Wednesday, 1 June 2016

অনিবন্দ্বিত সিম বন্দ হয়ে গেল আজ রাত ১২

অনিবন্দ্বিত সিম বন্দ হয়ে গেল আজ রাত ১২

'দুঃ‌খিত, এই নম্ব‌রে সং‌যোগ দেওয়া সম্ভব নয়

ঢাকা: জি‌রো আওয়ার, অর্থাৎ রাত ১১টা ৫৯ মি‌নিট ৫৯ সে‌কে‌ন্ডের পর অ‌নিব‌ন্ধিত সিম বন্ধ শুরু হ‌য়ে‌ গেছে।

'দুঃখিত, এই নম্ব‌রে আপনার কল‌টি সং‌যোগ দেওয়া সম্ভব নয়'- রাত ১২টার পর অ‌নিব‌ন্ধিত সিম দি‌য়ে কল কর‌লেই গ্রাহক এমন ভ‌য়েস শুন‌তে পা‌চ্ছেন তার মোবাইল সং‌যো‌গ থে‌কে।

সরকা‌রি নি‌র্দেশনা অনুযায়ী, রাত ১২টার পর সব অ‌নিব‌ন্ধিত সিম বন্ধ ক‌রে দেওয়া শুরু ক‌রে দি‌য়ে‌ছে ‌মোবাইল অপা‌রেটরগু‌লো।

অবশ্য সিমগু‌লো বন্ধ কর‌তে দুই দি‌নের মতো সময় লাগ‌তে পা‌রে জানিয়েছে অপা‌রেটরগু‌লো। অ‌নিব‌ন্ধিত সিমগু‌লো দুই মাস বন্ধ রে‌খে আগস্ট থে‌কে গ্রাহক‌দের কেনার সু‌যোগ রাখা হ‌লেও সোমবার (৩০ মে) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এক নি‌র্দেশনায় জা‌নি‌য়ে‌ছিলো, ১ জুন থে‌কে ৪৫০ দিন পর্যন্ত গ্রাহক নির্ধা‌রিত ফি দি‌য়ে সিম চালু কর‌তে পার‌বে গ্রাহকরা। সে‌ক্ষে‌ত্রে তা‌কে বা‌য়ো‌মে‌ট্রিক ভে‌রি‌ফি‌কেশন ক‌রে নি‌তে হ‌বে।

৩১ মে রাত ১২টার আগ পর্যন্ত সব অপা‌রেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টার এবং রি‌টেইলার প‌য়েন্টগু‌লো‌তে গ্রাহক‌দের প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ত‌বে নেটওয়ার্ক জ‌টিলতায় ‌সি‌মের বা‌য়ো‌মে‌ট্রিক ভে‌রি‌ফি‌কেশ‌নে বেগ পে‌তে হ‌য়ে‌ছে গ্রাহক‌দের।

৬টি অপা‌রেট‌রের ১৩ কো‌টি ২০ লাখ সি‌মের ম‌ধ্যে সা‌ড়ে ১০ কো‌টির ওপ‌রে সিম পুনঃনিব‌ন্ধিত হ‌য়ে‌ছে শেষ সময় পর্যন্ত।

গত বছ‌রের ১৬ ডি‌সেম্বর থে‌কে চালুর পর আঙু‌লের ছাপ দি‌য়ে পুনঃ‌নিবন্ধ‌নের সম‌য়ের পর অর্থাৎ ১ জুন থে‌কে বন্ধ সং‌যোগগু‌লো চালু কর‌তে নতুন সিম কেনার সমপ‌রিমাণ অর্থ গুণ‌তে হ‌বে গ্রাহক‌দের।

নিয়মানুযায়ী, সিম নি‌স্ক্রিয় হ‌য়ে গে‌লে ১৫ মাস পর্যন্ত গ্রাহক এই ফি দি‌য়ে সংযোগ চালু কর‌তে পারবেন। পরবর্তী‌তে তিন মা‌সের নো‌টিশ দি‌য়ে অপা‌রেটরগু‌লো বন্ধ সি‌ম নতুন গ্রাহ‌কের কা‌ছে বি‌ক্রি কর‌তে পার‌বে।

বা‌য়ো‌মে‌ট্রিক নিবন্ধন প্র‌ক্রিয়ায় গ্রাহ‌কের আঙু‌লের ছাপ নি‌য়ে তা এনআইডি তথ্য ভাণ্ডা‌রে মেলা‌নোর পর গ্রাহ‌কের কা‌ছে তথ্য গে‌লে সিম‌টি নিব‌ন্ধিত হয়।

এ‌দি‌কে, আগামী জুলাই থে‌কে গ্রাহক তার না‌মে কয়‌টি সিম নিব‌ন্ধিত হ‌য়ে‌ছে তা জান‌তে পার‌বেন ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন ডাক টে‌লি‌যোগা‌যোগ প্র‌তিমন্ত্রী তারানা হা‌লিম।


posted from Bloggeroid

 চালু হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গ

চালু হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গ

ঢাকা: বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম ও গভীরতম রেল সুড়ঙ্গ (রেল টানেল) চালু হচ্ছে ইউরোপীয় দেশ সুইজারল্যান্ডে। প্রায় দুই দশক ধরে চলা নির্মাণ কাজ শেষে এই সুড়ঙ্গ ব্যবহারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। বুধবার (০১ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

৫৭ কিলোমিটার (৩৫ মাইল) দীর্ঘ রেল সড়ঙ্গটি সুইস আল্পসের (পবর্তাঞ্চল) নিচ দিয়ে ইউরোপের উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। সুইজারল্যান্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, ইউরোপে মালাবাহী পরিবহনের ক্ষেত্রে এটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।



সারা বছর প্রায় লাখখানি লরি ওই রুটে মাল বহন করে। সুড়ঙ্গটি চালু হলে মালবহন করা অনেক সহজ ও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে সড়ঙ্গপথে ট্রেন যোগে প্রতি ট্রিপে ৩২৫ জন যাত্রী পাড়ি জমাতে পারবেন।

বিশ্বের বর্তমান দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গটি রয়েছে জাপানে। ‘ছেইখান’ নামে ওই রেল সুড়ঙ্গটির দৈর্ঘ্য ৫৩ দশমিক ৯ কিলোমিটার। নবনির্মতি ৫৭ কিলোমিটার সুড়ঙ্গটি চালু হলে বিশ্বের দীর্ঘতম রেল সুড়ঙ্গের রেকর্ডটির দখলদার হবে সুইজারল্যান্ড।




খুব শিগরিই আলোচিত এই সুড়ঙ্গ উদ্বোধন করা হবে, তবে উদ্বোধনের তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুইজারল্যান্ডের শীর্ষ কর্তা, জার্মান চ্যান্সেল অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ, ইতালির রাজনীতিবিদ মেটিও রনজিসহ বিশিষ্টজনেরা অংশ নেবেন।

দেশটির ফেডারেল ট্রান্সপোর্ট অফিসের পরিচালক পিটার ফুগ্লিসটালার বলেন, ‘সুড়ঙ্গটি সুইজদের পরিচয় একটি অংশ

posted from Bloggeroid

Tuesday, 31 May 2016

রোজার ২০টি টিপস দেকে নিন

রোজার ২০টি টিপস দেকে নিন

পবিত্ররমজান মাস আসলে ছোট বড় নারী পুরুষভেদে প্রায় সকল মুমিন মুসলমান রোজা রাখেন।

এক্ষেত্রে দীর্ঘ ১১ মাসের স্বাভাবিক আহার,নিদ্রা, নিয়ম-নীতির কিছুটা ব্যত্যায় ঘটে। এরপরও
একজন রোজাদার কিছু পরামর্শ অনুসরণ করলে থাকতে পারেন সুস্থ, সবল এবং রাখতে পারেন
সৃষ্টিকর্তার বড় নিয়ামত রোজা।
কিভাবে রোজা রেখে সারাটি মাস সুস্থ থাকবেন এই নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সূত্রের আলোকে রোজাদারদের প্রতি আমাদের পরামর্শ।
১. রমজানে যাদের চিকিত্সা নিতে হয় তারা এবং যারা সুস্থ থেকে রোজা পালন করতে চান
তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে চিকিত্সার পরামর্শ নেয়া উচিত।
২. রোজায় পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান গ্রহণ, পানি শূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত পানি পান এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার।
৩. সেহেরীর সময় অতিরিক্ত আহার করবেন না।
খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত আশ জাতীয় শর্করা খাবার রাখুন। বেশী আমিষ খান এবং খাদ্য
তালিকায় রাখতে হবে সবজি-ফল।
৪. দিনের গরমের সময় ঠান্ডা যায়গায় বিশ্রাম নিন। সম্ভব হলে শারীরিক পরিশ্রম কমিয়ে দিন।
৫. ইফতারির সময় খেজুর, প্রচুর শরবত, দুধ, ফলের রস বেশী না খেয়ে মাগরিব এর পর হালকা খাবার যেমন স্যুপ ও অন্যান্য হালকা খাবার খেতে হবে। রক্তে চিনির মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে আনতে খাদ্য তালিকায় কিছুটা মিষ্টি জাতীয় খাদ্য রাখুন।
৬. রাতের খাবারের ক্ষেত্রে সুষম খাদ্য তালিকা অনুসরণ করুন। অতিরিক্ত খাবার বর্জন করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৭. চা, কফি, সোডা পান থেকে বিরত থাকুন।
৮. মৌসুমী ফল দিয়ে তৈরী ডেজার্ট খেতে পারেন।
৯. ইফতারির পর থেকে ঘুমাতে যাবার আগ পর্যন্ত অন্তত: ৮ গ্লাস পানি পান করুন।
১০. সন্ধ্যায় হালকা ব্যায়াম যেমন: ১৫-২০ মিনিট হাটার অভ্যাস করুন।
১১. তেলে ভাজা খাবার ও অধিক মসলাযুক্ত ঝাল
খাবার পরিহার করুন। এসব খাবারে বুক জ্বালাপোড়া ও হজমে সমস্যা হয়।
১২. প্রতিদিন অন্তত: ১টা মাল্টিভিটামিন সেবনের চেষ্টা করুন।
১৩. কয়েক বার দাঁত পরিষ্কার ও ফ্লসিং করুন। (রোজাদারগণ এটা করে থাকেন)
১৪. দিনে কয়েকবার হাত মুখ ওয়াশ করুন। (রোজাদারগণ এটা করে থাকেন)
১৫. ধূমপান ত্যাগ করুন।
১৬. পর্যাপ্ত ঘুমানোর জন্য আপনার ঘুমের একটা নির্দিষ্ট
সময় নির্ধারণ করুন।
১৭. রোজা রেখে অধিক ও অপ্রয়োজনীয় আলাপ আলোচনা থেকে বিরত থাকুন।
১৮. রোজায় যাদের অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসার ও উচ্চ রক্তচাপ থাকে তারা চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন বিধি পুন: নির্ধারন
করুন।
১৯. রোজা রেখে আকষ্মিক
কোন অসুস্থতা যেমন; অতিমাত্রায় দুর্বলতা, অসস্থি থাকলে সম্ভব হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন অথবা ব্লাড প্রেসার পরীক্ষা করুন।
২০. গুরুতর অসুস্থতায় রোজা ভঙ্গের প্রয়োজন হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন অথবা শরীয়তের
বিধান অনুসরণ করুন।
সোর্সঃ দৈনিক ইত্তেফাক ।
ক্যাটেগরি: ধর্ম

posted from Bloggeroid

ইসলামিক টিপস

ইসলামিক টিপস

সব শিয়ালই মুরগির স্বাধীনতা চায়, যেন অবাধে তারা মুরগি খেতে পারে ---! তেমনি সকল খারাপ লোকেরাই রাস্তায় নারীর স্বাধীনতা চায়, যেন অবাধে তারা খারাপীর মাএা বাড়িয়ে দিতে পারে। """ পর্দাই মেয়েদের আসল নিরাপদ থাকার স্থান """ ঝিনুকের ভিতরে মুক্তা যেমন নিরাপদ থাকে, তেমনি নারীরা পর্দায় নিরাপদ থাকে।

posted from Bloggeroid

মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দামই বেশি ভালো ছেলেদের নয় কেন জেনে নিন

মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দামই বেশি ভালো ছেলেদের নয় কেন জেনে নিন

কলেজের সবচেয়ে বখাটে ছেলেটিও
এই পর্যন্ত তিন তিনটা প্রেম করে
ফেললো। আর আমি এতো ভালো ছাত্র
হয়েও একটি প্রেমও হলো না এখন পর্যন্ত
– হয়তো এমন কথাটি আপনার মনে
ঘুরপাক খাচ্ছে। তাহলে কি মেয়েদের
কাছে খারাপ ছেলেদের দাম বেশি?
ভালো ছেলেদের কি কোন দামই
নেই? এই প্রশ্নগুলো কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছেলেদের
মনেই ঘুরে। খারাপ ছেলেদের প্রতি
মেয়েদের এতো আকর্ষন কেন?
স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নটা মনে
জাগতে পারে যখন কেউ দেখা যায়
যে খারাপ ছেলেরা খুব সহজেই
মেয়েদের পটিয়ে ফেলছে। আর
মেয়েরাও খারাপ ছেলেদের প্রতি
তীব্র আকর্ষণ বোধ করছে। কিন্তু এর
কারণ কি? ভালো ছেলেদের বদলে
খারাপ ছেলেদের প্রতি এমন আকর্ষণ
কি অস্বাভাবিক নয়? জেনে নিন
কারনগুলো ।
* চ্যালেঞ্জ নেয়া : মেয়েরা
চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। আর একটা
খারাপ ছেলের সাথে সম্পর্ক করাকে
তাঁরা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে
নেয়। চ্যালেঞ্জটা হলো একটা খারাপ
ছেলেকে ধীরে ধীরে ভালো করে
তোলা। কিন্তু এই কঠিন চ্যালেঞ্জে
বেশিরভাগ মেয়েকেই হেরে যেতে
হয়। কারণ খুব কম ক্ষেত্রেই একটা খারাপ
ছেলে ভালো পথে ফিরে আসতে
পারে। সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো
একটা ছেলেকে খারাপ পথ থেকে
ভালো পথে ফিরিয়ে আনার পর সেই
মেয়েটিই ঐ ছেলের প্রতি আগ্রহ
হারিয়ে ফেলে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে
ফেলে। কারণ যেসব স্বভাবের কারণে
মেয়েটির কাছে ঐ ছেলেটিকে
ভালো লেগেছিলো, সেই
স্বভাবগুলো আর ছেলেটির মধ্যে খুঁজে
পায় না। ফলে ছেলেটির প্রতি
মেয়েটির আগ্রহ কমে যায়।
* আত্মবিশ্বাস : মেয়েরা
আত্মবিশ্বাসী ছেলেদেরকে পছন্দ
করে। আর খারাপ ছেলেদের মধ্যে
আত্মবিশ্বাসের কোনো কমতি থাকে
না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা
অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয় অথবা
আত্মবিশ্বাসী না হলেও অভিনয় করে।
তাই স্বাভাবিক ভাবেই মেয়েরাই
এধরণের ছেলেদের প্রতি বেশি
আকর্ষণবোধ করে এবং এই আকর্ষণের
কারণে মেয়েরা একটা ভুল সম্পর্কের
দিকে এগিয়ে যায়।
* পৌরুষ : খারাপ ছেলে বললে আপনার
চোখে সবার প্রথমে কি ভেসে উঠে?
কালো সানগ্লাস, মোটর সাইকেল,
মুখে সিগারেট আর ট্যাটু? এই
বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্যই বেশিরভাগ
নারীর কাছেই খারাপ ছেলেদেরকে
বেশি পুরুষত্বের অধিকারী মনে হয়।
ফলে এ ধরণের ছেলেদেরকে তাঁরা
সাহসী ভাবে এবং তাদের সংস্পর্শে
মেয়েরা নিজেদেরকে বেশি
নিরাপদ মনে করে। যদিও প্রকৃতপক্ষে
খারাপ ছেলেদের সংস্পর্শ কখনোই
নিরাপদ হতে পারে না।
* রহস্য : মেয়েদের কাছে খারাপ
ছেলেদেরকে রহস্যময় লাগে। একটা
খারাপ ছেলে কি করছে, তার
জীবনযাত্রা কেমন, কোথায় যাচ্ছে
এসব নিয়ে বেশিরভাগ মেয়েই বেশ
উৎসাহী থাকে। আর এই রহস্য উৎঘাটনের
নেশার বশেই ভুল পথে পা বাড়ায়
মেয়েরা।
* সম্পর্কে আধিপত্য : যে সব মেয়েরা
পুরুষের উপর বেশি নির্ভরশীল থাকতে
পছন্দ করে তাঁরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে
সঙ্গীর আধিপত্যও পছন্দ করে। একটু
বখাটে ধরণের বদমেজাজি ছেলেরা
সঙ্গীর উপর জোর করে আধিপত্য দেখায়।
তারা চায় তার স্ত্রী কিংবা
বান্ধবী সব কিছু তার কথা মতই করুক এবং
তার অনুমতি নিয়ে চলুক।
* কথাবার্তা : বেশিরভাগ খারাপ
ছেলেরাই মেয়েদের পটিয়ে অভ্যস্ত।
কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা
বলতে এগিয়ে যেতে হবে, কিভাবে
প্রেমের প্রস্তাব দিতে হবে কিংবা
প্রশংসা করতে হবে এগুলো তাঁরা বেশ
ভালো করেই জানে। এসব ক্ষেত্রে
তাদের কোনো জড়তা কাজ করে না।
ফলে তাঁরা সহজেই মেয়েদেরকে
পটিয়ে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করে।
ভালো ছেলেরা একটু লাজুক প্রকৃতির
হয়। ফলে একটা মেয়ের সাথে নিজে
থেকে এগিয়ে গিয়ে পরিচিত হতে
কিংবা সখ্যতা গড়ে তুলতে বেশ সময়
লেগে যায় তাদের। আর এই সুযোগের
ব্যবহার করে খারাপ ছেলেরা। ফলে
তাঁরা বেশ সহজেই মেয়ে পটিয়ে
ফেলতে পারে।

posted from Bloggeroid

আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেকে হাড়ল স্বামী।

আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেকে হাড়ল স্বামী।

ভারতে ! মহাভারতের যুধিষ্ঠিরের ‘যোগ্য
উত্তরসূরী’ হিসেবে দেশটির কানপুরের এক
স্বামী আইপিএলের বেটিংয়ে বউ বাজি রেখে
হারলেন।

এনডিটিভি খবর অনুযায়ী, ভারতের কানপুরের
গোবিন্দ নগরের বাসিন্দা গুনধর স্বামী জাসমিত
নান্দা পেশায় শেয়ার ট্রেডার। তাঁর স্ত্রীর
অভিযোগ বিয়ের পরের দিনই স্বামী তাঁর সব
গয়না চেয়ে নেন। আজ আর তাঁর একটাও
অবশিষ্ট নেই। তাও জুয়ার নেশা শেষ হয়নি।
আইপিএল শুরু হওয়া থেকেই একের পর এক বাজি
রেখে সব খুইয়ে বসেছেন। শেষে
নিজের বউকেও বাজি ধরে বসেন।
স্বামীর এই কীর্তির কথা স্ত্রী জানতে
পারেন যখন স্বামীর জুয়ার সঙ্গীরা তাঁর সঙ্গে
অশালীন আচরণ করতে শুরু করেন। তাঁকে
অশ্রাব্য কথা বলতে শুরু করেন। লাঞ্ছনা, নিগ্রহ
কিছুই বাদ যায়নি। শেষপর্যন্ত এক ব্যক্তির সহায়তায়
কোনোক্রমে পুলিশে খবর দেন ওই
নারী।
পরে পুলিশ এসে গ্রেপ্তার করে তাঁর
স্বামীকে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।
ওই নারীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে
পারে, শেয়ার মার্কেটে টাকা খাটিয়ে সর্বস্বান্ত
হয়েছেন ওই ব্যক্তি। ভেবেছিলেন
আইপিএলে দাঁও মারবেন। কিন্তু, সেখানেও
স্ত্রীকে বাজি ধরে হেরে যান..
নারীর জবানবন্দি অনুযায়ী,তাঁর স্বামী যখন
তখন তাঁকে মারধর করেন। বাপেরবাড়ি থেকে
টাকা আনার জন্যও চাপ দেন। কিছুদিন আগেই
তাঁকে সাত
লাখ টাকা জোগাড় করে আনতে বলেন
স্বামী।

posted from Bloggeroid

Monday, 30 May 2016

ভাল ঘুমের জন্য ১০ টি টিপস।

ভাল ঘুমের জন্য ১০ টি টিপস।

সম্প্রতি ক্লান্ত বোধ করছেন, ঘুমের ব্যাঘাত হচ্ছে, কাজ, সংসার আর সন্তানদের ঝামেলা; সব মিলিয়ে ঘুমকে কঠিন করে তুলছে। আবার অর্থনৈতিক কষ্ট, কাজ বন্ধ, বন্ধুত্বের ফাটল অথবা কোন কঠিন অসুখ ঘুমের নরম পেলবকে একেবারেই অসম্ভব করে তোলে।
হয়ত আপনি এই ফ্যাক্টরগুলো একেবারে হাতের মুঠোয় আনতে সক্ষম হবেন না। কিন্তু ঘুমের একটা পরিবেশ সৃষ্টি করুন এবং কিছু অভ্যাস গড়ে তুলুন যা কি-না আপনাকে একটা শান্ত-বিশ্রামময় ঘুম আনতে সহায়তা করবে।
ভাল ঘুমের জন্য নিচে কিছু উপায় প্রদান করা হলোÑ
০ প্রতিদিন একই সময় ঘুমাতে যান এবং একই সময় ঘুম থেকে উঠুন। ছুটির দিনগুলোতে ঘুমের একই রুটিন বজায় রাখুন।
০ তরল খাদ্য সন্ধ্যার পর থেকে কমিয়ে দিন। ঘুমের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে ডিনার সেরে ফেলুন। তরল খাদ্যের আধিক্যে সারারাত আপনার ঘুম ভাঙবে এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে।
০ নিকোটিন, কফি ও এ্যাকোহল সন্ধ্যা বেলাতে পরিহার করুন : এসব উত্তেজক আপনাকে জাগত রাখে। ধূমপায়ীদের প্রায়শ রাতে সিগারেট না খাওয়ার জন্য পার্শ্বপ্রক্রিয়ার জন্য ঘুমের ব্যাঘাত হয়।
০ কফি খেলেও ঘুমের ৮ ঘণ্টা আগে খেতে হবে। কারণ, কফি শরীর জমা করে রাখতে পারে না। খাওয়ার অনেকক্ষণ পর পর্যন্ত শরীর থেকে কফি নিঃসরণ হয় এবং এর প্রভাব থাকে।
প্রচলিতভাবে মনে হলেও এ্যালকোহল কিন্তু ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
০ প্রতিদিন অল্পবিস্তর ব্যায়াম করুন : প্রতিদিনের হাল্কা অ্যারোবিক ব্যায়াম আপনাকে একটা অচ্ছেদ্য ঘুম উপহার দিতে পারে।
সাধারণত রাতেই ঘুমান : দুপুরে ঘুম কিন্তু আপনার রাতের শান্ত বিশ্রামকে কেড়ে নিতে পারে। দুপুরের ভাতঘুম নিতে হয় তবে সেটি আধা ঘণ্টার বেশি নয়।
০ আপনি এক আরামদায়ক ম্যাট্রেস ও নরম বালিশ বেছে নিন।
যদি কেউ আপনার সাথে শোয় তবে দেখতে হবে দু’জনার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি-না।
০ বাচ্চা বা পোষা প্রাণির জন্য একই বিছানায় ঘুম কখনওবা আপনার ঘুমের ব্যাঘাতের মূল কারণ হয়ে থাকে।
০ শুরু করুন একটা শিথিল ঘুমের রুটিন সময়। একই কথা প্রতি রাতে আপনার মনকে শোনানÑ এখন সব বন্ধ করে আমি ঘুমাব, এটার পূর্বপ্রস্তুতি হতে পারে একটা সুন্দর গোছল বা একটা বইপড়া বা কোন হাল্কা গান শোনা। আলোটাও হতে হবে বন্ধ কিংবা স্নিগ্ধ।
০ যখন আপনি ক্লান্ত এবং ঘুমে ভেঙে পড়ছেন তখনই আপনি আলো বন্ধ করুন এবং ঘুমাতে যান। যদি ১৫/২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না আসে তাহলে আবার কাজ করতে উঠে পড়ুন এবং ক্লান্ত হলে ঘুমাতে যান । ঘুম নিয়ে অযথা কোন দুশ্চিন্তা ঠিক না। ঘুমের দুশ্চিন্তা আপনাকে ঘুমাতে দেবে না।
০ ঘুমের ওষুধ শুধু শেষ অবলম্বন হিসেবে রাখুন। ডাক্তারের পরামর্শে শুধু ঘুমের ওষুধ খেতে পারেন। আস্তে আস্তে সেটাও কমিয়ে দিন। সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থাকলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন

posted from Bloggeroid

আপনার ফেসবুক আইডিতে হাজার হাজার অটো লাইক নিন ভিডিওটা দেখে নিন

আপনার ফেসবুক আইডিতে হাজার হাজার অটো লাইক নিন ভিডিওটা দেখে নিন

আসসালামুআলাইকুম,কেমন আছেন সবাই? আমি তো দারুণ খুশি কারণ আজকে আমি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ব্লগে পোস্ট করছি। 😀 আজকে আমি লিখব ফেসবুক অটো লাইক সম্পর্কে। এই ভার্চুয়াল যুগে ফেসবুক আমাদের নেশা হয়ে দাড়িয়েছে।এখন আমরা আমাদের মুল্যবান সময় ফেসবুকে ব্যায় করি।ফেসবুক এ আমাদের ক্রেডিট হল লাইক আর কমেন্ট।কিন্তু এগুলো পাওয়া এত সুজা না। 😥 জানেনিতো কিছু পেতে হলে সবকিছু দিতে হয়।লাইক কমেন্ট পাওয়ার জন্য সারাদিন ধরে ফ্রেন্ড দের আপডেট এ লাইক কমেন্ট করতে হয়। ফেমাসিটি বাড়ানোর জন্য সারাদিন ফ্রেন্ডদেরবড় আপডেটে লাইক,কমেন্ট করে গাধার খাটনি খাটছেন। কি দরকার অযথা এত কষ্ট করার। নিয়ে নিন অটো লাইক। অনেকে মনে করেন মানুষ অটো লাইকের দাম দেয় না। আরে ভাই আজকের দিনে সবাই অটো লাইক ইউজ করে। ফেসবুকে সাধারণ আইডি কখনোই ফেমাস হয় না। যাকে আপনি সেলিব্রেটি ভাবেন একটু ভাল করে খোঁজ নিয়ে দেখুন সে সারাদিন ধরে অন্যের স্ট্যাটাসে লাইক,কমেন্ট করতে করতে মোবাইলের লালবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে। 😛 একবার নাম চেন্জ করলে তাকে আর কে উ চিনে না। এখন মূল কথায় আসি। আপনি হয়তো অটো লাইক ইউজ করতে ভয় পাচ্ছেন। ভাবছেন আপনার আইডি হ্যাক হতে পারে।এর জন্য অনেকে অটো লাইক ব্যাবহার নিয়ে মহা চিন্তাই আছেন।আজকে আমি আপনাদেন মনের ভ্রান্ত ধারণা দূর করব। অটো লাইক নিলে কথনোই আইডি হ্যাক হয়না।নিচের ভিডিওটা দেখুন


অটো লাইক হাজার হাজার নিন এই ভিডিওটা দেখে নিন


ইংরেজি ১ম পত্র

ইংরেজি ১ম পত্র

৯ম ও ১০ম শ্রেণির পড়া
ইংরেজি ১ম পত্র
বাদল চৌধুরী
প্রিয় শিক্ষার্থী, আজ নবম ও দশম শ্রেণির Unseen comprehension চর্চা করব এবং পরে এর উত্তর মিলিয়ে নেব।

Read the text and answer the questions following it (1-3).
Ila Mitra was a peasant’s movement organizer of the Indian subcontinent, especially in Bengal. She was born in an upper middle-class Bengali family in Kolkata on 18 October 1925. She became a communist during her youth. In 1945, she married Ramendra Mitra, who was an active member of the Communist Party.
Ila Mitra was the leader of peasants and indigenous Santals in greater Rajshahi region, and was often referred to by them as Rani Ma. She organized a peasant-santal uprising in Nachole Upazila, Chapai Nawabganj, on 5 January 1950. But the uprising was thwarted by the police. Mitra was arrested by the police while trying to escape, and was sent to the Rajshahi Central jail on 21 January 1950. After a trial for treason, Ila mitra was sentenced to life imprisonment. Partly due to the torture, Ila Mitra fell very sick in jail. In 1954, the United Front government of Pakistan paroled her and sent her to Kolkata for treatment. To avoid persecution, she did not return to Pakistan and stayed the rest of her life in India. She continued to participate in political activities in Kolkata under the banner of the Communist Party of India and was elected member of Bidhan Shabha four times between 1962 and 1978. She also participated in mobilizing public opinion and support during the Bangladesh Liberation War of 1971. Ila Mitra died in Kolkata on 13 October 2002.

1. Choose the best answer from the alternatives.
A. Based on your reading, the name ‘Ila Mitra’ relates to
(a) Peasant’s Movement (b) Language Movement
(c) Mass Movement (d) Sipahi Biddraha
B. ‘Mitra was arrested by the police while trying to escape, and was sent to the Rajshahi Cantral jail on 21 January 1950.’ Why was she arrested?
(a) As she tried to scape from a peasant-santal uprising in Nachole.
(b) As she organized a peasant-santal uprising in Nachole.
(c) As she organized a tribal uprising in Nachole.
(d) As she organized a peasant-santal movement in India.
C. What is the proper antonym of the word ‘communist’?
(a) Marxist (b) socialist (c) collectivist (d) capitalist.
D. As used in paragraph 2, which is the best definition for ‘Indigenous’?
(a) A period of calm warm weather which sometimes happens in the early autumn.
(b) Naturally existing in a place or country rather than arriving from another place.
(c) Dakshinaranjan Mitra (d) Parimal Mitra
E. The word ‘Mobilizing’ in line 15 means most nearly the same as
(a) assembling (b) disbanding (c) disconnecting (d) separating
F. ‘Ila Mitra was the leader of peasants and indigenous Santals in greater Rajshahi region, and was often referred to by them as Rani Ma.’ That means Ila Mitra was also Known as
(a) Rani Bhabani (b) Rani Rashmani (c) Rani Ma (d) Ragini Ma
G. ‘But the Uprising was thwarted by the police.’ The word ‘thwarted’ is similar to
(a) punished (b) satisfied (c) encouraged (d) let down.
Answer to the Question no. 1
1. Multiple choices
A=> (a) Peasant’s Movement
B=> (b) As she organized a peasant-uprising in Nachole
C=> (d) capitalist
D=> (b) naturally existing in a place or country rather than arriving from another place
E=> (a) assembling
F=> (c) Rani Ma
G=> (d) let down.
# বাকি অংশ ছাপা হবে আগামীকাল
শিক্ষক
ঢাকা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

posted from Bloggeroid

৮ বছর পর তার ৫ উইকেট

৮ বছর পর তার ৫ উইকেট

৮ বছর পর তাঁর ৫ উইকেট
ক্রীড়া প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০১৬
সপ্তাহ দুয়েক আগের ঘটনা। ১৪ মে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে যেকোনো শ্রেণির ক্রিকেটেই ১১ বছরের সেঞ্চুরি-খরা কাটিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। সেই ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডির বোলারদের কচুকাটা করে ৫০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন কলাবাগান ক্রীড়াচক্র অধিনায়ক। তিন ম্যাচ পর সেই ফতুল্লাতেই ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার খরা ঘোচালেন তিনি।
কাল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে ৪২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি। বাংলাদেশের সীমিত ওভারের অধিনায়ক এর আগে সর্বশেষ ৫ উইকেট নিয়েছিলেন ২০০৮ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশ বিমানের হয়ে মোহামেডানের বিপক্ষে। শুধু লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ ধরলে পেছাতে হয় আরও এক বছর। ২০০৭ সালের অক্টোবরে জাতীয় লিগের ওয়ানডে আসরে ৩১ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন খুলনা বিভাগের মাশরাফি। এরপর গতকালের আগে ১২৯টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলে ফেলা মাশরাফি ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ৬ উইকেট নিলেন ইনিংসে। প্রথমবার ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ২৬ রানে ৬ উইকেট। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিংয়ের ওই রেকর্ডে পরে ভাগ বসিয়েছেন রুবেল হোসেন।
এবার পুরো লিগেই সংক্ষিপ্ত রানআপে বল করেছেন মাশরাফি, করলেন কালও। এরপরও ৯ ম্যাচে ২০ উইকেট হয়ে গেছে তাঁর। মাশরাফির চোখে কালকের সাফল্যের রেসিপি একটাই, ‘চেষ্টা করেছি জায়গামতো বল ফেলার। ফ্ল্যাট উইকেটেও জায়গামতো বল করতে পারলে সব সময়ই তা ব্যাটসম্যানের জন্য কঠিন হয়ে যায়।’
মাশরাফি অবশ্য নিজের কীর্তির চেয়ে দলের সাফল্যেই বেশি খুশি। কারণটাও অনুমেয়, কালকের এই জয়ে যে অবনমনশঙ্কা অনেকটাই দূর হয়েছে দলের, উজ্জ্বল হয়েছে সুপারলিগে ওঠারই সম্ভাবনা, ‘সবচেয়ে ভালো হয়েছে আমরা ম্যাচটা জিতেছি। এখন মোটামুটি সেফ জায়গায় আছি। আরও দুটি ম্যাচ বাকি আছে, দেখা যাক কী হয়।’
আগামী ৪ ও ৬ জুন প্রথম পর্বে মাশরাফিদের শেষ দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ মোহামেডান ও কলাবাগান একাডেমি

posted from Bloggeroid

খুব সহজেই দাগমুক্ত ত্বক করুন

খুব সহজেই দাগমুক্ত ত্বক করুন

দাগমুক্ত নিখুঁত ত্বক, কার না পছন্দ? কিন্তু ব্রণের কারণে কম বেশি অনেকের মুখেই দাগ পড়ে যায়। ব্রণ সেরে গেলেও অনেক ক্ষেত্রে দাগ থেকে যায়। দাগের কারণে বাইরে বের হলে অস্বস্তিবোধ হয়। আসুন জেনে নিই, মুখের বিরক্তিকর দাগের সহজ সমাধান। খুব কম সময়ে আর অল্প পরিশ্রমেই আপনি পেতে পারেন দাগমুক্ত পরিষ্কার ত্বক। এজন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরী একটি ফেসপ্যাক। এখন চলুন জেনে নিই কী কী লাগছে এই ফেসপ্যাকে-

উপাদানঃ

১। চন্দন কাঠের গুঁড়া (২ টেবিল চামচ বা তার সমপরিমাণ) ও

২। লবঙ্গ গুঁড়া ( ১/২ চা চামচ বা তার সমপরিমাণ) ।

প্রণালীঃ

১। প্রথমে লবঙ্গ পাতলা সুতি কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর শিলপাটায় মিহি করে গুঁড়ো করে নিন। শিলপাটার স্থলে ব্লেন্ডার ব্যবহার করতে পারেন। গুঁড়ো করার পর চালনি দিয়ে চেলে নিন। এতে লবঙ্গ গুঁড়াতে বড় কোনো দানা থাকলে আলাদা হয়ে যাবে।

২। এরপর একটি পরিষ্কার বাটিতে ২ টেবিল চামচ চন্দন গুঁড়া নিয়ে তাতে ১/২ চা চামচ লবঙ্গ গুঁড়া মিশান। অণুপাত ঠিক রেখে এগুলোর পরিমাণ বাড়াতে কিংবা কমাতে পারেন।

৩। তারপর এতে পানি দিয়ে ভালোভাবে মেশান। পানির ক্ষেত্রে ফুটানো পানি ব্যবহার করুন। পানির পরিমাণ এমন হবে যাতে প্যাকটি অধিক ঘন হবে না আর অধিক পাতলাও হবে না। মেশানো হয়ে গেলে তা কিছুক্ষণ রেখে দিন (প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট)।

৪। আপনার পছন্দসই কোনো ভালো ব্রান্ডের ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। তারপর আস্তে আস্তে ফেসপ্যাকটি মুখে লাগান।

৫। ২০ মিনিট পর পানির ঝাপটায় মুখ ধুয়ে ফেলুন। কোনো ভালো ব্রান্ডের ময়েশ্চারাইজার লাগান।

৬। শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের এই প্যাকটি ব্যবহারে ত্বক আরো শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মিশ্রণে ২/৩ ফোঁটা জলপাই তেল কিংবা নারিকেল তেল দিয়ে নিতে পারেন।

এভাবে সপ্তাহে ২ বার ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।

ফলাফলঃ

এক সপ্তাহের মধ্যেই দাগ অনেকটা কমে আসবে। প্যাকটি আপনার ত্বকের সাথে মানিয়ে গেলে, সঠিক পদ্ধতিতে নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

টিপসঃ

১। অনেক ক্ষেত্রে লবঙ্গের কারণে ফেসপ্যাকটি মুখে লাগানোর পরে মুখ জ্বলতে পারে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বলা কমে যাবে এবং কোনো ক্ষতিও হবে না।

২। প্যাকটি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বারের বেশি কোনোভাবেই ব্যবহার করবেন না।

৩। রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহারে বেশি উপকার পাবেন।

৪। প্যাক ব্যবহারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

৫। যতটা সম্ভব ভাজা পোড়া জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকুন।

সাবধানতাঃ

১। প্যাক মুখে লাগানোর সময় ঘষে লাগাবেন না বা ম্যাসাজ করবেন না, এতে মুখে আচঁড় পড়তে পারে।

২। চন্দন কিংবা লবঙ্গে এলার্জি থাকলে, এই প্যাকটি ব্যবহার করবেন না।

৩। কিছুদিন ব্যবহারের পর, কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া বা সমস্যা অনুভূত হলে, ব্যবহার করা বন্ধ করুন।

লিখেছেনঃ নীল

ছবিঃ বিউটিফুলফ্রিওয়ালপেপার্স.ব্লগস্পট.কম

Tags: skincare, spot on face, ত্বকের যত্ন, দাগ মুক্ত ত্বক

posted from Bloggeroid

বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু মিট বান না দেখলে মিস করবেন

বিকেলের নাস্তায় সুস্বাদু মিট বান না দেখলে মিস করবেন

বিকেলের নাস্তায় পরিবারের সামনে কি উপস্থাপন করা যায় তা নিয়ে গৃহিণীদের চিন্তার অন্ত নেই। সুস্বাদু এবং ঝটপট এই দুয়ের মিশেলেই তৈরি করতে হয় যা তৈরি করার। আজকে এই দুশ্চিন্তার অবসান ঘটাতে নিয়ে এলাম অসাধারণ স্বাদের একটি স্ন্যাকস রেসিপি। কেক পেস্ট্রির দোকানে গেলে অবশ্যই মিট বনের দেখা মেলে। আজকে এই সুস্বাদু স্ন্যাকস তৈরির সব চাইতে সহজ রেসিপিটিই জানিয়ে দিচ্ছে আপনাদের।

‎উপকরণ

বন তৈরির জন্য

২ চা চামচ ইষ্ট
১/২ কাপ কুসুম গরম পানি
৩ চা চামচ চিনি
১ টি ডিম
৪ টেবিল চামচ দুধ
১/২ চা চামচ লবন
২ কাপ ময়দা

‪পুর তৈরি জন্য

১/৪ কেজি রান্না করা মাংস (হাতে পিষে ছাড়িয়ে নেয়া)
আধা কাপ পিয়াজ কুচি
৩ টি মরিচ কুচি
আধা চা চামচ আদা বাটা
১ চা চামচ কাবাব মশলা
লবন স্বাদমতো
২/৩ টেবিলচামচ তেল
‪প্রণালী

- প্রথমে একটি বড় পাত্রে উষ্ণ দুধ নিয়ে এতে ইষ্ট গুলিয়ে নিন। এরপর এতে চিনি, লবন মিশিয়ে নিন। দুধ ঠাণ্ডা হয়ে এলে ডিম দিয়ে ফেটিয়ে নিন ভালো করে। এরপর ময়দা দিয়ে ভালোমতো মেখে একটি নরম ডো তৈরি করুন।
- ময়দা প্রায় ৫-১০ মিনিট খুব ভালো করে ময়ান করবেন। ডো নরম হতে হবে।এরপর একটি তেল মাখানো বাটিতে ডো রেখে বাটিটি প্ল্যাস্টিক র‍্যাপ দিয়ে ভালো করে মুড়ে গরম কোন স্থানে রেখে দিন ১ ঘণ্টা।
- একটি প্যানে তেল দিয়ে এতে আদা বাটা দিন। এরপর এতে পেয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচকুচি, লবন এবং কাবার মশলা দিয়ে নেড়ে নিন। এরপর এতে রান্না করা মাংস দিয়ে নাড়তে থাকুন। কিছুটা ভাজা ভাজা হয়ে এলে নামিয়ে নিন।
- এবারে ডো ১২ টি অংশে বিভক্ত করে ছোট ছোট বল তৈরি করুন। বলগুলোর মাঝে গোল করে গর্ত করে ভেতরে পুর দিয়ে ঢেকে দিন ভালো করে। পুরটি যতটা সম্ভব মাঝামাঝি রাখার চেষ্টা করবেন। ডোর বলগুলো বন রুটির আকার দিন। এবং একটি বেকিং ট্রেতে খানিকটা দূরে দূরে সাজিয়ে রাখুন।
- বনগুলোর ওপরে চাইলে একটি ডিমের সাদাঅংশের প্রলেপ দিয়ে তিল ছিটিয়ে দিতে পারেন দেখতে ভালো লাগবে।
- এরপর ইলেকট্রিক ওভেন প্রি হিট করে নিয়ে ৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে ২০-২৫ মিনিট বা বন হওয়া পর্যন্ত বেক করুন।ব্যস, তৈরি হয়ে গেল খুব সহজেই অত্যন্ত সুস্বাদু মিট-বান। এবারে পরিবেশন করুন।

ছবি ও রেসিপি - মোঃ রাশেদ আহমেদ

posted from Bloggeroid

যারা খেতে ভালবাসেন তাদের জন্য এই টিপস ডাল ছাড়াই তৈরি করুন মজাদার চিকেন খিচুরি না দেখলে মিস করবেন।

যারা খেতে ভালবাসেন তাদের জন্য এই টিপস ডাল ছাড়াই তৈরি করুন মজাদার চিকেন খিচুরি না দেখলে মিস করবেন।

খিচুড়ি খেতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে? এদিকে বাসায় ডাল কিংবা পোলাওর চাল নেই। কী করবেন? জেনে নিন অসাধারণ একটা খিচুড়ির রেসিপি যা রান্না হবে ভাতের চাল দিয়ে এবং কোন রকম ডাল ছাড়াই। যদিও ভুনা খিচুড়ি রচাইতে স্বাদে কোন অংশে কম হবে না! অনেকেরই ডালে অ্যাসিডিটি হয়, বিশেষ করে মুগের ডালে। তারা ডাল ছাড়াই শতভাগ স্বাদ নিতে পারবেন খিচুড়ির আর এটা রান্না করতে সময়ও লাগে খুব কম।রেসিপি দেখেই জিবে জল আসছে না? চলুন, জেনে নিই রেসিপিটি।

‎উপকরণ

চিকেন ১ টি
ভাতের চাল ৪ কাপ
আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
পিঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ
সবুজ এলাচ ৭/৮ টি
দারুচিনি ২/৩ টি
গোলমরিচ ৫/৬ টি
লং ৪/৫ টি
পাঁচ ফোঁড়ন ১/৪ চা চামচ
তেজপাতা ২/৩ টি
সরিষার তেল ১/২ কাপ বা পরিমাণমত
লবণ স্বাদমত
মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো দেড় চা চামচ
ধনেগুঁড়া ১ চা চামচ
আস্ত জিরা ১/২ চা চামচ
কাঁচা মরিচ ফালি ৭/৮ টি
আস্ত শুকনা মরিচ ৪/৫ টি ( ইচ্ছা )
পিয়াজ বেরেস্তা ১ টি
‎প্রণালী

-প্রেসার কুকারে তেল গরম করে জিরা,গরম মসলা ফোঁড়ন দিয়ে আদা, রসুন, পিয়াজ বাটা দিয়ে কষিয়ে চিকেন দিয়ে দিন।
- একে একে সব গুঁড়ো মসলা,লবণ,শুকনা মরিচ,পাঁচফোড়ন দিয়ে ভাল করে কষিয়ে অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে ঢাকনা আটকে দিন। প্রেসারে রান্না করে নিতে হবে মুরগিটা।
- এবার ঢাকনা খুলে চাল আর কাঁচা মরিচ দিয়ে ৫/৬ কাপ পানি দিয়ে লবণটা চেখে আবার ঢাকনা দিয়ে মিডিয়াম আঁচে রাখুন।
- ৫/৬ টি সিটি হলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে।
- ১৫/২০ মি পর ঢাকনা খুলে পিয়াজ বেরেস্তা উপর দিয়ে ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম খিচুড়ি পরিবেশন করুন।
-পানির পরিমাণটা এক এক চালে এক এক রকম লাগতে পারে।
-প্রেসার কুকারের টাইমটাও এক এক কুকারে এক এক রকম হতে পারে।

ছবি ও রেসিপি – ফারহিন রহমান

posted from Bloggeroid

রমজানের কয়েকটি সুস্বাস্ব্য ও বিউটি টিপস দেখে নিনি

রমজানের কয়েকটি সুস্বাস্ব্য ও বিউটি টিপস দেখে নিনি

খাদ্য ও স্বাস্থ্য, সুস্বাস্থ্য, সৌন্দর্য পরামর্শ।
রমজান হলো আত্মা ও শরীর শুদ্ধিকরণের মাস। এবার রমজান মাস গরমে পড়েছে। গরমের এই দিনে প্রায় ১৬ ঘণ্টা পানি পান ও খাদ্যাহার থেকে আমাদের বিরত থাকতে হচ্ছে। এজন্য আমাদের একটি বিশেষ রুটিন মেনে চলা উচিত যাতে একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ রমজান মাস পালন করতে পারি। এখানে স্বাস্থ্যকর রমজান পালনের জন্য বেশ কিছু টিপস দেয়া হলো।

০১. আপনি সুস্বাস্থ্যের অধীকারী হয়ে থাকলেও, আপনাকে রমজান মাসে একটি তালিকা প্রস্তুত রাখতে হবে যেন আপনার শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি, পানি ও বিশ্রাম পায়।

০২. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন সেহেরিতে। এছাড়া পানির পাশাপাশি এলোভেরা জুস , ডাবের পানি, দই খাওয়ার চেষ্টা করুন সেহেরিতে। এরা আপনাকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে। এছাড়া এগুলোতে ন্যাচারাল সুগার থাকে যা শরীরের জন্য উপকারী।

০৩. সেহেরিতে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার যেমন ভাত, আলু, প্রোটিন ,ফলমূল ও সবজী খান। পরিমিত পরিমাণে খান।

০৪. অতিরিক্ত চিনি থেকে দূরে থাকুন। কারণ এটি আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি করে।

০৫. রোজার এই গরমের দিনে যথাসম্ভর একটু ছায়া ও ঠান্ডা জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন এবং যতটা সম্ভব আপনার ফিজিকাল এক্টিভিটি কমিয়ে আনুন।

০৬. সুন্নাহ মেনে চলুন। ইফতারে রোজা ভাঙ্গুন খেঁজুর, দুধ বা ফলের জুস দিয়ে। ইফতারে হালকা খাবার খান। একেবারে অনেক খাবার খাবেন না। কেননা পাকস্থলী অনেকক্ষণ পরিপাক না করায় হঠাত্‍ অতিরিক্ত খাবার পেলে ভালো ডাইজেস্ট করতে পারেনা। তাই ইফতারে হালকা খাবার খেয়ে মাগরিবের নামাজ পড়ে আবার হালকা কিছু খান, যেমন – স্যুপ, ক্রাকার্স, লেবুর পানি ইত্যাদি। এরপর একটু সময় নিয়ে রাতের খাবার খান।

০৭. ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার খান। অতিরিক্ত খাবেন না। প্রচুর পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

০৮. চা ,কফি এবং সোডা না খাওয়ার চেষ্টা করবেন । এর বদলে প্রচুর পানি খান। চকলেট ক্যান্ডির বদলে ফলের জুস খান ।

০৯. হালকা ব্যায়াম করুন। রাতের খাবারের পর ১০/১৫ মিনিট হাঁটুন।

১০. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও ঝাল খাবার খাবেন না।

১১. দাঁত পরিষ্কার রাখুন। সেহেরির পর দাঁত পরিষ্কার করুন ব্রাশ বা ফ্লস দিয়ে। এছাড়া প্রত্যেক নামাজের আগে মেসওয়াক করুন।

১২. ধূমপান পরিহার করুন ।

১৩. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন আপনার।

এখন কিছু বিউটি টিপস দিবো -

- রমজানে আমাদের ত্বক অনেক সময় মলিন হয়ে যায়। আবার যেহেতু সামনেই ঈদ সেহেতু ত্বকের যত্ন নেওয়াটাও খুব জরুরী। তাই ত্বককে যতটা পারেন ময়েশ্চারাইজড করুন। ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা রানিং ঠান্ডা পানিতে মুখ ধোবেন। তেল সমৃদ্ধ খাবার পরিহার করুন। কেননা তা ব্রণের প্রকোপ বাড়ায়। তাই সেহেরি ও ইফতারে প্রচুর পানি খান।

- বাইরে বের হলে ছাতা ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। চোখের নিচের কালি ঢাকতে আই কনসিলার ব্যবহার করুন। হালকা পাউডার বুলিয়ে নিন মুখে। যেহেতু অনেকক্ষণ পানি না খেয়ে থাকতে হয় তাই ঠোঁট শুকিয়ে যায়। তাই ঠোটে লিপবাম ব্যবহার করুন। দিনে বেশি কিছু না লাগানোই ভালো। ত্বক যথানিয়মে পরিষ্কার করুন আর সপ্তাহে যে প্যাকগুলো ব্যবহার করে থাকেন আপনি নিয়মিত তা করুন।

- রোজা রাখুন। মনে রাখবেন রোজা রাখলে শরীরের কোন ক্ষতি হয় না বরং আমাদের শরীরের জন্য ভালো। ক্রীম লাগালে রোজা ভাঙ্গেনা। রোজার মাসে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। অযথা রাগারাগি করবেন না ।আল্লাহ আমাদের সবাইকে নামাজ ও রোজা রাখার তৈফিক দান করুন ও এগুলো কবুল হওয়ার তৈফিক দান করুন এই দোআ রইলো আর হ্যাঁ, অবশ্যই আপনার প্রার্থনায় আমার জন্য দোআ করতে ভুলবেন না যেন।

লিখেছেনঃ মৌসুমী

posted from Bloggeroid

পবিত্র রমজান আসন্ন, অনলাইনে যাবতীয় টিপস নিয়ে রমজানের টূর্বেই প্রস্ততি নিন।

পবিত্র রমজান আসন্ন, অনলাইনে যাবতীয় টিপস নিয়ে রমজানের টূর্বেই প্রস্ততি নিন।

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো।

পবিত্র রমজান মাস আসন্ন। আর এ রমজান মাসের পূর্বেই প্রস্তুতি নেয়ার অংশ হিসেবে আমার এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ।

রমজান মাস আসার পূর্বে কি করবেন, আসলে কি করবেন। এ মাসের গুরুত্ব, তাৎপর্যসহ একটি ধারণা পাওয়া যাবে এ লেখায়।

অনলাইনেই পর্যাপ্ত পরিমাণ টিপস আছে, সেগুলোও দেখা যেতে পারে।

আমাদের বর্তমান অবস্থান থেকে কিছুটা পরিবর্তন করতে পারলেই এ লেখাটির স্বার্থকতা।



যথারীতি রোজার গুরুত্ব, মর্যাদা, উপকারিতা এবং আনুষাঙ্গিক বিষয় নিয়ে চলুন আলোচনা শুরু করি।

হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে। যেমন ফরজ করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর। যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।
সূরা- বাকারা, আয়াত- ১৮৩।



রোজার গুরুত্ব :

রাসুল (সাঃ) বলেছন রমজান মাসে আমার উম্মত কে পাঁচটি নিয়ামত দান করা হয়েছে যা আগের উম্মতকে দেওয়া হয়নি -

(১) রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশকের চেয়ে বেশী ঘ্রানযুক্ত

(২) ইফতার পর্যন্ত রোজাদারের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন
(৩) রোজাদারের জন্য প্রতিদিন জান্নাতকে সজ্জিত করা হয়
(৪) শয়তানকে বন্দি করা হয়
(৫) রমজানের শেষ রাতে সকল উম্মতকে মাফ করা হয়।



রোজার মর্যাদা ও উপকারিতা:

১) জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল

২) জান্নাতে যাওয়ার উৎকৃষ্টতম উপায় এবং রাইয়ান নামক বিশেষ দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশের সুযোগ

৩) গুনাহ মোচনের অন্যতম মাধ্যম

৪) রোজা কিয়ামতের দিন মুমিন ব্যক্তির জন্য শুপারিশকারী হবে

৫) রোজার পুরষ্কার আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন

৬) রোজার মাধ্যমে আচার-আচরণ ও চরিত্র সুন্দর হয়

৭) রোজা মানুষকে আখেরাত মুখী করে

৮) সামাজিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব বোধ সৃষ্টি করে

৯) এটি আল্লাহ ও বান্দার মাঝে নিতান্ত গোপন ইবাদত তাই এর মাধ্যমে আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্ক দৃঢ়তর হয়

১০) আল্লাহর ইবাদতের এক অভূতপূর্ব ট্রেনিং স্বরুপ।



রমজান আসার পূর্বে যে দোয়াটি বেশী বেশী পড়া উচিত ...

“আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজাবা ওয়া শাবান ওয়া বাল্লিগনা রমজান”

অর্থ -হে খোদা রজব এবং শাবান মাসদয়কে তুমি আমাদের জন্যে মোবারক মাসে পরিনত করে দাও এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌছে দাও...



অঢেল সওয়াব অর্জন এর এ সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে চেষ্টা করি। রমজানের শুরুতেই পরিবর্তনের জন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। আত্মশুদ্গধি অর্জনের পূর্ণ প্রস্তুতি নিই।

রহমাত, মাগফিরাত এবং নাজাতের মাস মাহে রমজান।এ মাসেই মহা গ্রণ্থ আল কুরআন নাজিল হযেছিল তাই হাজার মাসের চাইতেও মূল্যবান এ মাস। এ মাসে ১টি নফল নামাজ ১টি ফরজ নামাজ এর সমান, আর ১টি ফরজ ৭০টি ফরজ নামাজ এর সমান। সুবহানআল্লাহ। এক রাকাত নামাজ ৭০ রাকাত নামাজের সমান, কেউ যদি ফজর-এ ২ রাকাত, জোহরে ৪ রাকাত, আসরে ৪ রাকাত, মাগরিবে ৩ রাকাত এবং এশার ৪ রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করে তবে সে ১ দিনেই ১১৯০ রাকাত শুধু ফরজ নামাজই আদায় করলো আর বাকি নামাজ গুলো যোগ করলে তার পরিমান হবে আরো অনেক বেশি।
নিজেই অঙ্ক মিলিয়ে নিন সুযোগ হাতছাড়া করবেন নাকি এখনি লুফে নিবেন। আমরা কতটুকু আমল যোগ করতে পেরেছি নিজেদের আমলনামায়। জীবনে আরেকবার রমজান পাবেন তার কোনো গেরান্টি নেই, জীবনের সকল গুনাহ মাপের এটাই সুবর্ণ সুযোগ। নামাজ ছাড়াও কুরআন তিলাওয়াত এর ক্ষেত্রেও একই সুবর্ণ সুযোগ এক অক্ষরে যেটি ১০ নেকি ছিল অন্য সময়ে, আর রমজান মাসে সেটি ৭০০ নেকি। এ মাসে কাওকে ১ টাকা দান করলে ৭০ টাকাই দান করা হয়ে যাবে, ২ টাকা দান করলে ১৪০ টাকা দান করা হবে, ২ রাকাত নামাজ পড়লে ১৪০ রাকাত নামাজ পড়া হয়ে যাবে। সকল ভালো কাজেই ১ এ ৭০, সারামাস এ সুযোগ আছে সচেতন হবার সময় এখনি।

শুধু তাই নয় সেহরী, ইফতার আর তারাবীহ নামাজের অনাবিল প্রশান্তি আপনার মনকে ১০০% পবিত্র করে দিবে। সুরা তারাবিহ এর চাইতে খতম তারাবিহকে বেশি গুরুত্ব দিন। পাশাপাশি মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকা, যাবতীয় অন্যায় থেকে বিরত থাকা ছাড়াও ভালো কাজে সহযোগিতা আর মন্দ কাজ থেকে দুরে থাকতে পারলেই আপনার প্রতিটি রোজা হবে পরিশুদ্ধ। রোজা আর দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে আর কোনো অন্তরায় থাকবেনা। এ মাসে বেশি বেশি ভালো কাজ করুন যেন এ মাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বাকি জীবন ভালোভাবে কাটাতে পারেন। বিভিন্ন ফোরাম ব্লগ ফেইসবুক এ ভালো কাজের জন্য আহবান করুন, এতে যে সওয়াব পাবেন তাও অন্য সময়ের তুলনায় ৭০ গুন বেশি পাবেন। ইফতার এর আগে দোয়া কবুল হয় তাই এ সুযোগটিও হাতছাড়া করবেননা।

শব ই কদর এর রাতের অভাবনীয় সুযোগতো থাকছেই যে রাতে দোয়া কবুলের ১০০% গেরান্টি থাকে। আলহামদুলিল্লাহ। জান্নাত লাভের সুবর্ণ সুযোগ আপনাকে হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে। এ মাসে সামর্থ্য থাকলে কেউ ওমরাহ করেও আসতে পারেন। রমজান ছাড়াও মদিনা শরিফ এ ১ রাকাত নামাজ ৫০ হাজার রাকাত নামাজের সমান আর মক্কা শরিফ এ ১ রাকাত নামাজ ১ লক্ষ্ রাকাত নামাজের সমান। আর রমজান মাসে সেই সওয়াব এর পরিমান যথাক্রমে ৩৫ লক্ষ এবং ৭০ লক্ষ রাকাত নামাজের সমান। শুধুমাত্র রমজান মাসের জন্যই এ সুযোগ। আমরা হয়ত অনেকেই এসব কথা জানি, যারা জানি তারা যেন মানার চেষ্টা করি, আর যারা জানিনা তারা যেন আরো জানার চেষ্টা করি।



রমজান মাসে কি করবেন, কেন করবেন, কিভাবে করবেন?

রহমত, মাহফিরাত ও নাজাতের সুখবর নিয়ে আসে মাহে রমজান। এ রমজানের সে সদ্ববহার করতে পেরেছে সেই সফলকাম, আর যে পারেনি সে পুরোপুরি ব্যর্থ। রমজানের পরিপূর্ণ হক আদায়ে আসুন জেনে নিই কি করা উচিত, আর কি অনুচিত...
১। রমজান মাসে কুরআন তিলওয়াত করুন বেশী বেশী, পারলে কয়েকবার খতম করুন। এ মাসে প্রতি হরফের জন্য ৭০ নেকী বরাদ্দ করা হয়ে থাকে যেটি পূর্বে ১০ নেকী ছিলো।

২। নিয়মিত নামাজ আদায় করুন, এক ওয়াক্তও মিস করবেননা।

৩। নিয়মিত হাদিস পড়ুন এবং সে অনুযায়ী আমল করুন।

৪। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরী খান এবং সময়মত ইফতার করুন।

৫। কোনসময় ভোর রাতে উঠতে না পারলেও নিয়ত করে রোজা রেখে দিন।

৬। রোজা রেখে কোনপ্রকার খারাপ কাজে শামিল হবেননা।

৭। ঝগড়া বিবাদ, মিথ্যা বলা, গীবত করা এসব থেকে দূবে থাকবেন।

৮। জীবনে যে নামাজ কখনো পড়েননি, তাহাজজুদ, আউয়াবীন, ইশরাক এসব নামাজ পড়ুন।

৯। সালাতুত তসবীহ পুরো মাসে অন্তত একবার হলেও পড়ুন।

১০। বেজোড় রাত্রিগুলোতে বেশী বেশী ইবাদত করুন।

১১। সর্বোপরি আল্লাহর নিকট বেশী বেশী তাওবাহ করুন।

রমজান মাসে উপরের কাজগুলো করার চেষ্টা করুন।

রাসূল (সা:) বলেছেন, যে রমজান চলে গেল, কিন্তু গুনাহ মাফ করাতে পারলোনা, তার জন্য ধ্বংস অনিবার্য। আল্লাহ আমাদের রমজানের হক আদায়ের তাওফীক দান করুন।



রমজান মাস আসন্ন, আসুন তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রমজানের জন্য সম্বল তৈরী করি।

আল্লাহ কবুল করুন। আমীন...



রমজান সংক্রান্ত আমার ফ্যান পেজ

রমজান সংক্রান্ত আমার ব্লগ



সবাইকে ধন্যবাদ।

আমার অনলাইন আর্নিং সাইট থেকেও ঘুরে আসতে পারেন।


posted from Bloggeroid

লাভ পসঙ্গ

লাভ পসঙ্গ

জীবনে ভালোবাসা আসার পূর্বে হাজার বছর একা থাকা যায়। কিন্তু ভালোবাসার পর এক মুহুর্ত একা থাকা যায় না আর ভালোবাসার মানুষটি কিছু সময়ের জন্য কাছে না থাকলে মন টা কেমন বেকুল হয়ে থাকে তাকে কাছে পাওয়ার জন্য হইতোবা এটাই বাস্তবতা....

posted from Bloggeroid

Sunday, 29 May 2016

কোন সফটওয়ার ছড়াই বাড়িয়ে নিন আপনার  কম্পিউটারের সিস্টেমের গতি ফোল্ডারের ব্রাউজিং গতি+বোনাস ট্রিকস

কোন সফটওয়ার ছড়াই বাড়িয়ে নিন আপনার কম্পিউটারের সিস্টেমের গতি ফোল্ডারের ব্রাউজিং গতি+বোনাস ট্রিকস

লিখেছেনঃ বাপ্পী পটুয়াখালী

আসাকরি সকলে ভাল আছেন । ….. কারনে আজ ঘরবন্ধি । তাই আপনাদের মাঝে অনেক দিন পর আবারও একটি টিউন করার চেষ্টা করলাম ।

সিস্টেমের গতি বাড়ানোর ট্রিকস :

——————————–

১. যেকোন কাজ শেষ করার পর ডেক্সটপে বারবার Refresh দিবেন, এরফলে র‍্যামের অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে যাবে ।


২. ওয়ালপেপারে বেশী বড় সাইজের ছবি সেট করবেন না ।

৩. ডেক্সটপে বেশী আইকন রাখবেন না, কারন প্রতিটি আইকন র‍্যামের ৫০০ বাইট জায়গা দখল করে রাখে ।

৪. Recycle Bin প্রতিদিন পরিষ্কার করবেন ।

৫. প্রতিদিন temporary internet files ডিলিট করবেন ।

৬. কমপক্ষে প্রতি ২ মাসে একবার হার্ডডিক্স Defragment করবেন ।

৭. সি ড্রইভে শুধু Windows রাখবেন, অনান্য Softwares অন্য ড্রইভে রাখবেন ।

৮. Softwares installing এর সময় tray icon মুছে দিবেন, starting the application automatically মুছে দিবেন ।

ফোল্ডারের ব্রাউজিং গতি বাড়ানোর ট্রিকস :

—————————————-My Computer+Tools menu+Folder Options+View tab এ গিয়ে “Automatically search for network folders and printer” Uncheck করে Apply দিয়ে Ok দিবেন ।
বোনাস ট্রিকস (১) :

——————কোন কিছু ডিলিট করার জন্য আমরা DELETE বাটনে চাপি তারপর একটি MESSAGES আসে এরপর Ok দিলে ডিলিট হয়ে Recycle Bin এ যায় ।কিন্তু শুধুমাত্র DELETE বাটনে চাপ দিয়ে যেকোন কিছু ডিলিট করুন এবং সরাসরি Recycle Bin এ পাঠান ।এজন্য Recycle Bin এর ‘Properties’ এ গিয়ে ‘Display Delete Confirmation Dialog’ Uncheck করে Apply দিয়ে Ok দিবেন ।
বোনাস ট্রিকস (২) :

——————-

আমরা সাধারনত সরাসির ডিলিট করার জন্য “Shift+Delete” চাপি, কিন্তু শুধুমাত্র DELETE বাটনে চাপ দিয়ে parmanently ডিলিট করুন ।এজন্য Recycle Bin এর ‘Properties’ এ গিয়ে “Don’t move file the recycle Bin…..” ক্লিক করে Apply দিয়ে Ok দিবেন ।

উপরের সবগুলোই হয়ত আপনাদের জানা, তারপরও আপনাদের আবার মনে করিয়ে দিলাম যদি কাজে লাগে । আজ আর না । কমেন্ট করতে ভুলবেন না ।

posted from Bloggeroid

যে দুটি জিনিসকে ভয় পান মুস্তাফিজ

যে দুটি জিনিসকে ভয় পান মুস্তাফিজ

ডেস্ক : মুস্তাফিজুর রহমানই তো ব্যাটসম্যানদের জন্য আতঙ্কের নাম! তবে বাংলাদেশের তরুণ পেসারও কিন্তু দুটি জিনিসকে ভয় পান। কী সেই দুটি জিনিস?


সানরাইজার্স হায়দরাবাদ স্কোয়াডের একমাত্র বাংলা জানা মানুষ রিকি ভুই। হায়দরাবাদের হয়ে একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ না পাওয়া মধ্যপ্রদেশের তরুণ এই ব্যাটসম্যানই ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে বলেছেন, ‘সে (মুস্তাফিজ) দুটি জিনিসকে ভয় পায়- ব্যাটিং করা ও ইংরেজিতে কথা বলা।’



২০১৪ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে মুস্তাফিজের সঙ্গে একসঙ্গে খেলেছেন ভুই। বাংলা জানা ভুই-ই আইপিএলে হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্ট ও দলের অন্যদের সঙ্গে মুস্তাফিজের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছেন। এতে মুস্তাফিজ ও ভুইয়ের মধ্যে ভালো ঘনিষ্ঠতাও হয়েছে, ‘সে ইংরেজি জানে না বলে দলের অন্যদের সঙ্গে খুব একটা কথাও বলতে পারে না। ও আমার সঙ্গেই কথা বলে, আমাদের মধ্যে তাই বেশ ভালো ঘনিষ্ঠতা।’



মাঠে প্রয়োজনের সময় মুস্তাফিজ প্রতীকী ভাষা ব্যবহার করেন বলে জানালেন ভুই, ‘সে ইশারা দিয়েই মাঠে কাজ চালায় বেশি। স্লোয়ার বল করতে চাইলে সে কবজি ঘোরাবে। আর বাউন্সার করতে চাইলে মাথার দিকে ইঙ্গিত করবে।’



ভুই আরো জানালেন, মুস্তাফিজ মাঠের ভেতরে-বাইরে কাজ চালান দুটি শব্দ দিয়ে, ‘সে শুধু দুটি শব্দ বলে- “প্রবলেম” আর “নো প্রবলেম”। “প্রবলেম” মানে সে কিছুই বুঝছে না। আর “নো প্রবলেম” মানে সে জানে, কী করতে হবে।’



হায়দরাবাদের কোচ টম মুডি ও অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার একটা সময় মুস্তাফিজের জন্য বাংলা শেখাই শুরু করে দিয়েছিলেন। তবে তাতে সফল না হলেও মুস্তাফিজের সঙ্গে তাদের ভাষার দূরত্বটা আগের চেয়ে কমে এসেছে বলেই জানালেন মুডি, ‘এমন নয় যে আমাদের বাংলা কিছুটা ভালো হয়েছে, তবে ওর ইংরেজি কিছুটা ভালো হয়েছে। আর এমনিতে ক্রিকেটের একটা চিরন্তন ভাষা তো আছেই।’

posted from Bloggeroid

মোস্তাফিজের হায়দরাবাদ চ্যাম্পিয়ন

মোস্তাফিজের হায়দরাবাদ চ্যাম্পিয়ন

মৃদুভাষণ ডেস্ক::লেগ স্ট্যাম্পের ওপরে থাকা ভুবনেশ্বর কুমারের বলটি স্কুপ করে লং লেগ অঞ্চল দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন ইকবাল আবদুল্লাহ; কিন্তু উচ্ছাস নেই তার মুখে। মেগা স্ক্রিনে তখন ভেসে উঠলো উল্লাসিত ডেভিড ওয়ার্নারের মুখ। কারণ শেষ বলটি যে ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতা! তার আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে শিরোপা লড়াইয়ের জয়-পরাজয়।

নবম আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হলো ওয়ার্নার-মোস্তাফিজের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। রোববার ফাইনালে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ঘরের মাঠে তাদেরকে ৮ রান হারিয়ে শিরোপা জেতে ওয়ার্নার বাহিনী। ২০৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে কোহলি বাহিনী ৭ উইকেটে করতে পেরেছে ২০০ রান। হায়দরাবাদের এটি প্রথম শিরোপা। অন্যদিকে তৃতীয় বারের মত ফাইনাল খেলেও শিরোপা অধরাই থেকে গেল ব্যাঙ্গালোরের।

ফাইনালে জয়ের মুল নায়ক দলের দুই পেসার ভুবনেশ্বর কুমার ও মোস্তাফিজুর রহমান। এর মধ্যে ভুবনেশ্বর কুমার ছিলেন এদিন ব্যাটসম্যানদের কাছে সবচেয়ে বড় ধাঁধাঁ। দলের হয়ে বোলিং শুরু করা উত্তর প্রদেশের এই পেসার প্রথম দুই ওভারে গেইল তা-বের মধ্যেও দিয়েছে মাত্র ১১ রান। আর ডেথ ওভারে যখন ম্যাচের ভাগ্য পে-ুলামের মত দুলছে সে সময় দুই ওভারে দেন মাত্র ১৪ রান। কোন উইকেট না পেলেও তার ২৪টি ডেলিভারীরই গড়ে দিয়েছে ম্যাচের ভাগ্য। তার সাথে মোস্তাফিজুর রহমানও করে দুর্দান্ত বোলিং ৩৭ রানে ১ উইকেট নেন। মোস্তাফিজও ডেথ ওভারে হাত খুলে খেলতে দেননি ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটসম্যানদের।

শুরুতে গেইল-কোহলির তা-বে ব্যাঙ্গালোরের জয় সহজ মনে হলেও এই দুই তারকার আউটের মাধ্যমে মাচে ফিরে আসে হায়দরাবাদ। ২০৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে হায়দরাবাদের বোলারদের ওপর টর্নোডো বইয়ে দেন ক্রিস গেইল। মাত্র ২৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব। বেন কাটিংয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৭৬ রান করেন গেইল। তার ইনিংসে ছিল ৮টি ছক্কা আর ৪টি চারের মার।

গেইল যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন অনেকটা দর্শক হয়েই ছিলেন বিরাট কোহলি। গেইল আউট হওয়ার পর এতক্ষণ শান্ত মেজাজে থাকা বিরাট কোহলি যেন বুঝতে পারেন এবার তার পালা! একের পর এক বোলারদের কচুকাটা করতে শুরু করেন। তবে ৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করা কোহলি ১৩ তম ওভারের শেষ বলে ফিরে যান সাজঘরে। এবার ঘাতক বিরেন্দও স্্রান। কোহলির আউটের ঠিক ৬টি বল পরে ফিরে যান আগের ম্যাচের ‘ঘাতক’ এবি ডি ভিলিয়ার্স। আর তখনই ম্যাচে ফিরে আসে হায়দরাবাদ।

ফাইনালে আগে ব্যাট করে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ দাড় কড়ায় সানরাইজার্স হয়দরাবাদ। আজও যথারীতি দলকে টেনে নিয়েছে অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। মাত্র ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই রান মেশিন।

নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাড়িয়েছে ৭ উইকেটে ২০৮। টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ব্যাঙ্গালোরের বোলারদের শাসন করতে থাকেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও শেখর ধাওয়ান। ধাওয়ান কিছুটা দেখে শুনে খেললেও দারুণ ফর্মে থাকা ওয়ার্নার ছিলেন আগের মতই ভয়ঙ্কর।

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে ৫৯ রান তোলে হায়দরাবাদ। ওয়ার্নার ৩৮ বলে ৬৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ১৩ তম ওভারে শ্রীনাথ অরবিন্দের বলে ইকবাল আবদুল্লাহর তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফেরেন। ৩টি ছক্কা আর ৮টি চারে সাজানো তার ইনিংস। তবে ডেভিড ওয়ার্নার ফিরে যাওয়ার পর মিডল অর্ডারে যুবরাজ সিং ছাড়া অন্য ব্যাটসম্যানরা পারেননি দলের প্রত্যাশা পূরণ করতে।

যুবরাজ ২ ছক্কা আর ৪ চারে ৩৮ রান করেন ২৩ বলে। শেখর ধাওয়ান করেন ২৫ বলে ২৮ রান। তবে শেষ দিকে বেন কাটিংয়ের ১৫ বলে ৩৯ রানের টর্নেডো ইনিংস দুইশো রান অতিক্রম করতে সাহায্য করেছে দলকে।

ব্যাঙ্গালোরের ইংলিশ পেসার ক্রিস জর্ডান ৪৫ রানে ৩ টি ও শ্রীনাথ অরবিন্দ ৩০ রানে ২ টি উইকেট নিয়েছেন। তবে সবচেয়ে বড় ঝড়টি গেছে অসি অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসনের উপর দিয়ে। তার ৪ ওবারে ৬১ রান নিয়েছে হায়দরাবাদ। ২০ তম ওভারেই ওয়াটসন দিয়েছে ২৪ রান।
f

posted from Bloggeroid

আইপিএলের সেরা মুস্তাফিজ

আইপিএলের সেরা মুস্তাফিজ

ডেস্ক:: নাম ঘোষণা হতেই ছোট মুখে সেই চেনা লাজুক হাসি। ছোট পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়া। মঞ্চে ওঠে আইপিএল চেয়ারম্যানের হাত থেকে নিলেন স্মারক চেক ও ট্রফি। মুস্তাফিজুর রহমান এবারের আইপিএলের সেরা উদীয়মান ক্রিকেটার।

টুর্নামেন্ট জুড়ে মুস্তাফিজের যা পারফরম্যান্স, তাতে এই পুরস্কার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। বাকি ছিল স্রেফ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। ফাইনাল শেষে সেই ঘোষণা এলো। পুরস্কার উঠল মুস্তাফিজের হাতে।

আইপিএলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ভোটাভুটিতে ৮৩.২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন মুস্তাফিজ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যোজন যোজন দূরে। বেঙ্গালুরুর লোকেশ রাহুল পেয়েছেন ৬.৫ শতাংশ ভোট। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ক্রুনাল পান্ডিয়া ৩.৭ শতাংশ।

টুর্নামেন্টে স্রেফ একটি ম্যাচই মুস্তাফিজ খেলতে পারেননি হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে। বাকি ১৬ ম্যাচ খেলে উইকেট ১৭টি। যৌথভাবে টুর্নামেন্টের পঞ্চম সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৬.৯০। কমপক্ষে ২০ ওভার বোলিং করাদের মধ্যে যেটি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কিপটে বোলিং।

তবে পরিসংখ্যানই সব কিছু নয়। মুস্তাফিজ আইপিএল মাতিয়েছেন তার জাদুকরী স্কিল দিয়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবির্ভাবের বছরেই যেভাবে বিস্ময় ছড়িয়েছিলেন, হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম বড় নাম; প্রথমবার আইপিএলে গিয়েও দেখিয়েছেন নিজের সেই প্রতিভা ও সামর্থ্যের ঝলক। প্রথমবারের মত একা দেশের বাইরে যাওয়া, দীর্ঘসময় থাকা এবং ভাষার দূরত্ব, সব কিছু জয় করেছেন বোলিং সামর্থ্য দিয়ে।

দারুণ স্লোয়ার ও দুর্বোধ্য কাটার তো বরাবরই তার বড় সম্পদ। আইপিএলে দেখিয়েছেন, ইয়র্কারেও কতটা দক্ষ হয়ে উঠেছেন এত দ্রুতই। ২০ বছর বয়সেই রেখেছেন পরিণত ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রমাণ। তার স্কিল ও ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে টুর্নামেন্ট জুড়ে বর্তমান-সাবেক অনেক তারকা ক্রিকেটার, বিশেষজ্ঞরা।

সব মিলিয়ে যোগ্য হাতেই উঠেছে এই পুরস্কার।


posted from Bloggeroid

সিলেট ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জের নির্বাচনের ফলাফল

সিলেট ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জের নির্বাচনের ফলাফল

ওসমানীনগর(সিলেট)প্রতিনিধি::পঞ্চম ধাপে ২৮মে অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উৎসব মুখর পরিবেশে ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওসমানীনগরে ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩টিতে বিএনপির ও ১টিতে বিএনপির বিদ্রোহী, ৩টিতে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ও ১টি আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

ওসমানীনগরের উমরপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের এমজি কিবরিয়া(নৌকা) প্রতীক নিয়ে ৪৯৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির এইচ এম রায়হান(ধানের শীষ) প্রতীক ৪২২৫ ভোট পেয়েছেন। সাদীপুরে বিএনপির আব্দুর রব(ধানের শীষ) প্রতীক নিয়ে ৬৮০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের কবির উদ্দিন আহমদ(নৌকা) প্রতীক নিয়ে ৬৬৫৬ ভোট পেয়েছেন। পশ্চিম পৈলনপুরে আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী আব্দুর হাফিজ এ মতিন গেদাই(আনারস) প্রতীক নিয়ে ৩৯৭৩ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের শেরওয়ান আহমদ (নৌকা) প্রতীকে ১৫৮৩ ভোট পেয়েছেন। বুরুঙ্গায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী এমজি রসুল খালেক আহমদ লটই(আনারস) প্রতীক নিয়ে ৪২৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের(নৌকা) প্রতীকে ৩৪৪৯ ভোট পেয়েছেন।

গোয়ালাবাজারে বিএনপির বিদ্রোহী আতাউর রহমান মানিক(ঘোড়া) প্রতীক নিয়ে ৪৮১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের পীর মজনু মিয়া(নৌকা) প্রতীকে ৪৩৯৮ ভোট পেয়েছেন। তাজপুরে বিএনপির ইমরান রব্বানী(ধানের শীষ) প্রতীক নিয়ে ৫৪৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের অরুনোদয় পাল ঝলক(নৌকা) প্রতীকে ৫২৩৩ ভোট পেয়েছেন। দয়ামীরে বিএনপির এইচ টিএম ফখর উদ্দিন(ধানের শীষ) প্রতীক নিয়ে ৪৪৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র নুর উদ্দিন নুনু(আনারস) প্রতীকে ৪৩০১ ভোট পেয়েছেন। উছমান ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মঈনুল আজাদ ফারুক(আনারস) প্রতীক নিয়ে ৪৪০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের নেফা মিয়া(নৌকা) প্রতীক নিয়ে ৩১৮৮ ভোট পেয়েছেন।
বালাগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে ৪টি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী। অপর ২টি ইউনিয়নে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী।
নির্বাচনে উপজেলার বোয়ালজুড় ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনহার মিয়া (নৌকা) ৩৬৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী মোঃ শেখ আলাউদ্দিন রিপন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১৯০২ ভোট।

পশ্চিম গৌরীপুরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আমিরুল ইসলাম মধু (নৌকা) ২০৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী স্বতন্ত্র (চশমা) মোঃ নাসির উদ্দিনের প্রাপ্ত ভোট ১৮০৮।
পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত হিমাংশু রঞ্জন দাস (নৌকা) ২১৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী এম. মুজিবুর রহমান (ধানের শীষ) ২০০৪ ভোট পান।

পূর্ব পৈলনপুরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোঃ আব্দুল মতিন (নৌকা) ২০৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী মোঃ নজরুল ইসলাম জিতু (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২০১৭ ভোট।
বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত মোঃ আব্দুল মুনিম (ধানের শীষ) বিজয়ী হয়েছেন ৪৫৮৯ ভোট পেয়ে।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী আওয়ামী লীগ সমর্থিত বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মতিন (নৌকা) পেয়েছেন ৩৪৭৩ ভোট।

দেওয়ানবাজার ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত নাজমুল আলম নজমের (ধানের শীষ) প্রাপ্ত ভোট ৬৭১৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজু মিয়া (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৪৫৩৫ ভোট পান।

posted from Bloggeroid

নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল

নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল

উত্তম কুমার পাল হিমেল, নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)থেকেঃ বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে গতকাল শনিবার নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। সকালে বৃষ্টির মধ্যে ভোটারের উপস্থিতি ছিল তুলনা মুলক কম। বৃষ্টি বন্ধ হলে ভোটারের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। শনিবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহন চলে।

শান্তিপূর্ণভাবে নারী-পুরুষ ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করছেন। নির্বচানের বেসরকারী ফলাফলে ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামীলীগ ৬ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী ২টি বিএনপি ১টি বিএনপি বিদ্রোহী ২ টি স্বতস্ত্র ২ টি ইউনিয়নে জয়ী হয়েছে। বিজয়ীরা হলেন ১ নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী সতন্ত্র প্রার্থী সত্যজিত দাশ(চশমা) ৩ হাজার ৩ শত ৭১ ভোট, প্রতিদ্বন্ধী পার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান (নৌকা) সমর চন্দ্র দাশ পেয়েছেন ২ হাজার ২ শত ৪১ ভোট, ২নং বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী আশিক মিয়া ২ হাজার ৫ শত ৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচতি হয়েছেন,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বর্তমান চেয়ারম্যান মেহের আলী মালদার (নৌকা) পেয়েছেন ২ হাজার ২ শত ৩ ভোট, ৩ নং ইনাতগঞ্জ ইউপিতে স্বতন্ত্র বজলুর রশিদ(আনারস) ৩ হাজার ৯ শত ৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থীছায়েদ উদ্দিন(সতন্ত্র) পেয়েছেন ৩ হাজার ৬ শত ৪২ ভোট, জামাল হোসাইন(নৌকা পেয়েছেন ১ হাজার ৭ শত ১২ ভোট, ৪ নং দীঘলবাক ইউপিতে আওয়ামীলীগের আবু সাঈদ এওলা মিয়া(নৌকা) ৭ হাজার ১ শত ৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী সতন্ত্র ছালিক মিয়া পেয়েছেন ৪ হাজার ৮ শত ৬১ ভোট, ৫নং আউশকান্দি ইউপিতে আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী প্রার্থী মুহিবুর রহমান হারুন সতন্ত্র ৫ হাজার ৫ শত ২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান দিলাওয়ার মিয়া নৌকা পেয়েছেন ৩ হাজার ৮ শত ৮৭ ভোট পেয়েছেন।

৬নং কুর্শি ইউপিতে আওয়ামীলীগ প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমদ মুস (নৌকা) ৪ হাজার ২ শত ৪০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদব্ন্দী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ(ধানেরশীষ) পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ৮৫ ভোট,আব্দুল বাছিত সতন্ত্র(আনারস) পেয়েছেন ২ হাজার ৭ শত ৭৮ ভোট ৭ নং করগাঁও ইউপিতে বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ছাইমুদ্দিন (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৫ শত ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী নির্মলেন্দু দাশ রানা(নৌকা) পেয়েছেন ৭ হাজার ২ শত ৩১ ভোট। ৮ নং নবীগঞ্জ সদর ইউপিতে আওয়ামীলীগের প্রার্থী সাজু আহমদ চৌধুরী(নৌকা) ৫ হাজার ১ শত ৫৫ বোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী(ধানেরশীষ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৩ শত ৯০ ভোট। ৯ নং বাউশা ইউপিতে উপজেরা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আবু সিদ্দিক(নৌকা) ৫ হাজার ৮ শত ৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম সতন্ত্র প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ডেইজি (আনারস) পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ১৮ ভোট, বর্তমান চেয়ারম্যান সতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার মিয়া পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫ ভোট। ১০নং দেবপাড়া ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এড. জাবিদ আলী(ঘাড়া) প্রতিকে ৪ হাজার ১ শত ৪৭ বোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী সতস্ত্র প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আ,ক,ম ফখরুল ইসলাম কালাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৭ শত ৬৮ ভোট। বিএনপির প্রার্থী আমির হোসেন পেয়েছন ২ শত ৮৮ ভোট। ১১নং গজনাই পুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী উপজেরা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদুর রহমান মুকুল (নৌকা) ৪ হাজার ৯ শত ৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সতন্ত্র প্রার্থী(আনারস) আবুল খয়ের গোলাপ পেয়েছেন ৪ হাজার ১ শত ২৮ ভোট, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ শাহনেওয়া(চশমা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৬ শত ৭ ভোট। ১২ নং কালিয়ারভাঙ্গ ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান সতন্ত্র প্রার্থী(আওয়ামীলীগ বিদ্রহী) মোঃ নজরুল ইসলাম (ঘাড়া) ৩ হাজার ৭ শত ২৬ ভেট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান এমদাদুল হক চৌধুরী(নৌকা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৫ শত ৯৯ ভোট।

১৩ নং পানিউমদা ইউপিতে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ ইজাজুর রহমান(নৌকা) ৪ হাজার ১ শত ৪০ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধীপ্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান)ঘোড়া) পেয়েছেন ৩ হাজার ৮ শত ৬ ভোট। ১৩ টি ইউনিয়নের ১ শত ৩২ টি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮১ ঝুকিপূর্ন
কেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি ও র‌্যাব স্ট্র্যাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করে। নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনুষ্টিত ভোট কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন হবিগঞ্জ জেলা প্রমাসক সাবিনা আলম। এ সময় তার সাথে ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেরা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ,উপজেলা নির্বাচন অফিসার আবু সাইম,নবীগহ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি প্রভাষক উত্তম কুমার পাল হিমেল,দৈনিক হবিগঞ্জ সময় পত্রিকার প্রকাশক মোঃ সেলিম মিয়া তালুকদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
১৩টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ৯ হাজার ৭শত ১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২ হাজার ৬শত ৭১ জন এবং মহিলা ১ লাখ ৭ হাজার ৪৭ জন

posted from Bloggeroid

জলদি অনলাইনে পাসপোর্ট তৈরি করে নিন আর ভিসা ছড়াই বিদেশ ঘুরে আসুন

জলদি অনলাইনে পাসপোর্ট তৈরি করে নিন আর ভিসা ছড়াই বিদেশ ঘুরে আসুন

আজ আমি আপনাদের দুইটি জিনিস শেয়ার করব:

ক) কিভাবে অনলাইনে পাসপোর্ট করা যায়,
খ) ভিসা ছাড়া বিদেশ ভ্রমন।
ক) অনলাইনে পাসপোর্টের ফর্ম পূরণ করে পাসপোর্ট অফিসে ফর্ম জমা দিয়ে ছবি তুলতে সময় লাগে মাত্র ৩০ মিনিট, তাও বিনা ঘুষে! জি , আমি সত্য কথা বলছি।

আসুন আমরা জেনে নেই কিভাবে অনলাইনে পাসপোর্ট করা যায়
➡ ১ম ধাপঃ

এই পেজ এ যান (Click Here for Link)

অনলাইনে ফর্মটি ফিলআপ করুন এবং প্রিন্টআউট নিন।

➡ ২য় ধাপঃ

পাসপোর্ট এর ফর্মটি, আপনার ন্যাশনাল আইডি এবং পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর ফটোকপি (যদি থাকে) সত্যায়িত করে পাসপোর্ট অফিসে চলে যান।

➡ ৩য় ধাপঃ

পাসপোর্ট অফিসের পাশে সোনালী ব্যঙ্ক এ । জরুরী পাসপোর্ট করতে চাইলে ৬০০০ টাকা আর সাধারনভাবে করতে চাইলে ৩০০০ টাকা জমা দিন। রশিদটি আঠা দিয়ে ফর্মের উপর সংযজন করুন।

➡ ৪র্থ ধাপঃ

এবার পাসপোর্ট অফিসে সরাসরি ফর্ম টি ভেরিফাই করিয়ে নিন। তারা আপনার ফর্ম এর উপর সই করে একটি সিরিয়াল নম্বর লিখে দিবে।

➡ ৫ম ধাপঃ

এবার সরাসরি চলে যান উপ কমিশনারের রুমে এবং তাকে দিয়ে ফর্ম টি ভেরিফাই করিয়ে নিন।এখানে থেকে ভেরিফিকেসন করার পর পাঠিয়ে দিবে পাশের কাউন্টারের রুমে ছবি তুলতে।

➡ ৬ষ্ঠ ধাপঃ

ছবি তুলতে সজা এই কাউন্টারে গিয়ে আপনার ফর্মটি জমা দিন। সেখানে অফিসার আপনার ছবি তুলবে, আঙ্গুলের ছাপ ও স্বাক্ষর নিবে এবং তারপর আপনাকে রশিদ ধরিয়ে দিবে। সেটা ভালো মত চেক করে রুম থেকে বেরিয়ে আসুন।

ব্যাস… আপনার ফর্ম জমা দেয়া শেষ। যেদিন পাসপোর্ট দেয়ার ডেট, সেদিন পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে রশিদ দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন।

মনে রাখবেনঃ

অবশ্যই বাসা থেকে সত্যায়িত করে নিয়ে যাবেন।
NID এর সত্যায়িত ফটোকপি এবং পুরানো পাসপোর্টের (যদি থাকে) ফটোকপি নিয়ে যাবেন।
সাদা কাপড় পড়ে ছবি তোলা যাবে না।
অনলাইন পাসপোর্টের অফিসিয়াল নির্দেশনা ২০১৩

খ) ভিসা ছাড়া বিদেশ ভ্রমন:
এবার তাহলে দেখে নেয়া যাক বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে কোন কোন দেশে বেড়াতে যাওয়া যাবে আগে থেকে ভিসা না নিয়ে। এর মাঝে বেশির ভাগ দেশে যেতে গেলে কেবল টিকেট করে চলে গেলেই হবে, পর্যটক ভিসা আপনাকে ওই দেশের এয়ারপোর্টে দেয়া হবে। আর কোনো কোনো দেশে তাও লাগে না, বাংলাদেশী পাসপোর্ট দেখিয়েই ওই দেশে ঢুকে যেতে পারবেন। দেশভেদে এই সব দেশে ৫ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। অল্প কয়টি দেশ আছে যেখানে আপনার থাকার কোনো সীমা বেধে দেয়া নেই। প্রয়োজন হলে যাওয়ার আগে সংশ্লিস্ট দেশের ওয়েবসাইট থেকে দেখে নিতে পারেন।

বিশ্বের এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যেতে ভিসার প্রয়োজন নেই, শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলেই হবে। আর এমন কিছু দেশ আছে যেখানে ল্যান্ড করার পরে এয়ারপোর্ট থেকে (on arrival) ভিসা পাওয়া যায়, তবে কোন কোন দেশের ক্ষেত্রে অবশ্য ফি দিতে হয়।

ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে

এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে

ভুটান (যত দিন ইচ্ছা),
শ্রীলংকা (৩০ দিন),
আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে

কেনিয়া (৩ মাস),
মালাউই (৯০ দিন),
সেশেল (১ মাস),
আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে

ডোমিনিকা (২১ দিন),
হাইতি (৩ মাস),
গ্রানাডা (৩ মাস),
সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস),
সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস),
টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন),
মন্টসের্রাট (৩ মাস),
ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন),
ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস),
কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন),
নাউরু (৩০ দিন),
পালাউ (৩০ দিন),
সামোয়া (৬০ দিন),
টুভালু (১ মাস),
নুউ (৩০ দিন),
ভানুয়াটু (৩০ দিন) এবং
মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।
এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে

এশিয়ার মধ্যে

আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার),
জর্জিয়া (৩ মাস),
লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার),
মালদ্বীপ(৩০ দিন), মাকাউ (৩০ দিন),
নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার),
সিরিয়া (১৫ দিন),
পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার),
আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে
বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক),
মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ),
মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার),
টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ) এবং
উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)
তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন।

সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

posted from Bloggeroid

পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী যেনে নিন

পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী যেনে নিন

পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী
পাসপোর্ট ছাড়া আপনি কি নিজকে বাংলাদেশী নাগরিক ভাবতে পারেন।নিজের পাসপোর্ট থাকা জরুরী। পত্রিকা পড়ে অনেকের পাসপোর্ট করা নিয়ে ভিতি ভাব আছে । অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়।
এতে অনাহুত খরচের বালাই নেই।

যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য এই পোস্ট।

আপনিও খুব সহজেই পারবেন। কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে আপনাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে ।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই ।

আসেন, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।

প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া

সোনালী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় পাসপোর্ট আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা ( ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পেতে হলে) ।

প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বার উল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

টিপস -ভুলেও আবার আগারগাঁও সোনালী ব্যাংকের শাখায় গেলে - - - - - । সোনানী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় বেশ দ্রুত টাকা জমা দেয়া যায় , কারণ এইখানে ভিড়টা কম । আপনার সুবিধামত সোনালী ব্যাংকের শাখায় / ব্রাঞ্চে টাকা জমা দিয়ে রিসিট বুঝে নিন ।

লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নিন । রিসিট পেলে ইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ করুন। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন।
( আমি যখন টাকা জমা দিয়েছিলাম , তখন আগারগাঁও ব্রাঞ্চ এ টাকা জমা নিত , এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম সেখানে টাকা জমা নেয়া বন্ধ ! এছাড়া অনলাইনে যেসব ব্রাঞ্চের লিস্টগুলো আছে , তার অনেকগুলোতেই টাকা জমা নেয় না । তাই ঢাকায় থাকলে কলেজ গেইট ব্রাঞ্চেই যাওয়া বেটার)

দ্বিতীয় ধাপ - অনলাইনে ফর্ম পূরণ

অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যান পাসপোর্ট অফিসের এই সাইটে - http://www.passport.gov.bd/http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখুন , সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন । আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন।

সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিট করুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছেন ! ব্যাপারটা খু্বই মজার না !

পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন । সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলে আসবে । এইধাপ এইখানেই শেষ।

টিপস 1 – অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন। আর ছবি তোলার জন্য যেদিন সময় দেবেন সেদিনটা ফ্রি রাখবেন। সময় লাগতেও পারে এই দিনে যদি মানুষ বেশী হয় ।


তৃতীয় ধাপ – জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্ট করে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন । আপনার সাইন দিন। এবার নিজের চারকপি ছবি , জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়ন করানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করুন।

সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমা এখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিপস 2 – ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করুন। ব্যাকআপ থাকা ভালো । আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপ কপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি।
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো , পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে। একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যাপারেও।

চতুর্থ ধাপ – ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।

সকাল ৯ টার দিকে গেলেই হবে। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে । সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনা সদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।

প্রথমে আপনাকে আটতলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ । ৮০৩ নাম্বার রুম । সিরিয়াল নেবেন। এবার ৮ তলার থেকে আসতে বলবে ৩ তলায় । সেখানে এসেই আসল কাজ । প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকে জানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। ব্যস , কাজ শেষ !

এবার আপনাকে পাসপোর্ট রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্ন করে রাখুন । পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫ দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন ।

আমার টিপস – আবারো বলছি , সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।

আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যান। তিনতলায় যেয়ে সেখানকার সেনাসদস্যের কাছ থেকে দেখিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন , সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন। আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখুন।

আর যারা সরকারী কর্মকর্তা বা শিশুসহ যাচ্ছেন , তাদের কিছু আলাদা কাগজ লাগবে । সেটার জন্য নির্দেশনা দেখুন । কিংবা ৮০৩ এ যোগাযোগ করুন।

পঞ্চম ধাপ – পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)

পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই আপনার ভেরিফিকেশান হয়ে থাকে। পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে।

এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার । সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!

তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব। আপনি কীভাবে তাদের ফেইস করছেন সেটার উপর নির্ভর করে। সরাসরি বলে দিতে পারেন যে, এইটা আপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন। কিংবা বলতে পারেন যে, আপনি ছাত্র , টাকা দেয়া সম্ভব না । ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !

যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।

ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ

এইখানে কাজ সহজ । পাসপোর্ট অফিসে চলে যান। লাইনে দাঁড়ান।
সাথে রিসিট আর কলম রাখুন । ৯ টার দিকে গেইট খুলবে। লাইন ধরে প্রবেশ করুন। রিসিট জমা দিন। অপেক্ষা করুন।

এবার আপনার নাম ডাকবে । সাইন করুন , বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট ।

টিপস 3 – হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করুন আপনার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা। নিজের এবং পিতামাতার নাম , ঠিকানা এবং অন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।

এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের আত্মকাহিনী বা আমি যেভাবে খুব সহজেই পাসপোর্ট পেলাম এর আদ্যোপান্ত । আশা করি কাজে লাগবে।
সবার জন্য শুভকামনা। হ্যাপি পাসপোর্টিং !

সংযুক্তি -

০১) আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয় , তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট করতে পারেন । আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না ।

০২) ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য যে স্লিপ লাগে , সেখানে আলাদা একাউন্ট নম্বরের প্রয়োজন নেই ।নতুন পাসপোর্ট করা বা রিনিউ এর জন্য আলাদা স্লিপই থাকে ।

০৩) GO: Government order

NOC: NO Objection Certificate

PDS: Proof of retired Date


সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীরা এই ঘর পুরণ করবেন। আর কমেন্ট থেকে জানা গেল যে সরকারী কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট নীল রঙের । পুলিশ ভেরিফিকেশান এর ঝামেলা নাই ।

এই পোস্ট ভাল লাগলে কমেন্টে জানান দিয়েন প্লিজ । ধন্যবাদ ।

সূত্র - ইকারুসের ডানা, সামহোয়ার ব্লগ।

posted from Bloggeroid

ইসলামের দৃষ্টিতে যে সব নাম রাকা হারাম যেনে নিন

ইসলামের দৃষ্টিতে যে সব নাম রাকা হারাম যেনে নিন

শিশুর জন্মের পর তার জন্য একটি সুন্দর
ইসলামী নাম রাখা প্রত্যেক মুসলিম
পিতা-মাতার কর্তব্য। মুসলিম বিশ্বের
অন্যান্য অঞ্চলের মুসলিমদের ন্যায়
বাংলাদেশের মুসলিমদের মাঝেও
ইসলামী সংস্কৃতি ও মুসলিম ঐতিহ্যের
সাথে মিল রেখে শিশুর নাম নির্বাচন
করার আগ্রহ দেখা যায়।
এজন্য তারা নবজাতকের নাম
নির্বাচনে পরিচিত আলেম-
ওলামাদের শরণাপন্ন হন। তবে সত্যি
কথা বলতে কী এ বিষয়ে আমাদের
পড়াশুনা একেবারে অপ্রতুল। তাই
ইসলামী নাম রাখার আগ্রহ থাকার
পরও অজ্ঞতাবশত আমরা এমনসব নাম
নির্বাচন করে ফেলি যেগুলো আদৌ
ইসলামী নামের আওতাভুক্ত নয়। শব্দটি
আরবী অথবা কুরআনের শব্দ হলেই
নামটি ইসলামী হবে তাতো নয়।
কুরআনে তো পৃথিবীর নিকৃষ্টতম
কাফেরদের নাম উল্লেখ আছে।
ইবলিস, ফেরাউন, হামান, কারুন, আবু
লাহাব ইত্যাদি নাম তো কুরআনে
উল্লেখ আছে; তাই বলে কী এসব
নামে নাম বা উপনাম রাখা সমীচীন
হবে?
ব্যক্তির নাম তার স্বভাব চরিত্রের
উপর ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক
প্রভাব ফেলে বলে বর্ণিত আছে।
শাইখ বকর আবু যায়েদ বলেন, ঘটনাক্রমে
দেখা যায় ব্যক্তির নামের সাথে
তার স্বভাব ও বৈশিষ্ট্যের মিল
থাকে। এটাই আল্লাহর তা‘আলার
হেকমতের দাবী। যে ব্যক্তির নামের
অর্থে চপলতা রয়েছে তার চরিত্রেও
চপলতা পাওয়া যায়। যার নামের
মধ্যে গাম্ভীর্যতা আছে তার
চরিত্রে গাম্ভীর্যতা পাওয়া যায়।
খারাপ নামের অধিকারী লোকের
চরিত্রও খারাপ হয়ে থাকে। ভাল
নামের অধিকারী ব্যক্তির চরিত্রও
ভাল হয়ে থাকে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম কারো ভাল নাম শুনে
আশাবাদী হতেন। হুদাইবিয়ার
সন্ধিকালে মুসলিম ও কাফের
দুইপক্ষের মধ্যে টানাপোড়নের এক
পর্যায়ে আলোচনার জন্য কাফেরদের
প্রতিনিধি হয়ে সুহাইল ইবনে ‘আমর
নামে এক ব্যক্তি এগিয়ে এল তখন
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম সুহাইল নামে
আশাবাদী হয়ে বলেন:
সুহাইল তোমাদের জন্য সহজ করে
দিতে এসেছেন। সুহাইল শব্দটি সাহলুন
(সহজ) শব্দের ক্ষুদ্রতানির্দেশক রূপ। যার
অর্থ হচ্ছে- অতিশয় সহজকারী। বিভিন্ন
কবিলার ভাল অর্থবোধক নামে রাসূল
সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম
আশাবাদী হওয়ার নজির আছে।
তিনি বলেছেন, গিফার (ক্ষমা করা)
কবিলা তথা গোত্রের লোকদেরকে
আল্লাহ ক্ষমা করে দিন। আসলাম
(আত্মসমর্পণকারী/শান্তিময়) কবিলা
বা গোত্রের লোকদেরকে আল্লাহ
শান্তি দিন।
নিম্নে নবজাতকের নামের ক্ষেত্রে
কিছু নীতিমালা দেয়া হল
নবজাতকের নাম রাখার সময়কালের
ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে
তিনটি বর্ণনা রয়েছে। শিশুর জন্মের
পরপরই তার নাম রাখা। শিশুর জন্মের
তৃতীয় দিন তার নাম রাখা। শিশুর
জন্মের সপ্তম দিন তার নাম রাখা। এর
থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, ইসলাম
এ বিষয়ে মুসলিমদেরকে অবকাশ
দিয়েছে। যে কোনোটির উপর আমল
করা যেতে পারে। এমনকি কুরআনে
আল্লাহ তা‘আলা কোনো কোনো
নবীর নাম তাঁদের জন্মের পূর্বে
রেখেছেন মর্মে উল্লেখ আছে।
আল্লাহর নিকট সবচেয়ে উত্তম নাম
হচ্ছে আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান। সহীহ
মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে রাসূল
সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেন – ﺇِﻥَّ ﺃَﺣَﺐَّ ﺃَﺳْﻤَﺎﺋِﻜُﻢْ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ
অর্থ-তোমাদের নামসমূহের মধ্যে
আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে-
আব্দুল্লাহ (আল্লাহর বান্দা) ও আব্দুর
রহমান (রহমানের বান্দা)।”
এ নামদ্বয় আল্লাহর প্রিয় হওয়ার কারণ
হল- এ নামদ্বয়ে আল্লাহর দাসত্বের
স্বীকৃতি রয়েছে। তাছাড়া আল্লাহর
সবচেয়ে সুন্দর দুটি নাম এ নামদ্বয়ের
সাথে সম্বন্ধিত আছে। একই কারণে
আল্লাহর অন্যান্য নামের সাথে
আরবী ‘আব্দ’ (বান্দা বা দাস)
শব্দটিকে সমন্ধিত করে নাম রাখাও
উত্তম।
যে কোনো নবীর নামে নাম রাখা
ভাল। যেহেতু তাঁরা আল্লাহর
মনোনীত বান্দা। হাদিসে এসেছে
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন- তোমরা
আমার নামে নাম রাখ। আমার
কুনিয়াতে (উপনামে) কুনিয়ত রেখো
না। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম এর কুনিয়ত ছিল- আবুল
কাসেম। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম তাঁর নিজের সন্তানের
নাম রেখেছিলেন ইব্রাহিম। কুরআনে
কারীমে ২৫ জন নবী-রাসূলের নাম
বর্ণিত আছে মর্মে আলেমগণ উল্লেখ
করেছেন। এর থেকে পছন্দমত যে
কোনো নাম নবজাতকের জন্য নির্বাচন
করা যেতে পারে।
ইসলামে যেসব নাম রাখা হারাম:
আল্লাহর নাম নয় এমন কোনো নামের
সাথে গোলাম বা আব্দ (বান্দা)
শব্দটিকে সম্বন্ধ করে নাম রাখা
হারাম।যেমন- আব্দুল ওজ্জা (ওজ্জার
উপাসক), আব্দুশ শামস (সূর্যের উপাসক),
আব্দুল কামার (চন্দ্রের উপাসক), আব্দুল
মোত্তালিব (মোত্তালিবের দাস),
আব্দুল কালাম (কথার দাস), আব্দুল
কাবা (কাবাগৃহের দাস), আব্দুন নবী
(নবীর দাস), গোলাম রসূল (রসূলের দাস)
, গোলাম নবী (নবীর দাস), আব্দুস শামছ
(সূর্যের দাস), আব্দুল কামার (চন্দ্রের
দাস), আব্দুল আলী (আলীর দাস), আব্দুল
হুসাইন (হোসাইনের দাস), আব্দুল আমীর
(গর্ভনরের দাস), গোলাম মুহাম্মদ
(মুহাম্মদের দাস), গোলাম আবদুল
কাদের (আবদুল কাদেরের দাস)
গোলাম মহিউদ্দীন (মহিউদ্দীন এর
দাস) ইত্যাদি। তবে আমাদের দেশের
প্রেক্ষাপটে দেখা যায় নামের
মধ্যে ‘আব্দ’ শব্দটা থাকলেও ডাকার
সময় ‘আব্দ’ শব্দটা ছাড়া ব্যক্তিকে
ডাকা হয়। যেমন আব্দুর রহমানকে
ডাকা হয় রহমান বলে। আব্দুর রহীমকে
ডাকা হয় রহীম বলে। এটি অনুচিত। আর
যদি দ্বৈত শব্দে গঠিত নাম ডাকা
ভাষাভাষীদের কাছে কষ্টকর ঠেকে
সেক্ষেত্রে অন্য নাম নির্বাচন
করাটাই শ্রেয়। এমনকি অনেক সময়
আল্লাহর নামকে বিকৃত করে ডাকার
প্রবণতাও দেখা যায়। এ বিকৃতির
উদ্দেশ্য যদি হয় আল্লাহকে হেয় করা
তাহলে ব্যক্তির ঈমান থাকবে না। আর
এই উদ্দেশ্য না থাকলেও এটি করা
অনুচিত।
দুই: অনুরূপভাবে যেসব নামকে কেউ
কেউ আল্লাহর নাম মনে করে ভুল করেন
অথচ সেগুলো আল্লাহর নাম নয় সেসব
নামের সাথে আব্দ বা দাস শব্দকে
সম্বন্ধিত করে নাম রাখাও হারাম।
যেমন- আব্দুল মাবুদ (মাবুদ শব্দটি আল্লহর
নাম হিসেবে কুরআন ও হাদীছে
আসেনি; বরং আল্লাহর বিশেষণ
হিসেবে এসেছে), আব্দুল মাওজুদ
(মাওজুদ শব্দটি আল্লহর নাম হিসেবে
কুরআন ও হাদীছে আসেনি)।
তিন: মানুষ যে উপাধির উপযুক্ত নয়
অথবা যে নামের মধ্যে মিথ্যাচার
রয়েছে অথবা অসার দাবী রয়েছে
এমন নাম রাখা হারাম।যেমন-
শাহেনশাহ (জগতের বাদশাহ) বা
মালিকুল মুলক (রাজাধিরাজ) নাম বা
উপাধি হিসেবে নির্বাচন করা।
সাইয়্যেদুন নাস (মানবজাতির নেতা)
নাম রাখা।একই অর্থবোধক হওয়ার
কারণে মহারাজ নাম রাখাকেও
হারাম বলা হয়েছে।
চার: যে নামগুলো আল্লাহর জন্য খাস
সেসব নামে কোন মাখলুকের নাম
রাখা বা কুনিয়ত রাখা হারাম।
যেমন- আল্লাহ, আর-রহমান, আল-হাকাম,
আল-খালেক ইত্যাদি। তাই এসব নামে
কোন মানুষের নাম রাখা সমীচীন নয়।
পক্ষান্তরে আল্লাহর নামসমূহের মধ্যে
যেগুলো শুধু আল্লাহর জন্য খাস নয়; বরং
সেগুলো আল্লাহর নাম হিসেবেও
কুরআন হাদিসে এসেছে এবং
মাখলুকের নাম হিসেবেও এসেছে
সেসব নাম দিয়ে মাখলুকের নাম
রাখা যেতে পারে। কুরআনে
এসেছে-
ﻗَﺎﻟَﺖِ ﺍﻣْﺮَﺃَﺓُ ﺍﻟْﻌَﺰِﻳﺰِ
অর্থ- আলআযিযের স্ত্রী বলেছেন
”[সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৫১
যেসব নাম রাখা মাকরুহ
এমন শব্দে দিয়ে নাম রাখা যার
অনুপস্থিতিকে মানুষ কুলক্ষণ মনে করে।
যেমন- কারো নাম যদি হয় রাবাহ
(লাভবান)। কেউ যদি রাবাহকে
ডাকে, আর রাবাহ বাড়ীতে না-
থাকে তখন বাড়ীর লোকদেরকে
বলতে হবে রাবাহ বাড়ীতে নেই। এ
ধরনের বলাকে সাধারণ মানুষ কুলক্ষণ
মনে করে। অনুরূপভাবে আফলাহ
(সফলকাম), নাজাহ (সফলতা) ইত্যাদির
নামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নবী
সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম
এর ধরনের নাম রাখতে নিষেধ
করেছেন। পরবর্তীতে নিষেধ না করে
চুপ থেকেছেন।
যেসব নামের মধ্যে আত্মস্তুতি আছে
সেসব নাম রাখা মাকরুহ। যেমন, মুবারক
(বরকতময়) যেন সে ব্যক্তি নিজে দাবী
করছেন যে তিনি বরকতময়, হতে পারে
প্রকৃত অবস্থা সম্পূর্ণ উল্টো। অনুরূপভাবে,
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম এক মহিলা সাহাবীর
নাম র্বারা (পূন্যবতী) থেকে পরিবর্তন
করে তার নাম দেন যয়নব। এবং বলেন:
তোমরা আত্মস্তুতি করো না। আল্লাহই
জানেন কে পূন্যবান।
দাম্ভিক ও অহংকারী শাসকদের
নামে নাম রাখা। যেমন- ফেরাউন,
হামান, কারুন, ওয়ালিদ। শয়তানের
নামে নাম রাখা। যেমন- ইবলিস,
ওয়ালহান, আজদা, খিনজিব, হাব্বাব
ইত্যাদি।
যে সকল নামের অর্থ মন্দ। মানুষের
স্বাভাবিক রুচিবোধ যেসব শব্দকে
নাম হিসেবে ঘৃণা করে; ভদ্রতা ও
শালীনতার পরিপন্থী কোন শব্দকে
নাম বা কুনিয়ত হিসেবে গ্রহণ করা।
যেমন, কালব (কুকুর) মুররা (তিক্ত) হারব
(যুদ্ধ)।
নেককার ব্যক্তিদের নামে নাম
রাখাও উত্তম। এর ফলে সংশ্লিষ্ট
নামের অধিকারী ব্যক্তির
স্বভাবচরিত্র নবজাতকের মাঝে
প্রভাব ফেলার ব্যাপারে আশাবাদী
হওয়া যায়। এ ধরনের আশাবাদ ইসলামে
বৈধ। এটাকে তাফাউল ( ﺗَﻔَﺎﺅُﻝٌ) বলা হয়।
নেককার ব্যক্তিদের শীর্ষস্থানে
রয়েছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর
সাহাবায়ে কেরাম। তারপর
তাবেয়ীন। তারপর তাবে-তাবেয়ীন।
এরপর আলেম সমাজ।
আমাদের দেশে শিশুর জন্মের পর নাম
রাখা নিয়ে আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে
একটা প্রতিযোগিতা দেখা যায়।
দাদা এক নাম রাখলে নানা অন্য
একটা নাম পছন্দ করেন। বাবা-মা
শিশুকে এক নামে ডাকে। খালারা
বা ফুফুরা আবার ভিন্ন নামে ডাকে।
এভাবে একটা বিড়ম্বনা প্রায়শঃ
দেখা যায়। এ ব্যাপারে শাইখ বাকর
আবু যায়দ বলেন, নাম রাখা নিয়ে
পিতা-মাতার মাঝে বিরোধ দেখা
দিলে শিশুর পিতাই নাম রাখার
ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।
“তোমরা তাদেরকে তাদের
পিতৃপরিচয়ে ডাক। এটাই আল্লাহর
কাছে ন্যায়সঙ্গত।[সূরা আহযাব ৩৩:৫]
শিশুর পিতার অনুমোদন সাপেক্ষে
আত্মীয়স্বজন বা অপর কোনো ব্যক্তি
শিশুর নাম রাখতে পারেন। তবে যে
নামটি শিশুর জন্য পছন্দ করা হয় সে
নামে শিশুকে ডাকা উচিত। আর
বিরোধ দেখা দিলে পিতাই পাবেন
অগ্রাধিকার।
কোনো ব্যক্তির প্রতি সম্মান
দেখানোর জন্য তাকে তার সন্তানের
নাম দিয়ে গঠিত কুনিয়ত বা উপনামে
ডাকা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বড়
সন্তানের নামের পূর্বে আবু বা পিতা
শব্দটি সম্বন্ধিত করে কুনিয়ত রাখা
উত্তম। যেমন- কারো বড় ছেলের নাম
যদি হয় “উমর” তার কুনিয়ত হবে আবু উমর
(উমরের পিতা)। এক্ষেত্রে বড়
সন্তানের নাম নির্বাচন করার উদাহরণ
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম এর আমল থেকে পাওয়া
যায়। এক সাহাবীর কুনিয়াত ছিল আবুল
হাকাম। যেহেতু হাকাম আল্লাহর খাস
নাম তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পরিবর্তন
করে দিলেন। তিনি জিজ্ঞেস
করলেন: তোমার ছেলে নেই?
সাহাবী বললেন: শুরাইহ, মুসলিম ও
আব্দুল্লাহ। তিনি বললেন: এদের মধ্যে
বড় কে? সাহাবী বললেন: শুরাইহ। তখন
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমার নাম
হবে: আবু শুরাইহ।

posted from Bloggeroid

যেনে নিন ইসলাম কি বলে বাসর রাত সম্পরকে

যেনে নিন ইসলাম কি বলে বাসর রাত সম্পরকে

ইসলাম ডেস্ক : ১- বাসরঘরে স্ত্রীর
মাথার অগ্রভাগে ডান হাত রাখা
এবং দু’আ পড়া :
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘তোমাদের কেউ যখন কোনো নারী,
ভৃত্য বা বাহন থেকে উপকৃত হয়
(বিয়েবা খরিদ করে) তবে সে যেন
তার মাথার অগ্রভাগ ধরে,
বিসমিল্লাহ পড়ে এবং বলে :
(‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এর
ও এর স্বভাবের কল্যাণ প্রার্থনা করছি
এবং এর ও এর স্বভাবের অকল্যাণ
থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।)’
২- স্বামী-স্ত্রী উভয়ে একসঙ্গে দুই
রাকা‘ত সালাত আদায় করা:
আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ রাদিআল্লাহু
আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, স্ত্রী যখন
স্বামীর কাছে যাবে, স্বামী তখন
দাঁড়িয়ে যাবে। আর স্ত্রীও দাঁড়িয়ে
যাবে তার পেছনে। অতপর তারা
একসঙ্গে দুইরাকা‘ত সালাত আদায়
করবে এবং বলবে :
‘হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য আমার
পরিবারে বরকত দিন আর আমার
ভেতরেও বরকত দিন পরিবারের জন্য।
আয় আল্লাহ, আপনি তাদের থেকে
আমাকে রিযক দিন আর আমার থেকে
তাদেরও রিযক দিন। হে আল্লাহ,
আপনি আমাদের যতদিন একত্রে
রাখেন কল্যাণেই একত্র রাখুনআর
আমাদের মাঝে যখন বিচ্ছেদ ঘটিয়ে
দেবেন তখন কল্যাণের পথেই বিচ্ছেদ
ঘটাবেন।’
৩- স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের দু‘আ পড়া।
স্ত্রী সহবাসকালে নিচের দু’আ পড়া
সুন্নত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘তোমাদের কেউ যদি
স্ত্রীসঙ্গমকালে বলে :
(আল্লাহর নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ,
আমাদেরকে শয়তানের কাছ থেকে
দূরে রাখুন আর আমাদের যা দান করেন
তা থেকে দূরে রাখুন শয়তানকে।) তবে
সে মিলনে কোনো সন্তান দান করা
হলে শয়তান কখনো তার ক্ষতি করতে
পারবে না।’
৪- নিষিদ্ধ সময় ও জায়গা থেকে বিরত
থাকা :
আবূ হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে
বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘যে ব্যক্তি কোনো ঋতুবতী মহিলার
সঙ্গে কিংবা স্ত্রীর পেছন পথে
সঙ্গম করে অথবা গণকের কাছে যায়
এবং তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে,
সে যেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যা
অবতীর্ণহয়েছে তা অস্বীকার করলো।’
৫- ঘুমানোর আগে অযূ বা গোসল করা :
স্ত্রী সহবাসের পর সুন্নত হলো অযূ বা
গোসল করে তবেই ঘুমানো। অবশ্য
গোসল করাই উত্তম। আম্মার বিন
ইয়াসার রাদিআল্লাহু আনহু থেকে
বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘তিন ব্যক্তির কাছে ফেরেশতা আসে
না : কাফের ব্যক্তির লাশ, জাফরান
ব্যবহারকারী এবং অপবিত্র শরীর
বিশিষ্ট ব্যক্তি, যতক্ষণ না সে অযূ
করে।’
৬- ঋতুবতীর স্ত্রীর সঙ্গে যা কিছুর
অনুমতি রয়েছে :
হ্যা, স্বামীর জন্য ঋতুবতী স্ত্রীর
সঙ্গে যোনি ব্যবহার ছাড়া অন্য সব
আচরণের অনুমতি রয়েছে। স্ত্রী পবিত্র
হবার পর গোসল করলে তার সঙ্গে
সবকিছুই বৈধ। কারণ, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেন,
‘… সবই করতে পারবে কেবল সঙ্গম
ছাড়া।’
৭- বিয়ের নিয়ত শুদ্ধ করা :
নারী-পুরুষের উভয়ের উচিত বিয়ের
মাধ্যমে নিজকে হারামে লিপ্ত
হওয়া থেকে বাঁচানোর নিয়ত করা।
তাহলে উভয়ে এর দ্বারা ছাদাকার
ছাওয়াব লাভ করবে।কারণ, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেন,
‘তোমাদের সবার স্ত্রীর যোনিতেও
রয়েছে ছাদাকা। সাহাবীরা
জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ,
আমাদের কেউ কি তার জৈবিক
চাহিদা মেটাবে আর তার জন্য সে
কি নেকী লাভ করবে? তিনি বললেন,
‘তোমরা কি মনে করো যদি সে ওই
চাহিদা হারাম উপায়ে মেটাতো
তাহলে তার জন্য কোনো গুনাহ হত না?
(অবশ্যই হতো) অতএব তেমনি সে যখন তা
হালাল উপায়ে মেটায়, তার জন্য
নেকী লেখা হয়।’
৮- স্ত্রী সান্নিধ্যের গোপন তথ্য
প্রকাশ না করা :
বিবাহিত ব্যক্তির আরেকটি কর্তব্য
হলো স্ত্রী সংসর্গের গোপন তথ্য
কারো কাছে প্রকাশ না করা।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে ওই
ব্যক্তি সবচে নিকৃষ্ট বলে গণ্য হবে যে
তার স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হয় এবং স্ত্রী তার
ঘনিষ্ঠ হয় অতপর সে এর গোপন বিষয়
প্রচার করে।’


posted from Bloggeroid

ইসলামের দৃষ্টিতে বায়ে কত প্রকার ও কি কি

ইসলামের দৃষ্টিতে বায়ে কত প্রকার ও কি কি

ওয়াজিব বিয়ে
যখন বিয়ে প্রয়োজন তথা দেহ-মনে
তার চাহিদা থাকে। তার এই পরিমাণ
সামর্থ থাকে যে প্রতিদিনের খরচ
প্রতিদিন উপার্জন করে খেতে
পারে। তখন বিয়ে করা ওয়াজিব।
বিয়ে থেকে বিরত থাকলে গুণাহগার
হবে।
ফরজ বিয়ে
যদি সামর্থ থাকার সাথে সাথে
চাহিদা এতো বেশি থাকে যে,
বিয়ে না করলে হারাম কাজে লিপ্ত
হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তবে বিয়ে
করা ফরজ।
ﻣﻦ ﺍﻟﻔﻌﻞ ﺍﻟﺤﺮﺍﻡ ﺍﻟﻨﻈﺮ ﺍﻟﻤﺤﺮﻭﻡ ﻭﺍﻻﺳﺘﻤﻨﺎﺀ ﺑﺎﻟﻜﻒ
অর্থঃ কু-দৃষ্টি ও হস্তমৈথুন হারাম
কাজের অন্তর্ভূক্ত।
সুন্নাত বিয়ে
যদি বিয়ের চাহিদা না থাকে কিন্তু
স্ত্রীর অধিকার আদায়ের সামর্থ
রাখে তবে বিয়ে করা সুন্নত।
নিষিদ্ধ বিয়ে
যদি কারো আশংকা হয় সে স্ত্রীর
অধিকার আদায় করতে পারবে না।
চাই তা দৈহিক হোক বা আর্থিক
হোক। তার জন্য বিয়ে করা নিষিদ্ধ।
মতভেদপূর্ণ বিয়ে
যদি চাহিদা ও প্রয়োজন থাকে কিন্তু
সামর্থ না থাকে তাহলে তার
বিয়ের ব্যাপারে বিভিন্ন মতামত
পাওয়া যায়। অধমের মতে ওয়াজিবের
মতটিই অগ্রগণ্য। সামর্থ কষ্ট-শ্রম ও ঋণ
করার দ্বারা অর্জন হয়। যদি সে তা
আদায় করার পরিপূর্ণ ইচ্ছা রাখে।
আদায়ের চেষ্টাও করে। যদি সে
আদায় করতে না পারে তবে আশা
করা যায় আল্লাহ তার ঋণদাতাকে
রাজি করিয়ে দিবেন। কেননা
দীনের সংরক্ষণের জন্য ঋণ
করেছিলো। কিন্তু অপ্রয়োজনীয়
কাজের জন্য ঋণ করা নাজায়েয। বরং
ভরণ-পোষণ ও মহর আদায় করার জন্য -যদি
তা নগদ প্রদান করতে হয়- ঋণ করতে
পারবে।
অন্যরা যা পড়ছেন

posted from Bloggeroid