Monday, 27 June 2016

 ওজন কমাতে ৭টি ফল না দেখলে চরম মিস

ওজন কমাতে ৭টি ফল না দেখলে চরম মিস

ওজন কমাতে সাহায্য করবে


ডায়েটে বেশির ভাগ সময় ফল এবং সবজি খেয়ে থাকতে হয়। ডায়েটের খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ফল। ফলে চিনি থাকার কারণে বেশি খাওয়ার ফলে তা শরীরে মেদ জমিয়ে দিতে পারে। তাই ফল বাছাই করতে হয় বুঝেশুনে। ওজন কমানোর জন্য কোন ফলগুলো খাচ্ছেন? কিছু ফল আছে যা শরীরে মেদ কাটতে সাহায্য করে। এই ফলগুলো প্রতিদিনকার খাদ্যতলিকায় রাখুন।

১। আপেল
ওজন কমাতে সাহায্য করে যে ফলগুলো তার মধ্যে আপেল অন্যতম। প্রচলিত আছে “প্রতিদিন একটি আপেল খান, দূরে রাখুন ডাক্তারকে”। আপেলে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার আছে, যা আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখে। আর পানি থাকার কারণে এটি শরীরে মেদও জমতে দেয় না। তাই ডায়েটের সময় খেতে পারেন ইচ্ছামত আপেল।

২। স্ট্রবেরি
লাল রং এর ছোট এই ফলটি ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। এক কাপ স্ট্রবেরিতে মাত্র ৫০ ক্যালরি, ৭ গ্রাম চিনি এবং ৩ গ্রাম ফাইবার রয়েছে। তাই নির্ভাবনায় ইচ্ছামত খেতে পারেন স্ট্রবেরি।

৩। তরমুজ
তরমুজে শতকরা ৯০ ভাগ পানি রয়েছে। আর ১০০ গ্রাম তরমুজে মাত্র ৩০ ভাগ ক্যালরি। এতে অ্যামিউ অ্যাসিড রয়েছে যা মেদ কাটতে সাহায্য করে। এটি মেদ কমানোর সাথে সাথে আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখবে দীর্ঘক্ষণ।

৪। কলা
কলা নিয়ে অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। অনেকই মনে করেন কলা খেলে নাকি মোটা হয়ে যায়। আপনি প্রতিদিন ছোট দুটি বা বড় একটি কলা খেতে পারেন, এটি আপনাকে মোটা করবে না। কলাতে রয়েছে পটাশিয়াম, ভাইবার, ভিটামিন বি৬ যা আপনার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে ৩০ বছর বয়সের পর।

৫। লেবু
ওজন কমাতে লেবুর ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের সবার জানা। এক গ্লাস পানিতে লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ মধু এবং ১/২ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এটি আপনার পেটের মেদ কেটে ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

৬। নাশপাতি
ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফলটি হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে, ডায়াবেটিস হ্রাস করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৭। জাম্বুরা
পরিচিত এবং সহজলভ্য একটি ফল হল জাম্বুরা। সহজলভ্য এই ফলটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন খাওয়ার আগে জাম্বুরা খাওয়াটা অনেকটাই অজন কমাতে পারে।
আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন চিলি।

আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন চিলি।

আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন চিলি
কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে পেনাল্টি শুটআউটে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিলি।
নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও গোলের দেখা পায়নি দুই দল। ফলে, ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। আর তাতে ৪-২ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নেয় চিলিয়ানরা।

প্রথমার্ধের খেলায় দুই দলের একজন করে ফুটবলার লাল কার্ড দেখায় দশ জনের দলে পরিণত হয় গতবারের দুই ফাইনালিস্টকে।

দীর্ঘ ২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটাতে চাওয়া আর্জেন্টিনা ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনাল, কোপা আমেরিকার গতবারের ফাইনালের মতো এবারের ফাইনালের প্রথমার্ধে কোনো গোল আদায় করতে পারেনি। ম্যাচের ২৩ মিনিটের মাথায় হিগুয়েনের দারুণ একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। চিলির গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভোকে ফাঁকি দিয়ে তার নেওয়া শটটি গোলবারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়।

ম্যাচের ৪০ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন দলপতি মেসি। প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন চিলি। ৫৭ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখেন অ্যালেক্সিজ সানচেজ, ভারগাস, ভিদালরা।

বিরতির পর ম্যাচের ৫০ ও ৬৭ মিনিটে দুটি জোরালো আক্রমণ করে চিলি। তবে, দু’বারই আর্জেন্টাইন ডিফেন্সে বাধা পেয়ে ফিরতে হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে ডি মারিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মাতিয়াস ক্রানেভিতের। আর ৭০ মিনিটে হিগুয়েনের জায়গায় খেলতে নামেন সার্জিও আগুয়েরো।

৯০ মিনিটে চিলিকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন সানচেজ। কাউন্টার অ্যাটাকে চিলির ডি-বক্সে প্রবেশ করে মেসির জোরালো শট বাইরে চলে যায়। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় কোনো গোল না হলে ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

ম্যাচের ৯৮তম মিনিটে চিলির আরেকটি সুযোগ নষ্ট করে দেন দুর্দান্ত কিছু সেভ করা আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক রোমেরো। ভারগাসের হেড থেকে ছুটে যাওয়া বল ঝাঁপিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন রোমেরো। পরের মিনিটে মেসির ফ্রি-কিক থেকে হেড করেন আগুয়েরো। ক্লদিও ব্রাভো পরাস্ত হলেও চিলির গোলবারের উপরের অংশে লেগে বল বাইরে চলে যায়।

অতিরিক্ত সময়েও কোনো গোল না হলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। আর তাতে, ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে টানা দ্বিতীয়বার আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে শিরোপা জিতে নেয় চিলি
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন মেসি

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন মেসি

তবে কি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন মেসি?
কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হেরে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ফুটবল বিশ্লেষকদের অনেকেই বলেছিলেন, কোপা আমেরিকায় বিশেষ এই আসরই মেসির জন্য শেষ সুযোগ। নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালের ফাইনালে তেমন জ্বলে উঠতে পারেনি পাঁচ বারের এই বর্ষসেরা ফুটবলার। “আমি আমার পেনাল্টি মিস করেছি। ওটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।” “আমি মনে করি, এটা সবার জন্যই উত্তম। প্রথমত আমার জন্য, তারপর সবার জন্য। আমি মনে করি, অনেক মানুষ যারা সন্তুষ্ট নয় এটাই চেয়েছিল। আমরাও ফাইনালে পৌঁছে জিততে না পারায় সন্তুষ্ট নই।
ঈদ উৎসবের আগে চাই নিজের যত্ন আত্তি

ঈদ উৎসবের আগে চাই নিজের যত্ন আত্তি

ঈদ উৎসবের আগে চাই নিজের যত্নআত্তি
একেকটা রোজা পার হচ্ছে আর ঈদ-উল-ফিতর একটু একটু করে এগিয়ে আসছে। কোথাও ঢিলেঢালাভাবে আবার কোথাও বা জোরেশোরে চলছে ঈদের প্রস্তুতি।
একেকটা রোজা পার হচ্ছে আর ঈদ-উল-ফিতর একটু একটু করে এগিয়ে আসছে। কোথাও ঢিলেঢালাভাবে আবার কোথাও বা জোরেশোরে চলছে ঈদের প্রস্তুতি। নিজেকে তৈরি করার প্রস্তুতিও চলুক পুরো সময় জুড়েই। ঈদের দিনটায় প্রাণোচ্ছল থাকতে হলে আগে থেকে নিজের খেয়াল তো রাখতেই হবে। কী করবেন, কেমন হবে নিজের যত্নআত্তি করার পর্ব, দেখে নিন এইখানে।



চুল কাটিয়ে নিন বেশ আগেভাগেই। জানেন নিশ্চয় যে নতুন হেয়ারকাট চুলে মানিয়ে যেতে কিছুটা সময় নেয়। তাই বিউটি এক্সপার্টদের পরামর্শ মেনে অন্তত এক সপ্তাহ আগে চুল কাটানো উচিত। যদি দিন পনেরো আগেই বিউটি স্যালুন ঘুরে চুলের বন্দোবস্ত করতে পারেন সেটা আরো ভালো।



ঈদের দুই তিনদিন আগে চুল কাটানোর চিন্তা করাটা বোকামি। কেননা এই অল্প সময়ের মাঝে নতুন একটা হেয়ারকাট আপনার চুলে আর চেহারায় খাপ খেয়ে যাবে, সেটা নাও হতে পারে।
রোজায় সুস্থ থাকতে কি করবেন।

রোজায় সুস্থ থাকতে কি করবেন।

রোজায় সুস্থ থাকতে
প্রতিদিনের জীবনযাপনকে স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে ছোট কিছু হেলথ টিপস
রমজান মাসে প্রায় সব মানুষকে কিছু স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়তে হয়। এই সমস্যা শুরু হয় মূলত অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে। সারাদিন না খেয়ে থেকে ইফতারে পিঁয়াজু, বেগুনি,আলুর চপ, জিলাপি ইত্যাদি খাওয়ার কারণে পড়তে হয় নানা স্বাস্থ্য সমস্যায়। কিছু নিয়ম মেনে চললে এই সকল স্বাস্থ্য সমস্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভবঃ

১। সেহেরি দিনের প্রথম খাবার, এটি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত নয়। সেহেরি না খাওয়ার কারণে শরীরে মেটাবলিক হার কমে যায়, যার কারণে ইফতারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হয়। ফলে আপনার ওজন বৃদ্ধি হয়।

২। রোজার সময় ব্যায়াম নিয়মিত করা বেশ কঠিন। ইফতার এবং সেহেরি খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটুন। এটি আপনার মেটাবলিক রেট সচল রাখতে সাহায্য করবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৩। সম্পূর্ণ পেট ভরে না খেয়ে পেট কিছুটা খালি রেখে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এক-তৃতীয়াংশ খাবার, এক তৃতীয়াংশ পানীয় এবং এক তৃতীয়াংশ পেট খালি রাখুন।

৪। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার এবং প্রসেসড ফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকুন রোজার সময়টুকু।

৫। ভাজাপোড়া খাওয়ার পরিবর্তে বেকড সমুচা, সিদ্ধ আলু, মোমো, চাপাতি ইত্যাদি খাবার ইফতারে এবং সেহেরিতে রাখুন