Thursday, 9 June 2016

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সাঃ)৯টি কাজ করতে বলেছেন

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সাঃ)৯টি কাজ করতে বলেছেন

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন




আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের কোন কিছু মনে থাকে না। আবার এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে, যারা কোন কিছু খুব বেশি দিন মনে রাখতে পারেন না। এমন সমস্যা মূলত দূর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে হয়ে থাকে। সেগুলো হলো-
১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ

যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন, “উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে। একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।” এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেন, “তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।” [সূরা আল-বায়্যিনাহঃ ৫] তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে এমন যে, আল্লাহ আমাদের স্মৃতিশক্তি যেনো একমাত্র ইসলামের কল্যাণের জন্যই বাড়িয়ে দেন।

২. দু’আ ও যিকর করাঃ
আমরা সকলেই জানি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর কাছে দু’আ করা যাতে তিনি আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেন এবং কল্যাণকর জ্ঞান দান করেন। এক্ষেত্রে আমরা নিন্মোক্ত দু’আটি পাঠ করতে পারি, “হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।” [সূরা ত্বা-হাঃ ১১৪] তাছাড়া যিকর বা আল্লাহর স্মরণও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “…যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন…” [সূরা আল-কাহ্‌ফঃ ২৪] তাই আমাদের উচিত যিকর, তাসবীহ (সুবহান আল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) – এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আল্লাহকে স্মরণ করা।

৩. পাপ থেকে দূরে থাকাঃ
প্রতিনিয়ত পাপ করে যাওয়ার একটি প্রভাব হচ্ছে দুর্বল স্মৃতিশক্তি। পাপের অন্ধকার ও জ্ঞানের আলো কখনো একসাথে থাকতে পারে না। ইমাম আশ-শাফি’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, “আমি (আমার শাইখ) ওয়াকীকে আমার খারাপ স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি শিখিয়েছিলেন আমি যেন পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখি। তিনি বলেন, আল্লাহর জ্ঞান হলো একটি আলো এবং আল্লাহর আলো কোন পাপচারীকে দান করা হয় না।” আল-খাতীব আল-জামী’(২/৩৮৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেন যে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেনঃ “এক ব্যক্তি মালিক ইবনে আনাসকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘হে আবদ-আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে দিতে পারে এমন কোন কিছু কি আছে? তিনি বলেন, যদি কোন কিছু স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া।’” যখন কোনো মানুষ পাপ করে এটা তাকে উদ্বেগ ও দুঃখের দিকে ধাবিত করে। সে তার কৃতকর্মের ব্যাপারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে তার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যায় এবং জ্ঞান অর্জনের মতো কল্যাণকর ‘আমল থেকে সে দূরে সরে পড়ে। তাই আমাদের উচিত পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা।

৪. বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করাঃ
একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আমরা দেখবো যে, আমাদের সকলের মুখস্থ করার পদ্ধতি এক নয়। কারো শুয়ে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কারো আবার হেঁটে হেঁটে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়। কেউ নীরবে পড়তে ভালোবাসে, কেউবা আবার আওয়াজ করে পড়ে। কারো ক্ষেত্রে ভোরে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কেউবা আবার গভীর রাতে ভালো মুখস্থ করতে পারে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ উপযুক্ত সময় ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ঠিক করে তার যথাযথ ব্যবহার করা। আর কুর’আন মুখস্থ করার সময় একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ (কুর’আনের আরবি কপি) ব্যবহার করা। কারণ বিভিন্ন ধরনের মুসহাফে পৃষ্ঠা ও আয়াতের বিন্যাস বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে তার একটি ছাপ পড়ে যায় এবং মুখস্থকৃত অংশটি অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে যায়।

৫. মুখস্থকৃত বিষয়ের উপর ‘আমল করাঃ
আমরা সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কোনো একটি বিষয় যতো বেশিবার পড়া হয় তা আমাদের মস্তিষ্কে ততো দৃঢ়ভাবে জমা হয়। কিন্তু আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে অতো বেশি পড়ার সময় হয়তো অনেকেরই নেই। তবে চাইলেই কিন্তু আমরা এক ঢিলে দু’পাখি মারতে পারি। আমরা আমাদের মুখস্থকৃত সূরা কিংবা সূরার অংশ বিশেষ সুন্নাহ ও নফল সালাতে তিলাওয়াত করতে পারি এবং দু’আসমূহ পাঠ করতে পারি সালাতের পর কিংবা অন্য যেকোনো সময়। এতে একদিকে ‘আমল করা হবে আর অন্যদিকে হবে মুখস্থকৃত বিষয়টির ঝালাইয়ের কাজ। আবার কোনো কিছু শেখার একটি উত্তম উপায় হলো তা অন্যকে শেখানো। আর এজন্য আমাদেরকে একই বিষয় বারবার ও বিভিন্ন উৎস থেকে পড়তে হয়। এতে করে ঐ বিষয়টি আমাদের স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়।

৬. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণঃ
পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত আবশ্যক। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ আমাদের ঘুম বাড়িয়ে দেয়, যা আমাদের অলস করে তোলে। ফলে আমরা জ্ঞানার্জন থেকে বিমুখ হয়ে পড়ি। তাছাড়া কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। সম্প্রতি ফ্রান্সের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যয়তুনের তেল চাক্ষুস স্মৃতি (visual memory) ও বাচনিক সাবলীলতা (verbal fluency) বৃদ্ধি করে। আর যেসব খাদ্যে অধিক পরিমাণে Omega-3 ফ্যাট রয়েছে সেসব খাদ্য স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকলাপের জন্য খুবই উপকারী। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক ‘আলিম কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য গ্রহণের কথা বলেছেন। ইমাম আয-যুহরি বলেন, “তোমাদের মধু পান করা উচিত কারণ এটি স্মৃতির জন্য উপকারী।”
মধুতে রয়েছে মুক্ত চিনিকোষ যা আমাদের মস্তিষ্কের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া মধু পান করার সাত মিনিটের মধ্যেই রক্তে মিশে গিয়ে কাজ শুরু করে দেয়। ইমাম আয-যুহরি আরো বলেন, “যে ব্যক্তি হাদীস মুখস্থ করতে চায় তার উচিত কিসমিস খাওয়া।”

৭. পরিমিত পরিমাণে বিশ্রাম নেয়াঃ
আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের মস্তিষ্ক অনেকটা ব্যস্ত অফিসের মতো কাজ করে। এটি তখন সারাদিনের সংগৃহীত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াজাত করে। তাছাড়া ঘুম মস্তিষ্ক কোষের পুণর্গঠন ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে দুপুরে সামান্য ভাতঘুম আমাদের মন-মেজাজ ও অনুভূতিকে চাঙা রাখে। এটি একটি সুন্নাহও বটে। আর অতিরিক্ত ঘুমের কুফল সম্পর্কে তো আগেই বলা হয়েছে। তাই আমাদের উচিত রাত জেগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাওয়াহ বিতরণ না করে নিজের মস্তিষ্ককে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া।

৮. জীবনের অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারসমূহ ত্যাগ করাঃ
বর্তমানে আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া ও জ্ঞান অর্জনে অনীহার একটি অন্যতম কারণ হলো আমরা নিজেদেরকে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখি।’[
ফলে কোনো কাজই আমরা গভীর মনোযোগের সাথে করতে পারি না। মাঝে মাঝে আমাদের কারো কারো অবস্থা তো এমন হয় যে, সালাতের কিছু অংশ আদায় করার পর মনে করতে পারি না ঠিক কতোটুকু সালাত আমরা আদায় করেছি। আর এমনটি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে নিজেদেরকে আড্ডাবাজি, গান-বাজনা শোনা, মুভি দেখা, ফেইসবুকিং ইত্যাদি নানা অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখা। তাই আমাদের উচিত এগুলো থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকা।

৯. হাল না ছাড়াঃ
যে কোনো কাজে সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো হাল না ছাড়া। যে কোনো কিছু মুখস্থ করার ক্ষেত্রে শুরুটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্ক সবকিছুর সাথে মানিয়ে নেয়। তাই আমাদের উচিত শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে হাল না ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

posted from Bloggeroid

প্রত্যেক রোজাদারের জন্য যে বিষয় গুলো জানা অপরিহার্য

প্রত্যেক রোজাদারের জন্য যে বিষয় গুলো জানা অপরিহার্য

রোজা ইসলামের অন্যতম ফরজ বিধান। এর পালনে কিছু বিধি-বিধান রয়েছে। প্রত্যেক রোজাদারের জন্য এগুলো জানা থাকা অপরিহার্য: রোজা ভেঙে যায় ও কাজা-কাফফারা ওয়াজিব হয় যে কারণে-

* ইচ্ছাকৃত কিছু খেলে বা পান করলে
* স্ত্রী সহবাস করলে
* কোনো বৈধ কাজ করার পর রোজা ভেঙে গেছে মনে করে ইচ্ছাকৃত খেলে।

> রোজা ভেঙে যায় ও কাজা ওয়াজিব হয় যে কারণে

* কানে বা নাকে ওষুধ ঢুকালে।
* ইচ্ছা করে মুখ ভরে বমি করলে অথবা অল্প বমি আসার পর তা গিলে ফেললে।
* কুলি করার সময় অনিচ্ছাকৃত গলার ভেতরে পানি চলে গেলে।
* কামভাবে কাউকে স্পর্শ করার পর বীর্যপাত হলে।
* খাদ্য না এমন বস্তু খেলে, যেমন: কাঠ, কয়লা, লোহা ইত্যাদি।
* ধূমপান করলে।
* আগরবাতি ইত্যাদির ধোঁয়া ইচ্ছা করে নাকে ঢুকালে।
* সময় আছে মনে করে সুবহে সাদিকের পর সেহেরি খেলে।
* ইফতারের সময় হয়ে গেছে মনে করে সময়ের আগেই ইফতার করে ফেললে।
* দাঁত দিয়ে বেশি পরিমাণ রক্ত বেরিয়ে তা ভেতরে চলে গেলে।
* জোর করে কেউ রোজাদারের গলার ভেতরে কিছু ঢুকিয়ে দিলে।
* হস্তমৈথুন দ্বারা বীর্যপাত ঘটালে।
* মুখে পান রেখে ঘুমালে এবং সে অবস্থায় সেহেরির সময় চলে গেলে।
* রোজার নিয়ত না করলে।
* কানের ভেতরে তেল ঢুকালে।
* এক দেশে রোজা শুরু হওয়ার পর অন্য দেশে চলে গেলে।

> যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়

* বিনা প্রয়োজনে কোনো কিছু চিবালে।
২. তরকারির লবণ টেস্ট করে ফেলে দিলে।
* মাজন, কয়লা, গুল বা পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজলে। (তবে সামান্য ভেতরে গেলেও রোজা ভেঙে যাবে)
* রাতে ফরজ হওয়া গোসলসহ সারাদিন অতিবাহিত করলে।
* রোজা অবস্থায় রক্তদান করলে।
* পরনিন্দা, কুৎসা, অনর্থক কথা ও মিথ্যা বললে।
* ঝগড়া, ফাসাদ ও গালমন্দ করলে।
* ক্ষুধা ও পিপাসার কারণে অস্থিরতা প্রকাশ করলে।
* মুখে থুথু জমা করে গিলে ফেললে।
* স্ত্রীকে কামভাবের সঙ্গে স্পর্শ করলে।
* মুখে কিছু চিবিয়ে শিশুকে খাওয়ালে।
* লিপস্টিক লাগালে (যদি তা ভেতরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।)
* বুটের কণার চেয়ে ছোট কিছু দাঁতের ফাঁক থেকে বের করে গিলে ফেললে।

> যেসব কারণে রোজা ভাঙে না

* ভুলে কিছু খেলে বা পান করলে।
* অনিচ্ছাকৃত বমি করলে।
* রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে।
* অসুস্থতাজনিত কারণে বীর্যপাত হলে।
* স্বামী-স্ত্রী চুম্বন ও আলিঙ্গন করলে।

posted from Bloggeroid

যে সময় আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে খালি হাতে ফেরান না

যে সময় আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে খালি হাতে ফেরান না

যে বিশেষ মুহুর্তে আল্লাহ তায়ালা কাউকে খালি হাতে ফেরান না…

মহান আল্লাহ তায়ালা নিদের্শে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ফরয আমল শেষ করে অতিরিক্ত আমল হিসেবে বিভিন্ন নফল আমল করে থাকে। আল্লাহ তায়ালার রাজি খুশির জন্য আপনি যখনই আমল করবেন আল্লাহ তায়ালা খুশি হয়ে আপনার শুদ্ধ আমলটি কবুল করে নিবেন ইনশাল্লাহ।

তবে এরমধ্যেও এমন বিশেষ কিছু মুহুর্তৃ রয়েছে যে সময় আমল করলে মহান আল্লাহ তায়ালা সাথে সাথেই সেই আমল কবুল করেন। আল্লাহ রাব্বুল আল আমীন মূলত ১১টি বিশেষ সময়ের আমল কবুল না করে ফেলে দিতে পারেন না।

আপনি সেই ১১টি বিশেষ সময় সম্পর্কে জানেন কি? যদি না জানেন, তাহলে এখনই জেনে নিন:

* ০১। রাতের শেষ তৃতীয়াংশে,
* ০২। আযান ও একামতের মাঝে,
* ০৩। লাইলাতুল কদরে,
* ০৪। আরাফার দিবসে,
* ০৫। ইফতারির পূর্ব মূহুর্তে,
* ০৬। সফর অবস্থায়,
* ০৭। জমজম কূপের পানি পানের সময়,
* ০৮। সিজদাহ অবস্থায়,
* ০৯। সালাতের শেষাংশে,
* ১০। নির্যাতনের শিকর বা বিপদের মূহুর্তে,

posted from Bloggeroid

অশ্লীলতা রোজাকে দুর্বল করে দেয়

অশ্লীলতা রোজাকে দুর্বল করে দেয়

মাহে রমজান পবিত্রতম অধ্যায়। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুমিন বান্দা রমজানের সিয়াম সাধনার মাধ্যমে নিজের আত্মা ও সত্তাকে পবিত্র করে তুলবে সে জন্য রমজানের রোজাকে ফরজ করেছেন। কিন্তু শুধু রোজার বাহ্যিক অনুশীলনটাই আত্মার পবিত্রতা অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে কিছু বৈষয়িক বিধিনিষেধ মান্য করাও জরুরি। বাহ্যিকভাবে কেউ সুবেহ সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য, পানীয় ও যৌনতা বর্জন করলে মাসআলা অনুযায়ী তার রোজা হবে। কিন্তু নিজের আত্মাকে পবিত্র করে তুলতে ব্যর্থ হলে ওই বাহ্যিক রোজার কোনো মূল্য বা সওয়াব পাওয়া যাবে না। এক হাদিসে রাসুলে করিম (স.) বলেছেন : বহু রোজাদার এমন আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা আর পিঁপাসার কষ্ট ছাড়া অন্য কিছুই অর্জিত হয় না। অর্থাৎ তারা রোজার বিনিময়ে কোনো পুণ্য বা সওয়াব পায় না। ( মুসনাদে আহমাদ : ৯৬৮৫, সুনানে দারামি : ২৯২৩, সুনানে ইবনে মাজা : ১৬৯, আস্-সুনানুল কুবরা : ৩২৩৬ ) যে সমস্ত বিষয় রোজার পুণ্যকে নষ্ট করে দেয় তার মধ্যে অন্যতম হলো অশ্লীলতা।
রোজোর যে সীমাহীন ফজিলতের কথা হাদিসে বলা হয়েছে, সেটা কিন্তু একেবারে শর্তহীন নয়। বরং আচরণ ও চরিত্রকে অশালীনতামুক্ত করা একটি অপরিহার্য শর্ত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন : রোজাদার বনি আদমের প্রত্যেকটি আমলের সওয়াব দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। মহান আল্লাহ বলেছেন, রোজা শুধুই আমার জন্য আর আমি নিজে এর পুরস্কার প্রদান করব। কেননা সে (রোজাদার) তার শাহওয়াত (যৌবিক তাড়না ) ও খাদ্যকে শুধু আমার (সন্তুষ্টি অর্জনের) জন্য বর্জন করে। (সহিহ আল-বোখারি : ৫৯২৭, সহিহ মুসলিম : ১১৫১, ইবনে মাজা : ১৬৩৭, মুসনাদে আহমাদ : ৯৭১২, মুসনাদে ইবনে আবি শাইবা : ৮৮৯৪)। হাদিসের ভাষ্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মুমিন বান্দাকে রোজার জন্য অসীম পুরস্কার দান করবেন তখনই, যখন সে রোজা রাখার মাধ্যমে তার যৌবিক ক্ষুধাকে দমন করতে পারবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমাদের সমাজে বেপর্দা, বেহায়াপনা আর অশ্লীলতা অত্যন্ত মারাত্মক পর্যায়ে নেমে গেছে। রোজা ও রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষার্থে সকল প্রকারের অশ্লীলতাকে দমন করা জরুরি। কারণ অশ্লীলতা আমাদের সমাজে জন্য সাংঘাতিক বেমানান। অপরদিকে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার জন্য এবং রোজাদারের রোযা পরিপূর্ণ করারর জন্য অশ্লীলতা দমন করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। অশ্লীলতা রোজাকে দুর্বল ও সওয়াব শূন্য করে দেয়।

আসলে বেপর্দা আর অশালীনতার সঙ্গে নারীর অধিকারের কোনো সম্পর্ক নেই। ইসলামে পোশাকের বিধান হলো, যৌনাঙ্গকে আবৃত করা এবং নিজের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা। আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন, ‘হে বনি আদম! আমি তোমাদের জন্য পোশাক অবতীর্ণ করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে আর অবতীর্ণ করেছি সৌন্দর্যের পোশাক এবং পরহেজগারির পোশাক আর এটিই সর্বোত্তম। এটি আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে। (সুরা আল-আরাফ ২৬)।
মোট কথা হলো নারী হোক বা পুরুষ নিজের যৌনাঙ্গ ও তার আকৃতি জনসমক্ষে প্রদর্শন কারা চরম অশালীনতা। সঙ্গে সঙ্গে অশালীন কথাবার্তা ও অঙ্গভঙ্গি সবই ইসলামী শরিয়তে হারাম। পুরুষ যেমন তার প্রয়োজনে বিচরণ করবে তেমনি নারীও তার প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবে এখানে ইসলামী বিধানে কোনো পার্থক্য করা হয়নি। ইসলাম নারীকে যেমন তার শরীর আবৃত করে পোশাক পরতে বলেছে, তেমনি পুরুষকেও বলেছে একই কথা। সুতরাং নারী-পুরুষ সবার জন্য শালীনতা রক্ষা করা অপরিহার্য; বিশেষ করে মাহে রমজান ও রোজার পবিত্রতা রক্ষার জন্য সমাজ থেকে সকল প্রকার অশ্লীলতা দূর করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের কর্তব্য।

posted from Bloggeroid

৩টি কাজ মুসলমানের জন্য ওয়াজিব

৩টি কাজ মুসলমানের জন্য ওয়াজিব

ইসলাম ডেস্ক : পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জীব মানুষ। এই মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তার ইবদতের জন্যই। তবে আমরা ইবাদত-বন্দেগি বলতে কেবলমাত্র নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব, জিকিরসহ ধর্র্মী কাজগুলোকেই বুঝি। কিন্তু এর বাইরেও ইবাদত রয়েছে।

যেমন, পৃথিবীতে মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যত কাজ আছে, সেগুলো যদি সততায় থেকে পালন করা যায় এবং এসব কাজে যদি সৃষ্টিকর্তাকে রাজি-খুশির নিয়ত থাকে, তবেই তা ইবাদাত-বন্দেগি হিসেবে
পরিগণিত হবে।
তাহলে সে সমস্ত কাজগুলো কি? এমন প্রশ্ন তো এখন নিশ্চয় আসছে। তাহলে জানুন, সে কাজ হতে পারে চাকরি, ব্যবসা, কৃষি ও সমাজসেবাসহ সকল কাজ। এমনকি পারিবারিক কর্ম সম্পাদনও ইবাদাতের অন্তর্ভূক্ত।
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সকল কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে অনেক সময় মানুষ ভুল করে বসে। আবার কেউ কেউ সঠিক কাজেই করে। তবে আপনি যে অবস্থাতেই থাকেন না কেন, আপনার জন্য ৩টি ওয়াজিব রয়েছে। আর এগুলো হচ্ছে-
১. ভালো কাজের শুকরিয়া- ভালো কাজ করা আল্লাহ তাআলার নিয়ামাত। যার ফলে ভালো কাজের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া ও প্রশংসা করা বান্দার জন্য ওয়াজিব।
২. গোনাহের কাজে ক্ষমা- যখনই বান্দা কোনো গোনাহ করে ফেলবে। তখনই গোনাহ থেকে মুক্ত হতে তওবা ও ক্ষমা চাওয়া ওয়াজিব।
৩. বিপদাপদে ধৈর্য- আল্লাহ তাআলা বান্দাকে বিপদাপদে পরীক্ষা করেন। বিপদের মুহূর্তে বান্দার জন্য ধৈর্য ধারণ করা আবশ্যক।

posted from Bloggeroid

বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন ৫০ টি দেশে

বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন ৫০ টি দেশে

হয়তো এমন খবর দেখে আশ্চর্য হতে পারেন। কিন্তু আসলেও ঘটনাটি সত্যি। শুধু বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেই ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন ৫০টি দেশে!

যদি এই ঘটনাটি সত্যি হয় তাহলে একজন বাংলাদেশী হিসেবে আপনিও গর্ব করতে পারেন নি:সন্দেহে। কারণ হলো ভিসা ছাড়াই শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্টের জোরে আপনি অন্তত ৫০টি দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন। সম্প্রতি আর্থিক খাতের উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান আরটন ক্যাপিটাল প্রভাবশালী পাসপোর্টের তালিকা তৈরি করেছে। আর এটিতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম।


অরটন ক্যাপিটালের নিয়ন্ত্রিত পাসপোর্ট ইনডেস্ক ডটঅর্গ ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীরা ৫০টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবেন। এ দেশগুলোর কয়েকটিতে বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসার প্রয়োজনই হয় না। বাকি দেশগুলোর প্রায় সবগুলোর ক্ষেত্রেই সেখানে পৌঁছে ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ করে নিতে হয়। আর, এক-দু’টি দেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে।

পাসপোর্ট ইনডেক্স ডটঅর্গে বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের প্রভাব নিয়ে তালিকা করা হয়েছে। কোনো দেশের পাসপোর্টধারী ভিসা ছাড়াই অন্য দেশের যাওয়ার সংখ্যার ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়।



ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে:

# এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা)
# শ্রীলংকা (৩০ দিন)
# আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস)
# মালাউই (৯০ দিন)
# সেশেল (১ মাস)
# আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন)
# হাইতি (৩ মাস)
# গ্রানাডা (৩ মাস)
# সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস)
# সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস)
# টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন)
# মন্টসের্রাট (৩ মাস)
# ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন)
# ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস)
# কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন)
# নাউরু (৩০ দিন)
# পালাউ (৩০ দিন)
# সামোয়া (৬০ দিন)
# টুভালু (১ মাস)
# নুউ (৩০ দিন)
# ভানুয়াটু (৩০ দিন)
# মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।

এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে:

# এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার)
# জর্জিয়া (৩ মাস)
# লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
# মালদ্বীপ(৩০ দিন)
# মাকাউ (৩০ দিন)
# নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
# সিরিয়া (১৫ দিন)
# পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
# আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক)
# মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)
# মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার)
# টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ)
# উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।

তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন। আর আপনার কাছে ফিরতি টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজ অবশ্যই থাকতে হবে।

posted from Bloggeroid

কিডনির সমস্যার পাঁচ লক্ষণ_bdmylove.com

কিডনির সমস্যার পাঁচ লক্ষণ_bdmylove.com

শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে কিডনি অন্যতম। কিডনির রোগ সম্পূর্ণ শরীরকে নাজুক করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

কিছু উপসর্গ রয়েছে যেগুলো দেখলে বোঝা যায় কিডনির রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টাইম ফর ন্যাচারাল জানিয়েছে এসব লক্ষণের কথা।

কোমর ব্যথা

সঠিকভাবে অঙ্গ বিন্যাসের অভাবে কোমর ব্যথা হয়। তবে কিডনির ক্ষতির কারণেও কিন্তু অনেক সময় কোমর ব্যথা হয়। এটি একটি প্রাথমিক লক্ষণ কিডনি রোগের। তাই কোমর ব্যথায় অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শুষ্কতা ও চুলকানি

কিডনি শরীরের বিষাক্ত পদার্থগুলোকে দূর করে দিতে ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। কিডনি ভালোভাবে কাজ না করলে দূষিত পদার্থগুলো রক্তের মধ্যে বাড়তে থাকে। এতে ত্বকের ভেতর চুলকানি, শুষ্কতা ও র‍্যাশের মতো সমস্যা হয়। ত্বকের অন্যান্য সমস্যার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো হলেও কিডনির সমস্যার ক্ষেত্রে এসব বিষয়গুলো হয়।

প্রস্রাবের ধরনের পরিবর্তন

কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাবের ধরনের পরিবর্তন হয়। প্রস্রাব অনেক সময় ফেনাযুক্ত হয়, সাধারণ অব্স্থার তুলনায় অনেক বেশি হয়, প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়, অনেক সময় প্রস্রাব করতে অসুবিধা বোধ হয়, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যায়। এসব সমস্যা দেখলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা ও অবসন্নতা

কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আরেকটি লক্ষণ হলো দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা ও অবসন্নতা। কিডনির সমস্যা হলে কোষে অক্সিজেন পরিবহনে সমস্যা হয়। এতে শরীর দুর্বল ও অবসন্ন লাগে।

শরীর ফুলে যাওয়া

কিডনি ভালোভাবে কাজ না করলে শরীরে তরল (ফ্লুইড) জমে। এতে মুখ, পা, পায়ের পাতা, হাঁটু ইত্যাদি অংশে পানি এসে ফুলে যায়। যদি শরীর ফোলার এ রকম সমস্যা দেখা যায় তাহলে অবহেলা করবেন না।

posted from Bloggeroid

কেউ স্ট্রােক হলে কি করবেন জেনে নিন

কেউ স্ট্রােক হলে কি করবেন জেনে নিন

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!



চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে , আপনি
কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের 10 আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না ।
কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।
এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।
যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।
তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100% কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।

এই পোস্টটিকে লাইক করার চেয়ে শেয়ার করলে ব্যাপারটা সবাই জানতে পারবে।
দয়া করে এটিকে বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।
যদি কেউ মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।
মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।
সুত্র :ইন্টারনেট

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (ঢাকা)

ইতিহাস (ঢাকা)

ঢাকা
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারন করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল যুগে। ঢাকা নামের উৎপত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট করে তেমন কিছু জানা যায় না। এ সম্পর্কে প্রচলিত মতগুলোর মধ্যে কয়েকটি নিম্নরূপঃ ক) একসময় এ অঞ্চলে প্রচুর ঢাক গাছ (বুটি ফুডোসা) ছিল; খ) রাজধানী উদ্বোধনের দিনে ইসলাম খানের নির্দেশে এখানে ঢাক অর্থাৎ ড্রাম বাজানো হয়েছিল; গ) ‘ঢাকাভাষা’ নামে একটি প্রাকৃত ভাষা এখানে প্রচলিত ছিল; ঘ) রাজতরঙ্গিণী-তে ঢাক্কা শব্দটি ‘পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র’ হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে অথবা এলাহাবাদ শিলালিপিতে উল্লেখিত সমুদ্রগুপ্তের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ডবাকই হলো ঢাকা।

কথিত আছে যে, সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভ্রমণকালে সন্নিহিত জঙ্গলে হিন্দু দেবী দুর্গার বিগ্রহ খুঁজে পান। দেবী দুর্গার প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ রাজা বল্লাল সেন ঐ এলাকায় একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। যেহেতু দেবীর বিগ্রহ ঢাকা বা গুপ্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাই রাজা মন্দিরের নাম ঢাকেশ্বরী মন্দির। মন্দিরের নাম থেকেই কালক্রমে স্থানটির নাম ঢাকা হিসেবে গড়ে ওঠে।আবার অনেক ঐতিহাসিকদের মতে, মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর যখন ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন, তখন সুবাদার ইসলাম খান আনন্দের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ শহরে 'ঢাক' বাজানোর নির্দেশ দেন। এই ঢাক বাজানোর কাহিনী লোকমুখে কিংবদন্দির রূপ ধারণ করে এবং তা থেকেই এই শহরের নাম ঢাকা হয়ে যায়। এখানে উল্লেখ্য যে, ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।

বিখ্যাত খাবারঃ
বাকরখানি, বিরিয়ানি

বিখ্যাত স্থানঃ
ঐতিহাসিক স্থানসমূহঃ লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ হল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শাঁখারিবাজার, হোসেনী দালান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, কার্জন হল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভবন (পুরাতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা ভবন), ঢাকেশ্বরী মন্দির, তারা মসজিদ, মীর জুমলা গেট, পরীবিবির মাজার
পার্ক, বিনোদন ও প্রাকৃতিক স্থানঃ রমনা পার্ক, বাহাদুর শাহ্‌ পার্ক- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান, বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঢাকা শিশু পার্ক, বুড়িগঙ্গা নদী, ঢাকা চিড়িয়াখানা, বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, বলধা গার্ডেন
স্মৃতিসৌধ ও স্মারকঃ জাতীয় শহীদ মিনার, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, (রায়ের বাজার), অপরাজেয় বাংলা-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভাস্কর্য আসাদ গেইট
আধুনিক স্থাপত্যঃ জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন, ভাসানী নভো থিয়েটার, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা বহুমুখী সেতু, যমুনা ফিউচার পার্ক, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, হাতিরঝিল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

বিখ্যাত বস্তুঃ
বেনারসী শাড়ি

posted from Bloggeroid

Wednesday, 8 June 2016

দাম্পত্যে সুখি হতে একজন আদর্শ স্ত্রী

দাম্পত্যে সুখি হতে একজন আদর্শ স্ত্রী

টাকা-পয়সা, সৌন্দর্য বিবাহিত জীবনকে সুখী করতে পারে না। অন্তত একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। তাঁর মতে, একটি ভালোবাসাময় সুখী বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য সবার মধ্যে যে গুণটি থাকা প্রয়োজন, তা হলো—আন্তরিকতা। আন্তরিক বলতে তিনি এমন কাউকে বুঝিয়েছেন, যিনি হবেন বিনীত, নমনীয়, বিশ্বাসযোগ্য, ভালো স্বভাব, সহযোগী মনোভাবাপন্ন, ক্ষমাশীল, উদার ও ধৈর্যশীল।

বিবাহিত জীবন অনেক ধরনেরই সমস্যা হয়ে থাকে যা আমরা অনেকেই জানি। আর সমস্যা হতেই পারে কারণ সবার দাম্পত্য এক রকম নয়। এক একটি মানুষের বিবাহিত জীবন থাকে একেক রকমের। আর কখনোই দু’প্রান্তের দুটি মানুষ একই রকম হয়না। তাদের পছন্দ-অপছন্দ, চাল-চলন, মতের মিল, সব কিছুই থাকে ভিন্ন ভিন্ন। আবার অনেকের কাকতালীয় ভাবে মনমানসিকতার মিল থাকে খুব অসাধারণ, যাদের আমরা বলে থাকি ‘পারফেক্ট কাপল’। কিন্তু সমস্যাটা হয় সেখানেই যখন বিবাহিত জীবনে দুটি মানুষের মতের অমিল হতে থাকে।

তখনই দেখা দেয় সম্পর্কে মহামারী সমস্যা। কিন্তু সব সমস্যাতেই শুধু একজনের দোষ থাকেনা। দোষ থাকে উভয়েরই। কিন্তু নিজের দোষটা অনেকেই মেনে নিতে পারেন না। আর পারেন না বলেই সমস্যা আরও বেশি খারাপ রূপ ধারণ করে। কিন্তু এমন কিছু বিষয় থাকে যা কখনোই বিবাহিত জীবনে বলা বা করা ঠিক না। বিশেষ করে নারীদের মনমানসিকতা পুরুষদের তুলনায় খুব নরম হয়ে থাকে ও নারীরা একটু বেশি স্বপ্ন বিলাসী হয়ে থাকেন। তাই তারা অনেক কিছুই মনে করেন ও বলে থাকেন যা আসলে ভুল। জেনে রাখুন তাহলে ১০ বিষয় যা কোন স্ত্রীর করা উচিত না।

১। আমি যেমন আছি তেমনি থাকবো, আমি যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে চলবো, আমার স্বাধীনতায় কোন বাঁধা দেয়া যাবে নাঃ

এই ধরনের কাজ করা ও এইভাবে চিন্তা করা মোটেও কোন ভালো কাজ নয়। আপনাকে অবশ্যই নিজেকে নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আপনি যদি এমনটা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার বিবাহিত জীবনে সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই নিজেকে জটিলতা থেকে দূরে রাখুন, ভালো চিন্তা করুন।

২। স্বামীর আগে অন্যদের প্রাধান্য দেয়াঃ

অনেক স্ত্রীই আছেন স্বামীর আগে অন্যদের বিশেষ করে নিজের বন্ধুদের প্রাধান্য বেশি দিয়ে থাকেন। যেমন ছুটির দিনে আপনার স্বামীকে বাড়িতে রেখে আপনি চলে গেলেন বন্ধুদের সাথে বাইরে শপিং করতে। কিন্তু যেহেতু ছুটির দিন আপনার স্বামী আপনাকে একান্তে পাশে চাইতেই পারেন।

৩। আপনার স্বামী আপনার বান্ধবী হবেন এমন আশা করবেন নাঃ

বান্ধবী তো বান্ধবী আর স্বামী তো স্বামীই। আপনি যদি মনে করে থাকেন আপনার স্বামীর সাথে আপনি আপনার প্রিয় বান্ধবীর মতো আচরণ করবেন, সব কথা তাঁকে বলবেন তাহলে তো সমস্যা হবেই। নিজের জীবনে সবার স্থান আলাদা ভাবে রাখুন, কিন্তু সবাইকে সমান ভাবে ভালোবাসুন।

৪। আপনার স্বামীকে অসম্মান করবেন নাঃ

বিবাহিত জীবনে আপনার স্বামীর কোন একটি কাজ আপনার অপছন্দ হতেই পারে তাই বলে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা, অন্য মানুষের সামনে যা-তা বলা থেকে বিরত থাকুন।

৫। কখনোই আপনার স্বামীকে নিজের বাবার মতো মনে করবেন নাঃ

সব পুরুষই যে এক রকম হয় তা ভাবাটা ভুল হবে। বাবা আর স্বামী কখনোই একরকম হয়না। তাই দুটি মানুষকে একসাথে মেলাবেন না ও আপনার স্বামীর সাথে আপনার বাবার তুলনা করবেন না।

৬। শারীরিক মিলন নিয়ে তুলকালাম করবেন নাঃ

অনেক স্ত্রীই আছেন যারা স্বামীর সাথে সহবাস করে মানসিক তৃপ্তি পান না। তা নিয়ে মহা কান্ডকারখানা ঘটিয়ে ফেলেন, স্বামীকে নিয়ে উপহাস করেন। কিন্তু এই ধরনের কাজ আপনার বিবাহিত জীবনের সমাপ্তি খুব সহজেই ডেকে আনতে পারে। স্বামীর কোন সমস্যা থাকলে তাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করুন। তাকে সাহস দিন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৭। যেকোন জিনিস তাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়া থেকে বিরত থাকুনঃ

স্বাভাবিক ভাবেই আপনাকে কেউ যদি বার বার একটি ব্যাপার নিয়ে কথা বলেন কিংবা কোন একটি কাজের কথা বার বার মনে করিয়ে দেন, আপনি অবশ্যই বিরক্ত হবেন। ঠিক সেভাবেই আপনার স্বামীও আপনার এমন ধরনের কাজে বিরক্ত হতেই পারে।

৮। গৃহকর্ম করার জন্য স্বামীকে বাধ্য করবেন নাঃ

কাজে সাহায্য করা, নিজের কাজ নিজে করা এক জিনিস এবং স্বামীকে গৃহকর্ম করতে বাধ্য করা আলাদা জিনিস। আপনার স্বামীকে বলুন আপনার সাথে কাজে সাহায্য করতে। কিন্তু তাকে সব গৃহকর্ম করতে বলতে পারেন না আপনি।

৯। স্বামীকে কখনো প্রিন্স চার্মিং মনে করবেন নাঃ

প্রথমেই বলা হয়েছে যে, অনেক নারীরাই সপ্নবিলাসী হয়ে থাকেন। তারা মনে করেন তাদের স্বামী হবে রূপকথার সেই ঘোড়ায় চরে আসা রাজপুত্র, যে তার সব কথা শুনবে আর সব অসম্ভবকে সম্ভব করে দেবে। এমনটা না ভাবাই ভালো। বাস্তবতাকে সহজে মেনে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

১০। কথায় কথায় মিথ্যা বলবেন নাঃ

মিথ্যা আমরা কমবেশি সবাই বলে থাকি। পুরুষরাও যে মিথ্যা বলে না তার স্ত্রীর সাথে, এই ধারণা না করাই ভালো। কিন্তু এমন অনেক নারীই আছেন যারা কথায় কথায় বার বার মিথ্যা বলেন, অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে দেন। এইসব করলে আপনি খুব দ্রুত আপনার প্রতি স্বামীর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন।

একজন সুন্দর মনের ও সুন্দর গুণের স্ত্রী সংসারকে তাঁর নিজের আলোয় আলোকিত করে তুলতে পারেন। সাজিয়ে তুলতে পারেন সংসার জীবনকে সুখের স্বর্গীয় বাগানের মতো করে। তবে এই কাজের জন্য দরকার প্রেমিক স্বামীর স্ত্রীর প্রতি ঐকান্তিক মায়া-মমতা ও সুগভীর ভালোবাসা। এই ভালোবাসা থাকলে দেখবেন, বিবাহিত জীবনে সুখ কাকে বলে!

posted from Bloggeroid

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমান বাইবেলে দেখে নিন

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমান বাইবেলে দেখে নিন

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমাণ বাইবেলে!


খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য এই খবর একটি অভিঘাত হিসাবে আসতে পারে। তুরস্কর আঙ্কারার এথনগ্রাফি জাদুঘরে একটি ১৫০০ থেকে ২০০০ বছর আগের বাইবেল পাওয়া যায়। এমনকি আরও জঘন্য সত্য যে এই বাইবেল আরও অনেক আগে আবিষ্কৃত হলেও ২০০০ সাল পর্যন্ত এটি গোপন রাখা হয়েছিল।

এই বাইবেলটি বার্নাবাসের গসপেলের নিকট ছিল, যিনি খ্রীষ্টের শিষ্য ছিলেন। সবচেয়ে অত্যাশ্চর্য জিনিস যে, এই বইতে বলা হয়েছে, যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়নি কিংবা তিনি ঈশ্বরের পুত্র নয়, তিনি একজন নবী ছিলেন।

এই বই অনুসারে, দূত পল একজন ‘প্রতারক’ ছিলেন। উপরন্তু, এই গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, যীশু জীবিত অবস্থায় স্বর্গারোহণ করেছেন এবং তার স্থানে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন জুদাস ইস্কারিওট।

তবে তুর্কি দাবি করেছে যে, এই বাইবেল ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় অভিযানে চোরাকারবারীদের একটি গ্যাং থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই গ্যাং পাচার পুরাকীর্তি ও অবৈধ খনন কাজ করছিল এবং তারা বিভিন্ন বিস্ফোরকও তৈরি করছিলেন। এই বই তুর্কি লিরাস মুদ্রায় ৪০ মিলিয়ন লিরায় বিক্রয় করতে যাচ্ছিলেন তারা। যা প্রায় ২৮ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার মূল্যের সমান।–সূত্র: টপ হেলদি লাইফ।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (সুনামগঞ্জ)

ইতিহাস (সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জ
‘সুনামদি’ নামক জনৈক মোগল সিপাহীর নামানুসারে সুনামগঞ্জের নামকরণ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ‘সুনামদি’ (সুনাম উদ্দিনের আঞ্চলিক রূপ) নামক উক্ত মোগল সৈন্যের কোন এক যুদ্ধে বীরোচিত কৃতিত্বের জন্য সম্রাট কর্তৃক সুনামদিকে এখানে কিছু ভূমি পুরস্কার হিসাবে দান করা হয়। তাঁর দানস্বরূপ প্রাপ্ত ভূমিতে তাঁরই নামে সুনামগঞ্জ বাজারটি স্থাপিত হয়েছিল। এভাবে সুনামগঞ্জ নামের ও স্থানের উৎপত্তি হয়েছিল বলে মনে করা হয়ে থাকে।

বিখ্যাত খাবার: দেশবন্ধুর মিষ্টি

বিখ্যাত স্থান: টাঙ্গুয়ার হাওর।
হাছন রাজার বাড়ি।
সৈয়দপুর গ্রাম।
নারায়ণতলা মিশন।
পনাতীর্থ ধাম।
লাউড়েরগর।
ডলুরা স্মৃতি সৌধ।
টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (হবিগঞ্জ) জেনে নিন

ইতিহাস (হবিগঞ্জ) জেনে নিন

হবিগঞ্জ
সুফি-সাধক হযরত শাহজালাল (রঃ) এর অনুসারী হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দীন (রঃ) এর পূর্ণস্মৃতি বিজড়ি খোয়াই, কারাঙ্গী, বিজনা, রত্না প্রভৃতি নদী বিধৌত হবিগঞ্জ একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন জনপদ। ঐতিহাসিক সুলতানসী হাবেলীর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সুলতানের অধঃস্তন পুরুষ সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হাবীব উল্লাহ খোয়াই নদীর তীরে একটি গঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নামানুসরে হবিগঞ্জ নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১ মার্চ হবিগঞ্জ জেলায় উন্নীত হয়।

বিখ্যাত খাবার: চা

বিখ্যাত স্থান:
- বিতঙ্গল আখড়া
- বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান;
- দ্বীল্লির আখড়া
- বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান;
- শ্রীবাড়ি চা বাগান;
- রেমাকালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারন্য - চুনারুঘাট;
- তেলিয়াপারা চা বাগান - মাধবপুর;
- বিবিয়ানা গ্যাস - নবীগঞ্জ।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (মৌলভীবাজার)

ইতিহাস (মৌলভীবাজার)

মৌলভীবাজার
হয়রত শাহ মোস্তফা (র:) এর বংশধর মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি মনু নদীর উত্তর তীরে কয়েকটি দোকানঘর স্থাপন করে ভোজ্যসামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেন। মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ প্রতিষ্ঠিত এ বাজারে নৌ ও স্থলপথে প্রতিদিন লোকসমাগম বৃদ্ধি পেতে থাকে। ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমের মাধ্যমে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে মৌলভীবাজারের খ্যাতি। মৌলভী সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ এই অঞ্চলের নাম হয় মৌলভীবাজার। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ২২শে ফেব্রুয়ারী মৌলভীবাজার মহকুমাটি জেলায় উন্নীত হয়।

বিখ্যাত খাবার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা
খাসিয়া পান

বিখ্যাত স্থান:
- শাহ মোস্তফা-এর মাজার (মৌলভীবাজার শহরের কেন্দ্রস্থলের বেড়ীরপাড়ের দক্ষিণ তীর);
- খাজা ওসমান (সপ্তদশ শতকের বাংলার শেষ পাঠান বীর);
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান-এর কবর (কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম আমবাসা);
- চা বাগানসমূহ;
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত (বড়লেখা);
- হাকালুকি হাওড়;
- খোজার মসজিদ;
- গাছপীর আব্রু মিয়ার মাজার (সিরাজনগর);
- ইউনুছ পাগলার মাজার (সাতগাও);
- হাইল হাওর (শ্রীমঙ্গল);
- তমাল তলা (সাতগাও রুস্তুমপুর)।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (সিলেট)

ইতিহাস (সিলেট)

সিলেট বিভাগ
সিলেট
প্রাচীন গ্রন্থাদিতে এ অঞ্চলকে বিভিন্ন নামের উল্লেখ্য আছে। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে শিবের স্ত্রী সতি দেবীর কাটা হস্ত (হাত) এই অঞ্চলে পড়েছিল, যার ফলে 'শ্রী হস্ত' হতে শ্রীহট্ট নামের উৎপত্তি বলে হিন্দু সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের ঐতিহাসিক এরিয়ান লিখিত বিবরণীতে এই অঞ্চলের নাম "সিরিওট" বলে উল্লেখ আছে। এছাড়া, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে এলিয়েনের (Ailien) বিবরণে "সিরটে", এবং পেরিপ্লাস অব দ্যা এরিথ্রিয়ান সী নামক গ্রন্থে এ অঞ্চলের নাম "সিরটে" এবং "সিসটে" এই দুইভাবে লিখিত হয়েছে। অতঃপর ৬৪০ খ্রিস্টাব্দে যখন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে এ অঞ্চলের নাম "শিলিচতল" উল্লেখ করেছেন তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী দ্বারা বঙ্গবিজয়ের মধ্য দিয়ে এদেশে মুসলিম সমাজব্যবস্থার সূত্রপাত ঘটলে মুসলিম শাসকগণ তাঁদের দলিলপত্রে "শ্রীহট্ট" নামের পরিবর্তে "সিলাহেট", "সিলহেট" ইত্যাদি নাম লিখেছেন বলে ইতিহাসে প্রমাণ মিলে। আর এভাবেই শ্রীহট্ট থেকে রূপান্তর হতে হতে একসময় সিলেট নামটি প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে ঐতিহাসিকরা ধারণা করেন।

এছাড়াও বলা হয়, এক সময় সিলেট জেলায় এক ধনী ব্যক্তির একটি কন্যা ছিল। তার নাম ছিল শিলা। ব্যক্তিটি তার কন্যার স্মৃতি রক্ষার্থে একটি হাট নির্মাণ করেন এবং এর নামকরণ করেন শিলার হাট। এই শিলার হাট নামটি নানাভাবে বিকৃত হয়ে সিলেট নামের উৎপত্তি হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগষ্ট সিলেট দেশের ষষ্ঠ বিভাগ হিসাবে মর্যাদা পায়।

বিখ্যাত খাবার: কমলালেবু
সাতকড়ার চা
আচার

বিখ্যাত স্থান:
- জাফলং
- ভোলাগঞ্জ
- লালাখাল
- তামাবিল
- হাকালুকি হাওড়
- ক্বীন ব্রীজ
- হযরত শাহজালাল(রাঃ) ও হযরত শাহ পরাণ(রাঃ) এর মাজার শরীফ
- মহাপ্রভু শ্রী চৈত্যনো দেবের বাড়ী
- হাছন রাজার মিউজিয়াম
- মালনী ছড়া চা বাগান
- ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
- পর্যটন মোটেল
- জাকারিয়া সিটি
- ড্রিমল্যান্ড পার্ক
- আলী আমজাদের ঘড়ি
- জিতু মিয়ার বাড়ী
- মনিপুরী রাজবাড়ি।
- মনিপুরী মিউজিয়াম
- শাহী ঈদগাহ
- ওসমানী শিশু পার্ক
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
- সৈয়দপুর গ্রাম
- সিলেটী নাগরী লিপি
- পাংতুমাই
- রাতারগুল
- টাংগুয়ার হাওর
- লোভাছড়া
- হাম হাম জলপ্রপাত
- পরীকুন্ড ঝর্ণা
- সাতছড়ি উদ্যান
- হারং হুরং
- বরাক নদীর তিন মোহনা

posted from Bloggeroid

হাঁটতে পারলেই দেশের হয়ে খেলবেন রদ্রিগেস

হাঁটতে পারলেই দেশের হয়ে খেলবেন রদ্রিগেস

ব্যথার সঙ্গে লড়াই করে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামেন হামেস রদ্রিগেস। জয়সূচক গোল করে দলকে সবার আগে কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠানোর পর কলম্বিয়ার এই মিডফিল্ডার জানালেন, যতই ব্যথা থাকুক, হাটতে পারলেই দেশের জন্য খেলবেন তিনি।

প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে গোল করা রদ্রিগেস কাঁধের চোটে মাঠ ছেড়েছিলেন। বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে হওয়া প্যারাগুয়ে-কলম্বিয়া ম্যাচে রদ্রিগেসের খেলা নিয়েই অনিশ্চয়তা ছিল।

কিন্তু সব শঙ্কা দূরে ঠেলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে শুরু থেকেই মাঠে নামেন রদ্রিগেস। দ্বাদশ মিনিটে কার্লোস বাক্কার করা প্রথম গোলে অবদান রাখার পর ম্যাচের আধ ঘণ্টার মাথায় নিজেই গোল করেন রদ্রিগেস। ৭০তম মিনিটে প্যারাগুয়ে ব্যবধান কমালেও কলম্বিয়ার জয়ের পথে বাধা হতে পারেনি।

কাঁধের ব্যথার সঙ্গে যুদ্ধ করে মাঠে নেমে এবং দলের জয়ে অবদান রাখতে পারায় রদ্রিগেসের আনন্দ ও আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে।

“খোঁড়া না হওয়া পর্যন্ত কলম্বিয়ার হয়ে খেলে যাব আমি। দেশের হয়ে আমি সব সময় খেলতে চাই। আমি খুশি কারণ আমি সব সময় সাহায্য করতে চাই, আজ আমি তা করতে পেরেছি।”

“কলম্বিয়ার খেলায় মান ছিল এবং আমি মনে করি, আমরা সবাই চমৎকার একটি ম্যাচ খেলেছি”, যোগ করেন ২৪ বছর বয়সী এই তারকা।

দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্টে কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করা কলম্বিয়া গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ সময় আগামী রোববার সকালে খেলবে কোস্টা রিকার বিপক্ষে।

posted from Bloggeroid

Monday, 6 June 2016

তোমাকে পেয়ে হাড়ালাম

তোমাকে পেয়ে হাড়ালাম

ঈশিতা ক্লাশ রুমের এক কোনায় বসে ছিল । মাথা নিচু করে । ওর কিছুই ভাল লাগছে না । বারবার কেবল একটা কথাই মনে হচ্ছে ও খুব বড় একটা অন্যায় করে ফেলেছে । ও এই বোধটাকে কিছুতেই সে মন থেকে মুছে ফেলতে পারছে না ।
“কি ভাবছিস এতো” ?
ঈশিতা কোন কথা বলল না । তুহিনের দিকে তাকিয়ে থাকল ।
তুহিন বলল “কালকের রাতের কথা ভাবছিস” ?
“হু” ।
“কালকের রাতের কথা আমিও অনেক ভেবেছি । এখন মনে হচ্ছে কাজটা করা আমাদের উচিত্ হয় নি” ।
পেছন থেকে সজিব বলল “কেন উচিত্ হয় নি ? আমরা সবাই মিলে তো কাল প্লান করলাম ? তখনতো কেউ ভেটো দেয় নি । তাহলে এখন এই কথা কেন আসছে” ?
তুহিন বলল “তবুও কাজটা করার পর মনে হচ্ছে ঠিক হয় নি । যদি আবির সাহেব কোন দিন জানতে পারে তাহলে বুঝতে পারছিস কি হবে ? কি ভাববেন উনি” ?
“আরে এতো টেনশন নিচ্ছিস কেন ? উনি কোন দিন জানতে পারবে না । ঠিক আছে ? তবে ঈশিতা তোকে একটা কথা বলব” ?
“বল” ঈশিতা বলল ।
“তুই আবির মিয়াকে বিয়ে করে ফেল । এরকম মানুষ সহজে পাবি না” ।
“হুম” । তুহিনও একমত হল । “সত্যি এরকম মানুষ সাহসী মানুষ পাবি না” ।
“কিন্তু ...” ঈশিতা কিছু বলতে যাচ্ছিল ।
ওকে থামিয়ে দিয়ে সজিব বলল “তুই এতো চিন্তা কেন করছিস ? যা ঘটেছে তা কোন দিন কেউ জানতে পারবে না । তুই চোখ বুঝে বিয়ে করে ফেল” ।
ঈশিতা একটু হাসল । বিয়ের সিদ্ধান্ত ও গতকাল রাতেই নিয়েছে । কিন্তু মনের মধ্যে একটা খচখচানি রয়েই গেছে ।
বারবার ওকে জানান দিচ্ছে যে ঈশিতা তুমি কাজটা ঠিক কর নি । মোটেই ঠিক করনি ।
ঈশিতা চাচ্ছিল না গতরাতের ঘটনাটা মনে করতে । ও ঘটনাটা ভুলে থাকার চেষ্টা করল । ওর মনে হতে লাগল এমন যদি কোন উপায় থাকতো যাতে গত রাতের ঐ ঘটনাটার অস্তিত্ব একেবারে গায়েব করে দেওয়া যেত ! ও মনে করতে না চাইলেও গতরাতের ঘটনা ওর মনে ধ্রুবতারার মতই জ্বলজ্বল করছিল ।
পারিবারিক ভাবেই আবিরের সাথে ঈশিতার বিয়ের কথা বার্তা চলছিল । কথা বার্তা মোটামুটি পাকা । গতকাল বিকালে আবির ওকে নিয়ে বের হয়েছিল । প্লান অবশ্য আগে থেকেই করা ছিল । মুভি টুভি দেখে খেয়ে দেয়ে বাসায় ফেরার সময় হল তখন বেশ রাত হয়ে গেছে ।
আবির যখন বাড়ির দিকে গাড়ি ঘোড়াল ঈশিতা তখন বলল “একটু ইউনিভার্সিটি এলাকার দিকে চলেন” ।
“রাত কিন্তু অনেক হয়েছে” ।
“তো কি হয়েছে ? চলেন না প্লিজ । আমার একটা ফেভারেট জায়গায় আপনাকে নিয়ে যাই । আমি সময় পেলেই এখান টাতে আসি” ।
আবির আর আপত্তি করল না । ইউনিভার্সিটি এলাকার দিকে গাড়ি ঘোড়াল । ওদের গাড়িটা যখন জায়গা মত পৌছাল তখন চারিদিকে সুনসান নিরবতা । এলাকাটা ভার্সিটির একদম একপাশে । দিনের বেলাতেই এখানে ঠিক মত লোক আসে না আর এখন তো বেশ রাত ।
গাড়ি থেকে নেমে আবির চারিদিকটা ভাল করে দেখল । বলল “জায়গাটা সুন্দর । কিন্তু একটু নির্জন । সেফ তো নাকি” ?
“হ্যা একটু নির্জন । এই জন্যই তো আমার বেশি পছন্দের । আর এই এলাকা তো সেফই । আর ...” ঈশিতা কথা শেষ করল না ।
“আর” ? আরির জানতে চাইল ।
“আর সেফ না হলেও তো সমস্যা নাই । আপনি আছেন না আমাকে প্রোটেক্ট করার জন্য” ।
আবির কোন কথা বলল না । একটু যেন খুশি হল ।
সামনেই একটা গাছের বেদির মত ছিল । ঈশিতা বলল “আসুন ঐ জায়গায় বসি” ।
ওরা বসতে যাবে ঠিক এমন সময় কোথা থেকে যেন তিনটা ছায়া মূর্তি হাজির হল । ওদের সামনে । আবির ঈশিতার হাত ধরে ওকে পিছনে নিয়ে এল । একটু যেন সাবধান ।
“এতো রাতে এইখানে কি করেন” ? তিন জনের একজন বলে উঠল ।
“কিছু না । আমরা চলে যাচ্ছি” । আবির ঈশিতাকে নিয়ে চলে যেতে চাইল । বিপদের গন্ধ পেয়েছে খানিকটা ।
“দাড়ান” । অনেক টা অর্ডারের মত শোনাল কথাটা ।
আবির দাড়াল । “কি চান আপনারা ? কোন ঝামেলার দরকার নাই । টাকা পায়সা যা আছে আমি এমনিতেই দিয়ে দিচ্ছি” ।
তিন জনের একজন যেন খানিকটা হেসে উঠল । বলল “আমাদের কি ফকির পাইছেন ? টাকার দরকার নাই । বলেন তো আমরাই আপনাকে দিতাছি” ।
“মানে কি” ?
“মানে হল আমরা আপনের গার্লফ্রেন্ড টারে চাই কিছুক্ষনের জন্য । এইখানে চুপচাপ দাড়াইয়া থাকেন । কাম শেষ হইলে দিয়া যামু” ।
একজন খুব জোড়ে হেসে উঠল যেন খুব মজার কথা বলেছে । আবির আরো একটু শক্ত করে ঈশিতার হাতটা চেপে ধরল ।
সেই একজনই আবার বলে উঠল “দৌড় দিয়া লাভ নাই । যা বলতাছি করেন । কারো কোন ক্ষতি হবে না । কেউ জানবেও না । আর হিরো গিরি করতে যাইয়েন আমার কাছে রিভলবার আছে । আপনার উপর পুরা ম্যাগজিন খালি করলেও কেউ টেরও পাইবো না” ।
“ওকে তাই করেন” । আবির অনেক ক্ষন পর কথা বলল ।
আবিরের গলার স্বরে কিছু একটা ছিল তিন জনই যেন একটু চমকে উঠল । ওরা হয়তো ভাবে নি আবির এমন কথা বলবে । আবির আবার বলল “পিস্তল বের করে আমাকে গুলি করেন তারপর একে নিয়ে যান । আমার কোন আপত্তি নাই । কিন্তু আমার গায়ে একবিন্দু শক্তি থাকতে আমি ওকে নিয়ে যেতে দিবো না” ।
ঈশিতা সত্যি অবাক না হয়ে পারল না ।
তিন জনের মধ্যে অন্য একজন বলল “আমরা সংখ্যায় তিনজন । আপনার কি মনে হয় আপনি আমাদের সাথে পারবেন” ?
আবির খানিকটা হাসল । বলল “পারবো না ঠিক আছে । কিন্তু যতক্ষন পারবো ততক্ষন আমি ওকে নিয়ে যেতে দিবো না” ।
“আরে এতো কথার দরকার নাই” । প্রথম জন সত্যি সত্যি পিস্তল বের করল । আবিরের দিকে তাক করে বলল “এখন বলেন” !
আবির বলল “আমি বলেছি আমি বেঁচে থাকতে ওকে তোমরা নিয়ে যেতে পারবে না” ।
তারপর ঈশিতাকে ফিসফিস করে বলল “পায়ের হিল টা খুলে ফেল । ওরা যদি গুলি করে তাহলে তুমি পেছন দিয়ে দৌড় মারবে । ঠিক আছে ? একবারও থামবে না” ।
আবিরের দৃঢ়তা দেখে তিনজনই খানিকটা ইতস্তত করতে লাগল । এতোক্ষন যে চুপ করে ছিল সে বলল “বাদ দে ! ঝামেলার দরকার নেই । এখন টাইম ভাল না । চল কেটে পরি” ।
তিনজন যেভাবে এসেছিল সেভাবে গায়েব হয়ে গেল । আবির যেন হাপ ছেড়ে বাঁচল ।
গতরাতের এই ঘটনাটাই ঈশিতার মনে বারবার প্রতি ফলিত হচ্ছে । ও কিছুতেই এটা ভুলতে পারছে না । বিশেষ করে ঐ সময় ঐ রকম সাহসীকতা যে কেউ দেখাতে পারে না ।
ভাবনায় ছেদ পড়ল । ফোন বাজছে । আবিরই ফোন করেছে ।
“হ্যালো । কি খবর” ? আবিরের কন্ঠ খুব স্বাভাবিক ।
“ভাল” ।
“আমার কথা ভাবছিলে” ?
ঈশিতা মিথ্যা কথা বলল না । স্বীকার করে করল ।
“ হুম । আপনার কথা ভাবছিলাম” ।
“কি ভাবছিলে” ?
“বলা যাবে না” ।
“কেন ? বলা যাবে না কেন” ?
“যাবে না” ।
“আচ্ছা বলতে হবে না । একটা অনুরোধ কি রাখা যাবে” ?
“বলুন” ।
“ আমি তোমার ক্যাম্পাসে এসেছি । আমার সাথে কি দেখা করা যাবে” ?
“আমি বুঝতেই পারছিলাম আপনি এসেছেন । ডিপার্টমেন্টের সামনে একটু দাড়ান আমি আসছি” ।
ঈশিতা ওকে গতকালকের ঐ জায়গাটাতেই আবার নিয়ে আসল । কাল যেখানে বসতে চেয়েছিল আজ ঐ বেদির উপরেই বসল দুজন । আবির টুকটাক কথা বলছিল হঠাত্ ঈশিতা বলল “আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করবো” ?
“কর” ।
“কাল ওরা যদি আপনাকে গুলি করে দিতো ! তাহলে” ?
“দিলে দিতো । মরে যেতাম” । আবির হেসে উঠল ।
“ইটস নট ফানি । জিনিসটা এতো সহজ না” ।
আবির হাসি থামাল । বলল “জিনিসটা কিন্তু খুব জটিলও না । যদি কাল ওরা তোমাকে নিয়ে যেত তাহলে আমি কি আর কোনদিন তোমার সামনে আসতে পারতাম ? তোমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারতাম” ?
একটু ক্ষন চুপ করে থেকে আবির আবার বলল “আমি খুব বেশি সাহসী না ঈশিতা । কিন্তু আমি কাপুরুষও না । কাপুরুষ হয়ে বেচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল” ।
ঈশিতা চুপ করে আবিরের কথা গুলো শুনল । আবার ওর সেই অপরাধ বোধটা বড় প্রবল হতে লাগল । ঈশিতার বারবার মনে হতে লাগল এই রকম মানুষের সাথে এমন বাজে একটা খেলা কিভাবে খেলতে পারল !
ওর কেন জানি খুব কাঁদতে ইচ্ছা হল ।।
“আরে কি হল তোমার চোখে পানি কেন” ?
ঈশিতা চোখের পানি আটকানোর কোন চেষ্টা করল না । বলল “আবির তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও প্লিজ । আমি খুব খারাপ একটা কাজ করেছি । তোমাকে ছোট করার চেষ্টা করেছি” ।
“মানে ? কি বলছ এসব ? আমিতো কিছুই বুঝতে পারছি না” ।
ঈশিতা বলল “আসলে .... গত রাতের ঘটনাটা সাজানো ছিল” ।
“সাজানো ছিল মানে ? আমি ঠিক বুঝলাম না তোমার কথা” ।
“আসলে গতরাতে যারা এখানে আমাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল ওরা আমারই বন্ধু । আমার কথা মতই ওরা কাজটা করেছিল” ।
আবির এই কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়ল । কিছুক্ষন কোন কথাই বলতে পারল না । ও এখনও বিশ্বাস করতে পারছে না যে এমন কিছু একটা হতে পারে । অনেকক্ষন পর আবির বলল “এমনটা করার কারন টা কি জানতে পারি” ?
“আসলে প্রথমে আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাইনি । কিন্তু কোন উছিলায় তোমাকে রিজেক্ট করবো বুঝতে পারছিলাম না । আর আব্বা আমার কোন আপত্তি শুনতো না” ।
আবির বলল “আচ্ছা বুঝতে পেরেছি । তাই তুমি এই রকম একটা খেলা খেলল । তুমি ভেবেছিলে আমি তোমাকে ফেলে চলে যাবো আর তুমি তোমার বাবার কাছে গিয়ে বলল যে এরকম কাপুরুষের সাথে আমি বিয়ে করবো না । তাই তো” ?
ঈশিতা কোন কথা বলতে পারল না ।
আবির বলল “আমাকে তুমি একবার বলতে পারতে না যে তুমি বিয়ে করতে চাও না ? একবার বলেই দেখতে ! ওকে ফাইন । তুমি যখন আমাকে বিয়ে করতে চাও না । আমি এ বিয়ে করবো না । ঠিক আছে ? তুমি নিশ্চিন্তে বাসায় যাও” ।
“না আবির আমি .... আমি ....” । ঈশিতা কথাটা শেষ করতে পারল না ।
“কি এখন তুমি আমাকে বিয়ে করতে চাও” ? আবির খুব তাচ্ছিল্লের সাথে প্রস্নটা করল ।
ঈশিতা নিরবে মাথা ঝাকাল ।
আবির কিছুক্ষন কোন কথা বলল না । কেবল ওর দিকে তাকিয়ে থাকল ।
“আমি যাই ঈশিতা । তোমার সাথে কথা বলতে ভাল লাগছে না” ।
“আবির প্লিজ যেও না । আমি একটা ভুল করেছি । এটার জন্য তুমি যা বলবা আমি তাই করবো । তবুও তুমি যেও না প্লিজ” ।
আবির বলল “একটা কথা কি জানো ঈশিতা ? আমি মিথ্যা কথাটা একদম সহ্য করতে পারি না । কেউ আমার সাথে চিট করেছে এমনটা আমার সহ্যই হয় না । আর তুমি যেই কাজটা করেছ আমি কখনও সেটা ভুলতে পারবো না । কখনও না । আমি যাই” !
আবিরের চলে যাওয়াটা ও চুপচাপ দেখলো । আবির একটা বারের জন্যও পিছন ফিরে তাকাল না । ও যখন একেবারে চোখের আড়ালে চলে গেল তখন ঈশিতার খুব কষ্ট হতে লাগল । খুব কান্না পেতে লাগল । বারবার মনে মধ্যে একটা কথাই মনে হচ্ছিল যে খুব দামি কিছু ওর কাছ থেকে হারিয়ে যাচ্ছ , ওর কাছ থেকে দুরে চলে যাচ্ছে ।



posted from Bloggeroid

Sunday, 5 June 2016

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সোমবার

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সোমবার

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সোমবার

পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং ঈদ উল ফিতরের তারিখ নির্ধারণের জন্য সোমাবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১।

posted from Bloggeroid

খালেদা জিয়ার নামে সিম নিবন্ধন হয়নি

খালেদা জিয়ার নামে সিম নিবন্ধন হয়নি

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তার সিম পুনঃনিবন্ধন করার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী তারানা হালিম। আজ রবিবার সচিবালয়ে সিম নিবন্ধন পরবর্তীতে এক ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। তারানা হালিম বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ লোক সিম নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, সচিবসহ সবাই সিম নিবন্ধন করে নিয়েছেন। আমি আশা করেছিলাম, খালেদা জিয়া সিম নিবন্ধন করবেন। কিন্তু তিনি করেননি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এখনো নিবন্ধন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তিনি প্রচলিত নিয়ম মেনে নিবন্ধন করবেন। এ ছাড়া তাকে নতুন সিম কিনতে হবে। তার নামে এখনও কোনো সিম নিবন্ধন হয়নি। জনগণ তার কাছে আরো সচেতন আচারণ আশা করেন। গতকাল ৪ জুন পর্যন্ত প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ সিম পুনঃনিবন্ধন হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন, বাকি যারা সিম নিবন্ধন করতে চান তারা প্রচলিত নিয়ম মেনে করতে পারবেন।

সিম পুনঃনিবন্ধনের ফলে কী পরিমাণ অপরাধ ও ভিওআইপি ব্যবসা কমেছে তা জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসিকে অনুরোধ করবেন প্রতিমন্ত্রী। ১ জুলাই প্রথম সপ্তাহে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের আন্ডারে কয়টি সিম নিবন্ধন হয়েছে তা জানিয়ে দেয়া হবে। তারানা হালিম বলেন, মোবাইল অপারেটরদের ওপর নতুন কর প্রত্যাহার করার জন্য আমি আগেই চিঠি লিখেছি। আজ আবার লিখব। প্রয়োজনে আমি নিজেই অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এটা প্রত্যাহার করার জন্য বলব। এটা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে অন্তরায়।

posted from Bloggeroid