Monday, 20 June 2016

জেনে নিন কোন মোবাইল কত সময় ধরে চার্জ দিতে হয়

জেনে নিন কোন মোবাইল কত সময় ধরে চার্জ দিতে হয়

জেনে রাখুন কোন মোবাইল এ কত সময় ধরে চার্জ দিতে হয়।
নতুন কোনো স্মার্টফোন কেনার আগে স্মার্টফোনটির ব্যাটারি লাইফ অর্থাৎ চার্জ কতক্ষণ থাকবে, সেটা অন্যতম একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠে স্মার্টফোনটি কেনার ক্ষেত্রে। বেশিরভাগ স্মার্টফোনই প্রতিদিন চার্জ দেওয়ার প্রয়োজন পরে। সারাদিন ব্যবহারের পর অনেকে রাতের বেলা চার্জ দেয়। কিন্তু বাসা থেকে অফিস যাওয়ার পথে যদি বেশ কিছুক্ষণ স্মার্টফোনটিতে ভিডিও দেখা হয়, ক্রমাগত গান শোনা হয়, ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়, তাহলে কিছু স্মার্টফোনে দেখা যায় দিনের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে খুব দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে যদি আপনি সঙ্গে পাওয়ার ব্যাংক রাখেন, তাহলে হয়তো প্রয়োজনীয় মুহূর্তে স্মার্টফোনের চার্জ হয়ে যাওয়ার বিরক্তিকর মুহূর্তে উদ্ধার পাবেন।

স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ কতক্ষণ স্থায়ী হয়? এই প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো উত্তর হচ্ছে, আপনার স্মার্টফোনটির ব্যাটারির সামগ্রিক ক্ষমতা কত অর্থাৎ যেটাকে এমএএইচ (মিলি অ্যাম্পিয়ার পাওয়ার) রেট বলা হয়।
★কেননা উচ্চতর এমএএইচ রেটিং, বড় ব্যাটারি সমৃদ্ধ স্মার্টফোনের ব্যাটারি চার্জ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়। তবে এটিই যে একমাত্র কারণ তা কিন্তু নয়। এর পাশাপাশি ফোনটির স্ক্রিন ব্রাইটনেস, রেজ্যুলেশন সহ আরো কিছু বড় ভূমিকা পালন করে থাকে ব্যাটারির চার্জের স্থায়ীত্বের ক্ষেত্রে।
★প্রযুক্তি গবেষণা বিষয়ক যুক্তরাজ্যের ওয়েবসাইট ‘এক্সপার্ট রিভিউস’, বর্তমান সময়ের বাজারের সেরা বেশ কয়েকটি স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জের স্থায়ীত্ব নিয়ে সম্প্রতি একটি পরীক্ষা করেছে। এ পরীক্ষায় একই নির্দিষ্ট জায়গায় সেরা সব স্মার্টফোনগুলোর ব্যাটারি চার্জের স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আপনি জানতে পারবেন যে, এর মধ্যে থেকে আপনার ব্যবহৃত স্মার্টফোনটি বাকি অন্যান্য স্মার্টগুলোর তুলনায় ব্যাটারি সক্ষমতায় কতটা এগিয়ে রয়েছে। কিংবা কোন স্মার্টফোনগুলো ব্যাটারি সহ্য ক্ষমতায়
★স্মার্টফোনের ব্যাটারি চার্জের স্থায়ীত্বের পরীক্ষাটি যেভাবে করা হয়েছে সেরা স্মার্টফোনগুলোর ব্যাটারি চার্জের স্থায়ীত্ব পরীক্ষা করা জন্য, ভিডিও প্লেব্যাক পরীক্ষা করা হয়েছে। স্পাইডারম্যান ২ সিনেমা থেকে কিছু দৃশ্য নিয়ে এইচ.২৬৪ ফরম্যাটে একটি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। এরপর ভিডিও চালানো হয়েছে এবং হেডফোন থেকে বের হওয়া শব্দ রেকর্ড করা হয়েছে, যার মাধ্যমে জানা গেছে যে, ব্যাটারি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত কতটা সময় ধরে ভিডিও চলেছে।
★এক্ষেত্রে ফোনগুলোকে এয়ারপ্লেন মোডে ব্যবহার করা হয়েছে, অটোমেটিক ব্রাইটনেস ও স্লিপ সেটিংস বন্ধ রাখা হয়েছে এবং স্ক্রিন ব্রাইটনেস ১৭০cd/m2-তে সেট করা হয়েছে। যেহেতু ফোনগুলোকে এয়ারপ্লেন মোডে ব্যবহার করা হয়েছে এবং সকল ধরনের ওয়্যারলেস ফিচার বন্ধ রাখা হয়েছে, তাই স্বাভাবিকভাবে ফোনগুলোর ব্যাটারি লাইফ বেশি বেড়ে ছিল।
তার মানে হচ্ছে, এ পরীক্ষায় ভিডিও বারবার চালানো গেছে।
★ ওয়্যারলেস ফিচার চালু না রাখার কারণ হচ্ছে, এর তরঙ্গশক্তি আসা-যাওয়া করতে থাকে, যা ফোনকে ক্রমাগত
চাপ দিতে থাকে ব্যাটারি ক্ষমতার পরিমাণ সমন্বয় করতে, যা পরবর্তনশীল ফলাফল ঘটাতে পারে। যা হোক শেষ কথা হচ্ছে, আপনার স্মার্টফোনটিকে কীভাবে ব্যবহার করছেন, কোথায় বসবাস করছেন, কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছেন, সবকিছুই স্মার্টফোনের ব্যাটারি লাইফকে ভূমিকা রাখে।
এ পরীক্ষার লক্ষ্য ছিল, এটা দেখানো যে, কোন ফোনটিতে সবচেয়ে বেশিবার ভিডিও রিপিট করা গেছে, সঙ্গে এটা অনুমান করা যে, সত্যিকার জগতে ছোট ব্যাটারির স্মার্টফোনগুলোর তুলনায় বড় ব্যাটারির স্মার্টফোনগুলোর পারফরম্যান্স। নিচের তালিকা থেকে আপনি দেখে নিতে পারবেন যে, সেরা স্মার্টফোনগুলোর ব্যাটারি লাইফে একটা বড় ধরনের অমিল রয়েছে।
প্রায় ১০ ঘণ্টার ব্যবধান। যা হোক, পরীক্ষায় দেখা গেছে, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ স্মার্টফোন ব্যাটারির চার্জের স্থায়ীত্বে সেরা, ১৭ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত এর চার্জ থাকে। আইওএস অপারেটিংয়ে ব্যাটারি লাইফে সেরা হচ্ছে আইফোন ৬এস প্লাস, চার্জ থাকে ১৪ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট।
উইন্ডোজ অপারেটিংয়ে ব্যাটারি লাইফে সেরা হচ্ছে মাইক্রোসফট লুমিয়া ৯৫০এক্সএল, চার্জ থাকে ১৩ ঘণ্টা ২ মিনিট।
★ দেখে নিন ব্যাটারির চার্জের স্থায়ীত্বের সেরা কিছু স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে কোন স্মার্টফোনটিতে কতক্ষণ চার্জ থাকে। (নীল রঙের স্মার্টফোনগুলো অ্যান্ডয়েড অপারেটিং সিস্টেমের, লাল রঙেরগুলো আইওএস অপারেটিং সিস্টেম চালিত এবং সবুজ রঙের গুলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত।) ★১. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ (১৭ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট) ২. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৫ নিও (১৬ ঘণ্টা ২৬ মিনিট) ৩. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এজ (১৫ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট) ৪. মটোরোলা মটো এক্স ফোর্স (১৫ ঘণ্টা ১২ মিনিট) ৫. আইফোন ৬এস প্লাস (১৪ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট) ৬. এলজি জি৪ সি (১৪ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট) ৭. এলজি লিওন (১৪ ঘণ্টা ১ মিনিট) ৮. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ (১৩ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট) ৯. মটোরোলা মটো ই সেকেন্ড জেনারেশন (১৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট) ১০. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এজ প্লাস (১৩ ঘণ্টা ২৩ মিনিট) ১১. সনি এক্সপেরিয়া জেড৫ কমপ্যাক্ট (১৩ ঘণ্টা ২১ মিনিট) ১২. মটোরোলা মটো এক্স প্লে (১৩ ঘণ্টা ৮ মিনিট) ১৩. ওয়ান প্লাস এক্স (১৩ ঘণ্টা ৬ মিনিট) ১৪. মাইক্রোসফট লুমিয়া ৯৫০এক্স এল (১৩ ঘণ্টা ২ মিনিট) ১৫. স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট৫ (১২ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট) ১৬. এলজি জি৪ (১১ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট) ১৭. গুগল নেক্সাস ৬পি (১১ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট) ১৮. হুয়াউয়ে মেইট ৮ (১১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট) ১৯. মাইক্রোসফট লুমিয়া ৬৫০ (১১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট) ২০. সনি এক্সপেরিয়া জেড৫ (১১ ঘণ্টা ২৯ মিনিট) ২১. এলজি জি ফ্লেক্স ২ (১১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট) ২২. এইচটিডি ডিজায়ার ৫১০ (১১ ঘণ্টা ২৪ মিনিট) ২৩. এলজি স্পিরিট (১১ ঘণ্টা ২০ মিনিট) ২৪. আইফোন ৬এস (১১ ঘণ্টা ১৮ মিনিট) ২৫. ওয়ানপ্লাস টু (১১ ঘণ্টা ১৩ মিনিট) ২৬. মটোরোলা মটো জি থার্ড জেনারেশন (১১ ঘণ্টা ১২ মিনিট) ২৭. ব্ল্যাকবেরি প্রিভ (১১ ঘণ্টা ১১ মিনিট) ২৮. ইই হারিয়ার মিনি (১০ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট) ২৯. ভোডাফোন স্মার্ট আল্ট্রা ৬ (১০ ঘণ্টা ৫১ মিনিট) ৩০. ইই হারিয়ার (১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট) ৩১. অনার ৫এক্স (৬১৬)(১০ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট) ৩২. হুয়াউয়ে মেইট এস (১০ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট) ৩৩. ভোডাফোন স্মার্ট স্পিড ৬ (১০ ঘণ্টা ২৪ মিনিট) ৩৪. গুগল নেক্সাস ৫ এক্স (১০ ঘণ্টা ১৪ মিনিট) ৩৫. এইচটিসি ডিজায়ার ৬২৬ (১০ ঘণ্টা ৭ মিনিট) ৩৬. এইচটিসি ওয়ান এ৯ (১০ ঘণ্টা ২ মিনিট) ৩৭. মাইক্রোসফট লুমিয়া ৯৫০ (১০ ঘণ্টা ১ মিনিট) ৩৮. এইচটিসি ডিজায়ার ৬২০ (৯ ঘণ্টা ৪২ মিনিট) ৩৯. সনি এক্সপেরিয়া জে৫ প্রিমিয়াম (৯ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট) ৪০. এইচটিসি ডিজায়ার ৫৩০ (৯ ঘণ্টা ২০ মিনিট) ৪১. এইচটিসি ডিজায়ার ৮২০ (৯ ঘণ্টা ১৮ মিনিট) ৪২. এইচটিসি ওয়ান এম৯ (৯ ঘণ্টা ১৩ মিনিট) ★৪৩. উইলিফক্স সুইফ (৮ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট) ৪৪. সনি এক্সপেরিয়া এম৫ (৮ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট) ★৪৫. মটোরোলা মটো এক্স স্টাইল (৮ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট)


যদি বিদ্যুত না তাকে কিছু দিন আপনার মোবাইল বন্দ হবেনা।

যদি বিদ্যুত না তাকে কিছু দিন আপনার মোবাইল বন্দ হবেনা।

আপনার এলাকায় ১মাস বিদ্যুত না থাকলেও আপনার ফোন কখনোও বন্ধ হবে না। সবসময় ফোনে চার্জ থাকবেই। কি মজার ব্যাপার তাই না। দেখুন কি করে এটা করবেন
আসসালামুয়ালাইকুম
আজ দেখাই কিভাবে বিদ্যুৎ চাড়া মোবাইলে চার্জ দিবেন। তাইলে এখন শুরু করি।
যা যা লাগবে
১। বাই সাইকেল
২। সাইকেল ডাইনোমা

৩। Bridge Rectifier এটার আরেক নাম Diode bridge Rectifier ১০০v
৪।Capacitor 1000UF
৫। Voltage Regulator 0.5 v 1A

(R for rectifier——C for Capacitor—–V for volt Regulator) হোম ! এবার কাজে আসেন। সাইকেল ডাইনমা আপনারা অনেকেই দেখেছেন। এটা সাইকেলের পিছনের চাকায় লাগানো থাকে আর সামনে একটা বাতি থাকে।
সাইকেল চালালে লাইটটা জ্বলে। দেখেন নয়াই? হা অনেকেই দেখেছেন। এই ডায়নমাটা ১২v এর মতো বিদ্যুৎ প্রদান করে, কিন্তু আমাদের মোবাইলে চার্জ দেয়ার জন্য মাত্র 4 দশমিক something ভোল্টই যথেষ্ট। এর জন্য আমরা অই অতিরিক্ত ভোল্টটা কমিয়ে ফেলবো।
এখন কমাবো কিভাবে? হা কমানর জন্য আমরা অই তিনটা deviceএর কম্বিনেসন করবো। ডায়াগ্রামটা দেখাই, এই ভাবে তিনটারে তাতাল দিয়ে যোগ করবেন।(তিনটা ডিভাইস কিভাবে যোগ করবেন এটা দেখানো হোল এই ডায়াগ্রাম দিয়ে)

যেখানে To generator/ডায়নমা লেখা অই অংশ হোল জেনারেটর এর দুই লাইনে লাগবে। আর যেখানে লিখা To cellphone অই দুইলাইনে যুক্ত করতে হবে অই লাইন যেটা আপনি মোবাইলের চার্জের কোটে লাগাবেন। সাইকেলে ডায়নমাটা এভাবে লাগানো থাকে।

এখানে চাকা চললে লাইট জ্বলে।

অই ৩ টা ডিভাইস যোগ করার পর। ডায়নমার/জেনেরেটর দিকের লাইনটা ডায়নমার/জেনেরেটরের দিকে আর আপনার পুরান চার্জার থেকে ছিড়ে অইটার লাইন দুইটা নিয়ে (যে দিকে মোবাইলে ঢুকাবেন অই অংশ ঠিক রেখে, মানে চার্জিং কোটটা ঠিক রাখবেন।) অই To cellphone অংসে যোগ করেন। এই তিনটা ডিভাইস আপনি কনো কাঠের টুকরায় অথবা প্লাস্টিকের টুকরায় ফিট করে তাতাল দিয়ে যোগ করবেন।

সব ঠিক ঠাক থাকলে আপনি এখন voltmeter দিয়ে দেখেন আপনার ভোল্ট মুটামটি ৪.2 বা কমবেশ কিছু আসবে। এখন আপনি বেরিয়ে যান সাইকেল নিয়ে । একটা রাইড দিয়ে আসেন। কিছুক্ষন পরে দেখবেন মোবাইল চার্জ হচ্ছে।
[মোবাইলে চার্জে ঢুকানোর আগে টেস্ট করবেন


কিভাবে হ্যাকারদের কাছ থেকে নিরাপদ রাকবেন আপনার প্রিয় ফেসবুক আইডি জেনে নিন

কিভাবে হ্যাকারদের কাছ থেকে নিরাপদ রাকবেন আপনার প্রিয় ফেসবুক আইডি জেনে নিন

কিভাবে হ্যাকারদের কাছ থেকে নিরাপদ রাখবেন আপনার প্রিয় ফেসবুক এ্যাকাউন্ট ।
প্রদিতিদন ফেসবুকে যুক্ত হচ্ছে দুই লক্ষের অধিক নতুন ব্যবহারকারী, এছাড়াও ফেসবুকে রয়েছে ১ বিলিয়নের উপর সক্রিয় ব্যবহারকারী।
তবে অনেকেই জানেন না তাঁদের প্রিয় ফেসবুক একাউন্টের নানান তথ্য কিভাবে নিরাপদ রাখতে পারবেন।
হ্যাকারদের কাছ থেকে নিরাপদ রাখবেন আপনার প্রিয় ফেসবুক একাউন্ট অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে ব্যবহারকারীর একাউন্ট থেকে নানান ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হচ্ছে কিংবা একাউন্টটাই হ্যাক হয়ে গেছে! এসব ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নিজেদের তথ্য এবং একাউন্ট কিভাবে নিরাপদ রাখবে সেই নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন। পাসওয়ার্ড হচ্ছে সকল অনলাইন একাউন্টে সাইন আপ এবং লগ ইন এর প্রধান অংশ অনেকটা পাসওয়ার্ড হচ্ছে আপনার একাউন্টে প্রবেশের চাবি যেকেউ যদি আপনার পাসওয়ার্ড জেনে যেতে পারে তবে তার পক্ষে আপনার একাউন্ট হ্যাক করে নেয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। সুতরাং পাসওয়ার্ড নিয়ে বিশেষ ভাবনার কারণ রয়েছে।
আপনি যদি আপনার একাউন্ট নিরাপদ রাখতে চান তবে পাসওয়ার্ড দিতে হবে শক্তিশালী যেমন অবশ্যই আপনার জন্মদিন, জন্মসাল কিংবা মোবাইল নাম্বার ব্যাবহার করবেন না পাসওয়ার্ডে এতে করে হ্যাকারদের পক্ষে অনেক সহজ হয়ে যাবে আপনার একাউন্ট হ্যাক করা।
আপনি অবশ্যই আপনার ফেসবুক একাউন্ট আপনার ব্যক্তিগত রেজিস্টার্ড মোবাইল নাম্বার দিয়ে ভ্যারিফাইড করে নিবেন এতে করে আপনার ফেসবুক একাউন্ট অনেকটা নিরাপদ হয়ে যাবে কারণ এর ফলে আপনি কোন কারণে যদি ফেসবুক পাসওয়ার্ড ভুলেও যান তবে ফেসবুক আপনাকে মোবাইলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের সুযোগ দিবে।
অপর দিকে আপনার ইমেইল একাউন্টও কোন কারণে হ্যাক হতে পারে সে ক্ষেত্রেও ফেসবুক আপনার ভ্যারিফাইড নাম্বারে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার সুযোগ দিবে।
আপনার মোবাইলে ফেসবুক লগ ইন করার নোটিফিকেশান অন করে রাখুন এতে করে যদি কেউ আপনার একাউন্টে প্রবেশ করতে চায় তবে আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড সে হ্যাক করলেও একাউন্টে প্রবেশ করতে তাকে আরেকটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে যা ফেসবুক আপনার মোবাইলে SMSএর মাধ্যমে পাঠাবে। ফলে এটি অনেকটাই কষ্ট সাধ্য হবে হ্যাকারের জন্য। তাহলে চলুন জেনেনিই কিভাবে আপনি আপনার মোবাইলে ফেসবুক লগ ইন নোটিফিকেশান চালু করবেনঃ >প্রথমে আপনার ফেসবুক একাউন্ট সেটিংয়ে প্রবেশ করুনঃ >এরপর একাউন্ট সিকিউরিটিতে ক্লিক করুনঃ এখানে লগ ইন নোটিফিকেশান “Text message/Push notification ” ক্লিক করুন। এরপর আপনার কাছে আপনার মোবাইল নাম্বার চাইবে ফেসবুক, নাম্বার দিলে কিছুক্ষনের মাঝে আপনার কাছে একটি SMS আসবে যে কোড ফেসবুক পাঠাবে সেটি এখানে দিন। সব শেষে “ Require a security code to access my account from unknown browsers” এই অংশে টিক দিয়ে বেরিয়ে আসুন। এবার আপনার ফেসবুক একাউন্ট অত্যন্ত
শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যাবস্থার আওতায় চলে গেল।

posted from Bloggeroid

 বাংলালিং দিচ্ছে ১জিবি ৭ টাকায়

বাংলালিং দিচ্ছে ১জিবি ৭ টাকায়

Banglalink 1GB internet 7 tk (মেগা পোস্ট)
► Banglalink 1GB 7Tk
• offer valid for prepaid & cnc customers only • to get this offer, customer need to re-verification their sim by biometric process • to buy 1GB@7tk, dial *5000*704# • to check internet balance *5000*500# • validity for 7 days • usage time: 2 am – 12 pm • offer valid till further notice • 3% Supplementary Duty, 15% VAT & 1% SC applicable

posted from Bloggeroid

এই ঈদে স্যামসাং দিচ্ছে ২৫০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়

এই ঈদে স্যামসাং দিচ্ছে ২৫০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়

এই ঈদে স্যামসাং দিচ্ছে ২৫০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়
মো:আশরাফুল
ফ্রি রবি বান্ডল প্যাকেজ, মূল্যছাড় ও হ্যান্ডসেট বিনিময় অফার থাকছে এবারের স্যামসাং ঈদ অফারে। মধ্যম মূল্যমানের জে সিরিজ ও ফ্ল্যাগশিপ এস সেভেন ফোনের জন্য প্রযোজ্য হবে এই অফার। স্যামসাং অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র থেকে ফোন কিনে, নির্দিষ্ট নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফিরতি এসএমএস-এ জানা যাবে ঠিক কতটুকু মূল্যছাড় মিলছে আপনার ভাগ্যে।
রবি বান্ডল অফার: স্যামসাং গ্যালাক্সি জেওয়ান নেক্সট , জেওয়ান এইস ও জেটু হ্যান্ডসেটে মিলবে ৬৯৯০ টাকা থেকে ১০৪৯০ টাকা সমমানের ডেটা ও ভয়েস কলের সুবিধা সর্বোচ্চ তিনমাস পর্যন্ত। অফার – বিস্তারিত ।
হেলিকপ্টার ভ্রমণ ও মূল্যছাড়: স্যামসাং গ্যালাক্সি জেথ্রি , জেফাইভ ও জেসেভেন ক্রয়ে মিলবে লটারির মাধ্যযমে হেলিকপ্টার ভ্রমণ এবং ১০০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যছাড়।
হ্যান্ডসেট বিনিময় ও মূল্যছাড়: স্যামসাং ফ্ল্যাগশিপ ফোন এসসেভেন এ থাকছে বিনিময় অফার। গ্যালাক্সি এসফাইভ, এসসিক্স,এসসিক্স এজ্, আইফোন সিক্স ইত্যাদি ফোনের সাথে অদল বদল করা যাবে গ্যালাক্সি এসসেভেন। এছাড়াও থাকছে সর্বোচ্চ ২৫০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যছাড়।

posted from Bloggeroid

যে ৭টি অ্যাপ ইনস্টল করলে আপনার সেটের ক্ষতি হবে জেনে নিন

যে ৭টি অ্যাপ ইনস্টল করলে আপনার সেটের ক্ষতি হবে জেনে নিন

যে ৭ জনপ্রিয় অ্যাপ ইনস্টল করবেননা
স্মার্টফোন, ইন্টারনেট তথা তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অ্যাপস ছাড়া চলেই না। ঘন্টার পর ঘন্টা সোশ্যাল মিডিয়া, গেইমস, ইমেইলসহ নানা প্রয়োজনে অ্যাপসের ব্যবহার রয়েছে।

গুগল প্লেস্টোরে প্রয়োজনীয়তার বিচারে অনেক জনপ্রিয় অ্যাপস রয়েছে। তবে কিছু কিছু অ্যাপস আপনার ক্ষতির কারণও হতে পারে। এগুলো ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। আসুন দেখে নিই তেমনই কিছু অ্যাপস।



কুইকপিক
ব্যবহারবান্ধব ও সহজে ফটো গ্যালারি ব্যবহারের কারণে কুইকপিক বেশ জনপ্রিয়। গতবছর চিতাহ মোবাইল এটি কিনে নেয়। তবে সম্প্রতি দেখা গেছে, কোম্পানিটি তার ব্যবহারকারীদের তথ্য নিজস্ব সার্ভারে আপলোড করছে। এতে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা নষ্ট হতে পারে ও তিনি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

ইএস ফাইল এক্সপ্লোরার
অ্যাপটি কাজের হলেও এর বিনামূল্যের সংস্করণ ব্লটওয়্যার ও অ্যাডওয়্যারে পূর্ণ। কেটে দেওয়া যায় না এমন নোটিফিকেশন বার পপ-আপের মাধ্যমে অতিরিক্ত অ্যাপস ব্যবহারে বাধ্য করে। যা ব্যবহারকারীর মোটেই প্রয়োজন নেই এবং ভোগান্তির কারণ হতে পারে।

ইউসি ব্রাউজার
চীন, ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে অন্যতম জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড ওয়েব ব্রাউজার হলো ইউসি ব্রাউজার। এর ফাস্ট মোডের কারণে অনেক ইন্টারনেট ডেটা সাশ্রয় হয় বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি। তবে চিন্তার বিষয় হলো ব্রাউজারটি তার ব্যবহারকারীর সার্চ কুয়েরি এনক্রিপশন ছাড়াই ইয়াহু এবং গুগলের কাছে পাঠায়। এর সাথে ব্যবহারকারীর আইএমএসআই নাম্বার, আইএমইআই নাম্বার, অ্যান্ড্রয়েড আইডি, ওয়াই-ফাই ম্যাক অ্যাড্রেসসহ নানা তথ্য থাকে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বড় ধরণের বিপদও হতে পারে।



ক্লিনইট
চিন্তায় পড়ে গেলেন যে কেনো এই অ্যাপটি ব্যবহারে মানা করা হচ্ছে? কারণ এর বিজ্ঞাপন দাতারা ব্যবহারকারীর নানা তথ্য পেয়ে থাকে। এছাড়া যেখন ক্যাশ ক্লিন করা হয় তখন ফোনটি ধীরগতির হয়ে পড়ে। র‍্যাম ক্লিন করতে গেলে অধিক ব্যাটারি ব্যবহৃত হয় এবং চলমান অ্যাপ বন্ধ করলেও তা ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ায় না, যা অ্যাপটি দাবি করে আসছে।।

মিডিয়া প্লেয়ার
অ্যাপটির নাম দেখেই বুঝতে পারছেন এটি ডিভাইসে থাকা অডিও ফাইল শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও অ্যাপটিতে অধিক পরিমাণে বিজ্ঞাপন রয়েছে। অ্যাপটি অত্যাধিক ব্যাটারির চার্জ এবং ইন্টারনেট ডেটা নষ্ট করে ফেলে। গুগল প্লে স্টোরে যে পরিমাণ রিভিউ হয়েছে তা থেকে দেখা গেছে, অ্যাপটির গিগাবাইট পরিমাণ ডেটা খরচের অভিযোগ রয়েছে।

ডিইউ ব্যাটারি সেভার অ্যান্ড ফাস্ট চার্জ
ব্যাটারি সেভিং অ্যাপ ব্যবহার না করাই ভালো। এটি প্রমাণিত যে অ্যাপটির দ্রুতগতিতে চার্জ দেওয়ার ক্ষমতা নেই। লক স্ক্রিনেও অধিক পরিমাণে বিজ্ঞাপন দেখায় এবং নোটিফিকেশন বারে অযথা ভোগান্তির সৃষ্টি করে। এছাড়া এর স্পিড গ্রাফ ও অ্যানিমেশন আসলে নকল বলে প্রমাণ রয়েছে।


ডলফিন ওয়েব ব্রাউজার
ডলটি বিজ্ঞাপন ফ্রি ফ্ল্যাশ সমর্থিত ব্রাউজার। যদিও এটি ইউসি ব্রাউজারের মতোই ব্যবহারকারীর কার্যক্রমে নজরদারি করে। যেমন আপনি ইনকগনিটো মোডে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করলেও এটি ঐ ফাইল ফোনে সেইভ করে রাখে। এতে আপনার গোপনীয়তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

posted from Bloggeroid

চাকুরি আর ভালো লাগছেনা জেনে নিন কী করবেন

চাকুরি আর ভালো লাগছেনা জেনে নিন কী করবেন

চাকরিতে আর ভালো লাগছে না? জেনে নিন কী করবেন
জীবিকা, সাচ্ছন্দ্য আর স্বনির্ভরতার প্রয়োজনে তরুণেরা যুক্ত হন বিভিন্ন রকমের পেশায়। দেখা যায়, কেউ কেউ সারাদিনই কাজ করছেন। কাজের চাপে পরিবারকে সময় দিতে পারছেন না। প্রিয়জনের মেসেজের উত্তর দেওয়া, ফোন করা এমনকি ফোন ধরার সময় পর্যন্ত পাচ্ছেন না। সবাই হয়ত তাকে অসামাজিক বলছে। আবার চাকরিক্ষেত্রেও কাজের মূল্যায়ণ পাচ্ছেন না যেমন চাইছেন। এতে কাজের চাপের সাথে যোগ হয় মানসিক চাপ।
এরকম পরিস্তিতিতে আমরা প্রচন্ড রেগে যাই আমাদের চাকরির উপর। হতাশায় ভুগতে শুরু করি। প্রশ্ন করতে থাকি নিজের যোগ্যতাকে। বিশিষ্ট লেখক স্টিভ আলব্রেক্ট ডিভিএ চাকরিক্ষেত্রে কাজের প্রতি ক্ষোভকে বিশ্লেষণ করেছেন বিভিন্নভাবে। তার লেখা বই এর মধ্যে আছে, Defusing Violence in the Workplace, Fear and Violence on the Job, and Tactical Perfection for Street Cops ইত্যাদি। তার মতে, আপনার “জব বার্নাউট” কোন মাত্রায় আছে বুঝতে নিজেকে করুন এই ৬ টি প্রশ্ন। মাত্রা বুঝে নিজেকে সেখান থেকে বের করে আনতে পারবেন আপনি নিজেই।

“কাজের কোন দিকটি আমার প্রিয়?”
আপনার চাকরির কোন দিকটি আপনাকে আনন্দ দেয়? কেমন লাগে কাজের পরিবেশ? আপনার পরিশ্রমের স্বীকৃতি কি আপনি পান? সঠিক মূল্যায়ণ হয় যোগ্যতার? কাজের কোন দিকটি আপনার উৎসাহ বাড়ায়?
এসব প্রশ্নের উত্তরে যাদের জবাব ইতিবাচক হয় তারা তাদের চাকরিটি অনেক উপভোগ করছেন বোঝা যায়। তারা অনুভব করেন, তাদের চাকরিতে তাদের সঠিক বেতন এবং যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হয়। এভাবে তারা নিজেরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের একটি অংশ ভাবতে শুরু করেন। এভাবে জীবনের প্রতিও সন্তুষ্ট থাকেন তারা।
“কাজের কোন দিকটি আপনার অপ্রিয়?”
আপনার অপছন্দগুলো কী কী? কাজের পরিবেশ? যে কাজ গুলো আপনাকে করতে হয়? চাপ বেশী? বসকে অপছন্দ নাকি সহকর্মীদের? আপনার অপছন্দের লিস্ট যত বড় হবে আপনি তত আপনি চাকরি থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন বোধ করবেন। আপনার মনে হবে, আপনাকে কম বেতন দেওয়া হয়, আপনার মূল্যায়ণ হয় না ঠিক মত। এভাবে একটি ভাল চাকরিও অসহ্য হয়ে যেতে পারে। ভালদিকগুলো খুঁজে বের করুন। অথবা চাকরি খুজুন, পেলে ছেড়ে দিন।

“আমার সহকর্মীদের কোন কাজগুলো আমার কাজকে আরও সহজ করে?”
পুরোনো একটি কথা আছে, “আপনি আসলে আপনার চাকরি ছাড়েন না, আপনার বসকে ছাড়েন।” একজন ভাল, সহনশীল, প্রেরণাদায়ক নেতা আপনাকে যেমন অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, তেমনি বস যদি বদরাগী হয় সেক্ষত্রে সহজ কাজটিও হতে পারে যন্ত্রণাদায়ক। কিন্তু আপনার এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই তা কিন্তু নেই। ঝটপট কাজ শেষ করে অবাক করে দিন বসকে। তাকে সময়ই দেবেন না আপনাকে পাল্টা প্রশ্ন করার। মুষড়ে না পড়ে এটাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন। সহকর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব করুন। একসাথে খেতে বসা, কাজের ফাকে টুকটাক খোঁজ খবর আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। তবে অবশ্যই সেটা ব্যাক্তিগত পর্যায়ে না গড়ানোই ভাল।
“সহকর্মীরা কি কর্মপরিবেশ কে জটিল করে তুলছে?”
সহকর্মীদের সাথে ঝগড়া, ক্লেশ আপনার কাজ করার আগ্রহকে নষ্ট করে দিতে পারে। হিংসা, নিজে উপরে উঠতে অপরকে ছোট করা এসব কাজের পাশাপাশিও সেক্সুয়াল এবিউজের ঘটনাও ঘটতে পারে। নারী কর্মীরা এসবের শিকার হন প্রায়ই। অনেক প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ করেও কোন ফল হয় না। এসব ক্ষেত্রে জব বার্ণ আউট স্বাভাবিক। সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন। কোন সমস্যা আপনার অবহেলার কারণেই তৈরি হয়েছে কিনা খেয়াল করুন।
“বস কি আমাকে সাহায্য করে?”
আপনার বস আপনাকে সাহায্য করলে আপনার কাজ অনেক সহজ হয়ে যাওয়ার কথা। বসের সাহায্য বলতে বোঝানো হচ্ছে, তার সহজ মানসিকতা। তিনি যদি আপনার সব কাজের ভুলকে বড় করে দেখেন, তাহলে আপনার কাজ করার পরিবেশ আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু পাশাপাশি ভাবুন, আপনার কাজের চ্যালেঞ্জ গুলো কী কী? সেগুলো আপনি কতটা পূরণ করছেন? বসের হয়ত আপনার প্রতি প্রত্যাশাও বেশী।
প্রশ্নগুলোর উত্তর আশা করি চাকরীর প্রতি বিতৃষ্ণার কারণ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে আপনাকে। এরপর নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের উভয়ের সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করুন সময় নিয়ে। লিখে রাখুন। নতুন চাকরি খোঁজার সময় এবার আপনি জানবেন আপনার কী কী চাই, নিজের উদ্দেশ্য, বৈশিষ্ট্য, যোগ্যতাগুলোও বুঝতে পারবেন। তৈরি করতে পারবেন একটি চমৎকার সিভি, যা এক কথায় তুলে ধরে আপনাকে।

posted from Bloggeroid

আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোন খুঁজে বের করুন খুব সহজে

আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোন খুঁজে বের করুন খুব সহজে

লিখেছেন, সাইফুর রহমান
আপনার হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোন খুঁজে বের করুন
বাসে বা ট্রেনে বা রাস্তায় হাঁটছেন, হঠাত্‌ পকেটে হাত দিয়ে টের পেলেন আপনার সাধের স্মার্টফোনটি গায়েব হয়ে গিয়েছে। ব্যস তখন কপাল চাপড়ানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। কারণ, ও ফোন আপনি আর কিছুতেই ফেরত পাবেন না। যতই পুলিসের কাছে জানান না কেন, ফোনটি আপনার চিরতরে গেল। কিন্তু যদি আপনার ফোনে অ্যান্ড্রয়েড থাকে, তাহলে এত সমস্যায় আপনাকে পড়তেই হবে না। পুলিসের সাহায্য না নিয়েই আপনি নিজেই খুঁজে বের করতে পারবেন আপনার ফোনটিকে। জানেন কীভাবে?



আপনার স্মার্টফোনে যদি অ্যান্ড্রয়েড থাকে, তাহলে আর চুরি হয়ে যাওয়া কিংবা হারিয়ে যাওয়া ফোন নিয়ে মন খারাপ করতে হবে না। কারণ, অনায়াসে আপনি নিজেই ফোনটি খুঁজে পেতে পারবেন। তার জন্য কী কী করতে হবে দেখে নিন-

১) যে কোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস মেসেঞ্জার অ্যাপ ডাউনলোড করুন।

২) এবার আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন-ইন করুন।

৩) গুগল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনি আপনার হারিয়ে ফোনটি ব্যবহার করতে পারবেন।

৪) এবার আপনি আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনটি কোন এলাকায় রয়েছে, তা ম্যাপ থেকে জানতে পারবেন।

৫) শুধু তাই নয়, আপনার কাছে ফোনটিতে রিং হওয়ার অপশন আসবে। সেই অপশনে গেলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনটি বেজে উঠবে। এমনকি ফোনটি বন্ধ থাকলেও।

৬) এই একই পদ্ধতিতে আপনি আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোন থেকে সমস্ত তথ্য মুছেও দিতে পারবেন।

posted from Bloggeroid