মায়ের ভালবাসা লিখেছেনঃ tanha1696
‘মা’ শব্দটি অতি ছোট কিন্তু মায়ের ভালবাসা সীমাহীন। আমরা সবাই ‘মা’ কে ভালবাসি। হয়তো আমরা তা বলে উঠতে পারি না বা বলার সময় পেয়েও বলি না। ‘মা’ শব্দটি অতি মধুর। ‘মা’ শব্দটি মুখে আন্তেই পরম শান্তি অনুভব করি। সুখে, দুঃখে, হাসি, কান্নাতে সবকিছুতেই ‘মা’। সন্তানের সবকিছুই ‘মা’ সবার আগে বুঝতে পারে। স্নতান যত বড়ই হোক না কেন ‘মা’-র কাছে স্নতান সেই ছোটবেলার ছোট বাচ্চাটিই থাকে। সন্তানের গায়ে একটু আঁচর লাগতেই সবার আগে ‘মা’ ছুটে আসে। সন্তানের কিছু হলে ‘মা’ তা সহ্য করতে পারে না এবং একটুতেই অস্থির হয়ে পড়ে। আজ আমি আমার ‘মা’ এর গল্প বলব।
শুরুতেই সারা প্রিথীবির সব মায়েদের সম্মান জানাই। আমি তানহা। নামটি রাখে আমার ‘মা’। খুব শখ করেই রাখে এই নামটি। আমার জন্ম ১৯৯৮ এর জানুয়ারী মাসে। আমার বয়স যখন ০৩ বসর তখন আমি খাওয়া নিয়ে খুব বিরক্ত করতাম ‘মা’ কে। ‘মা’ও খুব বিরক্ত হত কিন্তু খুব ধৈর্য ধরে নানা ধরনের রুপকথার গল্প বলে ঘরের উঠোনে, বাড়ির ছাদে, বারান্দায় বিভিন্ন পাখি দেখিয়ে হেঁটে হেঁটে অনেক কষ্ট করে খাওয়াত। তখন ‘মা’ আমার প্রতি খুব খেয়াল রাখত। কখন আমি খাব, কখন ঘুমাব, কখন কি লাগবে সবকিছুই মায়ের চিন্তায় থাকত। যখন আমি একটু একটু করে হাটি হাটি পা করে বড় হচ্ছি তখন থেকেই মায়ের বুলি আওরাতে শিখলাম। তখন ‘মা’ না থাকলে, একটুর জন্য দূরে গেলেই মনে হত কি যেন নেই। মায়ের খাইয়ে দেওয়া, ঘুরতে যাওয়া, সীমাহিন আদর পাওয়া, শুয়ে শুয়ে ঘুমপাড়ানি মাসীর গল্প, রাক্ষসী রানীর গল্প বলা ছাড়া যেন সময় যেত না। ছেলেবেলার সবকিছুই যেন এক্টা সপ্নের মত ছিল। ‘মা’ র আদর সবারই প্রিও।আর এই ‘মা’ যখন আমাদের ছেড়ে পৃথিবী ছেড়ে অনেক দূরে চলে যায় তখন খুবই খারাপ লাগে, সময় তখন কাটতেই চায় না। ‘মা’র স্মৃতি গুলো খুবই মনে পড়ে, আর সব ফেলে মায়ের কাছে চলে যেতে ইচ্ছে করে। তখন চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে ‘মা’ আমি তোমাকে ভালবাসি। মায়ের সব স্মৃতি তখন খুব মনে পড়ে। ‘দাঁত থাকতে যখন দাঁতের মর্যাদা’ বুঝিনি তখন হারিয়ে যাওয়ার পর স্মৃতিটুকু আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করছি। মনে হয় যেন পরকালের স্বর্গের সমস্ত সুখটাই মায়ের আঁচলে লুকায়িত রয়েছে। ‘মা’ এর প্রতি রইল বিনম্র শ্রধধা ও অগাধ ভালবাসা।
আসুন ‘মা’ জাতিকে পরখ করতে শিখি, শ্রদ্ধা করতে শিখি ও প্রিথীবির সমস্ত সুখ তাদেরকে উৎসর্গ করি।

‘মা’ শব্দটি অতি ছোট কিন্তু মায়ের ভালবাসা সীমাহীন। আমরা সবাই ‘মা’ কে ভালবাসি। হয়তো আমরা তা বলে উঠতে পারি না বা বলার সময় পেয়েও বলি না। ‘মা’ শব্দটি অতি মধুর। ‘মা’ শব্দটি মুখে আন্তেই পরম শান্তি অনুভব করি। সুখে, দুঃখে, হাসি, কান্নাতে সবকিছুতেই ‘মা’। সন্তানের সবকিছুই ‘মা’ সবার আগে বুঝতে পারে। স্নতান যত বড়ই হোক না কেন ‘মা’-র কাছে স্নতান সেই ছোটবেলার ছোট বাচ্চাটিই থাকে। সন্তানের গায়ে একটু আঁচর লাগতেই সবার আগে ‘মা’ ছুটে আসে। সন্তানের কিছু হলে ‘মা’ তা সহ্য করতে পারে না এবং একটুতেই অস্থির হয়ে পড়ে। আজ আমি আমার ‘মা’ এর গল্প বলব।
শুরুতেই সারা প্রিথীবির সব মায়েদের সম্মান জানাই। আমি তানহা। নামটি রাখে আমার ‘মা’। খুব শখ করেই রাখে এই নামটি। আমার জন্ম ১৯৯৮ এর জানুয়ারী মাসে। আমার বয়স যখন ০৩ বসর তখন আমি খাওয়া নিয়ে খুব বিরক্ত করতাম ‘মা’ কে। ‘মা’ও খুব বিরক্ত হত কিন্তু খুব ধৈর্য ধরে নানা ধরনের রুপকথার গল্প বলে ঘরের উঠোনে, বাড়ির ছাদে, বারান্দায় বিভিন্ন পাখি দেখিয়ে হেঁটে হেঁটে অনেক কষ্ট করে খাওয়াত। তখন ‘মা’ আমার প্রতি খুব খেয়াল রাখত। কখন আমি খাব, কখন ঘুমাব, কখন কি লাগবে সবকিছুই মায়ের চিন্তায় থাকত। যখন আমি একটু একটু করে হাটি হাটি পা করে বড় হচ্ছি তখন থেকেই মায়ের বুলি আওরাতে শিখলাম। তখন ‘মা’ না থাকলে, একটুর জন্য দূরে গেলেই মনে হত কি যেন নেই। মায়ের খাইয়ে দেওয়া, ঘুরতে যাওয়া, সীমাহিন আদর পাওয়া, শুয়ে শুয়ে ঘুমপাড়ানি মাসীর গল্প, রাক্ষসী রানীর গল্প বলা ছাড়া যেন সময় যেত না। ছেলেবেলার সবকিছুই যেন এক্টা সপ্নের মত ছিল। ‘মা’ র আদর সবারই প্রিও।আর এই ‘মা’ যখন আমাদের ছেড়ে পৃথিবী ছেড়ে অনেক দূরে চলে যায় তখন খুবই খারাপ লাগে, সময় তখন কাটতেই চায় না। ‘মা’র স্মৃতি গুলো খুবই মনে পড়ে, আর সব ফেলে মায়ের কাছে চলে যেতে ইচ্ছে করে। তখন চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে ‘মা’ আমি তোমাকে ভালবাসি। মায়ের সব স্মৃতি তখন খুব মনে পড়ে। ‘দাঁত থাকতে যখন দাঁতের মর্যাদা’ বুঝিনি তখন হারিয়ে যাওয়ার পর স্মৃতিটুকু আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করছি। মনে হয় যেন পরকালের স্বর্গের সমস্ত সুখটাই মায়ের আঁচলে লুকায়িত রয়েছে। ‘মা’ এর প্রতি রইল বিনম্র শ্রধধা ও অগাধ ভালবাসা।
আসুন ‘মা’ জাতিকে পরখ করতে শিখি, শ্রদ্ধা করতে শিখি ও প্রিথীবির সমস্ত সুখ তাদেরকে উৎসর্গ করি।

posted from Bloggeroid
0 coment rios:
Post a Comment