Friday, 24 June 2016

সারা সপ্তাহ সুস্ব থাকতে শুক্রবার ছুটির দিন করুন এই কাজ

সারা সপ্তাহ সুস্ব থাকতে শুক্রবার ছুটির দিন করুন এই কাজ

সারা সপ্তাহ সুস্থ থাকতে শুক্রবার ছুটির দিন করুন এই কাজগুলো

সপ্তাহান্তে আজ সবাই একটু গা ছেড়ে আরাম করে নিচ্ছেন। কেউ বা ডায়েট ভেঙ্গে বেশ করে মজার মজার খাওয়া দাওয়া করছেন।
স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হচ্ছে তা কি চিন্তা করছেন একটুও? জেনে রাখুন, সারা সপ্তাহ স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ফের শুক্রবার যা ইচ্ছে তাই করলে মোটেই কাজ হবে না।
তাই শুক্রবারেও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বজায় রাখতে মনে রাখুন এই কয়টি টিপস।
১) চাপ রাখুন কম সারা সপ্তাহ পড়াশোনা, অফিসে ছোটাছুটির পর সবাই ভাবেন সপ্তাহান্তে আত্মীয় এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতেই হবে। আসলে কিন্তু এটা এমন বাধ্যতামূলক কিছু নয়।
আপনি চাইলে অবশ্যই তাদের সময় দেবেন, কিন্তু তা করতে গিয়ে যেন নিজেকে বেশি ক্লান্ত করে না ফেলেন। ছুটির দিনে চিন্তা করুন নিজের কথা। আপনি কী করতে চান? ঠিক সেটাই করুন।
২) ব্যায়াম করুন, তবে বেশি নয় সারা সপ্তাহ ব্যায়াম করার শক্তি থাকে না। তাহলে শুক্রবারেই বেশ কিছুটা সময় ব্যায়াম করে নিন। এতে শরীরটা বেশ ভালো লাগবে। ফলে সপ্তাহের অন্যান্য দিনেও ব্যায়াম করার উতসাহ পাবেন আপনি। তবে সাবধান। হুট করে খুব বেশি ব্যায়াম করতে গেলে আপনিই আহত হতে পারেন। এ কারণে শরীরের অবস্থা বুঝে ব্যায়াম করুন।
৩) সপ্তাহান্তে বেশি খাবেন না অনেকেই ভাবেন সারা সপ্তাহ কঠিন ডায়েট মেনে চলে আজ একটু খাওয়া দাওয়া করাই যেতে পারে। কিন্তু তা করতে গিয়ে নিজের সারা সপ্তাহের ডায়েট জলাঞ্জলি দেওয়া যাবে না মোটেই। খেতে বেশি ইচ্ছে করলে নিজের পছন্দের বেকারিতে গিয়ে এক টুকরো কেক কিনে খান।
বাড়িতেই একগাদা চিপস, কুকি খাওয়ার চাইতে এই কাজটায় বেশি ভালো থাকবে আপনার মন ও শরীর।
এ ছাড়া অন্য কিছু কাজও করতে পারেন যাতে খাওয়ার ওপর থেকে আগ্রহ অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া যাবে। যেমন নতুন একটা মুভি দেখা, স্পা ম্যাসাজ বা ফেশিয়াল করানো ইত্যাদি।
৪) রুটিন ভাঙবেন না অনেকেই ভাবেন সারা সপ্তাহ রুটিনের মাঝে থেকে শুক্রবারে একটু রিল্যাক্স করা যাবেই। এছাড়া টুকিটাকি পড়ে থাকা কাজ শেষ করতে গিয়ে রুটিন ঠিকমতো মেনে চলাও যায় না।
কিন্তু রুটিন ঠিক মেনে চলতে না পারলেও চেষ্টা করুন বড় কোনো পরিবর্তন না আনতে। যেমন বাইরে বেড়াতে গেলেও অতিরিক্ত
খাওয়া দাওয়া করবেন না এই দিনে।
একটু দেরি করে খাওয়া দাওয়া করলেও তার পরিমাণ ঠিক রাখার চেষ্টা করুন। এছাড়াও চেষ্টা করুন শুক্রবারের জন্য সব কাজ না জমিয়ে রেখে সারা সপ্তাহেই একটু একটু করে পরিবারকে সময় দেবার
সেলফি তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৭জনের মৃত্যু দেখে নিন

সেলফি তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৭জনের মৃত্যু দেখে নিন

ভারতে সেলফি তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে ৭ জনের মৃত্যু


ভারতে গঙ্গায় সাঁতার কাটতে নামার আগে সেলফি তুলতে গিয়ে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ পা পিছলে পড়ে যান। তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার আরও ছয়বন্ধু একে একে পানিতে তলিয়ে যান।
এনডিটিভি বলছে, বুধবার সন্ধ্যায় গঙ্গায় ডুবে মারা যাওয়া এই সাতজনের মধ্যে একজনের বয়স ৩০-এর বেশি। কিন্তু বাকিদের সবারই বয়স ১৯ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে।

বৃষ্টির পর তারা গঙ্গায় সাঁতার কাটতে গিয়েছিলেন বলে কানপুরের সিনিয়র পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট শলভ মাথুর জানিয়েছেন।

সুপারিন্টেনডেন্ট অব পুলিশ শচিন্দ্র প্যাটেল বলেন, “পানিতে নেমে গোসল করার সময় সেলফি তুলতে গিয়ে পা পিছলে গঙ্গায় পড়ে যান শিবম। একই সঙ্গে গঙ্গায় সাঁতার কাটতে আসা মাকসুদ তা দেখে শিবমকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দেন। কিন্তু তিনিও পানির উচ্চতা এবং ভারীবৃষ্টির ফলে সৃষ্টি হওয়া প্রবল স্রোতের কারণে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি।”

একসঙ্গে সাঁতার কাটতে আসা বাকি বন্ধুরাও একে অপরকে বাঁচাতে একজনের পর অন্যজন পানিতে ঝাঁপ দেন। কিন্তু তারা সবাই তলিয়ে যান বলে শচিন্দ্র জানান।

শচিন্দ্র প্যাটেল বলেন, ডুবুরিদের একটি দল সাতজনের দেহ উদ্ধারের জন্য নিয়োগ করা হয়। দুইঘণ্টা পর সবার দেশ উদ্ধার করা হয়।

কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সবাইকেই মৃত ঘোষণা করা হয়।

মৃত্যুবরণকারী সাতজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন, শচিন গুপ্ত (২১), ভলু তিওয়ারি (২০), রোহিত (২০), শিবম (১৯), মাকসুদ (৩১), ভোলা (১৬), সত্যম (২৪)।

এই ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন সিনিয়র পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট শলভ মাথুর।


বৃষ্টির পর তারা গঙ্গায় সাঁতার কাটতে গিয়েছিলেন বলে কানপুরের সিনিয়র পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট শলভ মাথুর জানিয়েছেন। ছবি: এনডিটিভি

এরআগে মুম্বাইয়ে আরব সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে পা পিছলে পানিতে পড়ে তিন নারীর মৃত্যু হয়েছিল। তাদের বাঁচাতে গিয়ে অপর এক যুবকও মারা যান।
চলন্ত ট্রেনের কাছে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতেই উত্তরপ্রদেশে মারা গিয়েছিলেন তিন কলেজ শিক্ষার্থী।

মার্চে পাঞ্জাবের পাঠানকোটে ১৫ বছরের এক কিশোর তার বাবার গুলিভর্তি পিস্তল নিজের কপালে ঠেকিয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে ট্রিগারে চাপ লেগে গেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

সেলফি তুলতে গিয়ে মৃত্যুর প্রথম ঘটনাটি ঘটে লেবাননে। আর এখন সেলফি তুলতে গিয়ে বিশ্বে যতজন মারা যান, তার প্রায় অর্ধেকই ঘটনাই ঘটে ভারতে।
নাউজুবিল্লা, কিছু দেশে শুরু হয়েছে কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎসব দেখে নিন নয়তো মিস করবেন

নাউজুবিল্লা, কিছু দেশে শুরু হয়েছে কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎসব দেখে নিন নয়তো মিস করবেন

শুরু হয়েছে কুকুরের মাংস খাওয়ার উৎসব

দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনা মধ্যেই চীনের দক্ষিণাঞ্চলে শুরু হয়েছে কুকুরের মাংস খাওয়ার বাৎসরিক উৎসব। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ইউলিন শহরে প্রতি বছর ১০ দিনব্যাপী এই উৎসবে ১০ হাজার কুকুর এবং বিড়াল জবাই করে তার মাংস খাওয়া হয়।

মানবাধিকার কর্মীরা এই উৎসবকে নিষ্ঠুর বলে আখ্যায়িত করেছে। এর বিরুদ্ধে একটি অনলাইন পিটিশনে এ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখেরও বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছে। স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটার পেছনে সরকারের কোনো সমর্থন নেই। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হচ্ছে।

চীনে লিচু এবং কুকুরের মাংস খাওয়ার বাৎসরিক উৎসবে প্রচুর লোকের সমাগম হয়। লোকজন তাদের হটপটে করে কুকুরের মাংস নিয়ে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। চীন এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ ওই অঞ্চলের আরো কিছু দেশে প্রায় ৫০০ বছর ধরে লোকজন কুকুরের মাংস খেয়ে অভ্যস্ত। অনেকের বিশ্বাস, এতে গরমের সময় তাপমাত্রা কম থাকে।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই অভ্যাসকে উৎসবে রূপ দেয়া হয়েছে ইউলিন প্রদেশে। এই অঞ্চলের মানুষের দাবি, পশুগুলোকে খুবই মানবিক উপায়ে হত্যা করা হয়। তবে সমালোচকরা জানান, পশুগুলোকে প্রকাশ্যে এবং নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। অনেক পশুকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং জীবন্ত রান্না করা হয়। সুত্র-অনলাইন
ক্যানসারে আক্রান্ত ছেলেকে সান্ত্বনা দিতে বাবার অভিনয়

ক্যানসারে আক্রান্ত ছেলেকে সান্ত্বনা দিতে বাবার অভিনয়

ক্যানসার আক্রান্ত ছেলেকে সান্ত্বনা দিতে বাবার অভিনব ট্যাটু
নিউজ ডেস্ক: আট বছরের গ্যাব্রিয়েলের ব্রেন টিউমার হয়েছিল। তার অস্ত্রোপচার করা হয়। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠতেই গ্যাব্রিয়েলের চোখ চলে যায় তার মাথার ডান পাশে কাটা দাগের দিকে।

ন্যাড়া মাথা, তার উপর ‘অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ’ এর মতো গভীর কাটা দাগ দেখে মনমরা হয়ে গিয়েছিল ছোট্ট গ্যাব্রিয়েল। গ্যাব্রিয়েলের বাবা জশ মার্শাল জানান, ওই দাগটা দেখে অতিরিক্ত সচেতনতা বোধ কাজ করছিল তাঁর ছেলের মধ্যে।

তাকে ‘মনস্টার’-এর মতো দেখতে লাগছে, এই কথাটাই বার বার তাকে বলেছিল ছোট্ট গ্র্যাব্রিয়েল। জশ বলেন, ‘ছেলের এই ধারণা দূর করতে একটা উপায় বের করে ফেললাম।’

সেই উপায়টাও কিন্তু ছিল অসাধারণ। নিজের মাথার কাটা দাগ দেখে গ্যাব্রিয়েল যাতে হীনমন্যতায় না ভোগে, মাথার ডান পাশে ঠিক সেই কাটা দাগের মতো দেখতে একটি ট্যাটু করান জশ।

তারপর ছেলেকে তিনি বলেন, ‘যদি তোমার ওই কাটা দাগের দিকে লোকে তাকায়, তা হলে তারা আমার দিকেও তাকাবে। তখন তোমার আর নিজেকে মনস্টার বলে মনে হবে না।’ ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে একটি ছবিও তোলেন জশ। সেই ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার পরই ভাইরাল হয়ে যায়।
 ইঁদুর রান্না করে অতিথি আপ্যায়ন দেখে নিন

ইঁদুর রান্না করে অতিথি আপ্যায়ন দেখে নিন

ইঁদুর রান্না করা অতিথি আপ্যায়ন!

ঘরে ইঁদুর নামক প্রাণীটির অনাকাঙ্ক্ষিত আগমন অধিকাংশ মানুষেরই পছন্দ নয়। শুধু খাবার নষ্ট করা নয়, সুযোগ পেলে লাখো বা কোটি টাকার মূল্যবান জিনিসপত্র কেটে কুটি কুটি করে ফেলে ইঁদুর মহাশয়।

তবে যে যাই বলুক, উত্তর-পূর্ব ভারতের পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী অদি গোষ্ঠির কাছে কিন্তু ইঁদুর খুবই পছন্দের প্রাণী। হবেই না কেন, ইঁদুর দিয়ে রান্না করা খাবারগুলোই যে তাদের খাদ্যতালিকায় উপরের দিকে। তাই বাড়িতে মেহমান আসলে ইঁদুর ভাজি ছাড়া যেন আপ্যায়নই হয় না।

এদিকে প্রতিবছর ৭ মার্চ এই উপজাতি গোষ্ঠি আয়োজন করে চমকপ্রদ একটি উৎসবের। রান্না করা হয় সুস্বাদু সব খাবার। সবার নজর থাকে রান্না ঘরের দিকে। কখন রান্না করা হবে ইঁদুর দিয়ে নানা পদের তরকারি। এর মধ্যে আবার প্রধান আকর্ষণ ইঁদুরের পাকস্থলি ও যকৃতের সঙ্গে লেজ ও পা মিশিয়ে সেদ্ধ করা তরকারির দিকে। পরিবেশনের পর তা খাওয়া হয় লবন, আদা ও মরিচ দিয়ে।

এই উপজাতির লোকজন সব ধরনের ইঁদুর পছন্দ করে। বাড়িতে পালন করা ইঁদুর থেকে শুরু করে বন্য ইঁদুর, ধেড়ে ইঁদুর, কোনো কিছুই বাদ দেয় না তারা।

ফিনল্যান্ডের ওউলু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভিক্টর বেনো মেয়ার-রোশৌ দীর্ঘদিন ধরে এ উপজাতি গোষ্ঠি নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত যত মাংস তারা খেয়েছে তার মধ্যে ইঁদুরের মাংসই সবচেয়ে উত্তম ও সুস্বাদু বলে তারা জানান।

আমাকে জানানো হয় যে, ইঁদুর ছাড়া কোনো পার্টি হতে পারে না। কোনো গুরত্বপূর্ণ অতিথি বা আত্মীয়কে খাওয়াতে চান? ইঁদুর লাগবে। খাদ্য তালিকায় ইঁদুর না থাকলে বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করাই সম্ভব হয় না। এছাড়া বাপের বাড়ি ছেড়ে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার সময় মরা ইঁদুর উপহার দেওয়া হয় বরের আত্মীয়-স্বজনকে