Tuesday, 14 June 2016

আল্লার রহমতের ঘঠনা

আল্লার রহমতের ঘঠনা

হযরত জিবরাঈল (আঃ) নবী করীম (সাঃ) এর কাছে এসে একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। এক ব্যক্তি পাহাড়ের উচ্চ চূড়ায় পাঁচশ বছর ধরে আল্লাহ পাকের ইবাদতে মশগুল ছিল। ঐ পাহাড়ের চারদিক লবণাক্ত পানি দ্বারা বেষ্টিত ছিল। আল্লাহ তা’আলা তার জন্য পাহাড়ের অভ্যন্তরে সুপেয় পানির ঝর্ণা এবং একটি আনার গাছের সৃষ্টি করেন। প্রতিদিন সেই ব্যক্তি আনার ফল খেত এবং পানি পান করত। আর পানি দিয়ে অযূ করত। সে ব্যক্তি আল্লাহ্তা’আলার কাছে এই দু’আ করল- হে আল্লাহ্! আমার দেহ থেকে রূহ যেন সেজদারত অবস্থায় কবয করার ব্যবস্থা করা হয়। আল্লাহ্ তা’আলা তার এই দু’আ কবুল করেন।
হযরত জিবরাঈল (আঃ)বলেন- আমি আসমানে আসা যাওয়ার সময় তাকে সেজদারত দেখতাম। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা তার সম্পর্কে বলবেনঃ আমার এই বান্দাকে আমার রহমতে জান্নাতে প্রবেশ করাও। ঐ ব্যক্তি বলবে না, বরং আমার আমলের বরকতে। তখন নির্দেশ আসবে- আমার নিয়ামতের বিপরীতে তার কৃত আমল পরিমাপ কর। পরিমাপ করে দেখা যাবে, পাঁচশ বছরের ইবাদাত খতম হয়ে গেছে একটি চোখের নিয়ামতের বিনিময়ে। তখন আল্লাহ্ পাক নির্দেশ দিবেনঃ আমার বান্দাকে জাহান্নামে নিয়ে যাও। ফেরেশতারা তখন তাকে নিয়ে রওয়ানা হবে। কিছুদূর যাওয়ার পর ঐ ব্যক্তি আরয করবে হে আল্লাহ্! আমাকে তোমার রহমতে জান্নাতে প্রবেশ করাও। নির্দেশ আসবে তাকে ফিরত নিয়ে আস। আল্লাহ্ পাকের নিকট ফিরিয়ে আনার পর তাকে নিচের প্রশ্নগুলো করা হবে আর সে বলবেঃ-
– তোমাকে কে সৃষ্টি করেছেন?
– আল্লাহ, আপনি।
– এই কাজটা তোমার আমল না আমার রহমতের বরকতে হয়েছে?
– আপনার রহমতে।
– তোমাকে পাঁচশ বছর ইবাদাত করার শক্তি ও তাওফীক কে দিয়েছে?
– হে আল্লাহ্!আপনি।
– সমুদ্রের মাঝে পাহাড়ের উপর তোমাকে কে পৌঁছিয়েছে?
লবণাক্ত পানির মাঝে সুপেয় পানির ব্যবস্থা কে করেছে? আনার গাছ কে সৃষ্টি করেছে? তোমার দরখাস্ত মুতাবেক সেজদার মাঝে কে তোমার রূহ কবয করার ব্যবস্থা করেছে?
-হে পরওয়ারদিগার! আপনি।
তখন ইরশাদ হবেঃ এই সব কিছু আমার রহমতে হয়েছে এবং আমার রহমতেই তোমাকে জান্নাতে দাখিল করছি।
( রিয়াদুস সালেহীনঃ ২/৫৩,৫৪)

posted from Bloggeroid

islamic golpo

islamic golpo

একদা আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা) মদীনার উপকন্ঠে বের হলেন। তখন তাঁর সাথে তাঁর কিছু সাথীরাও ছিল। সাথীরা খাবারের জন্য দস্তরখানা বিছাল, তখনই ঐদিক দিয়ে এক রাখাল অতিক্রম করছিল। ইবনে উমর (রা) তাকে বললেন, হে রাখাল! এসো আমাদের সাথে বসে তুমিও কিছু খাও ও পান কর। রাখাল বলল, আমি রোযাদার। ইবনে উমর (রা) বললেন, এমন প্রচন্ড গরমের দিনে তুমি রোযা রাখছ যখন আবহাওয়া অত্যন্ত গরম এবং এ পাহাড়ে তুমি বকরী চড়াচ্ছো। রাখাল বলল, হ্যাঁ আমি ঐ শূন্য দিনের প্রস্ততি নিচ্ছি যখন আমল করার সুযোগ থাকবেনা, তাই আমল করে নিচ্ছি। ইবনে উমর (রা) রাখালের আল্লাহ ভীতি পরীক্ষা করার জন্য তাকে বললেন, তুমি তোমার এই বকরীর পাল থেকে একটা বকরী বিক্রি করবে? আমরা নগদ মুল্যে তা কিনব এবং তোমার ইফতারের জন্য এখান থেকে গোশতও দিব। রাখাল বলল, এ বকরীর পাল তো আমার নয়, যে আমি তা থেকে বিক্রি করব, বরং তা আমার মালিকের তাই আমি এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারব না। ইবনে উমর (রা) বললেন, তোমার মালিক যদি কোন বকরী কম পায় তাহলে বলবে একটি বকরী হারিয়ে গেছে তখন সে আর কোন কিছু বলবেনা। কেননা পাল থেকে দু একটা বকরী পাহাড়ে হারিয়ে থাকে। একথা শুনা মাত্র রাখাল ইবনে উমর (রা) এর নিকট থেকে বের হয়ে গেল এবং স্বীয় আঙ্গুল আকাশের দিকে উঠিয়ে বলল, “আল্লাহ কোথায়?”


যখন রাখাল চলে গেল তখন ইবনে উমর (রা) এ বাক্যটি বারবার বলতে লাগলেন, ‘আল্লাহ কোথায়?’ ‘আল্লাহ কোথায়?’



যখন আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা) মদীনায় ফিরত আসলেন তখন রাখালের মালিকের নিকট নিজের লোক পাঠিয়ে তার কাছ থেকে ঐ বকরীর পাল সহ রাখালকে কিনিয়ে নিলেন, আর তাকে মুক্ত করে দিয়ে বকরীর পাল তাকে দান করে দিলেন।


– সুনানে বায়হাকী ,হাদিসঃ ৫২৯১
– উসুদুল গাবাহ, হাদিসঃ ৩০৮৬



চিন্তা করে দেখুন সাহাবীদের যুগে একজন রাখালের কতটুকু তাকওয়া ছিল, আর আমরা আজ কোথায়?

তাকওয়াই মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে। তাই সুন্দর সমাজ, সুদ-ঘুষ, জিনা-ব্যাভিচার মুক্ত সমাজ পেতে চাইলে আমাদের তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে। আর আল্লাহর কাছে তারাই অধিক প্রিয় ,যারা অধিক তাকওয়াবান,হোক সে রিক্সাওয়ালা, ভ্যানওয়ালা, রাখাল কিংবা ধনী। কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন- إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ


‘নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত সে যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়াবান’ -(সূরা আল হুজুরাত:১৩)


অপুকে নিয়ে মুখ খুললেন শাকিব খান

অপুকে নিয়ে মুখ খুললেন শাকিব খান

অপুকে নিয়ে মুখ খুললেন শাকিব!


বিনোদন প্রতিবেদক: অপু বিশ্বাস ইন্ডাস্ট্রির এক নাম্বার নায়িকা। কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরেই কানাকানি হচ্ছে নায়িকা অপুকে নিয়ে। কোন প্রকার যোগাযোগ ছাড়াই তিনি রয়েছেন। চলচ্চিত্র সংশিষ্ট কেউই তার কোন সন্ধান দিতে পারছেন না। এদিকে তার নিখোঁজ হবার কারণে অনেক ছবির কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে।

তবে তার নিখোঁজ হওয়ার খবার নিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের কিং খান নামে পরিচিত শাকিব খান বললেণ ব্যতিক্রম কিছু। তিনি বলেন, অপু এর আগেও অনেক সময় কিছু না বলে বা না জানিয়ে গোপনে থেকেছেন। এবারও এর ব্যতিক্রম কিছু না। অপু আমি সফল জুটি। তার সাথে আমার অনেক ছবি হিট হয়েছে। হয়েছে ব্যবসা সফল। বিগত সময়ও কিছুদিন বিরতির পর নতুন অপু ঠিকই ফিরে এসেছিলেন। এবারও সেটাই হবে আশা করি।

শাকিব বলেন, আমার সঙ্গে তার অধিকাংশ ছবিই সফল। তার এই বিরতিকে আমি সমর্থন করি এবং ইতিবাচকভাবেই দেখি। অনেকেই জানেন, শাবনূরও এমন করেছিলেন একবার। নতুন শাবনূর ফিরেছিলেন আরও সুন্দরী হয়ে। অপুর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা দ্বিতীয়বারের মতো ঘটছে বলেই আমি বিশ্বাস করি।’

posted from Bloggeroid

প্রেমে হাবুডু খেতে খেতে শেষ মেশ জামাইকে বিয়ে করলেন শাশুড়ী

প্রেমে হাবুডু খেতে খেতে শেষ মেশ জামাইকে বিয়ে করলেন শাশুড়ী

প্রেমে হাবুডুবে খেতে খেতে শেষমেশ নিজের মেয়ের জামাইকেই বিয়ে করে বসলেন ৪২ বছরের শাশুড়ি। সেই বিয়েকে আবার মেনেও নিল স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত। অবাক করা এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের বিহারের মাধেপুরা জেলায়।

দুই বছর আগেই মাধেপুরার আশাদেবীর ১৯ বছরের মেয়ে ললিতার সাথে বিয়ে হয়েছিল পুরাইনির বাসিন্দা সুরজের (২২)। বছর খানেক পর তাদের সংসার আলো করে জন্ম নেয় এক কন্যা সন্তান। এপর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। এরপর একদিন হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন সুরজ। তখন সুরজকে দেখভাল করতে মেয়ের বাসায় ছুটে যান শাশুড়ি আশা দেবী। জামাইকে সেবা শুশ্রূষা করে তোলার দায়িত্ব তুলে নিজের কাঁধেই। এর পর থেকেই একে অপরের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে শুরু করে। জামাই সুস্থ হয়ে ওঠার পর শাশুড়ি নিজের বাসায় ফিরে গেলেও জামাইয়ের সাথে সঙ্গে তাঁর প্রেম চলতে থাকে। এমনকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল ফোনে কথা হয়ে তাদের দুইজনের মধ্যে। আশা দেবীর স্বামী কর্মসূত্রে দিল্লি থাকায় সেই ঘনিষ্ঠতা আরও জোরালো রূপ নেয়। এক সময় দুইজনের সম্পর্ক এত গভীরে চলে যায় শেষ পর্যন্ত বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন সুরজ ও আশা দেবী। গত মাসে কোর্ট ম্যারেজ সেরে ফেলেন তারা।

শাশুড়ি-জামাইয়ের এই বিয়েকে সম্মতি দিয়েছে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত। নিজের স্বামী ও মায়ের বিরুদ্ধে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এনে পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়ে ললিতা। কিন্তু পঞ্চায়েতের বক্তব্য ‘এই দুইজন প্রেমে এতটাই পাগল যে তাদের কেউ আলাদা করতে পারবে না’।

পুরো ঘটনাটি জেনে দিল্লি থেকে চলে আসেন ললিতার বাবা অর্থাৎ আশা দেবীর আগের স্বামী। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। পরে জামাইয়ের ঘর থেকে মেয়ে ললিতাকে নিজের বাসায় নিয়ে যান তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, ‘নতুন দম্পতি একসাথেই থাকছে। গ্রামের মানুষ তাদের এই সম্পর্ককে মেনে নিয়েছে এবং তাদের সংসারে আইনতভাবে হস্তক্ষেপ করার বিষয়ে আমাদের কোন অধিকার নেই কারণ কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

posted from Bloggeroid

বাহুবলীর ক্লাইমেক্সের খরচ ৩০ কোটি রুপি

বাহুবলীর ক্লাইমেক্সের খরচ ৩০ কোটি রুপি

ভারতের দক্ষিণী ছবি বাহুবলী: দ্য বিগিনিং গত বছর মুক্তি পাওয়ার পর আক্ষরিক অর্থে রেকর্ড গড়েছে। এমনকি গল্পে কাতাপ্পা কেনো বাহুবলীকে খুন করলো তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আগামী বছর আরও বড় ক্যানভাসে আসছে এর আগামী পর্ব। এসএস রাজামৌলি পরিচালিত বাহুবলী: দ্য কনক্লুশন ছবির ক্লাইমেক্স হতে যাচ্ছে সর্বকালের সবচেয়ে ব্যয়বহুল দৃশ্যগুলোর একটি। এজন্য খরচ হচ্ছে ৩০ কোটি রুপি।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, রামোজি ফিল্ম সিটিতে যুদ্ধে ভরপুর ক্লাইমেক্স দৃশ্যটির কাজ শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। চলবে টানা দশ সপ্তাহ। এ দৃশ্যের জন্য আন্তর্জাতিক স্টান্ট কোরিওগ্রাফার লি হুইটেকার (বাহুবলী, লিঙ্গা), ব্র্যাড অ্যালান (কিংসমেন সার্ভিস), লারনেল স্টোভ্যাল (হাঙ্গার গেমস), মর্নে ভ্যান টোন্ডারকে (দ্য হবিট) নিয়ে আসা হয়েছে।

বাহুবলী চরিত্রের অভিনেতা প্রভাস দৃশ্যটির জন্য প্রচুর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। হয়েছে মহড়া। সব মিলিয়ে প্রথম ছবির চেয়েও এটি বড়সড় আর মানসম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ছবিটিতে আরও অভিনয় করছেন রানা দাগ্গুবাতি, তামান্না ভাটিয়া ও আনুশকা শেঠি। বাহুবলী টু মুক্তি পাবে ২০১৭ সালের ১৮ এপ্রিল।

posted from Bloggeroid

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট হ্যাকড

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট হ্যাকড

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট হ্যাকড!

ঢাকা: আবারো হ্যাকারদের কবলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইট। আজ মঙ্গলবার সকালে ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয় বলে জানাগেছে। এর আগেও চলতি বছরে মে মাসে এবং ২০১৪ সালের জুন মাসে আরও দুই দফা হ্যাকারদের কবলে পড়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটটি।

কমিশনের আইটি শাখার সহকারী প্রোগ্রামার আবু নাসের মো. মানছুর হেলাল বলেন, সমস্যা সমাধানে কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

ইসির ওয়েবসাইটে (www.ecs.gov.bd) প্রবেশ করলে হোম পেজে কালো প্রচ্ছদ ভেসে উঠছে। সেখানে লেখা ‘hacked by nofawkX-al’। তা ছাড়া সেখানে একটি লোগোও দেখা যাচ্ছে, যা কসোভো লিবারেশন আর্মির। হ্যাকার গ্রুপটি নিজেদের এই নামে পরিচয় দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হোম পেজে ইউটিউবের একটি লিংকও দেওয়া হয়েছে। সেখানে লিবারেশন আর্মির আদেম জাশারি সম্পর্কে তথ্য রয়েছে।

posted from Bloggeroid

Sunday, 12 June 2016

বিতর্কিত গোলে ব্রাজিলের বিদায়

বিতর্কিত গোলে ব্রাজিলের বিদায়

বিতর্কিত গোলে ব্রাজিলের বিদায়


হাত দিয়ে গোল করলেন বদলি হিসেবে নামা রাউল রুইদিয়াস! সহকারীর সঙ্গে আলোচনা করেও তা ধরতে পারলেন না রেফারি। বিতর্কিত ওই গোলেই কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্ব থেকে ব্রাজিলকে বিদায় করে দিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠে গেল পেরু।


ফক্সবরোয় বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে ১-০ গোলের এই হারে ‘বি’ গ্রুপে তৃতীয় হয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে আগেই শেষ আট নিশ্চিত করেছিল একুয়েডর।

ড্র করলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, হারলেই বাদ এই সমীকরণে খেলতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ব্রাজিল।

দ্বাদশ মিনিটে লেফট ব্যাক ফিলিপে লুইসের শট ডানে ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক। ২৬তম মিনিটে গাব্রিয়েলকে গোলবঞ্চিত করেন গোলরক্ষক পেদ্রো গালাসে। ডি-বক্সের মাঝ থেকে নেওয়া সান্তোসের এই ফরোয়ার্ডের শট ডানে ঝাঁপিয়ে দারুণ দক্ষতায় কর্নারের বিনিময়ে ফেরান তিনি।

১০ মিনিট পর বাঁ দিক থেকে লুইসের ক্রসে ডি-বক্সের মাঝে থাকা উইলিয়ানের শট ক্রসবারের উপর দিয়ে যায়।

বিরতির কিছু আগে মিনিট আগে লুকাস লিমার শট আঙুলের ছোঁয়ায় কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান গোলরক্ষক।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্রাজিলের বিপক্ষে একটি পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্তও ‘বিতর্কিত’ ছিল। ডি-বক্সে এদিনসন ফ্লোরেসকে ব্রাজিলের রেনাতো আউগুস্তো পা বাড়িয়ে ফেলে দিলেও তা রেফারির চোখ এড়িয়ে যায়।

শেষ আটে উঠতে হলে জিততেই হবে দেখে দ্বিতীয়ার্ধে আর রক্ষণাত্মক খোলসে থাকেনি পেরু। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে তখন জমে উঠে খেলা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্রাজিল গোলরক্ষক আলিসনকে ফ্রি-কিকে পরীক্ষায় ফেলেন ক্রিস্তিয়ান কুয়েভো।

৬৩তম মিনিটে ডি-বক্স থেকে কৌতিনিয়োর শট প্রতিহত করেন আলবের্তো রদ্রিগেস।

৭৫তম মিনিটে আসে রুইদিয়াসের ওই বিতর্কিত গোল। টিভি রিপ্লেতে পরিষ্কার দেখা গেছে ডান দিক থেকে আন্দি পলোর ক্রসে হাত দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে দেন বদলি হিসেবে নামা এই স্ট্রাইকার। তবে ভিডিও রিপ্লে দেখে সিদ্ধান্ত দেওয়ার সুযোগ নেই কোপা আমেরিকার এই আসরে। অনেক সময় নিয়ে সহকারীর সঙ্গে আলোচনা করে হ্যান্ডবলটি ধরতে পারেননি উরুগুয়ের রেফারি আন্দ্রেস কুনাহ। ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের ক্ষোভে ফাটিয়ে পেরুর পক্ষে গোলের সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

শেষ ১৫ মিনিটে মরিয়া ব্রাজিল কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলটি শোধ করতে পারেনি। ১৯৮৫ সালের পর প্রথম বারের মতো পেরুর কাছে হেরে বিদায়ই নিতে হলো পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।

হতাশাজনক এই ফলের জন্য দুঙ্গার দলও কম দায়ী না। দলের সেরা তারকা নেইমারকে অলিম্পিকে খেলোনোর জন্য কোপা আমেরিকার দলে রাখা হয়নি। কিন্ত বার্সেলোনার এই তারকা ফরোয়ার্ডের অভাব পূরণ করতে পারেননি অন্যরা। পেরুর বিপক্ষে ব্রাজিলের বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সির মর্যাদা রাখতে পারেননি ধীর গতির লুকাস লিমা। গোলমুখে অনুজ্জ্বল ছিলেন আরেক ভরসা গাব্রিয়েলও। শেষ দিকে তার বদলি হিসেবে নামা হাল্কও কিছু করতে পারেননি।

দ্বিতীয় মেয়াদে ব্রাজিলের দায়িত্বে থাকা দুঙ্গার ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা দেখছেন অনেকেই।

আগের ম্যাচে হাইতিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠে একুয়েডর। সিয়াটলে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকালে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে তারা।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন পেরু নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে মুখোমুখি হবে কলম্বিয়ার।

posted from Bloggeroid

জেনে নিন কোন দেশ কখন স্বাধীন হয়েছে

জেনে নিন কোন দেশ কখন স্বাধীন হয়েছে

জেনে নিন কোন দেশ কখন স্বাধীন হয়েছে
লিখেছেন: মাসউদুর রহমান
বাংলাদেশ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। এটি জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের তৃতীয় মুসলিম দেশ। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সমাপ্তির পর ১৯৪৭ সালে ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশের সৃস্টি হয়। পাকিস্তানের জন্ম হয় দুটি আলাদা আলাদা ভূখন্ড নিয়ে। একটি পশ্চিম পাকিস্তান এবং অপরটি পূর্ব পাকিস্তান নামে অভিহীত হয়। কিন্তু পাকিস্তান সরকারের শোষণ, নিপীড়নের কারণে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মাঝে ক্ষোভ পুঞ্জিভ’ত হতে থাকে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মাঝে দূরত্ব আরো বেড়ে যায়। স্বাধীকারের বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আসে সত্তরের নির্বাচন। এতে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও সামরিক জান্তা মতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়। এ বিষয়ে সমঝোতা না হওয়ায় পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ গভীর রাতে বাংলাদেশের অবিসম্বাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের অংশ হিসাবে বাঙালিদের উপর নির্বিচারে আক্রমণ শুরু করে। ২৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়া হয় স্বাধীনতার। সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত হয অস্থায়ী সরকার। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি উসমানীর নেতৃত্বে দেশকে স্বাধীন করতে অস্ত্র হাতে নেমে যায় মুক্তিযোদ্ধারা। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা দীর্ঘ ৯ মাস অবিরাম যুদ্ধ করে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তান বাহিনীকে পরাভূত করে। মিত্রবাহিনী প্রধান জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনীর প্রধান জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পন করেন। এর মধ্য দিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। প্রতি বছর এ দেশে ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বরকে বিজয় দিবস হিসাবে উদযাপন করা হয়।
পাকিস্তান: পাকিস্তান ভারতীয় উপমহাদেশের একটি অংশ। জনসংখ্যার ভিত্তিতে পাকিস্তান বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম দেশ। বর্তমান পাকিস্তান এলাকাটি ১৫২৬ থেকে ১৮শ শতক পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। ষোড়শ শতক থেকে বিভিন্ন ইউরোপীয় শক্তি ভারত উপমহাদেশে বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করতে শুরু করে। পরবর্তীকালে আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গোলযোগের সুযোগ নিয়ে তারা এ অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করতেও সম হয়। ১৮৫৬ সালের মধ্যেই এ ভূখন্ডসহ উপমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হস্তগত হয়। এরপর এটি ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আসে। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্টে এলাকাটি পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের পশ্চিম অংশ হিসেবে স্বাধীনতা লাভ করে। দেশের অন্য অংশ পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তান থেকে প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছিল। ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র বাংলাদেশ গঠন করে।
ভারত: ষোড়শ শতক থেকে পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স ও ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যের মতো ইউরোপীয় শক্তিগুলি ভারতে বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করতে শুরু করে। পরবর্তীকালে দেশের আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গোলযোগের সুযোগ নিয়ে তারা ভারতে উপনিবেশ স্থাপন করতেও সক্ষম হয়। ১৮৫৬ সালের মধ্যেই ভারতের অধিকাংশ অঞ্চল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হস্তগত হয়। এর এক বছর পরেই ঘটে ভারতীয় সিপাহি ও দেশীয় রাজ্যগুলির সম্মিলিত এক জাতীয় গণ-অভ্যুত্থান। ভারতের ইতিহাসে এই ঘটনা প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ বা সিপাহি বিদ্রোহ নামে পরিচিত। এই বিদ্রোহ ব্যর্থ হলেও তা দেশে কোম্পানির শাসনের দুর্বলতার দিকগুলি উন্মোচিত করে দেয়। তাই ভারতকে আনা হয় ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের প্রত্য শাসনাধীনে।
বিংশ শতকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনগুলি দেশজুড়ে স্বাধীনতা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটায়। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত ব্রিটিশ শাসনজাল থেকে মুক্ত হয়।
শ্রীলংকা: দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপ শ্রীলংকা ১৯৭২ সালের আগে সিলন নামে পরিচিত ছিলো। প্রাচীনকাল থেকেই শ্রীলঙ্কা একটি গুরুত্বপুর্ন সামুদ্রিক সৈকত ও বানিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে বনিকদের কাছে পরিচিত। ১৭৯৬ সালে দ্বীপটি ব্রিটিশ শাসনের অধীনে চলে যায়। ১৯৩০ সালের দিকে স্থানীয়দের প্রতি ব্রিটিশদের নির্যাতন-অত্যাচারের জন্য স্বাধীনতার আন্দোলন শুরু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্বাধীনতার আন্দোলন জোরদার হতে থাকে। ১৯৪৮ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারী সিলন নামে দেশটি স্বাধীনতা পায় যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে।
নেপাল: ধারণা করা হয় হিমালয়ান অঞ্চলে প্রায় ৯০০০ বছর ধরে মানুষের বসতি। ১০০০ খৃস্টপূর্বের দিকে এই অঞ্চলটিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর জন্য স্বতন্ত্র রাজ্য ও কনফেডারেশন গড়ে উঠে। এরকমই একটি কনফেডারেশন সাকিয়া। এর রাজা ছিলেন গৌতম বুদ্ধ। পরবর্তী সময়গুলোতে এ অঞ্চল মৌর্য, গুপ্ত, লিকচাভি, নেওয়ারি এবং চালুকাইয়া সাম্রাজ্যের অধীনে ছিলো। নেপাল একীভূত হয় ১৭৬৮ সালের ২১ ডিসেম্বর।
মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়া ব্রিটিশ শাসনের অধীন ছিলো। ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ সরকার মালয়েশিয়াকে স্বায়ত্বশাসন দেবার ঘোষনা করলেও দ্বৈতচাপে বিলম্বিত হয় স্বাধীনতা অর্জন। একদিকে কমিউনিস্টদের সশস্ত্র সংগ্রাম অন্যদিকে স্বাধীনতার জন্য ইউএমএনও’র নেতৃত্বে দৃঢ় অবস্থান গ্রহন। তখন টানা ১২ বছরের কমিউনিষ্টদের সন্ত্রাসী আগ্রাসন ও সারাদেশে জরুরী অবস্থা জনজীবনে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করছিল। অবশেষে ১৯৫৬ সালের ৮ অক্টোবর লন্ডনে টুংকু আবদুর রহমান ও ব্রিটিশ কলুনিয়াল সেক্রেটারী এলান লেনক্সের মাঝে স্বাধীনতার ব্যাপারে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে উল্লেখ করা হয় ১৯৫৭ সালের ৩১ আগষ্ট মালয় ফেডারেশন তথা পশ্চিম মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, সাবাহ্, সারওয়াক ও ব্রুনাইয়ের একাংশ পূর্ন স্বায়ত্বশাসন লাভ করবে। সে চুক্তি অনুযায়ীই ১৯৫৭ সালের ৩১শে আগষ্ট মালয়েশিয়া ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে পূর্ন স্বাধীনতা লাভ করে। পরবর্তীতে অবশ্য নেতৃত্বের কোন্দলের কারনে লী কিউ উইনের নেতৃত্বে সিঙ্গাপুর পৃথক হয়ে ভিন্ন রাষ্ট্রে পরিনত হয়।
জাপান: বিশ্বের বুকে একটি প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি জাপান। ৬৬০ খ্রিস্টপূর্বের ১১ ফেব্রুয়ারি জাপান জাতির প্রতিষ্ঠা হয়। তাই এ দিনটিকে তারা জাতীয় প্রতিষ্ঠা দিবস হিসাবে পালন করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে সম্রাটরা রাষ্ট্রটিকে শাসন করে আসছে। জাপানীদের ধারণা তাদের সম্রাটগণ সূর্যদেবী আমাতেরাসুর বংশধর। দ্বিতীয় বিম্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯৪৫ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা সামরিকভাবে জাপান দখল করে এবং সংশোধিত সংবিধান অনুসারে সম্রাটকে আলংকারিক রাষ্ট্রপ্রধান বানানো হয়। পরবর্তীতে রাহুমুক্ত হয়ে বিশ্বের বুকে একটি প্রধান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে জাপানের পুনরুত্থান ঘটে।
চীন: বলা যেতে পারে গণ প্রজাতন্ত্রী চীন হচ্ছে বর্তমান সময়ের একমাত্র সমাজতান্ত্রিক দেশ। খ্রীস্টপূর্ব একবিংশ শতাব্দি থেকে খ্রীস্টপূর্ব ষোড়ষ শতাব্দি পর্যন্ত প্রায় ৫০০ বছর চীনে সিয়া রাজবংশ স্থায়ী ছিলো। সিয়া-ই হলো চীনের ইতিহাসের প্রথম রাজবংশ। এরপর বিভিন্ন রাজবংশ চীনকে শাসন করে। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠা পায় ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর। সে কারণে এ দিনটিকে দেশটির জাতীয় দিবস হিসাবে পালন করা হয়।  ১৯৪৯ সালে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৪ সালে , ১৯৭৫ সালে , ১৯৭৮ সালে আর ১৯৮২ সালে মোট চারবার এর সংবিধান সংশোধন ও প্রকাশ করা হয়।
ইন্দোনেশিয়া: প্রায় ৫,০০০ দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। ২০শ শতকের প্রথম দশকে ইন্দোনেশীয়া স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয়। দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে তা ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিন বছর জাপানিরা ইন্দোনেশিয়া দখল করে। দেশটি তখন নেদারল্যান্ডের অধীনে ছিলো। ১৯৪৫ সালের ১৭ই আগস্ট মিত্রশক্তির হাতে জাপানের আত্মসমর্পনের তিন দিন পর সুকর্ণ এবং মোহাম্মাদ আতার নেতৃত্বে একটি ুদ্র দল ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
আফগানিস্তান: ১৭৪৭ সালে আহমদ শাহ দুররানি কান্দাহার শহরকে রাজধানী করে এখানে দুররানি সাম্রাজ্যের শুরু করেন। তখন থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান একটি রাজতন্ত্র ছিল। এরই মাঝে দেশের রাজধানী কান্দাহার থেকে কাবুলে স্থানান্তরিত হয় এবং দেশটি প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলোর কাছে অনেক অঞ্চল হারায়। ১৯ শতকে আফগানিস্তান ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্য ও রুশ সাম্রাজ্যের মধ্যে এক বিরাট খেলার মধ্যবর্তী ক্রীড়নক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ১৯৭৩ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানে সামরিক অফিসারেরা রাজার পতন ঘটান এবং একটি প্রজাতন্ত্র গঠন করেন। ১৯১৯ সালের ১৯ আগস্ট তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া: অবিভক্ত কোরিয়া মূলত জাপানিদের দখলে ছিল। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হেরে যাবার সময় জাপানিরা সমাজতান্ত্রিক দেশ সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে আত্মসমর্পণ করে। ফলে আদর্শগত কারণে অবিভক্ত কোরিয়া ২ ভাগে ভাগ হয়ে যায়। উত্তর কোরিয়া সমাজতান্ত্রিক দেশ সোভিয়েত ইউনিয়নের মতাদর্শে সমাজতান্ত্রিক ব্লকে চলে যায়, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া পুঁজিবাদি আমেরিকার মতাদর্শে পুঁজিবাদি ব্লকে যোগ দেয়। ১৯৪৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়ার এবং ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাধীনতা দিবস।
যুক্তরাষ্ট্র: আমেরিকার আদিম অধিবাসী রেড ইন্ডিয়ানরা সম্ভবত এশীয় বংশোদ্ভুত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে এরা কয়েক হাজার বছর ধরে বসবাস করছে। প্রাথমিক পর্যায়ে আটলান্টিক মহাসাগর তীরস্থ উত্তর আমেরিকার তেরোটি ব্রিটিশ উপনিবেশ নিয়ে গঠিত হযয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই এই উপনিবেশগুলি একটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। এর মাধ্যমে উপনিবেশগুলি তাঁদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ঘোষণা করে এবং একটি সমবায় সংঘের প্রতিষ্ঠা করে। আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে এই বিদ্রোহী রাজ্যগুলি গ্রেট ব্রিটেনকে পরাস্ত করে। এই যুদ্ধ ছিল ঔপনিবেশিকতার ইতিহাসে প্রথম সফল স্বাধীনতা যুদ্ধ। ১৭৮৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়া কনভেনশন বর্তমান মার্কিন সংবিধানটি গ্রহণ করে। পরের বছর এই সংবিধান স্বারিত হলে যুক্তরাষ্ট্র একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকারসহ একক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়।
কানাডা: ১৮৬৭ সালের ১ জুলাই কানাডা স্বাধীনতা লাভ করে চারটি রাজ্য নিয়ে। এ রাজ্য চারটি হলো অনতারিও, কুইবেক, নোভা স্কটিয়া এবং নিউ ব্রান্সউইক।
১৫তম শতকের শুরুতে ইংরেজ এবং ফরাসি অভিযাত্রীরা আটলান্টিক উপকূল আবিষ্কার করে এবং পরে বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। ফ্রান্স দীর্ঘ সাত বছরের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলস্বরূপ ১৭৬৩ সালে উত্তর আমেরিকায় তাদের সব উপনিবেস ইংরেজদের কাছে ছেডে দেয়। ১৮৬৭ সালের ১ জুলাই মৈত্রিতার মধ্য দিয়ে চারটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ নিয়ে দেশ হিসেবে কানাডা গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে জারীকৃত কানাডা অ্যাক্ট অনুসারে দেশটি সংসদীয় গণতন্ত্র এবং আইনগত রাজ্যতন্ত্র উভয়ই মেনে চলে।
যুক্তরাজ্য: যুক্তরাজ্য আজন্ম একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। এ রাষ্ট্রের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিশ্বের এক চতুর্থাংশ এলাকা ও জনগণ ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে ছিলো। বর্তমানে এদের বেশিরভাগই স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও অনেকগুলিই ব্রিটিশ আইন, প্রতিষ্ঠান এবং রীতিনীতি ধরে রেখেছে। এমনকি বিশ্বের যেসব এলাকা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ ছিল না, সেখানেও অনেক দেশে ব্রিটিশ সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ছিলো বিশ্বের ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য। বর্তমান ভৌগোলিক কাঠামো নিয়ে মূল যুক্তরাজ্যের গঠন ১৭০৭ সালের ১ মে। আর ১৮০১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আয়ারল্যান্ড দেশটির অন্তর্ভূক্ত হয়। যুক্তরাজ্য অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে গঠিত। দ্বীপগুলোকে একত্রে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ নামে অভিহিত করা হয়। এছাড়াও বৃটিশ সাম্রাজ্যকালীন সময়ে দখলকৃত ১৪টি বাইরের এলাকা এখনও যুক্তরাজ্যের অধীনে রয়েছে।
রাশিয়া: ১৪শ ও ১৫শ শতকে একটি শক্তিশালী রুশ রাষ্ট্র গঠিত হতে থাকে মস্কোকে ঘিরে। রাশিয়া বিশ্বের বুকে একটি বিরাট শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হয় সম্রাট পিটারের সময়। ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লবে বলশেভিকরা রুশ রাজবংশের পতন ঘটায়। ১৯২২ সালে বলশেভিকেরা বিশ্বের প্রথম সাম্যবাদী রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করে। ১৯২২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত রাশিয়া ছিল সোভিয়েত রাষ্ট্রকুঞ্জের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্র। অনেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে রাশিয়া নামে চিনলেও মূলত রাশিয়া ছিল এর ১৫টি অংশের একটি। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে গেলে রাশিয়া মুক্ত বাজার ও গণতন্ত্রকে স্বাগত জানায়। ১৯৯০ সালের ১২ জুন রাশিয়ার নতুন ফরমেশন হওয়ায় এ দিনটিকে রাশিয়া দিবস হিসাবে উদযাপন করা হয়।
ফ্র্যান্স: বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো জাতি-রাষ্ট্রের মধ্যে একটি হলো ফ্র্যান্স। প্রাচীনকালে ফ্র্যান্স অঞ্চল কেল্টীয় গল নামে পরিচিত ছিল। প্রাচীন রোমানরা খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতকে অঞ্চলটির দখল নেয় এবং খ্রিস্টীয় ৫ম শতকে রোমান সাম্রাজ্যের পতন হওয়ার আগ পর্যন্ত শাসন করে। পরবর্তীতে অনেকগুলি রাজবংশ ধারাবাহিকভাবে ফ্রান্স শাসন করে। ৮৪৩ সালে ভ্যরদাঁর চুক্তির মাধ্যমে ডিউক ও রাজপুত্রদের রাজ্যগুলি একত্রিত হয়ে একটিমাত্র শাসকের অধীনে এসে ফরাসি রাষ্ট্র গঠন করে। মধ্যযুগে রাজতন্ত্রের প্রভাব কমে এলেও ১৪শ থেকে ১৮শ শতক ধরে আবার এর উত্থান হয়। ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং এর পর বহু দশক ধরে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলায় নিমজ্জিত হয়। বর্তমানে ফ্র্যান্স এর পঞ্চম প্রজাতন্ত্র পর্যায়ে রয়েছে। ১৯৫৮ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর এ প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।
জার্মানি: জার্মানি ১৬টি রাজ্য নিয়ে গঠিত একটি ফেডারেল ইউনিয়ন। ১৮৭১ সালের আগে এটি কোন একক রাষ্ট্র ছিল না। ১৮১৫ থেকে ১৮৬৭ পর্যন্ত জার্মানি একটি কনফেডারেসি এবং ১৮০৬ সালের আগে এটি অনেকগুলি স্বতন্ত্র রাজ্যের সমষ্টি ছিল। ১৯ শতকের শুরুতে ফ্র্যান্সের দখলদারিত্বের কারণে ১৮১৫ সালে প্রাশিয়ার নেতৃত্বে জার্মান রাষ্ট্রগুলি একটি কনফেডারেশন গঠন করে, যা ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। পরবর্তীতে ১৮৭১ সালের ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রগুলো একত্রিত হয়ে জার্মান সাম্রাজ্য গঠন করে। ১৯৪০ এর দশকের শেষ দিকে জার্মানির সোভিয়েত নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটি পূর্ব জার্মানিতে পরিণত হয়। পশ্চিম নিয়ন্ত্রিত বাকি তিন অঞ্চল একত্রিত হয়ে পশ্চিম জার্মানি গঠন করে। জার্মানির ঐতিহাসিক রাজধানী বার্লিন পূর্ব জার্মানির অনেক ভেতরে থাকলেও এটিকে দুই দেশ ভাগ করে নেয়। ১৯৬১ সালে পূর্ব জার্মানি সরকার বার্লিনে একটি প্রাচীর তুলে দেয়। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের বাসিন্দারা বার্লিন প্রাচীর ভেঙে ফেলে। এই ঘটনাটিকে পূর্ব ইউরোপে সাম্যবাদের পতন ও জার্মানির পুনঃএকত্রীকরণের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর দুই জার্মানি একত্রিত হয়ে জার্মান ফেডারেল প্রজাতন্ত্র গঠন করে।
সৌদি আরব: মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম রাষ্ট্র সৌদি আরব। এখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত হজরত মুহাম্মদ (সা.)। সৌদি আরবের বুকেই অবস্থিত পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু পবিত্র ক্বাবা শরীফ। এ ভ’খন্ডটির সংস্কৃতি ও ইতিহাস দীর্ঘ। তবে বর্তমান রাষ্ট্র সৌদি আরব যে আয়তন নিয়ে গঠিত তা আলাদা রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষিত হয় ১৯২৬ সালের ৮ জানুয়ারি। ১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এর একত্রিকরণ হয়। এদেশের শাসনকারী রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল আজিজ আল সাউদের নামানুসারে সৌদি আরব নামকরণ করা হয়েছে।
মিশর: নীল নদের দেশ মিশর প্রায় ৩২০০ খ্রিস্টপূর্ব থেকেই একটি সংহত রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিদ্যমান। ৬৪১ সাল থেকে দেশটি মুসলিম ও আরব বিশ্বের একটি অংশ। ১৮৮২ সালে ব্রিটিশ সেনারা মিশর দখল করার পর প্রায় ৪০ বছর এ ভ’খন্ড তাদের উপনিবেশ ছিল। ১৯২২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটি একটি রাজতন্ত্র হিসেবে স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু তবুও ব্রিটিশ সৈন্যরা থেকে যায় মিশরে। ১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই জামাল আবদেল নাসের-এর নেতৃত্বে একদল সামরিক অফিসার রাজতন্ত্র উৎখাত করে প্রজাতন্ত্র হিসেবে মিশর প্রতিষ্ঠা করে। সে কারণেই ২৩ জুলাইকে মিশরের জাতীয় দিবস হিসাবে উদযাপন করা হয়। মিশরকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় ১৯৫৩ সালের ১৮ জুন। নাসের ১৯৫৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে সমস্ত ব্রিটিশ সেনাকে সরিয়ে দেন।
ব্রাজিল: ভ’-প্রাকৃতিক বৈচিত্রে পূর্ণ ব্রাজিল ১৫০০ থেকে ১৮২২ সাল পর্যন্তএকটি পর্তুগিজ উপনিবেশ ছিল। ১৮২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর দেশটি স্বাধীনতা অর্জন করে। দক্ষিণ আমেরিকার অন্যান্য দেশগুলির তুলনায় অনেক শান্তিপূর্ণভাবে উপনিবেশ থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ব্রাজিলের উত্তরণ ঘটে। এসময় দেশে কোন রক্তপাত বা অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটেনি।
আলবেনিয়া: ১৯১২ সালের ২৮ নভেম্বর স্বাধীনতা অর্জন করে। আলবেনিয়ার স্বাধীনতা ছিলো দীর্ঘ ৫ শতকের অটোমান সাম্রাজ্যের সমাপ্তির একটি সতর্ক সংকেত।
আলজেরিয়া: ১৯৬২ সালের ৫ জুলাই স্বাধীনতা লাভ করে ফ্রান্সের কাছ থেকে।
অ্যান্ডোরা: ১৯৯৩ সালের ১৪ মার্চ স্বাধীনতা লাভ করে ফ্রান্স এবং স্পেনের কাছ থেকে।
অ্যাঙ্গোলা: ১৯৭৫ সালের ১১ নভেম্বর পর্তুগাল তার সাবেক উপনিবেশ ত্যাগ করে স্বাধীন করে দেয় অ্যাঙ্গোলাকে।
অ্যান্টিগুয়া ও বারবুদা: ১৯৮১ সালের ১ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
আর্জেন্টিনা: ১৮১৬ সালের ৯ জুলাই স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
আর্মেনিয়া: ১৯৯১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
অস্ট্রিয়া: ১৯৫৫ সালের ১৫ মে যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
আজারবাইজান: ১৯৯১ সালের ১৮ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বাহামা: ১৯৭৩ সালের ১০ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বাহরাইন: ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বারবাদোস: ১৯৬৬ সালের ৩০ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বেলারুস: ১৯৯১ সালের ২৭ জুলাই বেলারুশের আইনসভা সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে দেশটির সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে এবং ২৫ আগস্ট স্বাধীন হিসাবে স্বীকৃতি পায়।
বেলজিয়াম: ১৮৩০ সালের ৪ অক্টোবর স্বাধীনতা ঘোষিত হয়। আর স্বীকৃতি পায় ১৮৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল।
বেলিজ: ১৯৮১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বেনিন: ১৯৬০ সালের ১ আগস্ট ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বলিভিয়া: ১৮২৫ সালের ৬ আগস্ট স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বসনিয়া ও হার্জেগোভেনিয়া: ১৯৯২ সালে ইউগোস্লাভিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বোতসোয়ানা: ১৯৬৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
ব্রাজিল: ১৮২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পর্তুগাল থেকে ব্রাজিলকে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করেন পর্তুগালের রাজপুত্র ডম পেডরো। কিন্তু ১৮২৫ সালের ২৯ আগস্ট পর্যন্ত ব্রাজিলের কোন স্বতন্ত্র আইন ছিলোনা।
ব্রুনাই: ১৯৮৪ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বুলগেরিয়া: ১৯০৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর অটোমান সম্রাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বারকিনা ফ্যাঁসো: ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
বুরুন্ডি: ১৯৬২ সালের ১ জুলাই বেলজিয়ামের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
ক্যাপভার্দে দ্বীপপুঞ্জ: ১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
চাদ: ১৯৬০ সালের ১১ আগস্ট ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
চিলি: ১৮১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি স্পেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
কলম্বিয়া: ১৮১০ সালের ২০ জুলাই এবং ৭ আগস্ট স্পেন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো: ১৯৬০ সালের ৩০ জুন ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
কোষ্টারিকা: ১৮২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর স্পেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
ক্রোয়েশিয়া: ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর ইউগোস্লাভিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
সাইপ্রাস: ১৯৬০ সালের ১৬ আগস্ট যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু ১ অক্টোবরকে স্বাধীনতা দিবস হিসাবে উদযাপন করা হয়।
চেক প্রজাতন্ত্র: ১৯১৮ সালের ২৮ অক্টোবর অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি থেকে স্বাধীনতা লাভ করে চেকোস্লোভাকিয়া। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া বিভক্ত হয়ে যায়।
ডোমেনিকান প্রজাতন্ত্র: ১৮৪৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি হাইতি থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
পশ্চিম তিমুর: ২০০২ সালের ২০ মে ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
ইকুয়েডর: ১৮২২ সালের ২৪ মে স্পেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
আল সালভাদোর: ১৮২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর স্পেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
ইরিত্রিয়া: ১৯৯৩ সালের ২৪ মে ইথিউপিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
এস্তোনেশিয়া: ১৯১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বলসেভিস্ট রাশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
ফিনল্যান্ড: ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর রাশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
গাম্বিয়া: ১৯১৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
জর্জিয়া: ১৯১৮ সালের ২৬ মে রাশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
ঘানা: ১৯৫৭ সালের ৬ মার্চ যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
গ্রিস: ১৮২১ সালের ২৫ মার্চ অটোমান সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
গুয়াতেমালা: ১৮২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর স্পেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
গায়ানা: ১৯৬৬ সালের ২৬ মার্চ যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
হাইতি: ১৮০৪ সালের ১ জানুয়ারি ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
হুন্ডুরাস: ১৮২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর স্পেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
আইসল্যান্ড: ১৯৪৪ সালের ১৭ জুন ডেনমার্ক থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
ইন্দোনেশিয়া: ১৯৪৫ সালের ১৭ আগস্ট নেদারল্যান্ড থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু তা স্বীকৃতি পায় ১৯৪৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর।
জ্যামাইকা: ১৯৬২ সালের ৬ আগস্ট যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
জর্ডান: ১৯৪৬ সালের ২৫ মে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
কাজাকিস্তান: ১৯৯১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
কেনিয়া: ১৯৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীন হয়।
উত্তর কোরিয়া: ১৯৪৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়ার স্বাধীনতা দিবস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে অবিভক্ত কোরিয়া ছিলো জাপানিদের দখলে।
দক্ষিণ কোরিয়া: ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জাপান থেকে স্বাধীন হয়।
কুয়েত: ১৯৬১ সালের ২৬ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
কিরগিজিস্তান: ১৯৯১ সালের ৩১ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়।
লাতভিয়া: ১৯১৮ সালের ১৮ নভেম্বর রাশিয়া থেকে স্বাধীন হয়।
লেবানন: ১৯৪৩ সালের ২২ নভেম্বর ফ্রান্স থেকে স্বাধীন হয়।
লিসোথো: ১৯৬৬ সালের ৪ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
লাইবেরিয়া: ১৮৪৭ সালের ২৬ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীন হয়।
লিথুয়ানিয়া: রাশিয়া এবং জার্মানি থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯১৮ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৯০ সালের ১১ মার্চ।
মাদাগাস্কার: ১৯৯০ সালের ২৬ জুন ফ্র্যান্স থেকে স্বাধীন হয়।
মালাউই: ১৯৬৪ সালের ৬ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
মালদ্বীপ: ১৯৬৫ সালের ২৬ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
মালি: ১৯৬০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ফ্র্যান্সের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
মাল্টা: ১৯৬৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
মরিশাস: ১৯৬৮ সালের ১২ মার্চ যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
ম্যাক্সিকো: স্পেন থেকে স্বাধীন হয় ১৮১০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। কিন্তু স্বাধীন দেশ হিসাবে পরিচিতি পায় ১৮২১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর।
মালডোভা: ১৯৯১ সালের ২৭ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়।
মঙ্গোলিয়া: চীন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯২১ সালের ১১ জুলাই।
মন্টিনিগ্রো: ২০০৬ সালের ২১ মে সার্বিয়া থেকে স্বাধীন হয়।
মরক্কো: ১৯৫৬ সালের ২ মার্চ স্পেন এবং ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
মোজাম্বিক: ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন পর্তুগাল থেকে স্বাধীন হয়।
মায়ানমার: ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
নামিবিয়া: ১৯৯০ সালের ২১ মার্চ দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে স্বাধীন হয়।
নিকারগুয়া: ১৮২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর স্পেন থেকে স্বাধীন হয়।
নাইজার: ১৯৬০ সালের ৩ আগস্ট ফ্র্যান্স থেকে স্বাধীন হয়।
নাইজেরিয়া: ১৯৬০ সালের ১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
নরওয়ে: ১৯০৫ সালের ১৭ মে সুইডেন থেকে স্বাধীন হয়।
পানামা: ১৮২১ সালের ২৮ নভেম্বর স্পেন থেকে স্বাধীন হয়।
পাপুয়া নিউ গিনি: ১৯৭৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়া থেকে স্বাধীন হয়।
প্যারাগুয়ে: ১৮১১ সালের ১৫ মে স্পেন থেকে স্বাধীন হয়।
পেরু: ১৮২১ সালের ২৮ জুলাই স্পেন থেকে স্বাধীন হয়।
ফিলিপাইন: ১৮৯৮ সালের ১২ জুন স্পেন থেকে স্বাধীন হয়। ১৯৪৬ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীনতার অনুমোদন দেয়া হয়। এ দিনটি ফিলিপাইনি আমেরিকান বন্ধুত্বের দিন হিসাবে পরিচিত।
পোল্যান্ড: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির পর ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর রাশিয়া, অস্ট্রিয়া ও প্রাশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে পোল্যান্ড।
পর্তুগাল: ১৬৪০ সালের ১ ডিসেম্বর স্পেন থেকে স্বাধীন হয়।
কাতার: ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
আয়ারল্যান্ড: ১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীন হয়।
মেসিডোনিয়া: ১৯৯১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ইউগোস্লাভিয়া থেকে স্বাধীন হয়।
রোমানিয়া: ১৮৭৭ সালের ৯ মে অটোমান সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
রুয়ান্ডা: ১৯৬২ সালের ১ জুলাই বেলজিয়াম থেকে স্বাধীন হয়।
সাঁউ টম অ্যান্ড প্রিন্সিপি: ১৯৭৫ সালের ১২ জুলাই পর্তুগাল থেকে স্বাধীন হয়।
সারবিয়া: ১৮০৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অটোমান সাম্রাজ্যের বিপরীতে সারবিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।
সিসিলিস: ১৯৭৬ সালের ২৯ জুন যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
সিয়েরা লিওন: ১৯৬১ সালের ২৭ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
সিঙ্গাপুর: ১৯৬৫ সালের ৯ আগস্ট মালয়েশিয়া থেকে পৃথক হয়।
স্লোভাকিয়া: ১৯১৮ সালের ২৮ অক্টোবর অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি থেকে স্বাধীনতা লাভ করে চেকোস্লোভাকিয়া । ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি চেকোস্লোভাকিয়া চেক প্রজাতন্ত্র এবং স্লোভাকিয়ায় বিভক্ত হয়ে যায়।
স্লোভানিয়া: ১৯৯০ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইউগোস্লাভিয়া থেকে স্বাধীন হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৯৩১ সালের ১১ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
সুরিনাম: ১৯৭৫ সালের ২৫ নভেম্বর নেদারল্যান্ড থেকে স্বাধীন হয়।
সোয়াজিল্যান্ড: ১৯৬৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
সুইজারল্যান্ড: ১২৯১ সালের ১ আগস্ট রোমান সাম্রাজ্যের বিপরীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। আর ফেডারেল স্টেট হিসাবে প্রতিষ্ঠা পায় ১৮৪৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বর।
তাজিকিস্তান: ১৯৯১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
তানজানিয়া: ১৯৬১ সালের ৯ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
ত্রিনিদাদ ও টোবাগো: ১৯৬২ সালের ৩১ আগস্ট যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
টোঙ্গা: ১৯৭০ সালের ৪ জুন যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
তিউনেশিয়া: ১৯৫৬ সালের ২০ মার্চ ২০ ফ্র্যান্স থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা লাভ করে।
ইউক্রেইন: ১৯৯১ সালের ২৪ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
সংযুক্ত আবর আমিরাত: ১৯৭১ সালের ২ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
যুক্তরাষ্ট্র: ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই কিংডম অব গ্রেট ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
উরুগুয়ে: ১৮২৫ সালের ২৫ আগস্ট ব্রাজিল থেকে স্বাধীন হয়।
উজবেকিস্তান: ১৯৯১ সালের ১ সেপ্টেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়।
ভ্যাটিকান সিটি: ১৯২৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ইতালির সাথে লাতেরান চুক্তির অধীনে ভ্যাটিকান সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের সবচেয়ে ুদ্রতম এই রাষ্ট্রটি রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত স্বাধীন রাষ্ট্র।
ভেনিজয়েলা: ১৯৪৫ সালের ৫ জুলাই স্পেন থেকে স্বাধীন হয়।
ভিয়েতনাম: ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর ফ্র্যান্স থেকে স্বাধীন হয়।
ইয়েমেন: ১৯৬৭ সালের ৩০ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
জাম্বিয়া: ১৯৬৪ সালের ২৪ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।
জিম্বাবুয়ে: ১৯৮০ সালের ১৮ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীন হয়।

posted from Bloggeroid

ভালবাসার গল্প

ভালবাসার গল্প

অনীনদিতা অফিসের দরজা দিয়ে ঢুকতে যাবে এমন সময় ওর হাতটা চেপে ধরলাম । প্রথমে অনীনদিতা একটু যেন চমকে উঠল । হঠাত্‍ করে যে কারো হাত চেপে ধরলে যে কেউ চমকে উঠবে ।
অনীনদিতা কিছু বলতে যাচ্ছিল কিন্তু আমাকে দেখে মুখের ভাবটা পরিবর্তন হয়ে গেল ।
-তুমি এখানে ?
আমি একটু হাসলাম । বললাম
-চল ।
-কোথায় ?
-চল । আমি যেখানে নিয়ে যাই ।
অনীনদিতার মুখটা একটু কেমন যেন হল ।
-তানভীর এখন অফিস আমার ।
-তো কি হয়েছে ? চল ।
আমি ওর হাতটা ধরে টান দিলাম কিন্তু ও আসতে চাইল না ।
-আমার অফিস ।
-আসবে না তুমি ?
এবার অনীনদিতা একটু দ্বিধায় পড়ে গেল ।
-প্লিজ একটু বোঝার চেষ্টা কর ।
-আচ্ছা । ঠিক আছে । আসতে হবে না ।
আমি অনীনদিতার হাত ছেড়ে দিলাম । ওকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ঘুড়ে হাটা দিলাম । কয়েক কদম হেটেছি এবার অনীনদিতা নিজেই এসে আমার পথ রোধ করলো । আমি খুব ভাল করেই জানতাম যে অনীনদিতা আসবে এবং আমাকে আটকাবে । আমার হাত ধরে বলল
-এমনটা কেন কর ! আমার অফিস না !
-যাও । আমি মানা করেছি তোমাকে । যাও অফিসে গিয়ে কাজ করগে মন । তোমার ডিপার্টমেন্ট এইচ আর না ? যাও ।
আমি আবার ঘুরতে গেলাম কিন্তু অনীনদিতা আমার হাতটা ছেড়ে দিলো না ।
-আচ্ছা কতক্ষন লাগবে ?
-জানি না । তুমি আসবে না আমি যাবো !
-আচ্ছা চল । চল । তুমি এমন কর না । জানি না কাল ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আমায় কি বলবে !
আমি হাসলাম । অনীনদিতা কে নিয়ে বাসে উঠলাম । যেখানটায় যাওয়ার প্লান করেছি ওখান টাতে যেতে মোটামুটি দুই আড়াই ঘন্টা লাগার কথা ।
বাসে পিছনের একটা ডাবল সিট নিয়ে বসলাম দুজন ।
যাত্রা শুরু হল ।
-আমরা কোথায় যাচ্ছি ?
-যাচ্ছি কোন এক জায়গায় !
-সবই ঠিক আছে । শুধু অফিসটা !
-তা কবে যাবো তোমার সাথে । সাধারনত মানুষ ছুটিয় দিন গুলোতে বেড়াতে যায় । কিন্তু একটা ব্যাপার কি জানো ! অদ্ভুদ কারনে আমি যার সাথে বেড়াতে যেতে চাই ছুটির দিন গুলোতে তার কোন খোজই পাওয়া যায় না । এমনকি তার মোবাইল পর্যন্ত থাকে ।
অনীনদিতা কোন কথা না বলে চুপ করে থাকলো ।
আমি এখনও ঠিক বুঝতে পারি না ছুটির দিন গুলোতে অনীনদিতার কি হয় ।
ও কোথায় হারিয়ে যায় ? মোবাইলটা বন্ধ রাখে !
এটার কোন মানে আছে ?

বিমানবন্দর স্টেশনে বাস থেকে নামলাম । ওখান থেকে রিক্সা নিতে হল । যখন জায়গা মত নামলাম অনীনদিতার আনন্দ দেখে কে ! আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-সত্যি তুমি এটা করবে আমি ভাবতেই পারি নি ।
তারপর রেললাইনের উপর দিয়ে বাচ্চা মেয়ের মত দৌড়া দৌড়ি করতে লাগল । অনীনদিতার আনন্দ দেখে নিজের কাছেই খুব ভাল লাগল । ওর উপর খানিকটা রেগেছিলাম কিন্তু এখন মনে হল খামোখা রাগ করে এমন চমত্‍কার দিনটা নষ্ট করে লাভ নাই ।
অনেক দিন থেকেই এমন একটা জায়গা খুজছিলাম মনে মনে । যেখানে গাছ পালায় ঘেরা থাকবে চারিপাশ । তার মাঝখানে দিয়ে রেললাইন চলে গেছে । আর একটু দুরেই একটা একটা লেক আছে । ওখানে নৌকা আছে ।
অনীনদিতার অনেক দিনের ইচ্ছা এমন একটা জায়গায় আমার সাথে যাবে ।
-এই কি ভাবছ ?
আমি অনীনদিতার দিকে তাকিয়ে দেখি ও রেল লাইনের উপর হাটছে আপন মনে ।
-এই এদিকে আসো ।
আমি অনীনদিতার দিকে এগিয়ে গেলাম । অনীনদিতা যে লাইনটার উপর দাড়িয়ে আছে আমাকে তার পাশেরটাকে দাড়াতে বলল । আমি দাড়ালাম । তারপর অনীনদিতা ওর হাত আমার দিকে বাড়িয়ে দিল ।
তারপর দুজন হাটতে লাগলাম রেল লাইনের উপর দিয়ে !

অনীনদিতার অনেকদিনের ইচ্ছা এমন করে দুপাশে রেল লাইন দিয়ে হাটা !
হাটে হাটতে আমরা অনেকদুর চলে এলাম ।
ওর মুখটার দিকে তাকিয়ে মনে হল যেন ওর মত আনন্দে আর কেউ নাই ! আমাকে নিয়ে রেল লাইনের উপরেই বসে পড়লো ।
ভাগ্য ভাল আজ রোদের তেজটা কম । আকাশ টা কেমন একটু মেঘ মেঘ !
অনীনদিতা আমার কাধে মাথা রেখে অনেকক্ষন চুপ করে থাকলো !
আমি বললাম
-কি হল ? চুপ করে আছো কেন ?
-স্বপ্নের মধ্যে আছি মনে হচ্ছে । মনে হচ্ছে কথা বললেই হয়তো স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবে !
-আচ্ছা !!
আমি অনীনদিতার মুখটা হাত দিয়ে উচু কে ওর নাকে মৃদু করে একটা কামড় দিলাম ।
-আউ !!
আমি বললাম
-স্বপ্ন ভেঙ্গেছে ! এটা স্বপ্ন না বাস্তব !
-কিন্তু স্বপ্নের থেকেও সুন্দর ! আমি কখনও ভাবি নি আমার স্বপ্নটা এভাবে পুরন হয়ে যাবে !!
কিছু বলার আগেই অনীনদিতা আমাকে জড়িয়ে ধরলো । খুব জোড়ে জড়িয়ে ধরলো । যেন কিছুতেই আমাকে হারিয়ে যেতে দিবে না ।
-আরে বাবা এভাবে জড়িয়ে ধরেছ কেন ? আমি কি হারিয়ে যাচ্ছি নাকি ?
-তুমি চাইলে্ও পারবে না । আমি তোমাকে হারিয়ে যেতে দিবো না । কিছুতেই দিবো না !
-আচ্ছা ঠিক আছে এবার আসো !
-কোথায় ?
অনীনদিতা কে নিয়ে সামনের লেকের দিকে যাই ।
লেকটা বেশ বড় !
আমি বললাম
-নদী এখানে নাই । আপাতত লেক দিয়ে কাজ চালাতে হবে । চলবে ! লৌকায় চড়ি চল ।
যখন অনীনদিতাকে নিয়ে নৌকায় উঠলাম দেখি ওর চোখে পানি চলমল করছে ।
স্পষ্টই সেটা আনন্দের ! আশ্রু ভড়া চোখ নিয়ে ও তাকিয়ে আছে আমার দিকে !!
-তুমি এস আমার জন্য করেছ ?
-আমি কি করলাম ? তুমি এরকম জায়গা যেতে চেয়েচিলে আমি নিয়ে আসলাম ।
অনীনদিতা আমার আরো একটু কাছে এগিয়ে এল ।
নৌকায় এক পাশে আমি বসে ।অনিনদিতা আমার গায়ের উপর হেলান দিয়ে বসলো ! আমি ওকে ভাল করে জড়িয়ে ধরলাম পিছন থেকে ।

-আমার খুব ভাল লাগছে ! খুব বেশি ! আচ্ছা তুমি কিভাবে জানলে আমার এই ইচ্ছার কথা গুলো !
-আমি না জানলে আর কে জানবে ?
নৌকা চলছে তার আপন মনে আমরা গল্প করছি আপন মনে ।
হঠাৎ অনীনদিতা বলল
-ক্ষুদা লেগেছে ।
আমি ঘড়ির দিকে তাকয়ে দেখি প্রায় তিনটা বেজে গেছে । কখন যে এতো সময় পার হয়ে গেছে টের পাই ননি ।
আমি আগে থেকেই সব রকম প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিলম । ব্যাগে করে খারার নিয়ে এসেছিলাম । দুজন মিলে নৌকার উপর লাঞ্চ করলাম !!
-আই মিষ্টি খাওয়া বা না ?
-এখনে মিষ্টি পাবো কোথা....
আমি অনীনদিতার চোখে দিকে তাকয়ে কথা শেষ করতে পরলাম না ।
এই দুষ্ট মেয়েটা !!
আমি বললাম
-মিষ্টি ?
অনীনদিতা একটু হেসে মাথা নাড়াল !
-হুম ! মিষ্টি !
-আসো তোমাকে খাওয়াচ্ছি !!
এই বলে ওর দিকে আরো একটু এগিয়ে গেলাম ।
-এই ভাল হবে না বলছি......
-ভাল করছি দাড়াও ..। যাবে কোথায় ....



তোমার যখন ইচ্ছা করে
কাছে নিতে আপন করে
বলবে শুধু একটা বারে
আসবো আমি ঘোড়ায় চড়ে !



posted from Bloggeroid

Friday, 10 June 2016

যে তেল ব্যবহার করলে টাক মাতায় চুল গজাবেই দেখে নিন

যে তেল ব্যবহার করলে টাক মাতায় চুল গজাবেই দেখে নিন

যে তেল মাথায় দিলে টাকে চুল জন্মাবেই





প্রথমেই বলে নেওয়া কোনও কোম্পানি বা প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন নয়। বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই এই প্রতিবেদন। চুল নেই অথবা চুল পড়ে যাচ্ছে যাদের তাঁদের জন্য একমাত্র সমাধান। যা নিয়মিত ব্যবহারে অনুর্বর টাকে ’ফসল হয়’, চুল জন্মায়।

রেড়ির তেল ব্যবহার করলে টাকে চুল হয়। তবে আছে নির্দিষ্ট পদ্ধতি। ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ বেড়ির তেলে রয়েছে এমন ভেষজ কিছু উপাদান যা টাকে চুল গজাতে সাহায্য করে। প্রোটিন, মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিড, ওমেগা ফ্যাটি ইত্যাদি সমস্ত বিষয় রয়েছে রেড়ীর তেলে। এই সমস্ত উপাদানই চুল পড়া বন্ধ করে ও চুল গজিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

কীভাবে ব্যবহার করা উচিত?
অবশ্যই, নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়েই এই তেল ব্যবহার করা উচিত। দুটোর পরিমাণ সমান হলেই ভালো। এরপর ওই মিশ্রণ ব্রাশ অথবা হাত দিয়ে স্কাল্পে মালিশ করে নিন। খেয়াল রাখতে হবে চুলের গোড়া পর্যন্ত যেন তৈল মিশ্রণ পৌঁছে যায়। এরপর একটু উষ্ণ তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। ওই অবস্থায় থাকুন অন্তত ৮ ঘণ্টা। এরপর শ্যাম্পু করে নিন।

কী কী উপকার পাওয়া যায়?
এক। চুল পড়া বন্ধ করে।
দ্বিতীয়। চুলের গোড়াকে মজবুত করে।
তৃতীয়। চুলকে ঘন করে।
চতুর্থ। মাথায় খুসকি হওয়া থেকে স্কাল্পকে রক্ষা করে।
পঞ্চম। চুলের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়।
Share
0

posted from Bloggeroid

ইয়ার ফোন কিশোর তরুনদের যে বিপদ ডেকে আনছে দেখে নিন

ইয়ার ফোন কিশোর তরুনদের যে বিপদ ডেকে আনছে দেখে নিন

ইয়ার ফোন কিশোর-তরুনদের যে বিপদ ডেকে আনছে





হাতে স্মার্টফোন, কানে ইয়ারফোন। সঙ্গে ইন্টারনেট। বাইরের পৃথিবী বন্দি একটি ‘টাচে’। অনবরত কানে বাজছে নানা ধরনের সুর।
সুরের এই পৃথিবীতে ডুবে থাকার নেশার আড়ালে কিন্তু লুকিয়ে রয়েছে বিপদ। শরীর ও মনের ছন্দ বেসুরো হয়ে যাওয়ার ভয়। হু-র (ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন) সমীক্ষা বলছে, গোটা বিশ্বের প্রায় ১১০ কোটি টিন এজার ও যুবক-যুবতী শ্রবণক্ষমতা হারানোর দোরগোড়ায়। সৌজন্যে, ব্যক্তিগত অডিও গ্যাজেটের লাগাম ছাড়া ব্যবহার।



মাঝারি ও বেশি আয়ের দেশগুলি থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে হু-এর আশঙ্কা, ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ৫০ শতাংশ বিপদজনক শব্দসীমার মধ্যে আছে। ‘‘দীর্ঘ সময় ধরে ইয়ারফোন লাগিয়ে রাখার জন্যই বাংলাদেশের বিশেষ করে শহর এলাকার ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সিদের কানের সমস্যা বাড়ছে। আর তা থেকে অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও,। অ্যাকস্টিক নিউরোমা বা কানে টিউমারের সংখ্যা বাড়ছে কলকাতায়। অন্যান্য কারণের সঙ্গে ইয়ারফোন বা হেডফোনে খুব জোরে গান শোনা এর জন্য দায়ী বলে মনে করছেন চিকিত্সকেরা।


কিন্তু আজকের প্রজন্মের মধ্যে শব্দের জগতে ডুবের থাকার এত প্রবণতা কেন? ‘‘ভাল লাগা থেকে শুরু হলেও গান শোনার অভ্যাসটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে নেশায়, মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন আমরা পাবলিক স্পেসেও নিজের জন্য একটা কমফর্ট জোন খুঁজে নিতে চেষ্টা করি। চারপাশের মানুষজনের প্রতি যে উদাসীনতা এখন দেখা যায়, ইয়ারফোনে মগ্ন থাকা কিছুটা সেই প্রবণতারই লক্ষণ।’’ ট্রেনে-বাসে বই বা ম্যাগাজিন পড়ার মধ্যে মন ও মস্তিষ্কের যে সক্রিয় অংশগ্রহণ আছে, ইয়ারফোনে গান শোনার মধ্যে তা নেই। এক অদ্ভুত উদাসীনতা ভুলিয়ে দিচ্ছে মানুষের সঙ্গে কথোপকথনের স্বাভাবিক অভ্যাস।


মার্কিন বিজ্ঞানী কার্ল ফ্রিসটার্প গবেষণায় দেখাচ্ছেন, এই প্রজন্মের ‘ইয়ারফোন অবসেশন’ থেকে দুটি সমস্যার জন্ম হতে পারে। ‘লার্নেড ডেফনেস’ বা অভ্যাসগত বধিরতা আর ‘জেনারেশনাল অ্যামনেশিয়া’ বা প্রজন্মগত স্মৃতিভ্রংশতা। কান কেবল এক ধরনের শব্দ শুনতে শুনতে হারিয়ে ফেলতে পারে তার সহজাত ক্ষমতা। এমনিতেই এই প্রজন্মের প্রকৃতির সঙ্গে দূরত্ব খুব বেশি। তাই নির্জন স্থানে গিয়েও পাখির ডাক, ঝর্নার শব্দ কানে হয়তো পৌঁছবে না। ইয়ারফোন সব সময় লাগিয়ে রাখার ফলে কান পেতে শব্দ শোনার ক্ষমতা হয়তো হারিয়ে ফেলবে তারা।

posted from Bloggeroid

জেনে নিন আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায়

জেনে নিন আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায়

জেনে নিন আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় ।
ইসলাম



সুফিদের মতে, মানব জীবনে প্রকৃত কল্যাণ লাভ করাই কোরবতে ইলাহী বা খোদার নৈকট্য। এই কল্যাণ কোথায় লাভ করা যায়? আল্লাহ বলেন, ‘ক্বাদ আফলাহাল মু’মিনুনাল্লাজিনা হুম ফী সালাতিহিম খাশেউন’। যারা খুশুখুজু বা তাকওয়াসহ নামাজে রত থাকে তারাই প্রকৃত কল্যাণ লাভ করেছে। কোরবতে ইলাহীর অধিকারী কারা? ‘আসসাবেকুনাস সাবেকুন উলায়িকাল মুকাররাবুন’। আল্লাহ বলেন, অগ্রগামীদের মধ্য যারা অগ্রগামী তারাই মোকাররাব বা নৈকট্যপ্রাপ্ত। নবী (স.)-এর নবুয়তী ডাকে সাড়া দিয়ে যারা ঈমান হাসিল করেছে তারা সবাই অগ্রগামী মানব সম্প্রদায়। তাদের মধ্যে যারা তাকওয়া বা পরহেজগারী অবলম্বন করেছে তারাই অগ্রগামীদের মধ্যে অগ্রগামী। আল-কোরানের ভাষায় ‘আসসাবেকুন’। তাদের জন্য রয়েছে নেয়ামতপ্রাপ্ত জান্নাত। আল্লাহর পরিচয় ও মারেফত হাসিল করার কারণে তাদের হৃদয়ে ‘কোরবতে ইলাহীর’ আকাক্সক্ষা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসে।
কিসের ভিত্তিতে আল্লাহর মারেফত বা প্রকৃত পরিচয় লাভ হয়? মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের মারেফত বা পরিচয় মানব জীবনে তিন প্রকার ইয়াকীন বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে হাসিল হয়।

১. ইলমুল ইয়াকীন বা জ্ঞানগত বিশ্বাস অর্থাৎ জ্ঞান বা জানা-শোনার ভিত্তিতে আল্লাহর পরিচয় লাভ। এর প্রভাব ‘কীল ও কাল’ বা ‘বলা-কওয়ার’ মধ্যে সীমিত। অনেক সময় এখানে ভুল বা ফিতনার অনুপ্রবেশ ঘটা স্বাভাবিক যখন বক্তা বা জ্ঞানের উৎস এবং জানাশোনার বিষয় নানা দোষে দুষ্ট থাকে।

২. আঈনুল ইয়াকীন বা চাক্ষুষ বিশ্বাস অর্থাৎ আল্লাহর কুদরতি সৌন্দর্যের প্রকাশ দেখে তার মারেফত বা পরিচয় উপলব্ধি করা। মানুষের জন্য এই প্রকার বিশ্বাসও দোদুল্যমান অবস্থায় থাকে, কেননা এখানেও ইবলিস ও জিন্নাত শয়তানের ধোঁকা আর জাদুকরদের জাদুর প্রভাব থাকতে পারে। যার কথা সুরা নাসে ‘আল্লাজি ইউওয়াসবিসু ফী সুদুরিন্নাস’ বলে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। অর্থাৎ শয়তানের ওয়াসওয়াসা মানুষের অন্তরেও বাসা বাঁধে। তাই অন্তর আত্মাকে কোনো ইনসানে কামেলের বিশুদ্ধ আত্মার সংস্পর্শে রাখতে হবে যাতে তা বিশুদ্ধ হয়ে যায়। যেমন- ধোঁকাবাজরা সাধারণ মানুষকে খাঁটি সোনার বদলে নকল সোনা গছিয়ে দেয়, কিন্তু যারা বুদ্ধিমান অভিজ্ঞ লোকদের সঙ্গে থেকে ধোঁকাবাজদের ফেরেব থেকে বেঁচে থাকে এবং এক সময় সে তার স্পর্শে থেকে নিজেও অভিজ্ঞ হয়ে যায়। এই অন্তর বিশুদ্ধ করার ঘোষণা কালামে পাকে এভাবে এসেছে ‘ক্বাদ আফলাহা মান তাযাক্কাহ’ আল্লাহ বলেন, ‘সেই কল্যাণ লাভ করেছে যে তার অন্তর পরিশুদ্ধ করতে পেরেছে’।

৩. হাক্কুল ইয়াকীন বা প্রকৃত বিশ্বাস অর্থাৎ পরিশুদ্ধ অন্তরের আলোর দৃষ্টিতে আল্লাহর মারেফত ও পরিচয় উপলব্ধি করে বিবেকের বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে আল্লাহর কুদরত ও সৃষ্টির প্রকৃত রহস্যের পরিচয় লাভ করা, যাতে অন্তরাত্মা প্রশান্তি লাভ করে। কোরআনের ভাষায় যাকে ‘ক্বালবে সালিম’ বলে। আল্লাহ বলেন, ‘লা ইয়ানফাউ মালুও ওয়ালা বানুন ইল্লা মা আতা আল্লাহু বি ক্বাল্বিন সালিম’। প্রশান্ত চিত্ত ছাড়া আল্লাহর অনুগ্রহের মধ্যে ধন-সম্পদ, সন্তানাদির মাঝে কোনো উপকার নেই। এই তিনটি বিশ্বাসের প্রকৃষ্ট উদাহরণ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইব্রাহিম (আ.)-এর কোরআনি সংলাপটি এখানে প্রণিধানযোগ্য। ওয়া ইজ ক্বালা ইব্রাহিমু রাব্বি আরিনি কাইফা তুহয়িল মাওতা-ক্বালা আওয়া লাম তু’মিন–ক্বালা বালা ওয়া লাকিন তাতমাইন্না ক্বালবি। নবী (সা.)-কে স্মরণ করিয়ে আল্লাহ বলেন, যখন ইব্রাহিম (আ.) বললেন, প্রভু হে কি করে আপনি মৃতকে জীবিত করেন? আল্লাহ বলেন, তুমি কি তা বিশ্বাস কর না? এর উত্তরে ইব্রাহিম বললেন, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু এর প্রক্রিয়াটি বাস্তবে দেখলে হৃদয় প্রশান্ত হতো। সুফিদের কাছে এর নামই হাক্কুল ইয়াকীন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে দ্বীনের সহিহ বুঝদান করুন। আমীন

posted from Bloggeroid

১০টি কাজের বিষেয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি হুজুর পাক (সাঃ)

১০টি কাজের বিষেয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি হুজুর পাক (সাঃ)

মহানবী (সা.) যে ১০টি কাজের বিষয়ে কঠিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন



কিয়ামত পর্যন্ত তার উম্মতরা যাতে ন্যায়ের পথে থেকে চলতে পারে সেজন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। এ সম্পর্কিত একটি হাদিস এখানে উল্লেখ করা হলো। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ- রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যখন আমার উম্মত ১০টা কাজ করবে, তখন তাদের উপর বিপদ নেমে আসবে। রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলোঃ হে রাসূল, কি সেই দশটি কাজ? যা করলে বিপদ হবে?

তিনি বললেনঃ





১। যখন রাস্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করা হবে।
২। যখন আমানত হিসেবে রক্ষিত সম্পদকে লুটের মাল হিসাবে গ্রহণ করা হবে (অর্থাৎ আত্মসাৎ করা হবে)।
৩। যাকাতকে জরিমানার মত মনে করা হবে।

৪। স্বামী যখন স্ত্রীর আনুগত্য করবে এবং মায়ের অবাধ্য হবে।
৫। বন্ধুর প্রতি সদাচারী ও পিতার সাথে দুর্ব্যবহারকারী হবে।

৬। মসজিদে হৈ চৈ হবে।
৭। জনগণের নেতা হবে সেই ব্যক্তি যে তাদের মধ্যেকার সবচেয়ে নিকৃষ্ট চরিত্রের অধিকারী।
৮। মানুষকে তার ক্ষতির আশংকায় সম্মান করা হবে।
৯। গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের হিড়িক পড়ে যাবে।
১০। উম্মতের পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদেরকে অভিশাপ দেবে। তখন আগুনের বাতাস আসবে, মাটির ধস ও দেহের বিকৃতি ঘটবে।” সহীহ তিরমিযী; আততারগীব ওয়াত তারহীবঃ ৩য় খন্ডঃ ১৫৪১।

posted from Bloggeroid

তারাবি নামাজের নিয়ত ও দোয়া

তারাবি নামাজের নিয়ত ও দোয়া

তারাবি নামাজের নিয়ত ও দোয়া




মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হওয়ায় সোমবার রাতেই এশার নামাজের পর তারাবির নামাজ শুরু হবে। যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হবে মাহে রমজান। এশার নামাজের চার রাকাত ফরজ ও দুই রাকাত সুন্নতের পর এবং বিতর নামাজের আগে দুই রাকাত করে ১০ সালামে ২০ রাকাত তারাবি নামাজ আদায় করা হয়।
আরবি ‘তারাবিহ’ শব্দটির মূল ধাতু ‘রাহাতুন’ অর্থ আরাম বা বিশ্রাম করা। রমজান মাসের জন্য নির্দিষ্ট তারাবি নামাজ জামাতে পড়া ও সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ একবার খতম করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে তারাবি নামাজ পড়েছেন এবং সাহাবায়ে কিরামকে পড়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন।
তারাবি নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ও কোরআন শরিফ খতম করা অধিক সওয়াবের কাজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) তারাবি নামাজের জন্য রাতের কোনো বিশেষ সময়কে নির্দিষ্ট করে দেননি। তবে তারাবি নামাজ অবশ্যই এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে আদায় করতে হবে।
তারাবি নামাজের নিয়ত- نويت ان اصلى لله تعالى ركعتى صلوة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر. (নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা, রকাআতাই সালাতিত তারাবিহ সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তা’আলা, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার।) অর্থ: আমি ক্বিবলামুখি হয়ে দু’রাকাআত তারাবিহ সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ নামাজের নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।
তারাবি নামাজের চার রাকাত পরপর দোয়া- سبحان ذى الملك والملكوت سبحان ذى العزة والعظمة والهيبة والقدرة والكبرياء والجبروت . سبحان الملك الحى الذى لاينام ولا يموت ابدا ابدا سبوح قدوس ربنا ورب الملئكة والروح. উচ্চারণ: সুব্হানাযিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি সুবহানাযিল ইযযাতি ওয়াল আযমাতি ওয়াল হাইবাতি ওয়াল কুদরাতি ওয়াল কিবরিয়ায়ি ওয়াল জাবারুত। সুব্হানাল মালিকিল হায়্যিল্লাযি লা-ইয়ানামু ওয়ালা ইয়ামুতু আবাদান আবাদা। সুব্বুহুন কুদ্দুছুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।

posted from Bloggeroid

জেনে নিন রোজা ভাঙ্গার কারন

জেনে নিন রোজা ভাঙ্গার কারন

জেনে নিন, কোন কোন কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়
ইসলাম
পবিত্র রমজান মাসের আমরা সঠিকভাবে সবগুলো রোজাই পালন করতে চাই। কিন্তু আমরা অনেকে জানি না রোজা পালনের সঠিক নিয়ম বা কি কি কারণে রোজা ভেঙে যায়। আসুন আমরা জেনে নেই কি করলে বা কোন কোন কাজে রোজা ভেঙে যায়।

১. রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় কোন কিছু খাওয়া বা পান করা অথবা সহবাস করা। এতে কাযা ও কাফফারা (একাধারে দুই মাস রোজা রাখা ওয়াজিব)

২. নাকে বা কানে তেল বা ঔষধ ইত্যাদি প্রবেশ করানো।

৩.নস্যি গ্রহণ করা।

৪. ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা।

৫. বমি আসার পর তা গিলে ফেলা।

৬. কুলি করার সময় বা যেকানোভাবে পানি গলার ভিতরে ঢুকে পড়া।

৭. দাঁতে আটকে থাকা ছোলা তার চেয়ে বড় ধরণের খাদ্যকণা গিলে ফেলা।

৮. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়া অবস্থায় সুবহে সাদেকের পর জাগ্রত হওয়া।

৯. ধুমপান করা। ইচ্ছাকৃতভাবে আগরবাতি কিংবা অন্য কোন সুগন্ধি দ্রব্যের ধোঁয়া গলধ:করণ করা বা নাকের মধ্যে টেনে নেয়া।

১০. রাত মনে করে সুবহে সাদেকের পর সাহরী খাওয়া।

১১. সূর্যান্তের পূর্বে সূর্য অস্তমিত হয়েছে ভেবে ইফতার করা।

এগুলোতে শুধু কাযা ওয়াজিব হয়, কাফফারা ওয়াজিব হয় না। কিন্তু রোজা ভেঙে যাওয়া পর দিনের অবশিষ্ট সময় রোয়াদারের ন্যায় পানাহার ইত্যাদি থেকে বিরত থাকা ওয়াজিব

posted from Bloggeroid

Thursday, 9 June 2016

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সাঃ)৯টি কাজ করতে বলেছেন

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সাঃ)৯টি কাজ করতে বলেছেন

সৃতি শক্তি বাড়াতে মহানবী (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন




আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের কোন কিছু মনে থাকে না। আবার এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে, যারা কোন কিছু খুব বেশি দিন মনে রাখতে পারেন না। এমন সমস্যা মূলত দূর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে হয়ে থাকে। সেগুলো হলো-
১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ

যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন, “উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে। একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।” এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেন, “তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।” [সূরা আল-বায়্যিনাহঃ ৫] তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে এমন যে, আল্লাহ আমাদের স্মৃতিশক্তি যেনো একমাত্র ইসলামের কল্যাণের জন্যই বাড়িয়ে দেন।

২. দু’আ ও যিকর করাঃ
আমরা সকলেই জানি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর কাছে দু’আ করা যাতে তিনি আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেন এবং কল্যাণকর জ্ঞান দান করেন। এক্ষেত্রে আমরা নিন্মোক্ত দু’আটি পাঠ করতে পারি, “হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।” [সূরা ত্বা-হাঃ ১১৪] তাছাড়া যিকর বা আল্লাহর স্মরণও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “…যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন…” [সূরা আল-কাহ্‌ফঃ ২৪] তাই আমাদের উচিত যিকর, তাসবীহ (সুবহান আল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) – এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আল্লাহকে স্মরণ করা।

৩. পাপ থেকে দূরে থাকাঃ
প্রতিনিয়ত পাপ করে যাওয়ার একটি প্রভাব হচ্ছে দুর্বল স্মৃতিশক্তি। পাপের অন্ধকার ও জ্ঞানের আলো কখনো একসাথে থাকতে পারে না। ইমাম আশ-শাফি’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, “আমি (আমার শাইখ) ওয়াকীকে আমার খারাপ স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি শিখিয়েছিলেন আমি যেন পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখি। তিনি বলেন, আল্লাহর জ্ঞান হলো একটি আলো এবং আল্লাহর আলো কোন পাপচারীকে দান করা হয় না।” আল-খাতীব আল-জামী’(২/৩৮৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেন যে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেনঃ “এক ব্যক্তি মালিক ইবনে আনাসকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘হে আবদ-আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে দিতে পারে এমন কোন কিছু কি আছে? তিনি বলেন, যদি কোন কিছু স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া।’” যখন কোনো মানুষ পাপ করে এটা তাকে উদ্বেগ ও দুঃখের দিকে ধাবিত করে। সে তার কৃতকর্মের ব্যাপারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে তার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যায় এবং জ্ঞান অর্জনের মতো কল্যাণকর ‘আমল থেকে সে দূরে সরে পড়ে। তাই আমাদের উচিত পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা।

৪. বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করাঃ
একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আমরা দেখবো যে, আমাদের সকলের মুখস্থ করার পদ্ধতি এক নয়। কারো শুয়ে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কারো আবার হেঁটে হেঁটে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়। কেউ নীরবে পড়তে ভালোবাসে, কেউবা আবার আওয়াজ করে পড়ে। কারো ক্ষেত্রে ভোরে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কেউবা আবার গভীর রাতে ভালো মুখস্থ করতে পারে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ উপযুক্ত সময় ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ঠিক করে তার যথাযথ ব্যবহার করা। আর কুর’আন মুখস্থ করার সময় একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ (কুর’আনের আরবি কপি) ব্যবহার করা। কারণ বিভিন্ন ধরনের মুসহাফে পৃষ্ঠা ও আয়াতের বিন্যাস বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে তার একটি ছাপ পড়ে যায় এবং মুখস্থকৃত অংশটি অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে যায়।

৫. মুখস্থকৃত বিষয়ের উপর ‘আমল করাঃ
আমরা সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কোনো একটি বিষয় যতো বেশিবার পড়া হয় তা আমাদের মস্তিষ্কে ততো দৃঢ়ভাবে জমা হয়। কিন্তু আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে অতো বেশি পড়ার সময় হয়তো অনেকেরই নেই। তবে চাইলেই কিন্তু আমরা এক ঢিলে দু’পাখি মারতে পারি। আমরা আমাদের মুখস্থকৃত সূরা কিংবা সূরার অংশ বিশেষ সুন্নাহ ও নফল সালাতে তিলাওয়াত করতে পারি এবং দু’আসমূহ পাঠ করতে পারি সালাতের পর কিংবা অন্য যেকোনো সময়। এতে একদিকে ‘আমল করা হবে আর অন্যদিকে হবে মুখস্থকৃত বিষয়টির ঝালাইয়ের কাজ। আবার কোনো কিছু শেখার একটি উত্তম উপায় হলো তা অন্যকে শেখানো। আর এজন্য আমাদেরকে একই বিষয় বারবার ও বিভিন্ন উৎস থেকে পড়তে হয়। এতে করে ঐ বিষয়টি আমাদের স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়।

৬. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণঃ
পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত আবশ্যক। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ আমাদের ঘুম বাড়িয়ে দেয়, যা আমাদের অলস করে তোলে। ফলে আমরা জ্ঞানার্জন থেকে বিমুখ হয়ে পড়ি। তাছাড়া কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। সম্প্রতি ফ্রান্সের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যয়তুনের তেল চাক্ষুস স্মৃতি (visual memory) ও বাচনিক সাবলীলতা (verbal fluency) বৃদ্ধি করে। আর যেসব খাদ্যে অধিক পরিমাণে Omega-3 ফ্যাট রয়েছে সেসব খাদ্য স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকলাপের জন্য খুবই উপকারী। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক ‘আলিম কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য গ্রহণের কথা বলেছেন। ইমাম আয-যুহরি বলেন, “তোমাদের মধু পান করা উচিত কারণ এটি স্মৃতির জন্য উপকারী।”
মধুতে রয়েছে মুক্ত চিনিকোষ যা আমাদের মস্তিষ্কের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া মধু পান করার সাত মিনিটের মধ্যেই রক্তে মিশে গিয়ে কাজ শুরু করে দেয়। ইমাম আয-যুহরি আরো বলেন, “যে ব্যক্তি হাদীস মুখস্থ করতে চায় তার উচিত কিসমিস খাওয়া।”

৭. পরিমিত পরিমাণে বিশ্রাম নেয়াঃ
আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের মস্তিষ্ক অনেকটা ব্যস্ত অফিসের মতো কাজ করে। এটি তখন সারাদিনের সংগৃহীত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াজাত করে। তাছাড়া ঘুম মস্তিষ্ক কোষের পুণর্গঠন ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে দুপুরে সামান্য ভাতঘুম আমাদের মন-মেজাজ ও অনুভূতিকে চাঙা রাখে। এটি একটি সুন্নাহও বটে। আর অতিরিক্ত ঘুমের কুফল সম্পর্কে তো আগেই বলা হয়েছে। তাই আমাদের উচিত রাত জেগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাওয়াহ বিতরণ না করে নিজের মস্তিষ্ককে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া।

৮. জীবনের অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারসমূহ ত্যাগ করাঃ
বর্তমানে আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া ও জ্ঞান অর্জনে অনীহার একটি অন্যতম কারণ হলো আমরা নিজেদেরকে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখি।’[
ফলে কোনো কাজই আমরা গভীর মনোযোগের সাথে করতে পারি না। মাঝে মাঝে আমাদের কারো কারো অবস্থা তো এমন হয় যে, সালাতের কিছু অংশ আদায় করার পর মনে করতে পারি না ঠিক কতোটুকু সালাত আমরা আদায় করেছি। আর এমনটি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে নিজেদেরকে আড্ডাবাজি, গান-বাজনা শোনা, মুভি দেখা, ফেইসবুকিং ইত্যাদি নানা অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখা। তাই আমাদের উচিত এগুলো থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকা।

৯. হাল না ছাড়াঃ
যে কোনো কাজে সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো হাল না ছাড়া। যে কোনো কিছু মুখস্থ করার ক্ষেত্রে শুরুটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্ক সবকিছুর সাথে মানিয়ে নেয়। তাই আমাদের উচিত শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে হাল না ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

posted from Bloggeroid

প্রত্যেক রোজাদারের জন্য যে বিষয় গুলো জানা অপরিহার্য

প্রত্যেক রোজাদারের জন্য যে বিষয় গুলো জানা অপরিহার্য

রোজা ইসলামের অন্যতম ফরজ বিধান। এর পালনে কিছু বিধি-বিধান রয়েছে। প্রত্যেক রোজাদারের জন্য এগুলো জানা থাকা অপরিহার্য: রোজা ভেঙে যায় ও কাজা-কাফফারা ওয়াজিব হয় যে কারণে-

* ইচ্ছাকৃত কিছু খেলে বা পান করলে
* স্ত্রী সহবাস করলে
* কোনো বৈধ কাজ করার পর রোজা ভেঙে গেছে মনে করে ইচ্ছাকৃত খেলে।

> রোজা ভেঙে যায় ও কাজা ওয়াজিব হয় যে কারণে

* কানে বা নাকে ওষুধ ঢুকালে।
* ইচ্ছা করে মুখ ভরে বমি করলে অথবা অল্প বমি আসার পর তা গিলে ফেললে।
* কুলি করার সময় অনিচ্ছাকৃত গলার ভেতরে পানি চলে গেলে।
* কামভাবে কাউকে স্পর্শ করার পর বীর্যপাত হলে।
* খাদ্য না এমন বস্তু খেলে, যেমন: কাঠ, কয়লা, লোহা ইত্যাদি।
* ধূমপান করলে।
* আগরবাতি ইত্যাদির ধোঁয়া ইচ্ছা করে নাকে ঢুকালে।
* সময় আছে মনে করে সুবহে সাদিকের পর সেহেরি খেলে।
* ইফতারের সময় হয়ে গেছে মনে করে সময়ের আগেই ইফতার করে ফেললে।
* দাঁত দিয়ে বেশি পরিমাণ রক্ত বেরিয়ে তা ভেতরে চলে গেলে।
* জোর করে কেউ রোজাদারের গলার ভেতরে কিছু ঢুকিয়ে দিলে।
* হস্তমৈথুন দ্বারা বীর্যপাত ঘটালে।
* মুখে পান রেখে ঘুমালে এবং সে অবস্থায় সেহেরির সময় চলে গেলে।
* রোজার নিয়ত না করলে।
* কানের ভেতরে তেল ঢুকালে।
* এক দেশে রোজা শুরু হওয়ার পর অন্য দেশে চলে গেলে।

> যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়

* বিনা প্রয়োজনে কোনো কিছু চিবালে।
২. তরকারির লবণ টেস্ট করে ফেলে দিলে।
* মাজন, কয়লা, গুল বা পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজলে। (তবে সামান্য ভেতরে গেলেও রোজা ভেঙে যাবে)
* রাতে ফরজ হওয়া গোসলসহ সারাদিন অতিবাহিত করলে।
* রোজা অবস্থায় রক্তদান করলে।
* পরনিন্দা, কুৎসা, অনর্থক কথা ও মিথ্যা বললে।
* ঝগড়া, ফাসাদ ও গালমন্দ করলে।
* ক্ষুধা ও পিপাসার কারণে অস্থিরতা প্রকাশ করলে।
* মুখে থুথু জমা করে গিলে ফেললে।
* স্ত্রীকে কামভাবের সঙ্গে স্পর্শ করলে।
* মুখে কিছু চিবিয়ে শিশুকে খাওয়ালে।
* লিপস্টিক লাগালে (যদি তা ভেতরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।)
* বুটের কণার চেয়ে ছোট কিছু দাঁতের ফাঁক থেকে বের করে গিলে ফেললে।

> যেসব কারণে রোজা ভাঙে না

* ভুলে কিছু খেলে বা পান করলে।
* অনিচ্ছাকৃত বমি করলে।
* রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে।
* অসুস্থতাজনিত কারণে বীর্যপাত হলে।
* স্বামী-স্ত্রী চুম্বন ও আলিঙ্গন করলে।

posted from Bloggeroid

যে সময় আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে খালি হাতে ফেরান না

যে সময় আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে খালি হাতে ফেরান না

যে বিশেষ মুহুর্তে আল্লাহ তায়ালা কাউকে খালি হাতে ফেরান না…

মহান আল্লাহ তায়ালা নিদের্শে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ফরয আমল শেষ করে অতিরিক্ত আমল হিসেবে বিভিন্ন নফল আমল করে থাকে। আল্লাহ তায়ালার রাজি খুশির জন্য আপনি যখনই আমল করবেন আল্লাহ তায়ালা খুশি হয়ে আপনার শুদ্ধ আমলটি কবুল করে নিবেন ইনশাল্লাহ।

তবে এরমধ্যেও এমন বিশেষ কিছু মুহুর্তৃ রয়েছে যে সময় আমল করলে মহান আল্লাহ তায়ালা সাথে সাথেই সেই আমল কবুল করেন। আল্লাহ রাব্বুল আল আমীন মূলত ১১টি বিশেষ সময়ের আমল কবুল না করে ফেলে দিতে পারেন না।

আপনি সেই ১১টি বিশেষ সময় সম্পর্কে জানেন কি? যদি না জানেন, তাহলে এখনই জেনে নিন:

* ০১। রাতের শেষ তৃতীয়াংশে,
* ০২। আযান ও একামতের মাঝে,
* ০৩। লাইলাতুল কদরে,
* ০৪। আরাফার দিবসে,
* ০৫। ইফতারির পূর্ব মূহুর্তে,
* ০৬। সফর অবস্থায়,
* ০৭। জমজম কূপের পানি পানের সময়,
* ০৮। সিজদাহ অবস্থায়,
* ০৯। সালাতের শেষাংশে,
* ১০। নির্যাতনের শিকর বা বিপদের মূহুর্তে,

posted from Bloggeroid

অশ্লীলতা রোজাকে দুর্বল করে দেয়

অশ্লীলতা রোজাকে দুর্বল করে দেয়

মাহে রমজান পবিত্রতম অধ্যায়। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুমিন বান্দা রমজানের সিয়াম সাধনার মাধ্যমে নিজের আত্মা ও সত্তাকে পবিত্র করে তুলবে সে জন্য রমজানের রোজাকে ফরজ করেছেন। কিন্তু শুধু রোজার বাহ্যিক অনুশীলনটাই আত্মার পবিত্রতা অর্জনের জন্য যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে কিছু বৈষয়িক বিধিনিষেধ মান্য করাও জরুরি। বাহ্যিকভাবে কেউ সুবেহ সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য, পানীয় ও যৌনতা বর্জন করলে মাসআলা অনুযায়ী তার রোজা হবে। কিন্তু নিজের আত্মাকে পবিত্র করে তুলতে ব্যর্থ হলে ওই বাহ্যিক রোজার কোনো মূল্য বা সওয়াব পাওয়া যাবে না। এক হাদিসে রাসুলে করিম (স.) বলেছেন : বহু রোজাদার এমন আছে যাদের রোজার বিনিময়ে ক্ষুধা আর পিঁপাসার কষ্ট ছাড়া অন্য কিছুই অর্জিত হয় না। অর্থাৎ তারা রোজার বিনিময়ে কোনো পুণ্য বা সওয়াব পায় না। ( মুসনাদে আহমাদ : ৯৬৮৫, সুনানে দারামি : ২৯২৩, সুনানে ইবনে মাজা : ১৬৯, আস্-সুনানুল কুবরা : ৩২৩৬ ) যে সমস্ত বিষয় রোজার পুণ্যকে নষ্ট করে দেয় তার মধ্যে অন্যতম হলো অশ্লীলতা।
রোজোর যে সীমাহীন ফজিলতের কথা হাদিসে বলা হয়েছে, সেটা কিন্তু একেবারে শর্তহীন নয়। বরং আচরণ ও চরিত্রকে অশালীনতামুক্ত করা একটি অপরিহার্য শর্ত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন : রোজাদার বনি আদমের প্রত্যেকটি আমলের সওয়াব দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। মহান আল্লাহ বলেছেন, রোজা শুধুই আমার জন্য আর আমি নিজে এর পুরস্কার প্রদান করব। কেননা সে (রোজাদার) তার শাহওয়াত (যৌবিক তাড়না ) ও খাদ্যকে শুধু আমার (সন্তুষ্টি অর্জনের) জন্য বর্জন করে। (সহিহ আল-বোখারি : ৫৯২৭, সহিহ মুসলিম : ১১৫১, ইবনে মাজা : ১৬৩৭, মুসনাদে আহমাদ : ৯৭১২, মুসনাদে ইবনে আবি শাইবা : ৮৮৯৪)। হাদিসের ভাষ্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মুমিন বান্দাকে রোজার জন্য অসীম পুরস্কার দান করবেন তখনই, যখন সে রোজা রাখার মাধ্যমে তার যৌবিক ক্ষুধাকে দমন করতে পারবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমাদের সমাজে বেপর্দা, বেহায়াপনা আর অশ্লীলতা অত্যন্ত মারাত্মক পর্যায়ে নেমে গেছে। রোজা ও রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষার্থে সকল প্রকারের অশ্লীলতাকে দমন করা জরুরি। কারণ অশ্লীলতা আমাদের সমাজে জন্য সাংঘাতিক বেমানান। অপরদিকে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার জন্য এবং রোজাদারের রোযা পরিপূর্ণ করারর জন্য অশ্লীলতা দমন করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। অশ্লীলতা রোজাকে দুর্বল ও সওয়াব শূন্য করে দেয়।

আসলে বেপর্দা আর অশালীনতার সঙ্গে নারীর অধিকারের কোনো সম্পর্ক নেই। ইসলামে পোশাকের বিধান হলো, যৌনাঙ্গকে আবৃত করা এবং নিজের সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা। আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন, ‘হে বনি আদম! আমি তোমাদের জন্য পোশাক অবতীর্ণ করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে আর অবতীর্ণ করেছি সৌন্দর্যের পোশাক এবং পরহেজগারির পোশাক আর এটিই সর্বোত্তম। এটি আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে। (সুরা আল-আরাফ ২৬)।
মোট কথা হলো নারী হোক বা পুরুষ নিজের যৌনাঙ্গ ও তার আকৃতি জনসমক্ষে প্রদর্শন কারা চরম অশালীনতা। সঙ্গে সঙ্গে অশালীন কথাবার্তা ও অঙ্গভঙ্গি সবই ইসলামী শরিয়তে হারাম। পুরুষ যেমন তার প্রয়োজনে বিচরণ করবে তেমনি নারীও তার প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবে এখানে ইসলামী বিধানে কোনো পার্থক্য করা হয়নি। ইসলাম নারীকে যেমন তার শরীর আবৃত করে পোশাক পরতে বলেছে, তেমনি পুরুষকেও বলেছে একই কথা। সুতরাং নারী-পুরুষ সবার জন্য শালীনতা রক্ষা করা অপরিহার্য; বিশেষ করে মাহে রমজান ও রোজার পবিত্রতা রক্ষার জন্য সমাজ থেকে সকল প্রকার অশ্লীলতা দূর করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের কর্তব্য।

posted from Bloggeroid

৩টি কাজ মুসলমানের জন্য ওয়াজিব

৩টি কাজ মুসলমানের জন্য ওয়াজিব

ইসলাম ডেস্ক : পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জীব মানুষ। এই মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তার ইবদতের জন্যই। তবে আমরা ইবাদত-বন্দেগি বলতে কেবলমাত্র নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব, জিকিরসহ ধর্র্মী কাজগুলোকেই বুঝি। কিন্তু এর বাইরেও ইবাদত রয়েছে।

যেমন, পৃথিবীতে মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যত কাজ আছে, সেগুলো যদি সততায় থেকে পালন করা যায় এবং এসব কাজে যদি সৃষ্টিকর্তাকে রাজি-খুশির নিয়ত থাকে, তবেই তা ইবাদাত-বন্দেগি হিসেবে
পরিগণিত হবে।
তাহলে সে সমস্ত কাজগুলো কি? এমন প্রশ্ন তো এখন নিশ্চয় আসছে। তাহলে জানুন, সে কাজ হতে পারে চাকরি, ব্যবসা, কৃষি ও সমাজসেবাসহ সকল কাজ। এমনকি পারিবারিক কর্ম সম্পাদনও ইবাদাতের অন্তর্ভূক্ত।
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সকল কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে অনেক সময় মানুষ ভুল করে বসে। আবার কেউ কেউ সঠিক কাজেই করে। তবে আপনি যে অবস্থাতেই থাকেন না কেন, আপনার জন্য ৩টি ওয়াজিব রয়েছে। আর এগুলো হচ্ছে-
১. ভালো কাজের শুকরিয়া- ভালো কাজ করা আল্লাহ তাআলার নিয়ামাত। যার ফলে ভালো কাজের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া ও প্রশংসা করা বান্দার জন্য ওয়াজিব।
২. গোনাহের কাজে ক্ষমা- যখনই বান্দা কোনো গোনাহ করে ফেলবে। তখনই গোনাহ থেকে মুক্ত হতে তওবা ও ক্ষমা চাওয়া ওয়াজিব।
৩. বিপদাপদে ধৈর্য- আল্লাহ তাআলা বান্দাকে বিপদাপদে পরীক্ষা করেন। বিপদের মুহূর্তে বান্দার জন্য ধৈর্য ধারণ করা আবশ্যক।

posted from Bloggeroid

বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন ৫০ টি দেশে

বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন ৫০ টি দেশে

হয়তো এমন খবর দেখে আশ্চর্য হতে পারেন। কিন্তু আসলেও ঘটনাটি সত্যি। শুধু বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেই ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন ৫০টি দেশে!

যদি এই ঘটনাটি সত্যি হয় তাহলে একজন বাংলাদেশী হিসেবে আপনিও গর্ব করতে পারেন নি:সন্দেহে। কারণ হলো ভিসা ছাড়াই শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্টের জোরে আপনি অন্তত ৫০টি দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন। সম্প্রতি আর্থিক খাতের উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান আরটন ক্যাপিটাল প্রভাবশালী পাসপোর্টের তালিকা তৈরি করেছে। আর এটিতে দেখা গেছে, বাংলাদেশের অবস্থান ৬৭তম।


অরটন ক্যাপিটালের নিয়ন্ত্রিত পাসপোর্ট ইনডেস্ক ডটঅর্গ ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীরা ৫০টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবেন। এ দেশগুলোর কয়েকটিতে বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের কোনো ভিসার প্রয়োজনই হয় না। বাকি দেশগুলোর প্রায় সবগুলোর ক্ষেত্রেই সেখানে পৌঁছে ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ করে নিতে হয়। আর, এক-দু’টি দেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে।

পাসপোর্ট ইনডেক্স ডটঅর্গে বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের প্রভাব নিয়ে তালিকা করা হয়েছে। কোনো দেশের পাসপোর্টধারী ভিসা ছাড়াই অন্য দেশের যাওয়ার সংখ্যার ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়।



ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে:

# এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা)
# শ্রীলংকা (৩০ দিন)
# আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস)
# মালাউই (৯০ দিন)
# সেশেল (১ মাস)
# আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন)
# হাইতি (৩ মাস)
# গ্রানাডা (৩ মাস)
# সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস)
# সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস)
# টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন)
# মন্টসের্রাট (৩ মাস)
# ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন)
# ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস)
# কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন)
# নাউরু (৩০ দিন)
# পালাউ (৩০ দিন)
# সামোয়া (৬০ দিন)
# টুভালু (১ মাস)
# নুউ (৩০ দিন)
# ভানুয়াটু (৩০ দিন)
# মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।

এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে:

# এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার)
# জর্জিয়া (৩ মাস)
# লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
# মালদ্বীপ(৩০ দিন)
# মাকাউ (৩০ দিন)
# নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
# সিরিয়া (১৫ দিন)
# পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
# আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক)
# মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)
# মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার)
# টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ)
# উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)।

তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন। আর আপনার কাছে ফিরতি টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজ অবশ্যই থাকতে হবে।

posted from Bloggeroid

কিডনির সমস্যার পাঁচ লক্ষণ_bdmylove.com

কিডনির সমস্যার পাঁচ লক্ষণ_bdmylove.com

শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মধ্যে কিডনি অন্যতম। কিডনির রোগ সম্পূর্ণ শরীরকে নাজুক করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

কিছু উপসর্গ রয়েছে যেগুলো দেখলে বোঝা যায় কিডনির রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টাইম ফর ন্যাচারাল জানিয়েছে এসব লক্ষণের কথা।

কোমর ব্যথা

সঠিকভাবে অঙ্গ বিন্যাসের অভাবে কোমর ব্যথা হয়। তবে কিডনির ক্ষতির কারণেও কিন্তু অনেক সময় কোমর ব্যথা হয়। এটি একটি প্রাথমিক লক্ষণ কিডনি রোগের। তাই কোমর ব্যথায় অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

শুষ্কতা ও চুলকানি

কিডনি শরীরের বিষাক্ত পদার্থগুলোকে দূর করে দিতে ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে। কিডনি ভালোভাবে কাজ না করলে দূষিত পদার্থগুলো রক্তের মধ্যে বাড়তে থাকে। এতে ত্বকের ভেতর চুলকানি, শুষ্কতা ও র‍্যাশের মতো সমস্যা হয়। ত্বকের অন্যান্য সমস্যার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো হলেও কিডনির সমস্যার ক্ষেত্রে এসব বিষয়গুলো হয়।

প্রস্রাবের ধরনের পরিবর্তন

কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাবের ধরনের পরিবর্তন হয়। প্রস্রাব অনেক সময় ফেনাযুক্ত হয়, সাধারণ অব্স্থার তুলনায় অনেক বেশি হয়, প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়, অনেক সময় প্রস্রাব করতে অসুবিধা বোধ হয়, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যায়। এসব সমস্যা দেখলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা ও অবসন্নতা

কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আরেকটি লক্ষণ হলো দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা ও অবসন্নতা। কিডনির সমস্যা হলে কোষে অক্সিজেন পরিবহনে সমস্যা হয়। এতে শরীর দুর্বল ও অবসন্ন লাগে।

শরীর ফুলে যাওয়া

কিডনি ভালোভাবে কাজ না করলে শরীরে তরল (ফ্লুইড) জমে। এতে মুখ, পা, পায়ের পাতা, হাঁটু ইত্যাদি অংশে পানি এসে ফুলে যায়। যদি শরীর ফোলার এ রকম সমস্যা দেখা যায় তাহলে অবহেলা করবেন না।

posted from Bloggeroid

কেউ স্ট্রােক হলে কি করবেন জেনে নিন

কেউ স্ট্রােক হলে কি করবেন জেনে নিন

ইস! কৌশলটা আগে জানা থাকলে বাবা স্ট্রোক করে মারা যেতেন না!



চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে , আপনি
কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের 10 আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না ।
কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।
এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।
যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।
তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100% কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।

এই পোস্টটিকে লাইক করার চেয়ে শেয়ার করলে ব্যাপারটা সবাই জানতে পারবে।
দয়া করে এটিকে বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।
যদি কেউ মনে করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।
মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।
সুত্র :ইন্টারনেট

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (ঢাকা)

ইতিহাস (ঢাকা)

ঢাকা
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারন করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল যুগে। ঢাকা নামের উৎপত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট করে তেমন কিছু জানা যায় না। এ সম্পর্কে প্রচলিত মতগুলোর মধ্যে কয়েকটি নিম্নরূপঃ ক) একসময় এ অঞ্চলে প্রচুর ঢাক গাছ (বুটি ফুডোসা) ছিল; খ) রাজধানী উদ্বোধনের দিনে ইসলাম খানের নির্দেশে এখানে ঢাক অর্থাৎ ড্রাম বাজানো হয়েছিল; গ) ‘ঢাকাভাষা’ নামে একটি প্রাকৃত ভাষা এখানে প্রচলিত ছিল; ঘ) রাজতরঙ্গিণী-তে ঢাক্কা শব্দটি ‘পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র’ হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে অথবা এলাহাবাদ শিলালিপিতে উল্লেখিত সমুদ্রগুপ্তের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ডবাকই হলো ঢাকা।

কথিত আছে যে, সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভ্রমণকালে সন্নিহিত জঙ্গলে হিন্দু দেবী দুর্গার বিগ্রহ খুঁজে পান। দেবী দুর্গার প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ রাজা বল্লাল সেন ঐ এলাকায় একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। যেহেতু দেবীর বিগ্রহ ঢাকা বা গুপ্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাই রাজা মন্দিরের নাম ঢাকেশ্বরী মন্দির। মন্দিরের নাম থেকেই কালক্রমে স্থানটির নাম ঢাকা হিসেবে গড়ে ওঠে।আবার অনেক ঐতিহাসিকদের মতে, মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর যখন ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন, তখন সুবাদার ইসলাম খান আনন্দের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ শহরে 'ঢাক' বাজানোর নির্দেশ দেন। এই ঢাক বাজানোর কাহিনী লোকমুখে কিংবদন্দির রূপ ধারণ করে এবং তা থেকেই এই শহরের নাম ঢাকা হয়ে যায়। এখানে উল্লেখ্য যে, ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।

বিখ্যাত খাবারঃ
বাকরখানি, বিরিয়ানি

বিখ্যাত স্থানঃ
ঐতিহাসিক স্থানসমূহঃ লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ হল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শাঁখারিবাজার, হোসেনী দালান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, কার্জন হল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভবন (পুরাতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা ভবন), ঢাকেশ্বরী মন্দির, তারা মসজিদ, মীর জুমলা গেট, পরীবিবির মাজার
পার্ক, বিনোদন ও প্রাকৃতিক স্থানঃ রমনা পার্ক, বাহাদুর শাহ্‌ পার্ক- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান, বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঢাকা শিশু পার্ক, বুড়িগঙ্গা নদী, ঢাকা চিড়িয়াখানা, বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, বলধা গার্ডেন
স্মৃতিসৌধ ও স্মারকঃ জাতীয় শহীদ মিনার, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, (রায়ের বাজার), অপরাজেয় বাংলা-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভাস্কর্য আসাদ গেইট
আধুনিক স্থাপত্যঃ জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন, ভাসানী নভো থিয়েটার, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা বহুমুখী সেতু, যমুনা ফিউচার পার্ক, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, হাতিরঝিল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

বিখ্যাত বস্তুঃ
বেনারসী শাড়ি

posted from Bloggeroid

Wednesday, 8 June 2016

দাম্পত্যে সুখি হতে একজন আদর্শ স্ত্রী

দাম্পত্যে সুখি হতে একজন আদর্শ স্ত্রী

টাকা-পয়সা, সৌন্দর্য বিবাহিত জীবনকে সুখী করতে পারে না। অন্তত একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। তাঁর মতে, একটি ভালোবাসাময় সুখী বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য সবার মধ্যে যে গুণটি থাকা প্রয়োজন, তা হলো—আন্তরিকতা। আন্তরিক বলতে তিনি এমন কাউকে বুঝিয়েছেন, যিনি হবেন বিনীত, নমনীয়, বিশ্বাসযোগ্য, ভালো স্বভাব, সহযোগী মনোভাবাপন্ন, ক্ষমাশীল, উদার ও ধৈর্যশীল।

বিবাহিত জীবন অনেক ধরনেরই সমস্যা হয়ে থাকে যা আমরা অনেকেই জানি। আর সমস্যা হতেই পারে কারণ সবার দাম্পত্য এক রকম নয়। এক একটি মানুষের বিবাহিত জীবন থাকে একেক রকমের। আর কখনোই দু’প্রান্তের দুটি মানুষ একই রকম হয়না। তাদের পছন্দ-অপছন্দ, চাল-চলন, মতের মিল, সব কিছুই থাকে ভিন্ন ভিন্ন। আবার অনেকের কাকতালীয় ভাবে মনমানসিকতার মিল থাকে খুব অসাধারণ, যাদের আমরা বলে থাকি ‘পারফেক্ট কাপল’। কিন্তু সমস্যাটা হয় সেখানেই যখন বিবাহিত জীবনে দুটি মানুষের মতের অমিল হতে থাকে।

তখনই দেখা দেয় সম্পর্কে মহামারী সমস্যা। কিন্তু সব সমস্যাতেই শুধু একজনের দোষ থাকেনা। দোষ থাকে উভয়েরই। কিন্তু নিজের দোষটা অনেকেই মেনে নিতে পারেন না। আর পারেন না বলেই সমস্যা আরও বেশি খারাপ রূপ ধারণ করে। কিন্তু এমন কিছু বিষয় থাকে যা কখনোই বিবাহিত জীবনে বলা বা করা ঠিক না। বিশেষ করে নারীদের মনমানসিকতা পুরুষদের তুলনায় খুব নরম হয়ে থাকে ও নারীরা একটু বেশি স্বপ্ন বিলাসী হয়ে থাকেন। তাই তারা অনেক কিছুই মনে করেন ও বলে থাকেন যা আসলে ভুল। জেনে রাখুন তাহলে ১০ বিষয় যা কোন স্ত্রীর করা উচিত না।

১। আমি যেমন আছি তেমনি থাকবো, আমি যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে চলবো, আমার স্বাধীনতায় কোন বাঁধা দেয়া যাবে নাঃ

এই ধরনের কাজ করা ও এইভাবে চিন্তা করা মোটেও কোন ভালো কাজ নয়। আপনাকে অবশ্যই নিজেকে নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আপনি যদি এমনটা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার বিবাহিত জীবনে সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই নিজেকে জটিলতা থেকে দূরে রাখুন, ভালো চিন্তা করুন।

২। স্বামীর আগে অন্যদের প্রাধান্য দেয়াঃ

অনেক স্ত্রীই আছেন স্বামীর আগে অন্যদের বিশেষ করে নিজের বন্ধুদের প্রাধান্য বেশি দিয়ে থাকেন। যেমন ছুটির দিনে আপনার স্বামীকে বাড়িতে রেখে আপনি চলে গেলেন বন্ধুদের সাথে বাইরে শপিং করতে। কিন্তু যেহেতু ছুটির দিন আপনার স্বামী আপনাকে একান্তে পাশে চাইতেই পারেন।

৩। আপনার স্বামী আপনার বান্ধবী হবেন এমন আশা করবেন নাঃ

বান্ধবী তো বান্ধবী আর স্বামী তো স্বামীই। আপনি যদি মনে করে থাকেন আপনার স্বামীর সাথে আপনি আপনার প্রিয় বান্ধবীর মতো আচরণ করবেন, সব কথা তাঁকে বলবেন তাহলে তো সমস্যা হবেই। নিজের জীবনে সবার স্থান আলাদা ভাবে রাখুন, কিন্তু সবাইকে সমান ভাবে ভালোবাসুন।

৪। আপনার স্বামীকে অসম্মান করবেন নাঃ

বিবাহিত জীবনে আপনার স্বামীর কোন একটি কাজ আপনার অপছন্দ হতেই পারে তাই বলে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা, অন্য মানুষের সামনে যা-তা বলা থেকে বিরত থাকুন।

৫। কখনোই আপনার স্বামীকে নিজের বাবার মতো মনে করবেন নাঃ

সব পুরুষই যে এক রকম হয় তা ভাবাটা ভুল হবে। বাবা আর স্বামী কখনোই একরকম হয়না। তাই দুটি মানুষকে একসাথে মেলাবেন না ও আপনার স্বামীর সাথে আপনার বাবার তুলনা করবেন না।

৬। শারীরিক মিলন নিয়ে তুলকালাম করবেন নাঃ

অনেক স্ত্রীই আছেন যারা স্বামীর সাথে সহবাস করে মানসিক তৃপ্তি পান না। তা নিয়ে মহা কান্ডকারখানা ঘটিয়ে ফেলেন, স্বামীকে নিয়ে উপহাস করেন। কিন্তু এই ধরনের কাজ আপনার বিবাহিত জীবনের সমাপ্তি খুব সহজেই ডেকে আনতে পারে। স্বামীর কোন সমস্যা থাকলে তাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করুন। তাকে সাহস দিন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৭। যেকোন জিনিস তাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়া থেকে বিরত থাকুনঃ

স্বাভাবিক ভাবেই আপনাকে কেউ যদি বার বার একটি ব্যাপার নিয়ে কথা বলেন কিংবা কোন একটি কাজের কথা বার বার মনে করিয়ে দেন, আপনি অবশ্যই বিরক্ত হবেন। ঠিক সেভাবেই আপনার স্বামীও আপনার এমন ধরনের কাজে বিরক্ত হতেই পারে।

৮। গৃহকর্ম করার জন্য স্বামীকে বাধ্য করবেন নাঃ

কাজে সাহায্য করা, নিজের কাজ নিজে করা এক জিনিস এবং স্বামীকে গৃহকর্ম করতে বাধ্য করা আলাদা জিনিস। আপনার স্বামীকে বলুন আপনার সাথে কাজে সাহায্য করতে। কিন্তু তাকে সব গৃহকর্ম করতে বলতে পারেন না আপনি।

৯। স্বামীকে কখনো প্রিন্স চার্মিং মনে করবেন নাঃ

প্রথমেই বলা হয়েছে যে, অনেক নারীরাই সপ্নবিলাসী হয়ে থাকেন। তারা মনে করেন তাদের স্বামী হবে রূপকথার সেই ঘোড়ায় চরে আসা রাজপুত্র, যে তার সব কথা শুনবে আর সব অসম্ভবকে সম্ভব করে দেবে। এমনটা না ভাবাই ভালো। বাস্তবতাকে সহজে মেনে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

১০। কথায় কথায় মিথ্যা বলবেন নাঃ

মিথ্যা আমরা কমবেশি সবাই বলে থাকি। পুরুষরাও যে মিথ্যা বলে না তার স্ত্রীর সাথে, এই ধারণা না করাই ভালো। কিন্তু এমন অনেক নারীই আছেন যারা কথায় কথায় বার বার মিথ্যা বলেন, অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে দেন। এইসব করলে আপনি খুব দ্রুত আপনার প্রতি স্বামীর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন।

একজন সুন্দর মনের ও সুন্দর গুণের স্ত্রী সংসারকে তাঁর নিজের আলোয় আলোকিত করে তুলতে পারেন। সাজিয়ে তুলতে পারেন সংসার জীবনকে সুখের স্বর্গীয় বাগানের মতো করে। তবে এই কাজের জন্য দরকার প্রেমিক স্বামীর স্ত্রীর প্রতি ঐকান্তিক মায়া-মমতা ও সুগভীর ভালোবাসা। এই ভালোবাসা থাকলে দেখবেন, বিবাহিত জীবনে সুখ কাকে বলে!

posted from Bloggeroid

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমান বাইবেলে দেখে নিন

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমান বাইবেলে দেখে নিন

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমাণ বাইবেলে!


খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য এই খবর একটি অভিঘাত হিসাবে আসতে পারে। তুরস্কর আঙ্কারার এথনগ্রাফি জাদুঘরে একটি ১৫০০ থেকে ২০০০ বছর আগের বাইবেল পাওয়া যায়। এমনকি আরও জঘন্য সত্য যে এই বাইবেল আরও অনেক আগে আবিষ্কৃত হলেও ২০০০ সাল পর্যন্ত এটি গোপন রাখা হয়েছিল।

এই বাইবেলটি বার্নাবাসের গসপেলের নিকট ছিল, যিনি খ্রীষ্টের শিষ্য ছিলেন। সবচেয়ে অত্যাশ্চর্য জিনিস যে, এই বইতে বলা হয়েছে, যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়নি কিংবা তিনি ঈশ্বরের পুত্র নয়, তিনি একজন নবী ছিলেন।

এই বই অনুসারে, দূত পল একজন ‘প্রতারক’ ছিলেন। উপরন্তু, এই গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, যীশু জীবিত অবস্থায় স্বর্গারোহণ করেছেন এবং তার স্থানে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন জুদাস ইস্কারিওট।

তবে তুর্কি দাবি করেছে যে, এই বাইবেল ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় অভিযানে চোরাকারবারীদের একটি গ্যাং থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই গ্যাং পাচার পুরাকীর্তি ও অবৈধ খনন কাজ করছিল এবং তারা বিভিন্ন বিস্ফোরকও তৈরি করছিলেন। এই বই তুর্কি লিরাস মুদ্রায় ৪০ মিলিয়ন লিরায় বিক্রয় করতে যাচ্ছিলেন তারা। যা প্রায় ২৮ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার মূল্যের সমান।–সূত্র: টপ হেলদি লাইফ।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (সুনামগঞ্জ)

ইতিহাস (সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জ
‘সুনামদি’ নামক জনৈক মোগল সিপাহীর নামানুসারে সুনামগঞ্জের নামকরণ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ‘সুনামদি’ (সুনাম উদ্দিনের আঞ্চলিক রূপ) নামক উক্ত মোগল সৈন্যের কোন এক যুদ্ধে বীরোচিত কৃতিত্বের জন্য সম্রাট কর্তৃক সুনামদিকে এখানে কিছু ভূমি পুরস্কার হিসাবে দান করা হয়। তাঁর দানস্বরূপ প্রাপ্ত ভূমিতে তাঁরই নামে সুনামগঞ্জ বাজারটি স্থাপিত হয়েছিল। এভাবে সুনামগঞ্জ নামের ও স্থানের উৎপত্তি হয়েছিল বলে মনে করা হয়ে থাকে।

বিখ্যাত খাবার: দেশবন্ধুর মিষ্টি

বিখ্যাত স্থান: টাঙ্গুয়ার হাওর।
হাছন রাজার বাড়ি।
সৈয়দপুর গ্রাম।
নারায়ণতলা মিশন।
পনাতীর্থ ধাম।
লাউড়েরগর।
ডলুরা স্মৃতি সৌধ।
টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (হবিগঞ্জ) জেনে নিন

ইতিহাস (হবিগঞ্জ) জেনে নিন

হবিগঞ্জ
সুফি-সাধক হযরত শাহজালাল (রঃ) এর অনুসারী হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দীন (রঃ) এর পূর্ণস্মৃতি বিজড়ি খোয়াই, কারাঙ্গী, বিজনা, রত্না প্রভৃতি নদী বিধৌত হবিগঞ্জ একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন জনপদ। ঐতিহাসিক সুলতানসী হাবেলীর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সুলতানের অধঃস্তন পুরুষ সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হাবীব উল্লাহ খোয়াই নদীর তীরে একটি গঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নামানুসরে হবিগঞ্জ নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১ মার্চ হবিগঞ্জ জেলায় উন্নীত হয়।

বিখ্যাত খাবার: চা

বিখ্যাত স্থান:
- বিতঙ্গল আখড়া
- বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান;
- দ্বীল্লির আখড়া
- বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান;
- শ্রীবাড়ি চা বাগান;
- রেমাকালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারন্য - চুনারুঘাট;
- তেলিয়াপারা চা বাগান - মাধবপুর;
- বিবিয়ানা গ্যাস - নবীগঞ্জ।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (মৌলভীবাজার)

ইতিহাস (মৌলভীবাজার)

মৌলভীবাজার
হয়রত শাহ মোস্তফা (র:) এর বংশধর মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি মনু নদীর উত্তর তীরে কয়েকটি দোকানঘর স্থাপন করে ভোজ্যসামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেন। মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ প্রতিষ্ঠিত এ বাজারে নৌ ও স্থলপথে প্রতিদিন লোকসমাগম বৃদ্ধি পেতে থাকে। ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমের মাধ্যমে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে মৌলভীবাজারের খ্যাতি। মৌলভী সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ এই অঞ্চলের নাম হয় মৌলভীবাজার। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ২২শে ফেব্রুয়ারী মৌলভীবাজার মহকুমাটি জেলায় উন্নীত হয়।

বিখ্যাত খাবার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা
খাসিয়া পান

বিখ্যাত স্থান:
- শাহ মোস্তফা-এর মাজার (মৌলভীবাজার শহরের কেন্দ্রস্থলের বেড়ীরপাড়ের দক্ষিণ তীর);
- খাজা ওসমান (সপ্তদশ শতকের বাংলার শেষ পাঠান বীর);
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান-এর কবর (কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম আমবাসা);
- চা বাগানসমূহ;
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত (বড়লেখা);
- হাকালুকি হাওড়;
- খোজার মসজিদ;
- গাছপীর আব্রু মিয়ার মাজার (সিরাজনগর);
- ইউনুছ পাগলার মাজার (সাতগাও);
- হাইল হাওর (শ্রীমঙ্গল);
- তমাল তলা (সাতগাও রুস্তুমপুর)।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (সিলেট)

ইতিহাস (সিলেট)

সিলেট বিভাগ
সিলেট
প্রাচীন গ্রন্থাদিতে এ অঞ্চলকে বিভিন্ন নামের উল্লেখ্য আছে। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে শিবের স্ত্রী সতি দেবীর কাটা হস্ত (হাত) এই অঞ্চলে পড়েছিল, যার ফলে 'শ্রী হস্ত' হতে শ্রীহট্ট নামের উৎপত্তি বলে হিন্দু সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের ঐতিহাসিক এরিয়ান লিখিত বিবরণীতে এই অঞ্চলের নাম "সিরিওট" বলে উল্লেখ আছে। এছাড়া, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে এলিয়েনের (Ailien) বিবরণে "সিরটে", এবং পেরিপ্লাস অব দ্যা এরিথ্রিয়ান সী নামক গ্রন্থে এ অঞ্চলের নাম "সিরটে" এবং "সিসটে" এই দুইভাবে লিখিত হয়েছে। অতঃপর ৬৪০ খ্রিস্টাব্দে যখন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে এ অঞ্চলের নাম "শিলিচতল" উল্লেখ করেছেন তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী দ্বারা বঙ্গবিজয়ের মধ্য দিয়ে এদেশে মুসলিম সমাজব্যবস্থার সূত্রপাত ঘটলে মুসলিম শাসকগণ তাঁদের দলিলপত্রে "শ্রীহট্ট" নামের পরিবর্তে "সিলাহেট", "সিলহেট" ইত্যাদি নাম লিখেছেন বলে ইতিহাসে প্রমাণ মিলে। আর এভাবেই শ্রীহট্ট থেকে রূপান্তর হতে হতে একসময় সিলেট নামটি প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে ঐতিহাসিকরা ধারণা করেন।

এছাড়াও বলা হয়, এক সময় সিলেট জেলায় এক ধনী ব্যক্তির একটি কন্যা ছিল। তার নাম ছিল শিলা। ব্যক্তিটি তার কন্যার স্মৃতি রক্ষার্থে একটি হাট নির্মাণ করেন এবং এর নামকরণ করেন শিলার হাট। এই শিলার হাট নামটি নানাভাবে বিকৃত হয়ে সিলেট নামের উৎপত্তি হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগষ্ট সিলেট দেশের ষষ্ঠ বিভাগ হিসাবে মর্যাদা পায়।

বিখ্যাত খাবার: কমলালেবু
সাতকড়ার চা
আচার

বিখ্যাত স্থান:
- জাফলং
- ভোলাগঞ্জ
- লালাখাল
- তামাবিল
- হাকালুকি হাওড়
- ক্বীন ব্রীজ
- হযরত শাহজালাল(রাঃ) ও হযরত শাহ পরাণ(রাঃ) এর মাজার শরীফ
- মহাপ্রভু শ্রী চৈত্যনো দেবের বাড়ী
- হাছন রাজার মিউজিয়াম
- মালনী ছড়া চা বাগান
- ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
- পর্যটন মোটেল
- জাকারিয়া সিটি
- ড্রিমল্যান্ড পার্ক
- আলী আমজাদের ঘড়ি
- জিতু মিয়ার বাড়ী
- মনিপুরী রাজবাড়ি।
- মনিপুরী মিউজিয়াম
- শাহী ঈদগাহ
- ওসমানী শিশু পার্ক
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
- সৈয়দপুর গ্রাম
- সিলেটী নাগরী লিপি
- পাংতুমাই
- রাতারগুল
- টাংগুয়ার হাওর
- লোভাছড়া
- হাম হাম জলপ্রপাত
- পরীকুন্ড ঝর্ণা
- সাতছড়ি উদ্যান
- হারং হুরং
- বরাক নদীর তিন মোহনা

posted from Bloggeroid

হাঁটতে পারলেই দেশের হয়ে খেলবেন রদ্রিগেস

হাঁটতে পারলেই দেশের হয়ে খেলবেন রদ্রিগেস

ব্যথার সঙ্গে লড়াই করে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামেন হামেস রদ্রিগেস। জয়সূচক গোল করে দলকে সবার আগে কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠানোর পর কলম্বিয়ার এই মিডফিল্ডার জানালেন, যতই ব্যথা থাকুক, হাটতে পারলেই দেশের জন্য খেলবেন তিনি।

প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে গোল করা রদ্রিগেস কাঁধের চোটে মাঠ ছেড়েছিলেন। বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে হওয়া প্যারাগুয়ে-কলম্বিয়া ম্যাচে রদ্রিগেসের খেলা নিয়েই অনিশ্চয়তা ছিল।

কিন্তু সব শঙ্কা দূরে ঠেলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে শুরু থেকেই মাঠে নামেন রদ্রিগেস। দ্বাদশ মিনিটে কার্লোস বাক্কার করা প্রথম গোলে অবদান রাখার পর ম্যাচের আধ ঘণ্টার মাথায় নিজেই গোল করেন রদ্রিগেস। ৭০তম মিনিটে প্যারাগুয়ে ব্যবধান কমালেও কলম্বিয়ার জয়ের পথে বাধা হতে পারেনি।

কাঁধের ব্যথার সঙ্গে যুদ্ধ করে মাঠে নেমে এবং দলের জয়ে অবদান রাখতে পারায় রদ্রিগেসের আনন্দ ও আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে।

“খোঁড়া না হওয়া পর্যন্ত কলম্বিয়ার হয়ে খেলে যাব আমি। দেশের হয়ে আমি সব সময় খেলতে চাই। আমি খুশি কারণ আমি সব সময় সাহায্য করতে চাই, আজ আমি তা করতে পেরেছি।”

“কলম্বিয়ার খেলায় মান ছিল এবং আমি মনে করি, আমরা সবাই চমৎকার একটি ম্যাচ খেলেছি”, যোগ করেন ২৪ বছর বয়সী এই তারকা।

দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্টে কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করা কলম্বিয়া গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ সময় আগামী রোববার সকালে খেলবে কোস্টা রিকার বিপক্ষে।

posted from Bloggeroid