই বলতে লাগল,
— মা, ও মা, মা গো, ,,,,,,, তুমি আমায় কত যত্ন করে খাটে শুইয়ে মাথায় পানি দিতে। রাত্রে না ঘুমিয়ে কতবার আমার শরীর মুছে দিতে।আমার শীত লাগবে বলে ফ্যান না চালিয়ে গরম সহ্য করতে।আমি তোমার হতভাগা সেই ছেলে, আমাকে তুমি ক্ষমা কর,,,,,,,,,,,,,
— তোর কোন ক্ষমা নাই। তুই সন্তান নামের কলঙ্ক। মনে আছে? সেই কথা, মায়ের জ্বর হয়েছিল আর তুই কি বলেছিলি ” এটাকে জ্বর বলে? এরকম শরীর গরম তো আমাদের সারা বছরই থাকে। একটা প্যারাসিটামল খেয়ে নিলেই হয়, বুড়ির ঢংয়ে আর বাঁচি না ”
— মা, মা, মা গো —– আমায় ক্ষমা কর।
ঘুম ঘুম ভাব ।আর বসে থাকতে পারছে না। শুয়ে পড়ল আসিফ। পুরনো স্মৃতি গুলো চোখের সামনে এক এক করে ভেসে উঠতে লাগল।
— লোডশেডিংয়ের সময় সারারাত মা কত কষ্ট করে তোকে পাখা করত। আর তুই কেমন ছেলে? বউয়ের ঘরে জেনারেটর থাকলেও মায়ের ঘরের ফ্যানটা ছিল নষ্ট।
— নিলয়া আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল।
— সেই প্রানপ্রীয়া নিলয়া কোথায়? যে তোমার জন্য প্রান বিসর্জন দিয়ে দেয়ার প্রতিজ্ঞা করেছিল।যে নিলয়ার জন্য মাতৃত্বের বন্ধনকে ছিন্ন করেছিলে।
— নিলয়া আমাকে ভালবাসে না। সে আমার টাকাকে ভালবেসেছে ।সে আমাকে ছেড়ে অন্যের কাছে চলে গেছে।
— আর তুই? যে মা তোকে ভালবাসে তাকে ছেড়ে দিলি? মনে পড়ে? সেই সময়ের কথা। বর্ষায় তোকে কোলে নিয়ে হাঁটু জল পেরিয়ে স্কুলে দিয়ে আসত। তুই কতদিন মাকে জড়িয়ে ধরছ নাই, মায়ের গায়ে নোংড়া কাপড় আর গন্ধ বলে নাক ছিটকিয়েছিস। অথচ মনে কর সেই সময়ের কথা, যখন সারা গায়ে কাদামাটি মাখিয়ে মায়ের কাছে ছুটে আসতি তখন মা স্নেহমাখা ধমক দিয়ে একটুও চিন্তা না করে তোকে কোলে নিয়ে নিতেন। আরে সেই কথাই চিন্তা কর, তুই কতবার মায়ের কোলে পেশাব করেছিস। কতবার মায়ের কাপড় নষ্ট করেছিস পায়খানা করে। কত বছর টয়লেট শেষে তোকে পরিষ্কার করেছে এই হতভাগিনী মা। একবারও তো বলেন নাই, ” ছি ”
— আমার সব মনে পড়ছে। আমি আবার সেই ছোট্ট আসিফ হয়ে যেতে চাই।আমি এখন কি করব? মাকে কল দিব?
— কতদিন মায়ের খোজ নেছ নাই। অথচ নিলয়ার কাছে কল দিয়েছিস ঘন্টায় ঘন্টায়। মাকে কল দিবি কিভাবে? মূর্খ মায়ের মোবাইল লাগে? নিলয়া অনার্সে পড়ে, ওর একটা আইফোন আর ট্যাব তো লাগেই।
— আমি আর পারছিনা। আমি সব ভুলে যেতে চাই। আমি জানি আমার মা আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। বৃদ্ধাশ্রমের তত্ত্বাবধায়ককে কল দিয়ে দেখি।
আসিফ অনুতপ্ত হৃদয়ে তত্ত্বাবধায়কের কাছে কল দিয়ে মায়ের সাথে কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করে।
— হে – লো – ও —( কাপা কাপা কন্ঠে)
— মা -আ-আ
— কিরে বাপজান, তুই কানতাছস কেন? তুই কেমন আছস? তোর শরীর বালা তো ? কোন অসুখ লাগাছ নাই তো? ওই খানে খাওন – দাওনে সমস্যা হয় না তো? ওরে, আমার বাপজান।
— মা, মা, মা গো। আমারে মাফ কইরা দেও।আমি তোমার প্রতি অনেক অবিচার করছি। তুমি মাফ না করলে আমার জাহান্নাম ছাড়া আর কোন পথ নাই। মা গো আমারে মাফ কইরা দেও, ,,,,,,,
— কিরে, তুই এডি কি কইতাছস ,তুই এমন কি করছস যে মাফ করন লাগব। বাপরে তোরে দেখতে মনে চায়। কবে আইবি?
— মা, আমি এক সপ্তাহের মধ্যে আইতাছি।তোমারে আর ওইখানে রাখমু না। মা আমারে মাফ কইরা দেও ।
— তুই তাড়াতাড়ি আয়, তোর উপর আমার কোন রাগ নাই।তোর লাইগা তোর পছন্দের হগল খাওন বানামু।বাপ আমার!
আসিফের মাথার উপর থেকে যেন একটা পাহাড় সরে গেল।আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে নিজের অন্যায়ের জন্য ক্ষমা চেয়ে মায়ের জন্য দোয়া করল- হে আল্লাহ রব্বুল আলামিন, তুমি আমার মায়ের হায়াত বাড়িয়ে দাও, মাকে সুস্থ রাখ, মায়ের পায়ের নিচে আমাকে একটু জায়গা দিয়ো।


আমি ও আমার অতুলনীয় মা

আমি ও আমার অতুলনীয় মা

আমি ও আমার অতুলনীয় মা —লিখেছেনঃ সাইফুর রহমান সিলেট | বিভাগঃ মায়ের গল্প |


বাসায় ফিরছি, হঠাৎ খেয়াল হলো আমার মুঠোফোন অবিরাম বেজে চলেছে। সেদিকে নজর পড়তেই ব্যাগ থেকে বের করে দেখি মা জননীর কল। অনেক ভিড় বাহিরে ইচ্ছে করলেও উপায় ছিলো না সেই কল রিসিভ করা। তাই সেভাবেই রেখে বাসায় চলে আসলাম। বাসায় সবে ঢুকেছি তখন আবারো বেজে উঠলো মোবাইলফোন।

ফোনটি রিসিভ করতেই আমার বুকের মধ্যে হু হু করে উঠলো। হাত পায়ে একটা অবশ ভাব অনুভব করলাম। মনে হলো চারিদিক কেমন যেন শুন্য হয়ে আসছে। আর এসব ঘটেছে মায়ের কান্নার শব্দে। মা তো কখনো এভাবে কাঁদে না। মনের মধ্যে শংকা উপস্থিত হলো। “কি হয়েছে মা, তুমি কাঁদছ কেনো?” প্রতিউত্তরে শুধু মায়ের বিরতিহীন কান্নায় আমার কর্ণপটে বাঁধতে লাগলো। আবারো জিজ্ঞেসা করলাম “মা কি হয়েছে? আমাকে কেন বলছো না? কেঁদো না, প্লিজ আমাকে বলো’ তখন মা একটু সামলে নিয়ে বললো “হঠাৎ তোকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে, সেই সকাল থেকে তোর জন্য মনটা ছটফট করছে। তুই তারাতারি বাড়িতে চলে আয়, আমার আর ভালো লাগছে না”। এই কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে আবার মায়ের কান্না।

গত ৩ বছর মা’কে ছাড়া এই ব্যস্ততম নগরীতে জীবন অতিবাহিত করছি। ভাবতেই কেমন যেন অবাক লাগে !! যে আমি মাকে ছাড়া কয়েক মুহূর্ত থাকতে নারাজ আজ সে কি না হাজার দিনেরও বেশি সময়ের আংশিক সময় বাদে সম্পূর্ণ সময়ই মা’কে ছাড়া কাটিয়েছি!! বড়দের কাছ থেকে শুনেছি এটাই নাকি বাস্তবতা। এভাবেই নাকি জীবন গাড়ি চালিয়ে যেতে হয়। যুগ যুগ ধরে নাকি আমার মত সবাইকেই একসময় মা বাবা ছেড়ে থাকতে হয়।

আজ মায়ের জন্য খুব কস্ট হচ্ছে। তাই নিজের কিছু কথা তার জন্য লিখতে ইচ্ছা করছে। যদিও জানি মা’কে নিয়ে লিখতে কোন ধরাবাধা উপমার প্রয়োজন হয় না, কিংবা সময় নিয়ে ভেবে ভেবে কাগজ নষ্ট করতে হয় না। মা’কে নিয়ে লেখা সম্পূর্ণ চলে আসে নিজের অন্তর থেকে। দেহের রক্ত প্রবাহই বলে দেয় মায়ের কথার উচ্চারণ। প্রতিটি নিঃশ্বাসেই থাকে মায়ের ভালোবাসার চাদর মোড়ানো।

পরিবারের ৩ সদ্যসের মধ্যে আমিই একমাত্র আমার বাবা মায়ের আদরের কন্যা। একমাত্র কন্যা হিসাবে তাই অন্যদের চেয়ে আমার আদরও বেশি, আবার আবদার ও বেশি। আমার এটা লাগবে, ওটা লাগবে, আমি এটা করবো না, ওটা করতে পারবো না … এমন অনেক হরেক রকমের শব্দ সব সময় আমার মুখ থেকে বের হতো। একদিন হঠাৎ আমার নানু অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমি তখন স্কুলে, মা আমাকে না জানিয়েই দ্রুত নানুদের বাড়িতে রওনা হলেন। আমি স্কুল থেকে ফিরে এসে দেখি মা বাড়িতে নেই। আর যাবে কোথায় !! শুরু করে দিলাম অঝোরে কান্না। সেরকম কান্না এর আগে আমি আর কখনো করিনি। আমার মা তার মায়ের বাড়ীতে গিয়েছে তাতে আমার কষ্ট নেই, কিন্তু যখন আমি ভাবছি যে আজ রাতে আমার মায়ের সাথে ঘুমাতে পারবো না তখনই বুক ফেটে কান্না বের হচ্ছে। অবশেষে সেই কান্না থামলো পরের দিন নানুদের বাড়ীতে গিয়ে মায়ের কোলে উঠে।

মা যে কি অমূল্য ভালোবাসার স্থান তা আবারও বুঝতে পেরেছিলাম যখন ঢাকায় প্রথম আসি। সবে হোস্টেলে উঠেছি। পড়ালেখা করতে হলে তো কিছু ছাড় দিতেই হবে তাই মনকে অনেক বুঝিয়ে রেখেছি যাতে কষ্ট না পায় মায়ের জন্য। কিন্তু বিধিবাম ! ১৫ দিন যেতে না যেতেই মায়ের জন্য বুক ভারী হয়ে উঠলো। একা একা সারারাত কাঁদলাম। তাও মন শান্ত হয় না। এমন এক সময় তখন যখন এমন কেউ নেই যে আমাকে সেই সুদুর বাড়িতে নিয়ে যেতে পারে। আমি ঢাকা থেকে কখনই একা বাড়িতে যাইনি তাই আরো বেশি মনে কষ্ট পাচ্ছিলাম। অবশেষে আমার খালাকে বলে ২ দিন পর বাড়ীতে গিয়ে উঠলাম। বাড়িতে গিয়েই মায়ের বুকের উপর ঝাপিয়ে পড়ে সব কষ্টকে দূর করার চেষ্টা করলাম।

এমন কয়েকটি রাত আমার জীবন থেকে গিয়েছে যে ঘুমের মধ্যে আমি প্রচুর ছটফট করেছি। চোখ দিয়ে পানি বের হয়েছে। মাঝরাতে অন্ধকারে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে একলা ঘরে শুন্যতায় ভুগেছি। এই ছটফট হয়েছে মায়ের জন্য। মাকে নিয়ে দুস্বপ্ন দেখার পরেই এমন অবস্থার তৈরি হয়েছি। তখন মনে হয় যেভাবেই হোক মায়ের কাছে চলে যাই, মায়ের মুখটা ভালো করে দেখি, মায়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমাই। কিন্তু কি আর করা। এই ব্যস্ত নগরীর কোন ফুসরত নেই তার বুকে বসবাসরত প্রাণীদের বিরাম দেয়ার। সেই রাতের কান্না এই নগরীর অন্ধকার আর নিস্তব্ধতায় দ্রুতই নিঃশেষ হয়ে যায়।

তো শুরুতে যেখানে ছিলাম। সেদিনের সেই মায়ের কান্না আমার মনে এমন ভাবে নাড়া দিয়েছিলো যা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। ওইদিন আমার কথা চিন্তা করে মায়ের রক্তচাপ বেড়ে গিয়েছিলো। শেষে এমন অবস্থা হয়েছিলো যে ডাক্তার বাড়ি না যাওয়া পর্যন্ত তা ঠিক হয় নি। ২ এক দিনের মধ্যে মা সুস্থ হলেন। তখন আমি মাকে বললাম “আচ্ছা মা তুমি এমন পাগল কেনো? এভাবে আমাদের জন্য কেন দুশ্চিন্তা করো?” তখন মা বলে উঠলেন “আজ বুঝবি না। যেদিন মা হবি সেদিনই বুঝতে পারবি বুকের ধন যদি দূরপরবাসে থাকে তাহলে মায়ের বুকের মধ্যে কেমন হাহাকার করে”

সত্যিই মা, তুমি ঠিক বলেছো। একজন জননী হবার আগেই যদি তোমার জন্য এমন কষ্ট লাগে তাহলে একজন মা এর কত কষ্ট লাগতে পারে তা কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারছি। বাড়ি ছেড়ে না এলে বুঝতেই পারতাম না আমি আমার মা’কে এতো এতো ভালোবাসি।

আর কিছুদিন পড়েই দীর্ঘ ৯ মাস পড় মায়ের মুখ দেখবো। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাবো। ইসসস আর তর সইছে না। মনে হচ্ছে আজই চলে যাই মায়ের কাছে। কত দিন মায়ের হাতের রান্না খাই না। সেই সব ভর্তা, ভাজির কোন তুলনা হয় না। আমি জানি আমার মা ও অনেক পথ চেয়ে আছে আমার জন্য। আসলে পৃথিবীর সকল মাই অতুলনীয়, অভাবনীয়, অমূল্য। পুস্তকের কোন বিশেষণ দিয়ে আসলে মা নামটিকে সজ্জিত করা যাবে না। কারন তারা সকলেই এই একটি শব্দের কাছে তুচ্ছো!!

মা তোমাকে অনেক ভালোবাসি

posted from Bloggeroid

আমি ও আমার অতুলনীয় মা

আমি ও আমার অতুলনীয় মা

আমি ও আমার অতুলনীয় মা —লিখেছেনঃ সাগরিকা সুলতানা | বিভাগঃ মায়ের গল্প | বাসায় ফিরছি, হঠাৎ খেয়াল হলো আমার মুঠোফোন অবিরাম বেজে চলেছে। সেদিকে নজর পড়তেই ব্যাগ থেকে বের করে দেখি মা জননীর কল। অনেক ভিড় বাহিরে ইচ্ছে করলেও উপায় ছিলো না সেই কল রিসিভ করা। তাই সেভাবেই রেখে বাসায় চলে আসলাম। বাসায় সবে ঢুকেছি তখন আবারো বেজে উঠলো মোবাইলফোন। ফোনটি রিসিভ করতেই আমার বুকের মধ্যে হু হু করে উঠলো। হাত পায়ে একটা অবশ ভাব অনুভব করলাম। মনে হলো চারিদিক কেমন যেন শুন্য হয়ে আসছে। আর এসব ঘটেছে মায়ের কান্নার শব্দে। মা তো কখনো এভাবে কাঁদে না। মনের মধ্যে শংকা উপস্থিত হলো। “কি হয়েছে মা, তুমি কাঁদছ কেনো?” প্রতিউত্তরে শুধু মায়ের বিরতিহীন কান্নায় আমার কর্ণপটে বাঁধতে লাগলো। আবারো জিজ্ঞেসা করলাম “মা কি হয়েছে? আমাকে কেন বলছো না? কেঁদো না, প্লিজ আমাকে বলো’ তখন মা একটু সামলে নিয়ে বললো “হঠাৎ তোকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে, সেই সকাল থেকে তোর জন্য মনটা ছটফট করছে। তুই তারাতারি বাড়িতে চলে আয়, আমার আর ভালো লাগছে না”। এই কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে আবার মায়ের কান্না। গত ৩ বছর মা’কে ছাড়া এই ব্যস্ততম নগরীতে জীবন অতিবাহিত করছি। ভাবতেই কেমন যেন অবাক লাগে !! যে আমি মাকে ছাড়া কয়েক মুহূর্ত থাকতে নারাজ আজ সে কি না হাজার দিনেরও বেশি সময়ের আংশিক সময় বাদে সম্পূর্ণ সময়ই মা’কে ছাড়া কাটিয়েছি!! বড়দের কাছ থেকে শুনেছি এটাই নাকি বাস্তবতা। এভাবেই নাকি জীবন গাড়ি চালিয়ে যেতে হয়। যুগ যুগ ধরে নাকি আমার মত সবাইকেই একসময় মা বাবা ছেড়ে থাকতে হয়। আজ মায়ের জন্য খুব কস্ট হচ্ছে। তাই নিজের কিছু কথা তার জন্য লিখতে ইচ্ছা করছে। যদিও জানি মা’কে নিয়ে লিখতে কোন ধরাবাধা উপমার প্রয়োজন হয় না, কিংবা সময় নিয়ে ভেবে ভেবে কাগজ নষ্ট করতে হয় না। মা’কে নিয়ে লেখা সম্পূর্ণ চলে আসে নিজের অন্তর থেকে। দেহের রক্ত প্রবাহই বলে দেয় মায়ের কথার উচ্চারণ। প্রতিটি নিঃশ্বাসেই থাকে মায়ের ভালোবাসার চাদর মোড়ানো। পরিবারের ৩ সদ্যসের মধ্যে আমিই একমাত্র আমার বাবা মায়ের আদরের কন্যা। একমাত্র কন্যা হিসাবে তাই অন্যদের চেয়ে আমার আদরও বেশি, আবার আবদার ও বেশি। আমার এটা লাগবে, ওটা লাগবে, আমি এটা করবো না, ওটা করতে পারবো না … এমন অনেক হরেক রকমের শব্দ সব সময় আমার মুখ থেকে বের হতো। একদিন হঠাৎ আমার নানু অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমি তখন স্কুলে, মা আমাকে না জানিয়েই দ্রুত নানুদের বাড়িতে রওনা হলেন। আমি স্কুল থেকে ফিরে এসে দেখি মা বাড়িতে নেই। আর যাবে কোথায় !! শুরু করে দিলাম অঝোরে কান্না। সেরকম কান্না এর আগে আমি আর কখনো করিনি। আমার মা তার মায়ের বাড়ীতে গিয়েছে তাতে আমার কষ্ট নেই, কিন্তু যখন আমি ভাবছি যে আজ রাতে আমার মায়ের সাথে ঘুমাতে পারবো না তখনই বুক ফেটে কান্না বের হচ্ছে। অবশেষে সেই কান্না থামলো পরের দিন নানুদের বাড়ীতে গিয়ে মায়ের কোলে উঠে। মা যে কি অমূল্য ভালোবাসার স্থান তা আবারও বুঝতে পেরেছিলাম যখন ঢাকায় প্রথম আসি। সবে হোস্টেলে উঠেছি। পড়ালেখা করতে হলে তো কিছু ছাড় দিতেই হবে তাই মনকে অনেক বুঝিয়ে রেখেছি যাতে কষ্ট না পায় মায়ের জন্য। কিন্তু বিধিবাম ! ১৫ দিন যেতে না যেতেই মায়ের জন্য বুক ভারী হয়ে উঠলো। একা একা সারারাত কাঁদলাম। তাও মন শান্ত হয় না। এমন এক সময় তখন যখন এমন কেউ নেই যে আমাকে সেই সুদুর বাড়িতে নিয়ে যেতে পারে। আমি ঢাকা থেকে কখনই একা বাড়িতে যাইনি তাই আরো বেশি মনে কষ্ট পাচ্ছিলাম। অবশেষে আমার খালাকে বলে ২ দিন পর বাড়ীতে গিয়ে উঠলাম। বাড়িতে গিয়েই মায়ের বুকের উপর ঝাপিয়ে পড়ে সব কষ্টকে দূর করার চেষ্টা করলাম। এমন কয়েকটি রাত আমার জীবন থেকে গিয়েছে যে ঘুমের মধ্যে আমি প্রচুর ছটফট করেছি। চোখ দিয়ে পানি বের হয়েছে। মাঝরাতে অন্ধকারে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে একলা ঘরে শুন্যতায় ভুগেছি। এই ছটফট হয়েছে মায়ের জন্য। মাকে নিয়ে দুস্বপ্ন দেখার পরেই এমন অবস্থার তৈরি হয়েছি। তখন মনে হয় যেভাবেই হোক মায়ের কাছে চলে যাই, মায়ের মুখটা ভালো করে দেখি, মায়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমাই। কিন্তু কি আর করা। এই ব্যস্ত নগরীর কোন ফুসরত নেই তার বুকে বসবাসরত প্রাণীদের বিরাম দেয়ার। সেই রাতের কান্না এই নগরীর অন্ধকার আর নিস্তব্ধতায় দ্রুতই নিঃশেষ হয়ে যায়। তো শুরুতে যেখানে ছিলাম। সেদিনের সেই মায়ের কান্না আমার মনে এমন ভাবে নাড়া দিয়েছিলো যা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। ওইদিন আমার কথা চিন্তা করে মায়ের রক্তচাপ বেড়ে গিয়েছিলো। শেষে এমন অবস্থা হয়েছিলো যে ডাক্তার বাড়ি না যাওয়া পর্যন্ত তা ঠিক হয় নি। ২ এক দিনের মধ্যে মা সুস্থ হলেন। তখন আমি মাকে বললাম “আচ্ছা মা তুমি এমন পাগল কেনো? এভাবে আমাদের জন্য কেন দুশ্চিন্তা করো?” তখন মা বলে উঠলেন “আজ বুঝবি না। যেদিন মা হবি সেদিনই বুঝতে পারবি বুকের ধন যদি দূরপরবাসে থাকে তাহলে মায়ের বুকের মধ্যে কেমন হাহাকার করে” সত্যিই মা, তুমি ঠিক বলেছো। একজন জননী হবার আগেই যদি তোমার জন্য এমন কষ্ট লাগে তাহলে একজন মা এর কত কষ্ট লাগতে পারে তা কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারছি। বাড়ি ছেড়ে না এলে বুঝতেই পারতাম না আমি আমার মা’কে এতো এতো ভালোবাসি। আর কিছুদিন পড়েই দীর্ঘ ৯ মাস পড় মায়ের মুখ দেখবো। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাবো। ইসসস আর তর সইছে না। মনে হচ্ছে আজই চলে যাই মায়ের কাছে। কত দিন মায়ের হাতের রান্না খাই না। সেই সব ভর্তা, ভাজির কোন তুলনা হয় না। আমি জানি আমার মা ও অনেক পথ চেয়ে আছে আমার জন্য। আসলে পৃথিবীর সকল মাই অতুলনীয়, অভাবনীয়, অমূল্য। পুস্তকের কোন বিশেষণ দিয়ে আসলে মা নামটিকে সজ্জিত করা যাবে না। কারন তারা সকলেই এই একটি শব্দের কাছে তুচ্ছো!! মা তোমাকে অনেক ভালোবাসি

মায়ের ভালবাসা মা শব্দটি অতি ছোট কিন্তু মায়ের ভালবাসা সীমাহীন

মায়ের ভালবাসা মা শব্দটি অতি ছোট কিন্তু মায়ের ভালবাসা সীমাহীন

মায়ের ভালবাসা লিখেছেনঃ tanha1696
‘মা’ শব্দটি অতি ছোট কিন্তু মায়ের ভালবাসা সীমাহীন। আমরা সবাই ‘মা’ কে ভালবাসি। হয়তো আমরা তা বলে উঠতে পারি না বা বলার সময় পেয়েও বলি না। ‘মা’ শব্দটি অতি মধুর। ‘মা’ শব্দটি মুখে আন্তেই পরম শান্তি অনুভব করি। সুখে, দুঃখে, হাসি, কান্নাতে সবকিছুতেই ‘মা’। সন্তানের সবকিছুই ‘মা’ সবার আগে বুঝতে পারে। স্নতান যত বড়ই হোক না কেন ‘মা’-র কাছে স্নতান সেই ছোটবেলার ছোট বাচ্চাটিই থাকে। সন্তানের গায়ে একটু আঁচর লাগতেই সবার আগে ‘মা’ ছুটে আসে। সন্তানের কিছু হলে ‘মা’ তা সহ্য করতে পারে না এবং একটুতেই অস্থির হয়ে পড়ে। আজ আমি আমার ‘মা’ এর গল্প বলব।

শুরুতেই সারা প্রিথীবির সব মায়েদের সম্মান জানাই। আমি তানহা। নামটি রাখে আমার ‘মা’। খুব শখ করেই রাখে এই নামটি। আমার জন্ম ১৯৯৮ এর জানুয়ারী মাসে। আমার বয়স যখন ০৩ বসর তখন আমি খাওয়া নিয়ে খুব বিরক্ত করতাম ‘মা’ কে। ‘মা’ও খুব বিরক্ত হত কিন্তু খুব ধৈর্য ধরে নানা ধরনের রুপকথার গল্প বলে ঘরের উঠোনে, বাড়ির ছাদে, বারান্দায় বিভিন্ন পাখি দেখিয়ে হেঁটে হেঁটে অনেক কষ্ট করে খাওয়াত। তখন ‘মা’ আমার প্রতি খুব খেয়াল রাখত। কখন আমি খাব, কখন ঘুমাব, কখন কি লাগবে সবকিছুই মায়ের চিন্তায় থাকত। যখন আমি একটু একটু করে হাটি হাটি পা করে বড় হচ্ছি তখন থেকেই মায়ের বুলি আওরাতে শিখলাম। তখন ‘মা’ না থাকলে, একটুর জন্য দূরে গেলেই মনে হত কি যেন নেই। মায়ের খাইয়ে দেওয়া, ঘুরতে যাওয়া, সীমাহিন আদর পাওয়া, শুয়ে শুয়ে ঘুমপাড়ানি মাসীর গল্প, রাক্ষসী রানীর গল্প বলা ছাড়া যেন সময় যেত না। ছেলেবেলার সবকিছুই যেন এক্টা সপ্নের মত ছিল। ‘মা’ র আদর সবারই প্রিও।আর এই ‘মা’ যখন আমাদের ছেড়ে পৃথিবী ছেড়ে অনেক দূরে চলে যায় তখন খুবই খারাপ লাগে, সময় তখন কাটতেই চায় না। ‘মা’র স্মৃতি গুলো খুবই মনে পড়ে, আর সব ফেলে মায়ের কাছে চলে যেতে ইচ্ছে করে। তখন চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে ‘মা’ আমি তোমাকে ভালবাসি। মায়ের সব স্মৃতি তখন খুব মনে পড়ে। ‘দাঁত থাকতে যখন দাঁতের মর্যাদা’ বুঝিনি তখন হারিয়ে যাওয়ার পর স্মৃতিটুকু আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করছি। মনে হয় যেন পরকালের স্বর্গের সমস্ত সুখটাই মায়ের আঁচলে লুকায়িত রয়েছে। ‘মা’ এর প্রতি রইল বিনম্র শ্রধধা ও অগাধ ভালবাসা।

আসুন ‘মা’ জাতিকে পরখ করতে শিখি, শ্রদ্ধা করতে শিখি ও প্রিথীবির সমস্ত সুখ তাদেরকে উৎসর্গ করি।

posted from Bloggeroid

যে আপনাকে ফোন করবে সে শুনবে আপনার পছন্দের গান গ্রামীনের কিছু ওয়েলকাম টিউনের কোড নিয়ে নিন

যে আপনাকে ফোন করবে সে শুনবে আপনার পছন্দের গান গ্রামীনের কিছু ওয়েলকাম টিউনের কোড নিয়ে নিন

GP Welcome Tune Code List
Akta gopon kotha
(Yatri) >-> 412009
Alo alo (Tahosan)
>-> 412062
Ak mutho roddur hate
(Balam) >-> 412062
Amr sopno (Agun)
>-> 413066
Ami bolcina valobastai
hobe(Kobita) >-> 413130
Aso bristi namaE (Habib)
>-> 262050
Ami tar cholonay vulbona
>-> 813044
Ai rat tmr amr
>-> 813083
Alo melo mon (Habib)
>-> 812035
Ak j cilo sonar konna
>-> 811003
Aktara 2i desher kotha >-
> 813015
Akti bangladesh
>-> 813066
Amr buker moddo kane
(Andru kison)
>-> 263003
Amr saradeho (A.Kishor)
>-> 263004
Amr gorur garite (A.kisor)
>> 263073
Ak akaser tara (A.B)
>--> 812140
Amar gaye joto dukko
soy >--> 811001
Amr aknoyon to
>--> 813097
Akdin sopner din
>--> 813103
Ata ki 2441139
>--> 813005
Ak boisake deka holo
>--> 813007
Ak tara bajaiyo na
>--> 813007
Ami banglar gan gai
>--> 813011
Ai podma ai meghna
>--> 813013
Ak ber jete de na
>--> 813014
Ai sundor sornali
>--> 813085
Ami akas hobo (Fahmida)
>--> 813135
Ai muhurte (Bappa)
>--> 812061
Alo amr alo
>--> 814005
Aso hay boisak
>--> 814009
Aj pasa kelbore sam
>--> 811002
Amr vasaili
>--> 811020
Amon akta ma de na
>--> 811034
Amr bondua bihone
>--> 811041
Ami hridoyr kotha
(Indrani sen)
>-> 264010
Amaro porano jaha cay >-
> 264001
Aji hridoy amr (Srikanto)
>-> 264012
Akase protidin (Bappa)>-
> 262073
Ami nirbasone jabo
(Bappa)>-> 262075
Akdin paki ure (Ovijit)>->
263091
Amr ai dui cok (S.nondi)>-
> 263093
Akaki govir rat a(Asif)
>--> 113041
Age ki sundor din
>--> 111042
Amr bolar kichu
>--> 113405
Amay ato rat a
>--> 113041
Age jodi janitam
>--> 112049
Ami cailam jare(Salma)
>--> 113149
Amr gaye joto dukko soy
>--> 113406
Aji bangladesher hridoy
>--> 113054
Amr maje nai
>--> 113041
Akdin gum vengge
>--> 113294
Alomelo batase
>--> 113041
AkoE chole jeona
>--> 113342
Akber choker deka
>--> 113326
Akaser hat a ace
>--> 113042
Ami baro mash (L.R.B)
>--> 112092
Aj k na hoy valobaso
>--> 113040
Abar jigay
>--> 112042
Amr a duti cok
>--> 113086
A ki shonar
alo
>--> 113086
Akase tor bari(Asif)
>--> 663295
Ay fire ay(Asif)
>
> 663292
EktaChilo 611006
DilkiDoya 611007
Band
MonShudhuMon 612001
ONodireTui 612002
SeJeBoseAche 612003
EkAkasherTara 612004
MelayJaire 612005
PaglaHaowa 612006
ChaloBadleJai 612007
Modern
ShurjodoyeTumi 613001
AiPodda 613002
DinGelo 613003
AmiBanglaiGaanGai
613004 OPriya 613005
AmiKhujechiTomai
613006 DheoEDheoE
613007 AbarEloJeShondha
613008 CoffeeHouse
613009 Hello2441139
613010
JekhaneSimantoTomar
613011
KobitaPorarProhor 613012
MonePoreRubiRay 613013
ProthomShokal 613014
TomakeChai 613015
TorePutulerMoto 613016
OreNilDoria 613017
PremiOPremi 613018
AkasherOye 613019
AmarBuker 613020
ChupiChupi 613021
Tagore Songs
BaroAshaKore 614001
BhalobashiBhalobashi
614002
BhalobesheSakhi 614003
AajJusthnaRate 614004
AgunerParashmoni
614005 AlooAmarAloo
614007 AmarSonarBangla
614008
AmiHridoyerKatha
614009
AmiTomarShange
614010
ChanderHasirBandh
614011 DureKothaiDure
614012 GramChhara
614013
JakhanParbenaMor
614014 2 Nazrul Sangit
AdhoRateJodi 615001
AnachiAmarSoto 615002
English Classic
BuffaloSoldier 621001
CarelessWhisper 621002
EverythingIDo 621003
IJustCalledToSay 621004
Modern
ShurjodoyeTumi 613001
AiPodda 613002
DinGelo 613003
AmiBanglaiGaanGai
613004 OPriya 613005
AmiKhujechiTomai
613006 DheoEDheoE
613007 AbarEloJeShondha
613008 CoffeeHouse
613009 Hello2441139
613010
JekhaneSimantoTomar
613011
KobitaPorarProhor 613012
MonePoreRubiRay 613013
ProthomShokal 613014
TomakeChai 613015
TorePutulerMoto 613016
OreNilDoria 613017
PremiOPremi 613018
AkasherOye 613019
AmarBuker 613020
ChupiChupi 613021
Instrumental
Aria-6 622001
Popular
BarbieGirl 623001
ItsMyLife 623002
SherrySherryLady 623003
WindOfChange 623004
Hindi Film Songs
AashiqBanayaApne
631001 DhoomMachale
631002 HaiMeraDil 631003
JhalakDikhlaja 631004
KahoNaPyarHai 631005
KajraRe 631006
KalHoNaHo 631007
PiyuBole 631008
SunJara 631009
TuHiMeriShabHai 631010
TujheDekhDekh 631011
VheegiVheegi 631012
WohLamhe 631013
YaAli 631014
Modern
HawaMeinUdati 633001
INFRABLUE Bangla
Band
Ai Shomoy Habib 262005
Akta Gopon KothaYaatri
262000
Ayub Bacchu Kosto Pete
Valonashi 262002
Baazi Bappa 262003
Dukho Bilash Artcell
262001 Elomelo Mon
Habib 262004 Habib Din
Galo 262006
Jadu Habib 262007
Shopner Cheyeo Modhur
Habib 262008
TahsanPremMatal
262009 Bangla Folk
AbdulJabbar ORe Neel
Daria 261000
AlamgirAmai EtoRate
261001
BariSiddiqi Sowa Chan
Pakhi 261002
Pothik Nobi Amar Mon Na
Chai 261003
RinkuCloseUp1 Sonar
Moyna Pakhi 261004
RothindroNathRai Amar
Har Kala 261005
RothindroNathRai Tumi
Ar Ekbar 261006
Salim Chaowdhory Hasan
Rajai Koi Ami 261007
Salim Chaowdhory Nasha
Lagilo Re 261008
Shawan Amar Sham Jodi
261009
Bangla Modern
AbdulHadiAmi Tomari
Pramo Vhikhari 263000
AbdulHadi Zeona Sathi
263001
AmitKumar Hoito
Tomake Aar 263002
AndrewKishor
AmarBukar Modha
263003 AndrewKishor
Amar Sara Deho 263004
AndrewKishor Karay
Dekhabo Monar 263005
Anjon Dutt 2441139
263006 Anjon Dutt Tumi
Na Thakle 263007
BhaloBashbo Re Habib
263008
ChondroKotha O Amar
Ural Ponkhi
263009
Hatath Bristi Ek din
Swapner Din 263010
Mahmuduz Zaman Nobi
Ami Banglar Gan Gai
263011 Manna Dey
Coffee Houser Sei
Addata 263012
Samina Chowdhury Phool
Phota Phool Jhora 263013
Samina Chowdhury
Shomoy Jeno Kate Na
263014
AmarBuker 613020
ChupiChupi 613021
Instrumental
Aria-6 622001
Popular
BarbieGirl 623001
ItsMyLife 623002
SherrySherryLady 623003
WindOfChange 623004
Hindi Film Songs
AashiqBanayaApne
631001 DhoomMachale
631002 HaiMeraDil 631003
JhalakDikhlaja 631004
KahoNaPyarHai 631005
KajraRe 631006
KalHoNaHo 631007
Bangla Nazrul Sangit
Anup GhosalAkashe Aj
Choriye Dilam 265000
AshaVoshle Dur Dipo
Provasini Chini 265001
DheranBasu Mor Priya
Hobe Aso 265002
Indrani Sen Oi
Rangamathir Pothe
265003
Indrani Sen Patho Hara
Pakhi 265004
Sathinath Amer Jaber
Somoy Holo 265005
Sathinath Sawono Rate
Jodi 265006
film Songs
Come On Come On Babul
281000
Crazy Kiya Re DhoomII
281001
Dhoom Again 281002
DilLaga Na Dhoom II
281003 Har Manza rBabul
281004 Hindi Ghazal
Jagjit Singh Tamanna Phir
Machal Jaaye 282000
Jagjit Singh Tera Chehra
Kitna Suhana 282001
Pankaj Udhas Aahista
282002
Pankaj Udhas Chandi
Jaisa Rang Hei Tera
282003 Pankaj Udhas
Such Bolta Hoo Main
282004
ilm Songs
Come On Come On Babul
281000
Crazy Kiya Re DhoomII
281001
Dhoom Again 281002
DilLaga Na Dhoom II
281003 Har Manza rBabul
281004 Hindi Ghazal
Jagjit Singh Tamanna Phir
Machal Jaaye 282000
Jagjit Singh Tera Chehra
Kitna Suhana 282001
Pankaj Udhas Aahista
282002
Pankaj Udhas Chandi
Jaisa Rang Hei Tera
282003 Pankaj Udhas
Such Bolta Hoo Main
282004
Zafar Iqbal Teri Duniya
Se Door 282005
Hindi Modern Abhijeet
Mohabbatein Lutaunga
283000
Bombay Vikings Zara
Nazron Se Kehdo 283001
JalAadat 283002
Jal Woh Lamhey 283003
Sazid Ali Panio Main
283004 Shaan Tanha Dil
283005 Silk Route Duba
Duba 283006
English Classic
Abba Something 271000
Air Supply Lost In Love
271001
Air Supply Making Love
271002
Air Supply Unchanged
Melody 271003
Bob Marley Buffalo Soldier
271004
EaglesLoveWill Keep Us
Alive 271005
U2AllIWantIsU 271006
UB40DontBreak My Heart
271007
Westlife Flying Without
Wings 271008
English Instrumental
Acoustic Alchemy Silent
272000
Enigma Sadness Part III
272002
Europe Fina lCountdown
272003
Kenny G My Heart Will Go
On 272004
LimpBizkit Take A Look
Around 272005
Mission Impossible ..

posted from Bloggeroid

grameenphone এর টাকা কাটার বিভিন্ন সার্বিস বন্ধ করতে এই টিপস

grameenphone এর টাকা কাটার বিভিন্ন সার্বিস বন্ধ করতে এই টিপস

কিভাবে grameenphone এর টাকা কাটার বিভিন্ন সার্বিস বন্ধ করবেন
আচ্ছালামূয়ালাইকুম, কেমন আছেন সবাই, আশা করি ভাল আছেন আমি আল্লাহর রহমতে আপনাদের দোয়াতে ভাল আছি। বাংলাদেশের সবছেয়ে জনপ্রীয় একটি মোবাইল অপারেটর গ্রামীনফোন। আমরা অনেকেই গ্রামীন সিম ব্যাবহার করি। তারা আমাদের কে তাদের সিমে যেই সুযোগ সুবিদা আছে, তা মেসেজ এর মাধ্যমে বলে দেয়, এবং এর জন্য আমাদের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট চার্জ কাটে । এবং তাদের যেই সার্বিস গুলি আছে তা চালু করার কারনে তাদের আমাদের সিম থেকে টাকা কাটে । এখন আমরা দেখব কিভাবে তাদের এই সার্বিস গুলি বন্ধ করে, সিম থেকে টাকা কাটা বন্দ করব ।

আমরা যদি গ্রামীনফোন এর সব গুলি সার্বিস এক সাথে বন্ধ করতে চাই, তাহলে STOP ALL লিখে 789 এই নাম্বারে পাঠিয়ে দিব । তাহলে সব গুলি সার্বিস এক সাথে বন্ধ হয়ে যাবে ।
কিন্তু তাতে যদি বন্ধ না হয়, তাহলে যেই নাম্বার থেকে মেসেজ আসে তার প্রথম দুইটা নাম্বার বাদ দিলে যেই নাম্বার পাওয়া যাবে সেই নাম্বারে STOP ALL লিখে পাঠিয়ে দিলে মেসেজ আসা বন্ধ হয়ে যাবে ।

তাছাড়া বিভিন্ন সার্বিস বন্ধ করতে নিছের পদ্ধতি অনুসরন করুন,
GrameenPhone Welcome tune = Type "Stop" and send to 4000
Grameenphone Internet off =*500*40#
Grameenphone Facebook =Type "Stop" and send to 32665
Grameenphone Facebook USSD =dial *325*22#
Grameenphone Mobile Twitting =Type "Stop" and send to 9594
Grameenphone Call Block : =Type "Stop CB" and send to 5678
Grameenphone Missed Call Alert = type "STOP MCA" and send to 6222
Grameenphone Cricket Alert Service =type "Stop Cric" to 2002.
Grameenphone Sports service =Type "STOP SN" and SMS to 2002.
Grameenphone Cricket service, =type "STOP CR" and SMS to 2002.
Grameenphone Mobile Backup =type "Stop MB" and send to 6000
Grameenphone Buddy Tracker = Type "Stop" and send to 3020
Grameenphone Music News =Type "Stop BD " and send to 4001
Grameenphone Voice Chat =dial 2828 and press 8.
Grameenphone Entertainment Box =Type "Stop" and send to 1234
Grameenphone Ebill = type "Ebill cancel" and send to 2000.
Grameenphone Job News =type "STOPJOB CATEGORY" to 3003.
Grameenphone Namaz timings: =type "STOP N" to 2200.
Grameenphone Hadith sharif =type "STOP H" to 2200.
Grameenphone Voice Mail Service =Dial ##62# or ##67#or ##61# or ##21#

উপরের নিয়ম অনুসরন করে গ্রামীন এর টাকা কাটার সিস্টেম বন্ধ করুন। আজ এখানে শেষ করছি । ভাল থাকবেন সবাই, আল্লাহ হাফেজ ।

posted from Bloggeroid

প্রেম ভালবাসা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে যেনে নিন

প্রেম ভালবাসা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে যেনে নিন

লিখেছেনঃ RASHEL UDDIN (তারিখঃ শুক্রবার, ২০/০৫/২০১৬ - ১৮:১৪)
আলহামদুলিল্লাহ। গুনাহ ও
দুষ্কর্মের দরজাগুলো বন্ধ করার জন্য শরিয়ত
এসেছে। যা কিছু মানুষের মনোজগৎ ও
বিচার-বিবেচনা শক্তিকে নষ্ট করে দেয়ার
মাধ্যম তা বন্ধ করার জন্য শরিয়ত সকল
ব্যবস্থাই গ্রহণ করেছে। আর প্রেম-
ভালোবাসা, নরনারীর সম্পর্ক, সব থেকে বড়
ব্যাধি ও মারাত্মক আপদ।
.
শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ রা. বলেন
[ দ্র: মাজমুউল ফাতওয়া: ১০/১২৯]
’ইশক বা প্রেম একটি মানসিক ব্যাধি। আর
যখন তা প্রকট আকার ধারণ করে শরীরকেও
তা প্রভাবিত করে।
.
সে হিসেবে তা শরীরের পক্ষেও ব্যাধি।
মস্তিষ্কের জন্যও তা ব্যাধি। এ-জন্যই বলা
হয়েছে, এটা একটা হৃদয়জাত
ব্যাধি। শরীরের ক্ষেত্রে এ ব্যাধির
প্রকাশ ঘটে দুর্বলতা ওশরীর শুকিয়ে
যাওয়ার মাধ্যমে।
.
তিনি আরও বলেন, [দ্র: মাজমুউল
ফাতওয়া:১০/১৩২] ’ পরনারীর প্রেমে এমন সব
ফাসাদ রয়েছে যা আল্লাহ ব্যতীত অন্য
কেও গুনে শেষ করতে পারবে না। এটা এমন
ব্যাধির
একটি যা মানুষের দীনকে নষ্ট করে দেয়।
মানুষের বুদ্ধি- বিবেচনাকে নষ্ট করে দেয়,
অতঃপর শরীরকেও নষ্ট করে।
.
বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রেম-
ভালোবাসার ক্ষতি জানার জন্য এতটুকুই
যথেষ্ট যে, এটা হলো হৃদয়ের বন্দিদশা, আর
প্রীতিভাজনের জন্য দাসত্ব, প্রেম-
ভালোবাসা অসম্মান, অপদস্থতা ও কষ্টের
দরজা। এগুলো একজন সচেতন মানুষকে এই
ব্যাধি থেকে দূরে সরাতে যথেষ্ট।
.
ইবনে তাইমিয়াহ রা. বলেন: [ দ্রঃ মাজমুউল
ফাতওয়া: ১০/১৮৫] পুরুষের হৃদয় যদি কোনো
নারীর সাথে এঁটে যায়,
যদিও সে নারী তার জন্য বৈধ হয়, তাহলেও
তার হৃদয় থাকে ওই নারীর কাছে বন্দি।
নারী তার অধিপতি হয়ে বসে, পুরুষ তার
ক্রীড়নকে পরিণত হয়, যদিও সে প্রকাশ্যে
তার অভিভাবক; কেননা সে তার স্বামী।
.
তবে বাস্তবে সে নারীর কাছে বন্দি, তার
দাস। বিশেষত নারী যদি জানতে পারে যে
পুরুষ তার প্রেমে মুগ্ধ।
এমতাবস্থায় নারী তার উপর আধিপত্য
চালায়, জালেম ও স্বৈরাচারী শাসক যেমন
তার মাজলুম, নিষ্কৃতি পেতে অপারগ
দাসের উপর শাসন চালায়, ঠিক সেভাবেই
নারী তার প্রেমে হাবুডুবু-খাওয়া পুরুষের
উপর শাসন
চালায়। বরং এর থেকেও বেশি চালায়।
.
আর হৃদয়ের বন্দিদশা শরীরের
বন্দিদশা থেকে মারাত্মক। হৃদয়ের দাসত্ব
শরীরে দাসত্বের চেয়েও কঠিনতর।‘
আর বিপরীত লিঙ্গের প্রতি ভালোবাসা
ওই হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারে না যে হৃদয়ে
আল্লাহর ভালোবাসা ভর্তি রয়েছে। সে-
তো কেবল ওই হৃদয়েই স্থান পায় যা শূন্য,
দুর্বল, পরাস্ত।
এধরনের হৃদয়েই বিপরীত লিঙ্গের প্রতি
ভালোবাসা স্থান পায়। আর এটা যখন
শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছে, প্রকট আকার
ধারণ করে তখন কখনো আল্লাহর
ভালোবাসাকেও অতিক্রম করে যায় এবং
ব্যক্তিকে শিরকের দিকে ঠেলে দেয়।
.
এজন্যইবলা হয়েছে, প্রেমপ্রীতি শূন্য হৃদয়ের
আন্দোলন।
হৃদয় যখন আল্লাহর মহব্বত ও স্মরণ থেকে শূন্য
হয়ে যায়,
আল্লাহর কাছে দুয়া-মুনাজাত ও আল্লাহর
কালামের স্বাদ গ্রহণ করা থেকে যখন শূন্য
হয়ে যায় তখন নারীর ভালোবাসা, ছবির
প্রতি আগ্রহ, গান-বাজনা শোনার আগ্রহ
তার জায়গা দখল করে।
.
শায়খ ইবনে তাইমিয়াহ রা. বলেন:
[দ্র:মাজমুউল ফাতওয়া:১০/১৩৫]
হৃদয় যদি একমাত্র আল্লাহকে ভালবাসে,
দীনকে একমাত্র তার জন্য একনিষ্ঠ করে,
তাহলে অন্য কারও ভালোবাসার মুসীবত
তাকে স্পর্শ করতে পারে না। প্রেম-
ভালোবাসার কথা তো বহু দূরে। প্রেম-
ভালোবাসায় লিপ্ত হওয়ার অর্থ, হৃদয়ে
আল্লাহর মহব্বতের অপূর্ণতা।
.
এ-কারণে ইউসুফ আলাইহিস সালাম,
যিনি একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে মহব্বত
করতেন, তিনি এই মানবীয় ইশক-মহব্বত
থেকে বেঁচে গেছেন।
.
আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে: (এমনি ভাবেই
হয়েছে যাতে আমি তার থেকে মন্দ ও
নির্লজ্জ বিষয় সরিয়ে দেই। নিশ্চয় সে
আমার মনোনীত বান্দাদের মধ্যে একজন
ছিল।) [সূরা ইউসূফ: ২৪]
.
পক্ষান্তরে মিসরের প্রধানের স্ত্রী ও
সম্প্রদায় ছিল মুশরিক। ফলে সে প্রেম-
ভালোবাসায় আক্রান্ত হয়।
.
তাই একজন মুসলমানের উচিত এই ধ্বংসের পথ
থেকে সরে আসা।
এ থেকে নিজেকে রক্ষা করা ও নিষ্কৃতি
পাওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে
যাওয়া।
.
যদি এ-ক্ষেত্রে ঢিল দেয়, বা কোতাহি করে
এবং প্রেমের নদীতে তরী ভাসায় – যার
প্রতি দৃষ্টি দেয়া হারাম তাকে বার বার
দেখে দেখে, যা শোনা হারাম তা বার
বার শোনে শোনে, বিপরীত লিঙ্গের
সাথে কথা বলাকে তুচ্ছ জ্ঞান করে করে,
আর এভাবেই ডুবে যায় প্রেম-ভালোবাসায়,
তাহলে সে নিশ্চয়
গুনাগার, পাপী, শাস্তি ও আযাবে
উপযোগী।
.
এমন অনেক মানুষ আছে যে শুরুতে ঢিল
দিয়েছে, মনে করেছে যখন ইচ্ছে করবে
ফিরে আসতে পারবে, নিজেকে মুক্ত করতে
পারবে, অথবা বিশেষ সীমানা পর্যন্তই
যাবে।
.
তবে যখন ব্যাধি রগরেশায়
অনুপ্রবেশ করেছে, তখন না কাজে এসেছে
কোনো ডাক্তারে পরামর্শ আর না কোনো
ওষুধ

posted from Bloggeroid

বাঁচতে চাই

বাঁচতে চাই

লেখক: সাইফুর (৯৪-০০)
বিভাগ: কবিতা, কুমিল্লা
অমরত্বের লোভ নিয়ে আমি বাঁচতে চাই না এই পৃথিবীতে
প্রতিদিন একটা নতুন সূর্যোদয় দেখা যোগ করতে চাই জীবনের খেরোখাতাতে
জীবনকে আটকাতে চাই না ফিগার এইট নটে কিংবা কোন ফসকা গিরোতে
অনেক খরার মাঝে এক পশলা বৃষ্টির জন্য আমি বাঁচতে চাই
দিনশেষে রাখাল আর গরুর পাল মেঘ্নার সবুজ ঘাসের উপর যে সরল রেখা একে ঘরে ফিরে তার জন্য আমি বাঁচতে চাই
অগ্নিঝরা রোদের আড়াল থেকে হঠাত যে কালবোশেখির কালো ছবি আড়াল করে দেয় পৃথিবির সমস্ত চকচকে ঝকঝকে ছবিগুলাকে
তা দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই অনেকদিন
নারকেলের খোসা দিয়ে গাড়ী বানিয়ে খেলা ছোট্ট শিশু দুটোকে দেখার জন্য বাঁচতে চাই
রাজ হাসের দল ঘ্যাত ঘ্যাত শব্দ তুলে যে সংগীত গেয়ে গৃহস্থের খোয়ারে ফিরে সেই দৃশ্য আর সংগীত এর জন্য বাঁচতে চাই
মাঠের মাঝখানে বৃষ্টিতে আটকে পরা গরুটি গৃহস্থের অপেক্ষায় যেই মায়াময় দৃশ্য তইরি করে তা দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই
সারারাত নদীতে মাছ ধরে রতইন্যা জেলে যখন ঘাটে নাও ভিড়ায় তখন উলংগ শিশুটা কোমরে বাধা ঘন্টার ছন্দে দৌড়ে এসে-বাজান বলে চিৎকার দিয়ে যে।আনন্দ আর হাসির দৃশ্যপট তৈরী করে সেই দৃশ্য দেখার জন্য আমি।বাঁচতে চাই আরো অনেকদিন
এমনি কিংবা তার চাইতে অনেক তুচ্ছ লজ্জাবতীর শিশিরভেজা রুপ দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই অনেকদিন –
শুধু অমরত্বের লোভে আমাকে মরতে বলনা প্রতিদিন।

posted from Bloggeroid