Monday, 30 May 2016

ভাল ঘুমের জন্য ১০ টি টিপস।

ভাল ঘুমের জন্য ১০ টি টিপস।

সম্প্রতি ক্লান্ত বোধ করছেন, ঘুমের ব্যাঘাত হচ্ছে, কাজ, সংসার আর সন্তানদের ঝামেলা; সব মিলিয়ে ঘুমকে কঠিন করে তুলছে। আবার অর্থনৈতিক কষ্ট, কাজ বন্ধ, বন্ধুত্বের ফাটল অথবা কোন কঠিন অসুখ ঘুমের নরম পেলবকে একেবারেই অসম্ভব করে তোলে।
হয়ত আপনি এই ফ্যাক্টরগুলো একেবারে হাতের মুঠোয় আনতে সক্ষম হবেন না। কিন্তু ঘুমের একটা পরিবেশ সৃষ্টি করুন এবং কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন যা কি-না আপনাকে একটা শান্ত-বিশ্রামময় ঘুম আনতে সহায়তা করবে।
ভাল ঘুমের জন্য নিচে কিছু উপায় প্রদান করা হলোÑ
০ প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যান এবং একই সময় ঘুম থেকে উঠুন। ছুটির দিনগুলোতে ঘুমের একই রুটিন বজায় রাখুন।
০ তরল খাদ্য সন্ধ্যার পর থেকে কমিয়ে দিন। ঘুমের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে ডিনার সেরে ফেলুন। তরল খাদ্যের আধিক্যে সারারাত আপনার ঘুম ভাঙবে এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে।
০ নিকোটিন, কফি ও এ্যাকোহল সন্ধ্যা বেলাতে পরিহার করুন : এসব উত্তেজক আপনাকে জাগত রাখে। ধূমপায়ীদের প্রায়শ রাতে সিগারেট না খাওয়ার জন্য পার্শ্বপ্রক্রিয়ার জন্য ঘুমের ব্যাঘাত হয়।
০ কফি খেলেও ঘুমের ৮ ঘণ্টা আগে খেতে হবে। কারণ, কফি শরীর জমা করে রাখতে পারে না। খাওয়ার অনেকক্ষণ পর পর্যন্ত শরীর থেকে কফি নিঃসরণ হয় এবং এর প্রভাব থাকে।
প্রচলিতভাবে মনে হলেও এ্যালকোহল কিন্তু ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
০ প্রতিদিন অল্পবিস্তর ব্যায়াম করুন : প্রতিদিনের হাল্কা অ্যারোবিক ব্যায়াম আপনাকে একটা অচ্ছেদ্য ঘুম উপহার দিতে পারে।
সাধারণত রাতেই ঘুমান : দুপুরে ঘুম কিন্তু আপনার রাতের শান্ত বিশ্রামকে কেড়ে নিতে পারে। দুপুরের ভাতঘুম নিতে হয় তবে সেটি আধা ঘণ্টার বেশি নয়।
০ আপনি এক আরামদায়ক ম্যাট্রেস ও নরম বালিশ বেছে নিন।
যদি কেউ আপনার সাথে শোয় তবে দেখতে হবে দু’জনার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি-না।
০ বাচ্চা বা পোষা প্রাণির জন্য একই বিছানায় ঘুম কখনওবা আপনার ঘুমের ব্যাঘাতের মূল কারণ হয়ে থাকে।
০ শুরু করুন একটা শিথিল ঘুমের রুটিন সময়। একই কথা প্রতি রাতে আপনার মনকে শোনানÑ এখন সব বন্ধ করে আমি ঘুমাব, এটার পূর্বপ্রস্তুতি হতে পারে একটা সুন্দর গোছল বা একটা বইপড়া বা কোন হাল্কা গান শোনা। আলোটাও হতে হবে বন্ধ কিংবা স্নিগ্ধ।
০ যখন আপনি ক্লান্ত এবং ঘুমে ভেঙে পড়ছেন তখনই আপনি আলো বন্ধ করুন এবং ঘুমাতে যান। যদি ১৫/২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না আসে তাহলে আবার কাজ করতে উঠে পড়ুন এবং ক্লান্ত হলে ঘুমাতে যান । ঘুম নিয়ে অযথা কোন দুশ্চিন্তা ঠিক না। ঘুমের দুশ্চিন্তা আপনাকে ঘুমাতে দেবে না।
০ ঘুমের ওষুধ শুধু শেষ অবলম্বন হিসেবে রাখুন। ডাক্তারের পরামর্শে শুধু ঘুমের ওষুধ খেতে পারেন। আস্তে আস্তে সেটাও কমিয়ে দিন। সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থাকলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন

posted from Bloggeroid

আপনার ফেসবুক আইডিতে হাজার হাজার অটো লাইক নিন ভিডিওটা দেখে নিন

আপনার ফেসবুক আইডিতে হাজার হাজার অটো লাইক নিন ভিডিওটা দেখে নিন

আসসালামুআলাইকুম,কেমন আছেন সবাই? আমি তো দারুণ খুশি কারণ আজকে আমি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ব্লগে পোস্ট করছি। 😀 আজকে আমি লিখব ফেসবুক অটো লাইক সম্পর্কে। এই ভার্চুয়াল যুগে ফেসবুক আমাদের নেশা হয়ে দাড়িয়েছে।এখন আমরা আমাদের মুল্যবান সময় ফেসবুকে ব্যায় করি।ফেসবুক এ আমাদের ক্রেডিট হল লাইক আর কমেন্ট।কিন্তু এগুলো পাওয়া এত সুজা না। 😥 জানেনিতো কিছু পেতে হলে সবকিছু দিতে হয়।লাইক কমেন্ট পাওয়ার জন্য সারাদিন ধরে ফ্রেন্ড দের আপডেট এ লাইক কমেন্ট করতে হয়। ফেমাসিটি বাড়ানোর জন্য সারাদিন ফ্রেন্ডদেরবড় আপডেটে লাইক,কমেন্ট করে গাধার খাটনি খাটছেন। কি দরকার অযথা এত কষ্ট করার। নিয়ে নিন অটো লাইক। অনেকে মনে করেন মানুষ অটো লাইকের দাম দেয় না। আরে ভাই আজকের দিনে সবাই অটো লাইক ইউজ করে। ফেসবুকে সাধারণ আইডি কখনোই ফেমাস হয় না। যাকে আপনি সেলিব্রেটি ভাবেন একটু ভাল করে খোঁজ নিয়ে দেখুন সে সারাদিন ধরে অন্যের স্ট্যাটাসে লাইক,কমেন্ট করতে করতে মোবাইলের লালবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে। 😛 একবার নাম চেন্জ করলে তাকে আর কে উ চিনে না। এখন মূল কথায় আসি। আপনি হয়তো অটো লাইক ইউজ করতে ভয় পাচ্ছেন। ভাবছেন আপনার আইডি হ্যাক হতে পারে।এর জন্য অনেকে অটো লাইক ব্যাবহার নিয়ে মহা চিন্তাই আছেন।আজকে আমি আপনাদেন মনের ভ্রান্ত ধারণা দূর করব। অটো লাইক নিলে কথনোই আইডি হ্যাক হয়না।নিচের ভিডিওটা দেখুন


অটো লাইক হাজার হাজার নিন এই ভিডিওটা দেখে নিন


ইংরেজি ১ম পত্র

ইংরেজি ১ম পত্র

৯ম ও ১০ম শ্রেণির পড়া
ইংরেজি ১ম পত্র
বাদল চৌধুরী
প্রিয় শিক্ষার্থী, আজ নবম ও দশম শ্রেণির Unseen comprehension চর্চা করব এবং পরে এর উত্তর মিলিয়ে নেব।

Read the text and answer the questions following it (1-3).
Ila Mitra was a peasant’s movement organizer of the Indian subcontinent, especially in Bengal. She was born in an upper middle-class Bengali family in Kolkata on 18 October 1925. She became a communist during her youth. In 1945, she married Ramendra Mitra, who was an active member of the Communist Party.
Ila Mitra was the leader of peasants and indigenous Santals in greater Rajshahi region, and was often referred to by them as Rani Ma. She organized a peasant-santal uprising in Nachole Upazila, Chapai Nawabganj, on 5 January 1950. But the uprising was thwarted by the police. Mitra was arrested by the police while trying to escape, and was sent to the Rajshahi Central jail on 21 January 1950. After a trial for treason, Ila mitra was sentenced to life imprisonment. Partly due to the torture, Ila Mitra fell very sick in jail. In 1954, the United Front government of Pakistan paroled her and sent her to Kolkata for treatment. To avoid persecution, she did not return to Pakistan and stayed the rest of her life in India. She continued to participate in political activities in Kolkata under the banner of the Communist Party of India and was elected member of Bidhan Shabha four times between 1962 and 1978. She also participated in mobilizing public opinion and support during the Bangladesh Liberation War of 1971. Ila Mitra died in Kolkata on 13 October 2002.

1. Choose the best answer from the alternatives.
A. Based on your reading, the name ‘Ila Mitra’ relates to
(a) Peasant’s Movement (b) Language Movement
(c) Mass Movement (d) Sipahi Biddraha
B. ‘Mitra was arrested by the police while trying to escape, and was sent to the Rajshahi Cantral jail on 21 January 1950.’ Why was she arrested?
(a) As she tried to scape from a peasant-santal uprising in Nachole.
(b) As she organized a peasant-santal uprising in Nachole.
(c) As she organized a tribal uprising in Nachole.
(d) As she organized a peasant-santal movement in India.
C. What is the proper antonym of the word ‘communist’?
(a) Marxist (b) socialist (c) collectivist (d) capitalist.
D. As used in paragraph 2, which is the best definition for ‘Indigenous’?
(a) A period of calm warm weather which sometimes happens in the early autumn.
(b) Naturally existing in a place or country rather than arriving from another place.
(c) Dakshinaranjan Mitra (d) Parimal Mitra
E. The word ‘Mobilizing’ in line 15 means most nearly the same as
(a) assembling (b) disbanding (c) disconnecting (d) separating
F. ‘Ila Mitra was the leader of peasants and indigenous Santals in greater Rajshahi region, and was often referred to by them as Rani Ma.’ That means Ila Mitra was also Known as
(a) Rani Bhabani (b) Rani Rashmani (c) Rani Ma (d) Ragini Ma
G. ‘But the Uprising was thwarted by the police.’ The word ‘thwarted’ is similar to
(a) punished (b) satisfied (c) encouraged (d) let down.
Answer to the Question no. 1
1. Multiple choices
A=> (a) Peasant’s Movement
B=> (b) As she organized a peasant-uprising in Nachole
C=> (d) capitalist
D=> (b) naturally existing in a place or country rather than arriving from another place
E=> (a) assembling
F=> (c) Rani Ma
G=> (d) let down.
# বাকি অংশ ছাপা হবে আগামীকাল
শিক্ষক
ঢাকা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

posted from Bloggeroid

৮ বছর পর তার ৫ উইকেট

৮ বছর পর তার ৫ উইকেট

৮ বছর পর তাঁর ৫ উইকেট
ক্রীড়া প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০১৬
সপ্তাহ দুয়েক আগের ঘটনা। ১৪ মে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে যেকোনো শ্রেণির ক্রিকেটেই ১১ বছরের সেঞ্চুরি-খরা কাটিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। সেই ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডির বোলারদের কচুকাটা করে ৫০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন কলাবাগান ক্রীড়াচক্র অধিনায়ক। তিন ম্যাচ পর সেই ফতুল্লাতেই ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার খরা ঘোচালেন তিনি।
কাল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে ৪২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি। বাংলাদেশের সীমিত ওভারের অধিনায়ক এর আগে সর্বশেষ ৫ উইকেট নিয়েছিলেন ২০০৮ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশ বিমানের হয়ে মোহামেডানের বিপক্ষে। শুধু লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ ধরলে পেছাতে হয় আরও এক বছর। ২০০৭ সালের অক্টোবরে জাতীয় লিগের ওয়ানডে আসরে ৩১ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন খুলনা বিভাগের মাশরাফি। এরপর গতকালের আগে ১২৯টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলে ফেলা মাশরাফি ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ৬ উইকেট নিলেন ইনিংসে। প্রথমবার ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬ রানে ৬ উইকেট। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিংয়ের ওই রেকর্ডে পরে ভাগ বসিয়েছেন রুবেল হোসেন।
এবার পুরো লিগেই সংক্ষিপ্ত রানআপে বল করেছেন মাশরাফি, করলেন কালও। এরপরও ৯ ম্যাচে ২০ উইকেট হয়ে গেছে তাঁর। মাশরাফির চোখে কালকের সাফল্যের রেসিপি একটাই, ‘চেষ্টা করেছি জায়গামতো বল ফেলার। ফ্ল্যাট উইকেটেও জায়গামতো বল করতে পারলে সব সময়ই তা ব্যাটসম্যানের জন্য কঠিন হয়ে যায়।’
মাশরাফি অবশ্য নিজের কীর্তির চেয়ে দলের সাফল্যেই বেশি খুশি। কারণটাও অনুমেয়, কালকের এই জয়ে যে অবনমনশঙ্কা অনেকটাই দূর হয়েছে দলের, উজ্জ্বল হয়েছে সুপারলিগে ওঠারই সম্ভাবনা, ‘সবচেয়ে ভালো হয়েছে আমরা ম্যাচটা জিতেছি। এখন মোটামুটি সেফ জায়গায় আছি। আরও দুটি ম্যাচ বাকি আছে, দেখা যাক কী হয়।’
আগামী ৪ ও ৬ জুন প্রথম পর্বে মাশরাফিদের শেষ দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ মোহামেডান ও কলাবাগান একাডেমি

posted from Bloggeroid

খুব সহজেই দাগমুক্ত ত্বক করুন

খুব সহজেই দাগমুক্ত ত্বক করুন

দাগমুক্ত নিখুঁত ত্বক, কার না পছন্দ? কিন্তু ব্রণের কারণে কম বেশি অনেকের মুখেই দাগ পড়ে যায়। ব্রণ সেরে গেলেও অনেক ক্ষেত্রে দাগ থেকে যায়। দাগের কারণে বাইরে বের হলে অস্বস্তিবোধ হয়। আসুন জেনে নিই, মুখের বিরক্তিকর দাগের সহজ সমাধান। খুব কম সময়ে আর অল্প পরিশ্রমেই আপনি পেতে পারেন দাগমুক্ত পরিষ্কার ত্বক। এজন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরী একটি ফেসপ্যাক। এখন চলুন জেনে নিই কী কী লাগছে এই ফেসপ্যাকে-

উপাদানঃ

১। চন্দন কাঠের গুঁড়া (২ টেবিল চামচ বা তার সমপরিমাণ) ও

২। লবঙ্গ গুঁড়া ( ১/২ চা চামচ বা তার সমপরিমাণ) ।

প্রণালীঃ

১। প্রথমে লবঙ্গ পাতলা সুতি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর শিলপাটায় মিহি করে গুঁড়ো করে নিন। শিলপাটার স্থলে ব্লেন্ডার ব্যবহার করতে পারেন। গুঁড়ো করার পর চালনি দিয়ে চেলে নিন। এতে লবঙ্গ গুঁড়াতে বড় কোনো দানা থাকলে আলাদা হয়ে যাবে।

২। এরপর একটি পরিষ্কার বাটিতে ২ টেবিল চামচ চন্দন গুঁড়া নিয়ে তাতে ১/২ চা চামচ লবঙ্গ গুঁড়া মিশান। অণুপাত ঠিক রেখে এগুলোর পরিমাণ বাড়াতে কিংবা কমাতে পারেন।

৩। তারপর এতে পানি দিয়ে ভালোভাবে মেশান। পানির ক্ষেত্রে ফুটানো পানি ব্যবহার করুন। পানির পরিমাণ এমন হবে যাতে প্যাকটি অধিক ঘন হবে না আর অধিক পাতলাও হবে না। মেশানো হয়ে গেলে তা কিছুক্ষণ রেখে দিন (প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট)।

৪। আপনার পছন্দসই কোনো ভালো ব্রান্ডের ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। তারপর আস্তে আস্তে ফেসপ্যাকটি মুখে লাগান।

৫। ২০ মিনিট পর পানির ঝাপটায় মুখ ধুয়ে ফেলুন। কোনো ভালো ব্রান্ডের ময়েশ্চারাইজার লাগান।

৬। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের এই প্যাকটি ব্যবহারে ত্বক আরো শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মিশ্রণে ২/৩ ফোঁটা জলপাই তেল কিংবা নারিকেল তেল দিয়ে নিতে পারেন।

এভাবে সপ্তাহে ২ বার ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।

ফলাফলঃ

এক সপ্তাহের মধ্যেই দাগ অনেকটা কমে আসবে। প্যাকটি আপনার ত্বকের সাথে মানিয়ে গেলে, সঠিক পদ্ধতিতে নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

টিপসঃ

১। অনেক ক্ষেত্রে লবঙ্গের কারণে ফেসপ্যাকটি মুখে লাগানোর পরে মুখ জ্বলতে পারে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বলা কমে যাবে এবং কোনো ক্ষতিও হবে না।

২। প্যাকটি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বারের বেশি কোনোভাবেই ব্যবহার করবেন না।

৩। রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহারে বেশি উপকার পাবেন।

৪। প্যাক ব্যবহারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

৫। যতটা সম্ভব ভাজা পোড়া জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকুন।

সাবধানতাঃ

১। প্যাক মুখে লাগানোর সময় ঘষে লাগাবেন না বা ম্যাসাজ করবেন না, এতে মুখে আচঁড় পড়তে পারে।

২। চন্দন কিংবা লবঙ্গে এলার্জি থাকলে, এই প্যাকটি ব্যবহার করবেন না।

৩। কিছুদিন ব্যবহারের পর, কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া বা সমস্যা অনুভূত হলে, ব্যবহার করা বন্ধ করুন।

লিখেছেনঃ নীল

ছবিঃ বিউটিফুলফ্রিওয়ালপেপার্স.ব্লগস্পট.কম

Tags: skincare, spot on face, ত্বকের যত্ন, দাগ মুক্ত ত্বক

posted from Bloggeroid

বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু মিট বান না দেখলে মিস করবেন

বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু মিট বান না দেখলে মিস করবেন

বিকেলের নাস্তায় পরিবারের সামনে কি উপস্থাপন করা যায় তা নিয়ে গৃহিণীদের চিন্তার অন্ত নেই। সুস্বাদু এবং ঝটপট এই দুয়ের মিশেলেই তৈরি করতে হয় যা তৈরি করার। আজকে এই দুশ্চিন্তার অবসান ঘটাতে নিয়ে এলাম অসাধারণ স্বাদের একটি স্ন্যাকস রেসিপি। কেক পেস্ট্রির দোকানে গেলে অবশ্যই মিট বনের দেখা মেলে। আজকে এই সুস্বাদু স্ন্যাকস তৈরির সব চাইতে সহজ রেসিপিটিই জানিয়ে দিচ্ছে আপনাদের।

‎উপকরণ

বন তৈরির জন্য

২ চা চামচ ইষ্ট
১/২ কাপ কুসুম গরম পানি
৩ চা চামচ চিনি
১ টি ডিম
৪ টেবিল চামচ দুধ
১/২ চা চামচ লবন
২ কাপ ময়দা

‪পুর তৈরি জন্য

১/৪ কেজি রান্না করা মাংস (হাতে পিষে ছাড়িয়ে নেয়া)
আধা কাপ পিয়াজ কুচি
৩ টি মরিচ কুচি
আধা চা চামচ আদা বাটা
১ চা চামচ কাবাব মশলা
লবন স্বাদমতো
২/৩ টেবিলচামচ তেল
‪প্রণালী

- প্রথমে একটি বড় পাত্রে উষ্ণ দুধ নিয়ে এতে ইষ্ট গুলিয়ে নিন। এরপর এতে চিনি, লবন মিশিয়ে নিন। দুধ ঠাণ্ডা হয়ে এলে ডিম দিয়ে ফেটিয়ে নিন ভালো করে। এরপর ময়দা দিয়ে ভালোমতো মেখে একটি নরম ডো তৈরি করুন।
- ময়দা প্রায় ৫-১০ মিনিট খুব ভালো করে ময়ান করবেন। ডো নরম হতে হবে।এরপর একটি তেল মাখানো বাটিতে ডো রেখে বাটিটি প্ল্যাস্টিক র‍্যাপ দিয়ে ভালো করে মুড়ে গরম কোন স্থানে রেখে দিন ১ ঘণ্টা।
- একটি প্যানে তেল দিয়ে এতে আদা বাটা দিন। এরপর এতে পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচকুচি, লবন এবং কাবার মশলা দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর এতে রান্না করা মাংস দিয়ে নাড়তে থাকুন। কিছুটা ভাজা ভাজা হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
- এবারে ডো ১২ টি অংশে বিভক্ত করে ছোট ছোট বল তৈরি করুন। বলগুলোর মাঝে গোল করে গর্ত করে ভেতরে পুর দিয়ে ঢেকে দিন ভালো করে। পুরটি যতটা সম্ভব মাঝামাঝি রাখার চেষ্টা করবেন। ডোর বলগুলো বন রুটির আকার দিন। এবং একটি বেকিং ট্রেতে খানিকটা দূরে দূরে সাজিয়ে রাখুন।
- বনগুলোর ওপরে চাইলে একটি ডিমের সাদাঅংশের প্রলেপ দিয়ে তিল ছিটিয়ে দিতে পারেন দেখতে ভালো লাগবে।
- এরপর ইলেকট্রিক ওভেন প্রি হিট করে নিয়ে ৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে ২০-২৫ মিনিট বা বন হওয়া পর্যন্ত বেক করুন।ব্যস, তৈরি হয়ে গেল খুব সহজেই অত্যন্ত সুস্বাদু মিট-বান। এবারে পরিবেশন করুন।

ছবি ও রেসিপি - মোঃ রাশেদ আহমেদ

posted from Bloggeroid

যারা খেতে ভালবাসেন তাদের জন্য এই টিপস ডাল ছাড়াই তৈরি করুন মজাদার চিকেন খিচুরি না দেখলে মিস করবেন।

যারা খেতে ভালবাসেন তাদের জন্য এই টিপস ডাল ছাড়াই তৈরি করুন মজাদার চিকেন খিচুরি না দেখলে মিস করবেন।

খিচুড়ি খেতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে? এদিকে বাসায় ডাল কিংবা পোলাওর চাল নেই। কী করবেন? জেনে নিন অসাধারণ একটা খিচুড়ির রেসিপি যা রান্না হবে ভাতের চাল দিয়ে এবং কোন রকম ডাল ছাড়াই। যদিও ভুনা খিচুড়ি রচাইতে স্বাদে কোন অংশে কম হবে না! অনেকেরই ডালে অ্যাসিডিটি হয়, বিশেষ করে মুগের ডালে। তারা ডাল ছাড়াই শতভাগ স্বাদ নিতে পারবেন খিচুড়ির আর এটা রান্না করতে সময়ও লাগে খুব কম।রেসিপি দেখেই জিবে জল আসছে না? চলুন, জেনে নিই রেসিপিটি।

‎উপকরণ

চিকেন ১ টি
ভাতের চাল ৪ কাপ
আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
পিঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ
সবুজ এলাচ ৭/৮ টি
দারুচিনি ২/৩ টি
গোলমরিচ ৫/৬ টি
লং ৪/৫ টি
পাঁচ ফোঁড়ন ১/৪ চা চামচ
তেজপাতা ২/৩ টি
সরিষার তেল ১/২ কাপ বা পরিমাণমত
লবণ স্বাদমত
মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো দেড় চা চামচ
ধনেগুঁড়া ১ চা চামচ
আস্ত জিরা ১/২ চা চামচ
কাঁচা মরিচ ফালি ৭/৮ টি
আস্ত শুকনা মরিচ ৪/৫ টি ( ইচ্ছা )
পিয়াজ বেরেস্তা ১ টি
‎প্রণালী

-প্রেসার কুকারে তেল গরম করে জিরা,গরম মসলা ফোঁড়ন দিয়ে আদা, রসুন, পিয়াজ বাটা দিয়ে কষিয়ে চিকেন দিয়ে দিন।
- একে একে সব গুঁড়ো মসলা,লবণ,শুকনা মরিচ,পাঁচফোড়ন দিয়ে ভাল করে কষিয়ে অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে ঢাকনা আটকে দিন। প্রেসারে রান্না করে নিতে হবে মুরগিটা।
- এবার ঢাকনা খুলে চাল আর কাঁচা মরিচ দিয়ে ৫/৬ কাপ পানি দিয়ে লবণটা চেখে আবার ঢাকনা দিয়ে মিডিয়াম আঁচে রাখুন।
- ৫/৬ টি সিটি হলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে।
- ১৫/২০ মি পর ঢাকনা খুলে পিয়াজ বেরেস্তা উপর দিয়ে ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম খিচুড়ি পরিবেশন করুন।
-পানির পরিমাণটা এক এক চালে এক এক রকম লাগতে পারে।
-প্রেসার কুকারের টাইমটাও এক এক কুকারে এক এক রকম হতে পারে।

ছবি ও রেসিপি – ফারহিন রহমান

posted from Bloggeroid

রমজানের কয়েকটি সুস্বাস্ব্য ও বিউটি টিপস দেখে নিনি

রমজানের কয়েকটি সুস্বাস্ব্য ও বিউটি টিপস দেখে নিনি

খাদ্য ও স্বাস্থ্য, সুস্বাস্থ্য, সৌন্দর্য পরামর্শ।
রমজান হলো আত্মা ও শরীর শুদ্ধিকরণের মাস। এবার রমজান মাস গরমে পড়েছে। গরমের এই দিনে প্রায় ১৬ ঘণ্টা পানি পান ও খাদ্যাহার থেকে আমাদের বিরত থাকতে হচ্ছে। এজন্য আমাদের একটি বিশেষ রুটিন মেনে চলা উচিত যাতে একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ রমজান মাস পালন করতে পারি। এখানে স্বাস্থ্যকর রমজান পালনের জন্য বেশ কিছু টিপস দেয়া হলো।

০১. আপনি সুস্বাস্থ্যের অধীকারী হয়ে থাকলেও, আপনাকে রমজান মাসে একটি তালিকা প্রস্তুত রাখতে হবে যেন আপনার শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি, পানি ও বিশ্রাম পায়।

০২. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন সেহেরিতে। এছাড়া পানির পাশাপাশি এলোভেরা জুস , ডাবের পানি, দই খাওয়ার চেষ্টা করুন সেহেরিতে। এরা আপনাকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে। এছাড়া এগুলোতে ন্যাচারাল সুগার থাকে যা শরীরের জন্য উপকারী।

০৩. সেহেরিতে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার যেমন ভাত, আলু, প্রোটিন ,ফলমূল ও সবজী খান। পরিমিত পরিমাণে খান।

০৪. অতিরিক্ত চিনি থেকে দূরে থাকুন। কারণ এটি আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি করে।

০৫. রোজার এই গরমের দিনে যথাসম্ভর একটু ছায়া ও ঠান্ডা জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন এবং যতটা সম্ভব আপনার ফিজিকাল এক্টিভিটি কমিয়ে আনুন।

০৬. সুন্নাহ মেনে চলুন। ইফতারে রোজা ভাঙ্গুন খেঁজুর, দুধ বা ফলের জুস দিয়ে। ইফতারে হালকা খাবার খান। একেবারে অনেক খাবার খাবেন না। কেননা পাকস্থলী অনেকক্ষণ পরিপাক না করায় হঠাত্‍ অতিরিক্ত খাবার পেলে ভালো ডাইজেস্ট করতে পারেনা। তাই ইফতারে হালকা খাবার খেয়ে মাগরিবের নামাজ পড়ে আবার হালকা কিছু খান, যেমন – স্যুপ, ক্রাকার্স, লেবুর পানি ইত্যাদি। এরপর একটু সময় নিয়ে রাতের খাবার খান।

০৭. ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খান। অতিরিক্ত খাবেন না। প্রচুর পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

০৮. চা ,কফি এবং সোডা না খাওয়ার চেষ্টা করবেন । এর বদলে প্রচুর পানি খান। চকলেট ক্যান্ডির বদলে ফলের জুস খান ।

০৯. হালকা ব্যায়াম করুন। রাতের খাবারের পর ১০/১৫ মিনিট হাঁটুন।

১০. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও ঝাল খাবার খাবেন না।

১১. দাঁত পরিষ্কার রাখুন। সেহেরির পর দাঁত পরিষ্কার করুন ব্রাশ বা ফ্লস দিয়ে। এছাড়া প্রত্যেক নামাজের আগে মেসওয়াক করুন।

১২. ধূমপান পরিহার করুন ।

১৩. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন আপনার।

এখন কিছু বিউটি টিপস দিবো -

- রমজানে আমাদের ত্বক অনেক সময় মলিন হয়ে যায়। আবার যেহেতু সামনেই ঈদ সেহেতু ত্বকের যত্ন নেওয়াটাও খুব জরুরী। তাই ত্বককে যতটা পারেন ময়েশ্চারাইজড করুন। ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা রানিং ঠান্ডা পানিতে মুখ ধোবেন। তেল সমৃদ্ধ খাবার পরিহার করুন। কেননা তা ব্রণের প্রকোপ বাড়ায়। তাই সেহেরি ও ইফতারে প্রচুর পানি খান।

- বাইরে বের হলে ছাতা ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। চোখের নিচের কালি ঢাকতে আই কনসিলার ব্যবহার করুন। হালকা পাউডার বুলিয়ে নিন মুখে। যেহেতু অনেকক্ষণ পানি না খেয়ে থাকতে হয় তাই ঠোঁট শুকিয়ে যায়। তাই ঠোটে লিপবাম ব্যবহার করুন। দিনে বেশি কিছু না লাগানোই ভালো। ত্বক যথানিয়মে পরিষ্কার করুন আর সপ্তাহে যে প্যাকগুলো ব্যবহার করে থাকেন আপনি নিয়মিত তা করুন।

- রোজা রাখুন। মনে রাখবেন রোজা রাখলে শরীরের কোন ক্ষতি হয় না বরং আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ক্রীম লাগালে রোজা ভাঙ্গেনা। রোজার মাসে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। অযথা রাগারাগি করবেন না ।আল্লাহ আমাদের সবাইকে নামাজ ও রোজা রাখার তৈফিক দান করুন ও এগুলো কবুল হওয়ার তৈফিক দান করুন এই দোআ রইলো আর হ্যাঁ, অবশ্যই আপনার প্রার্থনায় আমার জন্য দোআ করতে ভুলবেন না যেন।

লিখেছেনঃ মৌসুমী

posted from Bloggeroid

পবিত্র রমজান আসন্ন, অনলাইনে যাবতীয় টিপস নিয়ে রমজানের টূর্বেই প্রস্ততি নিন।

পবিত্র রমজান আসন্ন, অনলাইনে যাবতীয় টিপস নিয়ে রমজানের টূর্বেই প্রস্ততি নিন।

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো।

পবিত্র রমজান মাস আসন্ন। আর এ রমজান মাসের পূর্বেই প্রস্তুতি নেয়ার অংশ হিসেবে আমার এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ।

রমজান মাস আসার পূর্বে কি করবেন, আসলে কি করবেন। এ মাসের গুরুত্ব, তাৎপর্যসহ একটি ধারণা পাওয়া যাবে এ লেখায়।

অনলাইনেই পর্যাপ্ত পরিমাণ টিপস আছে, সেগুলোও দেখা যেতে পারে।

আমাদের বর্তমান অবস্থান থেকে কিছুটা পরিবর্তন করতে পারলেই এ লেখাটির স্বার্থকতা।



যথারীতি রোজার গুরুত্ব, মর্যাদা, উপকারিতা এবং আনুষাঙ্গিক বিষয় নিয়ে চলুন আলোচনা শুরু করি।

হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে। যেমন ফরজ করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর। যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।
সূরা- বাকারা, আয়াত- ১৮৩।



রোজার গুরুত্ব :

রাসুল (সাঃ) বলেছন রমজান মাসে আমার উম্মত কে পাঁচটি নিয়ামত দান করা হয়েছে যা আগের উম্মতকে দেওয়া হয়নি -

(১) রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশকের চেয়ে বেশী ঘ্রানযুক্ত

(২) ইফতার পর্যন্ত রোজাদারের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন
(৩) রোজাদারের জন্য প্রতিদিন জান্নাতকে সজ্জিত করা হয়
(৪) শয়তানকে বন্দি করা হয়
(৫) রমজানের শেষ রাতে সকল উম্মতকে মাফ করা হয়।



রোজার মর্যাদা ও উপকারিতা:

১) জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল

২) জান্নাতে যাওয়ার উৎকৃষ্টতম উপায় এবং রাইয়ান নামক বিশেষ দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশের সুযোগ

৩) গুনাহ মোচনের অন্যতম মাধ্যম

৪) রোজা কিয়ামতের দিন মুমিন ব্যক্তির জন্য শুপারিশকারী হবে

৫) রোজার পুরষ্কার আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন

৬) রোজার মাধ্যমে আচার-আচরণ ও চরিত্র সুন্দর হয়

৭) রোজা মানুষকে আখেরাত মুখী করে

৮) সামাজিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টি করে

৯) এটি আল্লাহ ও বান্দার মাঝে নিতান্ত গোপন ইবাদত তাই এর মাধ্যমে আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্ক দৃঢ়তর হয়

১০) আল্লাহর ইবাদতের এক অভূতপূর্ব ট্রেনিং স্বরুপ।



রমজান আসার পূর্বে যে দোয়াটি বেশী বেশী পড়া উচিত ...

“আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজাবা ওয়া শাবান ওয়া বাল্লিগনা রমজান”

অর্থ -হে খোদা রজব এবং শাবান মাসদয়কে তুমি আমাদের জন্যে মোবারক মাসে পরিনত করে দাও এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌছে দাও...



অঢেল সওয়াব অর্জন এর এ সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে চেষ্টা করি। রমজানের শুরুতেই পরিবর্তনের জন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। আত্মশুদ্গধি অর্জনের পূর্ণ প্রস্তুতি নিই।

রহমাত, মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস মাহে রমজান।এ মাসেই মহা গ্রণ্থ আল কুরআন নাজিল হযেছিল তাই হাজার মাসের চাইতেও মূল্যবান এ মাস। এ মাসে ১টি নফল নামাজ ১টি ফরজ নামাজ এর সমান, আর ১টি ফরজ ৭০টি ফরজ নামাজ এর সমান। সুবহানআল্লাহ। এক রাকাত নামাজ ৭০ রাকাত নামাজের সমান, কেউ যদি ফজর-এ ২ রাকাত, জোহরে ৪ রাকাত, আসরে ৪ রাকাত, মাগরিবে ৩ রাকাত এবং এশার ৪ রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করে তবে সে ১ দিনেই ১১৯০ রাকাত শুধু ফরজ নামাজই আদায় করলো আর বাকি নামাজ গুলো যোগ করলে তার পরিমান হবে আরো অনেক বেশি।
নিজেই অঙ্ক মিলিয়ে নিন সুযোগ হাতছাড়া করবেন নাকি এখনি লুফে নিবেন। আমরা কতটুকু আমল যোগ করতে পেরেছি নিজেদের আমলনামায়। জীবনে আরেকবার রমজান পাবেন তার কোনো গেরান্টি নেই, জীবনের সকল গুনাহ মাপের এটাই সুবর্ণ সুযোগ। নামাজ ছাড়াও কুরআন তিলাওয়াত এর ক্ষেত্রেও একই সুবর্ণ সুযোগ এক অক্ষরে যেটি ১০ নেকি ছিল অন্য সময়ে, আর রমজান মাসে সেটি ৭০০ নেকি। এ মাসে কাওকে ১ টাকা দান করলে ৭০ টাকাই দান করা হয়ে যাবে, ২ টাকা দান করলে ১৪০ টাকা দান করা হবে, ২ রাকাত নামাজ পড়লে ১৪০ রাকাত নামাজ পড়া হয়ে যাবে। সকল ভালো কাজেই ১ এ ৭০, সারামাস এ সুযোগ আছে সচেতন হবার সময় এখনি।

শুধু তাই নয় সেহরী, ইফতার আর তারাবীহ নামাজের অনাবিল প্রশান্তি আপনার মনকে ১০০% পবিত্র করে দিবে। সুরা তারাবিহ এর চাইতে খতম তারাবিহকে বেশি গুরুত্ব দিন। পাশাপাশি মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকা, যাবতীয় অন্যায় থেকে বিরত থাকা ছাড়াও ভালো কাজে সহযোগিতা আর মন্দ কাজ থেকে দুরে থাকতে পারলেই আপনার প্রতিটি রোজা হবে পরিশুদ্ধ। রোজা আর দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে আর কোনো অন্তরায় থাকবেনা। এ মাসে বেশি বেশি ভালো কাজ করুন যেন এ মাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বাকি জীবন ভালোভাবে কাটাতে পারেন। বিভিন্ন ফোরাম ব্লগ ফেইসবুক এ ভালো কাজের জন্য আহবান করুন, এতে যে সওয়াব পাবেন তাও অন্য সময়ের তুলনায় ৭০ গুন বেশি পাবেন। ইফতার এর আগে দোয়া কবুল হয় তাই এ সুযোগটিও হাতছাড়া করবেননা।

শব ই কদর এর রাতের অভাবনীয় সুযোগতো থাকছেই যে রাতে দোয়া কবুলের ১০০% গেরান্টি থাকে। আলহামদুলিল্লাহ। জান্নাত লাভের সুবর্ণ সুযোগ আপনাকে হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে। এ মাসে সামর্থ্য থাকলে কেউ ওমরাহ করেও আসতে পারেন। রমজান ছাড়াও মদিনা শরিফ এ ১ রাকাত নামাজ ৫০ হাজার রাকাত নামাজের সমান আর মক্কা শরিফ এ ১ রাকাত নামাজ ১ লক্ষ্ রাকাত নামাজের সমান। আর রমজান মাসে সেই সওয়াব এর পরিমান যথাক্রমে ৩৫ লক্ষ এবং ৭০ লক্ষ রাকাত নামাজের সমান। শুধুমাত্র রমজান মাসের জন্যই এ সুযোগ। আমরা হয়ত অনেকেই এসব কথা জানি, যারা জানি তারা যেন মানার চেষ্টা করি, আর যারা জানিনা তারা যেন আরো জানার চেষ্টা করি।



রমজান মাসে কি করবেন, কেন করবেন, কিভাবে করবেন?

রহমত, মাহফিরাত ও নাজাতের সুখবর নিয়ে আসে মাহে রমজান। এ রমজানের সে সদ্ববহার করতে পেরেছে সেই সফলকাম, আর যে পারেনি সে পুরোপুরি ব্যর্থ। রমজানের পরিপূর্ণ হক আদায়ে আসুন জেনে নিই কি করা উচিত, আর কি অনুচিত...
১। রমজান মাসে কুরআন তিলওয়াত করুন বেশী বেশী, পারলে কয়েকবার খতম করুন। এ মাসে প্রতি হরফের জন্য ৭০ নেকী বরাদ্দ করা হয়ে থাকে যেটি পূর্বে ১০ নেকী ছিলো।

২। নিয়মিত নামাজ আদায় করুন, এক ওয়াক্তও মিস করবেননা।

৩। নিয়মিত হাদিস পড়ুন এবং সে অনুযায়ী আমল করুন।

৪। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরী খান এবং সময়মত ইফতার করুন।

৫। কোনসময় ভোর রাতে উঠতে না পারলেও নিয়ত করে রোজা রেখে দিন।

৬। রোজা রেখে কোনপ্রকার খারাপ কাজে শামিল হবেননা।

৭। ঝগড়া বিবাদ, মিথ্যা বলা, গীবত করা এসব থেকে দূবে থাকবেন।

৮। জীবনে যে নামাজ কখনো পড়েননি, তাহাজজুদ, আউয়াবীন, ইশরাক এসব নামাজ পড়ুন।

৯। সালাতুত তসবীহ পুরো মাসে অন্তত একবার হলেও পড়ুন।

১০। বেজোড় রাত্রিগুলোতে বেশী বেশী ইবাদত করুন।

১১। সর্বোপরি আল্লাহর নিকট বেশী বেশী তাওবাহ করুন।

রমজান মাসে উপরের কাজগুলো করার চেষ্টা করুন।

রাসূল (সা:) বলেছেন, যে রমজান চলে গেল, কিন্তু গুনাহ মাফ করাতে পারলোনা, তার জন্য ধ্বংস অনিবার্য। আল্লাহ আমাদের রমজানের হক আদায়ের তাওফীক দান করুন।



রমজান মাস আসন্ন, আসুন তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রমজানের জন্য সম্বল তৈরী করি।

আল্লাহ কবুল করুন। আমীন...



রমজান সংক্রান্ত আমার ফ্যান পেজ

রমজান সংক্রান্ত আমার ব্লগ



সবাইকে ধন্যবাদ।

আমার অনলাইন আর্নিং সাইট থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।


posted from Bloggeroid

লাভ পসঙ্গ

লাভ পসঙ্গ

জীবনে ভালোবাসা আসার পূর্বে হাজার বছর একা থাকা যায়। কিন্তু ভালোবাসার পর এক মুহুর্ত একা থাকা যায় না আর ভালোবাসার মানুষটি কিছু সময়ের জন্য কাছে না থাকলে মন টা কেমন বেকুল হয়ে থাকে তাকে কাছে পাওয়ার জন্য হইতোবা এটাই বাস্তবতা....

posted from Bloggeroid