Wednesday, 8 June 2016

দাম্পত্যে সুখি হতে একজন আদর্শ স্ত্রী

দাম্পত্যে সুখি হতে একজন আদর্শ স্ত্রী

টাকা-পয়সা, সৌন্দর্য বিবাহিত জীবনকে সুখী করতে পারে না। অন্তত একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। তাঁর মতে, একটি ভালোবাসাময় সুখী বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য সবার মধ্যে যে গুণটি থাকা প্রয়োজন, তা হলো—আন্তরিকতা। আন্তরিক বলতে তিনি এমন কাউকে বুঝিয়েছেন, যিনি হবেন বিনীত, নমনীয়, বিশ্বাসযোগ্য, ভালো স্বভাব, সহযোগী মনোভাবাপন্ন, ক্ষমাশীল, উদার ও ধৈর্যশীল।

বিবাহিত জীবন অনেক ধরনেরই সমস্যা হয়ে থাকে যা আমরা অনেকেই জানি। আর সমস্যা হতেই পারে কারণ সবার দাম্পত্য এক রকম নয়। এক একটি মানুষের বিবাহিত জীবন থাকে একেক রকমের। আর কখনোই দু’প্রান্তের দুটি মানুষ একই রকম হয়না। তাদের পছন্দ-অপছন্দ, চাল-চলন, মতের মিল, সব কিছুই থাকে ভিন্ন ভিন্ন। আবার অনেকের কাকতালীয় ভাবে মনমানসিকতার মিল থাকে খুব অসাধারণ, যাদের আমরা বলে থাকি ‘পারফেক্ট কাপল’। কিন্তু সমস্যাটা হয় সেখানেই যখন বিবাহিত জীবনে দুটি মানুষের মতের অমিল হতে থাকে।

তখনই দেখা দেয় সম্পর্কে মহামারী সমস্যা। কিন্তু সব সমস্যাতেই শুধু একজনের দোষ থাকেনা। দোষ থাকে উভয়েরই। কিন্তু নিজের দোষটা অনেকেই মেনে নিতে পারেন না। আর পারেন না বলেই সমস্যা আরও বেশি খারাপ রূপ ধারণ করে। কিন্তু এমন কিছু বিষয় থাকে যা কখনোই বিবাহিত জীবনে বলা বা করা ঠিক না। বিশেষ করে নারীদের মনমানসিকতা পুরুষদের তুলনায় খুব নরম হয়ে থাকে ও নারীরা একটু বেশি স্বপ্ন বিলাসী হয়ে থাকেন। তাই তারা অনেক কিছুই মনে করেন ও বলে থাকেন যা আসলে ভুল। জেনে রাখুন তাহলে ১০ বিষয় যা কোন স্ত্রীর করা উচিত না।

১। আমি যেমন আছি তেমনি থাকবো, আমি যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে চলবো, আমার স্বাধীনতায় কোন বাঁধা দেয়া যাবে নাঃ

এই ধরনের কাজ করা ও এইভাবে চিন্তা করা মোটেও কোন ভালো কাজ নয়। আপনাকে অবশ্যই নিজেকে নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আপনি যদি এমনটা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার বিবাহিত জীবনে সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই নিজেকে জটিলতা থেকে দূরে রাখুন, ভালো চিন্তা করুন।

২। স্বামীর আগে অন্যদের প্রাধান্য দেয়াঃ

অনেক স্ত্রীই আছেন স্বামীর আগে অন্যদের বিশেষ করে নিজের বন্ধুদের প্রাধান্য বেশি দিয়ে থাকেন। যেমন ছুটির দিনে আপনার স্বামীকে বাড়িতে রেখে আপনি চলে গেলেন বন্ধুদের সাথে বাইরে শপিং করতে। কিন্তু যেহেতু ছুটির দিন আপনার স্বামী আপনাকে একান্তে পাশে চাইতেই পারেন।

৩। আপনার স্বামী আপনার বান্ধবী হবেন এমন আশা করবেন নাঃ

বান্ধবী তো বান্ধবী আর স্বামী তো স্বামীই। আপনি যদি মনে করে থাকেন আপনার স্বামীর সাথে আপনি আপনার প্রিয় বান্ধবীর মতো আচরণ করবেন, সব কথা তাঁকে বলবেন তাহলে তো সমস্যা হবেই। নিজের জীবনে সবার স্থান আলাদা ভাবে রাখুন, কিন্তু সবাইকে সমান ভাবে ভালোবাসুন।

৪। আপনার স্বামীকে অসম্মান করবেন নাঃ

বিবাহিত জীবনে আপনার স্বামীর কোন একটি কাজ আপনার অপছন্দ হতেই পারে তাই বলে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা, অন্য মানুষের সামনে যা-তা বলা থেকে বিরত থাকুন।

৫। কখনোই আপনার স্বামীকে নিজের বাবার মতো মনে করবেন নাঃ

সব পুরুষই যে এক রকম হয় তা ভাবাটা ভুল হবে। বাবা আর স্বামী কখনোই একরকম হয়না। তাই দুটি মানুষকে একসাথে মেলাবেন না ও আপনার স্বামীর সাথে আপনার বাবার তুলনা করবেন না।

৬। শারীরিক মিলন নিয়ে তুলকালাম করবেন নাঃ

অনেক স্ত্রীই আছেন যারা স্বামীর সাথে সহবাস করে মানসিক তৃপ্তি পান না। তা নিয়ে মহা কান্ডকারখানা ঘটিয়ে ফেলেন, স্বামীকে নিয়ে উপহাস করেন। কিন্তু এই ধরনের কাজ আপনার বিবাহিত জীবনের সমাপ্তি খুব সহজেই ডেকে আনতে পারে। স্বামীর কোন সমস্যা থাকলে তাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করুন। তাকে সাহস দিন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৭। যেকোন জিনিস তাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়া থেকে বিরত থাকুনঃ

স্বাভাবিক ভাবেই আপনাকে কেউ যদি বার বার একটি ব্যাপার নিয়ে কথা বলেন কিংবা কোন একটি কাজের কথা বার বার মনে করিয়ে দেন, আপনি অবশ্যই বিরক্ত হবেন। ঠিক সেভাবেই আপনার স্বামীও আপনার এমন ধরনের কাজে বিরক্ত হতেই পারে।

৮। গৃহকর্ম করার জন্য স্বামীকে বাধ্য করবেন নাঃ

কাজে সাহায্য করা, নিজের কাজ নিজে করা এক জিনিস এবং স্বামীকে গৃহকর্ম করতে বাধ্য করা আলাদা জিনিস। আপনার স্বামীকে বলুন আপনার সাথে কাজে সাহায্য করতে। কিন্তু তাকে সব গৃহকর্ম করতে বলতে পারেন না আপনি।

৯। স্বামীকে কখনো প্রিন্স চার্মিং মনে করবেন নাঃ

প্রথমেই বলা হয়েছে যে, অনেক নারীরাই সপ্নবিলাসী হয়ে থাকেন। তারা মনে করেন তাদের স্বামী হবে রূপকথার সেই ঘোড়ায় চরে আসা রাজপুত্র, যে তার সব কথা শুনবে আর সব অসম্ভবকে সম্ভব করে দেবে। এমনটা না ভাবাই ভালো। বাস্তবতাকে সহজে মেনে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

১০। কথায় কথায় মিথ্যা বলবেন নাঃ

মিথ্যা আমরা কমবেশি সবাই বলে থাকি। পুরুষরাও যে মিথ্যা বলে না তার স্ত্রীর সাথে, এই ধারণা না করাই ভালো। কিন্তু এমন অনেক নারীই আছেন যারা কথায় কথায় বার বার মিথ্যা বলেন, অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে দেন। এইসব করলে আপনি খুব দ্রুত আপনার প্রতি স্বামীর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন।

একজন সুন্দর মনের ও সুন্দর গুণের স্ত্রী সংসারকে তাঁর নিজের আলোয় আলোকিত করে তুলতে পারেন। সাজিয়ে তুলতে পারেন সংসার জীবনকে সুখের স্বর্গীয় বাগানের মতো করে। তবে এই কাজের জন্য দরকার প্রেমিক স্বামীর স্ত্রীর প্রতি ঐকান্তিক মায়া-মমতা ও সুগভীর ভালোবাসা। এই ভালোবাসা থাকলে দেখবেন, বিবাহিত জীবনে সুখ কাকে বলে!

posted from Bloggeroid

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমান বাইবেলে দেখে নিন

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমান বাইবেলে দেখে নিন

যীশু খ্রিস্ট নবী ছিলেন প্রমাণ বাইবেলে!


খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য এই খবর একটি অভিঘাত হিসাবে আসতে পারে। তুরস্কর আঙ্কারার এথনগ্রাফি জাদুঘরে একটি ১৫০০ থেকে ২০০০ বছর আগের বাইবেল পাওয়া যায়। এমনকি আরও জঘন্য সত্য যে এই বাইবেল আরও অনেক আগে আবিষ্কৃত হলেও ২০০০ সাল পর্যন্ত এটি গোপন রাখা হয়েছিল।

এই বাইবেলটি বার্নাবাসের গসপেলের নিকট ছিল, যিনি খ্রীষ্টের শিষ্য ছিলেন। সবচেয়ে অত্যাশ্চর্য জিনিস যে, এই বইতে বলা হয়েছে, যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়নি কিংবা তিনি ঈশ্বরের পুত্র নয়, তিনি একজন নবী ছিলেন।

এই বই অনুসারে, দূত পল একজন ‘প্রতারক’ ছিলেন। উপরন্তু, এই গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, যীশু জীবিত অবস্থায় স্বর্গারোহণ করেছেন এবং তার স্থানে ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন জুদাস ইস্কারিওট।

তবে তুর্কি দাবি করেছে যে, এই বাইবেল ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় অভিযানে চোরাকারবারীদের একটি গ্যাং থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই গ্যাং পাচার পুরাকীর্তি ও অবৈধ খনন কাজ করছিল এবং তারা বিভিন্ন বিস্ফোরকও তৈরি করছিলেন। এই বই তুর্কি লিরাস মুদ্রায় ৪০ মিলিয়ন লিরায় বিক্রয় করতে যাচ্ছিলেন তারা। যা প্রায় ২৮ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার মূল্যের সমান।–সূত্র: টপ হেলদি লাইফ।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (সুনামগঞ্জ)

ইতিহাস (সুনামগঞ্জ)

সুনামগঞ্জ
‘সুনামদি’ নামক জনৈক মোগল সিপাহীর নামানুসারে সুনামগঞ্জের নামকরণ করা হয়েছিল বলে জানা যায়। ‘সুনামদি’ (সুনাম উদ্দিনের আঞ্চলিক রূপ) নামক উক্ত মোগল সৈন্যের কোন এক যুদ্ধে বীরোচিত কৃতিত্বের জন্য সম্রাট কর্তৃক সুনামদিকে এখানে কিছু ভূমি পুরস্কার হিসাবে দান করা হয়। তাঁর দানস্বরূপ প্রাপ্ত ভূমিতে তাঁরই নামে সুনামগঞ্জ বাজারটি স্থাপিত হয়েছিল। এভাবে সুনামগঞ্জ নামের ও স্থানের উৎপত্তি হয়েছিল বলে মনে করা হয়ে থাকে।

বিখ্যাত খাবার: দেশবন্ধুর মিষ্টি

বিখ্যাত স্থান: টাঙ্গুয়ার হাওর।
হাছন রাজার বাড়ি।
সৈয়দপুর গ্রাম।
নারায়ণতলা মিশন।
পনাতীর্থ ধাম।
লাউড়েরগর।
ডলুরা স্মৃতি সৌধ।
টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (হবিগঞ্জ) জেনে নিন

ইতিহাস (হবিগঞ্জ) জেনে নিন

হবিগঞ্জ
সুফি-সাধক হযরত শাহজালাল (রঃ) এর অনুসারী হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দীন (রঃ) এর পূর্ণস্মৃতি বিজড়ি খোয়াই, কারাঙ্গী, বিজনা, রত্না প্রভৃতি নদী বিধৌত হবিগঞ্জ একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন জনপদ। ঐতিহাসিক সুলতানসী হাবেলীর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সুলতানের অধঃস্তন পুরুষ সৈয়দ হেদায়েত উল্লাহর পুত্র সৈয়দ হাবীব উল্লাহ খোয়াই নদীর তীরে একটি গঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নামানুসরে হবিগঞ্জ নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১ মার্চ হবিগঞ্জ জেলায় উন্নীত হয়।

বিখ্যাত খাবার: চা

বিখ্যাত স্থান:
- বিতঙ্গল আখড়া
- বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান;
- দ্বীল্লির আখড়া
- বৈষ্ণব ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান;
- শ্রীবাড়ি চা বাগান;
- রেমাকালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারন্য - চুনারুঘাট;
- তেলিয়াপারা চা বাগান - মাধবপুর;
- বিবিয়ানা গ্যাস - নবীগঞ্জ।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (মৌলভীবাজার)

ইতিহাস (মৌলভীবাজার)

মৌলভীবাজার
হয়রত শাহ মোস্তফা (র:) এর বংশধর মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি মনু নদীর উত্তর তীরে কয়েকটি দোকানঘর স্থাপন করে ভোজ্যসামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেন। মৌলভী সৈয়দ কুদরতউল্লাহ প্রতিষ্ঠিত এ বাজারে নৌ ও স্থলপথে প্রতিদিন লোকসমাগম বৃদ্ধি পেতে থাকে। ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমের মাধ্যমে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে মৌলভীবাজারের খ্যাতি। মৌলভী সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরুপ এই অঞ্চলের নাম হয় মৌলভীবাজার। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ২২শে ফেব্রুয়ারী মৌলভীবাজার মহকুমাটি জেলায় উন্নীত হয়।

বিখ্যাত খাবার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা
খাসিয়া পান

বিখ্যাত স্থান:
- শাহ মোস্তফা-এর মাজার (মৌলভীবাজার শহরের কেন্দ্রস্থলের বেড়ীরপাড়ের দক্ষিণ তীর);
- খাজা ওসমান (সপ্তদশ শতকের বাংলার শেষ পাঠান বীর);
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান-এর কবর (কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম আমবাসা);
- চা বাগানসমূহ;
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত (বড়লেখা);
- হাকালুকি হাওড়;
- খোজার মসজিদ;
- গাছপীর আব্রু মিয়ার মাজার (সিরাজনগর);
- ইউনুছ পাগলার মাজার (সাতগাও);
- হাইল হাওর (শ্রীমঙ্গল);
- তমাল তলা (সাতগাও রুস্তুমপুর)।

posted from Bloggeroid

ইতিহাস (সিলেট)

ইতিহাস (সিলেট)

সিলেট বিভাগ
সিলেট
প্রাচীন গ্রন্থাদিতে এ অঞ্চলকে বিভিন্ন নামের উল্লেখ্য আছে। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে শিবের স্ত্রী সতি দেবীর কাটা হস্ত (হাত) এই অঞ্চলে পড়েছিল, যার ফলে 'শ্রী হস্ত' হতে শ্রীহট্ট নামের উৎপত্তি বলে হিন্দু সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের ঐতিহাসিক এরিয়ান লিখিত বিবরণীতে এই অঞ্চলের নাম "সিরিওট" বলে উল্লেখ আছে। এছাড়া, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে এলিয়েনের (Ailien) বিবরণে "সিরটে", এবং পেরিপ্লাস অব দ্যা এরিথ্রিয়ান সী নামক গ্রন্থে এ অঞ্চলের নাম "সিরটে" এবং "সিসটে" এই দুইভাবে লিখিত হয়েছে। অতঃপর ৬৪০ খ্রিস্টাব্দে যখন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে এ অঞ্চলের নাম "শিলিচতল" উল্লেখ করেছেন তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী দ্বারা বঙ্গবিজয়ের মধ্য দিয়ে এদেশে মুসলিম সমাজব্যবস্থার সূত্রপাত ঘটলে মুসলিম শাসকগণ তাঁদের দলিলপত্রে "শ্রীহট্ট" নামের পরিবর্তে "সিলাহেট", "সিলহেট" ইত্যাদি নাম লিখেছেন বলে ইতিহাসে প্রমাণ মিলে। আর এভাবেই শ্রীহট্ট থেকে রূপান্তর হতে হতে একসময় সিলেট নামটি প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে ঐতিহাসিকরা ধারণা করেন।

এছাড়াও বলা হয়, এক সময় সিলেট জেলায় এক ধনী ব্যক্তির একটি কন্যা ছিল। তার নাম ছিল শিলা। ব্যক্তিটি তার কন্যার স্মৃতি রক্ষার্থে একটি হাট নির্মাণ করেন এবং এর নামকরণ করেন শিলার হাট। এই শিলার হাট নামটি নানাভাবে বিকৃত হয়ে সিলেট নামের উৎপত্তি হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগষ্ট সিলেট দেশের ষষ্ঠ বিভাগ হিসাবে মর্যাদা পায়।

বিখ্যাত খাবার: কমলালেবু
সাতকড়ার চা
আচার

বিখ্যাত স্থান:
- জাফলং
- ভোলাগঞ্জ
- লালাখাল
- তামাবিল
- হাকালুকি হাওড়
- ক্বীন ব্রীজ
- হযরত শাহজালাল(রাঃ) ও হযরত শাহ পরাণ(রাঃ) এর মাজার শরীফ
- মহাপ্রভু শ্রী চৈত্যনো দেবের বাড়ী
- হাছন রাজার মিউজিয়াম
- মালনী ছড়া চা বাগান
- ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর
- পর্যটন মোটেল
- জাকারিয়া সিটি
- ড্রিমল্যান্ড পার্ক
- আলী আমজাদের ঘড়ি
- জিতু মিয়ার বাড়ী
- মনিপুরী রাজবাড়ি।
- মনিপুরী মিউজিয়াম
- শাহী ঈদগাহ
- ওসমানী শিশু পার্ক
- মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
- সৈয়দপুর গ্রাম
- সিলেটী নাগরী লিপি
- পাংতুমাই
- রাতারগুল
- টাংগুয়ার হাওর
- লোভাছড়া
- হাম হাম জলপ্রপাত
- পরীকুন্ড ঝর্ণা
- সাতছড়ি উদ্যান
- হারং হুরং
- বরাক নদীর তিন মোহনা

posted from Bloggeroid

হাঁটতে পারলেই দেশের হয়ে খেলবেন রদ্রিগেস

হাঁটতে পারলেই দেশের হয়ে খেলবেন রদ্রিগেস

ব্যথার সঙ্গে লড়াই করে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামেন হামেস রদ্রিগেস। জয়সূচক গোল করে দলকে সবার আগে কোপা আমেরিকার ফাইনালে ওঠানোর পর কলম্বিয়ার এই মিডফিল্ডার জানালেন, যতই ব্যথা থাকুক, হাটতে পারলেই দেশের জন্য খেলবেন তিনি।

প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাতে গোল করা রদ্রিগেস কাঁধের চোটে মাঠ ছেড়েছিলেন। বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে হওয়া প্যারাগুয়ে-কলম্বিয়া ম্যাচে রদ্রিগেসের খেলা নিয়েই অনিশ্চয়তা ছিল।

কিন্তু সব শঙ্কা দূরে ঠেলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে শুরু থেকেই মাঠে নামেন রদ্রিগেস। দ্বাদশ মিনিটে কার্লোস বাক্কার করা প্রথম গোলে অবদান রাখার পর ম্যাচের আধ ঘণ্টার মাথায় নিজেই গোল করেন রদ্রিগেস। ৭০তম মিনিটে প্যারাগুয়ে ব্যবধান কমালেও কলম্বিয়ার জয়ের পথে বাধা হতে পারেনি।

কাঁধের ব্যথার সঙ্গে যুদ্ধ করে মাঠে নেমে এবং দলের জয়ে অবদান রাখতে পারায় রদ্রিগেসের আনন্দ ও আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে।

“খোঁড়া না হওয়া পর্যন্ত কলম্বিয়ার হয়ে খেলে যাব আমি। দেশের হয়ে আমি সব সময় খেলতে চাই। আমি খুশি কারণ আমি সব সময় সাহায্য করতে চাই, আজ আমি তা করতে পেরেছি।”

“কলম্বিয়ার খেলায় মান ছিল এবং আমি মনে করি, আমরা সবাই চমৎকার একটি ম্যাচ খেলেছি”, যোগ করেন ২৪ বছর বয়সী এই তারকা।

দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্টে কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করা কলম্বিয়া গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ সময় আগামী রোববার সকালে খেলবে কোস্টা রিকার বিপক্ষে।

posted from Bloggeroid

Monday, 6 June 2016

তোমাকে পেয়ে হাড়ালাম

তোমাকে পেয়ে হাড়ালাম

ঈশিতা ক্লাশ রুমের এক কোনায় বসে ছিল । মাথা নিচু করে । ওর কিছুই ভাল লাগছে না । বারবার কেবল একটা কথাই মনে হচ্ছে ও খুব বড় একটা অন্যায় করে ফেলেছে । ও এই বোধটাকে কিছুতেই সে মন থেকে মুছে ফেলতে পারছে না ।
“কি ভাবছিস এতো” ?
ঈশিতা কোন কথা বলল না । তুহিনের দিকে তাকিয়ে থাকল ।
তুহিন বলল “কালকের রাতের কথা ভাবছিস” ?
“হু” ।
“কালকের রাতের কথা আমিও অনেক ভেবেছি । এখন মনে হচ্ছে কাজটা করা আমাদের উচিত্ হয় নি” ।
পেছন থেকে সজিব বলল “কেন উচিত্ হয় নি ? আমরা সবাই মিলে তো কাল প্লান করলাম ? তখনতো কেউ ভেটো দেয় নি । তাহলে এখন এই কথা কেন আসছে” ?
তুহিন বলল “তবুও কাজটা করার পর মনে হচ্ছে ঠিক হয় নি । যদি আবির সাহেব কোন দিন জানতে পারে তাহলে বুঝতে পারছিস কি হবে ? কি ভাববেন উনি” ?
“আরে এতো টেনশন নিচ্ছিস কেন ? উনি কোন দিন জানতে পারবে না । ঠিক আছে ? তবে ঈশিতা তোকে একটা কথা বলব” ?
“বল” ঈশিতা বলল ।
“তুই আবির মিয়াকে বিয়ে করে ফেল । এরকম মানুষ সহজে পাবি না” ।
“হুম” । তুহিনও একমত হল । “সত্যি এরকম মানুষ সাহসী মানুষ পাবি না” ।
“কিন্তু ...” ঈশিতা কিছু বলতে যাচ্ছিল ।
ওকে থামিয়ে দিয়ে সজিব বলল “তুই এতো চিন্তা কেন করছিস ? যা ঘটেছে তা কোন দিন কেউ জানতে পারবে না । তুই চোখ বুঝে বিয়ে করে ফেল” ।
ঈশিতা একটু হাসল । বিয়ের সিদ্ধান্ত ও গতকাল রাতেই নিয়েছে । কিন্তু মনের মধ্যে একটা খচখচানি রয়েই গেছে ।
বারবার ওকে জানান দিচ্ছে যে ঈশিতা তুমি কাজটা ঠিক কর নি । মোটেই ঠিক করনি ।
ঈশিতা চাচ্ছিল না গতরাতের ঘটনাটা মনে করতে । ও ঘটনাটা ভুলে থাকার চেষ্টা করল । ওর মনে হতে লাগল এমন যদি কোন উপায় থাকতো যাতে গত রাতের ঐ ঘটনাটার অস্তিত্ব একেবারে গায়েব করে দেওয়া যেত ! ও মনে করতে না চাইলেও গতরাতের ঘটনা ওর মনে ধ্রুবতারার মতই জ্বলজ্বল করছিল ।
পারিবারিক ভাবেই আবিরের সাথে ঈশিতার বিয়ের কথা বার্তা চলছিল । কথা বার্তা মোটামুটি পাকা । গতকাল বিকালে আবির ওকে নিয়ে বের হয়েছিল । প্লান অবশ্য আগে থেকেই করা ছিল । মুভি টুভি দেখে খেয়ে দেয়ে বাসায় ফেরার সময় হল তখন বেশ রাত হয়ে গেছে ।
আবির যখন বাড়ির দিকে গাড়ি ঘোড়াল ঈশিতা তখন বলল “একটু ইউনিভার্সিটি এলাকার দিকে চলেন” ।
“রাত কিন্তু অনেক হয়েছে” ।
“তো কি হয়েছে ? চলেন না প্লিজ । আমার একটা ফেভারেট জায়গায় আপনাকে নিয়ে যাই । আমি সময় পেলেই এখান টাতে আসি” ।
আবির আর আপত্তি করল না । ইউনিভার্সিটি এলাকার দিকে গাড়ি ঘোড়াল । ওদের গাড়িটা যখন জায়গা মত পৌছাল তখন চারিদিকে সুনসান নিরবতা । এলাকাটা ভার্সিটির একদম একপাশে । দিনের বেলাতেই এখানে ঠিক মত লোক আসে না আর এখন তো বেশ রাত ।
গাড়ি থেকে নেমে আবির চারিদিকটা ভাল করে দেখল । বলল “জায়গাটা সুন্দর । কিন্তু একটু নির্জন । সেফ তো নাকি” ?
“হ্যা একটু নির্জন । এই জন্যই তো আমার বেশি পছন্দের । আর এই এলাকা তো সেফই । আর ...” ঈশিতা কথা শেষ করল না ।
“আর” ? আরির জানতে চাইল ।
“আর সেফ না হলেও তো সমস্যা নাই । আপনি আছেন না আমাকে প্রোটেক্ট করার জন্য” ।
আবির কোন কথা বলল না । একটু যেন খুশি হল ।
সামনেই একটা গাছের বেদির মত ছিল । ঈশিতা বলল “আসুন ঐ জায়গায় বসি” ।
ওরা বসতে যাবে ঠিক এমন সময় কোথা থেকে যেন তিনটা ছায়া মূর্তি হাজির হল । ওদের সামনে । আবির ঈশিতার হাত ধরে ওকে পিছনে নিয়ে এল । একটু যেন সাবধান ।
“এতো রাতে এইখানে কি করেন” ? তিন জনের একজন বলে উঠল ।
“কিছু না । আমরা চলে যাচ্ছি” । আবির ঈশিতাকে নিয়ে চলে যেতে চাইল । বিপদের গন্ধ পেয়েছে খানিকটা ।
“দাড়ান” । অনেক টা অর্ডারের মত শোনাল কথাটা ।
আবির দাড়াল । “কি চান আপনারা ? কোন ঝামেলার দরকার নাই । টাকা পায়সা যা আছে আমি এমনিতেই দিয়ে দিচ্ছি” ।
তিন জনের একজন যেন খানিকটা হেসে উঠল । বলল “আমাদের কি ফকির পাইছেন ? টাকার দরকার নাই । বলেন তো আমরাই আপনাকে দিতাছি” ।
“মানে কি” ?
“মানে হল আমরা আপনের গার্লফ্রেন্ড টারে চাই কিছুক্ষনের জন্য । এইখানে চুপচাপ দাড়াইয়া থাকেন । কাম শেষ হইলে দিয়া যামু” ।
একজন খুব জোড়ে হেসে উঠল যেন খুব মজার কথা বলেছে । আবির আরো একটু শক্ত করে ঈশিতার হাতটা চেপে ধরল ।
সেই একজনই আবার বলে উঠল “দৌড় দিয়া লাভ নাই । যা বলতাছি করেন । কারো কোন ক্ষতি হবে না । কেউ জানবেও না । আর হিরো গিরি করতে যাইয়েন আমার কাছে রিভলবার আছে । আপনার উপর পুরা ম্যাগজিন খালি করলেও কেউ টেরও পাইবো না” ।
“ওকে তাই করেন” । আবির অনেক ক্ষন পর কথা বলল ।
আবিরের গলার স্বরে কিছু একটা ছিল তিন জনই যেন একটু চমকে উঠল । ওরা হয়তো ভাবে নি আবির এমন কথা বলবে । আবির আবার বলল “পিস্তল বের করে আমাকে গুলি করেন তারপর একে নিয়ে যান । আমার কোন আপত্তি নাই । কিন্তু আমার গায়ে একবিন্দু শক্তি থাকতে আমি ওকে নিয়ে যেতে দিবো না” ।
ঈশিতা সত্যি অবাক না হয়ে পারল না ।
তিন জনের মধ্যে অন্য একজন বলল “আমরা সংখ্যায় তিনজন । আপনার কি মনে হয় আপনি আমাদের সাথে পারবেন” ?
আবির খানিকটা হাসল । বলল “পারবো না ঠিক আছে । কিন্তু যতক্ষন পারবো ততক্ষন আমি ওকে নিয়ে যেতে দিবো না” ।
“আরে এতো কথার দরকার নাই” । প্রথম জন সত্যি সত্যি পিস্তল বের করল । আবিরের দিকে তাক করে বলল “এখন বলেন” !
আবির বলল “আমি বলেছি আমি বেঁচে থাকতে ওকে তোমরা নিয়ে যেতে পারবে না” ।
তারপর ঈশিতাকে ফিসফিস করে বলল “পায়ের হিল টা খুলে ফেল । ওরা যদি গুলি করে তাহলে তুমি পেছন দিয়ে দৌড় মারবে । ঠিক আছে ? একবারও থামবে না” ।
আবিরের দৃঢ়তা দেখে তিনজনই খানিকটা ইতস্তত করতে লাগল । এতোক্ষন যে চুপ করে ছিল সে বলল “বাদ দে ! ঝামেলার দরকার নেই । এখন টাইম ভাল না । চল কেটে পরি” ।
তিনজন যেভাবে এসেছিল সেভাবে গায়েব হয়ে গেল । আবির যেন হাপ ছেড়ে বাঁচল ।
গতরাতের এই ঘটনাটাই ঈশিতার মনে বারবার প্রতি ফলিত হচ্ছে । ও কিছুতেই এটা ভুলতে পারছে না । বিশেষ করে ঐ সময় ঐ রকম সাহসীকতা যে কেউ দেখাতে পারে না ।
ভাবনায় ছেদ পড়ল । ফোন বাজছে । আবিরই ফোন করেছে ।
“হ্যালো । কি খবর” ? আবিরের কন্ঠ খুব স্বাভাবিক ।
“ভাল” ।
“আমার কথা ভাবছিলে” ?
ঈশিতা মিথ্যা কথা বলল না । স্বীকার করে করল ।
“ হুম । আপনার কথা ভাবছিলাম” ।
“কি ভাবছিলে” ?
“বলা যাবে না” ।
“কেন ? বলা যাবে না কেন” ?
“যাবে না” ।
“আচ্ছা বলতে হবে না । একটা অনুরোধ কি রাখা যাবে” ?
“বলুন” ।
“ আমি তোমার ক্যাম্পাসে এসেছি । আমার সাথে কি দেখা করা যাবে” ?
“আমি বুঝতেই পারছিলাম আপনি এসেছেন । ডিপার্টমেন্টের সামনে একটু দাড়ান আমি আসছি” ।
ঈশিতা ওকে গতকালকের ঐ জায়গাটাতেই আবার নিয়ে আসল । কাল যেখানে বসতে চেয়েছিল আজ ঐ বেদির উপরেই বসল দুজন । আবির টুকটাক কথা বলছিল হঠাত্ ঈশিতা বলল “আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করবো” ?
“কর” ।
“কাল ওরা যদি আপনাকে গুলি করে দিতো ! তাহলে” ?
“দিলে দিতো । মরে যেতাম” । আবির হেসে উঠল ।
“ইটস নট ফানি । জিনিসটা এতো সহজ না” ।
আবির হাসি থামাল । বলল “জিনিসটা কিন্তু খুব জটিলও না । যদি কাল ওরা তোমাকে নিয়ে যেত তাহলে আমি কি আর কোনদিন তোমার সামনে আসতে পারতাম ? তোমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারতাম” ?
একটু ক্ষন চুপ করে থেকে আবির আবার বলল “আমি খুব বেশি সাহসী না ঈশিতা । কিন্তু আমি কাপুরুষও না । কাপুরুষ হয়ে বেচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভাল” ।
ঈশিতা চুপ করে আবিরের কথা গুলো শুনল । আবার ওর সেই অপরাধ বোধটা বড় প্রবল হতে লাগল । ঈশিতার বারবার মনে হতে লাগল এই রকম মানুষের সাথে এমন বাজে একটা খেলা কিভাবে খেলতে পারল !
ওর কেন জানি খুব কাঁদতে ইচ্ছা হল ।।
“আরে কি হল তোমার চোখে পানি কেন” ?
ঈশিতা চোখের পানি আটকানোর কোন চেষ্টা করল না । বলল “আবির তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও প্লিজ । আমি খুব খারাপ একটা কাজ করেছি । তোমাকে ছোট করার চেষ্টা করেছি” ।
“মানে ? কি বলছ এসব ? আমিতো কিছুই বুঝতে পারছি না” ।
ঈশিতা বলল “আসলে .... গত রাতের ঘটনাটা সাজানো ছিল” ।
“সাজানো ছিল মানে ? আমি ঠিক বুঝলাম না তোমার কথা” ।
“আসলে গতরাতে যারা এখানে আমাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল ওরা আমারই বন্ধু । আমার কথা মতই ওরা কাজটা করেছিল” ।
আবির এই কথা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়ল । কিছুক্ষন কোন কথাই বলতে পারল না । ও এখনও বিশ্বাস করতে পারছে না যে এমন কিছু একটা হতে পারে । অনেকক্ষন পর আবির বলল “এমনটা করার কারন টা কি জানতে পারি” ?
“আসলে প্রথমে আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাইনি । কিন্তু কোন উছিলায় তোমাকে রিজেক্ট করবো বুঝতে পারছিলাম না । আর আব্বা আমার কোন আপত্তি শুনতো না” ।
আবির বলল “আচ্ছা বুঝতে পেরেছি । তাই তুমি এই রকম একটা খেলা খেলল । তুমি ভেবেছিলে আমি তোমাকে ফেলে চলে যাবো আর তুমি তোমার বাবার কাছে গিয়ে বলল যে এরকম কাপুরুষের সাথে আমি বিয়ে করবো না । তাই তো” ?
ঈশিতা কোন কথা বলতে পারল না ।
আবির বলল “আমাকে তুমি একবার বলতে পারতে না যে তুমি বিয়ে করতে চাও না ? একবার বলেই দেখতে ! ওকে ফাইন । তুমি যখন আমাকে বিয়ে করতে চাও না । আমি এ বিয়ে করবো না । ঠিক আছে ? তুমি নিশ্চিন্তে বাসায় যাও” ।
“না আবির আমি .... আমি ....” । ঈশিতা কথাটা শেষ করতে পারল না ।
“কি এখন তুমি আমাকে বিয়ে করতে চাও” ? আবির খুব তাচ্ছিল্লের সাথে প্রস্নটা করল ।
ঈশিতা নিরবে মাথা ঝাকাল ।
আবির কিছুক্ষন কোন কথা বলল না । কেবল ওর দিকে তাকিয়ে থাকল ।
“আমি যাই ঈশিতা । তোমার সাথে কথা বলতে ভাল লাগছে না” ।
“আবির প্লিজ যেও না । আমি একটা ভুল করেছি । এটার জন্য তুমি যা বলবা আমি তাই করবো । তবুও তুমি যেও না প্লিজ” ।
আবির বলল “একটা কথা কি জানো ঈশিতা ? আমি মিথ্যা কথাটা একদম সহ্য করতে পারি না । কেউ আমার সাথে চিট করেছে এমনটা আমার সহ্যই হয় না । আর তুমি যেই কাজটা করেছ আমি কখনও সেটা ভুলতে পারবো না । কখনও না । আমি যাই” !
আবিরের চলে যাওয়াটা ও চুপচাপ দেখলো । আবির একটা বারের জন্যও পিছন ফিরে তাকাল না । ও যখন একেবারে চোখের আড়ালে চলে গেল তখন ঈশিতার খুব কষ্ট হতে লাগল । খুব কান্না পেতে লাগল । বারবার মনে মধ্যে একটা কথাই মনে হচ্ছিল যে খুব দামি কিছু ওর কাছ থেকে হারিয়ে যাচ্ছ , ওর কাছ থেকে দুরে চলে যাচ্ছে ।



posted from Bloggeroid

Sunday, 5 June 2016

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সোমবার

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সোমবার

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সোমবার

পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং ঈদ উল ফিতরের তারিখ নির্ধারণের জন্য সোমাবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। টেলিফোন নম্বর: ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১।

posted from Bloggeroid

খালেদা জিয়ার নামে সিম নিবন্ধন হয়নি

খালেদা জিয়ার নামে সিম নিবন্ধন হয়নি

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তার সিম পুনঃনিবন্ধন করার আহ্বান জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী তারানা হালিম। আজ রবিবার সচিবালয়ে সিম নিবন্ধন পরবর্তীতে এক ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। তারানা হালিম বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ লোক সিম নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, সচিবসহ সবাই সিম নিবন্ধন করে নিয়েছেন। আমি আশা করেছিলাম, খালেদা জিয়া সিম নিবন্ধন করবেন। কিন্তু তিনি করেননি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এখনো নিবন্ধন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তিনি প্রচলিত নিয়ম মেনে নিবন্ধন করবেন। এ ছাড়া তাকে নতুন সিম কিনতে হবে। তার নামে এখনও কোনো সিম নিবন্ধন হয়নি। জনগণ তার কাছে আরো সচেতন আচারণ আশা করেন। গতকাল ৪ জুন পর্যন্ত প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ সিম পুনঃনিবন্ধন হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন, বাকি যারা সিম নিবন্ধন করতে চান তারা প্রচলিত নিয়ম মেনে করতে পারবেন।

সিম পুনঃনিবন্ধনের ফলে কী পরিমাণ অপরাধ ও ভিওআইপি ব্যবসা কমেছে তা জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসিকে অনুরোধ করবেন প্রতিমন্ত্রী। ১ জুলাই প্রথম সপ্তাহে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের আন্ডারে কয়টি সিম নিবন্ধন হয়েছে তা জানিয়ে দেয়া হবে। তারানা হালিম বলেন, মোবাইল অপারেটরদের ওপর নতুন কর প্রত্যাহার করার জন্য আমি আগেই চিঠি লিখেছি। আজ আবার লিখব। প্রয়োজনে আমি নিজেই অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এটা প্রত্যাহার করার জন্য বলব। এটা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে অন্তরায়।

posted from Bloggeroid

Friday, 3 June 2016

মোবাইল গ্রাহকদের বাড়তি টাকা কাটা শুরু হচ্ছে

মোবাইল গ্রাহকদের বাড়তি টাকা কাটা শুরু হচ্ছে

বাজেটে মোবাইল ফোনের সেবায় সম্পূরক শুল্ক তিন শতাংশ বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাবের পর গ্রাহকদের কাছ থেকে সেই হারে টাকা আদায় শুরু করে দিচ্ছে অপারেটররা।
আজ শুক্রবার সকাল থেকে মোবাইল গ্রাহকদের এসএমএস পাঠিয়ে অপারেটররা এই নতুন ট্যারিফ প্ল্যানের আওতায় আসার বিষয়টি জানিয়ে দিচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এসআরও হাতে পাওয়ার পরপরই নতুন ট্যারিফ প্ল্যানের সিস্টেম আপগ্রেড শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অপারেটররা।
তারা জানান, বৃহস্পতিবার বাজেটে সম্পূরক শুল্কের ঘোষণার পরপরই এনবিআর এ বিষয়ে এসআরও জারি করেছে।

posted from Bloggeroid

রোনালদোর কারণে ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে পর্তুগাল

রোনালদোর কারণে ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে পর্তুগাল

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর কারণে ফ্রান্সে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে পর্তুগাল! বড় যে কোনো ক্রীড়া আসরকেই এখন সন্ত্রাসীরা হামলার শিকার বানানোর পরিকল্পনা করে। ৩বারের ব্যালন ডি'অর জয়ী রোনালদো বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফুটবলারদের অন্যতম। ১০ জুন থেকে ফ্রান্সে শুরু হচ্ছে ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের আসর ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ। আর গত নভেম্বরে প্যারিসে এক সন্ত্রাসী হামলায় ১৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

পর্তুগালের কোচ ফার্নান্দো সান্তোস মনে করেন, এক রোনালদোর কারণেই টার্গেট হয়ে যেতে পারে পর্তুগাল। ফ্রান্সের নিরাপত্তা বিভাগকে যেন বিষয়টা মনে করিয়ে দিলেন তিনি। সান্তোসের ভাষায়, "সবাই জানে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো আছে বলে পর্তুগালকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দল বিবেচনা করা হচ্ছে। বাস্তবতা হলো, নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব ফ্রান্সের। আমাদের সমর্থকদের বুঝতে হবে কখনো কখনো চাইলেও আমাদের খেলোয়াড়কে তাদের জন্য ছাড়তে পারবো না।"

সান্তোস গেলো রাতে ওয়েম্বলির ম্যাচের পর এই কথা জানিয়েছেন। লন্ডনে ইংল্যান্ডের কাছে ইউরো ২০১৬ এর প্রস্তুতি ম্যাচে ১-০ গোলে হেরেছে পর্তুগাল। যুক্তরাষ্ট্র তাদের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইউরো ২০১৬ সন্ত্রাসীদের টার্গেটে পরিণত হতে পারে। ফ্রান্সের স্বরাস্ট্র মন্ত্রীর ভাষ্যও একই রকম।

posted from Bloggeroid

রোজা রাকাকে কোনু সমস্যায় মনে করেন না ইমরান তাহির

রোজা রাকাকে কোনু সমস্যায় মনে করেন না ইমরান তাহির

শুরু হচ্ছে রমজান। সংযমের এই মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাররাও রোজা রাখেন। যেমন রাখবেন দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা, অস্ট্রেলিয়ার উসমান খাজারা। তাদের দলেই একজন ইমরান তাহির। দক্ষিণ আফ্রিকার এই লেগ স্পিনার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় ও রোজার মাসে প্রতিটি রোজা রাখায় দারুণ নিবেদিত। কিন্তু খেলার জন্য রোজা রাখতে না পারলে নিয়ম অনুযায়ী তা করে নেন পরে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের স্পন্সর একটি বিয়ার কোম্পানি। অ্যালকোহল মুসলমানদের জন্য হারাম। আমলা প্রথম পথ দেখিয়েছিলেন জার্সিতে বিয়ার কোম্পানির লোগো না পরার সাহস দেখিয়ে। সেই পথে হেটেছেন তাহিরও। "আপনার ধর্মীয় বিশ্বাস ও পেশাদার খেলার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা আমার কাছে কঠিন বলে মনে হয় না।" তাহির বলেছেন, "সঠিক পথ অনুসরণ করলে এটি সোজা।"

আজ শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ শুরু করছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয় দল অস্ট্রেলিয়া। সেখানে প্রোটিয়া দলে এখন ৫ জন মুসলমান। আমলা, তাহির, ওয়েন পার্নেল, ফারহান বেহারদিন, তাব্রাইজ শামসি। পাকিস্তানের লাহোরে জন্ম নেওয়া তাহির বিয়ের সূত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক। ২০১১ সালে ৩২ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু। এর মধ্যে ১০০র বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। টেস্টের চেয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বেশি সফল তিনি।

এখন দেশ থেকে দূরে আছেন। রোজা রাখার নিয়ম তাই তাহিরের জন্য শিথিল। কিন্তু চেষ্টা করবেন ম্যাচের দিন বাদে অন্য দিনগুলোতে রোজা রাখতে। "আমাকে আল্লাহ তারা কাছাকাছি যেতে দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। নামাজ মিস না করার ও রমজানে ৩০টি রোজা রাখের চেষ্টা করি। ক্রিকেটের জন্য কোনোটা মিস করলে পরে তা পুষিয়ে নেই।" তাহির বলেছেন, "আমি ভিন্ন সংস্কৃতির। কিন্তু নিজের পথ অনুসরণ করতে কোনো সমস্যা হয় না। অন্যরা আমাকে সম্মান দেয়। আমাকে নামাজ আদায় করতে অনেকে তাদের রুমও ছেড়ে দেয়।" আমলা, খাজারাও ধর্মপ্রাণ। তারাও নামাজ পড়েন। রোজা রাখেন। খেলার দিনগুলো বাদে অন্য দিনগুলোতে ঠিকই রোজা রাখবেন তারা।

posted from Bloggeroid

এখনও প্রতিদিন মেয়েটির বাবা তাঁকে ধর্ষণ

এখনও প্রতিদিন মেয়েটির বাবা তাঁকে ধর্ষণ

মহিলাদের ‘না’-এর কি কোনও গুরুত্ব নেই? আছে। যদি কোনও মহিলাকে কিছু খাবার খেতে দেওয়া হয় আর তিনি তা খেতে না-চান, জোর করে তো কেউ মুখে ঢুকিয়ে দেবে না!

তবে ওই পর্যন্তই। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে যৌনসম্পর্কে যদি কোনও মহিলা রাজি না-হন, সেই ‘না’-এর গুরুত্ব এখনও এ দেশে স্বীকৃত নয়। ‘স্ত্রীকে ধর্ষণ’— শব্দ দু’টির অস্তিত্ব নিয়েই যে এখনও দেশে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব রয়েছে, সে কথা সামনে নিয়ে এসেছে একটি ভিডিও। আমেরিকার রোম্যান্টিক কমেডি সিটকম ‘হাউ আই মেট ইওর মাদার’-এর অনুকরণে ভিডিওটির নাম— ‘হাউ আই রেপ্‌ড ইওর মাদার’!

কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী মেনকা গাঁধী গতকালই জাতীয় মহিলা নীতির খসড়া প্রকাশ করেছেন। তাতে বাদ পড়েছে স্ত্রীকে ধর্ষণের বিষয়টি। ঘটনাচক্রে, তার দিনদু’য়েক আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল’ হয়েছে স্ত্রীকে ধর্ষণ নিয়ে তৈরি এই ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও। তৈরি করেছে ‘গার্লইয়াপা’ নামে তরুণীদের একটি দল।

ভিডিওটি শুরু হয় যৌথ পরিবারের এক দৃশ্য দিয়ে, যেখানে সদ্যবিবাহিত দেবিকা নামের এক মেয়ে স্বামীকে ছেড়ে সটান ফিরে এসেছেন বাবা-মায়ের কাছে। মেয়েটিকে ঘিরে ধরে তাঁর পরিবারের সদস্যেরা জানতে চান, সমস্যা কোথায়? মেয়েটি জানান, তাঁকে প্রতিদিন ধর্ষণ করা হচ্ছে।

পরিবারের প্রায় সকলেই উত্তেজিত হয়ে জানতে চান, কে তাঁকে ধর্ষণ করেছে? কিন্তু উত্তর শোনামাত্র হাসতে থাকেন সকলে। হাসতে হাসতে লুটিয়েই পড়েন এক কাকা। কারণ, ধর্ষক— দেবিকার স্বামী অরুণ।

হেসে লুটিয়ে-পড়া কাকা বই খুলে দেবিকাকে দেখান ধর্ষণের প্রকারভেদ— ট্যাক্সিতে ধর্ষণ, বাসে ধর্ষণ, পরিত্যক্ত কারখানায় ধর্ষণ! কিন্তু স্ত্রীকে ধর্ষণের কথা তো বইয়ে লেখা নেই!

এরপর হাসতে হাসতেই মেয়েটির ঠাকুমা জানান, ওটিকে ‘ধর্ষণ’ বলে না। বলে ‘তীব্র ভালবাসা’। দেবিকার মা’ও মেয়েকে বোঝান, এখনও তো প্রতিদিন মেয়েটির বাবা তাঁকে ধর্ষণ...! বলতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে মা বলেন, ‘তীব্র ভালবাসেন’। হাসতে থাকেন বাবাও। মেয়েকে বলেন, ‘এরকম হয়েই থাকে। আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে যায়।’

বিরক্ত হয়ে দেবিকা বলেন, ‘তোমরা যদি আমার সমস্যা না বুঝতে পারো, তাহলে আমি কি যন্তরমন্তরে গিয়ে বিক্ষোভ করব?’ কাকার উত্তর, ‘তুমি একজন মহিলা। কানহাইয়া নও যে বিক্ষোভ করবে।’

posted from Bloggeroid

মায়ের কোলে বৃদ্ধ শিশু

মায়ের কোলে বৃদ্ধ শিশু

নিউজ ডেস্ক: নববধুর কোলজুড়ে প্রথম সন্তান আসছে। এ নিয়ে স্বজনদের মধ্যে আনন্দের শেষ নেই। কিন্তু ছেলে শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর উৎসবের পরিবর্তে বিষাদের ছায়া। কারণ তার অবয়বে বৃদ্ধ মানুষের ছাপ। চেহারাও অনেকটা বিকৃত।-নয়াদিগন্ত।

জন্মের পর শিশুটিকে দেখে ভয় লাগত। কাছে ভিড়তো না কেউ। রটাতো নানা কল্প-কাহিনী। কিন্তু পরম মমতায় বায়েজিদকে লালনপালন করতে লাগলেন মা তৃপ্তি খাতুন।

বায়েজিদের বাবার নাম লাভলু শিকদার। বাড়ি মাগুরার মহম্মদপুরের বিনোদপুর ইউনিয়নের খালিয়া গ্রামে।

গতকাল সোমবার বিকেলে লাভলুর বাড়ি গিয়ে কথা হয় পরিবারের সাথে। বায়েজিদের চেহারায় শিশুর সরলতা। মায়া জড়ানো মুখে সবসময় হাসি লেগেই থাকে। বায়েজিদ শিকদারের বয়স এখন চার বছর। শুনলে যে কেউ চমকে ওঠেন। কারণ তার চেহারায় বৃদ্ধের ছাপ। মুখ পেটসহ শরীরের চামড়া ঝুলে আছে। দেখলে মনে হবে একজন বৃদ্ধ বসে আছেন।

বায়েজিদের দাদা হাসেম আলী শিকদার বলেন, শিশুটি বিকৃত চেহারা নিয়ে জন্ম নেয়। এ নিয়ে নানা কথা রটাতো গ্রামের লোকজন। অনেকে ভয়ে তার কাছে ভিড়ত না। আস্তে আস্তে সে বড় হতে থাকলে তার চেহারায় বৃদ্ধ মানুষের ভাব চলে আসে। দিন যাচ্ছে তার এ সমস্যা বাড়ছে।

মা তৃপ্তি খাতুন বলেন, স্বাভাবিকভাবে শিশু ১০ মাসে হাটা শিখলেও বায়েজিদের লেগেছে সাড়ে তিন বছর। আবার তিনমাসেই তার সবগুলো দাঁত উঠে গেছে। সে স্বাভাবিক চলাফেরা ও খাওয়া-দাওয়া করতে পারে।

আগে ভয়ে কেউ তার কাছে আসত না। আমি তাকে পরম যত্নে বড় করছি। এখন আর তেমন সমস্যা নেই- জানান তিনি।

বায়েজিদের বাবা লাভলু শিকদার বলেন, অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি। ৩-৪ লাখ টাকা ব্যয় করেছি। কষ্ট করে টাকা-পয়সা সংগ্রহ করে চিকিৎসা করিয়েও কোনো ফল পাইনি। চিকিৎসকেরা বিদেশে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু তার দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এই শিশুর চিকিৎসা ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়।

মা আয়েশা বেগম, বাবা হাসেম শিকদার, স্ত্রী তৃপ্তি খাতুন ও এক ছেলে বায়েজিদকে নিয়ে লাভলু শিকদারের পরিবার। নিজের সামান্য জমিতে কৃষি কাজ আর মৌসুমি ক্ষুদ্র ব্যবসা করে চলে তাদের সংসার।

মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মোকসেদুল মোমিন জানান, একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি অনেকটাই যেমন জিনগত ও পরিবেশগত বিষয়ের ওপর নির্ভর করে, তেমনি নির্ভর করে তার হরমোনের ওপর।

এছাড়া শৈশবে কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যেমন- কিডনি বা ফুসফুসের রোগ, অপুষ্টি ইত্যাদি কারণে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বৃদ্ধি যে হরমোনগুলো নিয়ন্ত্রণ করে তার মধ্যে থাইরয়েড ও গ্রোথ হরমন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই হরমোনগুলোর অভাবে শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি থমকে যেতে পারে বা ধীরে হতে পারে। নানা কারণে এমন হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলে টার্নার বা ডাউনস সিনড্রোম। এ রোগের চিকিৎসা থকলেও জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।

মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. হামিদ মিয়া বলেন, কোনো পিতার কাছেই সন্তানের এই অবস্থা সুখকর নয়। দরিদ্র এই পিতার সন্তানের চিকিৎসার জন্য বিত্তবান লোকদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

posted from Bloggeroid

১৪ বার ছুরিকাঘাত, জীবন্ত কবর তারপরেও বেঁচে রইল শিশু

১৪ বার ছুরিকাঘাত, জীবন্ত কবর তারপরেও বেঁচে রইল শিশু

১৪ বার ছুরিকাঘাত, জীবন্ত কবর; তারপরেও বেঁচে রইল শিশু!

: ২০ সেন্টিমিটার গভীর গর্ত। তার মধ্যে মুখ উল্টে পড়ে রয়েছে। রক্তাক্ত শরীর। গায়ে একের পর এক ছুরির আঘাতের চিহ্ন। তবে, তখনও প্রাণটা রয়েছে। গোঙানির একটা ক্ষীণ আওয়াজ তখনও শোনা যাচ্ছে। ১৪ বার ছুরির আঘাত, জীবন্ত কবর, সব সহ্য করেও বেঁচে রইল এক 'বিস্ময় শিশু'।–জি নিউজ।

ঘটনাটি গ্রামীণ থাইল্যান্ডের খন কায়েন প্রদেশের। মাটির নীচ থেকে গোঙানির আওয়াজ শুনে স্থানীয় এক গো-পালক ভেবেছিলেন বোধহয় কোনও পোষ্যকে কবর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটু এগোতেই চমকে ওঠেন তিনি। দেখেন গর্ত থেকে উঁকি মারছে ছোট ছোট দুটো পা। এরপরই শুরু হয় খোড়াখুঁড়ি। উদ্ধার করা হয় প্রায় অর্ধমৃত ওই শিশুকে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে শিশুটি।

পরিসংখ্যান বলছে, রক্ষণশীল এই দেশে বিবাহের পূর্বে যৌনমিলন নিষিদ্ধ। কিন্তু, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এই দেশেই কৈশোরে গর্ভধারণের হার সবচেয়ে বেশি। আর তাই থাইল্যান্ডে গর্ভপাত নিষিদ্ধ হলেও আকছার গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে।


প্রেমিকাকে হত্যার পর মৃতদেহের সাথে সেলফি তুলল

প্রেমিকাকে হত্যার পর মৃতদেহের সাথে সেলফি তুলল

নিউজ ডেস্ক: কেনেথ অ্যালেন আমিক্স নামের একজন প্রেমিকাকে খুন করে মৃতদেহের সঙ্গেই সেলফি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে টেক্সাসে। প্রেমিকা জেনিফার স্ট্রেইট-স্পেয়ারর্সকে খুনের পর দুটো ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন আমিক্স। প্রথমটিতে স্পেয়ার্সের মৃতদেহ দেখা গেছে এবং পরেরটিতে দেখা গেছে রক্তমাখা একটি ছেলের মুখ। এই ছেলেটিই আমিক্স বলে ধারণা পুলিশের। ছবির নিচে ক্যাপশন ছিল আমাদের জন্য প্রার্থনা করুন।–কালেরকন্ঠ।

স্টেইট পিয়ার্সের বোন ছবিগুলো দেখার পর পুলিশ ডাকে। পুলিশ ওই যুগলের এপার্টমেন্টে গিয়ে দেখে স্পেয়ার্সকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আর আমিক্সের গলায় ৩ ইঞ্চি গভীর ক্ষত। পরে পুলিশ আমিক্সকে গ্রেপ্তার করে। জবানবন্দী অনুযায়ী, আমিক্স দোষ স্বীকার করেছে। সে তদন্তকারীদেরকে জানায়, মদ পান করার সময় তারা নিজেরাই আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়েছিল।

কিন্তু পরে স্পেয়ার্স এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তাকে মেরে ফেলতে হয়েছে বলে পুলিশকে জানায় আমিক্স। তার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়ে


posted from Bloggeroid

মানুষ চুমু খায় কেন যেনে নিন

মানুষ চুমু খায় কেন যেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক: ঠোঁটে ঠোঁট ঠেকিয়ে ‘সম্ভাষণ’ করতে অন্য প্রাণীকে দেখা গেলেও মানুষই বোধ হয় একমাত্র চুম্বনেক তার মর্ম-সহ উপলব্ধি করতে পারে। চুম্বন এমনই এক বিষয়, যার শুরু কবে তা যেমন বিতর্কিত, তেমনই বিতর্ক রয়েছে তার প্রকৃত অনুভূতিগুলিকে নিয়েও।

চুম্বনের ইতিহাস, ভূগোল, বা বায়োলজি নিয়ে অসংখ্য গ্রন্থ লেখা হয়েছে। তবুও মানুষের কৌতূহলের নিবৃত্তি হয়নি এই বিশেষ ক্রিয়াটিকে ঘিরে। এখানে রইল চুম্বন সম্পর্কে ৪টি তথ্য, দেখা যাক চুম্বনের কী ও কেন।

১. প্রচীনতম চুম্বনের নিদর্শন রয়েছে বৈদিক সংস্কৃতিতে। বৈদিক সংস্কৃত গ্রন্থাদিতে চুম্বনকে বলা হয়েছে— পরস্পরের আত্মাকে অনুভবের ক্রিয়া।

২. এর বিপরীতে অনেক নৃতত্ত্ববিদই দেখান, মানুয ছাড়াও অন্য প্রাণীদের মধ্যে চুম্বনের চল রয়েছে। শিম্পাঞ্জিরাও ‘চুম্বন’ করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শিম্পাঞ্জিদের সেই আচরণ আর মানুষের চুম্বন এক বস্তু নয়। শিম্পাঞ্জিরা তাদের এই ক্রিয়াটি করে থাকে পুরুষে পুরুষে।

৩. আধুনিক বিশ্বে চুম্বন সম্পর্কিত সবথেকে জনপ্রিয় তত্ত্বটি হল এই— মানুষের ঘ্রাণেন্দ্রিয় তেমন তীক্ষ্ণ নয়। অন্য স্তন্যপায়ীদের মতো মানুষও কিন্তু গন্ধ দিয়ে কোনও কিছুকে বুঝতে চায়। দু’টি মানুষের মুখ কাছাকাছি এলে বেশ কিছু হরমোনের নিঃসরণ ঘটে। সেই ক্ষরণকে বুঝতে মানুষ ঘ্রাণ নিতে চায়। সে কারণে চুম্বনই হয়ে দাঁড়ায় সব থেকে প্রকৃষ্ট উপায়।

৪. শেষ পর্যন্ত চুম্বন ঘনিষ্ঠতার একটা প্রতীক হিসেবই বিবেচিত। স্পর্শানুভূতির চূড়ান্ত স্তরকে চুম্বনই নির্ধারণ করে। তা থেকেই শুরু হতে পারে যৌনতার যাত্রা। শারীরিক সুখের প্রথম দ্বারটি চুম্বন। সেটা অস্বীকার করছেন না কেউই।

posted from Bloggeroid