Sunday, 26 June 2016

একসঙ্গে ৪ নারীকে বিয়ে করলেন যুবক

একসঙ্গে ৪ নারীকে বিয়ে করলেন যুবক

একসঙ্গে ৪ নারীকে বিয়ে করলেন যুবক!

ইসলাম ধর্মে একজন পুরুষকে চার বার বিয়ে করার অনুমতি দিলেও একই দিনে চার নারীকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করার কথা শোনা যায়নি। সম্প্রতি কুয়েতের এক যুবক একসঙ্গে চার নারীকে বিয়ে করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে।

শুধু বিয়ে করেই ক্ষান্ত মহননি। ওই চারজনের সঙ্গে সেলফি তুলে সেগুলো আবার ফেসবুকে শেয়ারও করেছেন। এই ঘটনা আরব বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছে। ছবিতে দেখা যায়, ওই চার তরুণীর সকলে সাদা গাউন পরে আছেন। স্বামীর একসঙ্গে চার বিয়ে নিয়ে তাদের কোনো মধ্যে কোনো হতাশা লক্ষ্য করা যায়নি। উচ্ছ্বাসিত ওই নারীরা বেশ আগ্রহ সহকারেই বরের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা গেছে।

সামাজিক মাধ্যমের অনেকেই এই বিয়ে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। ওই যুবকের মুণ্ডুপাত করতেও দেখা গেছে অনেককে। তবে কেউ কেউ মনে করছেন আসলে এই বিয়ের ঘটনা সত্যি নয়। তিনি যাদেরকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেছেন তারা আসলে দুবাইয়ের চার মডেল। কনের সাজে তারা কেবল ওই যুবকের সঙ্গে মজা করে ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন।

আরো শোনা যাচ্ছে, সাবেক স্ত্রীকে দেখানোর জন্যই নাকি তিনি ওই বিয়ের ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন। তবে এ নিয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না
ইসলামের দৃষ্টিতে লাইলাতুল কদর

ইসলামের দৃষ্টিতে লাইলাতুল কদর

ইসলামের দৃষ্টিতে লায়লাতুল কদর

'লায়লাতুল কদর' মানে হচ্ছে ‘কদর’ এর রাত। আর ‘কদর’ মানে হচ্ছে মাহাত্ম্য ও সম্মান। অর্থাৎ মাহাত্ম্যপূর্ণ রাত ও সম্মানীয় রাত। এ রাতের বিরাট মাহাত্ম্য ও অপরিসীম মর্যাদার কারণে এ রাতকে ‘লায়লাতুল কদর’ তথা মহিমান্বিত রাত বলা হয়। একইভাবে আরবি লায়লাতুন শব্দের পরিবর্তে ফার্সি ‘শব’ শব্দটি ব্যবহার করে এটিকে ‘শবে-কদর’ও বলা হয়, যার অর্থ একই। গবেষক আবু বকর ওররাক (র.) বলেন, এ রাতকে ‘লায়লাতুল কদর’ বলার কারণ হচ্ছে, এ রাতের পূর্বে আমল না করার কারণে যাদের কোনো সম্মান মর্যাদা, মূল্যায়ন ছিল না তারাও তাওবা-ইস্তেগফার ও ইবাদতের মাধ্যমে এ রাতে সম্মানিত ও মহিমান্বিত হয়ে যান।

(তাফসির মারিফুল কোরআন) আরেক অর্থে ‘কদর’ মানে ‘তাকদির’ বা নির্দিষ্ট ও ধার্যকরণ বা আদেশ দানও হয়ে থাকে। এ রাতে পরবর্তী এক বছরের অবধারিত বিধিলিপি ব্যবস্থাপক ও প্রয়োগকারী ফেরেশতাগণের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রত্যেক মানুষের বয়স, মৃত্যু, রিজিক, বৃষ্টি ইত্যাদির ফরমান নির্দিষ্ট ফেরেশতাগণকে লিখে দেওয়া হয়। এমনকি এ বছর কে হজ করবে তাও লিখে দেওয়া হয়। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বক্তব্য মতে, চার ফেরেশতাকে এসব কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তারা হলেন— ইসরাফিল, মিকাইল, আজরাইল ও জিবরাইল (আ.) (কুরতুরি)।

এ মহিমান্বিত রাতের গুরুত্ব ও মর্যাদা অপরিসীম। পবিত্র কোরআনও ৩০ পারা একসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছিল এ রাতেই। এ রাতের ফজিলত ও মর্যাদার বিষয়ে খোদ মহান আল্লাহ ‘সূরাতুল কদর’ নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সূরাই অবতীর্ণ করে দিয়েছেন। এর চেয়ে বড় মাহাত্ম্য ও মর্যাদা আর কি হতে পারে? মহান আল্লাহ নিজেই এ রাতের মহিমা বর্ণনায় ইরশাদ করেছেন— কদরের রাত এক হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ (৯৭:০৩)।

অর্থাৎ কারও একনাগাড়ে এক হাজার মাস বা ৮৩ বছর ৪ মাস পর্যন্ত ইবাদত করার যে ফজিলত বা সওয়াব পাওয়া যায় তা এ এক রাতের ইবাদতের দ্বারাই মহান আল্লাহ প্রদান করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম শরিফের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে— ‘যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে (ইমানসহ) এবং সওয়াব প্রাপ্তির প্রত্যাশায় এ রাতে জেগে ইবাদত বন্দেগি করবে, তার পূর্ববর্তী জীবনের সব পাপ মোচন করে দেওয়া হবে।’

উম্মতে মুহাম্মদী (সা.)-এর ক্ষেত্রে ওই বিশেষ সুযোগদানের কারণ হচ্ছে, এদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ শেষ নবী মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ (সা.)-এর উম্মতও যে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত তার অন্যতম একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা। তবে প্রাসঙ্গিকভাবে সূরা ‘কদর’-এর অবতীর্ণের পরিপ্রেক্ষিত প্রশ্নে বলা হয়েছে— প্রিয়নবী (সা.) একদা বনি ইসরাইলের জনৈক মুজাহিদ সম্পর্কে বললে, সে অবিরাম এক হাজার মাস পর্যন্ত জিহাদে ব্যস্ত থাকে এবং কখনো অস্ত্র হাত থেকে রাখার সুযোগ পায়নি।

বর্ণনান্তরে ইবনে জারার (র.)-কে অপর একটি ঘটনার কথা বলেছেন, যে বনি ইসরাইলের জনৈক ইবাদতকারী সব রাত ইবাদতে কাটিয়ে দিত এবং সারা দিন জিহাদে লিপ্ত থাকত। এভাবে সে এক হাজার মাস পর্যন্ত কাটিয়ে দিত। এসব ওয়াজ-উপদেশ শুনে সাহাবায়ে কিরামের মনে প্রচণ্ড বিস্ময়ের পাশাপাশি দারুণ পরিতাপও হতো যে, আমরা তো এত বছর বাঁচা বা দীর্ঘ হায়াত পাওয়ার সুযোগ দেখছি না। সুতরাং সেই মর্যাদা প্রাপ্তিও তো সুদূরপরাহত। এসব পরিতাপের দাবিতে এবং শ্রেষ্ঠত্বের পূর্ণতাদানের সুযোগ হিসেবে মহান আল্লাহ ‘সূরা ক্বদর’ নাজিল করে মুসলিম উম্মাহকে তার চেয়েও বড় ও বেশি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের সুযোগ করে দিলেন।
বিশ্বের ১০০কোটি মানুষ গুগলের ছয়টি সেবা ব্যবহার করে তাকে জেনে নিন

বিশ্বের ১০০কোটি মানুষ গুগলের ছয়টি সেবা ব্যবহার করে তাকে জেনে নিন

সারা বিশ্বের ১০০ কোটি মানুষ গুগলের যে ছয়টি সেবা ব্যবহার করে থাকেন
প্রতিদিন বিলিয়ন বিলিয়ন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী গুগলের পণ্য ব্যবহার করে। গুগলের যেসব পণ্যের কমপক্ষে এক বিলিয়ন ( ১০০ কোটি) গ্রাহক রয়েছে সেরকম ছয়টি পণ্য হলো – .
.
.
অ্যান্ড্রয়েড : গুগলের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড -এর ১ .৪ বিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছে। এই ব্যবহারকারীর সংখ্যা থেকেই বোঝা যায় স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করছে গুগল। এর ১ . ৬ মিলিয়নের ওপর অ্যাপ রয়েছে।
নেক্সাস ব্র্যান্ডের অধীনে গুগল নিজস্ব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বিক্রি করে।
.
.
.
ম্যাপস: গুগল ম্যাপ অনেকের জন্যই একটি অনলাইন ম্যাপিং সমাধান।
গুগলের এই পণ্যটির ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ বিলিয়নের ওপর। এটি ২০১৩ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল।
.
.
.
সার্চ: ইন্টারনেট সার্চের সমার্থক শব্দ হলো গুগল। এটা পৃথিবীর বহুল ব্যবহৃত ওয়েবসাইট। এটা প্রতিদিন ৩ বিলিয়নেরও ওপর অনুসন্ধান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
.
.
.
ক্রোম: বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষ পৃথিবীতে যে পণ্যগুলো ব্যবহার করে সেগুলোর মধ্যে গুগল ক্রোম অন্যতম। এটা ডেস্কটপ এবং মোবাইল দুটিতেই পাওয়া যায়।
.
.
.
প্লে- স্টোর: প্লে- স্টোর হলো গুগলের সর্বশেষ পণ্য যা এক বিলিয়ন ব্যবহারকারীতে ঠেকেছে। এটা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপ, গেম, সিনেমা , বই ইত্যাদি সরবরাহ করে। প্লে- স্টোরে এক মিলিয়নের ওপর অ্যাপ রয়েছে।
ইউটিউব: ইউটিউব ২০১৩ সালের মার্চে এক বিলিয়ন ব্যবহারকারী অতিক্রম করে। প্রতিদিন অগণিত
মানুষ এতে অগাধ সময় ব্যয় করে।
ইউটিউব দর্শকদের ৫০ শতাংশ আসে মোবাইল ডিভাইস থেকে।
কম্পিউটার slow হয়ে গেছে speed বাড়িয়ে নিন

কম্পিউটার slow হয়ে গেছে speed বাড়িয়ে নিন

কম্পিউটার Slow হয়ে গেছে ? No Tension ফুল Speed বাড়িয়ে নিন ৷
আজ আমি আপনাদের কিছু টিপস দেব “হয়ত আপনি আগে থেকেই জানতেন” যা আপনার PC কে আরও
Speed দিতে পারে। কথা না বাড়িয়ে কাজে আসি ।

নিম্নের কাজগুলো করে দেখুন : ★.Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে Right Button ক্লিক করে Task Manager খুলুন। তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো Program- তালিকা দেখতে পাবেন।
এর মধ্যে যেগুলো এখন কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দিন। যদি কিছু ভুল করে বন্ধ করে ফেলেন এবং অপারেটিং সিস্টেমের যদি কোন সমস্যা হয় তবে PC রিস্টার্ট করুন। *.কিছু সময় পরপর Start এ গিয়ে Run লিখে এনটার দিয়ে tree লিখে ok করুন।

★.Control Panel এ যান। Add or Remove এ দুই ক্লিককরুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বামপাশে অদরকারি program গুলোর পাশের টিক চিহ্নগুলি তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details এক্লিক করুন।
নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে program গুলোআপনার কাজে না সেগুলোর টিক চিহ্নগুলো তুলে OK করুন। এখন next এ ক্লিক করুন। Successful message আসলে Finish এ ক্লিক করুন।
★.অনেক সময় PC’র র্যাম কম থাকলে PC slow হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি বাড়ানো যায়। এর জন্য- My Computer এ মাউস রেখে right button ক্লিক করেproperties-e যান। এখন advance এ ক্লিক করে performance এর settings এ ক্লিক করুন। আবার advance -এ ক্লিক করুন।
এখন change এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size এ আপনার PC’র র্যামের দ্বিগুণ এবং Maximum size এ র্যামের চারগুন দিলে ভাল হয়।
কাল তেকে এতেকাফ, জেনে নিন নিয়ম

কাল তেকে এতেকাফ, জেনে নিন নিয়ম

আগামী কাল ২০ রমজান, কাল থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র এতেকাফের সময়, যেনেনিন এতেকাফ কি? এবং কিবাভে এটা আদায় করতে হয় হাদিস সহ বিস্তারিত নিয়ম দিলাম
️ এতেকাফ ️️

এতেকাফ একটি গুরুত্বপূর্ণ এবাদত,
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকালের পূর্ব-পর্যন্ত
নিয়মিত এতেকাফ করেছেন।
পরবর্তীতে তাঁর সাহাবিগণ এ ধারা অব্যাহত রেখেছেন।
বর্তমানে মুসলিম উম্মাহর মাঝে এ ব্যাপারে শিথিলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
যা মোটেই কাম্য নয়।
যেনেনিন বিস্তারিত
• অনেকের এ বিষয়ে ন্যূনতম ধারণাও নেই।
বিলুপ্ত-প্রায় এ আমলটির মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ আবারও যেন পূর্বের ধারায় ফিরে আসতে পারে সেজন্য কিছু আলোচনা করা হলো। •
এতেকাফের সংজ্ঞা,,
একাগ্রচিত্তে আল্লাহ তাআলার এবাদতের উদ্দেশ্যে বিশেষ পন্থায়, বিশেষ নিয়তে পুরুষের জন্য মসজিদে এবং মহিলারা মহিলারা ঘরে অবস্থান নেয়াকে এতেকাফ বলে।
এতেকাফের হুকুম
•• রামাদানের শেষ দশকে এতেকাফ করা সুন্নত।
আল্লাহ তাআলা বলেন
আমি ইবরাহীম ও ইসমাইলকে নির্দেশ দিয়েছি, তোমরা আমার ঘর পবিত্র করবে তাওয়াফকারী, এতেকাফকারী ও রুকু- সেজদাকারীদের জন্যে।
(সূরা বাকারা-১২৫)
উম্মুল মোমিনীন আয়েশা (রা:) আনহা বলেন
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকালের পূর্ব-পর্যন্ত
রামাদানের শেষ দশকে নিয়মিত এতেকাফ করতেন।
তার পরে তাঁর স্ত্রী-গণ এতেকাফ করতেন।
(বোখারী ও,মুসলিম শরিফ)
এতেকাফের তাৎপর্য,,
এতেকাফের অনেক তাৎপর্য রয়েছে।
যেমন
আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক সুদৃঢ়করণ।
• অহেতুক কথা ও কুপ্রবৃত্তির তাড়না থেকে সংযত থাকা।
লাইলাতুল কদর তালাশ করা,,, এটিই ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এতেকাফের মূল লক্ষ্য।
বিশিষ্ট সাহাবি আবু সাঈদ খুদরি (রা:)-এর হাদিস তাই প্রমাণ করে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন
আমি এ রজনি তালাশ করতে গিয়ে প্রথম দশকে এতেকাফ করেছি। অত:পর দ্বিতীয় দশকে।
পরে আমাকে বলা হল যে এ রজনি শেষ দশকে। অতএব তোমাদের মাঝে যে এতেকাফ করতে চায় সে যেন তা করে।
এর পর লোকেরা তাঁর সাথে এতেকাফ করেছে।
• (মুসলিম শরীফ)
মসজিদে অবস্থানের অভ্যাস গড়া
এতেকাফের মাধ্যমেই বান্দা স্বীয় হৃদয় মসজিদের সাথে সম্পৃক্ত করণের উপায় খুঁজে পায় এবং তা অভ্যাসে পরিণত
করতে সক্ষম হয়। যে সাত
শ্রেণির লোকেরা আরশের ছায়ার নীচে আশ্রয় পাবে —তাদের মধ্যে এক শ্রেণি হচ্ছে
এমন ব্যক্তি যার হৃদয় মসজিদের সাথে সম্পৃক্ত থাকে।

(বোখারী ও, মুসলিম শরীফ)
দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্তি ও বিলাসিতা পরিত্যাগ করা
এতেকাফকারী তার দুনিয়াবী ব্যস্ততা থেকে দূরে থাকে এবং এতেকাফস্থলে দুনিয়ার ভোগ সামগ্রী থেকে নিরাসক্ত
হয়ে কেমন যেন অপরিচিত
হয়ে যায় ঐ পথিকের ন্যায় যে গাছের ছায়ায় কিছু সময় বিশ্রাম নেয়ার পর তা ত্যাগ করে চলে যায়। ক্ষতিকর বদ-অভ্যাস ও কুপ্রবৃত্তি দুরিকরণে নিজেকে তৈরিকরণ।
এতেকাফকারীর জন্য নিষিদ্ধ কাজসমূহ
অতিরিক্ত কথা ও ঘুম, অহেতুক-কাজে সময় নষ্ট, মানুষের সাথে বেশি বেশি মেলা-মেশা ইত্যাদি কাজ যা এতেকাফের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে ব্যহত করে। •
ক্রয় বিক্রয়, কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।
( মুসলিম শরিফ )
তবে একান্ত প্রয়োজন হলে ভিন্ন কথা। যেমন
এতেকাফকারী নিজের পরিবারের খাদ্য জোগান দেয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদের বাইরে ক্রয়-বিক্রয় করলে তাতে অসুবিধা নেই।
এতেকাফ অবস্তায় ••
কামভাব সহ স্ত্রী আলিঙ্গন, কেননা তা সর্বসম্মতিক্রমে হারাম।
..
বায়ু নি:সরণ, এটি মসজিদের আদবের পরিপন্থী।
তাই পারতপক্ষে এ কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।
যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ব্যাখ্যা দিলেন প্রধান

যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ব্যাখ্যা দিলেন প্রধান

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ব্যাখ্যা দিলেন প্রধান বিচারপতি


বাংলাদেশে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে বিভ্রান্তি ও অপব্যাখ্যা হচ্ছে জানিয়ে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বলেছেন, এই দণ্ডের অর্থ দণ্ডিত ব্যক্তিকে মৃত্যু পর্যন্ত কারাগারে থাকতে হবে।
রোববার গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার পরিরদর্শনের সময় সেখানে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

ব্রিটিশ আমলে করা আইন ও কারাবিধির বর্তমান প্রেক্ষাপটে নানা অসঙ্গতির কথা তুলে ধরতে গিয়ে বিচারপতি সিনহা বলেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিয়েও এক ধরনের বিভ্রান্তি রয়েছে।

“যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বলতে আপনারা মনে করেন ৩০ বছর। ধরে নেয়, সব জায়গায়। প্রকৃত পক্ষে এটার অপব্যাখ্যা হচ্ছে। যাবজ্জীবন অর্থ হল একেবারে যাবজ্জীবন, রেস্ট অফ দ্য লাইফ।”


তবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জেলখাটার সময় রেয়াত পেলেও সেটা কোনোমতেই ৩০ বছরের কম হয় না, বলেন প্রধান বিচারপতি।
ব্রিটিশ আমলে কারাগারগুলোতে যাবজ্জীবনের প্রশ্ন ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন একেবারে দ্বীপান্তর করা হত।

“আমাদের জেল কোড অনেক পুরাতন। এটা নিয়ে ব্রিটিশ আমলে অনেক জগাখিচুড়ি হয়েছে।”

এই পর্যন্ত বিচারিক জীবনে নানা রায়ের কথা বলতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা, জেল হত্যা, যুদ্ধাপরাধের বিচারের রায়ের কথা বলেন বিচারপতি সিনহা।

“বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় কিছু ক্রুটি ছিল। সেগুলো আমি সংশোধন করতে পেরেছি। জেল হত্যা মামলায় দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমি একাই ডিসেনটিং রায় দিয়েছিলাম। সেখানে ষড়যন্ত্র ছিল, প্রমাণিত হল। কিন্তু ষড়যন্ত্রের জন্য তাদের শাস্তি হল না, আমি স্তম্ভিত হলাম। পরিকল্পিতভাবে হত্যার জন্য যারা পরিকল্পনা করেছে, তাদের প্রত্যেকের শাস্তি হওয়া উচিৎ।”


কারাগার পরিদর্শনের সময় প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ছিলেন কারামহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন, জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মিজানুর রহমান, সুব্রত কুমার বালা ও প্রশান্ত কুমার বনিক। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদও ছিলেন সেখানে।
বিচারপতি সিনহা কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর অভ্যন্তরে কারা গ্রন্থাগার, পাওয়ার লুম সেকশন, কারাবন্দি পুনর্বাসন স্কুল, কারা বেকারি, প্রশিক্ষণ কক্ষ, আসবাবপত্র তৈরির স্কুল, কারা ডিজিটাল প্রিন্টিং প্রেস, গার্মেন্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, দর্জি প্রশিক্ষণ, সূচি শিক্ষা, হস্তশিল্প, রন্ধনশালা এবং ২০০ শয্যার হাসপাতাল ঘুরে দেখেন।

প্রধান বিচারপতি বন্দিদের মামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তা নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতি কারাগারে পৌঁছলে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়, দেওয়া হয় গার্ড অব অনার।