Wednesday, 1 June 2016

না দেখলেই মিস করবেন নিউটনের জীবনের মজার ঘটনা

না দেখলেই মিস করবেন নিউটনের জীবনের মজার ঘটনা

সকল পোস্ট
নির্বাচিত পোস্ট

পোস্টটি যিনি লিখেছেন
কাব্য রহমান
অনুসরণ করুন

ফেসবুকে লাইক, ধর্ম অবমাননা এবং নতুন সাইবার আইন
নিউটন এর জীবনে কিছু মজার ঘটনা!
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





২০০৫ সনে রয়েল সোসাইটি বিজ্ঞানের ইতিহাসে কার প্রভাব সবচেয়ে বেশী এ প্রশ্ন নিয়ে একটি ভোটাভুটির আয়োজন করে। ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, এক্ষেত্রে নিউটন আইনস্টাইনের চেয়েও অধিক প্রভাবশালী।স্যার আইজাক নিউটনের জন্ম ৪ জানুয়ারী, ১৬৪৩ জন্মলগ্ন থেকে তিনি ছিলেন রুগ্ন প্রকৃতির এক বালক। অথচ স্কুলে দুষ্টমিতে সেরা ছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও শিক্ষকগণ মুগ্ধ ছিল তাঁর অসাধারণ জ্ঞান-প্রতিভায়। মূলত নিউটনের আগ্রহ ছিল গণিত ও বলবিজ্ঞানের উপর।তিনি ছিলেন একাধারে পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক, আলকেমিস্ট।

ঘটনা- ১

একদিনের এক মজার ঘটনা। ছোট্র নিউটন লক্ষ্য করলেন, স্কুলের অধ্যক্ষের শ্যালক প্রায়ই স্কুলে আসতে দেরি করতেন। চিন্তা করতে করতে হঠাৎ তাঁর মাথায় বুদ্ধি আসলো। সেই মুহূর্তে নিউটন বলে ওঠলেন, স্যার আপনার জন্য একটা ঘড়ি তৈরি করে দিচ্ছি যা দিয়ে ঠিক সময়ে স্কুলে আসতে পারবেন। কিন্তু নিউটন ঘড়িটা তৈরি করলেন কিভাবে? তিনি যে ঘড়িটা তৈরি করলেন সেই ঘড়ির উপরে থাকতো পানির পাত্র। প্রতিদিন নির্দিষ্ট ফোঁটা ফোঁটা পানি ঘড়ির কাঁটার উপরে পড়ত। এর ফলে ঘড়ির কাঁটা আপন গতিতে এগিয়ে চলতো সামনের দিকে। এভাবে সময় গণনা করা হতো!

ঘটনা- ২

একবার নিউটন তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে বাসায় নিমন্ত্রণ করলেন। তারপর যথারীতি ভুলে গেলেন। কিন্তু বন্ধুটি দুপুরে সময়মতো নিউটনের বাসায় এসে দেখেন তিনি নেই। টেবিলে ঠিকই খাবার সাজানো রয়েছে। বন্ধুটি ভাবলেন, নিউটন হয়তো জরুরী কোন কাজে বাসার বাইরে গিয়েছেন, খবর দেয়ার সুযোগ পায়নি। তাই বন্ধুটি দেরী না করে টেবিলে ঢাকা খাবার খেয়ে নিয়ে নিউটনের বিছানায় দিব্যি ঘুম দিলেন। এদিকে নিউটন বাসায় ফিরে দেখলেন তাঁর বন্ধুটি বিছানায় ঘুমাচ্ছে। নিউটন কিছুটা অবাক হয়ে ভাবলেন, তবে কি তিনি ভুল করে নিজের বাসায় না এসে বন্ধুর বাসায় চলে এলেন? কিন্তু টেবিলে ঢাকা খাবার দেখে পরক্ষণেই বুঝলেন তিনি নিজের বাসাতেই আছেন। বন্ধুটি খাবারের পর খালি পাত্রগুলো আবার তেমনই সাজিয়ে রেখেছিলেন। নিউটন খেতে গিয়ে দেখলেন সব খালি। তখন তিনি ভাবলেন যে তিনি নিশ্চয়ই ভুলে গিয়েছেন যে তিনি আগেই খাবার খেয়ে বেরিয়েছিলেন। তাই নিশ্চিন্ত মনে তিনি কাজে ডুবে গেলেন।

ঘটনা-৩

বিজ্ঞানী ও সাধকগণ কখনো কখনো এমন আত্মমগ্নতায় বিভোর হন যেনো সবকিছুই ভুলে যান সেই সাধনার মুহূর্তে। এমনিভাবে নিউটন কোন নতুন বৈজ্ঞানিক ভাবনায় ডুবে থাকতেন। আরও একদিনের ঘটনা। একজন লোক তাঁর বাড়িতে এসে একটা প্রিজম (তিনকোণা কাঁচ) দেখিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এর দাম কত হতে পারে। সেই ব্যক্তি নিউটনের কাছে এই প্রিজমটি বিক্রির জন্যই এসেছিল। এ সময় নিউটন প্রিজমের বৈজ্ঞানিক গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বললেন, এর প্রকৃত মূল্য নির্ণয় করা তাঁর সাধ্যের বাইরে। ফলে লোকটি বেশি দাম চাইল। নিউটন সেই দামেই প্রিজমটি কিনে ফেললেন। তোমরা জেনে অবাক হবে, পরবর্তীকালে এই প্রিজম থেকে তিনি উদ্ভাবন করেন বর্ণতত্ত্ব (The theory of color)


১৬৪৭ সালে নিউটনের Philosophiac Naturalis pricipia Mathmatica প্রকাশিত হয়।১৬৮৪-১৬৮৬ সালে তিনি লেখেন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘প্রিন্সপিয়া’।১৬৮৭ সালে স্যার আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের যে কোন ‌দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষন বলকে একটি সূত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করেন। এটি নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। ১৭০৩ সালে নিউটন পেলেন এক অভূতপূর্ব সম্মান। তিনি রয়াল সোসাইটির সভাপতি। আমৃত্যু তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে তিনি বলেছিলেন:

“আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল। ”

১৭২৭ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ তারিখে ৮৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাকে লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে-তে সমাধিস্থ করা হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৫১

posted from Bloggeroid

স্যার আইজ্যাক নিউটনের জীবনী দেখে নিন

স্যার আইজ্যাক নিউটনের জীবনী দেখে নিন

গডফ্রে নেলার কর্তৃক স্যার আইজ্যাক নিউটনের ৪৬ বছর বয়সের স্থির প্রতিকৃতি
জন্ম জানুয়ারি ৪ ১৬৪৩ [ওএস: ডিসেম্বর ২৫ ১৬৪২][১]
উল্‌সথর্প-বাই-কোল্‌স্টারওয়ার্থ, লিংকনশায়ার, ইংল্যান্ড
মৃত্যু মার্চ ৩১ ১৭২৭ [ওএস: মার্চ ২০ ১৭২৭][১]
কেনসিংটন, লন্ডন, ইংল্যান্ড
বাসস্থান England
জাতীয়তা ইংরেজ
কর্মক্ষেত্র ধর্মতত্ত্ব, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, প্রাকৃতিক দর্শন, এবং আলকেমি
প্রতিষ্ঠান কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, রয়েল সোসাইটি
প্রাক্তন ছাত্র ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
অ্যাকাডেমিক উপদেষ্টারা আইজাক ব্যারো[২]
পরিচিতির কারণ নিউটনীয় বলবিজ্ঞান
সর্বজনীন মহাকর্ষ
ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ক্যালকুলাস
আলোকবিজ্ঞান
দ্বিপদী উপপাদ্য
ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা
স্যার আইজ্যাক নিউটন (ইংরেজি: Sir Isaac Newton) (জন্মঃ জানুয়ারি ৪, ১৬৪৩ – মৃত্যুঃ মার্চ ৩১, ১৭২৭) প্রখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক এবং আলকেমিস্ট। অনেকের মতে, নিউটন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী বিজ্ঞানী।[৩] ১৬৮৭ সনে তার বিশ্ব নন্দিত গ্রন্থ ফিলসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা প্রকাশিত হয় যাতে তিনি সর্বজনীন মহাকর্ষ এবং গতির তিনটি সূত্র বিধৃত করেছিলেন। এই সূত্র ও মৌল নীতিগুলোই চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে, আর তার গবেষণার ফলে উদ্ভূত এই চিরায়ত বলবিজ্ঞান পরবর্তী তিন শতক জুড়ে বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার জগতে একক আধিপত্য করেছে। তিনিই প্রথম দেখিয়েছিলেন, পৃথিবী এবং মহাবিশ্বের সকল বস্তু একই প্রাকৃতিক নিয়মের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। কেপলারের গ্রহীয় গতির সূত্রের সাথে নিজের মহাকর্ষ তত্ত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি এর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হয়েছিলেন। তাঁর গবেষণার ফলেই সৌরকেন্দ্রিক বিশ্বের ধারণার পেছনে সামান্যতম সন্দেহও দূরীভূত হয় বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ত্বরান্বিত হয়।

বলবিজ্ঞানের ভিত্তিভূমি রচনা করেছেন নিউটন। রৈখিক এবং কৌণিক ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্রের মাধ্যমে তিনি এই ভিত্তি রচনা করেন। আলোকবিজ্ঞানের কথায় আসলে তার হাতে তৈরি প্রতিফলন দূরবীক্ষণ যন্ত্রের কথা এসে যায়। একই সাথে তিনি আলোর বর্ণের উপরএকটি তত্ত্ব দাড় করান যা একটি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন। পর্যবেক্ষণটি ছিল ত্রিভুজাকার প্রিজমের মধ্য দিয়ে যাওয়া আলোর বিক্ষেপণের উপর যার মাধ্যমে দৃশ্যমান বর্ণালীর সৃষ্টি হয়েছিল। শব্দের দ্রুতি এবং শীতলীকরণ প্রক্রিয়া বিষয়েও তিনি গবেষণা পরিচালনা করেন যা থেকে নিউটনের শীতলীকরণ সূত্র এসেছে।

গণিতের জগতেও নিউটনের জুড়ি মেলা ভার। নিউটন এবং লাইবনিজ যৌথভাবে ক্যালকুলাস নামে গণিতের একটি নতুন শাখার পত্তন ঘটান। এই নতুন শাখাটিই আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে বিপ্লব সাধনে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া নিউটন সাধারণীকৃত দ্বিপদী উপপাদ্য প্রদর্শন করেন, একটি ফাংশনের শূন্যগুলোর আপাতকরণের জন্য তথাকথিত নিউটনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন এবং পাওয়ার সিরিজের অধ্যয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

২০০৫ সনে রয়েল সোসাইটি বিজ্ঞানের ইতিহাসে কার প্রভাব সবচেয়ে বেশী এ প্রশ্ন নিয়ে একটি ভোটাভুটির আয়োজন করে। ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, এক্ষেত্রে নিউটন আইনস্টাইনের চেয়েও অধিক প্রভাবশালী।[৪]

জীবনী সম্পাদনা

মূল নিবন্ধ: আইজাক নিউটনের জীবন
প্রাথমিক জীবন সম্পাদনা

উল্‌সথর্প ম্যানরে নিউটনের বাড়ি
আধুনিক বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৬৪৩ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা জানুয়ারিতে আইজাক নিউটন জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্মস্থান লিঙ্কনশায়ারের উল্‌সথর্প ম্যানরে। ম্যানর অঞ্চলটি উল্‌সথর্প-বাই-কোল্‌স্টারওয়ার্থের মধ্যে অবস্থিত। নিউটনের যখন জন্ম হয় তখনও ইংল্যান্ডে সমসাময়িককালের আধুনিকতম প্যাপাল বর্ষপঞ্জির ব্যবহার শুরু হয়নি। তাই তার জন্মের তারিখ নিবন্ধন করা হয়েছিল ১৬৪২ সনের ক্রিস্‌মাস দিবস হিসেবে। তিনি তার পিতা আইজাকের মৃত্যুর তিন মাস পর জন্ম নেন। তার বাবা গ্রামের একজন সাধারণ কৃষক ছিলেন। জন্মের সময় নিউটনের আকার-আকৃতি ছিল খুবই ছোট। তার মা হানাহ্‌ এইসকফ প্রায়ই বলতেন ছোট্টবেলার সেই নিউটনকে অনায়াসে একটি কোয়ার্ট মগের ভিতর ঢুকিয়ে দেয়া যেতো। তিন বছর বয়সে তার মা আরেকটি বিয়ে করেন এবং নতুন স্বামী রেভারেন্ড বার্নাবাউস স্মিথের সাথে বসবাস করতে থাকেন। এসময় নিউটন তার মায়ের সাথে ছিলেন না। নানী মার্গারি এইসকফের তত্ত্বাবধানে তার দিন কাটতে থাকে। নিউটন তার সৎ বাবাকে পছন্দ করতে পারেননি। তার মা এই লোককে বিয়ে করেছে বলে মায়ের প্রতি তার কিছুটা ক্ষোভও ছিল। নিউটন তার ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত করা পাপ কাজগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিলেন। সেই তালিকা থেকে মায়ের প্রতি তার এই ক্ষোভের প্রমাণ পাওয়া যায়। তালিকায় লিখা ছিল: "আমার বাবা ও মা-কে এই বলে ভয় দেখানো যে আমি তাদের থাকবার ঘর জ্বালিয়ে দেবো"। জনৈকা মিস স্টোরির সাথে নিউটনের বাগদান হয়, কিন্তু পড়াশোনা ও গবেষণায় খুব বেশি নিমগ্ন থাকার কারণে নিউটন বিয়ে করেননি।[৫][৬][৭]

নিউটনের প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন হয় বাড়ির পাশের এক ক্ষুদ্রায়তন স্কুলে। ১২ বছর বয়সে তাকে গ্রান্থামের ব্যাকরণ স্কুলে পড়াশোনার জন্য পাঠানো হয়। সেখানে তিনি এক ঔষধ প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতার বাড়িতে থাকতেন। এই স্কুলে নিউটন ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বি যা থেকে তার মেধার পরিচয় পাওয়া যায়। প্রথমদিকে তার সাথে কেউ না পরলেও এক সময় আরেকটি ছেলে তার সাথে ভালো প্রতিযোগিতা করতে সমর্থ হয়েছিল। স্কুল জীবনের প্রথম থেকেই নিউটনের সবচেয়ে বেশী ঝোঁক ছিল বিভিন্ন ধরণের যন্ত্র তৈরির প্রতি। সেই বয়সেই তিনি উইন্ডমিল, জল-ঘড়ি, ঘুড়ি এবং সান-ডায়াল তৈরি করেছিলেন। এছাড়া তার গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ ছিল একটি চার চাকার বাহন যা আরোহী নিজেই টেনে চালাতে পারতেন। ১৬৫৬ খ্রিস্টাব্দে নিউটনের সৎ বাবা মারা যান। এরপর তার মা উল্‌সথর্পে ফিরে এসে তাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। উদ্দেশ্য ছিল বাড়িতে ক্ষেত-খামারের কাজ শিখিয়ে ভবিষ্যতের বন্দোবস্ত করে দেয়া। কিন্তু সত্বরই তিনি বুঝতে পারেন যে, খামারের কাজের দিকে নিউটনের কোন ঝোঁক নেই। নিউটনের কাকা ছিলেন বার্টন কগলিসের রেক্টর। এই চাচার উপদেশ শুনেই পরিবার থেকে তাকে কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে পড়াশোনার জন্য পাঠানো হয়।

ট্রিনিটি কলেজে নিউটন সম্পাদনা

কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে নিউটনের মূর্তি
নিউটন ট্রিনিটি কলেজ থেকে ১৬৬১ সনে মেট্রিকুলেশন পাশ করেন। কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি তার পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য কলেজের বিভিন্ন স্থানে ভৃত্যের কাজ করতেন। ছাত্র হিসেবে বড় কোন কিছু তিনি করেছেন বলে ট্রিনিটি কলেজের কোন দলিলপত্র লেখা নেই। তবে জানা যায় তিনি মূলত গণিত ও বলবিজ্ঞান বিষয়ে অধিক পড়াশোনা করেছিলেন। ট্রিনিটি কলেজে প্রথমে তিনি কেপলারের আলোকবিজ্ঞান বিষয়ক সূত্রের উপর অধ্যয়ন করেন। এরপর অবশ্য তিনি ইউক্লিডের জ্যামিতির প্রতি মনোনিবেশ করেন। কারণ মেলা থেকে কেনা জ্যোতিষ শাস্ত্রের একটি বইয়ে উল্লেখিত বেশ কিছু রেখাচিত্র তিনি বুঝতে পারছিলেন না। এগুলো বোঝার জন্য ইউক্লিডের জ্যামিতি জানা থাকাটা আবশ্যিক ছিল। তা সত্ত্বেও নিউটন বইটির কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এটি অকিঞ্চিৎকর বই হিসেবে সরিয়ে রাখেন। কিন্তু পরবর্তীতে তার শিক্ষক আইজাক ব্যারো তাকে বইটি আবার পড়তে বলেন। বইটি লেখা হয়েছিল দেকার্তের জ্যামিতিক গবেষণা ও কর্মের উপর।

স্নাতক শিক্ষা গ্রহণকালে নিউটন একটি ছোট বইয়ের তাক বা এ ধরণের কোন স্থানে তার সব বই সাজিয়ে রাখতেন। সেই তাক থেকে নিউটনের সে সময়ে লেখা বেশ কিছু নিবন্ধ পাওয়া গেছে। এই লেখাগুলোর বিষয়ের মধ্যে রয়েছে: কৌণিক বিভাজন, বক্রসমূহের বর্গকরণ,সঙ্গীতের অনন্য সুর সম্বন্ধে কিছু গাণিতিক হিসাব, ভিয়েটা এবং ভ্যান স্কুটেনের জ্যামিতিক সমস্যা, ওয়ালিস রচিত এরিথমেটিক অফ ইনফিনিটিস বইয়ের উপর কিছু মন্তব্য, গোলীয় আলোক গ্লাসের ঘর্ষণের ফলাফল, লেন্সের ত্রুটি এবং সকল ধরণের মূল বের করার সূত্র। ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে স্নাতক ডিগ্রী লাভের প্রাক্কালেই নিউটন তার বিখ্যাত দ্বিপদী উপপাদ্য বিষয়ক সূত্র প্রমাণ করেন এবং একইসাথে ফ্লাক্‌সিয়নের পদ্ধতি (method of fluxion) আবিষ্কার বিষয়ক প্রথম তত্ত্ব প্রদান করেন। ট্রনিটি কলেজের এই দিনগুলো তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু ১৬৬৫ সনে কেমব্রিজ এবং লন্ডনে প্লেগ রোগ মহামারী আকার ধারণ করে। এর ফলে কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। নিউটন লিংকনশায়ারে তাদের খামর বাড়িতে ফিরে যান।

লিংকনশায়ারে গবেষণা কাজ সম্পাদনা
উল্‌সথর্প ফিরে এসেও নিউটন থেমে থাকেননি। সেখানে মূলত রসায়ন এবং আলোকবিজ্ঞান বিষয়ের উপর বিভিন্ন পরীক্ষণ চালিয়ে যেতে থাকেন এবং একইসাথে চলতে থাকে তার গাণিতিক অনূধ্যানের প্রকল্পসমূহ। নিউটন তার মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কার বিষয়ক দিনপঞ্জির সূচনা চিহ্নিত করেছিলেন এই ১৬৬৬ সনকেই, যে সনে তাকে ট্রিনিটি কলেজ ছেড়ে যেতে হয়েছিল। এ সম্বন্ধে তিনি বলেছেন:

একই সালে আমি চাঁদের কক্ষপথে বিস্তৃত অভিকর্ষ নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করি,... চাঁদকে তার নিজ কক্ষপথে ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় বল এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠতলে বিরাজমান অভিকর্ষ বলের মধ্যে তুলনা করি এবং এই দুটি বলের মান প্রায় সমান বলে চিহ্নিত করতে সক্ষম হই।

একই সময়ে তিনি আলোকবিজ্ঞান বিষয়ে তার একটি মৌলিক পরীক্ষণের কাজ সম্পন্ন করেন। এই পরীক্ষণের মাধ্যমে তিনি সাদা আলোর গাঠনিক অংশসমূহ আবিষ্কারে সক্ষম হন। আলোকবিজ্ঞান বিষয়ে তার প্রাথমিক এই কাজ সম্বন্ধে নিউটন নিজেই মন্তব্য করেছেন:

এই সব কিছু আমি করেছিলাম মাত্র দুই বছর তথা ১৬৬৫ এবং ১৬৬৬ সনের মধ্যে, কারণ আমর জীবনের যেকোন সময়ের তুলনায় ওই সময়ে আমি বিশেষ উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে ছিলাম যে পর্যায়ে উদ্ভাবন এবং মনকেন্দ্রিক গণিত ও দর্শন চিন্তার বিকাশ ঘটেছিল।


১৭০২ সনে নিউটন। গডফ্রে নেলার কর্তৃক অঙ্কিত চিত্র।
আলোক বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণা সম্পাদনা
১৬৬৭ সনে ট্রিনিটি কলেজ পুনরায় খোলা হয়। এবার কলেজ নিউটনকে ফেলো নির্বাচিত করে[৮] এবং এর দুই বছর পর অর্থাৎ তার ২৭তম জন্মদিনের কিছুদিন আগে তিনি সেখানকার গণিত বিভাগের লুকাসিয়ান অধ্যাপক নিযুক্ত হন। তার আগে ট্রিনিটি কলেজের এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তারই বন্ধু ও শিক্ষক ডঃ বারো। তখনকার সময়ে কেমব্রিজ এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো হতে হলে কাউকে অবশ্যই প্রতিষ্ঠিত অ্যাংগ্লিকান ধর্মপ্রচারক হতে হতো। আবার লুকাসিয়ান অধ্যাপকদের চার্চের সাথে যোগাযোগ থাকা নিষিদ্ধ ছিল, কারণ তা বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষতি করতে পারে। নিউটন লুকাসিয়ান অধ্যাপক হওয়ার সময় এই শর্ত থেকে নিজে অব্যাহতি চান। তখনকার রাজা চার্লস ২ তার দাবী মেনে নিয়ে তাকে অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করেন। এতে অ্যাংগ্লিকানদের সাথে নিউটনের ধর্মীয় চিন্তাধারার বিরোধের অবসান ঘটে। এরই মধ্যে ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে নিউটন একটি প্রতিফলন দূরবীক্ষণ যন্ত্র তৈরি করে ফেলেছিলেন। ১৬৭১ সনের ডিসেম্বরে নিউটন দ্বিতীয় আরেকটি দূরবীন তৈরি করে রয়েল সোসাইটিকে উপহার দেন। এর দুই মাস পর রয়েল সোসাইটির একজন ফেলো হিসেবে তিনি আলো সম্বন্ধে তার আবিষ্কারসমূহ প্রচার করেন এবং এর মাধ্যমে আলো সম্বন্ধে একটি বিতর্কের সূচনা করেন। অনেক বছর ধরে এই বিতর্ক অব্যাহত ছিল। এই বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন রবার্ট হুক, লুকাস, লিনাস পাউলিং এবং আরো অনেকে। নিউটন অবশ্য এ ধরণের বিতর্ককে সবসময়ই বিস্বাদ জ্ঞান করতেন। আলো সম্বন্ধে এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি তত্ত্বের পক্ষে অবস্থাননিয়ে একটি বিতর্কের জন্ম দেয়ার জন্য তিনি নিজের প্রজ্হাকেই দোষারোপ করতেন। আলোক বিজ্র্ঞান সম্বন্ধে তার গবেষণাপত্রসমূহের অধিকাংশই ১৬৭২ সন থেকে ১৬৮৪ সনের মধ্যে রয়েল সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হয়। তার এই গবেষণাপত্রগুলোই ১৭০৪ সনে তার অপটিক্‌স নামক গ্রন্থে সংকলিত হয়েছিল।

প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা প্রকাশ সম্পাদনা

প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা বইয়ের ছবি
১৬৮৪ সনের পূর্বে নিউটন মহাকর্ষ সম্বন্ধে তার গবেষণাকর্মগুলো প্রকাশের তেমন কোন তাগিদ অনুভব করেন নি। এর মধ্যে হুক, এডমান্ড হ্যালি এবং স্যার ক্রিস্টোফার রেন মহাকর্ষ সম্বন্ধে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু তত্ত্ব বা তথ্য আবিষ্কার করেছিলেন যদিও তারা কেউই গ্রহের কক্ষপথ সম্বন্ধে কোন সুনির্দিষ্ট তত্ত্ব প্রদানে সক্ষম হন নি। ঐ বছর বিজ্ঞানী এডমুন্ড হ্যালি এ বিষয়টি সম্বন্ধে নিউটনের সাথে কথা বলেন এবং এই দেখে অবাক হন যে নিউটন বিষয়টি এতোদিনে সমাধান করে ফেলেছেন। নিউটন হ্যালির কাছে চারটি উপপাদ্য এবং সাতটি সমস্যা প্রস্তাব করেন যেগুলো তার গবেষণা কাজের মূল অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। ১৬৮৫ এবং ১৬৮৬ সালের মধ্যে প্রায় সতের-আঠার মাস জুড়ে তার লেখা সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ তথা ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা রচনা করেন যার ইংরেজি নাম দেয়া হয় Mathematical Principles of Natural Philosophy। এই গ্রন্থের তিনটি অংশ আছে। নিউটন তৃতীয় অংশটিকে সংক্ষিপ্ত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হ্যালি তাকে তৃতীয় অংশটি বিস্তারিত লেখার ব্যাপারে উৎসাহিত করেন। রয়েল সোসাইটি গ্রন্থটি প্রকাশের অর্থ সংকুলানে অপারগতা প্রকাশ করে। এবারও হেলিই এগিয়ে আসেন। তিনি বইটি প্রকাশের সমস্ত ব্যয়ভার বহন করেন এবং এর ফলে ১৬৭৮ সনে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় এই বইটি প্রকাশিত হয়। প্রকাশের পর সমগ্র ইউরোপ জুড়ে এটি বিপুল সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তখনকার সময়ের সবচেয়ে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হিসেবে খ্যাত ক্রিশ্চিয়ান হাইগেন্‌স ১৬৮৯ সনে নিউটনের সাথে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করার জন্য ইংল্যান্ডে যান।

সরকারী চাকরি ও ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে গবেষণা সম্পাদনা
প্রিন্সিপিয়া গ্রন্থে উল্লেখিত মূলনীতিসমূহ নিয়ে কাজ করার সময়ই নিউটন বিশ্ববিদ্যালয় কার্যাবলীতে আরও সক্রিয় হয়ে উঠেন। এ সময় রাজা জেমস ২ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বময় কর্তৃত্ব এবং আনুগত্যের শপথ অস্বীকার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। নিউটন তার এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ও বিরোধিতা করায় কেমব্রিজ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। রাজনীতির কাজ শেষে যখন তিনি পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন তখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই অসুস্থতার কারণে ১৬৯২ - ১৬৯৩ সনে তিনি প্রায় সকল কর্মে অক্ষম ছিলেন। এর ফলে তার সহকর্মী ও বন্ধু-বান্ধবের মাঝে প্রভূত উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। রোগ থেকে আরোগ্য লাভের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করে সরকারের জন্য কাজ শুরু করেন। তার বন্ধু লক, রেন এবং লর্ড হালিফাক্সের সহযোগিতায় তিনি প্রথমে ১৬৯৫ খ্রিস্টাব্দে ইংলেন্ড সরকারের ওয়ার্ডেন অফ দ্য মিন্ট এবং পরবর্তীতে মাস্টার অফ দ্য মিন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এই মাস্টার অফ দ্য মিন্ট পদেই বহাল ছিলেন।

অপর দিকে জীবনের প্রথম ভাগ থেকেই নিউটন ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে পড়াশোনা করে আগ্রহ পেতেন। ১৬৯০ সনের আগে থেকেই তিনি ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। সে সময় তিনি লকের কাছে লেখা পত্রে এ সম্বন্ধে বিস্তারিত বর্ণনা দেন। এই পত্রটির নাম ছিল An Historical Account of Two Notable Corruptions of The Scriptures। এই পত্রটি ট্রিনিটির দুইটি প্যাসেজ বিষয়ে লেখা। এছাড়াও তিনি মৃত্যুর পূর্ব একটি পাণ্ডুলিপি লিখে যান। এর নাম Observations on the Prophecies of Daniel and the Apocalypse। এছাড়াও বাইবেলের কিছু সমালোচনা, ভাষ্য ও টীকা তিনি রচনা করেছিলেন।

শেষ জীবন সম্পাদনা
জীবনের শেষ ৩০ বছর নিউটন গাণিতিক মূলনীতিসমূহের উপর খুব কমই মৌলিক অবদান রাখতে পেরেছেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] কিন্তু এ বিষয়ে তার উৎসাহ এবং দক্ষতার কোন অভাব তখনও ছিল না। ১৬৯৬ সালে তিনি এক রাতে একটি গাণিতিক সমস্যার সমাধান করে ফেলেন। এই সমস্যাটি বার্নোলি একটি প্রতিযোগিতায় প্রস্তাব করেছিলেন এবং এর সমাধানের সময় বরাদ্দ ছিল ৬ মাস। আবার ১৭১৬ সনে তিনি মাত্র কয়েক ঘন্টায় একটি সমস্যার সমাধান করে ফেলেন। বিজ্ঞানী লিবনিজ এই সমস্যাটিকে ইংরেজ বিশেষজ্ঞদের জন্য রোমহর্ষক এবং দুঃসাধ্য বলে উল্লেখ করেছিলেন। এ সময় দুইটি বিষয়ে তিনি বেশ উদ্বিগ্ন ছিলেন। একটি হল তার কিছু জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার জ্যোতির্বিজ্ঞানী রয়েলের পর্যবেক্ষণের সাথে খাপ খায়নি। এ নিয়ে একটি বিতর্ক ছিল। অন্যটি হল ক্যালকুলাস আবিষ্কার নিয়ে লিবনিজের সাথে বিতর্ক ও বিরোধ। তিনি প্রিন্সিপিয়া গ্রন্থটিকে পুনরায় সংশোধন করে ১৭১৩ খ্রিস্টাব্দে এর নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেন।

ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে-তে নিউটনের সমাধিস্থল
নিউটনের বৈজ্ঞানিক গবেষণাসমূহ তাকে প্রভূত সম্মান এনে দিয়েছিল। তিনি ইংল্যান্ডের বিচারালয়ে একজন জনপ্রিয় পরিদর্শক ছিলেন। ১৭০৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি নাইট উপাধিতে ভূষিত হন। সমগ্র মহাদেশ থেকেই তার জন্য বিভিন্ন সম্মাননা এসেছিল। তখনকার নেতৃস্থানীয় সকল বিজ্ঞানীর সাথেই তার যোগাযোগ ছিল। তার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য এতো অধিক সংখ্যক বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান ছাত্রের আগমন ঘটতো যে তিনি বিরক্ত হয়ে যেতেন। এতো সম্মান পেয়েও নিউটন এক সময় বিনয় প্রকাশ করেছেন। মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে তিনি বলেছিলেন:

আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল।

১৭২৫ খ্রিস্টাব্দের পর নিউটনের স্বাস্থ্যের ব্যাপক অবনতি ঘটে। এর ফলে একজন ডেপুটি মিন্টে তার কাজ মওকুফ করার ব্যবস্থা করে দেন। ১৭২৭ সনের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি শেষবারের মত রয়েল সোসাইটির সভাপতি হিসেবে কার্য পরিচালনা করেন। ১৭০৩ সাল থেকেই তিনি এই সোসাইটির সভাপতি ছিলেন। ১৭২৭ খ্রিস্টাব্দের ২০ মার্চ তারিখে ৮৫ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাকে লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে-তে সমাধিস্থ করা হয়।

posted from Bloggeroid

চাকুরীর খবর দেখে নিন

চাকুরীর খবর দেখে নিন

ক্যাটাগরি : তথ্য প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ
সাপোর্ট ইঞিজিনিয়ার - এমআইএস

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ অব কোম্পানী
এই কোম্পানির অন্যান্য সব চাকরি
চাকরির বিবরণ / দায়িত্বসমূহ
ইউজার সাপোর্ট, কপার এবং ফাইবার সহ LAN MAN WAN ডিজাইন করা, নেটওয়ার্ক এবং হার্ওেয়্যার জ্ঞান।
কপার ও ফাইবার দিয়ে LAN MAN WAN ডিজাইন করা।
নেটওয়ার্ক এবং হার্ওেয়্যার রক্ষণাক্ষেণ, সুইচ এবং রাউটার কনফিগার, লিনাক্স কনফিগারেশন।
ফ্যাক্টরী এবং অফিসে আইটি এবং হার্ডওয়্যার সংশ্লিষ্ট কার্যসমূহ।
ফ্যাক্টরী এমআইএম সাপোর্ট করা।
চাকরির ধরন
ফুল টাইম
শিক্ষাগত যোগ্যতা
কোনো স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হতে সিএসই / আইটি তে বি.এসসি।
অন্যান্য যোগ্যতা
বয়স ২৪ থেকে ৩০ বছর
নেটওয়ার্ক টপোলজির জ্ঞান।
প্রোটোকল স্যুইটে সাধারণ ধারণা।
কম্যুনিকেশন মিডিয়াম।
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারে ভালো ধারণা।
দিনে এবং রাতে কাজ করার মানসিকতা।
পরিশ্রমী।
ইংরেজীতে দক্ষতা ।
আন্তঃব্যক্তিগত দক্ষতা।
কর্মস্হল
ঢাকা, হবিগঞ্জ, নরসিংদী
বেতন সীমা
আলোচনা সাপেক্ষ
অন্যান্য সুবিধাদি
কোম্পানীর বিধি মোতাবেক।
উত্স
বিডিজবস.কম অনলাইন জব পোস্টিং
অনলাইনে আবেদন
আবেদনকারীকে অবশ্যই জীবনবৃত্তান্তের সাথে ছবি পাঠাতে হবে

আবেদনের শেষ তারিখ : জুন ৩০, ২০১৬
কোম্পানীর তথ্য
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ অব কোম্পানী
ঠিকানা : কর্পোরেট হেডকোয়ার্টারঃ প্রাণ-আরএফএল সেন্টার, ১০৫ মধ্য বাড্ডা, ঢাকা - ১২১২, বাংলাদেশ ।
ওয়েব : Web: www.pranrflgroup.com

posted from Bloggeroid

চাকুরির খবর দেখে নিন

চাকুরির খবর দেখে নিন

ক্যাটাগরি : মেডিকেল/ফার্মাসিউটিক্যাল
অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট

Aichi হাসপাতাল লিমিটেড
এই কোম্পানির অন্যান্য সব চাকরি
চাকরির বিবরণ / দায়িত্বসমূহ
অর্থোপেডিক বিভাগের জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট আবশ্যক।
কাজ / চাকরির ধরন: ফুলটাইম
রোগীদের পরামর্শপ্রদান।
অর্থোপেডিক সার্জারি অপারেট করা।
রোগীকে প্রেরণা এবং উপদেশ প্রদান।
চাকরির ধরন
ফুল টাইম
শিক্ষাগত যোগ্যতা
বিএমডিসি নিবন্ধন ও এমএস (অর্থো)সহ এমবিবিএস, এমবিবিএস এর পর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ২/৩ বছরের অভিজ্ঞতা, তবে বিশেষ দক্ষতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা শিথিলযোগ্য।
অভিজ্ঞতা
২ থেকে ৩ বছর
অন্যান্য যোগ্যতা
বয়স ৪৫ বছর অথবা এর নীচে
বিজ্ঞাপনের তারিখ হতে বয়স ৪৫ বছরের বেশি হওয়া যাবে না।
কর্মস্হল
ঢাকা
বেতন সীমা
আলোচনা সাপেক্ষ
উত্স
বিডিজবস.কম অনলাইন জব পোস্টিং
আবেদনের নিয়মাবলী
আপনার জীবনবৃত্তান্ত যেখানে পাঠাবেন aichi_hospital@yahoo.com অথবা মাই বিডিজবসের মাধ্যমে পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন
যোগ্য প্রার্থীদের নিম্নোক্ত ঠিকানায় ৪ঠা জুন, ২০১৬ এর মধ্যে সিভি, ৩ কপি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সকল শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট পাঠাতে হবে। Aichi হাসপাতাল লিমিটেড,প্লট # ৩৫ & ৩৭, সেক্টর # ০৮, আবদুল্লাহপুর, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০। ইমেইল:aichi_hospital@yahoo.com
আবেদনকারীকে অবশ্যই জীবনবৃত্তান্তের সাথে ছবি পাঠাতে হবে

আবেদনের শেষ তারিখ : জুন ৪, ২০১৬
কোম্পানীর তথ্য
Aichi হাসপাতাল লিমিটেড
ঠিকানা : হাসপাতাল কমপ্লেক্স: প্লট # ৩৫ & ৩৭, সেক্টর # ০৮, আবদুল্লাহপুর, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০
ব্যবসা : A Computerized Modern Hospital And Diagnostic Centre

posted from Bloggeroid

অনিবন্দ্বিত সিম বন্দ হয়ে গেল আজ রাত ১২

অনিবন্দ্বিত সিম বন্দ হয়ে গেল আজ রাত ১২

'দুঃ‌খিত, এই নম্ব‌রে সং‌যোগ দেওয়া সম্ভব নয়

ঢাকা: জি‌রো আওয়ার, অর্থাৎ রাত ১১টা ৫৯ মি‌নিট ৫৯ সে‌কে‌ন্ডের পর অ‌নিব‌ন্ধিত সিম বন্ধ শুরু হ‌য়ে‌ গেছে।

'দুঃখিত, এই নম্ব‌রে আপনার কল‌টি সং‌যোগ দেওয়া সম্ভব নয়'- রাত ১২টার পর অ‌নিব‌ন্ধিত সিম দি‌য়ে কল কর‌লেই গ্রাহক এমন ভ‌য়েস শুন‌তে পা‌চ্ছেন তার মোবাইল সং‌যো‌গ থে‌কে।

সরকা‌রি নি‌র্দেশনা অনুযায়ী, রাত ১২টার পর সব অ‌নিব‌ন্ধিত সিম বন্ধ ক‌রে দেওয়া শুরু ক‌রে দি‌য়ে‌ছে ‌মোবাইল অপা‌রেটরগু‌লো।

অবশ্য সিমগু‌লো বন্ধ কর‌তে দুই দি‌নের মতো সময় লাগ‌তে পা‌রে জানিয়েছে অপা‌রেটরগু‌লো। অ‌নিব‌ন্ধিত সিমগু‌লো দুই মাস বন্ধ রে‌খে আগস্ট থে‌কে গ্রাহক‌দের কেনার সু‌যোগ রাখা হ‌লেও সোমবার (৩০ মে) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এক নি‌র্দেশনায় জা‌নি‌য়ে‌ছিলো, ১ জুন থে‌কে ৪৫০ দিন পর্যন্ত গ্রাহক নির্ধা‌রিত ফি দি‌য়ে সিম চালু কর‌তে পার‌বে গ্রাহকরা। সে‌ক্ষে‌ত্রে তা‌কে বা‌য়ো‌মে‌ট্রিক ভে‌রি‌ফি‌কেশন ক‌রে নি‌তে হ‌বে।

৩১ মে রাত ১২টার আগ পর্যন্ত সব অপা‌রেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টার এবং রি‌টেইলার প‌য়েন্টগু‌লো‌তে গ্রাহক‌দের প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ত‌বে নেটওয়ার্ক জ‌টিলতায় ‌সি‌মের বা‌য়ো‌মে‌ট্রিক ভে‌রি‌ফি‌কেশ‌নে বেগ পে‌তে হ‌য়ে‌ছে গ্রাহক‌দের।

৬টি অপা‌রেট‌রের ১৩ কো‌টি ২০ লাখ সি‌মের ম‌ধ্যে সা‌ড়ে ১০ কো‌টির ওপ‌রে সিম পুনঃনিব‌ন্ধিত হ‌য়ে‌ছে শেষ সময় পর্যন্ত।

গত বছ‌রের ১৬ ডি‌সেম্বর থে‌কে চালুর পর আঙু‌লের ছাপ দি‌য়ে পুনঃ‌নিবন্ধ‌নের সম‌য়ের পর অর্থাৎ ১ জুন থে‌কে বন্ধ সং‌যোগগু‌লো চালু কর‌তে নতুন সিম কেনার সমপ‌রিমাণ অর্থ গুণ‌তে হ‌বে গ্রাহক‌দের।

নিয়মানুযায়ী, সিম নি‌স্ক্রিয় হ‌য়ে গে‌লে ১৫ মাস পর্যন্ত গ্রাহক এই ফি দি‌য়ে সংযোগ চালু কর‌তে পারবেন। পরবর্তী‌তে তিন মা‌সের নো‌টিশ দি‌য়ে অপা‌রেটরগু‌লো বন্ধ সি‌ম নতুন গ্রাহ‌কের কা‌ছে বি‌ক্রি কর‌তে পার‌বে।

বা‌য়ো‌মে‌ট্রিক নিবন্ধন প্র‌ক্রিয়ায় গ্রাহ‌কের আঙু‌লের ছাপ নি‌য়ে তা এনআইডি তথ্য ভাণ্ডা‌রে মেলা‌নোর পর গ্রাহ‌কের কা‌ছে তথ্য গে‌লে সিম‌টি নিব‌ন্ধিত হয়।

এ‌দি‌কে, আগামী জুলাই থে‌কে গ্রাহক তার না‌মে কয়‌টি সিম নিব‌ন্ধিত হ‌য়ে‌ছে তা জান‌তে পার‌বেন ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন ডাক টে‌লি‌যোগা‌যোগ প্র‌তিমন্ত্রী তারানা হা‌লিম।


posted from Bloggeroid

 চালু হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গ

চালু হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গ

ঢাকা: বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম ও গভীরতম রেল সুড়ঙ্গ (রেল টানেল) চালু হচ্ছে ইউরোপীয় দেশ সুইজারল্যান্ডে। প্রায় দুই দশক ধরে চলা নির্মাণ কাজ শেষে এই সুড়ঙ্গ ব্যবহারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। বুধবার (০১ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

৫৭ কিলোমিটার (৩৫ মাইল) দীর্ঘ রেল সড়ঙ্গটি সুইস আল্পসের (পবর্তাঞ্চল) নিচ দিয়ে ইউরোপের উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। সুইজারল্যান্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, ইউরোপে মালাবাহী পরিবহনের ক্ষেত্রে এটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।



সারা বছর প্রায় লাখখানি লরি ওই রুটে মাল বহন করে। সুড়ঙ্গটি চালু হলে মালবহন করা অনেক সহজ ও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে সড়ঙ্গপথে ট্রেন যোগে প্রতি ট্রিপে ৩২৫ জন যাত্রী পাড়ি জমাতে পারবেন।

বিশ্বের বর্তমান দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গটি রয়েছে জাপানে। ‘ছেইখান’ নামে ওই রেল সুড়ঙ্গটির দৈর্ঘ্য ৫৩ দশমিক ৯ কিলোমিটার। নবনির্মতি ৫৭ কিলোমিটার সুড়ঙ্গটি চালু হলে বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গের রেকর্ডটির দখলদার হবে সুইজারল্যান্ড।




খুব শিগরিই আলোচিত এই সুড়ঙ্গ উদ্বোধন করা হবে, তবে উদ্বোধনের তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুইজারল্যান্ডের শীর্ষ কর্তা, জার্মান চ্যান্সেল অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ, ইতালির রাজনীতিবিদ মেটিও রনজিসহ বিশিষ্টজনেরা অংশ নেবেন।

দেশটির ফেডারেল ট্রান্সপোর্ট অফিসের পরিচালক পিটার ফুগ্লিসটালার বলেন, ‘সুড়ঙ্গটি সুইজদের পরিচয় একটি অংশ

posted from Bloggeroid

Tuesday, 31 May 2016

রোজার ২০টি টিপস দেকে নিন

রোজার ২০টি টিপস দেকে নিন

পবিত্ররমজান মাস আসলে ছোট বড় নারী পুরুষভেদে প্রায় সকল মুমিন মুসলমান রোজা রাখেন।

এক্ষেত্রে দীর্ঘ ১১ মাসের স্বাভাবিক আহার,নিদ্রা, নিয়ম-নীতির কিছুটা ব্যত্যায় ঘটে। এরপরও
একজন রোজাদার কিছু পরামর্শ অনুসরণ করলে থাকতে পারেন সুস্থ, সবল এবং রাখতে পারেন
সৃষ্টিকর্তার বড় নিয়ামত রোজা।
কিভাবে রোজা রেখে সারাটি মাস সুস্থ থাকবেন এই নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সূত্রের আলোকে রোজাদারদের প্রতি আমাদের পরামর্শ।
১. রমজানে যাদের চিকিত্সা নিতে হয় তারা এবং যারা সুস্থ থেকে রোজা পালন করতে চান
তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে চিকিত্সার পরামর্শ নেয়া উচিত।
২. রোজায় পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান গ্রহণ, পানি শূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত পানি পান এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার।
৩. সেহেরীর সময় অতিরিক্ত আহার করবেন না।
খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত আশ জাতীয় শর্করা খাবার রাখুন। বেশী আমিষ খান এবং খাদ্য
তালিকায় রাখতে হবে সবজি-ফল।
৪. দিনের গরমের সময় ঠান্ডা যায়গায় বিশ্রাম নিন। সম্ভব হলে শারীরিক পরিশ্রম কমিয়ে দিন।
৫. ইফতারির সময় খেজুর, প্রচুর শরবত, দুধ, ফলের রস বেশী না খেয়ে মাগরিব এর পর হালকা খাবার যেমন স্যুপ ও অন্যান্য হালকা খাবার খেতে হবে। রক্তে চিনির মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে খাদ্য তালিকায় কিছুটা মিষ্টি জাতীয় খাদ্য রাখুন।
৬. রাতের খাবারের ক্ষেত্রে সুষম খাদ্য তালিকা অনুসরণ করুন। অতিরিক্ত খাবার বর্জন করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৭. চা, কফি, সোডা পান থেকে বিরত থাকুন।
৮. মৌসুমী ফল দিয়ে তৈরী ডেজার্ট খেতে পারেন।
৯. ইফতারির পর থেকে ঘুমাতে যাবার আগ পর্যন্ত অন্তত: ৮ গ্লাস পানি পান করুন।
১০. সন্ধ্যায় হালকা ব্যায়াম যেমন: ১৫-২০ মিনিট হাটার অভ্যাস করুন।
১১. তেলে ভাজা খাবার ও অধিক মসলাযুক্ত ঝাল
খাবার পরিহার করুন। এসব খাবারে বুক জ্বালাপোড়া ও হজমে সমস্যা হয়।
১২. প্রতিদিন অন্তত: ১টা মাল্টিভিটামিন সেবনের চেষ্টা করুন।
১৩. কয়েক বার দাঁত পরিষ্কার ও ফ্লসিং করুন। (রোজাদারগণ এটা করে থাকেন)
১৪. দিনে কয়েকবার হাত মুখ ওয়াশ করুন। (রোজাদারগণ এটা করে থাকেন)
১৫. ধূমপান ত্যাগ করুন।
১৬. পর্যাপ্ত ঘুমানোর জন্য আপনার ঘুমের একটা নির্দিষ্ট
সময় নির্ধারণ করুন।
১৭. রোজা রেখে অধিক ও অপ্রয়োজনীয় আলাপ আলোচনা থেকে বিরত থাকুন।
১৮. রোজায় যাদের অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার ও উচ্চ রক্তচাপ থাকে তারা চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন বিধি পুন: নির্ধারন
করুন।
১৯. রোজা রেখে আকষ্মিক
কোন অসুস্থতা যেমন; অতিমাত্রায় দুর্বলতা, অসস্থি থাকলে সম্ভব হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন অথবা ব্লাড প্রেসার পরীক্ষা করুন।
২০. গুরুতর অসুস্থতায় রোজা ভঙ্গের প্রয়োজন হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন অথবা শরীয়তের
বিধান অনুসরণ করুন।
সোর্সঃ দৈনিক ইত্তেফাক ।
ক্যাটেগরি: ধর্ম

posted from Bloggeroid

ইসলামিক টিপস

ইসলামিক টিপস

সব শিয়ালই মুরগির স্বাধীনতা চায়, যেন অবাধে তারা মুরগি খেতে পারে ---! তেমনি সকল খারাপ লোকেরাই রাস্তায় নারীর স্বাধীনতা চায়, যেন অবাধে তারা খারাপীর মাএা বাড়িয়ে দিতে পারে। """ পর্দাই মেয়েদের আসল নিরাপদ থাকার স্থান """ ঝিনুকের ভিতরে মুক্তা যেমন নিরাপদ থাকে, তেমনি নারীরা পর্দায় নিরাপদ থাকে।

posted from Bloggeroid

মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দামই বেশি ভালো ছেলেদের নয় কেন জেনে নিন

মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দামই বেশি ভালো ছেলেদের নয় কেন জেনে নিন

কলেজের সবচেয়ে বখাটে ছেলেটিও
এই পর্যন্ত তিন তিনটা প্রেম করে
ফেললো। আর আমি এতো ভালো ছাত্র
হয়েও একটি প্রেমও হলো না এখন পর্যন্ত
– হয়তো এমন কথাটি আপনার মনে
ঘুরপাক খাচ্ছে। তাহলে কি মেয়েদের
কাছে খারাপ ছেলেদের দাম বেশি?
ভালো ছেলেদের কি কোন দামই
নেই? এই প্রশ্নগুলো কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছেলেদের
মনেই ঘুরে। খারাপ ছেলেদের প্রতি
মেয়েদের এতো আকর্ষন কেন?
স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নটা মনে
জাগতে পারে যখন কেউ দেখা যায়
যে খারাপ ছেলেরা খুব সহজেই
মেয়েদের পটিয়ে ফেলছে। আর
মেয়েরাও খারাপ ছেলেদের প্রতি
তীব্র আকর্ষণ বোধ করছে। কিন্তু এর
কারণ কি? ভালো ছেলেদের বদলে
খারাপ ছেলেদের প্রতি এমন আকর্ষণ
কি অস্বাভাবিক নয়? জেনে নিন
কারনগুলো ।
* চ্যালেঞ্জ নেয়া : মেয়েরা
চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। আর একটা
খারাপ ছেলের সাথে সম্পর্ক করাকে
তাঁরা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে
নেয়। চ্যালেঞ্জটা হলো একটা খারাপ
ছেলেকে ধীরে ধীরে ভালো করে
তোলা। কিন্তু এই কঠিন চ্যালেঞ্জে
বেশিরভাগ মেয়েকেই হেরে যেতে
হয়। কারণ খুব কম ক্ষেত্রেই একটা খারাপ
ছেলে ভালো পথে ফিরে আসতে
পারে। সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো
একটা ছেলেকে খারাপ পথ থেকে
ভালো পথে ফিরিয়ে আনার পর সেই
মেয়েটিই ঐ ছেলের প্রতি আগ্রহ
হারিয়ে ফেলে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে
ফেলে। কারণ যেসব স্বভাবের কারণে
মেয়েটির কাছে ঐ ছেলেটিকে
ভালো লেগেছিলো, সেই
স্বভাবগুলো আর ছেলেটির মধ্যে খুঁজে
পায় না। ফলে ছেলেটির প্রতি
মেয়েটির আগ্রহ কমে যায়।
* আত্মবিশ্বাস : মেয়েরা
আত্মবিশ্বাসী ছেলেদেরকে পছন্দ
করে। আর খারাপ ছেলেদের মধ্যে
আত্মবিশ্বাসের কোনো কমতি থাকে
না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা
অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয় অথবা
আত্মবিশ্বাসী না হলেও অভিনয় করে।
তাই স্বাভাবিক ভাবেই মেয়েরাই
এধরণের ছেলেদের প্রতি বেশি
আকর্ষণবোধ করে এবং এই আকর্ষণের
কারণে মেয়েরা একটা ভুল সম্পর্কের
দিকে এগিয়ে যায়।
* পৌরুষ : খারাপ ছেলে বললে আপনার
চোখে সবার প্রথমে কি ভেসে উঠে?
কালো সানগ্লাস, মোটর সাইকেল,
মুখে সিগারেট আর ট্যাটু? এই
বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্যই বেশিরভাগ
নারীর কাছেই খারাপ ছেলেদেরকে
বেশি পুরুষত্বের অধিকারী মনে হয়।
ফলে এ ধরণের ছেলেদেরকে তাঁরা
সাহসী ভাবে এবং তাদের সংস্পর্শে
মেয়েরা নিজেদেরকে বেশি
নিরাপদ মনে করে। যদিও প্রকৃতপক্ষে
খারাপ ছেলেদের সংস্পর্শ কখনোই
নিরাপদ হতে পারে না।
* রহস্য : মেয়েদের কাছে খারাপ
ছেলেদেরকে রহস্যময় লাগে। একটা
খারাপ ছেলে কি করছে, তার
জীবনযাত্রা কেমন, কোথায় যাচ্ছে
এসব নিয়ে বেশিরভাগ মেয়েই বেশ
উৎসাহী থাকে। আর এই রহস্য উৎঘাটনের
নেশার বশেই ভুল পথে পা বাড়ায়
মেয়েরা।
* সম্পর্কে আধিপত্য : যে সব মেয়েরা
পুরুষের উপর বেশি নির্ভরশীল থাকতে
পছন্দ করে তাঁরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে
সঙ্গীর আধিপত্যও পছন্দ করে। একটু
বখাটে ধরণের বদমেজাজি ছেলেরা
সঙ্গীর উপর জোর করে আধিপত্য দেখায়।
তারা চায় তার স্ত্রী কিংবা
বান্ধবী সব কিছু তার কথা মতই করুক এবং
তার অনুমতি নিয়ে চলুক।
* কথাবার্তা : বেশিরভাগ খারাপ
ছেলেরাই মেয়েদের পটিয়ে অভ্যস্ত।
কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা
বলতে এগিয়ে যেতে হবে, কিভাবে
প্রেমের প্রস্তাব দিতে হবে কিংবা
প্রশংসা করতে হবে এগুলো তাঁরা বেশ
ভালো করেই জানে। এসব ক্ষেত্রে
তাদের কোনো জড়তা কাজ করে না।
ফলে তাঁরা সহজেই মেয়েদেরকে
পটিয়ে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করে।
ভালো ছেলেরা একটু লাজুক প্রকৃতির
হয়। ফলে একটা মেয়ের সাথে নিজে
থেকে এগিয়ে গিয়ে পরিচিত হতে
কিংবা সখ্যতা গড়ে তুলতে বেশ সময়
লেগে যায় তাদের। আর এই সুযোগের
ব্যবহার করে খারাপ ছেলেরা। ফলে
তাঁরা বেশ সহজেই মেয়ে পটিয়ে
ফেলতে পারে।

posted from Bloggeroid

আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেকে হাড়ল স্বামী।

আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেকে হাড়ল স্বামী।

ভারতে ! মহাভারতের যুধিষ্ঠিরের ‘যোগ্য
উত্তরসূরী’ হিসেবে দেশটির কানপুরের এক
স্বামী আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেখে
হারলেন।

এনডিটিভি খবর অনুযায়ী, ভারতের কানপুরের
গোবিন্দ নগরের বাসিন্দা গুনধর স্বামী জাসমিত
নান্দা পেশায় শেয়ার ট্রেডার। তাঁর স্ত্রীর
অভিযোগ বিয়ের পরের দিনই স্বামী তাঁর সব
গয়না চেয়ে নেন। আজ আর তাঁর একটাও
অবশিষ্ট নেই। তাও জুয়ার নেশা শেষ হয়নি।
আইপিএল শুরু হওয়া থেকেই একের পর এক বাজি
রেখে সব খুইয়ে বসেছেন। শেষে
নিজের বউকেও বাজি ধরে বসেন।
স্বামীর এই কীর্তির কথা স্ত্রী জানতে
পারেন যখন স্বামীর জুয়ার সঙ্গীরা তাঁর সঙ্গে
অশালীন আচরণ করতে শুরু করেন। তাঁকে
অশ্রাব্য কথা বলতে শুরু করেন। লাঞ্ছনা, নিগ্রহ
কিছুই বাদ যায়নি। শেষপর্যন্ত এক ব্যক্তির সহায়তায়
কোনোক্রমে পুলিশে খবর দেন ওই
নারী।
পরে পুলিশ এসে গ্রেপ্তার করে তাঁর
স্বামীকে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।
ওই নারীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে
পারে, শেয়ার মার্কেটে টাকা খাটিয়ে সর্বস্বান্ত
হয়েছেন ওই ব্যক্তি। ভেবেছিলেন
আইপিএলে দাঁও মারবেন। কিন্তু, সেখানেও
স্ত্রীকে বাজি ধরে হেরে যান..
নারীর জবানবন্দি অনুযায়ী,তাঁর স্বামী যখন
তখন তাঁকে মারধর করেন। বাপেরবাড়ি থেকে
টাকা আনার জন্যও চাপ দেন। কিছুদিন আগেই
তাঁকে সাত
লাখ টাকা জোগাড় করে আনতে বলেন
স্বামী।

posted from Bloggeroid

Monday, 30 May 2016

ভাল ঘুমের জন্য ১০ টি টিপস।

ভাল ঘুমের জন্য ১০ টি টিপস।

সম্প্রতি ক্লান্ত বোধ করছেন, ঘুমের ব্যাঘাত হচ্ছে, কাজ, সংসার আর সন্তানদের ঝামেলা; সব মিলিয়ে ঘুমকে কঠিন করে তুলছে। আবার অর্থনৈতিক কষ্ট, কাজ বন্ধ, বন্ধুত্বের ফাটল অথবা কোন কঠিন অসুখ ঘুমের নরম পেলবকে একেবারেই অসম্ভব করে তোলে।
হয়ত আপনি এই ফ্যাক্টরগুলো একেবারে হাতের মুঠোয় আনতে সক্ষম হবেন না। কিন্তু ঘুমের একটা পরিবেশ সৃষ্টি করুন এবং কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন যা কি-না আপনাকে একটা শান্ত-বিশ্রামময় ঘুম আনতে সহায়তা করবে।
ভাল ঘুমের জন্য নিচে কিছু উপায় প্রদান করা হলোÑ
০ প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যান এবং একই সময় ঘুম থেকে উঠুন। ছুটির দিনগুলোতে ঘুমের একই রুটিন বজায় রাখুন।
০ তরল খাদ্য সন্ধ্যার পর থেকে কমিয়ে দিন। ঘুমের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে ডিনার সেরে ফেলুন। তরল খাদ্যের আধিক্যে সারারাত আপনার ঘুম ভাঙবে এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে।
০ নিকোটিন, কফি ও এ্যাকোহল সন্ধ্যা বেলাতে পরিহার করুন : এসব উত্তেজক আপনাকে জাগত রাখে। ধূমপায়ীদের প্রায়শ রাতে সিগারেট না খাওয়ার জন্য পার্শ্বপ্রক্রিয়ার জন্য ঘুমের ব্যাঘাত হয়।
০ কফি খেলেও ঘুমের ৮ ঘণ্টা আগে খেতে হবে। কারণ, কফি শরীর জমা করে রাখতে পারে না। খাওয়ার অনেকক্ষণ পর পর্যন্ত শরীর থেকে কফি নিঃসরণ হয় এবং এর প্রভাব থাকে।
প্রচলিতভাবে মনে হলেও এ্যালকোহল কিন্তু ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
০ প্রতিদিন অল্পবিস্তর ব্যায়াম করুন : প্রতিদিনের হাল্কা অ্যারোবিক ব্যায়াম আপনাকে একটা অচ্ছেদ্য ঘুম উপহার দিতে পারে।
সাধারণত রাতেই ঘুমান : দুপুরে ঘুম কিন্তু আপনার রাতের শান্ত বিশ্রামকে কেড়ে নিতে পারে। দুপুরের ভাতঘুম নিতে হয় তবে সেটি আধা ঘণ্টার বেশি নয়।
০ আপনি এক আরামদায়ক ম্যাট্রেস ও নরম বালিশ বেছে নিন।
যদি কেউ আপনার সাথে শোয় তবে দেখতে হবে দু’জনার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি-না।
০ বাচ্চা বা পোষা প্রাণির জন্য একই বিছানায় ঘুম কখনওবা আপনার ঘুমের ব্যাঘাতের মূল কারণ হয়ে থাকে।
০ শুরু করুন একটা শিথিল ঘুমের রুটিন সময়। একই কথা প্রতি রাতে আপনার মনকে শোনানÑ এখন সব বন্ধ করে আমি ঘুমাব, এটার পূর্বপ্রস্তুতি হতে পারে একটা সুন্দর গোছল বা একটা বইপড়া বা কোন হাল্কা গান শোনা। আলোটাও হতে হবে বন্ধ কিংবা স্নিগ্ধ।
০ যখন আপনি ক্লান্ত এবং ঘুমে ভেঙে পড়ছেন তখনই আপনি আলো বন্ধ করুন এবং ঘুমাতে যান। যদি ১৫/২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না আসে তাহলে আবার কাজ করতে উঠে পড়ুন এবং ক্লান্ত হলে ঘুমাতে যান । ঘুম নিয়ে অযথা কোন দুশ্চিন্তা ঠিক না। ঘুমের দুশ্চিন্তা আপনাকে ঘুমাতে দেবে না।
০ ঘুমের ওষুধ শুধু শেষ অবলম্বন হিসেবে রাখুন। ডাক্তারের পরামর্শে শুধু ঘুমের ওষুধ খেতে পারেন। আস্তে আস্তে সেটাও কমিয়ে দিন। সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থাকলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন

posted from Bloggeroid

আপনার ফেসবুক আইডিতে হাজার হাজার অটো লাইক নিন ভিডিওটা দেখে নিন

আপনার ফেসবুক আইডিতে হাজার হাজার অটো লাইক নিন ভিডিওটা দেখে নিন

আসসালামুআলাইকুম,কেমন আছেন সবাই? আমি তো দারুণ খুশি কারণ আজকে আমি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ব্লগে পোস্ট করছি। 😀 আজকে আমি লিখব ফেসবুক অটো লাইক সম্পর্কে। এই ভার্চুয়াল যুগে ফেসবুক আমাদের নেশা হয়ে দাড়িয়েছে।এখন আমরা আমাদের মুল্যবান সময় ফেসবুকে ব্যায় করি।ফেসবুক এ আমাদের ক্রেডিট হল লাইক আর কমেন্ট।কিন্তু এগুলো পাওয়া এত সুজা না। 😥 জানেনিতো কিছু পেতে হলে সবকিছু দিতে হয়।লাইক কমেন্ট পাওয়ার জন্য সারাদিন ধরে ফ্রেন্ড দের আপডেট এ লাইক কমেন্ট করতে হয়। ফেমাসিটি বাড়ানোর জন্য সারাদিন ফ্রেন্ডদেরবড় আপডেটে লাইক,কমেন্ট করে গাধার খাটনি খাটছেন। কি দরকার অযথা এত কষ্ট করার। নিয়ে নিন অটো লাইক। অনেকে মনে করেন মানুষ অটো লাইকের দাম দেয় না। আরে ভাই আজকের দিনে সবাই অটো লাইক ইউজ করে। ফেসবুকে সাধারণ আইডি কখনোই ফেমাস হয় না। যাকে আপনি সেলিব্রেটি ভাবেন একটু ভাল করে খোঁজ নিয়ে দেখুন সে সারাদিন ধরে অন্যের স্ট্যাটাসে লাইক,কমেন্ট করতে করতে মোবাইলের লালবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে। 😛 একবার নাম চেন্জ করলে তাকে আর কে উ চিনে না। এখন মূল কথায় আসি। আপনি হয়তো অটো লাইক ইউজ করতে ভয় পাচ্ছেন। ভাবছেন আপনার আইডি হ্যাক হতে পারে।এর জন্য অনেকে অটো লাইক ব্যাবহার নিয়ে মহা চিন্তাই আছেন।আজকে আমি আপনাদেন মনের ভ্রান্ত ধারণা দূর করব। অটো লাইক নিলে কথনোই আইডি হ্যাক হয়না।নিচের ভিডিওটা দেখুন


অটো লাইক হাজার হাজার নিন এই ভিডিওটা দেখে নিন


ইংরেজি ১ম পত্র

ইংরেজি ১ম পত্র

৯ম ও ১০ম শ্রেণির পড়া
ইংরেজি ১ম পত্র
বাদল চৌধুরী
প্রিয় শিক্ষার্থী, আজ নবম ও দশম শ্রেণির Unseen comprehension চর্চা করব এবং পরে এর উত্তর মিলিয়ে নেব।

Read the text and answer the questions following it (1-3).
Ila Mitra was a peasant’s movement organizer of the Indian subcontinent, especially in Bengal. She was born in an upper middle-class Bengali family in Kolkata on 18 October 1925. She became a communist during her youth. In 1945, she married Ramendra Mitra, who was an active member of the Communist Party.
Ila Mitra was the leader of peasants and indigenous Santals in greater Rajshahi region, and was often referred to by them as Rani Ma. She organized a peasant-santal uprising in Nachole Upazila, Chapai Nawabganj, on 5 January 1950. But the uprising was thwarted by the police. Mitra was arrested by the police while trying to escape, and was sent to the Rajshahi Central jail on 21 January 1950. After a trial for treason, Ila mitra was sentenced to life imprisonment. Partly due to the torture, Ila Mitra fell very sick in jail. In 1954, the United Front government of Pakistan paroled her and sent her to Kolkata for treatment. To avoid persecution, she did not return to Pakistan and stayed the rest of her life in India. She continued to participate in political activities in Kolkata under the banner of the Communist Party of India and was elected member of Bidhan Shabha four times between 1962 and 1978. She also participated in mobilizing public opinion and support during the Bangladesh Liberation War of 1971. Ila Mitra died in Kolkata on 13 October 2002.

1. Choose the best answer from the alternatives.
A. Based on your reading, the name ‘Ila Mitra’ relates to
(a) Peasant’s Movement (b) Language Movement
(c) Mass Movement (d) Sipahi Biddraha
B. ‘Mitra was arrested by the police while trying to escape, and was sent to the Rajshahi Cantral jail on 21 January 1950.’ Why was she arrested?
(a) As she tried to scape from a peasant-santal uprising in Nachole.
(b) As she organized a peasant-santal uprising in Nachole.
(c) As she organized a tribal uprising in Nachole.
(d) As she organized a peasant-santal movement in India.
C. What is the proper antonym of the word ‘communist’?
(a) Marxist (b) socialist (c) collectivist (d) capitalist.
D. As used in paragraph 2, which is the best definition for ‘Indigenous’?
(a) A period of calm warm weather which sometimes happens in the early autumn.
(b) Naturally existing in a place or country rather than arriving from another place.
(c) Dakshinaranjan Mitra (d) Parimal Mitra
E. The word ‘Mobilizing’ in line 15 means most nearly the same as
(a) assembling (b) disbanding (c) disconnecting (d) separating
F. ‘Ila Mitra was the leader of peasants and indigenous Santals in greater Rajshahi region, and was often referred to by them as Rani Ma.’ That means Ila Mitra was also Known as
(a) Rani Bhabani (b) Rani Rashmani (c) Rani Ma (d) Ragini Ma
G. ‘But the Uprising was thwarted by the police.’ The word ‘thwarted’ is similar to
(a) punished (b) satisfied (c) encouraged (d) let down.
Answer to the Question no. 1
1. Multiple choices
A=> (a) Peasant’s Movement
B=> (b) As she organized a peasant-uprising in Nachole
C=> (d) capitalist
D=> (b) naturally existing in a place or country rather than arriving from another place
E=> (a) assembling
F=> (c) Rani Ma
G=> (d) let down.
# বাকি অংশ ছাপা হবে আগামীকাল
শিক্ষক
ঢাকা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

posted from Bloggeroid

৮ বছর পর তার ৫ উইকেট

৮ বছর পর তার ৫ উইকেট

৮ বছর পর তাঁর ৫ উইকেট
ক্রীড়া প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০১৬
সপ্তাহ দুয়েক আগের ঘটনা। ১৪ মে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে যেকোনো শ্রেণির ক্রিকেটেই ১১ বছরের সেঞ্চুরি-খরা কাটিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। সেই ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডির বোলারদের কচুকাটা করে ৫০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন কলাবাগান ক্রীড়াচক্র অধিনায়ক। তিন ম্যাচ পর সেই ফতুল্লাতেই ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার খরা ঘোচালেন তিনি।
কাল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে ৪২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি। বাংলাদেশের সীমিত ওভারের অধিনায়ক এর আগে সর্বশেষ ৫ উইকেট নিয়েছিলেন ২০০৮ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশ বিমানের হয়ে মোহামেডানের বিপক্ষে। শুধু লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ ধরলে পেছাতে হয় আরও এক বছর। ২০০৭ সালের অক্টোবরে জাতীয় লিগের ওয়ানডে আসরে ৩১ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন খুলনা বিভাগের মাশরাফি। এরপর গতকালের আগে ১২৯টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলে ফেলা মাশরাফি ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ৬ উইকেট নিলেন ইনিংসে। প্রথমবার ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬ রানে ৬ উইকেট। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিংয়ের ওই রেকর্ডে পরে ভাগ বসিয়েছেন রুবেল হোসেন।
এবার পুরো লিগেই সংক্ষিপ্ত রানআপে বল করেছেন মাশরাফি, করলেন কালও। এরপরও ৯ ম্যাচে ২০ উইকেট হয়ে গেছে তাঁর। মাশরাফির চোখে কালকের সাফল্যের রেসিপি একটাই, ‘চেষ্টা করেছি জায়গামতো বল ফেলার। ফ্ল্যাট উইকেটেও জায়গামতো বল করতে পারলে সব সময়ই তা ব্যাটসম্যানের জন্য কঠিন হয়ে যায়।’
মাশরাফি অবশ্য নিজের কীর্তির চেয়ে দলের সাফল্যেই বেশি খুশি। কারণটাও অনুমেয়, কালকের এই জয়ে যে অবনমনশঙ্কা অনেকটাই দূর হয়েছে দলের, উজ্জ্বল হয়েছে সুপারলিগে ওঠারই সম্ভাবনা, ‘সবচেয়ে ভালো হয়েছে আমরা ম্যাচটা জিতেছি। এখন মোটামুটি সেফ জায়গায় আছি। আরও দুটি ম্যাচ বাকি আছে, দেখা যাক কী হয়।’
আগামী ৪ ও ৬ জুন প্রথম পর্বে মাশরাফিদের শেষ দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ মোহামেডান ও কলাবাগান একাডেমি

posted from Bloggeroid

খুব সহজেই দাগমুক্ত ত্বক করুন

খুব সহজেই দাগমুক্ত ত্বক করুন

দাগমুক্ত নিখুঁত ত্বক, কার না পছন্দ? কিন্তু ব্রণের কারণে কম বেশি অনেকের মুখেই দাগ পড়ে যায়। ব্রণ সেরে গেলেও অনেক ক্ষেত্রে দাগ থেকে যায়। দাগের কারণে বাইরে বের হলে অস্বস্তিবোধ হয়। আসুন জেনে নিই, মুখের বিরক্তিকর দাগের সহজ সমাধান। খুব কম সময়ে আর অল্প পরিশ্রমেই আপনি পেতে পারেন দাগমুক্ত পরিষ্কার ত্বক। এজন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরী একটি ফেসপ্যাক। এখন চলুন জেনে নিই কী কী লাগছে এই ফেসপ্যাকে-

উপাদানঃ

১। চন্দন কাঠের গুঁড়া (২ টেবিল চামচ বা তার সমপরিমাণ) ও

২। লবঙ্গ গুঁড়া ( ১/২ চা চামচ বা তার সমপরিমাণ) ।

প্রণালীঃ

১। প্রথমে লবঙ্গ পাতলা সুতি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর শিলপাটায় মিহি করে গুঁড়ো করে নিন। শিলপাটার স্থলে ব্লেন্ডার ব্যবহার করতে পারেন। গুঁড়ো করার পর চালনি দিয়ে চেলে নিন। এতে লবঙ্গ গুঁড়াতে বড় কোনো দানা থাকলে আলাদা হয়ে যাবে।

২। এরপর একটি পরিষ্কার বাটিতে ২ টেবিল চামচ চন্দন গুঁড়া নিয়ে তাতে ১/২ চা চামচ লবঙ্গ গুঁড়া মিশান। অণুপাত ঠিক রেখে এগুলোর পরিমাণ বাড়াতে কিংবা কমাতে পারেন।

৩। তারপর এতে পানি দিয়ে ভালোভাবে মেশান। পানির ক্ষেত্রে ফুটানো পানি ব্যবহার করুন। পানির পরিমাণ এমন হবে যাতে প্যাকটি অধিক ঘন হবে না আর অধিক পাতলাও হবে না। মেশানো হয়ে গেলে তা কিছুক্ষণ রেখে দিন (প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট)।

৪। আপনার পছন্দসই কোনো ভালো ব্রান্ডের ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। তারপর আস্তে আস্তে ফেসপ্যাকটি মুখে লাগান।

৫। ২০ মিনিট পর পানির ঝাপটায় মুখ ধুয়ে ফেলুন। কোনো ভালো ব্রান্ডের ময়েশ্চারাইজার লাগান।

৬। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের এই প্যাকটি ব্যবহারে ত্বক আরো শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মিশ্রণে ২/৩ ফোঁটা জলপাই তেল কিংবা নারিকেল তেল দিয়ে নিতে পারেন।

এভাবে সপ্তাহে ২ বার ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।

ফলাফলঃ

এক সপ্তাহের মধ্যেই দাগ অনেকটা কমে আসবে। প্যাকটি আপনার ত্বকের সাথে মানিয়ে গেলে, সঠিক পদ্ধতিতে নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

টিপসঃ

১। অনেক ক্ষেত্রে লবঙ্গের কারণে ফেসপ্যাকটি মুখে লাগানোর পরে মুখ জ্বলতে পারে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বলা কমে যাবে এবং কোনো ক্ষতিও হবে না।

২। প্যাকটি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বারের বেশি কোনোভাবেই ব্যবহার করবেন না।

৩। রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহারে বেশি উপকার পাবেন।

৪। প্যাক ব্যবহারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

৫। যতটা সম্ভব ভাজা পোড়া জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকুন।

সাবধানতাঃ

১। প্যাক মুখে লাগানোর সময় ঘষে লাগাবেন না বা ম্যাসাজ করবেন না, এতে মুখে আচঁড় পড়তে পারে।

২। চন্দন কিংবা লবঙ্গে এলার্জি থাকলে, এই প্যাকটি ব্যবহার করবেন না।

৩। কিছুদিন ব্যবহারের পর, কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া বা সমস্যা অনুভূত হলে, ব্যবহার করা বন্ধ করুন।

লিখেছেনঃ নীল

ছবিঃ বিউটিফুলফ্রিওয়ালপেপার্স.ব্লগস্পট.কম

Tags: skincare, spot on face, ত্বকের যত্ন, দাগ মুক্ত ত্বক

posted from Bloggeroid

বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু মিট বান না দেখলে মিস করবেন

বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু মিট বান না দেখলে মিস করবেন

বিকেলের নাস্তায় পরিবারের সামনে কি উপস্থাপন করা যায় তা নিয়ে গৃহিণীদের চিন্তার অন্ত নেই। সুস্বাদু এবং ঝটপট এই দুয়ের মিশেলেই তৈরি করতে হয় যা তৈরি করার। আজকে এই দুশ্চিন্তার অবসান ঘটাতে নিয়ে এলাম অসাধারণ স্বাদের একটি স্ন্যাকস রেসিপি। কেক পেস্ট্রির দোকানে গেলে অবশ্যই মিট বনের দেখা মেলে। আজকে এই সুস্বাদু স্ন্যাকস তৈরির সব চাইতে সহজ রেসিপিটিই জানিয়ে দিচ্ছে আপনাদের।

‎উপকরণ

বন তৈরির জন্য

২ চা চামচ ইষ্ট
১/২ কাপ কুসুম গরম পানি
৩ চা চামচ চিনি
১ টি ডিম
৪ টেবিল চামচ দুধ
১/২ চা চামচ লবন
২ কাপ ময়দা

‪পুর তৈরি জন্য

১/৪ কেজি রান্না করা মাংস (হাতে পিষে ছাড়িয়ে নেয়া)
আধা কাপ পিয়াজ কুচি
৩ টি মরিচ কুচি
আধা চা চামচ আদা বাটা
১ চা চামচ কাবাব মশলা
লবন স্বাদমতো
২/৩ টেবিলচামচ তেল
‪প্রণালী

- প্রথমে একটি বড় পাত্রে উষ্ণ দুধ নিয়ে এতে ইষ্ট গুলিয়ে নিন। এরপর এতে চিনি, লবন মিশিয়ে নিন। দুধ ঠাণ্ডা হয়ে এলে ডিম দিয়ে ফেটিয়ে নিন ভালো করে। এরপর ময়দা দিয়ে ভালোমতো মেখে একটি নরম ডো তৈরি করুন।
- ময়দা প্রায় ৫-১০ মিনিট খুব ভালো করে ময়ান করবেন। ডো নরম হতে হবে।এরপর একটি তেল মাখানো বাটিতে ডো রেখে বাটিটি প্ল্যাস্টিক র‍্যাপ দিয়ে ভালো করে মুড়ে গরম কোন স্থানে রেখে দিন ১ ঘণ্টা।
- একটি প্যানে তেল দিয়ে এতে আদা বাটা দিন। এরপর এতে পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচকুচি, লবন এবং কাবার মশলা দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর এতে রান্না করা মাংস দিয়ে নাড়তে থাকুন। কিছুটা ভাজা ভাজা হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
- এবারে ডো ১২ টি অংশে বিভক্ত করে ছোট ছোট বল তৈরি করুন। বলগুলোর মাঝে গোল করে গর্ত করে ভেতরে পুর দিয়ে ঢেকে দিন ভালো করে। পুরটি যতটা সম্ভব মাঝামাঝি রাখার চেষ্টা করবেন। ডোর বলগুলো বন রুটির আকার দিন। এবং একটি বেকিং ট্রেতে খানিকটা দূরে দূরে সাজিয়ে রাখুন।
- বনগুলোর ওপরে চাইলে একটি ডিমের সাদাঅংশের প্রলেপ দিয়ে তিল ছিটিয়ে দিতে পারেন দেখতে ভালো লাগবে।
- এরপর ইলেকট্রিক ওভেন প্রি হিট করে নিয়ে ৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে ২০-২৫ মিনিট বা বন হওয়া পর্যন্ত বেক করুন।ব্যস, তৈরি হয়ে গেল খুব সহজেই অত্যন্ত সুস্বাদু মিট-বান। এবারে পরিবেশন করুন।

ছবি ও রেসিপি - মোঃ রাশেদ আহমেদ

posted from Bloggeroid

যারা খেতে ভালবাসেন তাদের জন্য এই টিপস ডাল ছাড়াই তৈরি করুন মজাদার চিকেন খিচুরি না দেখলে মিস করবেন।

যারা খেতে ভালবাসেন তাদের জন্য এই টিপস ডাল ছাড়াই তৈরি করুন মজাদার চিকেন খিচুরি না দেখলে মিস করবেন।

খিচুড়ি খেতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে? এদিকে বাসায় ডাল কিংবা পোলাওর চাল নেই। কী করবেন? জেনে নিন অসাধারণ একটা খিচুড়ির রেসিপি যা রান্না হবে ভাতের চাল দিয়ে এবং কোন রকম ডাল ছাড়াই। যদিও ভুনা খিচুড়ি রচাইতে স্বাদে কোন অংশে কম হবে না! অনেকেরই ডালে অ্যাসিডিটি হয়, বিশেষ করে মুগের ডালে। তারা ডাল ছাড়াই শতভাগ স্বাদ নিতে পারবেন খিচুড়ির আর এটা রান্না করতে সময়ও লাগে খুব কম।রেসিপি দেখেই জিবে জল আসছে না? চলুন, জেনে নিই রেসিপিটি।

‎উপকরণ

চিকেন ১ টি
ভাতের চাল ৪ কাপ
আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
পিঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ
সবুজ এলাচ ৭/৮ টি
দারুচিনি ২/৩ টি
গোলমরিচ ৫/৬ টি
লং ৪/৫ টি
পাঁচ ফোঁড়ন ১/৪ চা চামচ
তেজপাতা ২/৩ টি
সরিষার তেল ১/২ কাপ বা পরিমাণমত
লবণ স্বাদমত
মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো দেড় চা চামচ
ধনেগুঁড়া ১ চা চামচ
আস্ত জিরা ১/২ চা চামচ
কাঁচা মরিচ ফালি ৭/৮ টি
আস্ত শুকনা মরিচ ৪/৫ টি ( ইচ্ছা )
পিয়াজ বেরেস্তা ১ টি
‎প্রণালী

-প্রেসার কুকারে তেল গরম করে জিরা,গরম মসলা ফোঁড়ন দিয়ে আদা, রসুন, পিয়াজ বাটা দিয়ে কষিয়ে চিকেন দিয়ে দিন।
- একে একে সব গুঁড়ো মসলা,লবণ,শুকনা মরিচ,পাঁচফোড়ন দিয়ে ভাল করে কষিয়ে অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে ঢাকনা আটকে দিন। প্রেসারে রান্না করে নিতে হবে মুরগিটা।
- এবার ঢাকনা খুলে চাল আর কাঁচা মরিচ দিয়ে ৫/৬ কাপ পানি দিয়ে লবণটা চেখে আবার ঢাকনা দিয়ে মিডিয়াম আঁচে রাখুন।
- ৫/৬ টি সিটি হলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে।
- ১৫/২০ মি পর ঢাকনা খুলে পিয়াজ বেরেস্তা উপর দিয়ে ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম খিচুড়ি পরিবেশন করুন।
-পানির পরিমাণটা এক এক চালে এক এক রকম লাগতে পারে।
-প্রেসার কুকারের টাইমটাও এক এক কুকারে এক এক রকম হতে পারে।

ছবি ও রেসিপি – ফারহিন রহমান

posted from Bloggeroid

রমজানের কয়েকটি সুস্বাস্ব্য ও বিউটি টিপস দেখে নিনি

রমজানের কয়েকটি সুস্বাস্ব্য ও বিউটি টিপস দেখে নিনি

খাদ্য ও স্বাস্থ্য, সুস্বাস্থ্য, সৌন্দর্য পরামর্শ।
রমজান হলো আত্মা ও শরীর শুদ্ধিকরণের মাস। এবার রমজান মাস গরমে পড়েছে। গরমের এই দিনে প্রায় ১৬ ঘণ্টা পানি পান ও খাদ্যাহার থেকে আমাদের বিরত থাকতে হচ্ছে। এজন্য আমাদের একটি বিশেষ রুটিন মেনে চলা উচিত যাতে একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ রমজান মাস পালন করতে পারি। এখানে স্বাস্থ্যকর রমজান পালনের জন্য বেশ কিছু টিপস দেয়া হলো।

০১. আপনি সুস্বাস্থ্যের অধীকারী হয়ে থাকলেও, আপনাকে রমজান মাসে একটি তালিকা প্রস্তুত রাখতে হবে যেন আপনার শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি, পানি ও বিশ্রাম পায়।

০২. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন সেহেরিতে। এছাড়া পানির পাশাপাশি এলোভেরা জুস , ডাবের পানি, দই খাওয়ার চেষ্টা করুন সেহেরিতে। এরা আপনাকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে। এছাড়া এগুলোতে ন্যাচারাল সুগার থাকে যা শরীরের জন্য উপকারী।

০৩. সেহেরিতে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার যেমন ভাত, আলু, প্রোটিন ,ফলমূল ও সবজী খান। পরিমিত পরিমাণে খান।

০৪. অতিরিক্ত চিনি থেকে দূরে থাকুন। কারণ এটি আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি করে।

০৫. রোজার এই গরমের দিনে যথাসম্ভর একটু ছায়া ও ঠান্ডা জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন এবং যতটা সম্ভব আপনার ফিজিকাল এক্টিভিটি কমিয়ে আনুন।

০৬. সুন্নাহ মেনে চলুন। ইফতারে রোজা ভাঙ্গুন খেঁজুর, দুধ বা ফলের জুস দিয়ে। ইফতারে হালকা খাবার খান। একেবারে অনেক খাবার খাবেন না। কেননা পাকস্থলী অনেকক্ষণ পরিপাক না করায় হঠাত্‍ অতিরিক্ত খাবার পেলে ভালো ডাইজেস্ট করতে পারেনা। তাই ইফতারে হালকা খাবার খেয়ে মাগরিবের নামাজ পড়ে আবার হালকা কিছু খান, যেমন – স্যুপ, ক্রাকার্স, লেবুর পানি ইত্যাদি। এরপর একটু সময় নিয়ে রাতের খাবার খান।

০৭. ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খান। অতিরিক্ত খাবেন না। প্রচুর পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

০৮. চা ,কফি এবং সোডা না খাওয়ার চেষ্টা করবেন । এর বদলে প্রচুর পানি খান। চকলেট ক্যান্ডির বদলে ফলের জুস খান ।

০৯. হালকা ব্যায়াম করুন। রাতের খাবারের পর ১০/১৫ মিনিট হাঁটুন।

১০. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও ঝাল খাবার খাবেন না।

১১. দাঁত পরিষ্কার রাখুন। সেহেরির পর দাঁত পরিষ্কার করুন ব্রাশ বা ফ্লস দিয়ে। এছাড়া প্রত্যেক নামাজের আগে মেসওয়াক করুন।

১২. ধূমপান পরিহার করুন ।

১৩. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন আপনার।

এখন কিছু বিউটি টিপস দিবো -

- রমজানে আমাদের ত্বক অনেক সময় মলিন হয়ে যায়। আবার যেহেতু সামনেই ঈদ সেহেতু ত্বকের যত্ন নেওয়াটাও খুব জরুরী। তাই ত্বককে যতটা পারেন ময়েশ্চারাইজড করুন। ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা রানিং ঠান্ডা পানিতে মুখ ধোবেন। তেল সমৃদ্ধ খাবার পরিহার করুন। কেননা তা ব্রণের প্রকোপ বাড়ায়। তাই সেহেরি ও ইফতারে প্রচুর পানি খান।

- বাইরে বের হলে ছাতা ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। চোখের নিচের কালি ঢাকতে আই কনসিলার ব্যবহার করুন। হালকা পাউডার বুলিয়ে নিন মুখে। যেহেতু অনেকক্ষণ পানি না খেয়ে থাকতে হয় তাই ঠোঁট শুকিয়ে যায়। তাই ঠোটে লিপবাম ব্যবহার করুন। দিনে বেশি কিছু না লাগানোই ভালো। ত্বক যথানিয়মে পরিষ্কার করুন আর সপ্তাহে যে প্যাকগুলো ব্যবহার করে থাকেন আপনি নিয়মিত তা করুন।

- রোজা রাখুন। মনে রাখবেন রোজা রাখলে শরীরের কোন ক্ষতি হয় না বরং আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ক্রীম লাগালে রোজা ভাঙ্গেনা। রোজার মাসে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। অযথা রাগারাগি করবেন না ।আল্লাহ আমাদের সবাইকে নামাজ ও রোজা রাখার তৈফিক দান করুন ও এগুলো কবুল হওয়ার তৈফিক দান করুন এই দোআ রইলো আর হ্যাঁ, অবশ্যই আপনার প্রার্থনায় আমার জন্য দোআ করতে ভুলবেন না যেন।

লিখেছেনঃ মৌসুমী

posted from Bloggeroid

পবিত্র রমজান আসন্ন, অনলাইনে যাবতীয় টিপস নিয়ে রমজানের টূর্বেই প্রস্ততি নিন।

পবিত্র রমজান আসন্ন, অনলাইনে যাবতীয় টিপস নিয়ে রমজানের টূর্বেই প্রস্ততি নিন।

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো।

পবিত্র রমজান মাস আসন্ন। আর এ রমজান মাসের পূর্বেই প্রস্তুতি নেয়ার অংশ হিসেবে আমার এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ।

রমজান মাস আসার পূর্বে কি করবেন, আসলে কি করবেন। এ মাসের গুরুত্ব, তাৎপর্যসহ একটি ধারণা পাওয়া যাবে এ লেখায়।

অনলাইনেই পর্যাপ্ত পরিমাণ টিপস আছে, সেগুলোও দেখা যেতে পারে।

আমাদের বর্তমান অবস্থান থেকে কিছুটা পরিবর্তন করতে পারলেই এ লেখাটির স্বার্থকতা।



যথারীতি রোজার গুরুত্ব, মর্যাদা, উপকারিতা এবং আনুষাঙ্গিক বিষয় নিয়ে চলুন আলোচনা শুরু করি।

হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে। যেমন ফরজ করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর। যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।
সূরা- বাকারা, আয়াত- ১৮৩।



রোজার গুরুত্ব :

রাসুল (সাঃ) বলেছন রমজান মাসে আমার উম্মত কে পাঁচটি নিয়ামত দান করা হয়েছে যা আগের উম্মতকে দেওয়া হয়নি -

(১) রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশকের চেয়ে বেশী ঘ্রানযুক্ত

(২) ইফতার পর্যন্ত রোজাদারের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন
(৩) রোজাদারের জন্য প্রতিদিন জান্নাতকে সজ্জিত করা হয়
(৪) শয়তানকে বন্দি করা হয়
(৫) রমজানের শেষ রাতে সকল উম্মতকে মাফ করা হয়।



রোজার মর্যাদা ও উপকারিতা:

১) জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল

২) জান্নাতে যাওয়ার উৎকৃষ্টতম উপায় এবং রাইয়ান নামক বিশেষ দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশের সুযোগ

৩) গুনাহ মোচনের অন্যতম মাধ্যম

৪) রোজা কিয়ামতের দিন মুমিন ব্যক্তির জন্য শুপারিশকারী হবে

৫) রোজার পুরষ্কার আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন

৬) রোজার মাধ্যমে আচার-আচরণ ও চরিত্র সুন্দর হয়

৭) রোজা মানুষকে আখেরাত মুখী করে

৮) সামাজিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টি করে

৯) এটি আল্লাহ ও বান্দার মাঝে নিতান্ত গোপন ইবাদত তাই এর মাধ্যমে আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্ক দৃঢ়তর হয়

১০) আল্লাহর ইবাদতের এক অভূতপূর্ব ট্রেনিং স্বরুপ।



রমজান আসার পূর্বে যে দোয়াটি বেশী বেশী পড়া উচিত ...

“আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজাবা ওয়া শাবান ওয়া বাল্লিগনা রমজান”

অর্থ -হে খোদা রজব এবং শাবান মাসদয়কে তুমি আমাদের জন্যে মোবারক মাসে পরিনত করে দাও এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌছে দাও...



অঢেল সওয়াব অর্জন এর এ সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে চেষ্টা করি। রমজানের শুরুতেই পরিবর্তনের জন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। আত্মশুদ্গধি অর্জনের পূর্ণ প্রস্তুতি নিই।

রহমাত, মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস মাহে রমজান।এ মাসেই মহা গ্রণ্থ আল কুরআন নাজিল হযেছিল তাই হাজার মাসের চাইতেও মূল্যবান এ মাস। এ মাসে ১টি নফল নামাজ ১টি ফরজ নামাজ এর সমান, আর ১টি ফরজ ৭০টি ফরজ নামাজ এর সমান। সুবহানআল্লাহ। এক রাকাত নামাজ ৭০ রাকাত নামাজের সমান, কেউ যদি ফজর-এ ২ রাকাত, জোহরে ৪ রাকাত, আসরে ৪ রাকাত, মাগরিবে ৩ রাকাত এবং এশার ৪ রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করে তবে সে ১ দিনেই ১১৯০ রাকাত শুধু ফরজ নামাজই আদায় করলো আর বাকি নামাজ গুলো যোগ করলে তার পরিমান হবে আরো অনেক বেশি।
নিজেই অঙ্ক মিলিয়ে নিন সুযোগ হাতছাড়া করবেন নাকি এখনি লুফে নিবেন। আমরা কতটুকু আমল যোগ করতে পেরেছি নিজেদের আমলনামায়। জীবনে আরেকবার রমজান পাবেন তার কোনো গেরান্টি নেই, জীবনের সকল গুনাহ মাপের এটাই সুবর্ণ সুযোগ। নামাজ ছাড়াও কুরআন তিলাওয়াত এর ক্ষেত্রেও একই সুবর্ণ সুযোগ এক অক্ষরে যেটি ১০ নেকি ছিল অন্য সময়ে, আর রমজান মাসে সেটি ৭০০ নেকি। এ মাসে কাওকে ১ টাকা দান করলে ৭০ টাকাই দান করা হয়ে যাবে, ২ টাকা দান করলে ১৪০ টাকা দান করা হবে, ২ রাকাত নামাজ পড়লে ১৪০ রাকাত নামাজ পড়া হয়ে যাবে। সকল ভালো কাজেই ১ এ ৭০, সারামাস এ সুযোগ আছে সচেতন হবার সময় এখনি।

শুধু তাই নয় সেহরী, ইফতার আর তারাবীহ নামাজের অনাবিল প্রশান্তি আপনার মনকে ১০০% পবিত্র করে দিবে। সুরা তারাবিহ এর চাইতে খতম তারাবিহকে বেশি গুরুত্ব দিন। পাশাপাশি মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকা, যাবতীয় অন্যায় থেকে বিরত থাকা ছাড়াও ভালো কাজে সহযোগিতা আর মন্দ কাজ থেকে দুরে থাকতে পারলেই আপনার প্রতিটি রোজা হবে পরিশুদ্ধ। রোজা আর দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে আর কোনো অন্তরায় থাকবেনা। এ মাসে বেশি বেশি ভালো কাজ করুন যেন এ মাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বাকি জীবন ভালোভাবে কাটাতে পারেন। বিভিন্ন ফোরাম ব্লগ ফেইসবুক এ ভালো কাজের জন্য আহবান করুন, এতে যে সওয়াব পাবেন তাও অন্য সময়ের তুলনায় ৭০ গুন বেশি পাবেন। ইফতার এর আগে দোয়া কবুল হয় তাই এ সুযোগটিও হাতছাড়া করবেননা।

শব ই কদর এর রাতের অভাবনীয় সুযোগতো থাকছেই যে রাতে দোয়া কবুলের ১০০% গেরান্টি থাকে। আলহামদুলিল্লাহ। জান্নাত লাভের সুবর্ণ সুযোগ আপনাকে হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে। এ মাসে সামর্থ্য থাকলে কেউ ওমরাহ করেও আসতে পারেন। রমজান ছাড়াও মদিনা শরিফ এ ১ রাকাত নামাজ ৫০ হাজার রাকাত নামাজের সমান আর মক্কা শরিফ এ ১ রাকাত নামাজ ১ লক্ষ্ রাকাত নামাজের সমান। আর রমজান মাসে সেই সওয়াব এর পরিমান যথাক্রমে ৩৫ লক্ষ এবং ৭০ লক্ষ রাকাত নামাজের সমান। শুধুমাত্র রমজান মাসের জন্যই এ সুযোগ। আমরা হয়ত অনেকেই এসব কথা জানি, যারা জানি তারা যেন মানার চেষ্টা করি, আর যারা জানিনা তারা যেন আরো জানার চেষ্টা করি।



রমজান মাসে কি করবেন, কেন করবেন, কিভাবে করবেন?

রহমত, মাহফিরাত ও নাজাতের সুখবর নিয়ে আসে মাহে রমজান। এ রমজানের সে সদ্ববহার করতে পেরেছে সেই সফলকাম, আর যে পারেনি সে পুরোপুরি ব্যর্থ। রমজানের পরিপূর্ণ হক আদায়ে আসুন জেনে নিই কি করা উচিত, আর কি অনুচিত...
১। রমজান মাসে কুরআন তিলওয়াত করুন বেশী বেশী, পারলে কয়েকবার খতম করুন। এ মাসে প্রতি হরফের জন্য ৭০ নেকী বরাদ্দ করা হয়ে থাকে যেটি পূর্বে ১০ নেকী ছিলো।

২। নিয়মিত নামাজ আদায় করুন, এক ওয়াক্তও মিস করবেননা।

৩। নিয়মিত হাদিস পড়ুন এবং সে অনুযায়ী আমল করুন।

৪। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরী খান এবং সময়মত ইফতার করুন।

৫। কোনসময় ভোর রাতে উঠতে না পারলেও নিয়ত করে রোজা রেখে দিন।

৬। রোজা রেখে কোনপ্রকার খারাপ কাজে শামিল হবেননা।

৭। ঝগড়া বিবাদ, মিথ্যা বলা, গীবত করা এসব থেকে দূবে থাকবেন।

৮। জীবনে যে নামাজ কখনো পড়েননি, তাহাজজুদ, আউয়াবীন, ইশরাক এসব নামাজ পড়ুন।

৯। সালাতুত তসবীহ পুরো মাসে অন্তত একবার হলেও পড়ুন।

১০। বেজোড় রাত্রিগুলোতে বেশী বেশী ইবাদত করুন।

১১। সর্বোপরি আল্লাহর নিকট বেশী বেশী তাওবাহ করুন।

রমজান মাসে উপরের কাজগুলো করার চেষ্টা করুন।

রাসূল (সা:) বলেছেন, যে রমজান চলে গেল, কিন্তু গুনাহ মাফ করাতে পারলোনা, তার জন্য ধ্বংস অনিবার্য। আল্লাহ আমাদের রমজানের হক আদায়ের তাওফীক দান করুন।



রমজান মাস আসন্ন, আসুন তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রমজানের জন্য সম্বল তৈরী করি।

আল্লাহ কবুল করুন। আমীন...



রমজান সংক্রান্ত আমার ফ্যান পেজ

রমজান সংক্রান্ত আমার ব্লগ



সবাইকে ধন্যবাদ।

আমার অনলাইন আর্নিং সাইট থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।


posted from Bloggeroid

লাভ পসঙ্গ

লাভ পসঙ্গ

জীবনে ভালোবাসা আসার পূর্বে হাজার বছর একা থাকা যায়। কিন্তু ভালোবাসার পর এক মুহুর্ত একা থাকা যায় না আর ভালোবাসার মানুষটি কিছু সময়ের জন্য কাছে না থাকলে মন টা কেমন বেকুল হয়ে থাকে তাকে কাছে পাওয়ার জন্য হইতোবা এটাই বাস্তবতা....

posted from Bloggeroid