Saturday, 28 May 2016

ত্বক সুন্দর করার টিপস ছেলে মেয়ে উভয়েরজন্য

ত্বক সুন্দর করার টিপস ছেলে মেয়ে উভয়েরজন্য

মসৃণ ফর্সা ত্বক চান না এমন
নারী খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। প্রিয়
ব্যক্তির আকর্ষণ ধরে রাখাসহ
পরিচিতদের কাছ
থেকে প্রশংসা পেতে প্রচেষ্টার
অন্ত থাকে না অনেকেরই। তাই সব
চেষ্টাকে অব্যহতি দিয়ে ত্বকের
রং ফর্সা করতে অবলম্বন করুন
জাদুকরী উপায়।
বাদাম-হলুদ পেস্ট
সকালে ৫০ গ্রাম দুধের
মধ্যে ৪-৫টি বাদাম, জাফরান
মিশিয়ে রাখুন। রাতে হলুদ
মিশিয়ে পেস্ট করুন। রাতে এই পেস্ট
মুখে ও গলায়
লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন।
সকালে উঠে পর্যাপ্ত
ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পর পর
২ সপ্তাহ করে দেখুন আপনিও
হয়ে গেছেন দুধে আলতা বরণী মেয়ে।
বেসনের পেস্ট
বেসন, লেবুর রস ও কাঠবাদাম
একসঙ্গে পেস্ট করে ১০ মিনিট
মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর
ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
বেসন ও লেবুর রস মুখের মৃত কোষ,
কালোদাগ দুর করতে সহায়তা করে।
বাদাম ত্বকের
আর্দ্রতা ধরে রেখে রং করে ফর্সা
দীপ্তিময়।
কলার পেস্ট
কলা ও দুধ একত্রে পেস্ট করে মুখে ও
ঘাড়ে ১৫ মিনিট রেখেদিন।
তারপরে পরিষ্কার
ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
ত্বক মসৃন করতে কলার কোন জুড়ি নেই।
যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা না করায়
ভাল।
দই-মধুর পেস্ট
ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃন করতেও মধু খুব
কার্যকর। টকদই, মধু ও লেবুর রস
একসঙ্গে মিশিয়ে ২০ মিনিট
ধরে মুখে লাগিয়ে রাখুন।
শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার
পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত
করলে কিছুদিন পরেই দেখতে পাবেন
আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক
বেশী উজ্জ্বল হয়ে গেছে।
মসুর ডালের পেস্ট
মসুরের ডাল, কাঁচা দুধ সামান্য, লেবুর
রস এবং চালের গুড়া একসঙ্গে পেস্ট
করে তৈরি করুন স্ক্রাব। সপ্তাহে তিন
দিন ব্যাবহার করুন। আপনার ত্বক
হবে আরো পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল।

posted from Bloggeroid

দাত কে সাদা করুন ১০ খাবার খেয়ে না দেকলে মিস করবেন

দাত কে সাদা করুন ১০ খাবার খেয়ে না দেকলে মিস করবেন

ব্ল্যাক কফি, রেড ওয়াইন
এগুলো আপনার দাঁতের
উজ্জ্বলতা কমিয়ে দেয়৷ রেডবুক
ম্যাগাজিন এমন ১০টি খাবারের
কথা জানিয়েছে যা আপনার
দাঁতকে করবে ঝকঝকে উজ্জ্বল৷
কমলালেবু
এই ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিড
রয়েছে, যা দাঁতের দাগ পরিষ্কার
করে৷ এটি দাঁতকে উজ্জ্বল করে৷
তবে এই অ্যাসিডের পরিমাণ
বেশি হলে তা দাঁতের
উপরিভাগে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে৷
তাই পরিমাণ মত কমলা খাওয়ার
পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা৷ এদের
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন
সি রয়েছে যা দাঁতের জন্য উপকারী৷
স্ট্রবেরি
মনে হতে পারে লাল রঙের
ফলটি কি করে দাঁত
সাদা করতে পারে! পারে, কারণ
স্ট্রবেরির মধ্যে আছে ম্যালিক
অ্যাসিড৷ এই অ্যাসিড আপনার
দাঁতকে সাদা করে বলে জানিয়েছেন
দন্ত চিকিৎসকরা।
পেঁয়াজ
অনেকেই জানেন না পেঁয়াজ দাঁতের
জন্য ভীষণ উপকারী৷ এর
মধ্যে আছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল
এবং অ্যান্টিসেপটিক৷ আর
একটি বিষয় হলো পেঁয়াজ স্বচ্ছ৷ তাই
এটি খেলে দাঁতে কোন দাগ হয় না৷
চিকিৎসকরা ঠাট্টা করে বলে থাকেন
কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার পর মুখের গন্ধ
দূর করতে বেশিরভাগ মানুষ দাঁত
মাজেন৷ ফলে দাঁত
ঝকঝকে না হয়ে পারে না৷
গাজর
আপেলের মতই কাঁচা গাজর দাঁতের
জন্য ভীষণ উপকারী৷ গাজর
খেলে দাঁতের
ফাঁকে ঢুকে থাকা খাদ্যকণা বেরিয়ে
আসে৷ এছাড়া তা দাঁত ও মাড়ির
স্বাস্থ্যের জন্য ভালো৷
বাদাম
শক্ত খাবার চিবিয়ে খেলে আপনার
দাঁতের ক্ষয় পূরণ হয় এবং দাঁতকে শক্ত
করে৷ বিকেলের নাস্তায়
আপনি যদি কয়েকটি বাদাম খান,
তবে তা আপনার
দাঁতকে ঝকঝকে করতে সাহায্য করে৷
আপেল
আপেলে কামড় দেয়ার
সাথে সাথে একটা বড় ধরনের আওয়াজ
হয়৷ এটা কারো জন্য বিরক্তির কারণ
হলেও দাঁতের জন্য কিন্তু দারুণ
উপকারী৷ এভাবে কামড়ে যেসব
খাবার খাওয়া যায় তা মাড়ির জন্য
ভীষণ উপকারী৷ এ ছাড়া আপেল
খাওয়ার সময় যে পরিমাণ
লালা নিঃসরণ হয় তাতে মুখের
মধ্যকার অনেক ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস হয়।
ব্রকোলি
কেউ যদি দিনের
বেলা ব্রকোলি খায়
তাহলে তা দাঁতের
গায়ে লেগে থাকে৷ ফলে ব্রাশ
করলে খুব ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার
হয়।
পনির
শক্ত পনিরে প্রচুর
পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে৷
এটি দাঁত ও
মাড়িকে শক্তিশালী করে৷
তবে সাদা পনির খাওয়ার পরামর্শ
দিয়েছেন ডাক্তাররা৷
ফলে দাঁতে কোন দাগ হবে না।
পানি
বেশি পরিমাণ পানি পান
করলে আপনার মুখ পরিষ্কার থাকবে৷
তবে রেড ওয়াইন বা ব্ল্যাক
কফি কিন্তু আপনার দাঁতে দাগ
তৈরি করবে৷ তাই এগুলো খাবার পর
প্রতিবার একবার পানি পান করার
পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা৷ আর
সোডা মেশানো পানি খুব
বেশি না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন,
কারণ এতে এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দুধ
পুষ্টিকর দুধ দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য খুব
উপকারী৷ কারণ
এতে থাকা ক্যালসিয়াম
দাঁতকে শক্তিশালী করে৷
এনামেলে শক্তি বৃদ্ধি করে দাঁতকে
সাদা ও উজ্জ্বল করে।

Like This Post (43)

posted from Bloggeroid

গাজরের বিশেষ উপকার না দেখলে মিস করবেন

গাজরের বিশেষ উপকার না দেখলে মিস করবেন

সাস্থ্য ডেস্ক : সুস্বাদু ও পুষ্টিকর
শীতকালীন শাক সবজির মধ্যে অন্যতম
সবজি গাজর। গাজর ভিটামিন ও
মিনারেল যেমন, থায়ামিন,
নিয়াসিন, ভিটামিন বি৬, ফলেইট এবং
ম্যাংগানিজে ভরপুর একটি সবজি যা
স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি জরুরী।
এছাড়াও গাজরে আছে ফাইবার,
ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন
কে ও পটাশিয়াম। অর্থাৎ আমাদের
দেহকে সুস্থ সবল রাখতে যে সব
ভিটামিন ও মিনারেলস দরকার তার
সবই রয়েছে এই গাজরে। গাজরকে
সেকারণে বলা হয় সুপারফুড। শুধু তাই নয়
গাজরের রয়েছে ৬ টি মারাত্মক
শারীরিক সমস্যা সমাধানের দারুণ
ক্ষমতা।
১) লিভার সুস্থ রাখে
গাজর একটি টক্সিন মুক্তকারি খাবার
হিসেবে পরিচিত। এইধরনের খাদ্য
লিভার সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে
সহায়তা করে। গাজর লিভারকে
পরিস্কার করে। লিভারজনিত সকল
ধরনের রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে।
গাজর লিভারে জমে থাকা মেদ দূর
করে লিভারজনিত নানা সমস্যা দূরে
রাখে।
২) কার্ডিওভ্যস্কুলার রোগ প্রতিরোধ
করে
গবেষণায় দেখা যায়, যারা
কোলেস্টোরলের সমস্যায় ভোগেন
তারা যদি প্রতিদিন ১টি করে গাজর
খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন তবে
কোলেস্টোরলজনিত বেশীরভাগ
রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কারণ
গাজরে রয়েছে আলফা ক্যারোটিন,
বিটা ক্যারোটিন ও লুটেইন অ্যান্টি
অক্সিডেন্ট যা কোলেস্টোরলের
বিরুদ্ধে কাজ করে ও হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ
রাখে। এছাড়াও গাজরে বিদ্যমান
ফাইবার দেহের খারাপ
কোলেস্টোরল শুষে নেয়। এতে দেহে
কোলেস্টোরলের মাত্রা ঠিক থাকে
এবং হৃৎপিণ্ডকে কোলেস্টোরলজনিত
প্রায় সকল ধরনের রোগ থেকে বাঁচায়।
৩) চোখের সুরক্ষায় কাজ করে
গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে
ভিটামিন এ। ভিটামিন এ চোখের
সুরক্ষায় কাজ করে। এছাড়াও গাজরের
বিটা ক্যারোটিন লিভারে
ভিটামিন এ তে পরিনত হয় যা
সরাসরি রেটিনায় পৌছায়। যা
রেটিনা থেকে রডোস্পিনে পৌঁছে
যায়। রডোস্পিন একটি হালকা বেগুনি
রঙের পিগম্যান্ট যা রাতেরবেলায়
আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে
সহায়তা করে। সুতরাং গাজর
রাতকানা রোগ থেকে আমাদের মুক্ত
রাখে।
৪) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
গবেষণায় দেখা যায় গাজরের মধ্যে
রয়েছে ফুসফুস, স্তন ও কোলন ক্যান্সার
প্রতিরোধ করার ক্ষমতা।
ফ্যালক্যারিওনল ও
ফ্যালক্যারিনডিওল দুটি ক্যান্সার
প্রতিরোধী যৌগ যা দেহে
ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান
করে। গাজরে এই দুটি যৌগ
প্রাকৃতিকভাবেই রয়েছে। প্রতিদিন
গাজর খাওয়ার অভ্যাস দেহকে ভেতর
থেকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে
গড়ে তোলে। এছাড়া গাজর চামড়ার
ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে।
গবেষকদের মতে যারা নিয়মিত গাজর
খান তাদের প্রায় ৭০% মানুষ চামড়ার
ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হাত
থেকে বেঁচে যান।
৫) বয়সের ছাপ দূর করে
গাজরে বিদ্যমান বিটা ক্যারোটিন
ত্বকের ক্ষতিপূরণ করে এবং ত্বকের
টিস্যু নষ্ট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে
রক্ষা করে। বিটা ক্যারোটিন খুব
ভালো একটি অ্যান্টিএইজিং
উপাদান যা ত্বকের বয়সজনিত দাগ ও
রিঙ্কেল দূর করে। গাজর খেলে ত্বকে
বয়েসের ছাপ ধীরগতিতে আসে।
গবেষকদের মতে সপ্তাহে ৬টি গাজর
ত্বক থেকে বয়সের ছাপ দূর করতে
বিশেষভাবে কার্যকরী।
৬) দাঁতের সুরক্ষা করে
চোখের পাশাপাশি দাঁতের স্বাস্থ্য
রক্ষায় গাজরের গুরুত্ব অনেক বেশি।
গাজর খেলে দাঁত পরিস্কার হয়।
দাঁতে জমে থাকা প্লাক দূর হয়।
ডাক্তাররা বলেন গাজর খাওয়ার সময়
আমাদের মুখে স্যালাইভার নিঃসরণ
ঘটে যা মুখের ভেতর অ্যাসিডের
ভারসাম্য বজায় রাখে। এতে করে
দাঁত ক্ষয়ের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া
ধ্বংস হয়ে যায়। প্রতিদিন একটি করে
গাজর খাওয়ার অভ্যাস দাঁতের মাড়ি
ও দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে।

posted from Bloggeroid

চুল পড়া বন্দ করতে পেয়াজ গুন

চুল পড়া বন্দ করতে পেয়াজ গুন

চুলের যত্নে দারুণ
একটি ঘরোয়া উপাদান হল পেঁয়াজ।
চুল পড়া রোধে পেঁয়াজের রস খুবই
উপকারী।
রূপচর্চা বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুল
পড়া বন্ধ করা এবং ক্ষতির হাত
থেকে রক্ষা করতে পেঁয়াজের
রসের উপকারিতা ও ব্যবহারের
উপায় সম্পর্কে জানানো হয়।
চুলের যত্নে ব্যবহৃত অনেক টনিকেই
পেঁয়াজের রস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এটি ক্লিনিকালই পরীক্ষিত যে চুল
ক্ষতির হাত
থেকে রক্ষা করতে পেঁয়াজের রস
দারুণ কার্যকর।
পেঁয়াজের রস মাথায় নতুন চুল
গজাতেও সাহায্য করে। মাথার
ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
এবং জীবাণুমুক্ত রাখতে সাহায্য
করে।
ব্যবহার পদ্ধতি
১টি বড় পেঁয়াজ
ভালো করে পিষে ছাকনি দিয়ে ছেকে রস
বের করে নিতে হবে। তারপর এই রস
পুরো মাথার ত্বক ও
চুলে লাগিয়ে একঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।
পেঁয়াজের গন্ধ বেশ তীব্র, যদি সহ্য
না হয় তবে পেঁয়াজের রসের
সঙ্গে গোলাপ জল
মেশানো যেতে পারে। একঘণ্টা পর
মাথা শ্যাম্পু
দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার
করে নিতে হবে।
চুল পড়ার পরিমাণের উপর নির্ভর
করে প্যাকটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার
করা যাবে।


posted from Bloggeroid

মল্যবান দুটি টিপস

মল্যবান দুটি টিপস

* দাঁতের গোড়ায় ব্যথা?
আক্রান্ত
স্থানে সামান্য কাঁচা হলুদ
বাটা লাগিয়ে দিন। মাড়ির
ব্যথা নিরাময়
হবে। হলুদ যে আয়ুর্বেদ গুণে ভরপুর
একটি উপাদান, সে তো আর বলার
অপেক্ষা রাখে না।
* দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত
থেকে রক্ত পড়লে ব্যবহার করতে পারেন
জামের বিচি। পাকা জামের
বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজুন নিয়মিত।
উপকার
পাবেন, রক্ত পড়া বন্ধ হবে।


posted from Bloggeroid

এলার্জি থেকে মুক্তি পেতে

এলার্জি থেকে মুক্তি পেতে

এলার্জি থেকে মুক্তি !!
*১ কেজি নিম
পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়েনিন।
*শীল পাটায় পিষে গুড়ো করে নিন।
*এবার ভালো একটি কৌটায়
ভরে রাখুন।
*মাত্র ১০ টাকার ইউসুব গুলের
ভুষি কিনুন।
*১ চা চামচের তিন ভাগের একভাগ
নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১
গ্লাস
পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়েরাখুন।
*এবার চামচ দিয়ে ভালো করেনারুন।
***প্রতি দিন
সকালে খালি পেটে,দুপুরে ভরাপেটে,
রাত্রে শোয়ার
আগে খেয়ে ফেলুন

posted from Bloggeroid

কাচা আদার গুন দেখে নিন

কাচা আদার গুন দেখে নিন

এক নজরে দেখে নিই কি গুন আছে আদায়ঃ

» আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের
জন্য উপকারী।

» কাশি এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের
সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে বেশ উপশম
হয়।

» ঠান্ডায় আদা ভীষণ উপকারী।
এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল
এজেন্ট, যা শরীরের রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস
করে। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও
মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

» বমি বমি ভাব দূর করতে এর
ভূমিকা অপরিহার্য। তাই বমি বমি ভাব
হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন।
এতে মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।

» অসটিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড
আর্থ্রাইটিস-এই অসুখগুলোয় সারা শরীরের
প্রায় প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে প্রচুর
ব্যথা হয়। এই ব্যথা দূর করে আদা।
তবে রান্না করার চেয়ে কাঁচা আদার
পুষ্টিগুণ বেশি।

» মাইগ্রেনের ব্যথা ও ডায়াবেটিসজনিত
কিডনির জটিলতা দূর করে আদা।
গর্ভবতী মায়েদের সকালবেলা, বিশেষ
করে গর্ভধারণের প্রথম
দিকে সকালবেলা শরীর খারাপ লাগে।
কাঁচা আদা দূর করবে এ সমস্যা।

» দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের
মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের
ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে।

ঔষুধ ছাড়াি মাথা ব্যাথা কমাতে

ঔষুধ ছাড়াি মাথা ব্যাথা কমাতে

ঔষধ, ছাড়াই, মাথা, ব্যাথা, কমাতে, মাত্র, ৩০, সেকেন্ডের, দারুন, টিপস, !,

Publish On: 20/01/2015
Tune by: SHAHIN RANA JIBON
Profile ID:

এমন মানুষ কমই আছেন যিনি অবশাদে ভোগেন না। কিংবা বিরক্তিকর মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন না- এরকম মানুষের সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। কারণ, ব্যস্ততম জীবনের নিত্যদিনের সঙ্গী এই দুই উপদ্রব। তবে সমস্যা যেমন আছে, তার সমাধানও রয়েছে।

আকুপ্রেসারের সাহায্যে অল্প সময়ে রেহাই পেতে পারেন আপনি। কীভাবে? আপনার বাম হাতের বুড়ো আর তর্জনী, এই দুই আঙুলের মাঝখানে যে মাংসপেশী (চীনা চিকিৎসা শাস্ত্রে একে ‘হকু স্পট’ বলে) রয়েছে সেখানে ডান হাতের তর্জনী ও বুড়ো আঙুল দুটি দিয়ে মাত্র ত্রিশ সেকেন্ড চাপ দিন। ম্যাজিকের মতো অবসাদ, মাথাব্যথা চলে যাবে।
উপদেশ

উপদেশ

কাউকে কথা দিয়ে জীবনে জড়িয়ে ফেলা অনেক সহজ কিন্তু কঠিন হচ্ছে সেই, কথাটি ধরে রাখা । কাউকে কথা দেওয়ার আগে বারবার ভেবে দেখবেন, কথাটা আপনি রাখতে পারবেন কি না । মনে রাখবেন, নদীর মাঝপথে কাউকে ছেড়ে না দিয়ে যদি শুরুতেই বলে দেন। যে আপনি নৌকা চালাতে পারেননা তাহলে হয়তো আপনার। ভুলে তাকে ডুবে মরতে হবেনা । তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বা দেওয়ার আগে বারবার ভাবুন তার সাথে জড়িত দায়িত্বগুলো পালন করতে পারবেন কিনা ।সবসময় খেয়াল রাখবেন আপনার, ভুলটা কখনো যেন কারোর চোখের পানির। মাঝে বেঁচে না থাকে .........।।
চুলের সৌন্দর্য রাকার টিপস যানুন

চুলের সৌন্দর্য রাকার টিপস যানুন

চুলের সৌন্দর্য বজায় রাখতে হলে চুলের যত্ন করুন৷ যে সব আপুরা রোজ বাইরে বেরোন তাদের বেশী করে চুলের প্রতি নজর দেওয়া উচিত৷ কারণ গাড়ির ধোওয়ায় চুলের ভীষণ ক্ষতি হয়৷ কখনও চুল ঝরতে শুরু করে৷ এর থেকে বাঁচতে কি করবেন? ... * সপ্তাহে অন্তত দু-দিন মাথায় শ্যাম্পু করুন৷ * এক্ষেত্রে যে শ্যাম্পুটা আপনার চুলের জন্য উপযুক্ত সেটাই ব্যবহার করবেন৷ কারণ অনেক সময়ে শ্যাম্পুর কারনে চুল ঝরে যায়৷ বিডিলাভ২৪ ...কম *নারকেল চুলের জন্য ভালো৷ তবে সরষের তেলও লাগাতে পারেন৷ সরষের তেলের মধ্যে নিম পাতা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে সেই তেলটা মাথায় লাগান৷ তা আপনার চুলের গ্লেজ বাড়াবে৷ রাতে শোওয়ার আগে মাথায় ভালো করে ম্যাসেজ করে লাগান৷ পরের দিন সকাল বেলায় শ্যাম্পু করে ফেলুন৷ এতে আপনার চুল পাকবে না৷ চকচকে হবে৷ * যদি মাথায় চুল কমে যায় এক চামচ কেস্টার ওয়েলের সঙ্গে এক চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে রাতে মাথায় লাগান৷ পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন৷ এরকম কিছুদিন লাগালেই চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে৷ * খুসকী থেকে বাঁচতে নারকেল তেলের কর্পূর বা লেবুর রস মিশিয়ে মাথায় লাগান৷ খুসকী কমে যাবে৷ আমাদের দেয়া তথ্য আপনাদের উপকারে লাগলেই আমাদের কষ্ট স্বার্থক| লাইক দিয়ে পরবর্তী পোস্ট আপনার হোম পেইজে নিশ্চিত করুন। আপনাদের সুখীজীবনই আমাদের কাম্য।
ধূমপান করার টিপস যেনে নিন

ধূমপান করার টিপস যেনে নিন

ধূমপান পরিত্যাগ করা কি কঠিনকিছু? ধূমপায়ীরা হয়তো বলবেন, অবশ্যই কঠিন। অনেকে ধূমপান ত্যাগের অনেক চেষ্টা করছেন, কিন্তু পারেননি। গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান ত্যাগ করার জন্য যদি নিজ থেকে কিছু কৌশল রপ্ত করা যায় তাহলে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই সফল হন। সে রকম কিছু কৌশল এখানে উল্লেখ করা হল- ধূমপানে কী কী স্বাস্থ্য সমস্যা হয় তার একটি তালিকা তৈরি করুন এবং এর মধ্যে কোন বিষয়টিকে আপনি সবচেয়ে বেশি ভয় পান, সেটাতে লাল চিহ্ন দিয়ে রাখুন। ধূমপান ত্যাগ করলে কী কী লাভ হতে পারে তার একটি তালিকা তৈরি করুন। আপনার পরিচিত যেসব লোক ধূমপান ত্যাগ করেছেন তার একটি তালিকা তৈরি করুন। আপনি দেখবেন যে, তারা কেউ কিন্তু আপনার চেয়ে স্মার্ট নন বা সবল নন। সুতরাং তারা ধূমপান ছাড়তে পারলে আপনি কেন পারবেন না? ধূমপান ছাড়ার জন্য একটি তারিখ নির্বাচন করুন এবং সেদিন থেকেই ধূমপান ছেড়ে দিন। ওই দিন সব সিগারেট, অ্যাসট্রে, দিয়াশলাই এবং লাইটার ছুড়ে ফেলে দিন। আপনার বাসা এবং গাড়ি পরিষ্কার করুন, পরিষ্কার করুন আপনার পোশাক-আশাক, আর আপনার দাঁতগুলোও পরিষ্কার রাখুন। আপনার সঙ্গে ধূমপান ত্যাগে যোগ দেয়ার জন্য আপনার বাড়িতে কিংবা কর্মক্ষেত্রে অন্য ধূমপায়ীদের একত্র করার চেষ্টা করুন। পরিকল্পনা মতো এগিয়ে যান। ধূমপান ছাড়ার আগেই ব্যায়াম করা ও পুষ্টিকর খাবার খেতে শুরু করুন। মজুদ রাখুন স্বাস্থ্যকর, স্বল্প ক্যালরির নাশতা, চিনিবিহীন গাম এবং ক্যানডি। যতক্ষণ না আপনি আপনার সাফল্যের ব্যাপারে নিশ্চিত হচ্ছেন ততক্ষণ পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি যেমন ককটেল পার্টি পরিহার করুন। টেনশন থেকে মুক্তির ভিন্ন উপায় খুঁজে নিন। ব্যায়াম, মেডিটেশন এবং গভীরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস অনুশীলন এ ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।(BDLove24.Com) নিজেকে প্রতারিত করবেন না। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন, সিগারেট তো ছেড়েই দিয়েছেন কিন্তু আজকের দিনে একটি সিগারেট খেলে এমন কী ক্ষতি হবে। সাবধান, এই চিন্তা মাথায় আনবেন না। একটা সিগারেট আপনার মধ্যে আরও সিগারেট খাবার প্রলোভন তৈরি করবে। যদি প্রথম চেষ্টায় আপনি সিগারেট ছাড়তে সফল না হন, আবার চেষ্টা করুন। বেশিরভাগ লোক, যারা ধূমপান ছেড়েছেন, তারা চূড়ান্তভাবে সফল হওয়ার আগে কয়েকবার ব্যর্থ হয়েছেন BDLove24.Com) ধূমপান ছেড়ে দেয়ার পর যদি সময় কাটান আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে, আপনি নিজেকে সম্মোহিত করুন, যারা আপনাকে সমর্থন দেন। যোগ দিন তাদের সঙ্গে। নিকোটিন প্রতিস্থাপন থেরাপির সাহায্য নিতে পারেন, ধূমপান ছাড়তে এটা উপকারী। নিকোটিন প্রতিস্থাপন থেরাপি বিভিন্ন ধরনের পাওয়া যায়। যেমনঃ প্যাচ, গাম, ইনহেলার অথবা ন্যাসাল স্প্রে ইত্যাদি।বিউপ্রপিওন ওষুধ ধূমপান ত্যাগে সাহায্য করতে পারে।
জ্বর হলে কি করবেন যেনে নিন

জ্বর হলে কি করবেন যেনে নিন

সময়টা গ্রীষ্মকাল হলেও, বেশ কিছুদিন ধরে ‍আবহাওয়ার তারতম্য দেখা দিচ্ছে। এই ভীষণ গরম আবার এই নামছে ঝুমঝুম বৃষ্টি, সেইসঙ্গে বইছে ঠাণ্ডা বাতাস। আবহাওয়ার এ তারতম্যের কারণে এসময় ঠাণ্ডা-কাশি ও গলাব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন অবস্থায় অনেকের জ্বরও হয়। আর জ্বর মানেই খাওয়ায় অরুচি। প্রিয় খাবারও জ্বরের সময় পানসে লাগে। জ্বর বেশি হলে হজম ক্ষমতা কমে যায় ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে দ্রুত সুস্থতার জন্য এসময় সঠিক খাদ্যতালিকা মেনে চলা প্রয়োজন। জ্বরের সময় উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, ভিটামিন সি ও প্রচুর পানি ও পানিজাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। দেখে নিন ভালো করে, পরে কাজে দেবে। রুটি গমের রুটি সহজপাচ্য। তাই জ্বর হলে সকাল ও রাতের খাবারে হাতে গড়া গমের রুটি রাখতে পারেন। তবে রুটিতে তেল বা ঘি ব্যবহার না করাই ভালো। পানিজাতীয় সবজি জ্বরের সময় শরীরে পানির চাহিদা পূরণে প্রচুর পরিমাণে পানি জাতীয় সবজি খাওয়া উচিত। যেমন- মিষ্টি কুমড়া, লাউ, টমেটো, বাঁধাকপি, গাজর ও শসা। এসব সবজি শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করে সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। স্যুপ বেশিরভাগ সময় ঠাণ্ডা থেকেই জ্বর হয়। জ্বরে আরাম পেতে দু’বেলা টমেটো বা গাজরের স্যুপ খেতে পারেন। স্যুপ শরীরের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে। আপেল জ্বরের সময় প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খাওয়া উচিত। আপেল শরীরকে ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও এটি ভাইরাল ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে। জুস জ্বরের সময় প্রচুর পানি করা প্রয়োজন। পানির পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী ফলের জুসও খেতে পারেন। এসময় লেবু কমলা ও মালটার জুস খেলে দ্রুত মুখে রুচি ফিরে আসবে। ভেষজ চা তুলসি, আদা, লেবু ও লবঙ্গ চা খেতে পারেন। পানিতে আট থেকে ১০ মিনিট আদা ও লবঙ্গ সেদ্ধ করুন। এবার কাপে তুলসি পাতা রেখে লেবুর রস দিন। উপর থেকে আদা ও লবঙ্গ সেদ্ধ পানি ঢালুন। চাইলে মধু মেশাতে পারেন। এছাড়াও খালি তুলসি পাতা দিয়েও চা তৈরি করতে পারেন। এই চা গলা ব্যথা, খুসখুসে কাশি ‍ও মাথাব্যথার ভেষজ ওষুধ হিসেবে কাজ করে। দুধ ও ছানা শরীরের শক্তি বাড়ানো ও উদ্যম ফিরিয়ে আনতে দুধের জুড়ি নেই। দুধে মধু মিশিয়ে খেলে কাশি ও মাথাব্যথায় উপকার পাবেন। এছাড়াও ব্রেকফাস্টে ছানা খেতে পারেন। এটি শরীরে শক্তি যোগাবে তো বটেই, খেতেও বেশ দারুণ। লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
মোটা হবার টিপস এবার মোটা হবেনই

মোটা হবার টিপস এবার মোটা হবেনই

পৃথিবী জুড়ে যেখানে স্বাস্থ্য কমানোর ধুম, সেখানে মোটা হওয়ার টিপস? খুব অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? আপনি অবাক হলেও, অনেকেই কিন্তু খুশিই হবেন। কেননা ওজন বাড়াবার টিপসগুলো তার জন্য এক রকম স্বস্তির নিঃশ্বাস বয়ে আনবে৷ শারীরিকভাবে ক্ষীণকায় ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রায়ই শোনা যায় কীভাবে যে মোটা হওয়া যায়, এত খাই কিন্তু মোটা হই না কেন। হতাশার এই মুহূর্ত থেকে মুক্তি দিতে তাদের জন্য দেয়া হলো ১০টি টিপস। যা আপনার ওজন বাড়াতে সহায়ক… ১. ঘুম থেকে উঠে বাদাম ও কিসমিস খান ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় অল্প জলে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন ৷সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন। ২. প্রচুর শাক সবজি ও ফল খান ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ওসবজি খেলে ওজন বাড়বে। যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন। ৩. খাবারের পরিমাণ বাড়ান খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন। ৪. বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলেওজন কমে। ৫. খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে ভাজা খাবার ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির স্যালাড। ৬. জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সাথে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো বটেই ৭. ‘মাড়যুক্ত’ ভাত খান অধিকাংশ মানুষই ভাতের মাড় ফেলে দেয়৷ মাড় ফেলে দিয়ে ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায় মাড়ের সঙ্গে। ওজন বাড়াতে চাইলে ভাতের মড় না ফেলাই ভালো। এর ফলে ভীষণ উপকার হবে ওজন বাড়াতে। আতপ চালের মাড় ভাত মজাও লাগবে খেতে। ৮. ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু খান ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন। ৯. কমান মেটাবলিজম হার মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনও কাজ করবেন না। bdlove24 ১০. খাদ্য তালিকায় বিশেষ খাবার আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন?উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি। এরপরেও যদি ওজন না বাড়ে তাহলে চিকিৎকের সাহায্যে শরীর পরীক্ষা করে যদি কোনো রোগ পাওয়া যায়, তার চিকিত্সা করাতে হবে। পেটের অসুখ, কৃমি, আমাশয় অথবা কোনো সংক্রামক রোগ থাকলে পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করলেও ওজন কমে যেতে থাকে। অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকলেও ক্রমাগত ওজন কমে যেতে থাকে। এমন হলে বিশ্রাম, নিদ্রা ইত্যাদি বাড়িয়ে রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে হবে।
কিডনি নষ্টের ১০ কারন

কিডনি নষ্টের ১০ কারন

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম ! ১. প্রস্রাব আটকে রাখা। ২. পর্যাপ্ত পানি পান না করা। ৩. অতিরিক্ত লবন খাওয়া। ৪. যেকোন সংক্রমনের দ্রুত চিকিৎসা না করা। ৫. মাংস বেশি খাওয়া। ৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া। ৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন। ৮. ওষুধে সেবনে অনিয়ম। ৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া। ১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া
স্থায়ি ভাবে পর্সা হওয়ার উপায়

স্থায়ি ভাবে পর্সা হওয়ার উপায়

নিজেকে সবসময় সুন্দর ও আকর্ষণীয় রাখাটা যেন জীবনেরই একটা অংশ। আপনি নারী, বা পুরুষ হোন, একটি সুন্দর মুখের কদর কিন্তু সর্বত্রই। আসুন জেনে নিই ত্বক স্থায়ীভাবে ফর্সা করার দুটি ঘরোয়া উপায়- ভেতর থেকে রঙ করুন উজ্জ্বল: রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন। এভাবে পান করতে না পারলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রং হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা। দুধে কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়ে করতে পারেন আরেকটি কাজ। দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর টুকরো করে কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধে গাঢ় হলুদ রঙ ধরলে পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার পান করবেন। রূপচর্চায় হলুদ: শুধু দুধের সাথে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রঙ পরিষ্কার করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর। উপকরণ: দুধ তিন টেবিল চামচ লেবুর রস এক টেবিল চামচ এবং কাঁচা হলুদ বাটা এক চা চামচ যেভাবে ব্যবহার করবেন: প্রথমে দুধ, লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রন বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট ভালভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। গরম জল দিয়ে মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না। লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।
যেনে নিন মাতার চুল গজানোর সহজ উপায়

যেনে নিন মাতার চুল গজানোর সহজ উপায়

চুল পড়ে যাওয়া আজকাল অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাথার চুল পরিমাণে কমে গেলে অনেক সময় হতে হয় হেনস্থাও। এই অবস্থায় যদি বলা হয় নতুন চুল গজানোর জন্যও আছে সহজ উপায়! ভাবতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে তা সম্ভব। প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন রাতে ঘুমানোর আগে সহজ কিছু কাজ করতে হবে এর জন্য। ব্যবহার করতে হবে অলিভ অয়েল ও রসুন। কারণ রসুনেই গজাবে চুল! রসুনে থাকা উচ্চমাত্রার সালফার, ভিটামিন সি, সেলেনিয়াম এবং বিভিন্ন রকম খনিজ উপাদান নতুন চুল গজাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া রসুনে থাকা কপার নতুন চুল গজায়, চুল কালো করে ও চুলকে ঘন করে। রসুনের ব্যবহারে চুলে কোন সাইড ইফেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। নিম্নে এমনি সহজ তিনটি উপায় দেওয়া হলো : প্রথমত, রসুনের নির্যাস মেশানো অলিভ অয়েল তৈরি করতে হবে। এজন্য এক বোতল অলিভ অয়েলে কয়েক কোয়া রসুন ফেলে রাখতে হবে সপ্তাহ খানেক। মোটামুটি ৭ দিন পার হয়ে গেলেই তৈরি আপনার তেল। মাথায় যখনই তেল দেবেন, এই তেলটি ব্যবহার করুন। চুল পড়া রোধ করতে ও মাথায় নতুন চুল গজাতে এই তেলটি খুবই কার্যকর। দ্বিতীয়ত, কয়েক কোয়া রসুন নিয়ে একটু থেঁতলে নিন। এবার চুল কমে যাওয়া স্থানগুলোতে ঘষে ঘষে লাগান। আপনি চাইলে রসুনের রস বা রসুনের পেস্টও চুল কমে যাওয়া স্থানগুলোতে লাগাতে পারেন। তৃতীয়ত, রসুন মাথায় লাগানোর এক ঘণ্টা পর অলিভ অয়েল দিয়ে মাথার ত্বক ম্যাসাজ করে নিতে হবে। এরপর একটি শাওয়ার ক্যাপ মাথায় লাগিয়ে ঘুমাতে যান। কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা চুলে এই মিশ্রণ রাখতে হবে। এরপর সকালে ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন। এই উপায়গুলো নিয়মিত মেনে চললে মাথায় নতুন চুল গজাবে।
ফুরফুরা শরিফে নামাজ পড়লেন শিল্পমন্ত্রী

ফুরফুরা শরিফে নামাজ পড়লেন শিল্পমন্ত্রী

পড়লেন শিল্পমন্ত্রী ২৮ মে ২০১৬, ২১:১৬ কলকাতা সংবাদদাতা শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুকে উত্তরীয় পরিয়ে দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী। ছবি : এনটিভি ভারতের হুগলি জেলার ফুরফুরা শরিফে জোহরের নামাজ পড়েছেন সফররত শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। আজ শনিবার সকালে তিনি ফুরফুরা শরিফে যান। সেখানে জোহরের নামাজ ও দুপুরের খাওয়া শেষ করে ফিরে আসেন মন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গত বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আসেন শিল্পমন্ত্রী। শুক্রবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। পরে আজ সকালে ফুরফুরা শরিফে যান আমির হোসেন আমু। Advertisement আজ ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে কলকাতা থেকে হুগলি জেলার ফুরফুরা শরিফের উদ্দেশে রওনা দেন আমির হোসেন আমু। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সেখানে সময় কাটান তিনি। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীর সঙ্গেও দেখা করেন আমু। ত্বহা সিদ্দিকী মন্ত্রীকে স্মারক ও উত্তরীয় পরিয়ে অভ্যর্থনা জানান। পীরজাদার সঙ্গেই ফুরফুরা শরিফের মাজারে নামাজ আদায় করেন শিল্পমন্ত্রী। এরপর ত্বহা সিদ্দিকীর আতিথেয়তায় দুপুরে সেখানেই আহার গ্রহণ করেন তিনি। পীরিজাদা ত্বহা সিদ্দিকীর সঙ্গে দীর্ঘসময় একান্ত আলাপচারিতায় কাটালেও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি আমির হোসেন আমু।
নাপিতের কোটিপতি হওয়ার গল্প

নাপিতের কোটিপতি হওয়ার গল্প

সামি আল মেহেদী নিজের বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়ির সামনে রমেশ বাবু। ছবি-ইন্ডিয়াটিভি ঘটনা রূপকথার মতো মনে হতে পারে। কিন্তু বেঙ্গালুরুর রমেশ বাবুর গল্প অবিশ্বাস্য শোনালেও জলজ্যান্ত বাস্তব। শত শত কোটি টাকার মালিক ভারতের এই নাপিত। সেলুনে রোজ আসেন নিজের বিলাসবহুল রোলস রয়েস গাড়িটি চালিয়ে। ইন্ডিয়াটিভির বিস্তারিত খবরে জানা গেল এই ‘বিস্ময়’ নাপিতের কাহিনী। তিনি একজন সাধারণ নাপিত হলেও তার প্রাচুর্য্য বা ধনসম্পত্তির পরিমাণ ‘অসাধারণ’ বটে! কেবল ক্ষৌরীই নয়, ৬৭ দামি গাড়ি সমৃদ্ধ একটি রেন্ট-এ-কার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেরও মালিক তিনি। Advertisement একে অবশ্য ভাগ্য বলেই মানেন নাপিত রমেশ। ‘আমার কপালটা খুলে গেছে’, এমনই ভাষ্য তাঁর! তা তো খুলেছেই। আর তাঁর খদ্দের কারা সেটা জানলেও চোখ কপালে উঠতে পারে আপনার। নামিদামি রাজনীতিবিদ, সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, এমনকি সালমান খান, আমির খান, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মতো সুপারস্টাররা কেশশয্যার জন্য তাঁর কাছেই যান! বেশির ভাগ দিনেই কর্মক্ষেত্রে তিন কোটি রুপির বিলাসবহুল ‘রোলস রয়েস গোস্ট’ গাড়িটি নিয়ে আসেন রমেশ। তাঁর কথা, যেমন ভাবে এই গাড়ির যত্ন নেন তিনি-তেমন যত্ন নিয়েই ক্ষৌরীর কাজ করেন তিনি। মজার কথা, এমন বিলাসবহুল গাড়ি শহরে আর মাত্র পাঁচজনেরই রয়েছে। আর রমেশ বাবুর এই গাড়ি রীতিমতো কঠোর পরিশ্রমের উপার্জনে কেনা। সেলুন ব্যবসা তো দারুণ চলেই, সাথে গাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসাটিও তাঁর বিত্তে জোগান দেয় অঢেল। এ ছাড়া দামি গাড়ি সংগ্রহ করা রমেশের শখ। একইসাথে গাড়িগুলো একজন সংগ্রাহকের মতোই পরিপূর্ণভাবে যত্ন করেন তিনি। তবে পেছনে তাকালে দেখা যাবে, বিষয়গুলো আগে এত সোজা ছিল না। ১৯৮৯ সালের কথা। রমেশের বাবা মারা গেলেন। রেখে গেলেন একটা ছোট্ট সেলুন, রমেশ তখন কিশোর। রমেশের মা দোকানটি দিনে মাত্র পাঁচ রুপির বিনিময়ে ভাড়া দিলেন আর মানুষের বাড়িতে কাজ নিলেন। এভাবেই সংসার চলত তখন। পুরনো দিনের কথা বলতে গিয়ে রমেশ আবেগী হয়ে ওঠেন- ‘বাবা যেদিন মারা গেলেন, সেদিনের কথা আমার এখনো মনে পড়ে। তিনি আমাদের, পরিবার আর তাঁর সেলুনটি ছেড়ে চলে গেলেন একবারে।’ কিন্তু এভাবে বেশিদিন চলেনি। ১৯৯৪ সালে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, আর পড়ালেখা নয়। বাবার ব্যবসার হাল ধরতে হবে। তাঁর স্কুলের পাশেই ছিল সেলুনটি। রমেশের হাতে শিগগিরই সেটি তরুণদের পছন্দের এক সেলুন হেয়ার স্টাইলিং জোন হয়ে ওঠে। সে সময়ই গাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। তিন বছর পর একটা ‘মারুতি ওমনি’ গাড়ি ঠিকই কিনে ফেলেন। এরপর এটি ভাড়া দিতে শুরু করেন। তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় সেখান থেকেই। তাঁর মা যাদের অধীনে কাজ করতেন, তাঁদেরই একজন রমেশকে পরামর্শ দেন গাড়িটি তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দিতে। এভাবেই শুরু। সেলুনের ব্যবসা থেকে লাভের পুরো টাকাই বিনিয়োগ করেন গাড়ির ব্যবসায়। ৯০-এর দশক শেষে তিনি ট্যাক্সি ব্যবসায় সফল হন, তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম দেন ‘রমেশ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস’। ২০০৪ সালে নজর দেন বিলাসবহুল গাড়ির দিকে। এ সময় সরকার পর্যটন খাতে গুরুত্ব দেওয়ায় আরো সুবিধা হয় রমেশের। তখন থেকে রমেশের তুমুল গতিতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার গল্প শুরু। প্রথমে একটি ‘মার্সিডিস ই ক্লাস লাক্সারি সেডান’ কেনেন। দাম পড়ে ৩৮ লাখ রুপি। এরপর একে একে আরো তিনটি মার্সিডিজ এবং তিনটি বিএমডব্লিউ। আর তারপর পুরো এক ডজন টয়োটা ইনোভা। এখন রমেশের সব মিলিয়ে প্রায় ২০০টির মত গাড়ি, ভ্যান এবং মিনি বাস রয়েছে। আমদানি করা বিলাসবহুল গাড়ির মধ্যে রয়েছে রোলস রয়েস সিলভার গোস্ট, মার্সিডিজ সি, মার্সিডিজ ই, মার্সিডিজ এস, বিএমডব্লিউ ৫, বিএমডব্লিউ ৬, বিএমডব্লিউ ৭ সিরিজের গাড়ি। এ ছাড়া মার্সিডিজের আরো কিছু গাড়ি এবং টয়োটার মিনি বাস রয়েছে রমেশের। এগুলো ছাড়া রমেশের রয়েছে একটি ‘সুজুকি ইনট্রুডার’ বাইক, যার দাম ১৬ লাখ রুপি। এটি অবশ্য ভাড়া দেওয়ার জন্য নয়, রমেশের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য। ছুটির দিনে এই শখের মোটরযানে সওয়ার হন রমেশ। তবে এখানেই থেমে থাকবেন না রমেশ, চান আরো! ‘আরো অনেক কিছু করার আছে। যত দিন সাধ্য আছে তত দিন কাজ চালিয়ে যাব’- নাপিতের কাজটা বাদ না দেওয়ার দিকেই ইঙ্গিত করেন রমেশ।বিশাল বিত্তশালী হয়ে উঠলেও পুরনো পেশা বা কাজকে কখনোই ভুলতে চান না রমেশ। এখনো নিজ হাতে সাধারণ খদ্দেরদের চুল কাটান মাত্র ৬৫ রুপিতে। রমেশের রোলস রয়েস ভাড়া করতে একদিনে গুনতে হয় ৭৫ হাজার রুপি। তাঁর খদ্দেররা হচ্ছেন করপোরেট মহলের বড় বড় সব কর্মকর্তা। আবার চলচ্চিত্র জগতের নামিদামি তারকারাও রমেশের গাড়ি এবং সেলুন সার্ভিসের সাহায্য নেন নিয়মিত। নিজের কাজ নিয়ে সহজাত রমেশ- ‘আমি যা করেছি, ভালোই করেছি। এটুকুই বলতে পারি’-স্মিত হাসি দেন শেষটায়।

একটা সুন্দর কাহিনী

একটা সুন্দর কাহিনী

কলেজে নবীণদের বরন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে গান গাইতেছে রাহাত, অডিটোরিয়ামের সবাই রাহাতের গান শুনে মুগ্ধ, গান শেষে স্টেজ থেকে নামতে না নামতেই চোখ পরলো নীল ড্রেস পরা মেয়ের দিকে, রাহাত তার বন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পারলো মেয়েটা ফাস্ট ইয়ারে ভর্তি হইছে, কথাটা শুনে রাহাতের মুখটা হাশিতে ভরে গেলো, যতক্ষণ অনুষ্ঠান চলছিলো ততক্ষন রাহাত মেয়েটার দিকে তাকিয়ে ছিলো, অনুষ্ঠান শেষে রাহাত একাই হেটে বাসায় ফিরছিলো, এমন সময় _এইজে ভাইয়্যা, ,,,,,,, এইজে চেক শার্ট ভাইয়্যা, ,,,, রাহাত পিছনে তাকিয়ে দেখলো সেই নীল ড্রেস পরা মেয়েটা, অবাক হয়ে বললো, জী, আমাকে বলছেন ? _হুম, আপনি ত অনেক ভালো গান করেন, না, মানে এমনেই, _আপনার নামটা জানতে পারি ভাইয়্যা,,, রেদুয়ানুল রাহাত, আপনার নাম? _রাহিয়া রিতু, আমি ফাস্ট ইয়ারে ভর্তি হইছি, আমাকে তুমি করে বলেন, আচ্ছা, এইভাবেই হাটতে হাটতে কিছুক্ষন কথা হয় তাদের, প্রতিদিন কলেজে গিয়ে দূর থেকে তাকিয়ে রিতুকে দেখে রাহাত, আস্তে আস্তে রিতুর প্রেমে পরে যায় রাহাত, এতটাই পাগল হয় যে, শুক্রবারেও ভুল করে কলেজে গিয়ে দেখে কলেজ বন্ধ, এইভাবে চলতে চলতে রাহাত রিতুকে প্রপোজ করে,,, _রিতু একটু শোন, জি বলেন ভাইয়্যা, _তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে, আচ্ছা বলেন, _চল, অইদিকটাই যাই,,, হুম, এখন বলেন, _আসলে কি করে বলবো বুজতে পারছি না, আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি, কথাটা শুনে রিতু কিছুক্ষন চুপ করে থাকলো, তারপর বললো, আসলে ভাইয়্যা আমি আমার মা বাবাকে কথা দিছি আমি ভালভাবে লেখাপড়া করবো, আর অইসব করলে ভালভাবে পড়তে পারবো না, সরি ভাইয়্যা, _কিন্তু আমি ত তুমাকে অনেক ভালবাসি, তুমাকে ছারা আমি থাকতে পারবো না রিতু, দরকার হলে আমি তুমার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের কথা বলবো, । ওইসবের দরকার নাই ভাইয়্যা, আমি কথা দিচ্ছি যদি ককোনদিন কলেজে প্রেম করি তবে আপনার সাথেই করবো, কথাটা বলেই চলে গেলো রিতু, রাহাত কিছু ভাবতেও পারছিলো না, বলতেও পারছিলো না, এইভাবেই কিছুদিন চলার পর রাহাতের বন্ধু রাহাতকে বলে _বন্ধু শুনলাম রিতু নাকি প্রেম করছে, কি বলিস, আমি বিশ্বাস করি না, ও আমাকে বলছে যদি কারো সাথে প্রেম করে সেটা হবো আমি, বুজলি, _বন্ধু তার পরেও,মেয়েদের বিশ্বাস নাই, বিশ্বাস না থাকলে ভালোবাসা হয় না, তুই থাক আমি একটু রিতু কে দেখে আসি, অনেক দিন হলো দেখি না, _মানে, রিতু এখন হোস্টেলে নাই, বাসায় চলে গেছে, তাতে কি হইছে, _তার মানে তুই কি ৩০কিলোমিটার গিয়ে রিতুকে দেখে আসবি, আর বাডির বাইরে থেকে ত দেখতেও পারবি না, ওকে না দেখতে পারলেও ওর ছায়া ত দেখতে পারবো, তাতেই শান্তি, _রাহাত তুই কি পাগল হয়ে গেছিস, হুম, রিতুর জন্যে পাগল, এই কথা বলেই রাহাত চলে গেলো রিতুকে দেখার উদ্দেশ্যে, কিছুদিন পর রিতু কলেজে আসলো, রাহাত ৪র্থ তলায় ছিলো আর রিতু ছিলো ৩য় তলার বারান্দায়, রাহাত এক দৃষ্টিতে রিতুর দিকে তাকিয়ে আছে, চোখে চোখ পরার সাথে সাথেই রিতু মুচকি হেসে ২য় তলার বারান্দায় চলে গেলো, ওখানে কিছুক্ষন দারিয়ে থাকতে দেখে রাহাত বুজতে পারলো তার জন্যই দারিয়ে আছে, রাহাত তারাতারি ২তলায় গেলো, রিতু- আসতে এত দেরি হলো কেন তোমার,? _না এমনেই, কতক্ষণ যাবত অপেক্ষা করছি তোমার জন্য, _সরি, আর কক্ষনো দেরি হবে না, কতদিন হলো তুমাকে দেখি না, এই কয়দিন তুমাকে অনেক মিস করছি ফারহান,,,, : দূর থেকেই কথা গুলো শুনছিলো রাহাত, রাহাত খবর নিয়ে জানতে পারলো প্রায় দের মাস হয়ে গেছে রিতু আর ফারহানের রিলেশন । : তার পর থেকে রাহাতকে আর ক্যম্পাসে দেখা যায় না, ভালোবাসার কষ্টে রাহাত যেন পাগল প্রায়, যে ছেলেটি সিগারেটের ধোয়া সইতে পারতো না, সে ছেলে আজ সব দরনের নেশা করে, যে ছেলের হাতে বই ছারা কিছুই ছিলো না, সেই ছেলের হাতে আজ সিগারেট, সব কিছুই যেন পাল্টে গেছে, রাহাত এখন আর ক্যম্পাসে যায় না, সারাদিন শুধু নেশা করে,,,,,,,,,,,,,
ইসলামিক গল্প

ইসলামিক গল্প

বাগদাদ শহরের এক মসজিদের ইমামের স্ত্রী ছিল অত্যন্ত সুন্দরী , রূপসী এবং সুনয়না । স্থানীয় এক মাস্তান যুবক হঠাত্ একদিন ইমাম সাহেবের স্ত্রী কে দেখে তার প্রতি ভীষণ আসক্ত হয়ে পড়ে এবং এরপর রীতিমত তাকে বিরক্ত করতে থাকে একদিন ইমাম সাহেবের বাড়িতে প্রবেশ করে যুবক বলল , হে সুন্দরী মহিলা, আমি ইতিমধ্যে তোমার প্রতি খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছি । তাই আমার কামনা চরিতার্থ করার জন্য প্রস্তাব দিচ্ছি । তুমি কি আমার প্রস্তাবে রাজি ? মাস্তান যুবকের প্রস্তাব শুনে মহিলা ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে গেলেন । রাতে ইমাম সাহেব ঘরে ফিরলে তিনি তার কাছে যুবকের কথা বর্ণনা করলেন । ইমাম সাহেব বললেন, তুমি রাজি হয়ে যাও তবে একটা শর্তে : শর্তটা হল "যদি যুবক একটানা চল্লিশ দিন প্রথম তাকবীরের সহিত জামাতের সাথে আমার মসজিদে সালাত আদায় করতে পারে তবেই তুমি রাজি হবে" । পরের দিন যুবক এসে মহিলাকে জিজ্ঞেস করল, আমার প্রস্তাবের ব্যাপারে তোমার মত কি ? মহিলা বললেন একটি শর্ত আছে- যদি তুমি শর্ত পূরণ করতে পার তবে আমি রাজি । তখন যুবক বলল কি শর্ত ? মহিলা বলল শর্তটি হচ্ছে 'বিরতি না দিয়ে একটানা চল্লিশ দিন প্রথম তাকবীরের সহিত জামাতে সালাত আদায় করতে হবে' । যুবক বলল এটা তো সহজ শর্ত এর চেয়ে কঠিন শর্ত দিলেও আমি রাজি হতাম । যুবক পরদিন ওযু করে সুন্দর পোশাক পড়ে সালাত আদায় করতে আসলো । ইমাম সাহেব সালাতের পর মুনাজাত করে বললেন , " হে আল্লাহ এক পথহারা যুবকে তোমার দরবারে এনেছি, এখন পথ প্রদর্শনের মালিক তুমি "। যুবক শর্ত মোতাবেক জামাতের সাথে সালাত আদায় করে যাচ্ছে , ফজরের পর জোহরের জন্য অপেক্ষা করে , জোহরের পর আছর , এরপর মাগরিব ,এরপর এশা । কোন বিরতি নেই । অতঃপর এভাবে যেদিন একটানা চল্লিশ দিন পার হলো সেদিন যুবক ইমাম সাহেব কে জড়িয়ে হু হু করে কেঁদে ওঠলো এবং বলল ; আমাকে ক্ষমা করে দিন । আমি অন্ধকারে ছিলাম আল্লাহপাক আমাকে আলোর পথ দান করেছেন, আল্লাহ আমাকে হেদায়েত দান করেছেন । আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে মাফ করে দিন । তখন ইমাম সাহেব যুবককে সাথে নিয়ে আল্লাহর কাছে হাত তুলে দোয়া করলেন , " হে আমাদের পালনকর্তা , সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে আর কঠিন করে দিও না । এবং তুমি আমাদের করুনা দান কর , তুমিই মহাদাতা অসীম করুনার আধাঁর । সূরা আল ইমরান , আয়াত ৮" । ¤ "যথাযথ ভাবে সালাত আদায় কর, নিশ্চয় সালাত অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে । আল্লাহর স্মরনই সর্বশেষ্ঠ । তোমরা যা কর তা আল্লাহ অবগত । সূরা আনকাবুত আয়াত ৪৫"
দুঃখের গল্প

দুঃখের গল্প

-ঢাকা শহরে আমার একটানা দুই দিন না খাওয়ার রেকর্ড আছে। --দুইইই দিন! -জ্বি ভাই দুই দিন। এছাড়া পুরো দিন না খেয়ে ছিলাম এমন দিনের সংখ্যাও কম নয়। বাবা মারা যাওয়ার পরে ঢাকায় নতুন আসছি, যেই মেসে উঠছিলাম সেখানে দুই মাসের ভাড়া বাকী পড়ছিল, দেড় মাসের মিল খরচও দিতে পারি নাই। পরে ওরা আমার মিল বন্ধ করে দেয়। ওদেরই বা কী দোষ বলেন, ওরদেরও তো নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। আরেকজনকে মাসের পর মাস ফ্রী খাওয়ানোর মত অবস্থা নাই। --তারপর? -তারপরে আর কী? ক্ষুধার জ্বালায় অস্থির হয়ে রাগ জমল আমার সার্টিফিকেটের উপরে। ডিগ্রীর সার্টিফিকেত ছিঁড়ে ফেললাম। এই সার্টিফিকেট আমার পেটে ভাত দিচ্ছিল না। চাকরি চাইতে গেলে মানুষ দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়। --তারপরে? -তারপরে... তারপরে মেস থেকে অনেক দূরে ফার্মগেইটের একটা ছালাদিয়া হোটেলের সামনে গিয়ে লাজ লজ্জার মাথা খেয়ে ভাত খুঁজি। বললাম "দুই দিন ধরে খাই নাই, পকেটে টাকাও নাই, শুধু একটা প্লেট ভাত দিলেই হবে। আমি পানি মিশিয়ে খেয়ে ফেলব। -- (এবার আমি কোন প্রশ্ন করলাম না) উনি নিজেই বলতে শুরু করল- -ছালাদিয়া হোটেলের মালিকের মনে দয়া হল। উনি আমাকে এক প্লেট ভাত দিলেন। সাথে অবশ্য কোন এক তরকারীর পাতিল থেকে একটু ঝোলও দিলেন। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খেলাম। তিরিশ সেকেন্ডে খাওয়া শেষ। দোকানি বুঝলেন আমার পেটের সিকি ভাগও পূরণ হয় নি। উনি আমাকে বললেন "এভাবে ফ্রী দিলে তো আমার চালান শেষ হয়ে যাবে। আমি গরিব মানুষ। তুমি এক কাজ কর, এই প্লেট গুলো ধুয়ে দেও, তাহলে আরো ভাত দিব।" আমি আরো ভাত খাওয়ার জন্য সবগুলো প্লেট ধুলাম। একের পর এক কাস্টমার আসছে, কারো প্লেট, কারো বাটি সবই ধুতে হল। এরপরে এক টেবিলে এক কাস্টমার অনেকক্ষণ ধরে বসে আছেন। ওনার টেবিল ময়লা, কেউ পরিষ্কার করছে না। আমার হাতে কাজ নেই, আমি গিয়ে টেবিল পরিষ্কার করে দিলাম। এভাবে পাশের টেবিলটাও। এভাবে কখন যে তিন ঘন্টা পার হয়ে গেল তের পেলাম না। তিন ঘন্টা পরে দকান ফাঁকা। দোকানদার আমাকে পাতিলে থাকা অবশিষ্ট ভাত খেতে দিলেন। আমি মাছের ঝোল দিয়ে পুরো ভাতই খেলাম। পাতিলে অবশ্য মাছ ছিল না। আর মাছ থাকলেও আমি খেতাম না। কারণ উনি মাছ বিক্রি করছিলেন বিশ টাকা পিস হারে। আমার কারণে বিশ টাকা কম বিক্রি হলে উনি রাগ করতে পারেন। আমাকে ভাত খেতে দিয়েছেন এটাই তো বেশি। আসার সময় উনি বললেন "আমার ছেলেটার দুই দিন হল জ্বর তাই দোকানে আসছে না। তুমি ইচ্ছে করলে এই কয় দিন আমার ছেলের বদলে কাজ করতে পার। তিন বেলা খেতে পারবে, কোন বেতন পাবে না।" দুই দিন কাজ করলাম। ওনার ছেলে দিরে এল। তিনি আমাকে কাজ থেকে বাদ দিলেন না। ওনাকে বললাম "আমার মেস থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে" উনি আমাকে হোটেলেই থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। ছয় মাস পরে পুলিশ এসে হোটেলটা গুড়িয়ে দেয়, ঐ জায়গাটা অবৈধ ছিল। উনি এবার টং দোকান দিলেন, চা বেচা শুরু করলেন, সেখানে আমার জায়গা হল না। চা বিস্কুট এক একাই বেচা যায়। আমি আবার বেকার হয়ে পড়লাম। --তারপরে কী করলেন? -ইতিমধ্যে গত ছয় মাসে আমি রান্না বান্নার কাজ ভালই শিখেছি। বিশেষ করে ছোলা, পেঁয়াজু, আলুর চপ, বেগুণি ভালই পারতাম। ভাইকে (দোকানদারকে) অনুরোধ করে ওনার টং এর পাশেই ফুটপাথে একটা চুলা, কয়েকটা পাতিল নিয়ে বসে পড়লাম। এক মাসে ভালই মার্কেট পেলাম। চুলা, পাতিল সব ভাই (দোকানদার) এর আগের দোকানের। ওনার কাছ থেকে বাকীতে কিনেছি। এই দোকান যখন লাভের মুখ দেখা শুরু করেছিল পুলিশ এসে দোকান ভেঙ্গে দিল। অবশ্য আমি জানতাম এই দোকান পুলিশ ভাঙবে। আমি এজন্য সব সময় প্রস্তুত ছিলাম। পরদিন আরেক স্থানে দোকান খুললাম, এটাও ফুটপাথে। কিন্তু এবার পড়লাম আরেক বিপদে, বর্ষা কাল শুরু হয়ে গেছে। সব পানিতে ভিজে যায়। কাপড়ের ছাদ মানায় না। দোকান আবারো বন্ধ হয়ে গেল। আমি যেহেতু কাজ জানি তাই হতাশ হলাম না। বিভিন্ন দোকানে দোকানে গিয়ে খোঁজ লাগালাম তাদের ছোলা পেঁয়াজু বানানোর লোক লাগবে কিনা। এক দোকান পেলাম যারা এই লোক খুঁজছে। না খুঁজে যাবেই বা কোথায়, এখন তো ছোলা পেঁয়াজুর অনেক চাহিদা। ওখানে সকাল বেলা কাজ করতে হবে, কারণ ঐ দোকানটা একটা স্কুলের সামনে, স্কুলের কাস্টমার ধরাই মুল লক্ষ্য। দৈনিক একশ টাকা হাজিরায় কাজ করলাম। বিকালে চলে যেতাম আরেক এলাকায়, সেখানেও এক কাজ পেলাম। সেখান দিত দেড়শ টাকা। দিন আড়াইশ টাকা দিয়ে ভালই চলছিল। ইতিমধ্যে আমার বাড়ী থেকে আসার এক বছর বয়স পূর্ণ হল। যে মেসে সিট ভাড়া ও দেড় মাসের খাবার বাকী পড়েছিল সেই মেসে গিয়ে টাকা শোধ করলাম। হুজুর বলেছেন "এক টাকাও যদি আমার কাছে থেকে কেউ পায় তাহলে যতই আমল করি লাভ নাই, সেই টাকা মাফ না করা পর্যন্ত বেহেশতে যাওয়া যাবে না।" মেস তখন অনেক বড় হয়ে গেছে। পুরা বিল্ডিং ই মেস মালিক ভাড়া নিয়েছে। পাঁচ তলা বিল্ডিং এ প্রায় দুইশ লোক থাকে। গিয়ে শুনি ওদের রান্না বান্নার লোকজন কাজের চাপে চলে গেছে। আমি সুযোগ লুফে নিলাম। দৈনিক তিনশ টাকা হাজিরায় ফুল টাইম কাজ নিলাম। আগের দুই চাকরি (সকালে ও বিকালের) ছেড়ে দিলাম। এখন মাসে নয় হাজার টাকা ইনকাম শুরু হল। যে আমাকে ঠিক এক বছর আগে এই মেস থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল আজ আমি এই মেস থেকে মাসে নয় হাজার টাকা আয় করি। আমার ভাগ্য মনে হয় ছয় মাস পর পর বদলায়। মেসের মিল নিয়ে মেস মালিক ও মেস মেম্বারদের মধ্যে ঝগড়া হল, সে এক তুমুল ঝগড়া। মেস মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উনি নাকি মিল থেকে টাকা মারেন! লম্বা সময় ধরে সবাই মিলে বৈঠক করলেন। শেষ মেষ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হল- মেস মালিকের অধীনে মেসের ডাইনিং থাকবে না। ডাইনিং অন্য কারো তত্বাবধানে ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু সমস্যা হল -কে নিবে ডাইনিং এর দায়িত্ব? একজন লোক ডাইনিং এর দায়িত্ব নিলেন। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পরে অবস্থা আরো খারাপ হল। দুই মাস পরে ডাইনিং এর টাকা (সামান্য) নিয়ে উধাও। এবার আমিই সাহস করে সিদ্ধান্ত নিলাম- আমি ডাইনিং চালাব। যেহেতু ডাইনিং এর মালিক পলাতক, তাই ওনার হাড়ি পাতিল এখন সবা আমার। আমি রান্নাঘরটা মাসে ছয়শ টাকায় ভাড়া নিলাম। নিজেই বাজার করতে লাগলাম, নিজেই টাকা কালেকশন করা শুরু করলাম। দেখা গেল এক মিল থেকে অনায়াসেই এক টাকা লাভ করা যায়। সকাল বেলায় দুইশ মিল, দুপুরে পঞ্চাশ মিল আর রাতে আড়াইশ মিল, সব মিলে দৈনিক পাঁচশ টাকা লাভ থাকত। --বাহ বাহ, আপনি তো দেখছি আলাদীনের চেরা হাতে পেয়েছেন! -এই কথাটা শুনলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। আলাদীনের চেরাগ তো শুধু ঘষা দিলেই সব কিছু হয়ে যায়। আমার তো কাজ করে করতে হয়েছে, যাকে বলে হাড় ভাঙ্গা খাটুনি। --তা এই হোটেলের মালিক হলেন কীভাবে? -আরে সেই কথাই তো বলছি। -আমার নজর শুধু পাঁচশ টাকার দিকে না, আমার নজর ছিল আরো উপরে। ডিগ্রীর সার্টিফিকেট যেহেতু ছিঁড়েই ফেলেছি তাই অফিসার লেভেলের চাকরি জীবনে করাও হবে না আর ইচ্ছাও নেই। এই তো বেশ আছি। চিন্তা করছিলাম কীভাবে ব্যবসাটাকে আরো উপরে উঠানো যাবে। এক দিন রাস্তা পেয়ে গেলাম। খেয়াল করলাম মেসের আড়াইশ মেম্বারের মধ্যে দুইশ জন লোকই সিগারেট খায়। আর যারা সিগারেট খায় তারা সিগারেটের সাথে সাথে চাও হায়। এক বৃষ্টির রাতে শুয়ে পড়েছিলাম। এক মেস মেম্বার এসে ডাকলেন "মামা, তোমার কাছে সিগারেট হবে?" আমি বললাম "আমি সিগারেট খাই না" "আরে খাওয়ার কথা বলছি না। দুই তিন কার্টন সিগারেট এনে রাখলে ভালই বিক্রি হত। এই বৃষ্টির রাতে বাইরে সিগারেত আনতে যেতে পারছি না। সাথে ছাতাও নেই।" আমি বললাম "আমি বাইরে যাচ্ছি, ছাতা আছে।" ওনার জন্য সিগারেট কিনতে গিয়ে দেখি চায়ের দোকানে ভালই ভীড়। রাত বারোটায় মেসের লোকজন সিগারেট খেতে এসেছে। পরদিন চা বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনে আনলাম। তিন পদের সিগারেট রাখলাম। সন্ধ্যা সাতটার পরে আমার রাতের রান্নার কাজ শেষ হয়ে যায়। এর পরে শুরু হয় চা বানানোর পালা, টার্গেট একশ কাপ। মাস খানেক পরে দেখি দুইশ কাপ চা বিক্রি হচ্ছে- সময় রাত নয়টা থেকে বারোটা। --চায়ে লাভ কত থাকত? -চারশ টাকা। --আর সিগারেটে? -চারশ থেকে ছয় টাকা। --কী বলেন? -অনেকে পুরো প্যাকেট কিনত। অনেকে ছয়টা, অনেকে তিনটা। খুব কম লোক একটা করে কিনতেন। --তার মানে আপনার আয় তখন কত ছিল? -দিনে দেড় হাজারের উপরে! --সেটা কোন সালের ঘটনা? -এইতো ২০০৪/৫ এর দিকে। --তার মানে ২০০৪/৫ সালে আপনার দৈনিক আয় ছিল দেড় হাজার করে মাসে ৪৫ হাজার টাকা! তখন একজন ম্যাজিস্ট্রেট বেতন পেতেন ১২ হাজার টাকা। বিশাল ব্যপার সেপার। -সবই আল্লাহর ইচ্ছা। আমার ক্লাসমেটরা যখন বছরের পর বছর ধরে চাকরি খুঁজছিল আমার তখন ভালই ইনকাম। কিন্তু সেই সুখ বেশিদিন টিকল না। একদিন দেখি বাড়ীওয়ালা কয়েকজন লোক নিয়ে মেসে হাজির। সেই লোকজন বাড়ী ঘর মাপামাপি করল। কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল এই বাড়ী নাকি ডেভেলাপার কোম্পানিকে দেয়া হবে। তখন এপার্টমেন্ট ফ্ল্যাটের ব্যবসা জমজমার ছিল। তারাই বিল্ডিং মাপতে এসেছে। বাড়ীওয়ালা সহ সেই লোকগুলো দুপুরে আমার ডাইনিং এ খাওয়া দাওয়া করল। পরের সপ্তাহে মেসের সামনে একটা সাইনবোর্ড বসানো হল। এখানে দশ তলা বিল্ডিং হবে। সুতরাং, ছয় মাসের মধ্যে মেস খালি করে দিতে হবে। আমি আবার ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবতে লাগলাম। চার মাসের মাথায় মেস খালি হয়ে গেল। আমার ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ। অবশ্য এই কয়দিন আমি পুরো ঢাকা শহর চষে বেড়িয়েছি, কোথায় কী কাজ করা যায়। উত্তরা রাজলক্ষী মার্কেটের সামনে ভাজা পোড়া আইটেম নিয়ে ভ্যানে বসে পড়লাম। মার্কেট পেতে সময় লাগল না। তখন টিকার রোল জনপ্রিয় ছিল। উত্তরা এলাকায় আমিই প্রথম এটা চালু করেছি। এখন অবশ্য এরকম অনেক দোকান আছে। সেই ভ্যান থেকে দিনে হাজার খানেক লাভ থাকত। কিন্তু আমার যে এতে পোষায় না। এর আগে আয় ছিল ৪৫ হাজারের উপরে। রাজলক্ষীর পাশের এক হোটেল মালিক আমায় ধরলেন কিছু আইটেম রান্না করে দিতে। হাঁড়ি হিসেবে টাকা দিবেন। আমি খিঁচুড়ীর কন্ট্রাক্ট নিলাম। পাতিল প্রতি ৫০০ টাকা। কামারপাড়ায় তখন মানুষ কম থাকত। আমি একতা খোলা জায়গা ভাড়া নিয়ে রান্না শুরু করেছিলাম। ভ্যানের দায়িত্ব দিলাম আরেকজনকে। ভ্যানের রান্না বান্না এখান থেকেই করে দিতাম। ভ্যানে শুধু বিক্রিই হত। দুই একজন লোককে গ্রাম থেকে এনে চাকরি দিলাম। কেউ তরকারী কেটে দেয়, কেউ হেল্পারের কাজ করে। এই এক পাতিলের সুনাম আশেপাশের হোটেলে ছড়িয়ে পড়েছিল। আরো দুই তিনটা হোটেল থেকে অফার আসল। আমি তাদের জন্যেও রান্না করে দিতাম। বছর খানেক পরে দেখি আমি পাঁচটা হোটেলে খিঁচুড়ী সাপ্লাই দিচ্ছি ও আট টা ভ্যানের ভাজা পোড়া সাপ্লাই দিচ্ছি। আমার তখন দৈনিক আয় ৫ হাজারের উপরে!!! --সেটা কোন সালের ঘটনা? -২০০৬/৭ এর দিকে। তখন বয়স ছিল ২৬ কি ২৭ --তার মানে আপনার ২৭ বছর বয়সে মাসিক আয় ছিল দেড় লাখ টাকা!!! গলা শুকিয়ে গেছে, এক গ্লাস পানি দেন। -আরে পানি খাবেন কেন কোক খান। আর এসি কি বাড়িয়ে দেব? এতক্ষন যার কথা বললাম উনি ঢাকার একটা রেস্টুরেন্ট গ্রুপের মালিক। ওনার ছয়টা রেস্টুরেন্ট আছে। মাসে দশ বারো লাখ টাকা আয় করেন। বিশেষ একটা কারণে ওনার সাথে আমার এক বন্ধুর (আয়কর কর্মকর্তা) কথপোকথন এর অংশ বিশেষ তুলে ধরলাম যাতে অনেকে এই লেখা পড়ে উৎসাহ পায়। সারমর্মঃ কোন কাজ ছোট নয়। বেকার বসে না থেকে যেকোন একটা কাজে নেমে পড়ুন। কার্টেসিঃ ফখরুল ইসলাম
সুন্দর একটা ভালবাসার গল্প

সুন্দর একটা ভালবাসার গল্প

...... রাত ১১ টা,ট্রেনের জানালার পাশের একটা সীট দখল করে বসে আছি,আসলে দখল করে আছি বললে ভুল হবে।ব্লাকে টিকেট নিতে ডাবল টাকা দিতে হয়েছে।আসলে প্রয়োজন কোন বাঁধা মানে না।আর আমার প্রয়োজনটা একটু ভিন্ন।যাইহোক ট্রেন চলতে শুরু করেছে উদ্দেশ্য ঢাকা থেকে সিলেট। . আশেপাশের লোকগুলান অনেকটা জিজ্ঞাসু চোখে আমাকে দেখছে বুঝতে পারছি।কারণ আমার অস্থিরতা।চোখ মুখে লেগে আছে ক্লান্তির ছোঁয়া কিন্তু আমার তা দেখার সময় কমই।এ নিয়ে কতবার ফোনের বাতি জালিয়েছি নিজেও জানি না।শেষপর্যন্ত পাশে লোক জিজ্ঞাস করেই ফেলল আমার কোন সমস্যা নাকি।কোন উত্তর দিতে পারিনি।শুধু মনঃটা বলে উঠল এমনটা না করলেও পারতাম। ....... বিকেল ৪টা,ক্যাম্পাস থেকে বাসায় ফিরছি মাত্র।অনার্স ফাইনাল ইয়ার,একটু বেশিই খাটতে হচ্ছে।ভুলেই গেছি মোবাইলে চার্জ শেষ হয়ে অফ হয়ে আছে অনেক্ষন।তারাতারি করে চার্জে লাগানোর সাথে সাথেই এস এম এস আসা শুরু করল। মোবাইল অফ কেন?কি হয়েছে তোমার? তোমার ফ্রেন্ডদের ফোন দিয়েও কোন তথ্য পাইনি।উফফ ভাল লাগছে না কিছুই। বাসায় ফোন দিয়েও কিছু জানতে পারিনি।প্লিজ কাম ব্যাক মিসিং ইউ। শেষের মেসেজটা আমাকে তাঁতিয়ে দিলো।এমনি সারাদিন খাইনি এর মধ্যে এসব।ফোন করলাম...... _হ্যালো...... _কুত্তা কই ছিলা তুমি??জানো আমি তোমাকে কত্তগুলান মিস করছি।আমি তোমার জন্য কতটা টেন্স করছিলাম।কি হইছিল তোমার? _(রেগে গিয়ে বললাম)টেন্স করছিলে ভাল,ফেন্ডদের কাছে আমার কথা জিজ্ঞেস করছিলে আরও ভাল।এই জন্যেকি বাড়িতেও ফোন দিতে হবে? _(কথাটা বেশিই লেগে গেছে অর)তোমার জন্য চিন্তা হচ্ছিল তাই এমন করছি। _হুম বুঝছি,মোবাইলে চার্জ ছিল না।তাই অফ ছিল।আর কিছু? _রেগে যাচ্ছ কেন? _তো কি করব?মাথায় নিয়ে নাচবো?জাস্ট ফেড আপ। _(কণ্ঠটা ভারী হয়ে গেছে বুঝতে পারছি)সর্যি তোমাকে ডিস্ট্রাব করার জন্য।আর করবো না।বলেই ফোনটা কেটে দিল। _রাগটা বেশিই হয়ে গেলো।সাথে আবার ফোন দিলাম কিন্তু অফ পেলাম।ভাবলাম কিছুক্ষণ পর আবার ফোন দিবে।এটা অনেকবার হয়েছে।কিন্তু ভাবনাটা ভুল ছিল।৭/৮ ঘণ্টা হয়ে গেলো,এখনো অফ পাচ্ছি। উদাস হতে লাগ্লাম।কিছু একটা হারানোর ভয় ঝেঁকে বসছে আমাকে।আঁতকে উঠছি বারবার,আসলে সেই বুঝে হারাবার ব্যাথা যে কিছু হারিয়েছে...। ...... ট্রেনটা এগিয়ে যাচ্ছে, মনের অজান্তেই চোখ থেকে কয়েক ফোঁটা নুনা পানি ঝরে পরল।মন থেকে বলে উঠলাম সর্যি বাবুটা। ...হ্যাঁ এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম সে আর কেউ না। আমার স্বপ্নরাণী,যার জন্য আমার সকাল,দুপুর বিকেল সাজে।শত চেষ্টা করেও যাকে তার চেয়ে বেশি ভালবাসতে পারিনি।তার ভালবাসার কাছে পরাজিত হতে হয়েছে বারংবার। জানি পাগলীটা কেঁদে চোখ ফুলিয়ে ফেলেছে,শ্বাস নিতে পারছে না।কারণ ও কাঁদলে শ্বাসকষ্ট প্রকট হয়ে যায়।পরে হাসপাতালে নিতে হয়।এর আগেও এমনটা হয়ছে।আর এটাই আমায় বেশি ভাবাচ্ছে...। ...... সকালের আলো ফুঁটার অপেক্ষায়।ঠিক তার বাসার সামনে বসে আছি।আমি জানি আমাকে দেখে ও আর রাগ করে থাকতে পারবে না।কারণ ভালবাসি তাকে খুব বেশি।আর ভালবাসা যেখানে অসীম,অভিমান সেখানে নগণ্য।। __লিখাঃMUtalib anaf Raju(অরুণিমার নীলাভ্র
ছয়টি ছবিতে বাপ্পী

ছয়টি ছবিতে বাপ্পী

এক মাসের মধ্যে ছয়টি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে চিত্রনায়ক বাপ্পী জানিয়ে দিলেন, এ বছর আর কোনো নতুন ছবির জন্য সময় নেই তাঁর। আজ থেকে একে একে এই অভিনেতা নতুন ছবিগুলোর কাজ শুরু করবেন। বাপ্পী বলেন, ‘সবকিছু গুছিয়ে নিয়েই শিডিউল দিয়েছি। তাই এ বছর আর নতুন কোনো ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছি না।’ গত এক মাসে বাপ্পী যেসব ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, সেগুলো হলো সাফিউদ্দিন সাফির রাজকুমার, শাহনেওয়াজ সানুর নায়কবাজি, তাজুল ইসলামের পাসওয়ার্ড, সাখাওয়াত হোসেনের আসমানী, গাজী জাহাঙ্গীরের প্রেমের বাঁধন ও অনন্য মামুনের তুই শুধু আমার হবি। এর মধ্যে আজ ২৮ মে নায়কবাজি ছবির শুটিং শুরুর কথা রয়েছে। আগামীকাল বাপ্পী শুরু করবেন রাজকুমার ছবির কাজ

পোশাক শ্রমিকদের জীবন নিয়ে মেড ইন বাংলাদেশ

পোশাক শ্রমিকদের জীবন নিয়ে মেড ইন বাংলাদেশ

গল্পটা পোশাক শ্রমিকদের নিয়ে। বিশেষ করে নারীকর্মীদের। তাদের প্রতিদিনের কাজ এবং সচেতনতা নিয়েই গল্প। এমন বিষয় নিয়ে নির্মিত হয়েছে টেলিছবি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’। আজ সকালে স্টার সিনেপ্লেক্সে আয়োজন করা হয়েছিল এই টেলিছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনীর। ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ রচনা করেছেন মেজবাহ উদ্দিন ও নির্মাণ করেছেন নজরুল ইসলাম। অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ, জয়রাজ, ফারহানা মিলি, স্পর্শিয়া, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। টেলিছবিটি প্রদর্শনের আগে বক্তব্য রাখেন নেদারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মিস মারটিনা ভ্যান হুগস্ট্রাটেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের এসআরএইচআর এডুকেশন অ্যান্ড জেন্ডার-এর ফার্স্ট সেক্রেটারি মিস এলা ডি ভুক্ষুড, এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অরগ্যানাইজেশন বাংলাদেশের টিম লিডার ফারথিবা রাহাত খান; আর এইচ স্টেপ, স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড ও রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়া পোশাক শিল্পের আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ। ছবিটির নির্মাতা জানান, এতে দেশের পোশাক শিল্পের নারীকর্মীদের প্রতিদিনের সংগ্রাম আর সমস্যাগুলোকে তুলে ধরা হয়েছে। এতে স্বাস্থ্যগত সমস্যা থেকে শুরু কের নারী শ্রমিকেদের নিজস্ব সমস্যাও দেখানো হয়েছে। ‘গো বাংলাদেশ’ এর আওতায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি

সাকিব তামিমের আড্ডা

সাকিব তামিমের আড্ডা

পর্যন্তও মনে হচ্ছিল রিজার্ভ ডেই ভরসা। বিকেএসপিতে আজ অন্তত খেলা হচ্ছে না। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঝুম বৃষ্টি নামে। ঘণ্টা খানেকের বৃষ্টিতে মাঠ তো বটেই, বিকেএসপির রাস্তাঘাটও প্লাবিত! আর দুর্বল নকশার কারণে ড্রেসিংরুমে পানি ঢুকে যাওয়াটা তো এখানকার পুরোনো সমস্যাই। সুখবর হলো, ২৮ ওভারের হলেও প্রাইম দোলেশ্বর-আবাহনী ম্যাচটা শুরু হয়েছে বেলা একটায়। টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে আবাহনী। এর আগ পর্যন্ত আড্ডা আর খোশগল্পেই কেটেছে দুই দলের খেলোয়াড়দের সময়। আবাহনীর ড্রেসিংরুমে বড় আকর্ষণ আজ সাকিব। আইপিএল শেষ করে কাল বিকেলেই দেশে ফিরেছেন। আজ সকালে ঢাকা থেকে নিজের পুরোনো আবাস বিকেএসপিতে আসেন তামিমের গাড়িতে। দুপুর ১২টায় আম্পায়ারদের প্রথম মাঠ পর্যবেক্ষণ পর্যন্ত সময়টা সাকিব-তামিম বলতে গেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে গল্প করেই কাটালেন। আইপিএল-প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ-বিগ বস রিয়্যালিটি শো, এমনকি রূপচাঁদা-প্রথম আলো বর্ষসেরা ক্রীড়া পুরস্কার—কোন প্রসঙ্গ আসেনি আড্ডায়! তামিমের খুব কৌতূহল গত দুই বছরের বর্ষসেরা উদীয়মান কারা হচ্ছেন তা নিয়ে। সম্ভাব্য বর্ষসেরা নিয়েও অনেক হিসাব–নিকাশ করলেন। আর সাকিব তো দুষ্টুমি করে আগামী ৩ জুনের অনুষ্ঠানের উপস্থাপকেরই দায়িত্ব নিতে চাইলেন, ‘আমাকে উপস্থাপক করেন। দেখবেন অন্যদের চেয়ে অনেক ভালো করব।’ ২০০৭ সালের বর্ষসেরা উদীয়মান হয়েছিলেন তামিম। এর আগের বছর বর্ষসেরা উদীয়মান হয়েছিলেন সাকিব। তামিম এখন পর্যন্ত বর্ষসেরা হতে পারেননি, তবে সাকিব বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ পরে হয়েছেন চারবার—২০০৮, ২০০৯, ২০১১ ও ২০১২ সালে।

১৪০০বছর আগে রাসুল সাঃ এর বানি আজ বিঙ্গানিরা প্রমাণ পেয়েছে

১৪০০বছর আগে রাসুল সাঃ এর বানি আজ বিঙ্গানিরা প্রমাণ পেয়েছে

১৪০০ বছর আগে রাসুল(সা:)এর বাণি আজ বিজ্ঞানিরা প্রমাণ পেয়েছে। মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন্,, " পুরুষের প্যান্ট/ কাপড় টাখনুর উপর পরতে অন্যথায় তা জাহান্নামে যাবে। (সহিহ বুখারিঃ৫৩৭১) বিজ্ঞান বলে,পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে সেক্সুয়াল হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয় । তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে। মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন্,, " ভ্রুপ্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত (সহিহ বুখারীঃ৫৫১৫) বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হল চোখের হিফাজতের জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল অথবা মৃত্যুবরন করতে পারে। রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন্,, " নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম (সহিহ বুখারিঃ ৬১২৪) বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতি শক্তি ও কমে যায়। রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন্,, পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম। (মুসলিমঃ১৬৫৫) বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ যেহেতু যৌগ পদার্থ তাই তা স্ক্রীনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে। রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন্,, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে। -( সহিহ বুখারিঃ ৩২৮০) বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পামপ করে আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরিরে প্রবেশ করতে পারে না যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে। রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন্,, " তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ (সহিহ মুসলিমঃ ৪৯৩,৪৯৪) বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে। আল্লাহ(সুবনাহু তায়ালা) বলেন্, "আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ। ( বনি- ইসরাঈলঃ ৩২)এবং নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ ( মাইদাহঃ৯০)_ বিজ্ঞান বলে,, পর্নগ্রাফি , অশ্লিল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশা । যদি কেউ এসব নেশজাত দ্রব্যে জড়িয়ে পড়ে তাহলে ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়ার আমাদের পরিচালনা করার ইনটেলুক্টুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল-অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। আল্লাহ বলেন্, আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়। (আরাফঃ২০৪) বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরিরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগিদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে যেমনভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারিকে সচল করে।........... ....এইরকম আরো অসংখ্য প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান ইসলামে বিদ্যামান। মনে রাখবেন,যদি আপনি ইসলামের কোন বিধান পালন করেন তার মানে নিশ্চিত থাকুন, আপনি একটি বিজ্ঞান চর্চা করছেন।