Friday, 30 December 2016

Thursday, 24 November 2016

wifi কানেক্ট করা পাসওয়াড বের করুন সহজেই।

wifi কানেক্ট করা পাসওয়াড বের করুন সহজেই।

আমি মোঃ সাইফুর রহমান বিডি মাই লাভে স্বাগতম আপনাদের আসা করি সবাই ভালই আছেন আর বিডি মাই লাভে যারা তাকে তারা সব সময়ই ভাল তাকে,
আজ যেহেতু শুক্রবার তাই ভাবলাম আজকে wifi এর সম্পরকে বন্দুদের একটা স্ট্যাটাস দিব আমার আজকের স্যাটাস কিভাবে কানেক্ট করা মোবাইলে wifi পাসওয়াড বের করা সম্পরকে। মনে করেন তোমার কোনো বন্দু তোমাকে তোমার মোবাইলে তার wifi টির পাসওয়াড দিল কিন্তু আপনে অন্য মোবাইলে চালাতে পারছেনা বা তাকে আপনে পাসওয়াডের কথা ও বলতে পারছেন না তখন কি করবেন টেনসন না করে নিচে যে লিঙ্ক দেয়া হল সেই লিঙ্কে চলে যান আর ডাউনলোড করে নিন সেই অ্যাপ যে অ্যাপস দিয়ে খুভ সহজেই বের করতে পারবেন কানেক্ট করা wifi পাসওয়াড কিন্তু যে সেট দিয়ে পাসওয়াড বের করবেন সেই সেট রুট করা তাকতে হবে আজ একানেই শেষ করলাম । https://play.google.com/store/apps/details?id=com.farproc.wifipassword

posted from Bloggeroid

ফ্রি কল করুন সহজে

ফ্রি কল করুন সহজে

আসসালামুআলাইকুম,আদাম আমি সাইফুর আজকে আপনাদের শিখাব কিভাবে ফ্রি কল করবেন তাহলে কাজের কথায় আসি প্রথমে নিচের লিঙ্কে গিয়ে ডাউনলোড করে নিন এই অ্যাপসটি তার পর সাইন আপ করুন নিজের নাম্বার দিয়ে সাইন আপ করা পরেই পেয়ে যাবেন 1000 কেডিট এই কেডিট দিয়ে কথা বলতে পারবেন খুভ সহজে অ্যাপস ডাউনলড করলে বুজতে পারবেন। নিচে লিঙ্ক দিয়া হল https://play.google.com/store/apps/details?id=me.dingtone.app.im

posted from Bloggeroid

Saturday, 9 July 2016

পিস টিভির সম্প্রচার বন্দের নির্দশনা

পিস টিভির সম্প্রচার বন্দের নির্দশনা

পিস টিভির সম্প্রচার বন্দের বিশিষ্ট ইসলামীক স্কলার ও ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন মুম্বাই কতৃক পরিচালিত পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ভারত সরকার। গত ১ জুলাই বাংলাদেশের গুলশানে রেস্তোরাঁয় হামলার পর ভারতে বিভিন্ন মহলের দাবির মুখে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধ করতে কেবল অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

যদিও অনেক আগে থেকেই ভারতে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিল সরকার। তারপরও কিছু কেবল অপারেটর এটি বিশেষ ব্যবস্থায় সম্প্রচার করে আসছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশের গুলশানে একটি রেস্তোরাঁয় হামলার পর ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জাকির নায়েকের মালিকানাধীন পিস টিভি ও জাকির নায়েকের ভূমিকা নিয়ে আবারও বিতর্ক ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে।

বিশেষ করে, গুলশানে হামলাকারীদের দুজনের ফেসবুক থেকে জানা যায়, তাঁরা জাকির নায়েকের বক্তব্যে জঙ্গি হামলায় উদ্বুদ্ধ হন। এটি জানার পরই জাকির নায়েকের জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্য তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সর্বশেষ ভারতের উত্তর প্রদেশের মুসলিম নেতারা জাকির নায়েককে ইসলামবিরোধী ও ভারতবিরোধী আখ্যা দিয়ে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধ এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

কয়েক দিন ধরেই মুম্বাইয়ে অবস্থিত জাকির নায়েকের প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন কার্যালয়ের চারপাশে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রেখেছে। এর মধ্যেই পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ এল সরকারের তরফ থেকে।

Sunday, 3 July 2016

মসা তাড়ানোর আজব গাছ

মসা তাড়ানোর আজব গাছ

মশা তাড়াবে ‘সাইট্রনেলা’ নামের আজব গাছ

দিনে দিনে বাড়ছে মশা। ময়লা জলাশয় ও ডাস্টবিন থেকে জন্ম নিচ্ছে মশা আর দংশন করছে মানুষকে। মশার জ্বালায় অস্থির। মশা কামড়ালে একে তো খুব চুলকায় আবার অনেক রকম রোগ হয়। ম্যালেরিয়া থেকে শুধু করে এখন নতুনভাবে জিকাও হচ্ছে এই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মশা থেকেই।

মশা তাড়াতে কত কিছুই তো করলেন। হাজার টাকা শেষ করেও মশা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। কিন্তু আর নয় এবার মশা তাড়াতে গাছ লাগান আর সেই গাছই আপনাকে রক্ষা করবে। এমনি এক আজব গাছ আবিস্কার করেছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। গাছটির নাম সাইট্রনেলা।

সাইট্রনেলা গাছটি বাড়ির বারান্দায় অথবা ব্যালকনিতে লাগাতে পারেন। খুব বেশি জল কিম্বা সারেরও দরকার পড়ে না। আর এই গাছ বেঁচেও থাকে অনেক বছর।

এই গাছটি থেকে একধরণের সুগন্ধি বেরোয় যা মশাদের একেবারে অপছন্দ। আর এই গন্ধ পেলেই মশারা এই গাছের ত্রিসীমানায় ঘেষতে চায় না। গাছটি খরা প্রতিরোধেও কাজে আসে। এই ধরনের মাত্র ৬-৭ টি গাছ একসাথে একর জায়গাকে মশা মুক্ত রাখতে পারে।

আর দেরি নয় এখনি যারা মশার জ্বালায় যারা অতিষ্ঠ হয়ে আছেন তারা দু তিনটি সাইট্রনেলা গাছ বাড়ীর চারদিকে কিম্বা ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে লাগিয়ে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে, মুশকিলও রয়েছে। কারণ, এই গাছ আমাদের দেশে এখনই পাওয়ার কোনও উপায় নেই। কিছুদিন অপেক্ষা তো করতেই হবে।
যেভাবে বুঝবেন আপনার রক্ত দূষিত হয়ে জাচ্ছে

যেভাবে বুঝবেন আপনার রক্ত দূষিত হয়ে জাচ্ছে

যেভাবে বুঝবেন আপনার রক্ত দূষিত হয়ে পড়ছে


রক্তপ্রবাহ শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রবাহ যত সুষ্ঠুভাবে হবে ব্যক্তির দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যও তত ভালো থাকবে। স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বলে, ব্যক্তির রক্তের স্বাস্থ্য যেমন, ব্যক্তির স্বাস্থ্যও হবে তেমনি। রক্তে দূষণে সামান্য অসুস্থতা থেকে শুরু করে হৃদরোগ, এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে। রক্তে যখন বিষধর্মী বা দূষিত পদার্থ থাকে, তখন রক্তের সেই অবস্থাকে বলে Toxemia। আর toxemia-র সঙ্গে যখন আবার অতিরিক্ত কোলেস্টেরল এবং লিপিড থাকে, তখন তাকে বলা হয় Lipo-toxemia।

আর এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন কিছু সাবধানতা। রক্ত দূষিত হওয়া শুরু করলে শরীরে কিছু বাহ্যিক লক্ষণ দেখা যায়। তাই রক্তদূষণের শারীরিক লক্ষণগুলো ও প্রধান কারণগুলো জেনে নিন-

রক্তদূষণের লক্ষণ

– পেটে অতিরিক্ত চর্বি
যদি হঠাৎ করে আগের চেয়ে পেটে বেশি চর্বি জমে যায়, তাহলে বুঝতে হবে রক্তে দূষিত পদার্থ রয়েছে। দূষিত রক্ত গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ এবং কলেস্টেরল হজমের প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়।

– ত্বকের সমস্যা
শরীরের দূষিত রক্তের মাত্রা বেশি হলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এতে ত্বকের পরিবর্তন, জ্বালাপোড়া এবং চুলকানি হয়ে থাকে। তাই ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করুন।

– মাথা ব্যথা
বিষাক্ত পদার্থের কারণে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে খারাপ প্রভাব পরে। যা স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভঅবিক ক্রিয়া বাধা দেয় এবং পচণ্ড মাথা ব্যথা হয়।

– হাইপারথার্মিয়া
শরীরে দূষিত পদার্থ বেশি হলে তা লিভারকে অনেক বেশি জটিল কাজ করতে হয়। যার ফলে শরীরে অনেক তাপ উৎপাদন হয় যা শরীরকে অতিরিক্ত গরম করে তুলে।

– ক্লান্তি এবং শক্তিহীন
ভিরতে বিষাক্ত পর্দাথ থাকলে আপনি কিছুতেই শক্তিশালী ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারবেন না।

– সাইনাস এর কনজেশন
দূষিত ও বিষাক্ত পর্দাথ আপনার সাইনাসের সমস্যা তৈরি করবে। এছাড়া এতে সঠিকভাবে শ্বাস নিতে পারবেন না।

– অনিদ্রা
শরীরের মধ্যে বিষাক্ত রক্ত থাকায় নানা ধরনের সমস্যা হয়। তাই ঘুমের সমস্যা হয়।

– গলব্লাডার সমস্যা
বিষাক্ত বস্তু লিভারে যাওয়ায় পিত্ত টিস্যু ভারী হয়ে যায়। যার ফলে গলব্লাডারে সমস্যা দেখা দেয়।

রক্তদূষণের কারণ

অস্বাস্থ্য আহার
এ ধরনের খাদ্য গ্রহণের ফলে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল, ফ্যাট এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ রক্তস্রোতের সঙ্গে মিশে গিয়ে ধীরে ধীরে ধমনীর গায়ে জমা হয়। আবার রক্তস্রোতে উপস্থিত অতিরিক্ত ফ্যাটে রক্ত কণিকা ও প্লেটলেটগুলো জমাট বেঁধে যায়। এর ফলে রক্তের ঘনত্ব বা blood viscosity বেড়ে যায়, কমে যায় অক্সিজেন পরিবহনের ক্ষমতা, সর্বোপরি রক্তপ্রবাহ মন্থর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যেসব ধমনী দূষিত পদার্থ জমে সংকুচিত হয়ে গেছে, সেখানে রক্তের স্বাভাবিক গতি বাধা পায় মারাত্মকভাবে।

মদ্যপান
মদ্যপানের ফলেও রক্তকণিকাগুলো জমাট বেঁধে যায়, রক্তে ফ্যাটের মাত্রা বেড়ে যায়, নষ্ট হয় বহু প্রয়োজনীয় nutrients। সেই সাথে কয়েকটি এনজাইম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার ফলে ব্যাহত হয় অক্সিজেন সরবরাহ।

ধূমপান
ধূমপানের ফলে বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস রক্তে মিশে রক্তের অক্সিজেন অপসারিত করে। তাছাড়া ধূমপানে নষ্ট হয় ভিটামিন সি, রক্ত চলাচলে যার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। এছাড়া আছে নিকোটিন যা স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রান্ত করে, ধমনীগুলোকে সংকুচিত করে।

থাইরয়েডের ত্রুটি
থাইরয়েড গ্ল্যাণ্ডের কর্মক্ষমতা নিম্নমানের হলে স্নেহ পদার্থের বিপাক ঠিকমতো হয় না। ফলে রক্তে কোলেস্টেরল ও ফ্যাটের মাত্রা বেড়ে গিয়ে রক্ত দূষিত হয়ে পড়ে। থাইরয়েডের কর্মক্ষমতা নিম্নমানের হয় খাদ্যগত আয়োডিন অথবা ভিটামিন বি১-এর অভাবে। অতিরিক্ত শর্করা গ্রহণ করলেও ভিটামিন বি১-এর অভাব ঘটতে পারে।
বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেন মমতা

বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেন মমতা

গুলশানে জঙ্গি হামলায় নিহতের স্বজনদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে পশ্চিমবেঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ হাই কমিশনার জকি আহাদকে তিনি তার সমবেদনার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি এই বর্বরোচিত আক্রমণের তিনি ধিক্কার জানান।

তিনি আরও জানিয়েছেন এই সময়ে তিনি আন্তরিকভাবে বাংলাদেশের পাশে আছেন।

শুধু মাত্র উপ হাই কমিশনার জকি আহাদের মাধ্যমে নয়, বাংলাদেশে জঙ্গি হানার ঘটনার খবর পাওয়ার পর শোক ব্যক্ত করে দুটি টুইট করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতেও প্রতিবেশী দেশের মানুষ এবং প্রশাসনের পাশে থাকার বার্তা স্পষ্ট হয়েছে।

অন্যদিকে গুলশানের ঘটনার পর কলকাতাতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কলকাতা বিমান বন্দরে শুরু হয়েছে বিশেষ নজরদারি।

সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে এই ঘটনার পরেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে কলকাতা স্থিত বাংলাদেশ উপ হাই কমিশনসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভবনে। ফেসবুকে যোগাযুগ
http://facebook.com/saifurrahoman123
(google=http://bdmylove.com)
আবারও আইএসের হামলা,নিহত ৭৫

আবারও আইএসের হামলা,নিহত ৭৫

আবারও আইএসের হামলা, নিহত ৭৫

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ব্যস্ত শপিং এলাকায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৫ জনে পৌঁছেছে। জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। আজ রোববার ভোরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

সরকারি সূত্র বলছে, হামলায় ১৩০ জনের বেশি আহত হয়েছে।

কারাদা এলাকার একটি রাস্তায় এই আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়। এ সময় অনেকে বাজারে কেনাকাটা করতে যাচ্ছিলেন। পবিত্র রমজান মাসে শপিং এলাকায় ভিড়ও ছিল বেশি।

এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে জানা যায়, কারাদা শপিং এলাকায় আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলা হয়েছে। ইরাকের স্থানীয় আল সুমারিয়া চ্যানেল পুলিশের বরাত দিয়ে বলছে, কারাদায় একটি রেস্তোরাঁর কাছে গাড়িবোমার বিস্ফোরণ ঘটে। হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস জঙ্গিরা।

দ্বিতীয় বোমা হামলাটি হয় আল শাবাব এলাকায়। এই হামলাতেও বেশ কয়েকজন হতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।


http://facebook.com/saifurrahoman123
(http://google.com
দুই দিনের রাস্ট্রীয় শোক শুরু

দুই দিনের রাস্ট্রীয় শোক শুরু

রাজধানীর গুলশানে রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলায় হতাহতের ঘটনায় দুই দিনের শোক শুরু হয়েছে আজ রোববার সকালে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার রাত পৌনে ৮টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ শোক ঘোষণা করেন।

গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর সেকশনের স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। সেখানে তারা দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে রাখে। সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে রাতেই নিহত হন বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম।

গতকাল সকালে জিম্মিদের উদ্ধারে অপারেশন থান্ডারবোল্ট পরিচালনা করে চালায় যৌথ বাহিনী। অভিযান শেষে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিলিটারি অপারেশনসের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আশফাক চৌধুরী জানান, গুলশানের হলি আর্টিজান থেকে ২০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের সবাইকে গতকাল শুক্রবারই রাতেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযানে সাত সন্ত্রাসীর মধ্যে ছয়জন নিহত হয়। facebook http://facebook.com/saifurrahoman123
ঢাকার জন্য শোক, নীরবতা

ঢাকার জন্য শোক, নীরবতা

ইউরো কোয়ার্টার-ফাইনালে জার্মানি বনাম ইতালি ম্যাচের আগে ঢাকার গুলশানে জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মরণ করা হয়েছে এক মিনিট নীরবতায়।
শনিবার ফ্রান্সের বোর্দো শহরে এই ম্যাচে ইতালীয় খেলোয়াড়েরা অংশ নেন বাহুতে শোকের কালো ব্যান্ড পড়ে।

ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের খেলোয়াড়রা মধ্যমাঠে দলবেঁধে দাঁড়িয়ে এক মিনিট শোক পালন করেন। গ্যালারিতে যার যার জায়গায় দাঁড়িয়ে তাতে অংশ নেন দর্শকরা; স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে জানানো হয় সংহতি।

শুক্রবার রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ঢুকে দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে একদল অস্ত্রধারী জঙ্গি। ১২ ঘণ্টা পর কমান্ডো অভিযানে জিম্মি সঙ্কটের অবসান ঘটে; ভেতরে পাওয়া যায় ২০ জনের জবাই করা লাশ, যাদের মধ্যে নয়জনই ইতালির নাগরিক।



নিহতদের মধ্যে ভারতীয় তরুণী তারিশা জৈন (১৯) ঢাকায় এসেছিলেন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী বাবার সঙ্গে ছুটি কাটাতে। তার জন্য, নিহত অন্যদের জন্য প্রদীপ জ্বেলে শোক জানানো হয়েছে কলকাতায়।

ভাষা ও চেতনা নামের একটি সংগঠনের এই আয়োজনে কালো পোস্টারে লেখা ছিল- ‘বাংলাদেশ, উই আর উইথ ইউ।’

গুলশানে ক্যাফেতে জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মরণে বাংলাদেশ রবি ও সোমবার জাতীয় শোক দিবস পালন করছে


http://bdmylove.com

Saturday, 2 July 2016

 একন ফেসবুকে পোস্ট করুন ৪৪ ভাষায়

একন ফেসবুকে পোস্ট করুন ৪৪ ভাষায়

এবার ফেসবুকে পোস্ট করুন ৪৪ ভাষায়

ফেসবুক এমন একটি জায়গা যেখানে দেশ-কাল-ভাষা-সীমানা ছাড়িয়ে যে কেউ আপনার বন্ধু হতে পারেন। তবে অনেক সময়েই আপনি যা পোস্ট করেন বা লাতিন আমেরিকায় থাকা আপনার কোনও বন্ধু যা পোস্ট করেন, তা একে অপরে কিছুই বুঝতে পারেন না। এবার সেই সমস্যার সমাধান নিয়ে এল ফেসবুক। ফেসবুকে আপনি যা পোস্ট করবেন তা এক সঙ্গে ৪৪টি ভাষায় অনুবাদও করা যেতে পারে। তবে শর্ত একটাই, সেটা নিজের ভাষায় লিখতে হবে। অর্থাত্‍ যেভাবে এসএমএস করে বাংলা লেখা হয়, তাতে লিখলে এ কোনো মানে দাঁড়াবে না।

গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এই ফিচারটি পরীক্ষা করা শুরু করে ফেসবুক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বহু ইউজারদের নিয়ে এই পরীক্ষা চালানো হয়। অবশেষে ৫ মাস পরে ফিচারটি প্রত্যেকের জন্য অ্যাক্টিভেট করা হয়। কী ভাবে ব্যবহার করবেন এই ফিচার? প্রথমে যে কোনও একটি ভাষায় নিজের পোস্ট লিখুন। সেটা বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি যা খুশি হতে পারে। তবে ইংরেজি হরফে বাংলা বা অন্য কোনও ভাষায় পোস্ট হলে চলবে না। পোস্ট লেখা হলে তার নীচে একটি অপশন দেখা যাবে 'রাইট পোস্ট ইন অ্যানাদার ল্যাঙ্গুয়েজ'। সেখানেই ইনবিল্ড ৪৪টি ভাষা দেখা যাবে, যার মধ্যে যে কোনো ভাষায় আপনি পোস্ট অনুবাদ করতে পারেন। চাইলে একাধিক ভাষায়ও করতে পারেন।

এ প্রসঙ্গে ফেসবুক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'মাল্টিলিঙ্গুয়াল কমপোজারের মাধ্যমে ফেসবুক ইউজাররা তাঁদের পোস্ট একাধিক ভাষায় অনুবাদ করতে পারবেন। এর ফলে তাঁদের অনেক বন্ধু যাঁরা সেই ভাষায় কথা বলেন বা বুঝতে পারেন তাঁরাও পোস্টটি বুঝতে সক্ষম হবেন। বহু মানুষ একে অপরের সঙ্গে সহজেই ভাষা সমস্যা কাটাতে পারবেন। ফিচারটি যন্ত্রের মাধ্যমেই কাজ করবে। কোটি কোটি পোস্ট এ ভাবে অনুবাদ করে তার মধ্যে ফিড করা হয়েছে যাতে যতটা সম্ভব নির্ভুল অনুবাদ করা যায়।

Thursday, 30 June 2016

৫ ভাইয়ের এক স্ত্রী অবাক করা বিষয়

৫ ভাইয়ের এক স্ত্রী অবাক করা বিষয়

৫ ভাইয়ের এক স্ত্রী!যা আছে মহাভারতে, তা ঘটে চলেছে এই ভারতে। পুরো ব্যাপারটাকে এভাবে বললে ভুল হয় না নিশ্চয়ই। দ্রৌপদীর পাঁচ স্বামী ছিল এবং কীভাবে পাঁচজনকে নিয়ে তিনি দিব্য সংসার সামলাতেন, তা রীতিমতো আলোচনার বিষয়। কিন্তু সে কাজ অনায়াসে সামাল দেন এই ভারতেরই একপ্রান্তের মহিলারা।–যুগান্তর।

হিমালয়ের কোলে কয়েকটি পরিবার এখনও রয়ে গিয়েছে যেখানে এক স্ত্রীর উপরে সমান অধিকার থাকে পরিবারের সব ভাইয়ের। এ নিয়ে অনেকের আপত্তি থাকলেও, যারা এইভাবে সংসার চালাচ্ছেন, তারা কিন্তু সুখে থাকার কথাই বলেন।

দেরাদুনের গ্রামে গেলেই পাওয়া যাবে এমন কয়েকটি পরিবারের সন্ধান। ২১ বছরের রাজ্জো ভার্মার স্বামীর সংখ্যা ৫। তারা পাঁচ ভাই। একেবারে দ্রৌপদীর মতোই। প্রতিরাতেই তিনি একেকজন স্বামীর সঙ্গে কাটান। এ নিয়ে স্বামীদের মধ্যেও কোনও দ্বন্দ্ব নেই। তার দেড় বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তবে কোন স্বামীর ঔরসে তার জন্ম, তা রাজ্জো জানেন না।

রাজ্জো জানাচ্ছেন, তার পরিবারের এই ধারা চলে আসছে অনেক আগে থেকেই। তার মা তিন ভাইয়ের স্ত্রী ছিলেন। পাঁচ স্বামীর মধ্যে কে তার সবথেকে বেশি কাছের? রাজ্জো বলছেন, সকলেই। স্বামীরাও একবাক্যে স্বীকার করছেন, স্ত্রীকে নিয়ে তারা যারপরনাই সুখী।
যে মসলাগুলো সর্দি কাশি দূর করে জেনে নিন

যে মসলাগুলো সর্দি কাশি দূর করে জেনে নিন

যে মসলাগুলো সর্দি-কাশি দূর করতে সাহায্য করে
তাপমাত্রার সামান্য পরিবর্তনে অনেকেরই ঠান্ডা ও কাশি হয়। ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার এই ইনফেকশনকে দূর করার জন্য অনেকে নিজে নিজেই ঔষধ গ্রহণ করেন, কেউ বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সাধারণ ঠান্ডা ও কাশি দূর করতে পারে কিছু মসলা। চলুন যে জেনে নিই সেই মসলাগুলো সম্পর্কে যা ঠান্ডা ও কাশি দূর করতে সাহায্য করে।

১। আদা
ঠান্ডা ও কাশি দূর করার জন্য সকালে ১ কাপ গরম আদা চা পান করুন। ১ কাপ পানিতে ১ চামচ আদা কুচি ও চা-পাতা ফুটিয়ে নিন। এর সাথে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। এতে গলায় শীতল অনুভূতি পাবেন। আদার অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান শুধু লালা নিঃসরণকেই উৎসাহিত করেনা বরং মিউকাস নিঃসরণেও সাহায্য করে। এর মাধ্যমেই কাশির উপসর্গ দূর হয়।

২। হলুদ
প্রাচীন কাল থেকেই সর্দি-কাশি দূর করার জন্য দাদী-নানীরা হলুধ-দুধ ব্যবহার করে আসছেন যা আসলেই অনেক কার্যকরী। হলুদ প্রদাহরোধী উপাদান, কারকিউমিন ও ভোলাটাইল অয়েলে পরিপূর্ণ। তাই হলুদ ঠান্ডা-কাশি ও গলাব্যথা থেকে পরিত্রাণ দিতে পারে।

৩। গোলমরিচ
ব্যাকটেরিয়ানাশক উপাদানে পরিপূর্ণ গোলমরিচ। গোলমরিচ শুধুমাত্র খাবারে উষ্ণ ও মসলাযুক্ত স্বাদই যুক্ত করেনা বরং কফ নরম করে ও নাকের সর্দি পরা বন্ধ করতে সাহায্য করে। গরম স্যুপের উপর গোলমরিচ ছিটিয়ে নিন অথবা ১ চামচ মধুর সাথে ১ চিমটি গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে খালি পেটে খান। এতে ঠান্ডা ও কাশি দূর হবে। তাজা গোল মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করতে পারলে ভালো। কারণ আগে গুঁড়ো করে রাখলে এর গুনাগুণ কিছুটা কমে যায়।

৪। রসুন
তীব্র কাশি ও ঠান্ডা এবং গলাব্যথা যাই হোকনা কেন রসুনের একটি কোয়া চিবানো প্রয়োজন আপনার। রসুনে অ্যালিসিন নামক ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদান থাকে যা ঠান্ডা-কাশি দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ১ টি টমাটো, ২ কোয়া রসুন ও লেবুর রস মিশিয়ে স্যুপ তৈরি করে পান করলে ভালো ফল পাবেন।

৫। দারুচিনি
দারুচিনিতে ভাইরাস নাশক ও ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদান আছে যা শুধু ভারাসের ইনফেকশন প্রতিরোধই করেনা বরং নিরাময়েও সাহায্য করে। ১ কাপ গরম পানিতে দারুচিনি গুঁড়া, ১ চিমটি মরিচের গুঁড়া এবং মধু মিশান। দিনে অন্তত দুই বার এটি পান করুন ভালো ফল পেতে।

৬। লবঙ্গ
নিঃশ্বাসের সজীবতা দিতে পারে লবঙ্গ। প্রতি গ্রাম লবঙ্গে অনেক বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। আধা কাপ জামে যে পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে ঠিক সেই পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে আধা চামচ লবঙ্গে।

৭। মৌরি
পরিপাক প্রক্রিয়াকে শান্ত করতে ও নিঃশ্বাসে সজীবতা আনতে সাহায্য করে মৌরি। পেটের বিভিন্ন রকম সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি ঠান্ডা ও কাশি দূর করতেও সাহায্য করে মৌরি।

Wednesday, 29 June 2016

এখন পোশাকই হবে মোবাইল চার্জার

এখন পোশাকই হবে মোবাইল চার্জার

পোশাকই হবে মোবাইল চার্জার

পোশাক-কে ব্যবহার করা যাবে মোবাইলের চার্জিং স্টেশন হিসেবে- এমন একটি পোশাক বানিয়েছেন হিরাল সাংঘাভি নামের এক ব্যাক্তি।
৩০ বছর বয়সী হিরাল কিকস্টার্টার ক্যাম্পেইনে নতুন এক ধরনের পোশাক নিয়ে আসছেন, যা তারবিহীন মোবাইল চার্জ ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

২০১৫ সালে হিরাল সাংঘাভি কিকস্টার্টার ‘বাউব্যাক্স’ নামের একটি জ্যাকেট তৈরি করে যার জন্য ৯২ লাখ ডলার অনুদান এসেছে। মঙ্গলবার উন্মোচিত তার নতুন এই প্রকল্পের জন্য লাগবে এক লাখ ডলার।

তিনি তার আবিষ্কৃত বাউব্যাক্সকে মোবাইল চার্জারে পরিণত করেছেন, যা ওয়াশিং মেশিন দিয়ে ধোয়াও যাবে। কেননা ভেতরের একটি পকেটের মধ্যে একটি তারবিহীন চার্জিংপ্যাড সেলাই করে ভরে দেওয়া হয়েছে।

এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী তার আইফোনটিও চার্জ করতে পারবেন। কেননা পোশাকটির পকেটে বাউব্যাক্স আইফোন কেইস রয়েছে। তবে, অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা এই কেইসটি ব্যবহার করতে পারবেন না। কেননা তা চার্জ করতে তারবিহীন চার্জিং ক্যাপাবিলিটি তৈরি করা হয়েছে। চার্জের জন্য যে পাওয়ার সোর্সের প্রয়োজন তার জন্য একটি ব্যাটারি ব্যাংকের ব্যবস্থা রয়েছে যা পোশাকটির ওয়ালেটে বহন করা যাবে।

সাংঘাভি জানিয়েছেন, ব্যাটারি ব্যাংকটি একটি স্মার্টফোন, একটি স্মার্টওয়াচে দুই বার ও চারটি ব্লুটুথ ইয়ারফোনকে চার্জ করতে পারে। এই ব্যাটারি ব্যাংকটি একটি বিশেষ বাউব্যাক্স চার্জিং প্যাড দ্বারা চার্জ করা হবে। এটি পুনরায় চার্জ করতে দুই থেকে চার ঘণ্টা সময় নেবে।

সাংঘাভি হংকংয়ে থাকাকালীন তারবিহীন চার্জিং সিস্টেমের এই চিন্তাটি তার মাথায় আসে। তিনি বলেছেন, “আমরা সেখানে নির্মাতাদের সঙ্গে একটি মিটিংয়ে ছিলাম। আমরা আমাদের ডিভাইসটি জিপিএস এবং অন্যান্য জিনিসে অনেক এবং অবিরাম ব্যাটারি চালাতে ব্যবহার করছিলাম।”

বাউব্যাক্স সোয়েট শার্ট, জ্যাকেট এবং রিস্টলেটসহ মোট ২৭টি পণ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই পোশাকগুলোর মূল্য ১৪০ থেকে ১৭০ ডলারের মধ্যে।

প্রত্যেকটি জ্যাকেটের কলার তারবিহীন ইয়ারবাডস চার্জের জন্য প্লাগ পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও জ্যাকেটের স্লিভে অ্যাপল ওয়্যাচ চার্জের ব্যবস্থা আছে।

বাউব্যাক্সের ব্যাটারি ব্যাংক, চার্জিং প্যাড, আইফোন কেইস, রিস্টলেট এবং ওয়ালেটসহ অন্যান্য অংশগুলোর প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা বিক্রি করা হবে।

প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, ২০১৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে গ্রাহকের হাতে পৌঁছে যাবে।

২০১৫ সালে সাংঘাভি প্রথম কিকস্টার্টার প্রকল্প হিসেবে বাউব্যাক্সটি লোকচক্ষুর সম্মুখে আনেন। এটি ট্রাভেল জ্যাকেট হিসেবে তৈরি করেছিলেন। এতে বালিশ, সোডা ক্যান হোল্ডারসহ ১৫টি ফিচার ছিল। বাউব্যাক্স কিকস্টার্টারের চতুর্থ সর্ব্বোচ্চ তহবিল পাওয়া পণ্য।

তার প্রতিষ্ঠানটি লাভজনক অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও ভোক্তাদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হয়েছে। জ্যাকেটগুলো ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রাহকেরা পেয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও বসন্তের আগে পণ্য পাঠানো সম্ভব হয়নি।

এ সম্পর্কে সাংঘাভি বলেছেন, “সাপ্লাই চেইনের সমস্যার জন্য চার মাস দেরি হয়েছে। এটি আমাদের জন্য কষ্টকর একটি অভিজ্ঞতা ছিল।”

তবে তার দ্বিতীয় পণ্যটি অর্থের জন্য নয়। তিনি বলেছেন, “এটি বাজার প্রতিষ্ঠার জন্য। আমরা জানতে চাই আসলেই এমন ধরণের পণ্যের প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা।

Tuesday, 28 June 2016

জেনে নিন কম্পিউটারের সবকিছুই

জেনে নিন কম্পিউটারের সবকিছুই

জেনে নিন কম্পিউটারের সবকিছুইঃ একদমই প্রথম থেকে
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন ।



ইতিহাস

এমন একটি যন্ত্রের নির্মাণ ও ব্যবহারের ধারণা (যা কেবলমাত্র যান্ত্রিকভাবে, মানে যেকোনও রকম বুদ্ধিমত্তা ব্যতিরেকে, গাণিতিক হিসাব করতে পারে) প্রথম সোচ্চার ভাবে প্রচার করেন চার্লস ব্যাবেজ, যদিও তার জীবদ্দশায় তিনি এর প্রয়োগ দেখে যেতে পারেননি। কম্পিউটার বিজ্ঞানের সত্যিকার সূচনা হয় অ্যালান টুরিং এর প্রথমে তাত্ত্বিক ও পরে ব্যবহারিক গবেষণার মাধ্যমে। বর্তমান প্রযুক্তিতে কম্পিউটারের আবদানের অন্তরালে রয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ নিরলস পরিশ্রম, উদ্ভাবনী শক্তি ও গবেষনা স্বাক্ষর। প্রগৈতিহাসিক যুগে গননার যন্ত্র উদ্ভাবিত বিভিন্ন কৌশল/ প্রচেষ্টাকে কম্পিউটার ইতিহাস বলাযায়। প্রাচীন কালে মানুষ সংখ্যা বুঝানোর জন্য ঝিনুক, নুড়ি, দড়ির গিট ইত্যাদি ব্যবহার করত। পরবর্তিতে গননার কাজে বিভিন্ন কৌশল ও যন্ত্র ব্রবহার করে থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গননা যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ অ্যাবাকাস থেকেই কম্পিউটারের ইতিহাসের শুভযাত্রা। অ্যাবাকাস ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গননা করার যন্ত্র। খ্রিষ্ট পূর্ব ৪৫০/৫০০ অব্দে মিশরে/ চীনে গননা যন্ত্র জিসেবে অ্যাবাকাস তৈরি হয়।



১৬১৭ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার (John Napier) গণনা কাজে ছাপা বা দাগ কাটাকাটি/ দন্ড ব্যবহার করেন । এসব দন্ড নেপিয়ার (John Napier) এর অস্থি নামে পরিচিত।



১৬৪২ সারে ১৯ বছর বয়স্ক ফরাসি বিজ্ঞানী ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন। তিনি দাঁতযুক্ত চাকা বা গিয়ারের সাহায্যে যোগ বিয়োগ করার পদ্ধতি চালু করেন।



১৬৭১ সালের জার্মান গণিতবিদ হটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দন্ড ব্যবহার করে গণ ও ভাগের ক্ষমতাসম্পন্ন আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তেরি করেন।। তিনি যন্ত্রটির নামদেন রিকোনিং যন্ত্র (Rechoning Mechine)। যন্ত্রটি তত্ত্বগত দিক দিয়ে ভাল হলেও যান্ত্রিক আসুবিধার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি।




পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার bjgtut(Tomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের অসুবিধা দূর করে লাইবানজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।



এর পর ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের আধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ১৮২৩ সালে ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine) বা বিয়োগফল ভিত্তিক গননার যন্ত্র উদ্ভাবন করেন।





একটু সহজ করে বলা যায় –

কম্পিউটার (computer) শব্দটি গ্রিক কম্পিউট(compute)শব্দ থেকে এসেছে। compute শব্দের অর্থ হিসাব বা গণনা করা।আর computer শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র।কিন্তু এখন আর কম্পিউটারকে শুধু গণনাকারী যন্ত্র বলা যায় না। কম্পিউটার এমন এক যন্ত্র যা তথ্যগ্রহণ করে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ ও উপস্হাপন করে। দেশে প্রথম কম্পিউটার আসে ১৯৬৪ সালে।


কম্পিউটার সিস্টেম

সিস্টেম হলো কতগুলো ইন্টিগ্রেটেড উপাদানের সম্মিলিত প্রয়াস যা কিছু সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কাজ করে।কম্পিউটার সিস্টেমের উপাদানগুলো নিম্নরুপ :-

১. হার্ডওয়্যার,

২. সফট্‌ওয়্যার,

৩. হিউম্যানওয়্যার বা ব্যবহারকারী,

৪. ডেটা/ইনফরমেশন।

হার্ডওয়্যার (Hardware)

কম্পিউটারের বাহ্যিক আকৃতি সম্পন্ন সকল যন্ত্র,যন্ত্রাংশ ও ডিভাইসসমূহকে হার্ডওয়্যার বলে।কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে তিনভাগে ভাগ করা যায়।

ক * ইনপুট যন্ত্রপাতিঃ কী-বোর্ড,মাউস,ডিস্ক,স্ক্যানার,কার্ড রিডার,ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

খ * সিস্টেম ইউনিটঃ হার্ডডিস্ক,মাদারবোর্ড,এজিপি কার্ড ইত্যাদি।

গ * আউটপুট যন্ত্রপাতিঃ মনিটর,প্রিন্টার,ডিস্ক,স্পিকার ইত্যাদি।

সফট্ওয়্যার (software)

সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে সাজানো নির্দেশমালাকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম করে তাকেই সফট্ওয়্যার বলে।কম্পিউটারের সফট্ওয়্যারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ক * সিস্টেম সফট্‌ওয়্যার : সিস্টেম সফট্‌ওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য কম্পিউটারের সামর্থ্যকে সার্থকভাবে নিয়োজিত রাখে। খ * অ্যাপ্লিকেশন সফট্‌ওয়্যার : ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহিত প্রোগ্রামকে অ্যাপ্লিকেশন সফট্‌ওয়্যার বলে।ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক রকম তৈরি প্রোগ্রাম বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে পাওয়া যায়, যাকে সাধারণত প্যাকেজ প্রোগ্রামও বলা হয়।

হিউম্যানওয়্যার বা ব্যবহারকারী (Humanware)

ডেটা সংগ্রহ,প্রোগ্রাম বা ডেটা সংরক্ষণ ও পরীক্ষাকরণ,কম্পিউটার চালানো তথা প্রোগ্রাম লিখা,সিস্টেমগুলো ডিজাইন ও রেকর্ড লিপিবদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ,সফট্‌ওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন ইত্যাদি কাজগুলোর সাথে যুক্ত সকল মানুষকে একত্রে হিউম্যানওয়্যার (Humanware) বলা হয়।

ডেটা/ইনফরমেশন

ইনফরমেশন বা তথ্যের ক্ষুদ্রতম একককে ডেটা বলে।ডেটা হল সাজানো নয় এমন কিছু বিশৃঙ্খল ফ্যাক্ট (Raw Fact)ডেটা প্রধানত দুরকম –

(ক)নিউমেরিক (Numeric) ডেটা বা সংখ্যাবাচক ডেটা। যেমন – ২৫,১০০,৪৫৬ ইত্যাদি।

(খ)অ-নিউমেরিক (Non-Numeric) ডেটা। যেমন – মানুষ,দেশ ইত্যাদির নাম,জীবিকা,জাতি কিংবা ছবি,শব্দ ও তারিখ প্রভৃতি।

অপারেটিং সিস্টেম

অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এমন একটি সফ্টওয়্যার যা কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশনকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং যা সিডিউলিং,ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট কন্ট্রোল,একাউন্টিং,কম্পাইলেশন,স্টোরেজ অ্যাসাইনমেন্ট,ডেটা ম্যানেজমেন্ট,এবং আনুষঙ্গিক কাজ করে থাকে। বর্তমানে মাইক্রো কম্পিউটার বা পিসিতে বহুল ব্যবহিত অপারেটিং সিস্টেমগুলো হলো – PC DOS,MS WINDOWS 95/98/2000,UNIX,UBUNTU,LinuxMint,MANDRIVA,DEBIAN,Fedora, MAC OSX,WINDOWS XP,WINDOWS Vista,WINDOWS 7.

কম্পিউটারের রয়েছে প্রচুর ব্যাবহার| ঘরের কাজ থেকে শুরু করে ব্যাবসায়িক, বৈজ্ঞানিক ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে এর অপরিসীম ব্যাবহার| সর্বোপরি যোগাযোগ ক্ষেত্রে এটি এনেছে অনন্য বিপ্লব| চিকিৎসা ও মানবকল্যানেও এটি এক অনন্য সঙ্গী| এক কথায় কম্পিউটার এমন এক যন্ত্র যা প্রায় সকল কাজ করতে সক্ষম।

কম্পিউটারের প্রকার

প্রয়োগের তারতম্যের ভিত্তিতে কম্পিউটারকে দুভাগে ভাগ করা যায়।



সাধারণ ব্যবহারিক কম্পিউটার।
বিশেষ ব্যবহারিক কম্পিউটার।
আবার কম্পিউটারের গঠন ও প্রচলন নীতির ভিত্তিতে একে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।



এনালগ কম্পিউটার।
ডিজিটাল কম্পিউটার।
হাইব্রিড কম্পিউটার।
আকার, সামর্থ্য, দাম ও ব্যবহারের গুরুত্বের ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়।



মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
মিনি কম্পিউটার।
মাইক্রো কম্পিউটার।
সুপার কম্পিউটার।
নিচে কম্পিউটারের পূর্ণাঙ্গ শ্রেণীবিভাগ দেখানো হলো :

এনালগ কম্পিউটার

যে কম্পিউটার একটি রাশিকে অপর একটি রাশির সাপেক্ষে পরিমাপ করতে পারে,তাই এনালগ কম্পিউটার। এটি উষ্ণতা বা অন্যান্য পরিমাপ যা নিয়মিত পরিবর্তিত হয় তা রেকর্ড করতে পারে।মোটর গাড়ির বেগ নির্ণায়ক যন্ত্র এনালগ কম্পিউটারের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।



ডিজিটাল কম্পিউটার

যে কম্পিউটার সংখ্যা ব্যবহারের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে তাই ডিজিটাল কম্পিউটার। এটি যে কোন গণিতের যোগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে এবং বিয়োগ,গুণ ও ভাগের মতো অন্যান্য অপারেশন যোগের সাহায্যে সম্পাদন করে। যে কারনে



হাইব্রিড কম্পিউটার

হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সর্বোত্তম বৈশিষ্ট্যগুলোর সমন্বয়ে গঠিত। এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহার করা হয়। সুতরাং বলা যায়, প্রযুক্তি ও ভিত্তিগত দিক থেকে এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের আংশিক সমন্বয়ই হচ্ছে হাইব্রিড কম্পিউটার।



মেইনফ্রেম কম্পিউটার

মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি বড় কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেকগুলো ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে এক সঙ্গে অনেক কাজ করতে পারে। জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণায়,উচ্চস্তরের প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ,বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের শৈল্পিক ব্যবহারে এটা কাজে লাগে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে ও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যবহার করে – cyber 170,ibm-4300.




মিনি কম্পিউটার

যে কম্পিউটার টার্মিনাল লাগিয়ে প্রায় এক সাথে অর্ধ শতাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে তাই মিনি কম্পিউটার। এটা শিল্প-বাণিজ্য ও গবেষণাগারে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।যেমন – pdp-11,ibms/36,ncrs/9290. যেমন সেটি



মাইক্রো কম্পিউটার

মাইক্রো কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি বলেও অভিহিত করা হয়। ইন্টারফেস চিপ, একটি মাইক্রোপ্রসেসর cpu এবং ram, rom সহযোগে মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়। দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে এ কম্পিউটারের ব্যবহার দেখা যায়।ম্যকিনটোস আইবিএম পিসি এ ধরনের কম্পিউটার।



সুপার কম্পিউটার

অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটারকে সুপার কম্পিউটার বলে।এ কম্পিউটারের গতি প্রায় প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ক্যারেক্টর।পৃথিবীর আবহাওয়া বা কোনো দেশের আদমশুমারির মতো বিশাল তথ্য ব্যবস্হাপনা করার মতো স্মৃতিভান্ডার বিশিষ্ট কম্পিউটার হচ্ছে সুপার কম্পিউটার।CRAY 1, supers xll এ ধরনের কম্পিউটার।
খোসা না ফেলে দিয়ে জেনে নিন কিকি গুন

খোসা না ফেলে দিয়ে জেনে নিন কিকি গুন

ফেলে দেবেন না, জেনে নিন কোন খোসার কী গুণ
কোন কোন ফল খোসাসমেত খান আপনি? আপেল, শশা, আর কী কী? আর সব্জির মধ্যে? খোসা সমেত খান বা খোসা ছাড়িয়ে, বেশ কিছু ফল ও সব্জির খোসা অত্যন্ত উপকারী। জেনে নিন - এমনই কিছু ফল ও সব্জি যার খোসা ফেলে না দিয়ে অবশ্যই লাগাতে পারেন কাজে।

আপেল : আপেলের শাঁসের তুলনায় খোসায় ৮৭ শতাংশ বেশি ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে। যা ক্যানসার রুখতে সাহায্য করে।

কলা : কলার খোসায় ভিটামিন বি৬, বি১২, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম রয়েছে। কলার শাঁসের তুলনায় খোসায় ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকায় হজমেও সাহায্য করে।

কমলা লেবু : গোটা কমলা লেবুতে যে পরিমাণ ফাইবার থাকে তার চেয়ে চার গুণ বেশি ফাইবার থাকে খোসায়। ফ্লাভনয়েড থাকায় ইউ ভি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে কমলা লেবুর খোসা। ত্বকের ক্যানসার রুখতেও উপকারী কমলা লেবুর খোসা।

আলু : জানেন কি আলুর শাঁসের থেকেও ১৭ গুণ বেশি আয়রন থাকে আলুর খোসায়?

শশা : শশার খোসা খেতে যেমন উপকারী, তেমনই ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায়, রোদে পোড়া দাগ, চোখের কোলের কালি দূর করতেও দারুণ কাজ করে শশার খোসা।

তরমুজ : বাইরের সবুজ খোসা নয়, ভিতরের সাদা নরম খোসা দারুণ উপকারী। তাই শুধু লাল অংশ খেয়েই তরমুজ ফেলে দেবেন না, সাদা অংশ মুখে মাখলেও উপকার পাবেন।

গাজর : টোম্যাটো বা লাল ক্যাপসিকাম আমরা খোসাসমেতই খাই। কমলা রং হওয়ার কারণে গাজরের খোসাও সমান উপকারী।

লেবু : লেবুর খোসা হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে যেমন সাহায্য করে, তেমনই শরীর থেকে টক্সিন দূর করে ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

আম : অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে দারুণ কাজ করে আমের খোসা। কোলেস্টেরল কমাতে যেমন সাহায্য করে, তেমনই হজমেও সাহায্য করে আমের খোসা।

লাউ : লিভার পরিষ্কার রাখতে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ও ওজন কমাতে দারুণ উপকারী লাউয়ের খোসা।
নারীর মন জয়ের সহজ ৫ কৌশল

নারীর মন জয়ের সহজ ৫ কৌশল

নারীর মন জয়ের সহজ ৫ কৌশল

নারীর মন বোঝা নাকি বেজায় কঠিন। তবে এই নারীর মন জয় করা সহজ ব্যাপার হবে যদি আপনার সাধারণ কিছু কৌশল জানা থাকে। জেনে নেওয়া যাক কি সেই পাঁচটি গুন—

৫. যে কোনও পরিস্থিতিতে যার হাসানোর ক্ষমতা থাকে
মেয়েরা চায় সেন্স অফ হিউমার বা কৌতূকবোধ থাকা ছেলেদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে। গুরুগম্ভীর নয় মুখে সবসময় হাসি থাকা মানুষই মেয়েদের কাছের লোক হয়। কোনও মেয়ে কোনও ছেলেকে ভালোবাসলে তার প্রাথমিক শর্ত ছেলেটার মুখের হাসিটা। আর তার হাসানোর ক্ষমতাটা। বুদ্ধিদীপ্ত কিছু হাসির কথা, কিংবা সঠিক সময়ে মজার কিছু কথা বলে ফেলা পুরুষদের মেয়েরা নিজের অজান্তেই পছন্দ করে ফলে। তারপর সেই পছন্দটা ভালোলাগায় পরিণত হতে পারে।

৪. ভাল শ্রোতা, স্পষ্ট বক্তা
মেয়েরা বলতে খুব ভালোবাসে। সমীক্ষা বলছে, ছেলেদের থেকে মেয়েরা সাধারণত ভালো বক্তা হয়। মেয়েরা চায় একজন ভালো শ্রোতা। তবে সবসময় হ্যাঁ-তে হ্যাঁ, না তে না বলা নয়, মেয়েরা চায় তার পুরুষ সঙ্গীটি যেন ভালো শ্রোতা হয়ে কথার রসদ জোগান। ভালো শ্রোতার পাশাপাশি স্পষ্ট বক্তা ছেলেদের, মেয়েরা বেশি পছন্দ করে। পেটে এক আর মুখে আরেক সে রকম পুরুষ মেয়েদের পছন্দ নয়।

৩. নিজের মত করে থাকতে দেওয়া
একজন মেয়ে চায় সে তার মত থাকবে। অবশ্য নিয়মশৃঙ্খলা মানবে, কিন্তু কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া নয়। যার সঙ্গে কথা বলতে ভালোলাগে, তার সঙ্গে কথা বলবে, মিশবে। যা খেতে-পরতে ভালোলাগে তাই করবে। তুমি এটা করো না, ওটা করো না, এর সঙ্গে কথা বলো না। এসব কথা শুনতে মেয়েরা ভালোবাসে না।

২. লেখক, কবি, চিত্রকর অথবা শিল্পী
মেয়েরা সৃজনশীল বা ক্রিয়েটিভ মানুষদের বেশি পছন্দ করে। যে কারণে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের চেয়ে লেখক, কবি, চিত্রকর বা পরিচালক-অভিনেতাদের প্রেমিকার সংখ্যা সাধারণত বেশি হয়। আসলে মেয়েদের একটা আলাদা জগত থাকে, সেই জগত্‍টা সৃজনশীলতার, নতুন কিছু করার। তাই সৃষ্টিশীল মানুষদের সঙ্গে মিশলে মেয়েরা বাড়তি অক্সিজেন পায়, প্রেমেও পড়ে।

১. যারা মনের জোর বাড়াতে পারে
মেয়েরা চায় এমন কোনও পুরুষকে যারা পাশে থেকে মনের জোর বাড়াতে পারে। মেয়েদের মনের জোর অনেক। কিন্তু সেই মনের জোর আরও বাড়ানোর জন্য পাশে কাউকে পেলে সে অনেক বড় কিছু করতে পারে। মেয়েরা চায় সব পরিস্থিতিতে এমন কোনও পুরুষ থাকুক যারা তাদের মনের জোর বাড়াবে